২০টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণে আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা বিটিটিএফ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশে আয়োজিত অন্যতম আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা, বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬, আগামী ২৯-৩১ অক্টোবর ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের মেলায় ২০টিরও বেশি দেশ থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটন অংশীজনরা অংশ নিতে যাচ্ছে। আয়োজনটি ট্যুর অপারেটর, এয়ারলাইন্স, হোটেল, ট্যুরিজম বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিন দিনব্যাপী এই মেলার আয়োজনে রয়েছে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের শীর্ষ সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)। পর্যটন খাতের বিকাশ, নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা এই মেলার উদ্দেশ্য। এ বছর বিটিটিএফের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।
এ উপলক্ষে আজ ০৭ সেপ্টেম্বর (সোমবার), ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিটিটিএফ ২০২৬-এর রূপরেখা ঘোষণা করা হয়। এ সংবাদ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন টোয়াব প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হানিফ। মেলায় ২০০-রও বেশি বুথ ও স্টল, ২২০+ একজিবিটর, ২৫০+ কোয়ালিফাইড বায়ার, ২,৫০০+ ট্রেড ভিজিটর ও ৬০ হাজারেরও বেশি দর্শনার্থী অংশগ্রহণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একইসাথে, চারটি থিমভিত্তিক প্রদর্শনী হলে ২০০টিরও বেশি এয়ারলাইন্স, হোটেল ও ট্যুর অপারেটর অংশ নিবে, যা বিটিটিএফ ২০২৬-কে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের জন্যে একটি বৃহৎ প্ল্যাটফর্মে পরিণত করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
মেলায় সার্বিক সহযোগিতা করবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ), বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। এছাড়াও, মেলাটি সফলভাবে পরিচালনা করতে এর প্লাটিনাম হসপিটালিটি পার্টনার হিসেবে থাকছে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট, পিআর পার্টনার হিসেবে ওপাস কমিউনিকেশনস লিমিটেড, টেকনোলোজি পার্টনার হিসেবে এম৩৬০আইসিটি এবং ট্রান্সপোর্ট পার্টনার হিসেবে থাকছে কনভয় সার্ভিস।
২০টিরও বেশি দেশের পর্যটন বিষয়ক প্রতিষ্ঠান, ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল এজেন্সি এ বছরের মেলায় অংশগ্রহণ করবে। নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও ফিলিপাইনের অংশগ্রহণকারীরা ইতোমধ্যে মেলায় তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে। একইসাথে তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান থেকে অংশীজনরা অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। মেলায় আন্তর্জাতিক পর্যটন অংশীদারদের অংশগ্রহণ ডেস্টিনেশন প্রমোশন, ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ববাজারের মধ্যে ট্যুরিজম অংশীদারিত্বের আওতা বাড়াতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
১৩ বারেরও বেশি সফল আয়োজনের মাধ্যমে বিটিটিএফ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় পর্যটন বাজারে পরিণত হয়েছে। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের একসাথে একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরির পাশাপাশি, বিটিটিএফ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ও পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে সহযোগিতা করছে। বিটিটিএফ ২০২৬ বৈশ্বিক পর্যটনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও দৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক্সিবিশন, বিজনেস-টু-বিজনেস নেটওয়ার্কিং, ডেস্টিনেশন প্রমোশন ও অংশীদারদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা এই মেলার মূল উদ্দেশ্য।



শক্তিশালী নতুন এআই: ‘ফাঁকি দিতে পারবে’ মানুষের নজরদারি, নিরাপত্তা উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজঃ নতুন ও শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল GPT-6 অ্যাস্ট্রা উন্মোচন করেছে ওপেনএআই। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, কম্পিউটার ব্যবহার, সফটওয়্যার তৈরি, সাইবার নিরাপত্তা, বিজ্ঞান ও পেশাগত কাজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এটি আগের মডেলগুলোর তুলনায় বেশি সক্ষম।

তবে নতুন এই মডেল নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। ওপেনএআই জানিয়েছে, অ্যাস্ট্রা কিছু ক্ষেত্রে মানুষের পর্যবেক্ষণ এড়িয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দেখিয়েছে। এমনকি নিরাপত্তার দুর্বলতা খুঁজে বের করে সেগুলো কাজে লাগানোর উপায়ও এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করতে পারে।

ওপেনএআইয়ের প্রেসিডেন্ট গ্রেগ ব্রকম্যান বলেন, অ্যাস্ট্রা কম্পিউটারে মানুষ যে ধরনের কাজ করতে পারে, তার প্রায় সবই করতে সক্ষম। এমন সক্ষমতার কারণে এটিকে কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা বা এজিআইয়ের একটি সংস্করণ হিসেবে দেখাও যুক্তিসংগত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, অ্যাস্ট্রা আগের GPT-5.6 Sol মডেলের চেয়ে দ্রুত ও দক্ষ। স্প্রেডশিট তৈরি, ওয়েবসাইট বানানো, সফটওয়্যার প্রকৌশল, সাইবার নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন পেশাগত কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করতে পারবে এটি।

তবে মডেলটির সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণও কঠিন হয়ে উঠছে। ওপেনএআইয়ের প্রধান বিজ্ঞানী জ্যাকব পাচকি বলেন, এআই মডেল যত বেশি সক্ষম হচ্ছে, তারা ঠিক কী করতে পারে তা বোঝাও তত কঠিন হয়ে পড়ছে।

অ্যাস্ট্রার সাইবার সক্ষমতার কারণে ওপেনএআই নিজেদের ‘প্রিপেয়ার্ডনেস ফ্রেমওয়ার্ক’-এর আওতায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করেছে। মডেলটির কার্যক্রম দ্রুত শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাড়তি নজরদারি ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

ওপেনএআই জানিয়েছে, অ্যাস্ট্রা প্রথমে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের জন্য তাদের ডেব্রেক প্রোগ্রামের অংশগ্রহণকারীদের কাছে উন্মুক্ত করা হয়েছে। এরপর ধাপে ধাপে করপোরেট ও সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এটি চালু করা হবে।

