গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিতকরণে গুরুত্বারোপ প্রধান উপদেষ্টার

ডেস্ক নিউজঃ বঙ্গোপসাগরের তলদেশে প্লাস্টিকের অস্তিত্ব ও জেলিফিশের অস্বাভাবিক আধিক্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্থলভাগের সমপরিমাণ অঞ্চল জলভাগ হলেও এই বিপুল সম্পদ আমরা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারিনি। 

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম-সংক্রান্ত এক গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

গবেষণা জাহাজ ‘আরভি ডক্টর ফ্রিডজফ ন্যানসেন’ কর্তৃক পরিচালিত এই জরিপ ও গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করে এ সংক্রান্ত কমিটি।

গত বছরের ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আটটি দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানীর সমন্বয়ে এই জরিপ চালানো হয়, যার মধ্যে ১৩ জন ছিলেন বাংলাদেশি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস-এর অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী বৈঠকে গবেষণা উপাত্ত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, গবেষণায় ৬৫ প্রজাতির নতুন জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার চিত্র ফুটে উঠেছে।

অধ্যাপক সায়েদুর বলেন, ‘বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের আধিক্য মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেছে। এটা ইমব্যালেন্সের (ভারসাম্যহীনতা) লক্ষণ। ওভারফিশিংয়ের কারণে এটি হয়েছে।’ এছাড়া দুই হাজার মিটার গভীরতায়ও প্লাস্টিক পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। ২০১৮ সালের গবেষণার তুলনায় দেখা গেছে, গভীর সমুদ্রে বড় মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং স্বল্প গভীরতায়ও মাছের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

বৈঠকে জানানো হয়, গভীর সমুদ্রে ২৭০ থেকে ২৮০টি বড় ট্রলার মাছ আহরণ করলেও এর মধ্যে ৭০টি ট্রলার ‘সোনার’ (Sonar) ব্যবহার করে ‘টার্গেটেড ফিশিং’ করছে। এটি অত্যন্ত আগ্রাসী পদ্ধতি হওয়ায় বড় মাছ ধরা পড়লেও ক্ষুদ্র জেলেরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

এ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ‘এভাবে টার্গেটেড ফিশিং হলে বঙ্গোপসাগর মাছশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ‘সোনার ফিশিং’ নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।’

তবে গবেষণায় টুনা মাছের আধিক্য ও উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের নিচে একটি ‘ফিশিং নার্সারি’র সন্ধান পাওয়া গেছে, যা সংরক্ষণে সরকার নির্দেশ দিয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন, সামুদ্রিক সম্পদকে কাজে লাগাতে পর্যাপ্ত গবেষণা ও পলিসি সাপোর্ট প্রয়োজন। বৈঠকে জানানো হয়, যুক্তরাজ্যের রয়েল নেভির একটি বহুমুখী সার্ভে ভেসেল ‘এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ’ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছে, যা সমুদ্র গবেষণায় সক্ষমতা বাড়াবে। প্রধান উপদেষ্টা জাপান, ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের সাথে যৌথ গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের সমন্বয়েই অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে।

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী ও মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।




হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ

ডেস্ক নিউজঃ টানা তিন সপ্তাহ ধরে চলা তীব্র শৈত্যপ্রবাহে দেশজুড়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে (১ নভেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত) শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় এক লাখ মানুষ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময় ঠান্ডাজনিত জটিলতায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৪৬ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উল্লিখিত সময়ে ৯৮ হাজার ৭৪১ জন রোগী ঠান্ডাজনিত জটিলতায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ হয়ে আক্রান্ত ২৯ হাজার ৫৫৫ জন, মৃত্যু ৪০ জন। এছাড়া ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ৬৯ হাজার ১৮৬ জন, মৃত্যু ৬ জন।

বিভাগীয় হিসেবে ঢাকা বিভাগে শ্বাসতন্ত্রের রোগী এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, শীতের কারণে শিশু রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুরোপুরি বিকশিত না হওয়ায় এবং তীব্র শীতে শ্বাসনালির স্বাভাবিক ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ায় নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস ও ডায়রিয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও শিশু রোগীর সংখ্যা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. পি কে এম মাসুদ উল ইসলাম শিশুদের বিশেষভাবে উষ্ণ রাখা এবং সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শীত মৌসুম শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি জটিল থাকতে পারে। নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে বা ডায়রিয়া হলে দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।




দেশে পরপর দুই ভূমিকম্প, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের বিপদের শঙ্কা

ডেস্ক নিউজঃ মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ব্যবধানে ভোররাতে পরপর দুদফায় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। সোমবার ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে প্রথম ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এর ঠিক ১৩ সেকেন্ড পর ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে দ্বিতীয় দফায় আবার ভূমিকম্প অনুভূত হয় সিলেট অঞ্চলে।

