শপথ নিলেন হাইকোর্টের ২১ বিচারপতি

ডেস্ক নিউজঃ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী নিয়োগ পাওয়া ২১ বিচারপতি শপথ নিয়েছেন। অসুস্থতার কারণে একজন বিচারপতি পরে শপথ নেবেন।

বুধবার (১২ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার পর সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ নবনিযুক্ত বিচারকদের শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

এর আগে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে হাইকোর্ট বিভাগের ২২ জন অতিরিক্ত বিচারককে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

আজ শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকা বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেন বর্তমানে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া অন্য ২১ জন হলেন- বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, মো. মনসুর আলম, সৈয়দ জাহেদ মনসুর, কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা, মো. যাবিদ হোসেন, মুবিনা আসাফ, কাজী ওয়ালিউল ইসলাম, আইনুন নাহার সিদ্দিকা, মো. আবদুল মান্নান, তামান্না রহমান, মো. শফিউল আলম মাহমুদ, মো. হামিদুর রহমান, নাসরিন আক্তার, সাথিকা হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেন, মো. তৌফিক ইনাম, ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমন, শেখ তাহসিন আলী, ফয়েজ আহমেদ, মো. সগীর হোসেন ও শিকদার মাহমুদুর রাজী।




নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে অর্থ উপদেষ্টার বার্তা

ডেস্ক নিউজঃ পে স্কেল বাস্তবায়নে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, পে কমিশনের জন্য আলাদা একটি কমিশন কাজ করছে এবং তিনটি রিপোর্ট যাচাই-বাছাইয়ের পর বর্তমান সরকার একটি ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করে যাবে, যা পরবর্তী সরকার এসে বাস্তবায়ন করবে।

বুধবার (১২ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘পে কমিশনের জন্য আলাদা কমিশন কাজ করছে। তিনটি রিপোর্ট পাওয়ার পর সেগুলো যাচাই-বাছাই করতে হবে। এরপর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যেমন সচিব কমিটি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনা, তারপর অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত মতামত— এসব প্রক্রিয়া শেষ হলে বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। তাই আমাদের সময়ে তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা নাও যেতে পারে। আমরা একটি ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করে যাচ্ছি, যা পরবর্তী সরকার বাস্তবায়ন করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সময়ে এটা বাস্তবায়ন করা কিছুটা অনিশ্চিত, কারণ এখানে সময়, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও অর্থের সংস্থান— সবকিছু বিবেচনা করতে হচ্ছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে অর্থের ব্যবস্থা করা। তবে আমরা এই উদ্যোগ নিজেরা নিয়েছি, ৭–৮ বছর ধরে কিছু হয়নি। মাত্র ১২ মাসের মধ্যে আমরা নিজেরা কাজ শুরু করেছি, তাই ক্ষোভ নয়, ধৈর্য ধরা উচিত।’

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আগামী সরকারকে পে কমিশনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। পে স্কেল ছাড়াও অন্যান্য সামাজিক খাতের ব্যয় ও বাজেট ব্যবস্থাপনার ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।’

তিনি আরও জানান, রোজার আগে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তেল ও চিনি আমদানি করা হবে। এছাড়া নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় ৪০ হাজার ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ কেনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বন্দরে আটকে থাকা পুরোনো গাড়িগুলো স্ক্র্যাপ করে বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কারণ বাইরে বিক্রি করলে তা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। পাশাপাশি সংশোধিত বাজেটের আকার কিছুটা কমানো হবে, যদিও টাকার অঙ্কে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে না বলেও জানান তিনি।




আদানির ১০ কোটি ডলার বকেয়া চলতি মাসে শোধ করবে পিডিবি

ডেস্ক নিউজঃ ভারতের আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ কেনার বকেয়া টাকা অন্তর্বর্তী সরকার নিয়মিত শোধ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) চলতি মাসে আদানিকে মোট ১০ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে পারে। এর মধ্যে মঙ্গলবার ৩ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের একজন যুগ্ম সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ তথ্য জানিয়েছেন।

পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে আদানির তিন কোটি ডলার বিল শোধের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয় গত সোমবার। মঙ্গলবার আদানির ব্যাংক হিসাবে টাকা স্থানান্তর করেছে কৃষি ব্যাংক। এর আগে বকেয়া শোধে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে পিডিবিকে চিঠি দিয়েছিল আদানি। তা না হলে ১১ নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেবে বলে হুমকি দেয়। বর্তমানে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। এদিন সন্ধ্যা ৭টায় আদানির ঝাড়খণ্ড কেন্দ্র থেকে ১২১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশের গ্রিডে যুক্ত হয়।

