মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ

ডেস্ক নিউজঃ আজ ২৬ মার্চ। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত লড়াইটা শুরু হয়েছিল ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ। জাতি বীর শহিদদের আত্মদানের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে আজ।

একাত্তরের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাঙালি জাতির ওপর হামলে পড়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। কিন্তু বাঙালি জাতি সর্বশক্তি দিয়ে পালটা প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং স্বাধীনতার চূড়ান্ত লড়াইয়ের সূচনা করে। ৯ মাসের ধারাবাহিক রক্তক্ষয়ী লড়াই, অকাতরে আত্মদান এবং বীরত্বের স্বাক্ষর রেখে ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ ভোরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে প্রথম বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়ে তারেক রহমান প্রথম বার স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবার প্রথম বারের মতো জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় আচারের অংশ হিসেবে তিনি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপনের জন্য সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো এ উপলক্ষ্যে তিন স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করেছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকাসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের সূচনা হবে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনসমূহ, সিটি করপোরেশন এবং ঢাকার দৃশ্যমান উঁচু ভবনসমূহে বৃহদাকার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের পরে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এছাড়া বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকরাও জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা আয়োজনে গৌরবের দিনটি পালন করবে। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।

ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির : বর্তমান ও ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য একটি ইনসাফভিত্তিক, স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কর্মমুখর বাংলাদেশ বিনির্মাণে দল-মত-পথনির্বিশেষে দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দীর্ঘদিনের অপশাসন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পরিস্থিতির বিরূপ প্রভাব দেশ ও দশের ওপর পড়ছে। সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে একটি স্বনির্ভর, গতিশীল ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে চলেছে। এ সময় দৃঢ় জাতীয় ঐক্য, সহমর্মিতা ও দেশপ্রেম খুব জরুরি।’

মহান স্বাধীনতা দিবস আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে :প্রধানমন্ত্রী :প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে।’ ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ উপলক্ষ্যে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণসহ প্রবাসে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির অগ্রগতি ও উন্নয়নের ধারাকে আরো বেগবান করতে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে হূদয়ে ধারণ করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘আসুন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাত্পর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করি।’

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেওয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া এবার সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ঢাকার গাবতলী থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত সড়কে তোরণ, পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো হয়নি। জ্বালানি-সংকট মাথায় রেখে কৃচ্ছ্রসাধনের উদ্দেশ্যে এবার ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে দেশব্যাপী কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না। আজ বিকালে বঙ্গভবনের সবুজ লনে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবার ও জীবিত খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। ২৬ মার্চ সকাল ৮টায় দেশের সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের সমাবেশ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হবে। আজ সকাল ৯টায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীর অর্কেস্ট্রা দল ও ওয়ারফেজের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরি : স্বাধীনতাকে অর্থবহ ও কার্যকর করতে রাষ্ট্রের নীতিগত ও পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পির)। ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে গতকাল বুধবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে গেলেও দেশে সংবিধান মেনে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দৃষ্টান্ত রয়েছে, যা দুঃখজনক। চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই স্বৈরাচার উত্খাত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত :স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের সাধারণ মানুষ এখনো স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল থেকে বঞ্চিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে দেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন তিনি।




পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান রোববার (২২ মার্চ) পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটিতে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন।

পরিদর্শনকালে, তিনি দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে দায়িত্ব পালনরত সেনা সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশলাদি বিনিময় করেন।

এ সময় সেনাপ্রধান দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও নিরলস প্রচেষ্টার জন্য আন্তরিক সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও একইভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

সফরকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এডজুটেন্ট জেনারেল; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া; সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সেনা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।




শিশুদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বিশ্ব গড়ার আহ্বান: ওয়াশিংটনে গ্লোবাল সামিটে ডা. জুবাইদা রহমান

ডেস্ক নিউজঃ যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার: গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’-এ অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। দুই দিনব্যাপী এই উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশের ফার্স্ট লেডি ও রাষ্ট্রনেতাদের জীবনসঙ্গীরা যোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে শিশুদের সঠিক যত্ন, শিক্ষা ও মূল্যবোধের ওপর। বাংলাদেশের নবনির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনে বদ্ধপরিকর।’ তিনি দেশে চালু হওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘ফার্মার কার্ড’-এর মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলো বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরেন, যা তৃণমূল পর্যায়ে পারিবারিক স্বচ্ছলতা ও শিশুদের বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