অন্যদিকে, অ্যাস্ট্রার উন্নয়ন নিয়ে মানুষের এআই মডেলের অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রক্রিয়া বোঝার সক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়েও আলোচনা চলছে। ওপেনএআই বলছে, মডেলের সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নও তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

সূত্র: এনবিসি নিউজ




তরুণ ক্রিয়েটর, ট্রেন্ডসেটার ও চেঞ্জমেকারদের ক্ষমতারয়নের লক্ষ্যে ১৫ জন ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর অনবোর্ড করেছে অপো

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো দেশজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে ১৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে নিয়ে ‘অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম’ শুরু করেছে। তরুণদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা, মেধা ও সুপ্ত সম্ভাবনাকে বিকশিত করার লক্ষ্যে প্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের নতুন কিছু শেখা, তৈরি করা, সংযোগ স্থাপন ও সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিতেই ব্র্যান্ডটি এই উদ্যোগ নিয়েছে।
অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামকে মূলত এমন এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সাজানো হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, কমিউনিকেশন, লিডারশিপ ও কমিউনিটি-বিল্ডিং দক্ষতার বিকাশ ঘটবে। অপোর প্রতিনিধি হিসেবে এই অ্যাম্বাসেডররা নিজ নিজ ক্যাম্পাসে সহপাঠী ও তরুণদের সাথে যুক্ত হবেন, আকর্ষণীয় কনটেন্ট তৈরি করবেন ও অপো লাইফস্টাইল অভিজ্ঞতায় অন্যদের উদ্বুদ্ধ করবেন।
এই উদ্যোগটি গতানুগতিক ব্র্যান্ড প্রচারণার গণ্ডি ছাড়িয়ে আরও বিস্তৃত পরিসরে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডররা উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা ও আত্মপ্রকাশের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা একটি ক্রমবর্ধমান কমিউনিটির অংশ হয়ে উঠবেন, যেখানে নিজ নিজ চিন্তা, কার্যক্রম ও পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে তারা অপো ও নতুন প্রজন্মের তরুণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে অর্থবহ সম্পর্ক তৈরিতে ভূমিকা রাখবেন। পাশাপাশি, এই প্রোগ্রামটি শিক্ষার্থীদের জন্য এক নতুন যাত্রার সূচনা করবে; যেখানে নিজ নিজ ক্যাম্পাসে প্রতিনিধিত্ব করার পাশাপাশি তারা ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে শেখা, সমমনা তরুণদের সাথে নেটওয়ার্কিং, নিজস্ব সৃজনশীলতা চর্চা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশের অথরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড্যামন ইয়াং বলেন, “অপো বিশ্বাস করে, তরুণদের মাঝে ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস ও সুপ্ত সম্ভাবনা রয়েছে। অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম শিক্ষার্থীদের জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি, বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ডকে প্রতিনিধিত্ব করার একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম। আমরা চাই, আমাদের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডররা কেবল ব্র্যান্ড প্রতিনিধি হিসেবে নয়; বরং ক্রিয়েটর, চেঞ্জমেকার ও ইউথ লিডার হিসেবে নিজেদের মেধা, প্রযুক্তি ও স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সমাজকে অনুপ্রাণিত করুক।”
উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতাকে প্রাধান্য দেওয়া বৈশ্বিক স্মার্ট ডিভাইস ব্র্যান্ড অপো বিশ্বাস করে, তাদের দায়িত্ব শুধু স্মার্টফোন বা স্মার্ট গ্যাজেট তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তরুণ সমাজ যেন প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করে নিজেদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি, স্মরণীয় অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে, সে লক্ষ্যে ব্র্যান্ডটি নিয়মিত নানা সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের শেখা, যৌথ উদ্যোগ ও নিজস্ব দক্ষতার বিকাশে উপযোগী পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে ‘ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম’ অপোর সেই বৃহত্তর লক্ষ্যকেই বাস্তবে রূপ দিচ্ছে।
নতুন নির্বাচিত হওয়া এই অ্যাম্বাসেডররা বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তারা হলেন – আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) মো. রফিজুরজ্জামান রফি, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালসের (বিইউপি) মো. মারুফ আহমেদ সিনহা, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির (ইডব্লিউইউ) আবদুল্লাহ শরীফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ মহিমা আমিন মৌ ও মো. আশরাফুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামিয়া জান্নাত, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যাশা রানী দাস, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) নুঝাত নাওয়ার ও চৌধুরী আসিফ আবদুল্লাহ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মুবাসশির তাহমিদ ভূঁইয়া, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হামিম আহমেদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. ইউসুফ আলী, ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) উম্মায়া হাবিবা সুজানা, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সাব্বির আহমেদ কাব্য এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) আবু সাঈদ।
ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে অ্যাম্বাসেডরদের অপোর ব্র্যান্ড ফিলোসফি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল অপো ও পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত একটি মোবাইল ফটোগ্রাফি সেশন, যা পরিচালনা করেন পাঠশালার ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রধান খন্দকার তানভীর মুরাদ। অনুষ্ঠানে অপো বাংলাদেশের অথরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের হেড অব মার্কেটিং মো. নাজিমুদ্দৌলা নিলয় উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা এই ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামের মাধ্যমে অপো বিশ্ববিদ্যালয় কমিউনিটির সাথে আরও শক্তিশালী ও সুনিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ পাবে। অ্যাম্বাসেডররা নিজেদের সৃজনশীলতা, চিন্তা ও স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে এই প্রোগ্রামে অবদান রাখার পাশাপাশি সহপাঠীদের নতুন কিছু আবিষ্কার ও তৈরি করতে এবং নিজেদের বিকশিত করতে উৎসাহিত করবেন।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে অপো এমন একটি কমিউনিটি গড়ে তুলতে চায়, যেখানে তরুণরা কেবল প্রযুক্তির ব্যবহারকারী হিসেবে নয়, বরং প্রযুক্তি, সৃজনশীলতা ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে নতুন কিছু তৈরির সক্রিয় অংশীদার হিসেবে ভূমিকা রাখবে—যা তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত উভয় ক্ষেত্রে বিকশিত হতে সাহায্য করবে। ‘অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম’ মূলত এ প্রজন্মের তরুণদের নতুন নতুন বিষয় জানা, তথ্যবহুল কনটেন্ট তৈরি, প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং ও ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিংয়ের সুযোগ করে দেওয়ার প্রতি অপোর অব্যাহত প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।