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার। ২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি করে পিডিবি। চুক্তি অনুযায়ী এই কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ২৫ বছর ধরে কিনবে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার আদানির জনসংযোগ প্রতিষ্ঠানের পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিলম্ব সুদসহ তাদের পাওনা ৩৫ কোটি ডলার, যা নিয়ে পিডিবির সঙ্গে বিরোধ নেই। কিন্তু বকেয়া বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখতে নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ছে তারা।

সূত্র বলছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিল নিয়ে আদানির সঙ্গে পিডিবির বিরোধ নিষ্পত্তি হয়নি। পিডিবির দাবি, আদানি কয়লার বাড়তি দাম ধরে বিল করছে, তারা (পিডিবি) বাজার দামে বিল পরিশোধ করছে। বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পেশাদার মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিল আদানি। এতে পিডিবি রাজি হয়নি।

পিডিবি আদানিকে জানিয়েছে, দেশের উচ্চ আদালতে এই চুক্তির বিরুদ্ধে একটি রিট মামলা চলমান আছে। আদালতের আদেশের পর তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

গত ২৭ অক্টোবর পাঠানো আদানির চিঠিতে দাবি করা হয়, বকেয়া রয়েছে ৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এর মধ্যে ২৬ কোটি ২০ লাখ ডলার পাওনা নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। বিরোধের বাইরে থাকা এ পাওনা পরিশোধে পিডিবি ব্যর্থ হলে চুক্তি অনুসারে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থগিত করার অধিকার আছে আদানির।

বকেয়া বেড়ে যাওয়ায় গত বছর একবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করেছিল আদানি। গত এপ্রিলে বকেয়ার প্রায় পুরোটা শোধ করে দিয়েছিল পিডিবি। এরপর গত কয়েক মাসে আবার বকেয়া জমেছে।




দিল্লিতে বোমা হামলায় ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজঃ পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার প্রধান হাফিজ সাঈদ ভারতে হামলার ছক বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে করেছে বলে দাবি করেছে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম। ভারতীয় গণমাধ্যমের এ তথ্য বিশ্বাস করার মতো কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তৌহিদ হোসেন বলেন, যাই কিছু ঘটুক না কেন মিডিয়া আমাদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করবে। কিন্তু এটার কোনো কারণ নাই বিশ্বাস করার। কোনো সেনসিবল লোক এটা বিশ্বাস করবে না।

এর আগে, সোমবার দিল্লির লাল কেল্লার কাছে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণে অন্তত আট জনের মৃত্যু ও আরও অনেক মানুষ আহত হওয়ার খবর দিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। বিস্ফোরণের পর পুরো ভারতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এদিকে, হামলার পর গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক খবরে পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার প্রধান হাফিজ সাঈদ ভারতে হামলার ছক বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ভারতে বিস্ফোরণের পর আজ পাকিস্তানের ইসলামাবাদের জেলা ও দায়রা আদালতের বাইরে আত্মঘাতী হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছে বলে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আত্মঘাতী হামলাকারী আদালতে প্রবেশ করতে চেয়েছিল। কিন্তু সুযোগ না পেয়ে একটি পুলিশ গাড়িকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়।




আর্মি সার্ভিস কোরকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজঃ একবিংশ শতাব্দীর জটিল ও পরিবর্তনশীল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বুধবার (১২ নভেম্বর) খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে আর্মি সার্ভিস কোরের (এএসসি) ৪৪তম বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, আর্মি সার্ভিস কোর বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল একটি অংশ, যারা দীর্ঘদিন ধরে দেশ ও সেনাবাহিনীর সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। তিনি আধুনিক যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে সদস্যদের ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দেন।

এর আগে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এএসসি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (এএসসিসিঅ্যান্ডএস) পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানান জিওসি, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (আর্টডক); জিওসি, ৫৫ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, যশোর এরিয়া; এবং কমান্ড্যান্ট, এএসসিসিঅ্যান্ডএস।

পরে মতবিনিময় সভায় সেনাপ্রধান আর্মি সার্ভিস কোরের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

সম্মেলনে আর্টডকের জিওসি, বিএমটিএফের মহাপরিচালক, সেনাকল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান, সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কমান্ড্যান্ট এএসসিসিঅ্যান্ডএস এবং আর্মি সার্ভিস কোরের অধিনায়করা উপস্থিত ছিলেন।




0x23a28a90

0x23a28a90




0xecc3cb18

0xecc3cb18




জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ১৮ প্রকল্প অনুমোদন

আবহাওয়া ডেস্কঃ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সারা দেশে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা, নদী পুনঃখনন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব জীবিকা গঠনের লক্ষ্যে ১৮টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ‘জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে ‘জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টি বোর্ডের ৬৫তম সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। 