পেশায় চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা ও রোগ প্রতিরোধের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘ডিজিটাল যুগে শিক্ষাব্যবস্থাকে রূপান্তর করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য। বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে শিক্ষকদের ট্যাবলেট কম্পিউটার সরবরাহ ও শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট চালুর মাধ্যমে শহর ও গ্রামের শিক্ষার বৈষম্য দূর করতে কাজ করছে।’

নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে বলেন, ‘দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালুর মাধ্যমে দেশে নারী শিক্ষার যে বিপ্লব শুরু হয়েছিল, বর্তমান সরকার তা স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিস্তৃত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এছাড়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেওয়া পদক্ষেপগুলো নারী কর্মসংস্থানের যে ভিত্তি গড়ে দিয়েছিল, তার সুফল আজ দেশ ভোগ করছে।’

অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, নারী উদ্যোক্তা মেহনাজ মান্নান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। সম্মেলনের ফাঁকে তিনি শীর্ষস্থানীয় ১১টি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবনী প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। আজ বুধবার হোয়াইট হাউসে আয়োজিত সমাপনী অধিবেশনের মাধ্যমে তার এই সফর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।




স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি এই ডাক টিকিট অবমুক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, বুধবার সকাল ৯টা ২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে আগমন করেন। দপ্তরে পৌঁছে তিনি প্রথমে বেশ কিছু জরুরি দাপ্তরিক কার্য সম্পাদন করেন। এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, ডাক সচিব আব্দুন নাসের খান এবং ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলামসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব রুমন জানান, আজ বুধবার বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের এই গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

মন্ত্রিসভার বৈঠক সাধারণত প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় বৈঠকটি একদিন এগিয়ে আনা হয়েছে।

২০০৮ সালের পর দীর্ঘ দেড় যুগ পেরিয়ে এবার এক ভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক আবহে সারা দেশে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে। এবার ১৮ বছর পর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজসহ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে।




২৫ মার্চ রাতে এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাক-আউট পালনের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ  আগামী ২৫ মার্চ রাতে সারাদেশে এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাক-আউট পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই), জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি মিশনসমূহ এ কর্মসূচির আওতার বাইরে থাকবে।

সোমবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ২৫ মার্চ রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত এই ব্ল্যাক-আউট পালন করা হবে। সূত্র: বাসস




ঈদের পর অফিস খুলতেই সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ সাত দিনের দীর্ঘ ছুটি শেষে মঙ্গলবার থেকে খুলেছে সরকারি ও বেসরকারি সব অফিস। প্রশাসনের সর্বোচ্চ কেন্দ্র সচিবালয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে দাফতরিক কার্যক্রম।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠিক সকাল ৯টায় সচিবালয়ে উপস্থিত হয়ে কাজ শুরু করেছেন। বর্তমানে তিনি সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অফিস করছেন।

দিনভর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

বেলা ১১টায় দেশের অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর আজকের কার্যসূচিতে আরও রয়েছে- বিদেশে দক্ষ জনবল পাঠানো এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে বিশেষ বৈঠক। এছাড়া ফ্যামিলি কার্ডের সার্বিক বিষয় নিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে।

সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের পর থেকে বিকাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে।

দীর্ঘ ছুটির পর প্রথম কার্যদিবসেই প্রধানমন্ত্রীর এমন ব্যস্ত সূচি সচিবালয়ে ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।




দেড়যুগ পর স্বাধীনতা দিবসে ফিরছে কুচকাওয়াজ, থাকবে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী

ডেস্ক নিউজঃ দীর্ঘ দেড়যুগ পর আবারও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে ফিরছে ঐতিহ্যবাহী কুচকাওয়াজ। জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অংশগ্রহণে স্থল ও আকাশে প্রদর্শিত হবে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা।

স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে কয়েক দফা মহড়ার মাধ্যমে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা।

এবারের কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাহিনীগুলোর প্রস্তুতি ও সক্ষমতা তুলে ধরা হবে। প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আসাদুল হক।

প্যারেডে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেবেন। ঘোড়ায় চড়ে প্যারেড কমান্ডারের প্রবেশের মধ্য দিয়ে শুরু হবে মূল কুচকাওয়াজ।

এবারের কুচকাওয়াজে থাকবে সাজোয়া, আর্টিলারি, সিগনালস, ইস্ট বেঙ্গল, এয়ার ডিফেন্স, সার্ভিসেস, প্যারা কমান্ডো, নৌবাহিনী ও আধুনিকায়িত ইনফ্যান্ট্রি কন্টিনজেন্টের অংশগ্রহণ।

