ঈদের ফিরতি ট্রেনযাত্রায় আজ মিলছে ২৭ মার্চের টিকিট

ডেস্ক নিউজঃ ঈদযাত্রার ফিরতি অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মিলছে আগামী ২৭ মার্চের ট্রেনের আসনের টিকিট। 

এর আগে, শুক্রবার (১৩ মার্চ) ঈদযাত্রার ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হয়। ওইদিন ২৩ মার্চের টিকিট বিক্রি হয়।

প্রত্যেকবারের মতো এবারও আন্তঃনগর ট্রেনের সাত দিনের অগ্রিম টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় বিক্রি করা হচ্ছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। এ সময় পাওয়া যাবে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের টিকিট। অন্যদিকে দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকিট।

সম্প্রতি রাজধানীর রেল ভবনে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশেষ ট্রেনযাত্রার প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৪ মার্চের টিকিট ১৪ মার্চ ও ২৫ মার্চের টিকিট ১৫ মার্চ। এছাড়া ২৭ মার্চের টিকিট ১৭ মার্চ, ২৮ মার্চের টিকিট ১৮ মার্চ এবং ২৯ মার্চের টিকিট ১৯ মার্চ বিক্রি করা হবে।

এছাড়াও চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে। যাত্রীদের অনুরোধে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

উল্লেখ্য, ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবার কিনতে পারবেন। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করা যাবে। ঈদ যাত্রার কোনো টিকিট রিফান্ড করা হবে না।




সৈয়দপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজঃ দেশব্যাপী বিশাল পরিসরে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমানে নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থান করছেন। 

সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল সোয়া ১০টায় তিনি আকাশপথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। বিমানবন্দরে অবতরণের পর স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সরকারি কর্মকর্তারা তাকে ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। মূলত কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা করতেই তার এই দিনাজপুর সফর।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ বুলেটপ্রুফ বাসে করে সড়কপথে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। তিনি কাহারোলের বলরামপুর সাহাপাড়া নামক স্থানে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনের মাধ্যমে এই জাতীয় কর্মসূচির শুভ সূচনা করবেন।

এই একই স্থান থেকে প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ভার্চুয়ালি দেশের আরও ৫৪টি জেলায় একযোগে শুরু হতে যাওয়া খাল খনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। সরকারের এই উদ্যোগ দেশের কৃষি খাতে আমূল পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় এই কর্মসূচির পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কিছু পারিবারিক আনুষ্ঠানিকতাও রয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর গোরস্তানে যাওয়ার কথা রয়েছে।

সেখানে তিনি তার নানা মরহুম মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানি মরহুমা তৈয়বা মজুমদার এবং খালা খুরশীদ জাহান হকসহ (চকলেট) অন্যান্য নিকটাত্মীয়দের কবর জিয়ারত করবেন। তিনি সেখানে তার প্রয়াত স্বজনদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলাজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। কৃষি বিপ্লবের লক্ষ্যে দেশব্যাপী এই খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে এবং প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর দেশজুড়ে একযোগে এই কাজ শুরু হবে।




পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

ডেস্ক নিউজঃ ১১ বছর পর পাকিস্তানের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ঐতিহাসিক এই জয়ে দলটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (২০ জুলাই) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সাহসী তরুণরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আজকের শাসরুদ্ধকর ম্যাচে ১১ রানের জয়ে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জিতে প্রমান করেছে, ঐকান্তিক ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা থাকলে জয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব।

তারেক রহমান বলেন, ক্রিকেট দলের নজরকাড়া পারফরমেন্স বাংলাদেশকে গর্বিত করেছে। আমি আশা করি, আমাদের তরুণদের এই সাফল্য জয়যাত্রা অব্যাহত থাকবে।

রোববার (১৫ মার্চ) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারায় টিম টাইগার্স।

এই জয়ে আইসিসির ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে উইন্ডিজকে টপকে ১০ থেকে ৯ নম্বরে উঠেছে বাংলাদেশ।




বাহরাইনে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা

ডেস্ক নিউজঃ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বাহরাইনে আটকে পড়া প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারা সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দর হয়ে দেশে ফিরতে পারবেন। আগামী ২০ মার্চ আটকে পড়া বাংলাদেশিদের জন্য গালফ এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

রোববার (১৫ মার্চ) মানামায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, বাংলাদেশ দূতাবাসের সমন্বয়ে গালফ এয়ারের মাধ্যমে (দাম্মাম টু ঢাকা) একটি বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই বিশেষ ফ্লাইটে যেতে ইচ্ছুক প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকরা ফিরতে পারবেন।

