শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল

ডেস্ক নিউজঃ আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের ছুটির ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে এই দীর্ঘ ছুটির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঈদের আগে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার (২৩ মে) অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে (রোববার) পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

দীর্ঘ এই ছুটির কারণে সরকারি কার্যক্রম সচল রাখতে ঈদের আগের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ফলে ২৩ মে শনিবার যথারীতি অফিস খোলা থাকবে।

উল্লেখ্য, সরকার দেশের কর্মক্ষেত্রগুলোতে ঈদের আমেজ ও ছুটির ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই নির্দেশনা মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।




ঈদযাত্রায় ট্রেনে শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই: রেল সচিব

ডেস্ক নিউজঃ আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেন চলাচলে কোনো ধরনের শিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম।

শনিবার (২৩ মে) সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

রেল সচিব জানান, ঈদযাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, আমরা তৎপর আছি। বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় করা হচ্ছে। আশা করছি, এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে।

সচিব আরও বলেন, সড়ক, রেল এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী একজনই। কাজেই ঈদযাত্রায় সমন্বয়ের কোনো অভাব নেই।

ট্রেনের ছাদে যাত্রী ভ্রমণ ঠেকাতে বিশেষ নজরদারির কথাও জানান তিনি। ফাহিমুল ইসলাম বলেন, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের মধ্যে ট্রেনের ছাদে ওঠার প্রবণতা দেখা যায়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, জিআরপি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত মোতায়েন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের ট্রেনগুলোতে ছাদে ওঠার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতে ম্যাজিস্ট্রেটসহ ভ্রাম্যমাণ আদালত দায়িত্ব পালন করবে।

স্টেশনে টিকিটবিহীন যাত্রী প্রবেশ ঠেকাতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে রেলসচিব বলেন, টিকিট ছাড়া যাত্রীরা যাতে স্টেশনে ঢুকতে না পারে সে জন্য নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। তারাই সাধারণত ভিড় ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।

তিনি আরও বলেন, যাত্রী চাপের কারণে এবারও ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট রাখা হয়েছে। ঈদের সময় রেলের চাহিদা অনেক বেশি থাকে, যা পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব হয় না।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, জিআরপি, মেট্রোপলিটন পুলিশ ও এপিবিএনের সদস্যরা একসঙ্গে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি। কমলাপুর স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ছিনতাই, পকেটমার ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। রেলসচিব বলেন, যাত্রীরা যেকোনো অভিযোগ, তথ্য বা সহায়তার জন্য রেলওয়ের ১৩১ হটলাইনে যোগাযোগ করতে পারবেন।




বজ্রাঘাতে এক দিনে প্রাণ গেল ৭ জনের

ডেস্ক নিউজ : দেশের বিভিন্ন জেলায় শুক্রবার (২২ মে) বিচ্ছিন্ন বজ্রবৃষ্টি হয়েছে। এসময় বজ্রাঘাতে অন্তত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

একই সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভ্যাপসা গরমে অস্বস্তি বেড়েছে জনজীবনে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামী আরও চার থেকে পাঁচ দিন এমন গরম ও বিচ্ছিন্ন বৃষ্টির পরিস্থিতি থাকতে পারে।

রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু এলাকায় শুক্রবার বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনায় অন্তত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে জমিতে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে মারা যান কৃষক মো. মালেক (৪০। ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে নিহত হন কৃষক ইদ্রিস আলী ফকির (৬৫)। ভোলার লালমোহনে বজ্রপাতে প্রাণ হারায় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. ইয়ামিন (১১)। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে চা শ্রমিক স্বপন মুণ্ডা (২৩) এবং রাজনগরে হাওরে ধান কাটতে থাকা কৃষক তালেব মিয়া (৪০) বজ্রপাতে মারা যান।

নেত্রকোনার আটপাড়ায় নিহত হন সোলায়মান মিয়া (২২)। শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে বজ্রপাতে মারা যান ফয়সাল বেপারী (৩৫)। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় পৃথক ঘটনায় বিদ্যুৎস্পর্শে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন হৃদয় হোসেন (২২) ও আশরাফ আলী (২৭)।