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে বাগেরহাট, নওগাঁ, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি জেলায়- ‘প্রাকৃতিক সম্পদ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও নিরাপদ পানির মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল পরিবেশ গঠন’-প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার বড়াল নদী ও মির্জা মাহমুদ খাল পুনঃখনন ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ জেলায় রজতরেখা নদী পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলায় আলাই নদী ও যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণের জন্য প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। লক্ষ্মীপুর জেলার চরশাহী ইউনিয়নে তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ, দেবহাটা ও আশাশুনি উপজেলায় টেকসই প্রযুক্তির মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহের প্রথম পর্যায়ের প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। বাগেরহাট জেলার তিনটি উপজেলায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা পৌর এলাকায় সোলার প্যানেল পাম্প হাউজ স্থাপন করে সুপেয় পানি সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পটুয়াখালী পৌর এলাকায় রিভার্স ওসমোসিস প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে পানি বিশুদ্ধকরণ প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের স্থানীয় জনগণের জন্য পরিবেশবান্ধব বিকল্প জীবিকা সহায়তা প্রকল্প গৃহীত হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলায় নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। নোয়াখালীর চাটখিল পৌর এলাকায় খাল পুনঃখনন ও জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার সকল উপজেলায় নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য পৃথক তিনটি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।

সভায় উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় সরকারের লক্ষ্য হলো জনগণকে নিরাপদ পানি সরবরাহ করা। তিনি আরো বলেন, অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে উপকূলীয়, পার্বত্য ও খরা-প্রবণ অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নত হবে।

সভায় কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাজী মো. ওয়ালি-উল-হকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




রাজধানীর সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার

ডেস্ক নিউজঃ রাজধানীতে সাম্প্রতিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে ধর্মীয় সহাবস্থান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিঘ্ন ঘটানোর যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

সোমবার (১০ নভেম্বর) এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণের পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ককটেল হামলার ঘটনায় ২৮ বছর বয়সি এক যুবককে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। প্রাথমিক তদন্তে তাকে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রেস উইংয়ের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে কাকরাইলের সেন্ট মেরিস ক্যাথেড্রাল ও সেন্ট জোসেফ স্কুল প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণসহ একাধিক ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও ডিএমপি যৌথভাবে শহরজুড়ে অভিযান চালাচ্ছে, যাতে এই ‘জঘন্য ও কাপুরুষোচিত সহিংসতা’র সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করা যায়।

সরকার জানিয়েছে, রাজধানীর সব গির্জা ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ধর্মীয় সহাবস্থান, আন্তঃধর্মীয় ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

এদিন সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চারটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানায়, মোহাম্মদপুরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এবং লেখক ফরহাদ মজহারের প্রতিষ্ঠান ‘প্রবর্তনা’র সীমানার ভেতরে ও বাইরে দুইটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়। মিরপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনেও একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এছাড়া ধানমণ্ডি ২৭ নম্বরের প্রধান সড়কে মাইডাস সেন্টারের সামনে এবং ধানমণ্ডি-৯ নম্বরের ইবনে সিনা হাসপাতালের সামনেও দুইটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।




২০২৬ সালের সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি

ডেস্ক নিউজঃ আগামী ২০২৬ সালে বাংলাদেশের সরকারি ও আধা-সরকারি অফিসগুলোতে মোট ২৮ দিনের ছুটি থাকবে। এই ছুটির মধ্যে সাধারণ ছুটি এবং নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে প্রতিটি ১৪ দিন করে, যা গত রোববার (৯ নভেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ঘোষণা করেছে।

এছাড়া ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটি রাখা হয়েছে। মুসলিম কর্মচারীরা নিতে পারবেন ৫ দিন, হিন্দু ধর্মের কর্মচারী ৯ দিন, খ্রিষ্টান ধর্মের জন্য ৮ দিন, বৌদ্ধ ধর্মের জন্য ৭ দিন, আর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ২ দিন। তবে প্রত্যেক কর্মচারী তার নিজ ধর্ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৩ দিনের ঐচ্ছিক ছুটি বছরের শুরুতেই কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে নিতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যারা সরকারের কর্তৃক অত্যাবশ্যক হিসেবে ঘোষিত অফিসে কর্মরত বা নিজস্ব আইন-কানুন অনুযায়ী পরিচালিত অফিসে কাজ করেন, তাদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান নিজস্ব নিয়মে ছুটি ঘোষণা করতে পারবে।

গত ৬ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন দেয়। মোট ছুটির মধ্যে ৯ দিন সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্র ও শনিবার) হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।