জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবাগত প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা জানাবেন, সবার প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ডেস্ক নিউজঃ শপথ গ্রহণের পর নবাগত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির প্রতীক জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এ উপলক্ষে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে চলছে নানা প্রস্তুতি। একদিকে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে, অন্যদিকে নিরাপত্তার কারণে সর্বসাধারণের প্রবেশ সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন খান আনু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রোববার সকাল থেকেই স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ শ্রদ্ধা জানানোর পর আবার জাতীয় স্মৃতিসৌধ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

একাধিক সূত্র জানায়, কাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে এমপি ও বিকেল ৪টার দিকে মন্ত্রিপরিষদ শপথ গ্রহণ করবে। এরপর নবাগত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসবেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে।  সে জন্য সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের বিভিন্ন প্রাঙ্গণ ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হচ্ছে। এ ছাড়া জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।




একসঙ্গে মন্ত্রিসভায় থাকার আলোচনায় দুই ভাই

ডেস্ক নিউজঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ দুটি আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত দুই ভাই বিপুল ভোটে জয়লাভ করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। 

টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন সাবেক উপমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে জয়ী হয়েছেন তার ছোট ভাই ও দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, এই দুই সহোদর এখন একসঙ্গেই জাতীয় সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

টাঙ্গাইল-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে আবদুস সালাম পিন্টু ১ লাখ ৯৮ হাজার ২১৩ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হুমায়ুন কবির পেয়েছেন ৬০ হাজার ৮৭১ ভোট। এই আসনের মোট ১৩৯টি কেন্দ্রে ৬৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ ভোট সংগৃহীত হয়েছে এবং ৫ হাজার ৫৫৫টি ভোট বাতিল হয়েছে।

উল্লেখ্য, আবদুস সালাম পিন্টু টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং ইতিপূর্বে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনেও এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগের পর তিনি আবারও সংসদীয় রাজনীতিতে ফিরলেন।

অন্যদিকে, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ২৭৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আহসান হাবিব মাসুদ ৮০ হাজার ৮২৩ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরহাদ ইকবাল ৬৯ হাজার ৪০৮ ভোট পেয়েছেন।

এই আসনে ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪১২ জন ভোটারের মধ্যে ৬৩ দশমিক ২৫ শতাংশ ভোটার তাদের অধিকার প্রয়োগ করেছেন এবং ৪ হাজার ৪০১টি ভোট বাতিল হয়েছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক এই সভাপতি এবারই প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হলেন।

দুই ভাইয়ের এই যুগপৎ বিজয় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। আবদুস সালাম পিন্টু ইতিপূর্বে শিক্ষা ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও টুকু এবারই প্রথম সংসদীয় কার্যক্রমে অংশ নিতে যাচ্ছেন।

একই পরিবারের দুই সদস্যের এমন সাফল্যে স্থানীয় ভোটাররা তাদের কাছ থেকে সমন্বিত উন্নয়নের প্রত্যাশা করছেন। আগামী মঙ্গলবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দুই ভাই আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সংসদীয় দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।




যমুনাই হবে নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন!

ডেস্ক নিউজঃ বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থায়ী সরকারি বাসভবন নেই। ‘গণভবন’কে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে গড়ে তোলার পর নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন কোথায় হবে—সেটি এখনো প্রস্তুত হয়নি। অথচ মঙ্গলবার শপথ নিতে যাচ্ছেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এখন সবার নজর রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু ও নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে শপথ নেওয়ার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান কোথায় থাকবেন? এ নিয়ে সরকারি-বেসরকারি মহলে চলছে নানামুখী আলোচনা।

সরকারি সূত্র বলছে, বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস দায়িত্ব ছাড়ার পর যমুনাই হবে প্রধানমন্ত্রীর ঠিকানা। তবে সেটি প্রস্তুত করতেও কমপক্ষে দুই মাস সময় লাগবে। কারণ দায়িত্ব ছাড়ার পরের দিন থেকেই যমুনা খালি হচ্ছে না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস কবে যমুনা ছাড়বেন তা সুনির্দিষ্ট নয়। আবার ছাড়ার পরেও তা নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য বাসযোগ্য করতে পুরো যমুনা সংস্কার ও আসবাবপত্র সংযোজনের জন্য কমপক্ষে দুই মাস সময় লাগবে।