বাংলাদেশের প্রথম বৃহত্তম অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে রেকর্ড ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন

নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ ২৩ হাজারেরও বেশি তরুণ বাংলাদেশি যখন তাদের স্মার্টফোন হাতে তুলে প্রতিদিনের মুহূর্তগুলোকে গল্পে রূপান্তরিত করে, তখন কী হয়? এই ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে-তে অপো ঠিক সেই অসাধারণ সৃজনশীলতাকেই উদযাপন করছে। ‘এভরি ফটো টেলস আ স্টোরি’ শীর্ষক অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি প্রেজেন্টস অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬, গ্র্যান্ড ফিনালেতে পৌঁছেছে; আর সারাদেশ থেকে এতে রেকর্ড পরিমাণ ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন এসেছে।

ফটোগ্রাফি আজ আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজলভ্য। একসময় যা কেবল পেশাদার ফটোগ্রাফার ও বিশেষ যন্ত্রপাতির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, সেই ফটোগ্রাফি আজ এক সর্বজনীন ভাষা হয়ে উঠেছে। ঢাকার কোনো রাস্তার একটি মুহূর্ত, প্রকৃতির নিভৃত সৌন্দর্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পোর্ট্রেট বা কম আলোয় ধারণ করা দৃশ্য; সঠিকভাবে দেখলে এর সবই একেকটি গল্প হয়ে উঠতে পারে।

অপোর কাছে ফটোগ্রাফি সবসময়ই উদ্ভাবনের কেন্দ্রে রয়েছে। সেলফি প্রযুক্তিতে পথ দেখানো থেকে শুরু করে এআই-সক্ষম ইমেজিং, পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফি, নাইট ফটোগ্রাফি সহ বিভিন্ন ইমেজিং সক্ষমতা উন্নত করা পর্যন্ত, অপো সবসময় সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে ফটোগ্রাফি আরও সহজলভ্য করতে কাজ করে যাচ্ছে। ব্র্যান্ডটি বিশ্বাস করে, ফটোগ্রাফি কেবল প্রযুক্তির বিষয় নয়; এটি মানুষকে নিজের মতো করে দেখতে, সৃষ্টি করতে ও গল্প বলতে সক্ষম করে তোলার বিষয়।

বাংলাদেশে এই দর্শনকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে ‘অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি প্রেজেন্টস অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬’, যা দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফটোগ্রাফি ও ভিজ্যুয়াল আর্টস প্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সাথে অংশীদারিত্বে আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতিযোগিতায় সারা বাংলাদেশের ফটোগ্রাফিপ্রেমীদের স্মার্টফোনে তোলা ছবি পাঁচটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে জমা দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ক্যাটাগরিগুলো হলো- পোর্ট্রেট; নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ; স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার; লো লাইট; ও হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার।

এতে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। প্রতিযোগিতায় ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন পড়েছে, যা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ফটোগ্রাফির প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও সৃজনশীল প্রকাশের হাতিয়ার হিসেবে স্মার্টফোনের জনপ্রিয়তাকে প্রতিফলিত করে।

গ্র্যান্ড ফিনালের দিকে এগিয়ে আসার সাথে সাথে যেন উদ্দীপনা আরও বাড়ছে; হাজারো এন্ট্রির মধ্য থেকে কোন ফটোগ্রাফারের দৃষ্টিভঙ্গি ও গল্প আলাদাভাবে বোঝা যাবে? বিজয়ীদের একাধিক ধাপে স্বীকৃতি দেওয়া হবে, যেন প্রতিটি ধাপে সৃজনশীলতার উদযাপন যথাযথভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড উইনার পাবেন ১,০০,০০০ টাকা নগদ পুরস্কার, একটি অপো ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ও পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। এলিট উইনার পাবেন ৫০,০০০ টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। মাস্টার উইনার পাবেন ৩০,০০০ টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। এবং প্রতিটি ক্যাটাগরি উইনার পাবেন ২০,০০০ টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।

এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, “অপোতে আমরা সবসময় বিশ্বাস করি যে, ফটোগ্রাফি তরুণদের জন্য নিজেদের পরিচয় ও বিশ্বকে দেখার সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যমগুলোর একটি। ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে আমাদের জন্য প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার একটি অসাধারণ সুযোগ। এটি কেবল ইমেজিং প্রযুক্তির প্রতি নয়; বরং, দেশজুড়ে আমরা যে সৃজনশীল কমিউনিটি গড়ে তুলতে চাই তার প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতাও। ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষ আমাদের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাদের গল্পগুলো ভাগাভাগি করে নিয়েছেন; এটি অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক। এই আবেগ ও সৃজনশীলতাকে আরও বিকশিত হতে সহায়তা করবে আমরা এমন প্ল্যাটফর্ম ও সুযোগ তৈরি করতে চাই।”

এই প্রতিযোগিতা বাংলাদেশে সৃজনশীল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রতি অপোর প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। স্মার্টফোন প্রযুক্তি, পাঠশালার মতো পেশাদার ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠান ও হাজারো উদীয়মান ফটোগ্রাফারকে একত্রিত করার মধ্য দিয়ে এই উদ্যোগের লক্ষ্য কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়; বরং তারচেয়েও বেশি কিছু। এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে যেখানে উদীয়মান ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলাররা স্বীকৃতি পাবেন, পেশাদারদের কাছ থেকে শিখতে পারবেন এবং তাদের অনুভূতিকে আরও এগিয়ে নিতে পারবেন।

এবারের ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে-তে ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন এক শক্তিশালী স্মারক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে; যেখানে ফটোগ্রাফি এখন আর দামি ক্যামেরা বা পেশাদার স্টুডিও দিয়ে পরিমাপ করা হয় না। কেবল অনুভূতি আর এর তীব্র বহিঃপ্রকাশের মধ্য দিয়েই ফুটে ওঠে এই দৃষ্টিভঙ্গি।

আর গ্র্যান্ড ফিনালে এগিয়ে আসার সাথে সাথে একটি প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, ২৩ হাজারেরও বেশি গল্পের মধ্য থেকে কোন ছবিটি সবাইকে ছাড়িয়ে যাবে!