সকালে বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। তিনি জানান, ভোরে বাংলাদেশ এবং ভারতের আসাম রাজ্যে দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্যমতে, প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২ এবং ৩০ সেকেন্ড পর দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি ৫ দশমিক ৪ মাত্রায় সংঘটিত হয়। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যের রাজধানী গোয়াহাটির কাছের মরিগাঁও এলাকা।

আমেরিকান ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়। দ্বিতীয় ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলও একই গভীরতায় ছিল বলে জানা গেছে।

মোস্তফা কামাল পলাশ তাঁর পোস্টে সতর্ক করে বলেন, যেহেতু দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪, যা মধ্যম মানের ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত, তাই আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আফটারশক ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে। এই আফটারশক বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অথবা বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের কোনো ফল্ট লাইনে সংঘটিত হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।




শুল্ক কমানো হয়েছে, এনইআইআর বন্ধ হবে না: ফয়েজ তৈয়্যব

ডেস্ক নিউজঃ মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা হয়েছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বা অবৈধ হ্যান্ডসেট শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া কোনোভাবেই বন্ধ করা হবে না।

রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবন পরিদর্শন শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বিটিআরসি ভবনে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনার কথাও জানান তিনি।

ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, মোবাইল ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার মোবাইল ফোন আমদানির শুল্কহার কমিয়েছে। পাশাপাশি কর ফাঁকি দিয়ে আনা হ্যান্ডসেট বৈধ করার সুযোগও দেওয়া হয়েছে। এরপরও দোকানপাট বন্ধ রেখে সড়ক অবরোধ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ‘অপরাধের লাইসেন্স’ দাবি করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বিটিআরসি ভবন পরিদর্শন করেন। এ সময় বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী ভাঙচুরের ফলে সংস্থাটির ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন।

এদিকে, কয়েক দফা দাবি আদায়ে রোববার কারওয়ান বাজার মোড়ে ফের জড়ো হন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে আবারও সংঘর্ষে জড়ান আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের পর থেকে থেমে থেমে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সেনা ও র‍্যাব সদস্যদেরও নামানো হয়। পুলিশ জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাতটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়েছে এবং টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে।

এর আগে সকালে কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ লাঠিপেটা করে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। সে সময় জলকামান, রায়টকার ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়। দুপুর ১২টার দিকে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ আবার সড়কে বসে পড়লে পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় কয়েকজনকে আটক করা হয় এবং পরে আন্দোলনকারীদের আশপাশের শপিংমলের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।

মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) জানিয়েছে, এনইআইআর ব্যবস্থা চালুর প্রতিবাদ, বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তারদের মুক্তিসহ একাধিক দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সংগঠনটি পরিবারসহ অবস্থান কর্মসূচির পাশাপাশি অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে সব মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণাও দিয়েছে।

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হওয়া অবরোধের কারণে বসুন্ধরা থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। দীর্ঘ যানজটে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী গত ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে এনইআইআর। এই ব্যবস্থার আওতায় মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর জাতীয় ডাটাবেজে যুক্ত হচ্ছে। তবে শুরু থেকেই এ ব্যবস্থার বিরোধিতা করে আসছেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।




ঘন কুয়াশা: ঢাকায় ৪ ঘণ্টা ওঠানামা করেনি কোনো ফ্লাইট

ডেস্ক নিউজঃ ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে চারপাশ। এ কারণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৪ ঘণ্টা কোনো ফ্লাইট ওঠানামা করতে পারেনি। এ অবস্থায় ৮টি ফ্লাইটকে বিভিন্ন গন্তব্যে ডাইভার্ট করা হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৬টার পর থেকে কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় কোনো উড়োজাহাজ ঢাকা ছাড়তে পারেনি, তেমনি নামতেও পারেনি কোনো ফ্লাইট।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, সকাল ৬টার পর কুয়াশায় চারপাশ ঝাপসা হয়ে যাওয়ায় কোনো ফ্লাইট ঢাকা থেকে উড্ডয়ন করতে পারেনি। একই কারণে ঢাকার আকাশে অবস্থান করা প্রায় ৬টি ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে অবতরণ করতে ব্যর্থ হয়। পরে সকাল ৯টা ৫২ মিনিটে কুয়াশা কিছুটা কেটে গেলে পুনরায় ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হয়।