তবে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ নম্বর বাড়ি এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য হেয়ার রোড ও বেইলি রোডে ১৫টি বাংলো ও অ্যাপার্টমেন্ট বরাদ্দ রয়েছে। এ ছাড়া বেইলি রোডে তিনটি মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্টে ৩০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী থাকার জন্য সুবিশাল ফ্ল্যাট বাসার ব্যবস্থাও আছে।

অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, মায়ের স্মৃতি ধরে রাখতে তারেক রহমান ফিরোজায় থাকতে পারেন। আবার কেউ বলছেন গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িটিতেও থাকতে পারেন তিনি। লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর পরিবার নিয়ে সেখানেই বাস করছেন তারেক রহমান। সেখানে থেকেই কিছু দিন তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজ করবেন। ইতিমধ্যে ঐ বাড়িসহ পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত বাড়িতে শুধু তিনি একা পরিবার পরিজন নিয়ে থাকলেই হবে না, তার দপ্তর-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নিরাপত্তায় নিয়োজিতদের বাসস্থানেরও ব্যবস্থা থাকতে হবে। যা গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে নেই।

আবার কেউ কেউ বলছেন, নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্মিত হতে পারে নতুন বাসভবন। তবে সেটি সময়সাপেক্ষ। আবার তারেক রহমানের পছন্দ এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ফোর্স, বিশেষ করে এসএসএফের (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) পরামর্শের ওপরও বিষয়টি অনেকটা নির্ভরশীল।

জানা গেছে, গত বছরের ৭ জুলাই নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্ধারণের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়। যার নেতৃত্বে রয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থাপত্য অধিদপ্তর ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা।

নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন কোথায় হবে, তা নিয়ে ঐ কমিটির সদস্যরা কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। প্রথমে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় অবস্থিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বাস্তবতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। কারণ স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের বাড়ি ভেঙে প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি বানালে তারা কোথায় থাকবেন? এর বাইরে স্থপতি লুই আই কানের নকশা সংরক্ষণ না করার অভিযোগ তো রয়েছেই। পরবর্তী সময়ে শেরেবাংলা নগরের পরিত্যক্ত বাণিজ্য মেলার মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নতুন করে বাড়ি বানানোর বিষয়টিও বিবেচনায় আনে ইউনূস সরকার। সেখান থেকে জাতীয় সংসদ ও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে যাওয়া আসার ক্ষেত্রে দূরত্বও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তবে সাধারণ মানুষের বিড়ম্বনার কথা বিবেচনা করে সেটিও বাতিল করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টা যেখানে (যমুনা) আছেন সেটিই আপাতত প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হতে পারে, তবে আমি নিশ্চিত নই। হয়তো নতুন প্রধানমন্ত্রী নিজেই সিদ্ধান্ত নেবেন ওনার জন্য কোনটি যথাযথ হবে।’




নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন দেশি–বিদেশি ১২০০ অতিথি

ডেস্ক নিউজঃ দীর্ঘ দুই যুগ পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার মসনদে ফিরতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাতে পারেন।

এই রাজকীয় আয়োজনে ভারত, পাকিস্তান ও ভুটানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি এবং দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় ১ হাজার ২০০ জন আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে নিশ্চিত করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র। গত বৃহস্পতিবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০৯টি আসনে এককভাবে এবং জোটগতভাবে ২১২টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি।

শপথ অনুষ্ঠানের এই মহাযজ্ঞকে ঘিরে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিদেশি অতিথিদের মধ্যে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে সরাসরি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন।

এ ছাড়া নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ খলিল এবং শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নালিন্দা জয়াতিসাও ঢাকার এই অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। কূটনৈতিক সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে যে, শেষ মুহূর্তে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু নিজেও ঢাকায় আসতে পারেন। যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রার উপস্থিতি অনুষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিবে বলে ধরণা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার দিনের শুরুতেই বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, সকাল ১০টায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবে, যিনি পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের হাল ধরবেন।

এর আগে গতকাল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নিজেদের কর্মকাল ও অভিজ্ঞতার পাশাপাশি নতুন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়।

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণের এই স্থানটি বিএনপির পক্ষ থেকেই নির্বাচন করা হয়েছে। প্রথা অনুযায়ী এই অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিবৃন্দ, জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বিশিষ্ট আইনজীবী, সাংবাদিক এবং কূটনীতিকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, তবে পূর্বনির্ধারিত ‘ইন্ডিয়া-এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’ থাকায় তার পরিবর্তে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ও পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে একটি নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রার সূচনা হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।