মহাকাশ থেকে ধরা পড়ল নজরকাড়া ‘সাউদার্ন লাইটস’

ডেস্ক নিউজঃ মহাকাশ থেকে তোলা এক অসাধারণ দৃশ্য সবাইকে মুগ্ধ করেছে। নাসার একজন নভোচারী স্পেসএক্স ড্রাগন মহাকাশযান থেকে দক্ষিণ মেরুর আকাশে দেখা যাওয়া ‘সাউদার্ন লাইটস’ বা অরোরা অস্ট্রালিসের একটি দারুণ টাইম-ল্যাপস ভিডিও ধারণ করেছেন।

নাসার নভোচারী জেসিকা মেয়ার বর্তমানে স্পেসএক্স ড্রাগন ক্যাপসুলে একটি মিশনে কাজ করছেন। গত সপ্তাহান্তে এই বিরল দৃশ্যটি ধারণ করেন তিনি। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে জানান, এই প্রাকৃতিক আলোর খেলায় তিনি গভীরভাবে মুগ্ধ হয়েছেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, সবুজাভ আলো তরঙ্গের মতো নেচে চলেছে এবং আশ্চর্যের বিষয় হলো—এটি সরাসরি মহাকাশযানের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

জেসিকা মেয়ার বলেন, আগেও তিনি অরোরা দেখেছেন, কিন্তু এভাবে মহাকাশযানের একেবারে নিচে এত জীবন্তভাবে নাচতে তিনি আগে কখনো দেখেননি।

এই মনোমুগ্ধকর আলোর মূল কারণ একটি শক্তিশালী সৌর ঝড়। সূর্য থেকে প্রচণ্ড শক্তিসম্পন্ন চার্জযুক্ত কণার ঢেউ বের হয়ে মহাকাশ পেরিয়ে পৃথিবীর দিকে আসে। পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র এই কণাগুলোকে উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর দিকে নিয়ে যায়। সেখানে এসে কণাগুলো বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এই সংঘর্ষের ফলেই সৃষ্টি হয় রঙিন আলোর পর্দার মতো দৃশ্য, যাকে আমরা অরোরা বলি।

উত্তর গোলার্ধে বসবাসকারী মানুষরা ‘নর্দার্ন লাইটস’ তুলনামূলকভাবে বেশি দেখতে পান। কিন্তু দক্ষিণ মেরুর এই ‘সাউদার্ন লাইটস’ দেখা অনেক কঠিন। কারণ এটি সাধারণত অ্যান্টার্কটিকা ও দক্ষিণ মহাসাগরের ওপরেই দেখা যায়—যেখানে মানুষের বসবাস খুবই কম।

মহাকাশে থাকা নভোচারীরা পৃথিবীর চারপাশে ঘণ্টায় হাজার হাজার কিলোমিটার গতিতে ঘুরতে ঘুরতে এই দৃশ্য পুরোপুরি বাধাহীনভাবে দেখতে পান। ফলে তারা এমন একটি দৃষ্টিকোণ থেকে এই ঘটনাগুলো দেখেন, যা পৃথিবীতে থাকা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।

জেসিকা মেয়ারের ধারণ করা এই ভিডিও ইতোমধ্যে অনলাইনে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই প্রথমবারের মতো এত কাছ থেকে এবং ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে অরোরা দেখার সুযোগ পেয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ভিডিও শুধু সৌন্দর্য নয়, বরং আমাদের পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও মহাকাশের ভৌত প্রক্রিয়া বোঝার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।