এদিকে তাপপ্রবাহের বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, শুক্রবার দেশের ১৩ জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে।

এর মধ্যে রাজশাহী ও বাগেরহাটে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাতক্ষীরায় ৩৬ দশমিক ৮, পটুয়াখালীতে ৩৬ দশমিক ৭, যশোর, ফেনী ও বান্দরবানে ৩৬ দশমিক ৬, নোয়াখালীতে ৩৬ দশমিক ৫ এবং মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জে ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় বাগেরহাটের মোংলা ও লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
রাজধানীতেও গরমের তীব্রতা ছিল বেশি। সকাল থেকে আকাশ মেঘলা থাকলেও দুপুরের পর বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে, ঢাকায় ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে বৃষ্টির পরও কমেনি ভ্যাপসা গরম। বৃহস্পতিবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শুক্রবার তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৪ দশমিক ৭ ডিগ্রিতে।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিন এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। আগামী বৃহস্পতিবারের পর থেকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করতে পারে। তাপপ্রবাহের পাশাপাশি আগামী দুদিন প্রায় সব বিভাগেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। যার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের প্রায় ৭৫ শতাংশ এলাকাজুড়ে বৃষ্টি হতে পারে। তিনি আরও জানান, বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা বাড়ছে। তাই বিশেষ করে খোলা মাঠ, জলাশয় বা উঁচু স্থানে অবস্থানকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।




শনিবার থেকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটি শুরু

ডেস্ক নিউজ : আগামীকাল শনিবার (২৩ মে) থেকেই শুরু হচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঈদের ছুটি। ৬ জুন পর্যন্ত বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকবে।

আগের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রাথমিক বিদ্যালয় আগামীকাল খোলা থাকার কথা ছিল। আজ শুক্রবার রাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন তথ্য জানায়।

জনসংযোগ কর্মকর্তা তানভীর মিয়ার সই করা মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় বলা হয়, আগামীকাল শনিবার ২৩ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকবে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সাধারণ প্রশাসন বিভাগের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেনের সই করা এক আদেশে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ১৪ মের প্রজ্ঞাপন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২১ মের স্মারক মোতাবেক ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশব্যাপী সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস আগামী ২৫ মে সোমবার থেকে ৩১ মে রোববার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

আগামী ২৩ মে শনিবার ও ২৪ মে রোববার অফিসগুলো খোলা থাকবে। এ প্রজ্ঞাপনের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।




রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী, দ্রুত তদন্তের আশ্বাস

ডেস্ক নিউজ : রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার রামিসার বাসায় গিয়ে তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে পল্লবী এলাকায় রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী রামিসার শোকাহত পরিবারে প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

পল্লবীতে গত মঙ্গলবার ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যা করা হয়। গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানার জবানবন্দি অনুযায়ী, হত্যার আগে রামিসাকে ধর্ষণ করা হয়।

গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের মধ্যম শিয়ালদী গ্রামে এশার নামাজ শেষে রামিসার জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় তাকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবি উঠেছে। এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।




বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে সালমান এফ রহমানের হাঁসফাঁস, ‘এই গরমে মরেই যাবো’

ডেস্ক নিউজঃ রাজধানীর আদালতে হাজিরা দিতে এসে তীব্র গরম ও নিরাপত্তা সরঞ্জামের অস্বস্তিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। এসময় সঙ্গে ছিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও ঢাকা-১৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে মহানগর দায়রা জজ আদালতে আনা হয় তাদের ৷

প্রিজনভ্যান থেকে প্রথমে সালমান এফ রহমানকে নামানো হয়। আদালত প্রাঙ্গণে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা প্রিজন ভ্যান থেকে নামিয়ে হাজতখানায় নেওয়ার সময় তাকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, হেলমেট ও হাতকড়া পরিয়ে দেন। তখন তিনি বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, এই গরমে এসব পরে মরেই যাবো। অনেক গরম, খুব গরম।

এরপর নামানো হয়, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং ঢাকা-১৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খানকে।