যারা ফিরতে ইচ্ছুক তাদের অবশ্যই অবশ্যই দূতাবাসের ফেসবুক পেইজে প্রদত্ত গুগল লিংকে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। তবে প্লেনের আসন দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ গালফ এয়ার কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভর করবে।

ভ্রমণের সম্ভাব্য তারিখ আগামী ২০ মার্চ বা নিকটবর্তী যে কোন তারিখ। প্রতি আসন (সিট) এর ভাড়া আনুমানিক ৩০০ বাহরাইনি দিনার।

এই ফ্লাইটে যারা যাবেন তারা ২৩ কেজির একটি ব্যাগেজ এবং হ্যান্ড ব্যাগ বহন করতে পারবেন। বাহরাইন থেকে দাম্মাম (সৌদি আরব) পর্যন্ত বাসে যাতায়াত এবং প্রয়োজনীয় সৌদি ট্রানজিট ভিসা উক্ত ভাড়ার মধ্যে নির্ধারিত থাকবে। যাত্রীর টিকেট কনফার্ম হলে গালফ এয়ার কর্তৃপক্ষ যাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করবে।

আগ্রহী বাংলাদেশিদের সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল ১০ টার মধ্যে রেজিষ্ট্রেশন নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করেছে দূতাবাস।




সংসদে ‘বাঘ বিধবা’ ভাতা চালুর দাবি গাজী নজরুল ইসলাম এমপির

ডেস্ক নিউজঃ সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চলে বাঘের আক্রমণে স্বামী হারানো নারীদের জন্য বিশেষ ভাতা চালুর দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি ‘বাঘ বিধবা’ নামে পরিচিত এসব নারীর জন্য সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ দাবি উত্থাপন করেন। সকাল ১১টায় শুরু হওয়া অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। প্রশ্নোত্তর পর্বে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিষয়টি তুলে ধরেন সংসদ সদস্য।

গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, তার নির্বাচনী এলাকা উপকূলীয় হওয়ায় অনেক মানুষ জীবিকার তাগিদে নিয়মিত সুন্দরবনে যান। মধু সংগ্রহ, মাছ ধরা কিংবা কাঠ সংগ্রহসহ বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে তারা জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু এসব কাজে জঙ্গলে প্রবেশ করতে গিয়ে প্রায়ই বাঘের আক্রমণের শিকার হতে হয় অনেককে। এতে পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মারা গেলে তার স্ত্রী ও সন্তানরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে।

তিনি বলেন, এই ধরনের ঘটনায় স্বামী হারানো নারীদের স্থানীয়ভাবে ‘বাঘ বিধবা’ বলা হয়। তাদের অনেকেই আর্থিকভাবে অসহায় হয়ে পড়েন এবং পরিবারের দায়িত্ব একা সামলাতে হয়। তাই তাদের জন্য বিশেষ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আলাদা ভাতা চালু করা জরুরি।

সংসদ সদস্য আরও জানান, অতীতে এ বিষয়ে কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ দায়িত্বে থাকার সময় বাঘের আক্রমণে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সহায়তায় একটি প্রকল্প হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। ওই পরিকল্পনার আওতায় বাঘ বিধবাদের জন্য ভাতা চালু এবং তাদের পরিবারকে সহায়তা দেওয়ার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান গঠনের কথাও ভাবা হয়েছিল।

তিনি জানান, সেই সময় প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণসহ কিছু প্রাথমিক প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। সেখানে একটি কেন্দ্র স্থাপন করে বিধবা নারীদের সন্তানদের শিক্ষা এবং পরিবারের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার কথাও ছিল। তবে পরবর্তী সময়ে নানা কারণে সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়নি এবং বিষয়টি আর অগ্রসর হয়নি।

গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে তার প্রত্যাশা—উপকূলীয় এলাকার বাস্তবতা বিবেচনায় বাঘ বিধবাদের জন্য বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি চালু করা হবে। পাশাপাশি তাদের সন্তানদের শিক্ষা, পুনর্বাসন এবং জীবিকা নিশ্চিত করতে আগে নেওয়া পরিকল্পনাগুলো পুনরায় বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

তিনি আরও মনে করেন, সুন্দরবনসংলগ্ন অঞ্চলের মানুষের জীবন-ঝুঁকিপূর্ণ পেশার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এই পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো আর্থিক ও সামাজিকভাবে কিছুটা নিরাপত্তা পাবে।




বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ডা. শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজঃ আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুর রহমান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাকে এই স্বীকৃতি দেন। গত ১২ মার্চ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জারি করা গেজেট অনুসারে, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি এবং বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা (পারিশ্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা) আইন, ২০২১ এর বিধি ২(১)(ত) এর অধীনে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরকে একই আইনের অধীনে বিরোধী দলের উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সরকারের বিরোধিতাকারী সংসদীয় দল বা জোটের সদস্য সংখ্যা সর্বাধিক হওয়ায় স্পিকার তাদের এ স্বীকৃতি প্রদান করেন।




এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস

ডেস্ক নিউজঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছে। তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আজ রবিবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে ঢাকা থেকে উড্ডয়ন করে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

মির্জা আব্বাসের ভাগ্নে ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে রয়েছেন তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস এবং বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস।




দেশে ফিরলেন ভারতে আটক ৭ বাংলাদেশি

ডেস্ক নিউজঃ ভারতে আটক ৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে শনিবার (১৪ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গের হরিদাসপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট (আইসিপি) থেকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাদের বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের কাউন্সিলর ২৩ ফেব্রুয়ারি ইস্যুকৃত ট্রাভেল পারমিট এবং এফআরআরও কলকাতার ২ মার্চ ‘লিভ ইন্ডিয়া নোটিশ’-এর ভিত্তিতে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। উভয় দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে হরিদাসপুর আইসিপি দিয়ে তাদের হস্তান্তর করা হয়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের জন্য স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ছয়জন এবং মহিলা আইনজীবী সমিতি একজনকে গ্রহণ করেছে।

এ বিষয়ে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার-যশোরের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর শফিকুল ইসলাম জানান, দালাল ও অনলাইনের মাধ্যমে প্রতারকদের প্রলোভনে পড়ে তারা বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিল বিদেশে যাওয়ার আশায়। পরে ভারতের কলকাতায় ঘোরাফেরার সময় পুলিশ তাদের আটক করে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে দমদম জেলে পাঠানো হয়। দুই দেশের মানবাধিকার সংস্থার হস্তক্ষেপে ভারত ও বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ প্রক্রিয়ায় প্রায় দুই বছর সাজাভোগের পর তাদের কলকাতার একটি শেল্টার হোমে রাখা হয়। পরবর্তীতে দেশে ফেরার অনুমতি পেয়ে তারা বাংলাদেশে ফিরে এসেছে। বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ফেরত আসা বাংলাদেশি নাগরিকরা হলেন, বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার আবদা গ্রামের আলতাব হোসেন মাঝির মেয়ে জেসমিন আক্তার, পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার মাদানপুর এলাকার মাঝপাড়া গ্রামের শাহআলমের ছেলে আরমান হোসাইন, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার পাঁচপীর এলাকার রামগোবিন্দ হিসাবিয়া গ্রামের মৃত নুর আলীর মেয়ে রুপা ইসলাম (ওরফে নেহা), গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া উপজেলার ভাঙ্গারহাট এলাকার কোনেরবিটা গ্রামের চিন্ময় বড়াইয়ের ছেলে জিতেন্দ্র বড়াই (ওরফে যতির্ময় বড়াই), যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া গ্রামের নবিসউদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লা আলী, বরিশাল জেলার কোতয়ালি মডেল থানার দপ্তরখানা রোডের স্বরূপ ম্যানসনের বঙ্কিম চন্দ্র হালদারের ছেলে রাজু হালদার (ওরফে সৌরভ হালদার) এবং পটুয়াখালী জেলার সদর থানার ইসলামাবাদ এলাকার পাচাকোরালিয়া গ্রামের ফারিকুল ইসলামের ছেলে আবু তাহের।




দেশজুড়ে খাল খনন কর্মসূচি শুরু ১৬ মার্চ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ বর্তমান সরকার আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি নিয়েছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৩ শাখা থেকে এক পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় এ কর্মসূচি শুরু হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় খাল খননের মাধ্যমে ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন।

একই সঙ্গে আরও ৫৩টি জেলায় মন্ত্রী, উপদেষ্টা, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ ও সংসদ সদস্যরা এ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন।

কৃষি ও সেচ কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি এ কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হবে এবং গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে, যা খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক হবে।




ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও যাজকসহ ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন। সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের হাজার হাজার ধর্মীয় সেবককে মাসিক ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই কার্যক্রমে ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইতকে মাসিক সম্মানী প্রদান করা হবে। এ ছাড়া ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

প্রকল্পের আর্থিক রূপরেখা অনুযায়ী, প্রতিটি মসজিদের জন্য মোট ১০ হাজার টাকা মাসিক সম্মানী নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট মসজিদের ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন।

অন্যদিকে, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলোর জন্য প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মন্দিরের পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা পাবেন। একইভাবে বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ৫ হাজার ও উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা এবং খ্রিস্টান চার্চের পালক বা যাজক ৫ হাজার ও সহকারী যাজক ৩ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন।

জাতীয় পর্যায়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ধর্মের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।