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বিমানবন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বিষয়টি তেমন নয়। মূলত সকাল ৬টার পর থেকে ভিজিবিলিটি বা দৃশ্যমানতা ছিল না। ফলে কোনো ফ্লাইট উড্ডয়ন ও অবতরণ করতে পারেনি। পরিস্থিতি উন্নত হওয়ার পর ৯টা ৫২ মিনিটে পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।

৮টি ফ্লাইটকে বিভিন্ন গন্তব্যে ডাইভার্ট করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর মধ্যে ⁠ছয়টি ফ্লাইট সিলেট বিমানবন্দরে, একটি ফ্লাইট কলকাতা বিমানবন্দরে এবং একটি ফ্লাইট হ্যানয় বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে।

বিমানবন্দর সূত্রে আরও জানা গেছে, কুয়াশার কারণে সময়মতো নামতে না পেরে বেশ কয়েকটি ফ্লাইট ঢাকার আকাশে চক্কর খাচ্ছিল। অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর ফ্লাইটগুলো একে একে রানওয়েতে নামতে শুরু করেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আজ সকাল ৭টায় এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, দুপুর পর্যন্ত ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা থাকতে পারে। এ সময় আকাশ আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার দিনের প্রথমার্ধে আকাশ অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। এ সময় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। তবে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা দেখা যেতে পারে। এ সময়ে উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে।




শুরু হলো ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা

ডেস্ক নিউজঃ পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর যৌথ উদ্যোগে শুরু হলো ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা-২০২৬। এ মেলা চলবে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলার কার্যক্রম চলবে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচল ৪ নম্বর সেক্টরে মেলার স্থায়ী ভেন্যু বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার (বিসিএফইসি) ভবনে পঞ্চমবারের আয়োজিত এ মেলার উদ্বোধন করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন।

মেলার উদ্বোধনে পেপার এন্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টসকে বর্ষ পণ্য ঘোষণা করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান (প্রধান নির্বাহী) অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ হাসান আরিফ, বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান।

এবারের বাণিজ্য মেলায় ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং, মালয়েশিয়াসহ ১১টি বিদেশি প্যাভিলিয়ন অংশ নিচ্ছে। দেশ-বিদেশের উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে ৩২৪টি স্টলে বিভিন্ন ধরনের পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে মেলা প্রাঙ্গণে পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
মেলায় প্রবেশের জন্য টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা। তবে মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও জুলাই আন্দোলনে আহতরা পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে বিনামূল্যে মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন।

দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার ও বিপণনের পাশাপাশি শিল্পোৎপাদন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে ১৯৯৫ সাল থেকে ৩০ বছর ধরে নিয়মিতভাবে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার আয়োজন করা হচ্ছে।




খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল

ডেস্ক নিউজঃ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কবরে দোয়া ও শ্রদ্ধা জানাতে জিয়া উদ্যানে আসছেন বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং মোনাজাতে অংশ নিচ্ছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার পর জিয়া উদ্যানের প্রবেশমুখ খুলে দেওয়া হয়।

প্রবেশের পর বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ খালেদা জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং মোনাজাত করেন। জিয়া উদ্যানে আগতদের মধ্যে ঢাকার বাইরের মানুষও ছিলেন।

এর আগে, বেলা ১১টা পর্যন্ত জিয়া উদ্যানের ভেতরে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি এবং সামনের সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। সেখানে দায়িত্বরত পুলিশরা জানান, কড়া নির্দেশনার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল।

বেলা ১১টার পর সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং দুপুর ১২টার পর প্রবেশমুখ খুলে দেওয়া হয়। জিয়া উদ্যানে আগতদের মধ্যে নারীর উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি ছিল।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তার মৃত্যুতে সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে এবং বুধবার সরকারি ছুটি দেওয়া হয়।




নিরাপদ পানিকে মৌলিক অধিকার ঘোষণা: হাইকোর্টের রায় প্রকাশ

ডেস্ক নিউজঃ বিনামূল্যে নিরাপদ খাবার পানিকে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য সংবিধান অনুসারে মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল এবং বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলামের দেয়া এই রায়ের ১৬ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।

এর আগে, ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ওই রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নিরাপদ ব্যবহারযোগ্য পানি নিশ্চিত করতে ২০২০ সালে স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

রুলে সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ পানযোগ্য পানি সরবরাহ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব কিনা, অথবা এই নিরাপদ পানি পাওয়ার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করা যায় কিনা তা জানতে চেয়েছিলেন। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করেন উচ্চ আদালত।

রায়ে আদালত বলেন, বাংলাদেশ সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপদ এবং বিশুদ্ধ পানযোগ্য পানি পাওয়া একটি মৌলিক অধিকার এবং এই পানির অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।




উপদেষ্টা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজঃ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে আজ বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তথ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।




২০২৬ সালে ২৮ দিন ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ডেস্ক নিউজঃ ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা গত বছরের ৯ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন বছরে সাধারণ ছুটি থাকবে ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে আরও ১৪ দিন—সব মিলিয়ে মোট সরকারি ছুটি নির্ধারিত হয়েছে ২৮ দিন। এর মধ্যে ৯ দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে (শুক্র–শনিবার), ফলে প্রকৃত ছুটি থাকছে ১৯ দিন।

ঐচ্ছিক ছুটির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মুসলিম কর্মীদের জন্য ৫ দিন, হিন্দুদের জন্য ৯ দিন, খ্রিষ্টানদের ৮ দিন, বৌদ্ধদের ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কর্মীদের জন্য ২ দিন করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগের সুযোগ থাকবে। তবে একজন কর্মকর্তা বছরে সর্বোচ্চ ৩ দিন পর্যন্ত ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন এবং তার জন্য বছরের শুরুতেই কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। সাধারণ ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে এ ছুটি যুক্ত করার সুযোগও থাকবে।

সরকার জানিয়েছে, ২০২৬ সালে দেশের সরকারি–আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে এই ছুটি পালন করা হবে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানের ছুটি ও সময়সূচি নিজস্ব আইনে নিয়ন্ত্রিত অথবা জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করা, তারা প্রয়োজন ও জনস্বার্থ বিবেচনায় নিজস্ব নিয়মে ছুটি ঘোষণা করবে।

কর্মব্যস্ত জীবনে লম্বা ছুটি সবসময়ই স্বস্তির। এবারও কয়েকটি মাসে এক–দুই দিনের পরিবর্তিত ছুটি নিলে মিলবে টানা ছুটির সুযোগ। দেখে নেওয়া যাক মাসওয়ারি ছুটির সম্ভাব্য ধারাবাহিকতা—

ফেব্রুয়ারি

৪ ফেব্রুয়ারি (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) শবে বরাতের ছুটি বুধবার পড়তে পারে। ৫ ফেব্রুয়ারি এক দিন ছুটি নিলে ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারির সাপ্তাহিক ছুটিসহ মোট ৪ দিনের দীর্ঘ অবকাশ মিলবে।

মার্চ

মার্চ মাসে মাত্র এক দিন ছুটি নিলেই মিলতে পারে টানা ৭ দিনের ছুটি। ২০ মার্চ জুমাতুল বিদা, ২১ মার্চ (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) ঈদুল ফিতর। ঈদের আগে–পরে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকায় মোট ৫ দিন ছুটি পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটি থাকতে পারে; ১৮ মার্চ ছুটি নিলে টানা ৭ দিনের ছুটি সম্ভব। এদিকে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস বৃহস্পতিবার হলে আগের বা পরের দিনে ছুটি নিয়ে পাওয়া যাবে টানা ৩ থেকে ৪ দিনের বিশ্রাম।

এপ্রিল

১০–১১ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি। ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের ছুটি। মাঝের ১২ ও ১৩ এপ্রিল ছুটি নিলে টানা ৫ দিনের বিরতি মিলবে।

মে

মে মাসে ২৪ ও ২৫ মে ছুটি নিলে বিরলভাবে টানা ১০ দিনের দীর্ঘ ছুটির সুযোগ তৈরি হবে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৮ মে ঈদুল আজহা। ঈদের আগে ২৬–২৭ মে ও পরে ২৯–৩১ মে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকায় ২২–২৩ মে’র সাপ্তাহিক ছুটি ধরে মোট ১০ দিনের অবকাশ পাওয়া সম্ভব।

আগস্ট

৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান দিবসে সাধারণ ছুটি। ৬ আগস্ট ছুটি নিলে ৭–৮ আগস্টের সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৪ দিনের ছুটি মিলবে। অন্যদিকে ২৬ আগস্ট মিলাদুন্নবী (সা.) অনুমেয় তারিখ। ২৭ আগস্ট ছুটি নিলে ২৮–২৯ আগস্টের সাপ্তাহিক বন্ধ মিলে পাওয়া যাবে আরও টানা ৪ দিনের ছুটি।

অক্টোবর

২০ অক্টোবর দুর্গাপূজার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে সাধারণ ছুটি। ২২ অক্টোবর ছুটি নিলে ২৩–২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক বন্ধসহ মোট ৫ দিনের দীর্ঘ ছুটি পাওয়া যাবে।

ডিসেম্বর

১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস (বুধবার)। ১৭ ডিসেম্বর ছুটি নিলে ১৮–১৯ ডিসেম্বর শুক্রবার–শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হয়ে মোট ৪ দিনের অবকাশ মিলবে।