পরে পাঁচ মিনিট পরে আরেকটি প্রিজনভ্যানে কারাবন্দি সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে আনার সময় তাকে পুলিশের কাঁধে ভর দিয়ে প্রিজন ভ্যান থেকে নামতে দেখা যায়। তবে তার মাথায় হেলমেট ছিল না।

এসময় তিনি বলেন, হাসপাতাল থেকে আসছি, দোয়া করবেন। ব্যথা এখনো রয়েছে। তবে তাকে কোন হাসপাতাল থেকে আনা হয়েছে সেটা উল্লেখ করেনি। পরে তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়।

আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর এই প্রথম প্রকাশ্যে সালমান এফ রহমানকে বিরক্তি প্রকাশ করতে ও কথা বলতে দেখা গেলো।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মানি লন্ডারিংয়ের পৃথক দুটি মামলায় হাজিরা দিতে এফ রহমান, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও  সাবেক সংসদ সদস্য সাদেককে আদালতে আনা হয়েছে।




আমেরিকার ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট নিয়ে সংসদে আমি একা কথা বলেছি : রুমিন ফারহানা

ডেস্ক নিউজঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘আমেরিকার ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট নিয়ে সংসদে আমি একা কথা বলেছি। অবাক হয়েছি আমি ছাড়া সংসদে আর একজনও এ নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন নাই।’

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ইন্টারন্যাশনাল জুরিস্টস ফোরাম ফর হিউম্যান রাইটস নামে একটি সংগঠনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।

রুমিন বলেন, ‌‌‘আমি দুঃখ পেয়েছি এবং অবাক হয়েছি, আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট নিয়ে আমি ছাড়া সংসদে আর একজন সংসদ সদস্য প্রশ্ন উত্থাপন করেন নাই।’

‘আমি যদি পাঁচজন সংসদ সদস্যকে পেতাম আমি একটা নোটিশ দিতে পারতাম স্পিকারের কাছে যে, এই বিষয়টার উপর আমরা সংসদ সদস্য পাঁচজন আলোচনার প্রস্তাব রাখছি। কিন্তু আমি তো পাঁচজন সংসদ সদস্যই পেলাম না’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এমন একটি বিষয়ে আলোচনার জন্য পুরো সংসদে পাঁচজন সদস্যকেও পাননি, ফলে বাধ্য হয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এ বিষয়ে কথা বলতে হয়েছে।’




হামের থাবায় দিশেহারা শৈশব, ৯ মাসের কমবয়সীরা মারা যাচ্ছে বেশি

ডেস্ক নিউজঃ হামের ভয়াল থাবায় দেশে অকালে ঝরে যাচ্ছে একের পর এক নিষ্পাপ প্রাণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান জনমনে এক গভীর ও বেদনাবিধুর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, কেন নয় মাসের কম বয়সি শিশুরা হামের কাছে এভাবে হার মানছে? নিয়ম অনুযায়ী, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) অধীনে এই বয়সি শিশুদের হাম-রুবেলা বা এমআর টিকা পাওয়ার কথা নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে, জন্মের পর অন্তত ছয় মাস মায়ের শরীর থেকে পাওয়া অ্যান্টিবডি বা সুরক্ষার অদৃশ্য বর্ম শিশুদের এই ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করে। অথচ সেই প্রাকৃতিক বর্ম আজ যেন পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

সরকারি হিসাব বলছে এক ভয়ঙ্কর বাস্তবতার কথা। দেশজুড়ে হামের উপসর্গ ও সংক্রমণে প্রায় ৪৮১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ৮০ জন নিশ্চিতভাবেই হামে প্রাণ হারিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিস্তারিত বিশ্লেষণে থাকা ৬০টি মৃত শিশুর মধ্যে ২৯ জনেরই বয়স নয় মাসের নিচে। তিন মাস থেকে শুরু করে আট মাস বয়সি শিশুদের এই মৃত্যুর মিছিল জনস্বাস্থ্যের জন্য এক অশনিসংকেত। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, যে বয়সের শিশুদের প্রাকৃতিকভাবে সুরক্ষিত থাকার কথা, তারা কেন এত দ্রুত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে?