প্রতিদিন মাত্র ৬৮ টাকার সহজ কিস্তিতে নতুন অপো এ৬সি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো তাদের নতুন স্মার্টফোন অপো এ৬সি-এর জন্য দেশজুড়ে দুর্দান্ত ঈদ ক্যাম্পেইনের ঘোষণা দিয়েছে। যেখানে প্রতিদিন মাত্র ৬৮ টাকার সহজ কিস্তিতে ক্রেতারা এই স্টাইলিশ ডিভাইসটি কেনার সুযোগ পাবেন। উৎসবের এই মৌসুমে প্রিমিয়ামের মতো স্মার্টফোন কেনার অভিজ্ঞতা আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে এই ক্যাম্পেইন নিয়ে আসা হয়েছে; যেখানে টপপের মাধ্যমে মাত্র ২০% ডাউন পেমেন্টে এ সুযোগ পাওয়া যাবে।
অপোর বিশেষ ঈদ ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে, অপো এ৬সি-এর ক্রেতারা ৯০ দিনের এক্সক্লুসিভ রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি উপভোগ করতে পারবেন। যা ডিভাইস ব্যবহারে মানসিক স্বস্তির পাশাপাশি, বিক্রয়-পরবর্তী সেবা নিশ্চিত করবে। এই উৎসব উদযাপনকে আরও আকর্ষণীয় করতে অপো ওপ্যাড ডিভাইস, ওলাইক টিডব্লিউএস ইয়ারবাডস, ব্যাকপ্যাক, অপো টি-শার্ট ও অপো ক্যাপ সহ ক্রেতাদের জন্য আরও অনেক লাইফস্টাইল উপহার পাওয়ার সুযোগ থাকছে।
বর্তমানে স্টাইল ও প্রাকটিক্যালিটি একসাথে চান এমন ব্যবহারকারীর জন্য নিয়ে আসা অপো এ৬সি প্রতিদিনের পারফরম্যান্সকে নির্ভরযোগ্য করার পাশাপাশি, অসাধারণ ব্যাটারি সক্ষমতা নিশ্চিত করবে। ডিভাইসটিতে ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ৬ বছরের ডিউরেবিলিটি গ্যারান্টি ও রিভার্স চার্জিং নিশ্চিত করবে। একইসাথে, আরও স্মুথ ও দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে এতে ৪৮ মাসের ফ্লুয়েন্সি প্রোটেকশন ব্যবহার করা হয়েছে।
অপো এ৬সি-এ এআই ইরেজার ও এআই ক্লিয়ার ফেসের মতো ইন্টেলিজেন্ট এআই-সক্ষম ফিচার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের প্রতিদিনের ফটোগ্রাফি অভিজ্ঞতাকে সহজ ও সৃজনশীল করার পাশাপাশি, আরও সমৃদ্ধ করবে। এছাড়াও, স্মার্টফোনটিতে আইপি৬৪ ওয়াটার অ্যান্ড ডাস্ট রেজিজট্যান্স উইথ স্প্ল্যাশ টাচ, ১২০ হার্জের আলট্রা ব্রাইট ডিসপ্লে ও তিন ঘণ্টা পর্যন্ত গেমিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে এমন স্মুথ ৬০ এফপিএস (ফ্রেম পার সেকেন্ড) ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীর সামগ্রিক অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেমন ইয়াং বলেন, “ফ্ল্যাগশিপের মত নান্দনিক ও প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে এমন অপো এ৬সি ইতোমধ্যেই এর স্টাইলিশ ডিজাইন, দীর্ঘমেয়াদি ব্যাটারি সক্ষমতা ও ইন্টেলিজেন্ট এআই-সক্ষম ফিচাররের জন্য ব্যবহারকারীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। এই ঈদে আমরা আমাদেরর ক্রেতাদের জন্য প্রিমিয়ামের মতো স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে চাই। সহজ কিস্তি সুবিধা, আকর্ষণীয় উপহার ও নির্ভরযোগ্য বিক্রয়-পরবর্তী সেবার মাধ্যমে আমরা এই বিশেষ মৌসুমে ব্যবহারকারীদের জন্য আরও বেশি আনন্দ, স্বাচ্ছন্দ ও আত্মবিশ্বাস নিশ্চিত করতে চাই।”
অপো এ৬সি-এ রয়েছে ক্লিন লাইন, পলিশড ফিনিশ ও প্রিমিয়াম ইন-হ্যান্ড ফিল সহ রিফাইন্ড ফ্ল্যাগশিপ-ইন্সপায়ার্ড ডিজাইন। নান্দনিক ফেদার হোয়াইট ও স্টোন ব্রাউন এই দুইটি অনন্য রঙে নিয়ে আসা ৪ জিবি + ৬৪ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম রাখা হয়েছে ১৬,৯৯৯ টাকা মাত্র। দেশজুড়ে সকল অথোরাইজড অপো আউটলেট ও অনলাইন চ্যানেল থেকে অপো এ৬সি কিনে ক্রেতারা এই এক্সক্লুসিভ ঈদ অফার ও সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।