আকাশপথে প্যারাট্রুপাররা জাতীয় পতাকা নিয়ে অবতরণ করবেন। একইসঙ্গে বিমান বাহিনীর বিভিন্ন কৌশলগত প্রদর্শনীও থাকবে। সবশেষে মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানিয়ে প্রদর্শনীর সমাপ্তি ঘটাবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর ফিরে আসা এই কুচকাওয়াজ স্বাধীনতা দিবসের আয়োজনকে আরও বর্ণিল ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে।




২৫ ও ২৬ মার্চ আলোকসজ্জা করা যাবে না

ডেস্ক নিউজঃ ‘২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ২০২৬’ পালন উপলক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন ও স্থাপনাসমূহে কোনো অবস্থাতেই ২৫ মার্চ রাতে আলোকসজ্জা করা যাবে না।

উল্লেখ্য, জ্বালানি সংকট মাথায় রেখে কৃচ্ছ্রসাধনের উদ্দেশ্যে এবার ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে দেশব্যাপী কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি গত ৮ মার্চ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।

গত ৮ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়।




বাংলাদেশিদের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিতের কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিতের সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। মূলত সরকারি কল্যাণ সুবিধার ওপর চাপ কমাতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সোমবার (২৩ মার্চ) এক বার্তায় ঢাকার মার্কিন দূতাবাস জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের স্বার্থ রক্ষা করাই এই সিদ্ধান্তের প্রধান উদ্দেশ্য।

দূতাবাসের ভাষ্য অনুযায়ী, “আমাদের দায়িত্ব হলো নিশ্চিত করা যে অভিবাসীরা অবৈধভাবে সরকারি কল্যাণমূলক সুবিধা গ্রহণ না করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা সৃষ্টি না করেন।”

বার্তায় আরও বলা হয়, যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সুবিধা ব্যবহারের হার তুলনামূলক বেশি, সেই বিবেচনায় বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে গত ২১ জানুয়ারি থেকে। এর ফলে অভিবাসন সংক্রান্ত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া ও নীতিমালার পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে এই স্থগিতাদেশ কেবল অভিবাসী ভিসার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। অনভিবাসী ভিসা—যেমন পর্যটক বা শিক্ষার্থী ভিসা—এর আওতার বাইরে রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন দূতাবাস।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় সাময়িক জটিলতা তৈরি হলেও শিক্ষার্থী ও ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব পড়বে না।




বৃষ্টি ও ঈদ ছুটির প্রভাবে ঢাকায় কমেছে দূষণ

ডেস্ক নিউজঃ ঈদের আগমুহূর্তে রাজধানী ঢাকার বায়ুমানে এসেছে স্বস্তিদায়ক পরিবর্তন। সাধারণত “বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা” শিরোনামের খবর প্রায়ই দেখা গেলেও এবার তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও ঈদুল ফিতরের ছুটির কারণে দূষণের শীর্ষ তালিকায় নেই ঢাকা; বরং তালিকার অনেক নিচে নেমে গেছে শহরটির অবস্থান।

বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের লাইভ সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ৮৮ নম্বরে।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর ছিল দিল্লি, যার স্কোর ২০২। তালিকায় এরপর রয়েছে লাহোর (১৫৮), সিউল, উলানবাত্তার, কাঠমাণ্ডু, সাংহাই এবং হ্যানয়।

অন্যদিকে একই সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে নির্মল বায়ুর শহর ছিল বাতাম, যার স্কোর ছিল শূন্য। নির্মল বায়ুর তালিকায় আরও রয়েছে সিডনি, সিয়েটল, ক্যানবেরা এবং কোপেনহেগেন।

আইকিউএয়ারের তথ্যে দেখা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বায়ুমানে ভিন্নতা ছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে দূষিত এলাকা ছিল শাহবাগ, যেখানে স্কোর ১৪৪। এছাড়া গুলশান-১-এ ৭৫, বাড্ডা-এ ১০২, নিকেতন-এ ৭৫, বারিধারা-এ ৯৩, হাজারীবাগ-এ ৯৭ এবং মিরপুর-এ ৭৭ রেকর্ড করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার বায়ুমান আবারও খারাপ হতে পারে।

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) অনুযায়ী, বায়ুর মান ০-৫০ হলে ভালো, ৫১-১০০ মাঝারি, ১০১-১৫০ সতর্কতামূলক, ১৫১-২০০ অস্বাস্থ্যকর, ২০১-৩০০ খুবই অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা চরম অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণজনিত কারণে প্রায় ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত।