জামায়াত সমর্থিত ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

ডেস্ক নিউজঃ জামায়াত সমর্থিত ৭ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১০ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন। গতকাল সোমবার (২২ জুন) একযোগে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে এই আইন কর্মকর্তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন—ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভুঁইয়া, আসাদ উদ্দিন ও তারিকুল ইসলাম।

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন—ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির ও রেজাউল ইসলাম।

তবে একসঙ্গে এতসংখ্যক আইন কর্মকর্তার পদত্যাগের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।




নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এখন আর নকল নেই, তবে নকলের রূপ পরিবর্তন হয়েছে। সেজন্য পুরোনো ‘পরীক্ষা আইন’ পরিবর্তন করা হয়েছে। আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় যদি কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া যায়, তবে তাকে ডিটেনশনে বা আইনের আওতায় আনা হবে। একইসঙ্গে কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল পেলে, ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কেন্দ্র প্রধানকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সংসদে আগের পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে। নকল-প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সেজন্য এখন পরীক্ষা আইনের পরিবর্তন করা হয়েছে।

এসময় ঢাকা ৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান প্রফেসর আক্তারুজ্জামান, সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন।




যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধে ডিএসসিসি, বিডি ক্লিন ও রেড ক্রিসেন্টের যৌথ উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ : রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও টেকসই নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যত্রতত্র ময়লা-বর্জ্য ফেলা প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি), বিডি ক্লিন এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

​আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নগরভবন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে ডিএসসিসির ৫টি অঞ্চলের ২২টি ওয়ার্ডে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পুরো এলাকাকে ১০টি ব্লকে বিভক্ত করে ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ বা হটস্পটে কাজ করবেন স্বেচ্ছাসেবকরা। সপ্তাহে সাত দিনই বিডি ক্লিনের ৭০ জন এবং রেড ক্রিসেন্টের ৫০ জনসহ মোট ১২০ জন স্বেচ্ছাসেবক মাঠে থাকবেন। তারা নাগরিকদের নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার ব্যাপারে সচেতন করবেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রচারণা চালাবেন, ওয়েস্টবিনের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবেন এবং সতর্কীকরণ নোটিশ প্রদান করবেন। একই সঙ্গে প্রয়োজনে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সিটি কর্পোরেশনকে জরিমানা করার সুপারিশও করবেন তারা।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে শুধু সিটি করপোরেশনের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়; নাগরিকদের সচেতনতা, দায়িত্ববোধ এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ সমানভাবে প্রয়োজন। যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধ করে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করা গেলে নগর পরিবেশের উন্নতির পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।’

​তিনি আরও বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ার যে লক্ষ্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন গ্রহণ করেছে, এই যৌথ উদ্যোগ তা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি টেকসই পরিচ্ছন্নতা সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব।’

​অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, সচিব জনাব মো. জয়নুল আবেদীনসহ কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিডি ক্লিন ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




রাতে ১৭ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

ডেস্ক নিউজ : দেশের ১৭ অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। অঞ্চলগুলো হলো রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও সিলেট।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।




সাড়ে ৩ মাস পর হরমুজ প্রণালি পার হলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’

ডেস্ক নিউজঃ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের কারণে দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস পারস্য উপসাগর এলাকায় আটকে থাকার পর অবশেষে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা।
সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাত তিনটার দিকে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি পার হয়। বর্তমানে জ্বালানি (বাংকারিং) গ্রহণের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডোর মাহমুদুল মালেক গণনাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে জাহাজের অবস্থান নির্দেশক ওয়েবসাইট ‘ভেসেল ফাইন্ডার’ এ বাংলার জয়যাত্রার অবস্থান দেখাচ্ছিল ইরানের কেশম দ্বীপ ও ওমানের বন্দর শহর খাসাব এর মধ্যবর্তী অংশে হেনগাম দ্বীপের সমান্তরালে। তখন জাহাজের গতি ছিল ৬ দশমিক ৬ নটিক্যাল মাইল।

এরপর সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে ‘ভেসেল ফাইন্ডার’ এ দেখা যায়, ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হেনগাম দ্বীপ অংশ অতিক্রম করে এগিয়ে গেছে। তখন জাহাজের গতিবেগ ছিল ৭ দশমিক ১ নটিক্যাল মাইল।

হরমুজ পাড়ি দিয়ে পারস্য উপসাগর অতিক্রম করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ওমান উপসাগরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরের দিকে যাচ্ছে। জাহাজটির পরবর্তী বাণিজ্যিক গন্তব্য দক্ষিণ আফ্রিকা।

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন ‘বাংলার জয়যাত্রা’ জাহাজটি সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি কোম্পানির অধীনে ভাড়ায় পরিচালিত হচ্ছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি জাহাজটি দুবাই এর জেবেল আলী বন্দরে ভেড়ার পরদিনই ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরু হয়।

এরপর থেকে পারস্য উপসাগরেই আটকে ছিল ‘বাংলার জয়যাত্রা’; মাঝে একাধিকবার প্রণালি পাড়ি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে চ্যানেলের কাছাকাছি অবস্থান নিলেও তা সফল হয়নি। জাহাজটির ৩১ জন নাবিকের সবাই বাংলাদেশি।

এবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তি সইয়ের পর বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালির ৮০ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে অবস্থান নিয়ে প্রণালি পাড়ি দিতে আইআরজিসি’র অনুমতির অপেক্ষায় ছিল যানটি।




দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ঢাকায়

ডেস্ক নিউজ : রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজ সোমবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ এ কম্পন অনূভত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকায়। প্রাথমিকভাবে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াত কোভিদ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকায়।

এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল রাজধানীর মিরপুর থেকে ৭ কিলোমিটারের মধ্যে ছিল বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত ১২ জুন সিলেট ও ময়মনসিংহসহ দেশের কিছু এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৪ দশমিক ৫ মাত্রার।




প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শ্রমবাজারে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

ডেস্ক নিউজ : দুই দিনের সরকারি সফরে রোববার মালয়েশিয়া গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর। সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একান্ত বৈঠক, প্রতিনিধিদল পর্যায়ের আলোচনা এবং উচ্চপর্যায়ের একাধিক বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি।

সফরকে ঘিরে সরকার ও ব্যবসায়ী মহলের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের শ্রমবাজারকেন্দ্রিক বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক এবার বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, শিক্ষা, হালাল অর্থনীতি ও প্রযুক্তি সহযোগিতার মতো নতুন ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর সম্পর্কে শনিবার পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম গণমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে টার্মস অব রেফারেন্স (টিওআর)-সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বিষয়েও আরেকটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে।
তিনি জানান, দুই দেশের সরকারপ্রধানের আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শ্রমবাজার, শিক্ষা, কৃষি, জ্বালানি, হালাল শিল্প, সেমিকন্ডাক্টরসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয় গুরুত্ব পাবে। এছাড়া মালয়েশিয়ার বিভিন্ন খাতে নতুন বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ, আসিয়ানে বাংলাদেশের সদস্যপদ এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে মালয়েশিয়ার সমর্থন কামনার বিষয়টিও আলোচনায় থাকবে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার মালয়েশিয়া। দেশটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় শ্রমবাজার এবং একই সঙ্গে জ্বালানি, পাম অয়েল, শিল্পের কাঁচামাল ও বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকারী। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, ওষুধ ও কৃষিপণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়লেও দুই দেশের বাণিজ্যে এখনো বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা রয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা এগোলে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিএমসিসিআই) সভাপতি মো. আনোয়ার শহীদ বাসসকে বলেন, নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কেবল কূটনৈতিক নয়, অর্থনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তার মতে, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি আলোচনা পারস্পরিক আস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের কাছেও ইতিবাচক বার্তা দেবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে জনশক্তি খাত ছাড়া বর্তমানে বড় কোনো অমীমাংসিত বিষয় নেই। তবে দীর্ঘদিন ধরে শ্রমবাজারই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, কৃষি, শিক্ষা ও হালাল অর্থনীতির মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলো পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায়নি। এবারের সফরের মাধ্যমে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আনোয়ার শহীদের ভাষ্য, দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য হলেও বাংলাদেশের রপ্তানির অংশ তুলনামূলক কম। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি কৃষিপণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ওষুধ, হালকা প্রকৌশল পণ্য এবং অন্যান্য মূল্য সংযোজনকারী পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো গেলে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে প্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্যসেবা ও শিল্প খাতে প্রশিক্ষিত কর্মী পাঠানো গেলে রেমিট্যান্স আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