রোজায় ট্রাকসেলের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি

ডেস্ক নিউজঃ আসন্ন পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সারা দেশে ট্রাক করে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, বর্তমানে স্মার্ট কার্ডধারী পরিবারের জন্য ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর পাশাপাশি রমজান মাসে বিশেষ ট্রাকসেলের মাধ্যমে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ ভোক্তার কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়া হবে।

টিসিবি জানায়, রোজায় নিয়মিত পণ্য হিসেবে তেল, ডাল ও চিনির পাশাপাশি ছোলা ও খেজুরও বিক্রি করা হবে।

তবে ট্রাকসেলের আওতায় পণ্যের নির্ধারিত পরিমাণ ও মূল্য পরে জানানো হবে।

টিসিবি আরো জানায়, রমজান মাস শুরুর আগের দিন থেকেই ট্রাকসেল কার্যক্রম শুরু হতে পারে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের জন্য রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্য নিয়েছে টিসিবি।




বঙ্গভবন নয়, সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবে নতুন সরকার

ডেস্ক নিউজঃ দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান এবার হতে যাচ্ছে খোলা প্রাঙ্গণে। বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতাদের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। এর আগে একই দিনে সকালে দক্ষিণ প্লাজায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের দুই দিন পর শনিবার থেকেই শপথ আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংসদ সচিবালয়। শনিবার রাতে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা জানান, সকালে সংসদ সদস্যদের এবং বিকেলে নতুন সরকারের শপথের আয়োজন করা হচ্ছে দক্ষিণ প্লাজায়।

সংবিধান অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিধান রয়েছে। শুক্রবার রাতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।

এবারের নির্বাচনে বিএনপি ২০৯ আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। তাদের এক সময়ের মিত্র জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দলে বসতে যাচ্ছে। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছেন।

নতুন সরকারের শপথ সাধারণত রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে পড়িয়ে থাকেন। তবে এবার স্থান পরিবর্তনের তথ্য নিশ্চিত করা হলেও রাষ্ট্রপতি শপথ পড়াবেন কি না—সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানাতে চাননি সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা।

চব্বিশের আন্দোলনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারও বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নিয়েছিল। ফলে এবার স্থান পরিবর্তন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

এদিকে শপথ আয়োজনের মধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ সচিব আব্দুর রশীদকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বঙ্গভবনের পক্ষ থেকে দক্ষিণ প্লাজায় নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু—দুজনই বর্তমানে দায়িত্ব পালনে অনুপস্থিত থাকায় সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন।

সংসদ সদস্যদের শপথের পর সংসদীয় দলের বৈঠকে নেতা নির্বাচন করা হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নির্বাচিত নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে সরকার গঠনের দাবি জানালে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এরপরই নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে।




নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

ডেস্ক নিউজঃ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী মঙ্গলবার নতুন সরকার শপথ নিতে যাচ্ছে। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, আইন মন্ত্রণালয় ও সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপির একাধিক সূত্র সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছে চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান।

প্রসঙ্গত, আগামী মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পায় বিএনপি জোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিরা ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার শপথ নিচ্ছেন। ওই দিন সকালে তাদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।




মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নিয়ে অনুমাননির্ভর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান

ডেস্ক নিউজঃ মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল নিয়ে অপতথ্য ও অনুমাননির্ভর বক্তব্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

রবিবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন মাধ্যমে নানা ধরনের অপতথ্য ও অনুমাননির্ভর বক্তব্য প্রচারিত হচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, প্রকৃতপক্ষে ব্যক্তিগত কারণে তিনি নির্বাচনের কিছুদিন আগেই প্রধান উপদেষ্টার কাছে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির আবেদন জানান।

তবে নির্বাচন সন্নিকটে চলে আসায় মাঠ প্রশাসনের শৃঙ্খলা ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধে তিনি নির্বাচনকাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনে সম্মত হন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিষয়টি নিয়ে অহেতুক অনুমাননির্ভর তথ্য বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।