বিশেষজ্ঞরা এই মর্মান্তিক পরিস্থিতির পেছনে মূলত মায়ের শরীরে অ্যান্টিবডির অভাব এবং দেশব্যাপী বিরাজমান চরম অপুষ্টিকে দায়ী করছেন। একসময় দেশে ৯৫ শতাংশ মানুষের যে শক্তিশালী ‘হার্ড ইমিউনিটি’ বা সামষ্টিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বলয় ছিল, তা আজ অনেকটাই ভেঙে পড়েছে। মায়েদের অপুষ্টির কারণে শিশুরা জন্মগতভাবেই রোগ প্রতিরোধের কাঙ্ক্ষিত ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তার ওপর আধুনিক জীবনযাত্রায় অনেক ক্ষেত্রে শালদুধ পানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়া শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও দুর্বল করে দিচ্ছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

সুরক্ষার এই দেয়াল ধসে পড়ার পেছনে বিগত বছরগুলোর টিকাদান কর্মসূচির ধারাবাহিকতা ক্ষুণ্ন হওয়াকে একটি বড় কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। ২০২০ সালে মহামারীর ধাক্কা এবং পরবর্তীতে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে টিকাদান কার্যক্রমে বড় ধরনের ছেদ পড়ে। বন্ধ ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনও। এই পুষ্টি ঘাটতি এবং টিকার আওতার বাইরে থাকা শিশুদের পুঞ্জীভূত সংখ্যাই আজকের এই বিপর্যয়ের পটভূমি তৈরি করেছে। ইউনিসেফের তথ্যমতে, আক্রান্ত শিশুদের ৬৫ শতাংশই জীবনের কোনো পর্যায়ে কোনো টিকাই পায়নি।

হামের টিকার কার্যকারিতার একটি নির্দিষ্ট বিজ্ঞান রয়েছে, যা পুরোপুরি বয়সের ওপর নির্ভরশীল। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, ছয় থেকে নয় মাস বয়সিদের ক্ষেত্রে এই টিকা মাত্র ৫০ শতাংশ কাজ করে, যা বয়স বাড়ার সাথে সাথে ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছায়। কিন্তু বর্তমানের এই ভয়াবহ প্রকোপের মুখে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে ভাবতে বাধ্য হয়েছেন নীতিনির্ধারকরা। শিশুদের মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে টিকার কার্যকারিতা কিছুটা কম হলেও, বাধ্য হয়েই টিকা প্রদানের বয়সসীমা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতির ভয়াবহতায় বাংলাদেশের টিকাবিষয়ক সর্বোচ্চ কারিগরি কমিটি নাইট্যাগ এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নিয়মিত নয় মাসের পরিবর্তে এবার প্রাদুর্ভাব সামাল দিতে ছয় মাস বয়সি শিশুদেরও হামের টিকার আওতায় আনা হয়েছে। গত ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ কার্যক্রমে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শতভাগ সাফল্যের দাবি করেছে, ইউনিসেফের মাঠ পর্যায়ের যাচাইয়ে এখনো শহর ও গ্রামের বহু শিশুর টিকা না পাওয়ার উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে, যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পথে একটি বড় বাধা।

হাসপাতালগুলোর চিত্র আরও বেশি করুণ ও হতাশাজনক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, হাসপাতালে ভর্তির প্রথম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে বহু শিশু। চিকিৎসকরা বলছেন, হামের সরাসরি কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই; হাম থেকে নিউমোনিয়া বা অন্যান্য জটিলতা দেখা দিলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অভিভাবকরা শিশুদের হাসপাতালে আনছেন একেবারে শেষ মুহূর্তে, যখন লাইফ সাপোর্ট দিয়েও তাদের বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে না। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার অভাব এবং হাসপাতালগুলোর কাঠামোগত দুর্বলতার কারণেই মৃত্যুর হার জ্যামিতিক হারে বাড়ছে।