এআই অটো জুম ফিচারে এবার ঈদুল ফিতরের গ্রুপ সেলফি তোলা আরও সহজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর মানেই শেকড়ে ফেরার উৎসব। বাস আর ট্রেনে থাকে উপচে পড়া মানুষের ভিড়। বছরজুড়ে খালি পড়ে থাকা বাড়িগুলো আবার হাসি-আনন্দে মেতে ওঠে। আর প্রিয়জনের সাথে এই আনন্দ আরও বহুগুণ বেড়ে যায় ঈদের সময়ে তোলা সেলফিতে। তবে সবাই মিলে সেলফি তুলতে গেলে কিছু ঝামেলাও পোহাতে হয়।
সেলফির বিষয়টিই এমন। ছবি তোলার সময় হুট করে ফ্রেমে আরও কিছু প্রিয়মুখ ঢুকে যায়। তাদের বাদ দিয়ে তো আর ছবি তোলা যায় না! সাধারণত ক্যামেরার ১x মোডে ফ্রেম ন্যাচারাল আর ব্যালেন্সড আসে। বিপত্তি বাধে তখন, যখন একই সেলফিতে সবাইকে রাখতে গিয়ে ০.৬x আল্ট্রা-ওয়াইড মোডে ক্যামেরা ম্যানুয়ালি সুইচ করা হয়। এইসময় সব ঠিক থাকলেও ছবির আস্পেক্ট বদলে যায়। এতে সবাই ফ্রেমে আটলেও কোণায় থাকা মানুষটি দেখতে কিছুটা অস্বাভাবিক লাগে।
অন্যদিকে ০.৬x আল্ট্রা-ওয়াইড মোড ব্যবহার করলে ফ্রেমে বেশি জায়গা পাওয়া যায় এবং বেশি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে ছবির কোণায় থাকা মুখ কিছুটা লম্বা বা বিকৃত দেখাতে পারে। ফলে ব্যবহারকারীদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়—স্বাভাবিক ফ্রেম রাখবেন নাকি বেশি মানুষকে ফ্রেমে আনবেন।
এই পরিস্থিতিতে এআই অটো জুম ফিচার ব্যবহারকারীদের জন্য একটি স্বয়ংক্রিয় সমাধান হিসেবে কাজ করে। অপোর নতুন এ৬এস প্রো-তে ৫০ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড সেলফি ক্যামেরায় যুক্ত এই প্রযুক্তি সামনে থাকা মানুষের মুখ শনাক্ত করে ফ্রেম অনুযায়ী জুম লেভেল ঠিক করে। ফ্রেমে একজন বা দুজন থাকলে ক্যামেরা স্বাভাবিকভাবে ১x মোডে থাকে। আর ফ্রেমে মানুষের সংখ্যা বাড়লে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ০.৬x আল্ট্রা-ওয়াইড মোডে পরিবর্তিত হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন হয় এবং ব্যবহারকারীকে আলাদা করে কোনো সেটিং পরিবর্তন করতে হয় না।
বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতিতে এই ফিচার বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে। ঈদের সময় অনেক পরিবার ছোট উঠান, ঘরের ভেতর, বারান্দা বা ছাদে দাঁড়িয়ে ছবি তোলে। এসব জায়গায় পেছনে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না। ফলে গ্রুপ সেলফি তুলতে গিয়ে সবাইকে ফ্রেমে আনা কঠিন হয়ে পড়ে। এআই অটো জুম প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফ্রেম বড় করে এই সমস্যার সমাধান দিতে পারে।
এছাড়া ৫০ মেগাপিক্সেল রেজ্যুলুশনের কারণে আল্ট্রা-ওয়াইড মোডেও ছবির ডিটেইল বজায় থাকে। এতে পোশাকের নকশা, হাতে আঁকা মেহেদি বা আশপাশের পরিবেশ স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। গ্রুপ সেলফিতে পেছনের দৃশ্যও ছবির অংশ হয়ে ওঠে, যা অনেক সময় স্মৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে থাকে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, স্মার্টফোন ক্যামেরায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে এই ধরনের স্বয়ংক্রিয় ফিচার ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে সহজ করে। বিশেষ করে উৎসবের সময় যখন দ্রুত ছবি তুলতে হয়, তখন ম্যানুয়াল সেটিং পরিবর্তনের ঝামেলা কমানো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
ঈদের সময় তোলা ছবিগুলো অনেকের কাছে দীর্ঘদিনের স্মৃতি হয়ে থাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার পাশাপাশি এসব ছবি অনেক সময় পরিবারের ব্যক্তিগত আর্কাইভেও সংরক্ষিত থাকে। এআই অটো জুমের মতো প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের জন্য সেই মুহূর্তগুলোকে আরও সহজভাবে এবং সম্পূর্ণভাবে ক্যামেরায় ধারণ করার সুযোগ তৈরি করছে।
এখনকার দিনে গ্রুপ সেলফি ঈদের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। এর সাথে জড়িয়ে থাকে পৈতৃক ভিটেমাটি, সাজানো ডাইনিং টেবিল, ছাদের ওপর খোলা আকাশ; আত্মীয়স্বজনদের হাসিখুশি ছবির হাজারো স্মৃতিময় মুহূর্ত। স্মার্টফোনের এই প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সবাই যখন হার্ডওয়্যার আর এআই নিয়ে প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত, তখন এধরনের কনটেক্সচুয়াল ইন্টেলিজেন্স আমাদের প্রতিদিনের জীবনের বাস্তব ও সাংস্কৃতিক সমস্যার সমাধান নিয়ে এসে আলাদাভাবে নজর কাড়ে।
তাই, এখন একা তোলা ছবি হোক বা পরিবার-পরিজন সবাই সহ গ্রুপ সেলফি, ৫০ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড সেলফি ক্যামেরার ‘এআই অটো জুম’ ফিচার ঈদের প্রতিটি মুহূর্তকেই করে তুলবে বিশেষ ও আনন্দময়।