এনসিপির ঝুলিতে ৬ আসন: নাহিদ ইসলামকে অভিনন্দন বার্তা প্রধান উপদেষ্টার

ডেস্ক নিউজঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাফল্য অর্জন করায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক অভিনন্দন বার্তায় নাহিদ ইসলামের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যে সাহস, দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে, তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। মাত্র এক বছর আগে চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে জন্ম নেওয়া একটি নবীন রাজনৈতিক দল হিসেবে ত্রিশটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা, তার মধ্যে ছয়টিতে বিজয় অর্জন করা এবং আরও কয়েকটি আসনে তীব্র ও সম্মানজনক প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা- এ এক অসাধারণ অর্জন। এই সাফল্য কেবল নির্বাচনী পরিসংখ্যানের বিষয় নয়; এটি তরুণ প্রজন্মের আত্মপ্রত্যয়, স্বপ্ন ও গণতান্ত্রিক চেতনার শক্তিশালী প্রকাশ।’

তিনি বলেন, ‘চব্বিশের সেই উত্তাল দিনগুলোর কথা আজও আমাদের স্মৃতিতে অম্লান। আপনার নেতৃত্ব, সাহসিকতা ও অদম্য মনোবল সেই আন্দোলনকে সুশৃঙ্খল ও লক্ষ্যাভিমুখী করে তুলেছিল। আপনার সহযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ ও দৃঢ় অবস্থান জাতির হৃদয়ে গভীর কৃতজ্ঞতার অনুভূতি জাগ্রত করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং জাতির পক্ষ থেকে আপনাদের সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনাকে কিছুদিন উপদেষ্টা পরিষদে সহকর্মী হিসেবে পাওয়ার সুযোগ আমার জন্য এক মূল্যবান অভিজ্ঞতা। সেই সময়ে আপনার কর্মদক্ষতা, বিষয়ভিত্তিক গভীরতা, নীতিগত দৃঢ়তা এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বোঝার আগ্রহ আমাকে মুগ্ধ করেছে।’

প্রফেসর ইউনূস বলেন, গণতন্ত্র তখনই বিকশিত হয়, যখন নতুন কণ্ঠস্বর উঠে আসে, নতুন ধারণা স্থান পায় এবং প্রজন্মান্তরের সেতুবন্ধন তৈরি হয়। আপনার দলের এই অল্প সময়ের সাফল্য প্রমাণ করে- বাংলাদেশের জনগণ, বিশেষত তরুণ সমাজ, নীতিনিষ্ঠ ও আদর্শভিত্তিক রাজনীতির প্রতি আস্থা রাখতে প্রস্তুত। এই আস্থা রক্ষা করা এখন আপনাদের বড় দায়িত্ব।

তিনি বলেন, সংসদে অর্জিত প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে আপনারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা, বিশেষত তরুণদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা তুলে ধরার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ পেয়েছেন। আমি প্রত্যাশা করি, আপনার নেতৃত্বে জাতীয় নাগরিক পার্টি গঠনমূলক, যুক্তিনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আজকের এই অর্জন আগামী দিনের আরও বড় দায়িত্বের পূর্বাভাস। সংগ্রামের পথ থেকে রাজনীতির মূলধারায় প্রবেশ- এই রূপান্তর যেন আদর্শ ও মূল্যবোধকে অক্ষুণ্ন রাখে, সেটিই আমাদের সবার প্রত্যাশা।

সবশেষে তিনি বলেন, ‘মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে আপনার ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।’




কর্মস্থলে ফিরতে ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুর

ডেস্ক নিউজঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পর নিজ সংসদীয় এলাকার ভোটারদের রাজধানীর কর্মস্থলে ফেরার জন্য ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের ব্যবস্থা করেছেন পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর।

শনিবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেইজে এক বার্তায় এ সংক্রান্ত একটি ঘোষণা দেন নুর।

পোস্টে নুর বলেছে, ‌‘ঢাকা ও চট্টগ্রামের গলাচিপা-দশমিনার সম্মানিত ভোটারদের কর্মস্থলে ফেরার সুবিধার্থে পটুয়াখালী-০৩ (গলাচিপা-দশমিনা) এর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর এর পক্ষ থেকে দেয়া ফ্রি লঞ্চ সার্ভিসের রয়েল ক্রুজ-০২ আজ বিকাল ৪টায় চরকাজল লঞ্চঘাট হতে চর শিবা, আউলিয়াপুর, দশমিনা, বাশবাড়িয়া চাঁদপুর হয়ে ঢাকা আসবে।’

গত ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ‘ট্রাক’ প্রতীক নিয়ে ৯৬ হাজার ৭৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।