ঈদ যাত্রায় ট্রেনের পঞ্চম দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

ডেস্ক নিউজঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে বরাবরের মতো এবারও আন্তঃনগর ট্রেনের সাত দিনের অগ্রিম টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় বিক্রি করা হচ্ছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। 

ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির পঞ্চম দিন আজ। পাওয়া যাচ্ছে ১৭ মার্চের ট্রেনের আসনের টিকিট।

শনিবার (৭ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে বিক্রি শুরু হয়েছে টিকিট।

আজ সকালে পাওয়া যাচ্ছে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের টিকিট। অন্যদিকে দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকিট।

চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে। যাত্রীদের অনুরোধে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবার কিনতে পারবেন। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করা যাবে। কোনো টিকিট রিফান্ড করা হবে না।




মানবাধিকার রক্ষা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সহনশীলতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা, মানবাধিকার সুরক্ষা, সহনশীলতা ও বহুত্ববাদের সংস্কৃতি গড়ে তুলতেও সরকার সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এছাড়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করা, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে বাসসকে এসব তথ্য জানান।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আমরা বিশ্বাস করি সমৃদ্ধি গড়ে ওঠে সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে, বিচ্ছিন্নতার মাধ্যমে নয়।  ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও বিদেশি মিশনের প্রতিনিধিরা, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্যরা ইফতার মাহফিলে অংশ নেন। ইফতারের পূর্বে দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, আজকের এই ইফতার শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় নানা জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও ঐক্যের গুরুত্বের কথা। এই মূল্যবোধই একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গঠনের ভিত্তি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার বিচক্ষণ নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ নীতি অনুসরণ করবে, ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ আরো সহজ করবে এবং দায়িত্বশীল বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তুলবে। আমাদের লক্ষ্য আমাদের জনগণ ও বেসরকারি খাতের পূর্ণ সম্ভাবনাকে উন্মোচিত করা। পারস্পরিক স্বার্থ, আস্থা ও সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত’্ব নীতির আলোকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে বাস্তববাদী ও টেকসই।

তিনি বলেন, সরকার আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সমাজের সব স্তরে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রসর হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেবে। উদ্যোগ ও উদ্ভাবনকে উত্সাহিত করে এমন উদার অর্থনৈতিক নীতিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জোরদার করা হবে। বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটি বহুমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলা, যা আমাদের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, নারীর ক্ষমতায়ন ঘটাবে, উদ্যোক্তা সৃষ্টিকে উত্সাহিত করবে এবং সবার জন্য সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।

তিনি আরো বলেন, সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা জোরদার করা, পাঠ্যক্রমে তৃতীয় ভাষা অন্তর্ভুক্ত করা এবং গ্রামীণ এলাকায় প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা সমপ্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে, যাতে প্রবৃদ্ধির সুফল দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে যায়। আমাদের কাছে গণতন্ত্র শুধু ব্যালট বাক্সে সীমাবদ্ধ নয়; এটি অন্তর্ভুক্তি, স্বচ্ছতা ও সংলাপের ধারাবাহিক অঙ্গীকার।

তিনি আরো বলেন, সরকারের উদ্যোগে ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করা হবে, যাতে প্রতিটি পরিবারের নারী সদস্য এবং কৃষি সমপ্রদায়ের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করা যায়।

পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে আমরা আমাদের বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে সমর্থনের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বক্তব্য রাখেন।




দেশে মজুত ডিজেল, পেট্রল ও অকটেন কতদিন চলবে?

ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টন ব্যবহারযোগ্য জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, পরিশোধিত জ্বালানিতে এই মুহূর্তে কোনো তাত্ক্ষণিক সংকট নেই, তবে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে ব্যাঘাত ঘটার শঙ্কা রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে বিশ্বের জ্বালানি বাজারে বড় ধাক্কা পড়ছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেল ও গ্যাসের দাম দ্রুত বাড়ছে, এবং সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদার প্রায় ১০০ শতাংশই আমদানির ওপর নির্ভরশীল। এর মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আসে হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে, যা সরবরাহ করে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত তেল আসে ভারত, চীন, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে।

বিপিসির তথ্যানুযায়ী, মজুত তেলের হিসাব, ডিজেল: ১১ দিনের চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত। পেট্রল: ১২ দিনের চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত। অকটেন: ২৫ দিনের চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত।

বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, “প্রিমিয়াম তেলের ক্ষেত্রে আমাদের দাম জুন পর্যন্ত নির্ধারিত। বিশ্ববাজারের ওঠানামা এই মুহূর্তে আমাদের ওপর তেমন প্রভাব ফেলছে না। তবে বিকল্প উৎস এবং ক্রয় পরিকল্পনা এখন আমাদের প্রধান দৃষ্টি।”

দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহেও প্রভাব পড়তে পারে। রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) জানিয়েছে, দেশে বছরে প্রায় ৬০ লাখ টন এলএনজি আমদানি হয়। এর মধ্যে ৪০ লাখ টন আসে কাতার থেকে, বাকিটা আসে ওমান ও খোলা বাজার থেকে। ইরানের হামলার পর কাতার গ্যাস উৎপাদন স্থগিত রাখায় শিল্প ও কৃষি খাত উদ্বিগ্ন।

বাণিজ্যিক ও কৃষি খাতে সমস্যা এড়াতে বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রয়োজনে বেশি দামে হলেও বিকল্প উৎস থেকে তেল আমদানি করা জরুরি। সিপিডির ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “স্পট প্রাইসে তেল ক্রয় করতে হবে। উৎস বৈচিত্র্য নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ জরুরি।”

এলপিজি খাতেও সংকট দেখা দিতে পারে। দেশে বার্ষিক এলপিজির চাহিদা প্রায় ১৪ লাখ টন, অর্থাৎ প্রতি মাসে ১ লাখ ২০ হাজার টন এলপিজি প্রয়োজন, যা সম্পূর্ণভাবে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানির মাধ্যমে আসে।




সচিবালয়ে নিজের কক্ষের বিদ্যুৎ ব্যবহার কমালেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সচিবালয়ে নিজের কক্ষের অর্ধেক লাইট ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে সকল মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে এসে এই উদ্যোগ নেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে আসেন। তিনি অফিসে এসে নিজ কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইটের সুইচ অফ করে দেন এবং এসির বিদ্যুৎ প্রবাহ ২৫ দশমিক ১ মাত্রায় নিয়ে আসেন। এই মাত্রা নিলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। সেইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে মন্ত্রিসভায় বৈঠকে প্রবেশ করেই কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ করে দিতে এবং এসির মাত্রা কমিয়ে দিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যক্তিক্রমী উদ্যোগের পরে তার দপ্তরের সব কক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে অর্ধেক লাইট বন্ধ এবং এসির মাত্রা কমানো হয়।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের সকল মন্ত্রণালয়, সারাদেশে সরকারি অফিস-আদালত, বেসরকারি ভবন, শপিংমল, বিপণিবিতানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। লাইট কম ব্যবহার করে দিনের বেলা অফিস বা বাড়ি-ঘরের পর্দার জানালার সরিয়ে সূর্যের আলো ব্যবহারের জন্য সবাইকে প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন।




পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ আসন্ন পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উপলক্ষে আগামী ১৪ এপ্রিল পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি)  সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এই বিশাল কর্মসূচি তদারকির জন্য অর্থ সচিবের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি শক্তিশালী সচিব কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, ‘কৃষক কার্ড কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়; এটি দেশের প্রতিটি কৃষকের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতীক হবে।’ এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা ধাপে ধাপে বিভিন্ন সরকারি সেবা লাভ করবেন। এর আওতায় কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি, সহজ শর্তে কৃষিঋণ এবং কৃষি বীমার মতো অত্যাবশ্যকীয় সুবিধা পাবেন।

শুধু শস্য উৎপাদনকারী কৃষকই নয়, বরং মৎস্য চাষী ও প্রাণিসম্পদ খামারিদেরও এই কার্ডের আওতায় আনা হবে। এ ছাড়াও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কৃষকেরা আবহাওয়া, বাজার তথ্য এবং ফসলের রোগবালাই দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে সারা দেশের সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এরপর প্রাক-পাইলট পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ৯টি নির্বাচিত উপজেলার ৯টি ব্লকে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।

নির্বাচিত উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর ও কক্সবাজারের টেকনাফ। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করবে।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি ভর্তুকি বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন। এ ছাড়াও খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত হারে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে।

সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাক-পাইলট ও পাইলট পর্যায় শেষ করে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এই ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এটি দেশের কৃষি খাতে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে সরকার আশা প্রকাশ করছে।




বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন দুবাইয়ে আটকেপড়া ১৮৯ বাংলাদেশি

ডেস্ক নিউজঃ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আটকে পড়া ১৮৯ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ৭টা ৭ মিনিটে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ঢাকা–দুবাই–ঢাকা রুটে দুটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করছে সংস্থাটি।

বুধবার (৪ মার্চ) প্রথম বিশেষ ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করবে। একই ফ্লাইট দুবাই থেকে স্থানীয় সময় রাত ১২টা ২০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় বিশেষ ফ্লাইটটি একই বিমানবন্দর থেকে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে দুবাইয়ের উদ্দেশে উড্ডয়ন করবে। ফিরতি ফ্লাইটটি দুবাই থেকে স্থানীয় সময় রাত ১০টায় ঢাকার উদ্দেশে ছাড়বে।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দুবাই এয়ারপোর্ট অথরিটি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, এমিরেটস ও এয়ার ইন্ডিয়াসহ কয়েকটি এয়ারলাইন্সকে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে।  যেসব বাংলাদেশি যাত্রীর ভিসার মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে অথবা শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে, তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্রমণের সুযোগ দেওয়া হবে।