এই ঈদে সারাদেশে পাওয়া যাচ্ছে অপো এ৬এস প্রো

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অপো এ৬এস প্রো এখন সারাদেশে পাওয়া যাচ্ছে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো। প্রো-লেভেলের ক্যামেরা, শক্তিশালী পারফরম্যান্স, ব্যবহারে স্মুথ অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে এই স্মার্টফোনটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। আজকের সবসময় কানেক্টেড ব্যবহারকারীদের জন্য; বিশেষ করে, আসন্ন ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন সময়কে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে এই ফোনটি নিয়ে আসা হলো। শক্তিশালী ব্যাটারি সিস্টেম ও বুদ্ধিমান পারফরম্যান্স অপটিমাইজেশনের সমন্বয়ে তৈরি এ৬এস প্রো এমনভাবে নির্মিত, যা ব্যস্ত দৈনন্দিন জীবনধারার সাথে তালমিলিয়ে চলা নিশ্চিত করে।
অপো এ৬এস প্রোর কেন্দ্রে রয়েছে বিশাল ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, যা দীর্ঘস্থায়ী পাওয়ার এবং নির্ভরযোগ্য দৈনন্দিন ব্যবহারের নিশ্চয়তা দেয়। এই শক্তিশালী ব্যাটারির সাথে যুক্ত হয়েছে ৮০ ওয়াট সুপারভুক ফ্ল্যাশ চার্জ, যা ব্যবহারকারীদের দ্রুত চার্জ করে আবার কাজে ফিরে যেতে সহায়তা করে। পাশাপাশি, ডিভাইসটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন নিয়মিত ব্যবহারের পরও পাঁচ বছরের বেশি সময় পর্যন্ত ব্যাটারির স্বাস্থ্য স্থিতিশীল থাকে, ফলে দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারকারীরা নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স পান।
শুধু শক্তিশালী ব্যাটারি নয়, অপো এ৬এস প্রো একটি পূর্ণাঙ্গ স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এতে রয়েছে ১২০ হার্জ অ্যামোলেড আল্ট্রা-ব্রাইট ডিসপ্লে, যা মসৃণ ও উজ্জ্বল ভিজ্যুয়াল নিশ্চিত করে। একইসাথে, রয়েছে আইপি৬৯কে রেটিংযুক্ত ওয়াটার অ্যান্ড ডাস্ট রেজিজট্যান্স সক্ষমতা, যা ডিভাইসটিকে আরও টেকসই করে তোলে। পারফরম্যান্সকে আরও শক্তিশালী করতে এতে যুক্ত হয়েছে এআই লিঙ্কবুস্ট ৩.০, সুপারকুল ভিসি কুলিং সিস্টেম, ডুয়াল স্টেরিও স্পিকার, কালারওএস ১৬, এবং দীর্ঘমেয়াদি ফ্লুয়েন্সি অপটিমাইজেশন; যা সময়ের সাথে সাথে স্থিতিশীল ও দ্রুত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।
স্মার্টফোনটিতে আরও রয়েছে অপো’র এআই অটো জুম ৫০ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড সেলফি ক্যামেরা, যা বুদ্ধিমান ফ্রেমিংয়ের মাধ্যমে সহজেই বড় গ্রুপ সেলফি ধারণ করতে সহায়তা করে; ফলে, সামাজিক মুহূর্ত, পারিবারিক জমায়েত ও দৈনন্দিন ফটোগ্রাফি আরও সহজ ও আনন্দময় হয়ে ওঠে।
এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেমন ইয়াং বলেন, “অপো এ৬এস প্রো আমাদের সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন, যেখানে আমরা ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করতে অর্থবহ উদ্ভাবন নিয়ে আসি। শক্তিশালী ব্যাটারি সিস্টেম, দ্রুত চার্জিং সুবিধা এবং টেকসই ডিজাইনের মাধ্যমে এই ডিভাইসটি ব্যবহারকারীদের ব্যস্ত দিনের প্রতিটি মুহূর্তে নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হতে তৈরি করা হয়েছে।”
৮ জিবি র‍্যাম ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে অপো এ৬এস প্রো এখন সারাদেশে পাওয়া যাচ্ছে। লুমিনা ফরেস্ট ও এক্লিপ্স ব্লু এই দুটি আকর্ষণীয় রঙের এই ডিভাইসটির মূল্য মাত্র ৩৯,৯৯০ টাকা। ডিভাইসটি অপো ব্র্যান্ড শপ, অনুমোদিত রিটেইল আউটলেট এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাচ্ছে।
এই ঈদে কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দময় করতে অপো এ৬এস প্রো ক্রেতারা টপপের মাধ্যমে ০% সুদে কিস্তি সুবিধা, একটি এলিট ব্যাকপ্যাক ফ্রি গিফট, ৯০ দিনের ফ্রি রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি এবং এক বছরের ফ্রি এক্সটেন্ডেড ওয়ারেন্টি প্ল্যান উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি, ক্রেতারা ফ্লিপার থেকে সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ ডিসকাউন্ট এবং মাই অপো অ্যাপের মাধ্যমে ৪,০০০ রিওয়ার্ড পয়েন্ট অর্জনের সুযোগ পাবেন।
ক্রেতাদের জন্য আরও রয়েছে আকর্ষণীয় প্রোমোশনাল ক্যাম্পেইন, যেখানে তারা জিতে নিতে পারেন একটি কিনলে একটি ফ্রি (বোগো) অফার, লাখ টাকা ড্রিম ট্রিপ, অপো ওয়াচ এক্স২, অপো প্যাড ৩ এবং অপো প্যাড এসই।
এছাড়াও, সহজ-এর সহযোগিতায় অপো এ৬এস প্রো ক্রেতাদের জন্য বিশেষ ভ্রমণ সুবিধা রয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় ২৫০ জন ভাগ্যবান ক্রেতা ১,০০০ টাকার বাস টিকিট ভাউচার কোড পাবেন, যা সহজ প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা যাবে। পাশাপাশি, সকল ক্রেতা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিমান টিকিটে সর্বোচ্চ ৬% ভাউচার সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন, যা তাদের ভ্রমণ পরিকল্পনাকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করে তুলবে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপো বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/OPPOBangladesh বা ওয়েবসাইট https://www.oppo.com/bd/ ভিজিট করুন।



একুশের চেতনা ছড়িয়ে দিতে অপোর ‘২১-এর চেতনায় ২১ টাকায় ফোন’ ক্যাম্পেইন চালু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে আজ দেশজুড়ে বিশেষ ক্যাম্পেইন ‘২১-এর চেতনায় ২১ টাকায় ফোন’ চালুর ঘোষণা দিয়েছে শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো। ক্যাম্পেইনটি ১৬-২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। ক্যাম্পেইনটির আওতায় ক্রেতারা অনলাইন লটারিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন, যেখানে মাত্র ২১ টাকায় ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’, এক্সক্লুসিভ হুডি, ব্যাকপ্যাক, ক্যাপ সহ আরও নানান আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নিতে পারবেন। গত বছরের ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে নিয়ে আসা অপো এ৬এক্স ও এ৬ সিরিজের জন্য এই অফারটি প্রযোজ্য হবে।
সাশ্রয়ী মূল্যে নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স খুঁজছেন এমন ক্রেতাদের জন্য অপো এ৬এক্স নিয়ে এসেছে শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৬৮৫ প্রসেসর, রিভার্স ওয়্যার্ড চার্জিং সুবিধা সহ সুবিশাল ৬৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, স্মুথ ১২০ হার্জ আল্ট্রা-ব্রাইট ডিসপ্লে ও অপোর ৪৮ মাসের ফ্লুয়েন্সি প্রোটেকশন; যা শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাজীবী ও প্রথমবারের মতো
স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী, স্মুথ ও নির্ভরযোগ্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।
অন্যদিকে, স্থায়িত্ব ও টেকসই ব্যবহারের জন্য তৈরি অপো এ৬ স্মার্টফোনে রয়েছে সুবিশাল ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, সুপারকুল ভিসি সিস্টেমের মাধ্যমে উন্নত থার্মাল ম্যানেজমেন্ট, ফ্ল্যাগশিপ-গ্রেড আইপি৬৯ ওয়াটার অ্যান্ড ডাস্ট রেজিজট্যান্স, ইন্টেলিজেন্ট নেটওয়ার্ক অপটিমাইজেশন এবং শক্তিশালী এআই ক্যামেরা ফিচার; যা ডিভাইসটিকে ভারী ব্যবহার, কনটেন্ট তৈরি ও সক্রিয় লাইফস্টাইলের জন্য আদর্শ সঙ্গী করে তোলে।
ক্যাম্পেইন সম্পর্কে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেমন ইয়াং বলেন, “একুশ আমাদের পরিচয়, সাহস ও এগিয়ে যাওয়ার শক্তির কথা শেখায়। ‘২১-এর চেতনায় ২১ টাকায় ফোন’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা সেই চেতনাকে সম্মান জানাতে চাই, যেন আমাদের তরুণ প্রজন্ম আরও অর্থবহ ও সহজলভ্য উপায়ে নির্ভরযোগ্য ও উদ্ভাবনী স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারে; একইসাথে নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যেতে পারে।”
‘২১-এর চেতনায় ২১ টাকায় ফোন’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য উদযাপন এবং একইসাথে, উদ্ভাবনী ও নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্রেতাদের ক্ষমতায়নে অপোর প্রতিশ্রুতি আরও দৃঢ় হলো। এই একুশে-কেন্দ্রিক উদ্যোগের মাধ্যমে ভাষা, পরিচয় ও অগ্রগতির মূল্যবোধের সাথে প্রযুক্তি যুক্ত করে এটিকে ক্রেতাদের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসতে চায় অপো।
এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে অপো বাংলাদেশের ওয়েবসাইট https://www.oppo.com/bd/ বা অপোর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ https://www.facebook.com/OPPOBangladesh ফলো করুন।