মৃত্যুর এই বিভীষিকা কবে থামবে, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট করে কেউ কিছু বলতে পারছেন না। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কণ্ঠে কিছুটা আশার সুর শোনা গেছে। যেহেতু টিকার পূর্ণাঙ্গ প্রভাব তৈরি হতে অন্তত তিন সপ্তাহ সময় লাগে, তাই মে মাসের শেষে শুরু হওয়া টিকাদানের সুফল জুনের মাঝামাঝি বা শেষ দিকে দৃশ্যমান হতে পারে বলে তারা মনে করছেন। এরই মধ্যে উচ্চঝুঁকি বিবেচনায় যেসব এলাকায় আগে টিকাদান সম্পন্ন হয়েছে, সেখানে সংক্রমণের হার কিছুটা কমে আসার প্রমাণ মিলেছে।

তবে এই মহামারী আকারের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় কেবল টিকাদানই যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা। অতীতে কভিড মহামারীর সময় যেমন জরুরি রেসপন্স টিম গঠন করে হাসপাতালগুলোতে শয্যা ও আইসিইউর তথ্য সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল, হামের ক্ষেত্রেও তেমন একটি সমন্বিত উদ্যোগ সময়ের দাবি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীদের জন্য যাতায়াত ও চিকিৎসার ব্যয়ভার সহজলভ্য করা না গেলে, শুধু দীর্ঘসূত্রিতা ও সচেতনতার অভাবে আরও অনেক নিষ্পাপ প্রাণ ঝরে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে এই অদৃশ্য শত্রুর বিরুদ্ধে একটি সুসংগঠিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।




বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক শুরু আজ

ডেস্ক নিউজঃ পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) ৯০তম বৈঠক শুরু হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) তিন দিনব্যাপী এই বৈঠকের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে, যা আগামী শনিবার পর্যন্ত চলবে। বুধবার (২০ মে) বৈঠকে অংশ নিতে কলকাতায় পৌঁছেছে বাংলাদেশের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল।

বাংলাদেশের তরফে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশের জয়েন্ট রিভার কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কবির। এছাড়া বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে আছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ এশিয়া উইংয়ের ডিরেক্টর মোহাম্মদ বাকি বিল্লাহ। আলোচনায় অংশ নেবেন বাংলাদেশের দু’জন কূটনীতিক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন। তিনি দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর-পলিটিক্যাল এবং কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দ।

ভারতের তরফে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কেন্দ্রের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের একজন চিফ ইঞ্জিনিয়ার।

এবারের বৈঠকের গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ ইস্যু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এটিই দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের শেষ বৈঠক।

বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল মুর্শিদাবাদে যাবে। সেখানে বৈঠকের ফাঁকেই ফারাক্কায় নেমে গঙ্গা নদীর পানি পরিমাপ করবেন তারা। পরের দিন শুক্রবার তারা ফিরে আসবেন কলকাতায়। কলকাতার শুক্র ও শনিবার একটি অভিজাত হোটেলে হবে বৈঠক।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৩০ বছর মেয়াদি ওই চুক্তি অনুযায়ী জানুয়ারি থেকে মে এই শুষ্ক মৌসুমে দুই দেশের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি বণ্টনের বিধান রয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, গঙ্গায় পানির প্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হলে ভারত পাবে ৪০ হাজার কিউসেক এবং অবশিষ্ট পানি পাবে বাংলাদেশ।

পানির প্রবাহ ৭০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার কিউসেকের মধ্যে থাকলে বাংলাদেশ পাবে ৪০ হাজার কিউসেক এবং বাকি অংশ পাবে ভারত। আর পানির প্রবাহ ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম হলে দুই দেশ সমানভাবে পানি ভাগ করে নেবে।




অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত

ডেস্ক নিউজঃ শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ কমানো এবং বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়েছে, দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা স্থগিত রয়েছে। সাধারণত একজন শিক্ষার্থী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির সময় একবার এবং পরে নবম শ্রেণিতে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবার রেজিস্ট্রেশন করে।

সেই প্রেক্ষাপটে অষ্টম শ্রেণিতে পুনরায় রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। একই সঙ্গে এটি অভিভাবকদের মাঝেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীন ২০২৬ সালের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনার অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর এবং দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের আপাতত অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে না।