মালয়েশিয়াপ্রবাসী ব্যবসায়ী এবং বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিএমসিসিআই) সাবেক পরিচালক মাহবুব আলম শাহ মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন গতি দিতে পারে। তার মতে, মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের উৎপাদনশিল্প, বিদ্যুৎ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং হালাল শিল্পে আগ্রহ রয়েছে। সফরের পর সরকারি পর্যায়ে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে সেই আগ্রহ বাস্তব বিনিয়োগে রূপ নিতে পারে।

তিনি একটি সরকারি সংবাদসংস্থাকে জানান, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি দক্ষ জনশক্তির চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। তাই শুধু শ্রমিক পাঠানোর পরিবর্তে প্রশিক্ষিত কর্মী, প্রকৌশলী, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যকর্মী পাঠানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন রেমিট্যান্স আয় বাড়বে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদের গ্রহণযোগ্যতাও বৃদ্ধি পাবে।

মাহবুব আলম শাহ বলেন, বৈশ্বিক হালাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়ানোর এটি উপযুক্ত সময়।

মালয়েশিয়া বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী হালাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলেছে। এ খাতে প্রযুক্তি, মান নিয়ন্ত্রণ ও সনদায়নে সহযোগিতা জোরদার করা গেলে বাংলাদেশের খাদ্য, ওষুধ, প্রসাধনীসহ বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। যৌথ গবেষণা, কারিগরি শিক্ষা এবং শিল্পের চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করা গেলে তা উভয় দেশের জন্যই সুফল বয়ে আনবে।

ব্যবসায়ীদের মতে, সফরের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে সফর-পরবর্তী বাস্তবায়নের ওপর। এফটিএ-সংক্রান্ত আলোচনা এগিয়ে নেওয়া, বিনিয়োগ সহজীকরণ, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি সহযোগিতা এবং হালাল অর্থনীতিতে অংশীদারত্ব বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।

দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পাঁচ দশকের বেশি সময় পর এবারের সফরকে শুধু একটি আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় সফর হিসেবে নয়, বরং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ী নেতারা।




বেতন ৫৪ হাজার, সম্পদের হিসাব কোটি কোটি: সওজ প্রকৌশলী শাহনুর রশিদের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত

এসএম বদরুল আলমঃ দিনাজপুর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহনুর রশিদের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি চাকরি থেকে পাওয়া আয়ের সঙ্গে তার বর্তমান সম্পদের পরিমাণের বড় ধরনের অসামঞ্জস্য রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান শুরু করেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, মো. শাহনুর রশিদের সরকারি বেতন প্রায় ৫৪ হাজার টাকা হলেও রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় তার নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক মূল্যবান সম্পদ রয়েছে। রাজধানীর খিলগাঁও ও পল্লবীতে তার ফ্ল্যাট থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া দিনাজপুর ও রংপুর এলাকাতেও জমি, দোকান ও অন্যান্য সম্পদ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, শাহনুর রশিদ তার সম্পদের উৎস হিসেবে চাকরির আয়, কৃষি ও দোকান ভাড়ার টাকা দেখিয়েছেন। তবে তার সম্পদের পরিমাণ ও আয়ের হিসাবের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি আছে কি না, সেটিই এখন অনুসন্ধান করছে দুদক।

দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ এবং বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে কাজের মান নিয়ন্ত্রণ, ঠিকাদারি কার্যক্রম ও দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানোর মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে দিনাজপুরের পুলহাট থেকে খানপুর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠার বিষয়েও তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) অনুসরণ না করে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সুবিধা দেওয়ার মতোভাবে দরপত্রের শর্ত তৈরি করা হতো। এর মাধ্যমে প্রতিযোগিতা সীমিত করে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, উপসহকারী প্রকৌশলী থেকে সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতির পর শাহনুর রশিদের প্রভাব ও সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে। রাজনৈতিক পরিচিতি ব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন সময় প্রভাব বিস্তার করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তার সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের যোগাযোগ রয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া তার স্ত্রী শাবানার নামেও সম্পদ থাকার অভিযোগ রয়েছে। দুদকের অনুসন্ধান শুরু হওয়ার পর ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের টাকা উত্তোলনের অভিযোগও সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সম্পদ জব্দ হওয়ার আশঙ্কা থেকেই এসব অর্থ সরিয়ে রাখা হয়েছে। তবে এসব তথ্যের সত্যতা যাচাই করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দিনাজপুরের বিরামপুর, বাঁশবাড়িয়া, কানিকাঠাল এবং রংপুরের সাতগাড়া এলাকায় তার জমি রয়েছে। এর মধ্যে ২০১০ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে একাধিক জমি, দোকান ও প্লট কেনার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বিরামপুর এলাকায় দুটি দোকান ও গোডাউন, বিভিন্ন মৌজায় জমি এবং রাজধানীর খিলগাঁও ও পল্লবীতে ফ্ল্যাট কেনার তথ্যও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, বিরামপুর এলাকায় ২০১০ সালে দোকান ও গোডাউন কেনা হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে দিনাজপুর ও রংপুর এলাকায় একাধিক শতাংশ জমি কেনা হয়েছে। ২০২৩ সালে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের উত্তর মেরাদিয়ায় এবং ২০২৪ সালে পল্লবীর বাউনিয়ায় ফ্ল্যাট কেনার তথ্যও অভিযোগে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে মো. শাহনুর রশিদ বলেন, তিনি কোনো অনিয়ম বা অবৈধ পথে সম্পদ অর্জন করেননি। তার দাবি, সব সম্পদ বৈধ আয়ের মাধ্যমে অর্জন করা হয়েছে। তবে সরকারি চাকরিতে থেকে অল্প সময়ে এত বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা না দিয়ে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান চলমান থাকায় অভিযোগগুলোর সত্যতা, সম্পদের উৎস এবং কোনো ধরনের অনিয়ম হয়েছে কি না—তা তদন্ত শেষে পরিষ্কার হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




বন্ধ ও লোকসানি কারখানায় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজঃ দেশের বন্ধ ও অলাভজনক কারখানাগুলোতে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে দেশি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে জাপানি কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২০ জুন) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ রোড শোতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শিল্প খাতের বিকাশ এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে বন্ধ ও লোকসানি কারখানাগুলোকে নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে পুনরায় চালু করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সরকারের নীতিনির্ধারক, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং দেশি-বিদেশি শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের মধ্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

রোড শোতে প্রাণ-আরএফএল, এসিআই লিমিটেড, ওয়ালটন, মেঘনা গ্রুপ, রানার, টি কে গ্রুপ, ব্র্যাক, নাবিল, স্কয়ার, ট্রান্সকম, আকিজ ও লাল তীরসহ দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে জাপানের মারুবেনি করপোরেশন, টয়োটা সুশো করপোরেশন, সুমিতোমো করপোরেশন, এমইউএফজি ব্যাংক লিমিটেড, মিতসুই অ্যান্ড কোং (এশিয়া প্যাসিফিক) প্রাইভেট লিমিটেড, সোজিৎস এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড এবং জেট্রো বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপান দূতাবাসের কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টদের আশা, এ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বন্ধ ও লোকসানি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন করে বিনিয়োগ বাড়বে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।




বাংলাদেশি ‘ফুটবলপ্রেমীদের’ আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার পরিকল্পনা আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূতের

ডেস্ক নিউজ : পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা। এ সময় দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার এবং সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

শনিবার (২০ জুন) পুলিশ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে নিরাপত্তা সহায়তা আরও সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের ব্যাপক জনপ্রিয়তার বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রতি বাংলাদেশের জনসাধারণের আগ্রহকে সম্মান জানিয়ে এ বিষয়টি আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার আগ্রহের কথাও জানান।

রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বাংলাদেশের জনগণের ফুটবলপ্রেম এবং আর্জেন্টিনা দলের প্রতি তাদের আবেগকে বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে রাষ্ট্রদূতের আগ্রহকে স্বাগত জানান।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।