মানুষের হাতে এখন ধ্বংস হচ্ছে সমুদ্রতলের বিস্ময়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সমুদ্রপৃষ্ঠের বহু নিচে থাকা রহস্যময় এক জগতকে ঘিরে এখন বাড়ছে মানুষের আগ্রহ আর বিনিয়োগ। ব্যাটারি ও শিল্পের কাঁচামাল জোগাড়ের নামে গভীর সমুদ্রে খনি খনন নিয়ে বিজ্ঞানীরা যখন সতর্ক করছেন তখনই নতুন করে সামনে এসেছে বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের চিত্র। অজানা এই পরিবেশে মানুষের হস্তক্ষেপ ভবিষ্যতের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে তা নিয়েই উঠছে গুরুতর প্রশ্ন।

বিশ্বের ২০টিরও বেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠান গভীর সমুদ্রে খনি খননে অর্থায়ন না করার অঙ্গীকার করলেও জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের অনুসন্ধানে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে ডিপ সি মাইনিং সংশ্লিষ্ট কোম্পানিতে অন্তত ৬৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার বিনিয়োগ রয়েছে।

ব্যাটারি ও শিল্পখাতে ব্যবহৃত নিকেল কোবাল্ট তামার সন্ধানে সমুদ্রপৃষ্ঠের হাজার হাজার মিটার নিচে খননকাজ চলছে। অথচ এই পরিবেশ সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান অত্যন্ত সীমিত। এখন পর্যন্ত সমুদ্রতলের মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য এক শতাংশ অংশ অন্বেষণ করা সম্ভব হয়েছে।

গ্রিনপিসের ইনভেস্টিগেশন ইউনিটের নথি বিশ্লেষণ করে ডয়চে ভেলে জানিয়েছে এই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে রয়েছে ডয়েচে ব্যাংক, ইউবিএস, ক্রেডিট সুইস, ক্রেডিট এগ্রিকোল। এসব বিনিয়োগের তথ্য সামনে এসেছে এমন এক সময়ে যখন যুক্তরাষ্ট্র গভীর সমুদ্রে খননকে ভবিষ্যতের খনিজ উৎস হিসেবে এগিয়ে নিতে চাইছে। বিপরীতে প্রায় ৪০টি দেশ এই কার্যক্রম স্থগিতের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী দিভা আমন বলেন গভীর সমুদ্র অত্যন্ত সংবেদনশীল অথচ মানবজাতির জন্য অপরিহার্য। আমরা যা ধ্বংস করতে যাচ্ছি সে সম্পর্কে আমাদের ন্যূনতম ধারণাও নেই এবং একবার হারালে তা আর ফেরানো যাবে না।

ডয়েচে ব্যাংক ও ক্রেডিট এগ্রিকোল দাবি করেছে তাদের অঙ্গীকার নির্দিষ্ট প্রকল্পে অর্থায়নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে সমালোচকদের মতে এভাবে বিনিয়োগ চালিয়ে যাওয়া আসলে গ্রিনওয়াশিংয়ের শামিল।

গ্রিনপিসের সাবেক ইনভেস্টমেন্ট স্ট্র্যাটেজিস্ট মাউরিসিও ভার্গাস বলেন পরিবেশগত বিতর্ক এড়াতেই ব্যাংকগুলো এমন কৌশল নেয়। অন্যদিকে নরওয়ের স্টোরব্র্যান্ড গ্রুপ গভীর সমুদ্রে খনি খননের সঙ্গে যুক্ত কোম্পানি থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে সতর্কতামূলক নীতির দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে।

ডয়চে ভেলের অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে জনগণের করের টাকা এমনকি পেনশন তহবিলও এই খাতের সঙ্গে যুক্ত কোম্পানিতে বিনিয়োগ হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন পলিমেটালিক নোডুলস অপসারণ করলে কয়েক মিলিয়ন বছরের জন্য পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে।

জাতিসংঘের সমুদ্রবিষয়ক বিশেষ দূত পিটার থমসন গভীর সমুদ্রে খনি খননে অন্তত ১০ বছরের স্থগিতাদেশের আহ্বান জানিয়েছেন। পরীক্ষামূলক খননের প্রাথমিক ফলাফলেও দেখা গেছে সমুদ্রতলের প্রাণবৈচিত্র্য এক তৃতীয়াংশের বেশি কমে গেছে।

দিভা আমনের ভাষায় গভীর সমুদ্র সম্পর্কে মানুষ যদি আরও জানত তবে সেখানে খনি খননের কথা ভাবত না।