১৮ মার্চও ছুটির প্রস্তাব, অনুমোদন হলে ঈদের ছুটি হবে সাত দিন

ডেস্ক নিউজঃ আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পূর্বঘোষিত ছুটির পাশাপাশি ১৮ মার্চও ছুটির প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। আর এটি অনুমোদন করা হলে এবার কার্যত ছুটি হবে মোট সাত দিন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর হতে পারে। সম্ভাব্য এই তারিখ ধরে আগেই পাঁচ দিনের ছুটির তারিখ নির্ধারণ করে রেখেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত এই ছুটি নির্ধারণ করা রয়েছে।

এর মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। এ ছাড়া ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পরে ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এখন ঈদের আগে ১৮ মার্চ ছুটি হলে কার্যত ঈদের আগে ছুটি হবে চার দিন। কারণ, ১৭ মার্চ পবিত্র শবে কদরের ছুটি হওয়ার কথা। ফলে ঈদের দিন এবং পরের দুই দিন মিলিয়ে এবার ঈদের মোট ছুটি হবে সাত দিন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র ১৮ মার্চ ছুটির প্রস্তাবের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে ওই সূত্রটি বলেছে, আগামীকাল এ বিষয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হতে পারে। ঈদের পরে ছুটি হলে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস এবং পরে শুক্র ও শনিবার মিলিয়ে ছুটি অনেক বেশি হওয়ায় ঈদের আগে ছুটির প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও এখনো তা চূড়ান্ত হয়নি। জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এ ছুটি বাড়তে পারে।




ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়

ডেস্ক নিউজঃ আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। তবে ঈদের দিন বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে প্রধান জামাত সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ঈদ জামাতের সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সভাপতিত্বে আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে ১ মার্চ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মামুন আল মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত সভার কার্যবিবরণী তুলে ধরেন। সভায় ঈদের জামাত ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয়।

কার্যবিবরণীতে বলা হয়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী প্রচার করতে হবে। জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে মুসলিম দেশের কূটনীতিকদের দাওয়াত দিতে হবে। জামাত অনুষ্ঠানের বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, বেসরকারি টেলিভিশন, সংবাদপত্রসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বহুল প্রচার করতে হবে।

সেখানে আরও বলা হয় নারীদের জন্য জাতীয় ঈদগাহের দক্ষিণ দিকে আলাদা প্রবেশপথসহ আসন রাখার ব্যবস্থা রাখার বিষয়টিও প্রচার করতে হবে। ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতের ইমাম মনোনয়নের জন্য তিনজন আলেম, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত পরিচালনার জন্য তিনজন উপস্থাপকের তালিকা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পাঠাতে হবে।

তালিকা থেকে একজন ইমাম ও বিকল্প ইমাম, একজন ক্কারি ও বিকল্প ক্কারি এবং একজন উপস্থাপক ও বিকল্প উপস্থাপক মনোনয়ন দেবে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ঈদের নামাজের আগে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে হামদ ও নাত এবং ইসলামী গজল পরিবেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

কার্যবিবরণীতে এটাও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঈদগাহ ময়দান সমতলকরণ, ঘাসকাটা, প্যান্ডেল তৈরি (বৃষ্টির জন্য ত্রিপল স্থাপন) এবং ওযুর-পানি, পাত্র ও ট্যাপ, মোবাইল টয়লেট ও সুপেয় পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। হাইকোর্ট মাজার মসজিদের ওজুর স্থানগুলো আগে থেকেই খোলা রাখতে হবে এবং হাইকোর্ট মাজারের কর্মচারীদের সেখানে নিয়োজিত রাখতে হবে।

অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে পানি সরানোর জন্য গণপূর্ত বিভাগের পাশাপাশি ঢাকা ওয়াসা এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর এবং যৌথ সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে বলে জানানো হয়ছে। ঈদগাহের মাঠের চতুর্পাশে মোবাইল টয়লেটের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

ঈদের দিন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে বিশেষ মেডিকেল টিম রাখার ব্যবস্থা করতে কার্যবিবরণীতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে আরও বলা হয়েছে, মাঠে আগত মুসল্লিদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। জামাতের প্রথম কাতারটি আগের বছরের মতো লম্বা করতে হবে যেন ভিআইপিরা প্রথম কাতারে দাঁড়াতে পারেন।

কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, বিদেশি রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক এবং তাদের পত্নীদের নামাজ আদায়ের জন্য আগে থেকে স্থান সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের অভ্যর্থনা জানাতে জেলা প্রশাসন ঢাকার নারী কর্মকর্তা নিযুক্ত করতে হবে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী (পুলিশ, র‍্যাব, এসএসএফ) এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ঈদগাহ ও আশপাশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলেও ওই সভায় জানানো হয়েছে। তাদের পাশাপাশি বাংলাদেশ স্কাউটদের সিটি এসবির ভেটিং সাপেক্ষে নিযুক্ত করতে হবে। প্রবেশপথে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ে স্থাপন করা হবে। অগ্নিনির্বাপণের জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ইউনিট মোতায়েন থাকবে।

রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপে ‘ঈদ মোবারক’ খচিত ব্যানার (বাংলা ও আরবি) দিয়ে সাজানো হবে। ঈদের আগের রাত থেকে পরদিন রাত ১২টা পর্যন্ত বঙ্গভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সচিবালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনে আলোকসজ্জা করা হবে।

দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, বৃদ্ধাশ্রম ও দুস্থকল্যাণ কেন্দ্রে ঈদের দিন উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য ঈদের দিন ঢাকার শিশুপার্ক ও জাতীয় জাদুঘর, আহসান মঞ্জিল ও লালবাগ কেল্লায় বিনা মূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থা থাকবে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে এবং সংবাদপত্রসমূহ বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঈদ উদযাপিত হবে।




দুবাইয়ে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে ইউএস-বাংলার বিশেষ ফ্লাইট

ডেস্ক নিউজঃ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেসব প্রবাসী বাংলাদেশি আটকে পড়েছে তাদের দেশে ফেরাতে ঢাকা–দুবাই–ঢাকা রুটে দুটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

‘মানবিক দিক বিবেচনা করে’ ইউএস-বাংলা ওই দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে বলে বুধবার (৪ মার্চ) এয়ারলাইনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে।

এয়ারলাইনটি জানিয়েছে, বুধবার প্রথম বিশেষ ফ্লাইটটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে দুবাইয়ের উদ্দেশে উড়াল দিবে। একই ফ্লাইট দুবাই থেকে স্থানীয় সময় রাত ১২টা ২০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে।

বৃহস্পতিবার অপর বিশেষ ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে উড়বে। পরে দুবাই থেকে স্থানীয় সময় রাত ১০টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে।

ইউএস-বাংলা জানিয়েছে, ৪৩৬ আসনবিশিষ্ট এয়ারবাস এ৩৩০-৩০০ উড়োজাহাজের মাধ্যমে ফ্লাইটগুলো পরিচালিত হবে। ঢাকা–দুবাই ফ্লাইট নম্বর: বিএস-৩৪১ এবং দুবাই-ঢাকা ফ্লাইট নম্বর: বিএস-৩৪২।

দুবাই এয়ারপোর্ট অথরিটি সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, এমিরেটস, এয়ার ইন্ডিয়াসহ কয়েকটি এয়ারলাইন্সকে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

ইউএস-বাংলা বলছে, যেসব বাংলাদেশি যাত্রীর ভিসার মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে অথবা শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে, তাদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্রমণের সুযোগ দেওয়া হবে।

টিকেট বুকিং সংক্রান্ত যে কোনো তথ্যের জন্য বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের যে কোনো সেলস সেন্টার অথবা নিকটস্থ ট্রাভেল এজেন্সিতে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানিয়েছে এয়ারলাইন্সটি।

এছাড়া, বিস্তারিত তথ্যের জানা যাবে হটলাইন: ১৩৬০৫, মোবাইল: ০১৭৭৭৭৭৭৮০০–৮০৬ নম্বরে।




দুদিনের সফরে ঢাকায় মার্কিন সহকারী মন্ত্রী পল কাপুর

ডেস্ক নিউজঃ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী মন্ত্রী পল কাপুর দুই দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে তিনি ঢাকায় অবতরণ করেন।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের আমলে এটি মার্কিন প্রশাসনের প্রথম উচ্চপর্যায়ের সফর।

বিমানবন্দরে মার্কিন দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পল কাপুরকে স্বাগত জানান। সফরের প্রথম দিন অর্থাৎ আজ মঙ্গলবার তার কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নেই। তবে বুধবার থেকে তার সরকারি কার্যক্রম শুরু হবে।

খসড়া সূচি অনুযায়ী, বুধবার সকালে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে তার দিনের কার্যক্রম শুরু হবে। ওইদিন তার অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে। এছাড়া বুধবার সন্ধ্যায় তিনি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

সফরের শেষ দিন অর্থাৎ আগামী বৃহস্পতিবার তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিনি। একই দিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন পল কাপুর এবং বৃহস্পতিবার রাতেই তার ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে।