ওয়াটার-রেজিজট্যান্সে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস করল রিয়েলমি সি৮৫ সিরিজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি সম্প্রতি বাংলাদেশে সি৮৫ সিরিজের সবচেয়ে ওয়াটার রেজিজট্যান্ট স্মার্টফোন রিয়েলমি সি৮৫ প্রো উন্মোচন করেছে। ইন্ডাস্ট্রির সেরা আইপি৬৯ প্রো রেটিংসহ রিয়েলমি সি-সিরিজের এই স্মার্টফোনটি ‘মোস্ট পিপল পারফর্মিং আ মোবাইল ফোন ওয়াটার-রেজিজট্যান্স টেস্ট সিমুলটেনাসলি’ শীর্ষক গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি অর্জন করে।
ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় সিলান্ডক স্পোর্টস সেন্টারে এ অসাধারণ রেকর্ড গড়া হয়। রিয়েলমি সি৮৫ সিরিজের উদ্ভাবনী ওয়াটারপ্রুফিং প্রযুক্তি ও ব্যবহারকারীদের জন্য ডিউরেবল প্রযুক্তি নিশ্চিত করতে ব্র্যান্ডটির প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ মাইলফলক অর্জন করে রিয়েলমি।
রেকর্ড গড়ার এই চ্যালেঞ্জে ২৮০ জন অংশগ্রহণকারীর প্রত্যেকে রিয়েলমি সি৮৫ সিরিজের স্মার্টফোন নেন। পুলের ধারে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে সকল অংশগ্রহণকারী সমন্বিত ডোমিনো-স্টাইলে একসাথে তাদের ডিভাইস পানিতে ডুবিয়ে দেন। প্রতিটি ফোন দুই মিনিট পানির নিচে রাখার পর সেগুলো তুলে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে দেখা যায়, সবগুলো ডিভাইসই স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিল; আর এর মাধ্যমে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের আনুষ্ঠানিক মূল্যায়ন সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
এই রেকর্ড অর্জনের মূলে ছিলো রিয়েলমি সি৮৫ সিরিজের একদম নতুন আইপি৬৯ প্রো ওয়াটার-রেজিজট্যান্স টেকনোলাজি। এটি রিয়েলমির এখন পর্যন্ত নিয়ে আসা সবচেয়ে আধুনিক প্রোটেকশন সিস্টেম, যা আইপি৬৯কে, আইপি৬৯, আইপি৬৮ ও আইপি৬৬, এই চারটি ওয়াটার-রেজিজট্যান্স স্ট্যান্ডার্ডকে অতিক্রম করে। ডিভাইসটি ৬ মিটার পানির গভীরে ৩০ মিনিট ও ০.৫ মিটার পানির গভীরে টানা ৬০ দিনের কঠিন পরীক্ষার পরও সম্পূর্ণ সচল থেকে এই প্রযুক্তির ডিউরেবিলিটি প্রমাণ করেছে। পাশাপাশি, সিরিজটিতে ব্যবহৃত ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি ডিভাইসটির ডিউরেবিলিটি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যা তরুণ ব্যবহারকারীদের জন্য সকল পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য ও দুশ্চিন্তামুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।
রিয়েলমি সি৮৫ সিরিজের গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস প্রমাণ করে যে, রিয়েলমি বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম এমন টেকসই ও মানসম্পন্ন স্মার্টফোন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তরুণ ব্যবহারকারীদের জন্য এটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও দৈনন্দিন নির্ভরযোগ্যতার নিখুঁত সমন্বয় নিশ্চিত করে।
সম্প্রতি উন্মোচিত রিয়েলমি সি৮৫ প্রো ডিভাইসটি তিনটি ভ্যারিয়েন্টে দেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এর ৬ জিবি + ১২৮ জিবির দাম মাত্র ২০,৯৯৯ টাকা, ৮ জিবি + ১২৮ জিবির দাম মাত্র ২২,৯৯৯ টাকা ও ৮ জিবি + ২৫৬ জিবির দাম মাত্র ২৪,৯৯৯ টাকা।



এখন নতুন পরিমার্জিত দামে অপো রেনো১৪ এফ ফাইভজি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রযুক্তি উদ্ভাবক অপো তাদের ফ্ল্যাগশিপ রেনো১৪ এফ ফাইভজির জন্য নতুন ও পরিমার্জিত মূল্য ঘোষণা করেছে। এর মাধ্যমে অপো তাদের বহুল প্রশংসিত এআই সক্ষমতা বাংলাদেশের আরও বেশি ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। এই মূল্য সমন্বয় সত্যিকারের ফ্লাগশিপ উদ্ভাবনের অভিজ্ঞতা আরও বেশি মানুষের কাছে নিয়ে যাবে, যা সবার জন্য উন্নত প্রযুক্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অপোর দৃষ্টিভঙ্গির সাথে মিলে যায়।
কৌশলগত মূল্যহ্রাসের মধ্য দিয়ে এখন রেনো১৪ এফ ফাইভজি (৮ জিবি + ২৫৬ জিবি) মাত্র ৩৯,৯৯০ টাকায় পাওয়া যাবে। ডিভাইসটি ওপাল ব্লু ও লুমিনাস গ্রিন রঙে পাওয়া যাচ্ছে, যা অপোর নান্দনিকতাকেই তুলে ধরে।
কনটেন্ট নির্মাতা ও স্টোরিটেলারদের জন্য নিয়ে আসা রেনো১৪ এফ ফাইভজি দৃষ্টিনন্দন ডিজাইনের সাথে যুগান্তকারী এআই প্রযুক্তিকে একত্রিত করেছে।এই উদ্ভাবনের শীর্ষে রয়েছে অপোর এআই লো লাইট ফটোগ্রাফি সিস্টেম, যা সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং পরিবেশেও নিখুঁত ও ঝকঝকে ছবি তোলার জন্য বিশেষভাবে তৈরি। ডিভাইসটিতে একটি ডুয়াল-ফ্ল্যাশ সেটআপ যুক্ত করা হয়েছে, যা এর আগের ফোনের তুলনায় দ্বিগুণ আলো সরবরাহ করে। এটি আবছা আলোর অনুষ্ঠান বা সন্ধ্যার সিটিস্কেপ যাই হোক না কেন, প্রতিটি মুহূর্তের স্বতঃস্ফূর্ত ছবি নিশ্চিত করে।
পাশাপাশি, এতে রয়েছে এআই এডিটর ২.০, যা ব্যবহারকারীদের পেশাদার-মানের পোস্ট-প্রোডাকশন সক্ষমতা প্রদান করে। এর এআই রিকম্পোজের মতো টুল বুদ্ধিমত্তার সাথে ত্রুটি সংশোধন করে, এআই পারফেক্ট শট স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রুপ ফটোতে চোখ বন্ধ হয়ে যাওয়া ঠিক করে দেয়; অন্যদিকে, এআই স্টাইল ট্রান্সফার তাৎক্ষণিকভাবে একটি ছবির স্টাইল অন্য ছবিতে প্রয়োগ করে; যা যেকোনো ছবিকে অনায়াসে দৃষ্টিনন্দন কনটেন্টে পরিণত করে।
একইসাথে, ডিভাইসটিতে আইপি৬৯-রেটেড ওয়াটার অ্যান্ড ডাস্ট রেজিজট্যান্স সহ ৪কে আলট্রা-এইচডি আন্ডারওয়াটার ভিডিওগ্রাফি নিয়ে আসা হয়েছে। সমুদ্রের ধারে, সুইমিং পুলে বা বর্ষায়, যেকোনো অবস্থাতেই ব্যবহারকারীরা এখন নিখুঁত ও  অসাধারণ ভিডিও রেকর্ড করার সুযোগ পাবেন।
এই ইমেজিং সক্ষমতার পাশাপাশি, রেনো১৪ এফ ফাইভজিতে রয়েছে শক্তিশালী ৬০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, সুপারভুক ফাস্ট চার্জিং এবং নিরবচ্ছিন্ন গেমিংয়ের জন্য এআই হাইপারবুস্ট ২.০, যা দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। এর প্রিমিয়াম অ্যামোলেড ডিসপ্লের সাথে মারমেইড-অনুপ্রাণিত ডিজাইন একত্রিত হয়ে এটিকে আরও নান্দনিক করে তোলে। একইসাথে, এতে এআই কল ট্রান্সলেটর, এআই কল সামারি, ভয়েসস্ক্রাইব ও মাইন্ড স্পেসের মতো ইন্টেগ্রেটেড এআই সুপার টুলবক্স ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতিদিনের সৃজনশীলতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেমন ইয়াং বলেন, “অপোতে আমরা মানুষকে উদ্ভাবনের কেন্দ্রে রাখি। এই পরিমার্জিত মূল্য আমাদের এই বিশ্বাসকে তুলে ধরে যে, যুগান্তকারী এআই ও ফ্লাগশিপ-স্তরের ইমেজিং প্রতিটি ভিশনারি ক্রিয়েটরের নাগালের মধ্যে থাকা উচিত। রেনো১৪ এফ ফাইভজির মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের পরবর্তী প্রজন্মকে ক্যাপচার, ক্রিয়েট ও এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে বাধাহীন করে তুলতে চাই।”
সর্বাধুনিক এআই ইমেজিং সক্ষমতা ও অনন্য ডিজাইনের ডিভাইস রেনো১৪ এফ ফাইভজি প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে। যা মুহূর্তগুলো কীভাবে ধারণ করা হবে, গল্প কীভাবে তৈরি হবে এবং সৃজনশীলতা কীভাবে উন্মোচিত হবে, তা নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপো বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ বা রেনো১৪ এফ ফাইভজির প্রোডাক্ট লিঙ্ক https://www.oppo.com/bd/smartphones/series-reno/reno14-f-5g/ ভিজিট করুন।



নেক্সট-লেভেল কোয়ালিটি নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি হিসেবে ‘অ্যাপেক্স গার্ড’ নিয়ে আসার ঘোষণা দিলো অপো

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ মানের পাশাপাশি, ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে সুরক্ষিত রাখতে আজ (১৬ নভেম্বর) সম্পূর্ণ টেকনোলজি স্যুট অ্যাপেক্স গার্ড নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছে অপো। স্মার্টফোন থেকে ক্রেতারা যা আশা করে তার সবই নতুন এই ধারণার মাধ্যমে নিয়ে আসা হয়েছে। এর মধ্যে আছে প্রতিদিনের ব্যবহারের বাইরে গিয়ে পণ্যের জীবনকাল বর্ধিত করা এবং ইন্ডাস্ট্রির স্ট্যান্ডার্ডকে নেক্সট লেভেল নিয়ে যাওয়া।
অপোর গ্লোবাল হেডকোয়ার্টার ও আরঅ্যান্ডডি (গবেষণা ও উন্নয়ন) হাব বিনহাই বে ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে নেক্সট লেভেল কোয়ালিটির ক্ষেত্রে নতুন এই ভিশন উন্মোচন করে অপো, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ের গবেষণা থেকে শুরু করে পুরো ডিভাইসটি তৈরি হওয়া পর্যন্ত, পণ্য উন্নয়নের প্রতিটি ধাপে মানের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতির বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
এ বিষয়ে অপো গ্লোবালের ডিরেক্টর অব ম্যানুফেকচারিং গ্রাস শান বলেন, “সবকিছুর ভিত্তিই হলো মান (কোয়ালিটি)। এক্ষেত্রে নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে অপো প্রত্যেক ব্যবহারকারীর স্বকীয়তা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মান কেবল কোনো ফিচার নয়; এটি ‘মেক ইওর মোমেন্ট’-এর ফ্রিডম।”
অ্যাপেক্স গার্ডের মাধ্যমে কোয়ালিটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া
ব্যবহারকারীর সত্যিকারের চাহিদাগুলোকে বিস্তৃত সমাধানের মাধ্যমে পূরণ করার ক্ষেত্রে অপোর প্রতিশ্রুতির মূলে রয়েছে অ্যাপেক্স গার্ড। এটি এমন একটি প্রযুক্তি স্যুট, যা সমস্ত প্রোডাক্ট লাইনে নিয়ে আসা হয়েছে এবং তিনটি মূল ক্ষেত্রের মানকে উন্নত করতে ডিজাইন করা হয়েছে।
প্রতিদিনের ব্যবহারের বাইরে নেক্সট লেভেল কোয়ালিটি; ডিজাইনে মৌলিক অগ্রগতির পাশাপাশি, অ্যাপেক্স গার্ড পানি বা দুর্ঘটনাক্রমে পড়ে যাওয়ার মতো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি থেকেই সুরক্ষা দেয় না; বরং, দৈনন্দিন ব্যবহারের বাইরেও একটি নিরবচ্ছিন্ন ও সহজ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। উপাদান ও পণ্যের ডিজাইনে অগ্রসর গবেষণার মাধ্যমে অপো আল্ট্রা-হাই-স্ট্রেংথ স্টিল ও এএম০৪ অ্যারোস্পেস-গ্রেড অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয়ের মতো উপকরণ তৈরি করেছে। যা প্রতিদিনের ক্ষয়ক্ষতি সহ্য করার পাশাপাশি, প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সুরক্ষা নিশ্চিতে আর্মর শিল্ডের মতো কাঠামোগত সমাধান নিয়ে এসেছে।
পণ্যের জীবনকালের বাইরে নেক্সট লেভেল কোয়ালিটি; নিশ্চিন্ত অভিজ্ঞতার জন্য অ্যাপেক্স গার্ড নেক্সট লেভেল কোয়ালিটি নিশ্চিত করে যা সময়ের পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ। কাস্টমাইজড স্ফেরিকাল সিলিকন-কার্বন ম্যাটেরিয়ালসহ অপো সিলিকন-কার্বন ব্যাটারির মতো উদ্ভাবনের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা নিশ্চিত করছে এটি, যা ব্যাটারি সেলের জীবনকালকে অতিরিক্ত ৪০০ সাইকেল পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়। অ্যাপেক্স গার্ড অপো ডিভাইসগুলোকে আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য নতুনের মতো পারফর্ম করতে সক্ষম করে তোলে।
বিদ্যমান মানদণ্ডের বাইরে নেক্সট লেভেল কোয়ালিটি; শুরু থেকেই ব্যতিক্রমী মান নিশ্চিত করতে অপো টিইউভি রাইনল্যান্ড, টিইউভি সুড ও এসজিএস সহ সুপরিচিত আন্তর্জাতিক টেস্টিং প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নিচ্ছে এবং ইন্ডাস্ট্রির বাকিদের চেয়ে
 
মানদণ্ডে তাদের ডিভাইসগুলোকে অনেক বেশি এগিয়ে রাখছে। অপোর ডিভাইসগুলো অত্যন্ত নির্ভুল উৎপাদন প্রক্রিয়া ও কঠোর টেস্টিং পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে নতুন উপকরণগুলোর মান কয়েক দফায় মূল্যায়ন এবং প্রি-আরঅ্যান্ডডি থেকে পণ্যের জীবনচক্রের শেষপর্যন্ত ১৮০টিরও বেশি ডিভাইসে এটি পরীক্ষা করে দেখা। এছাড়াও, অপোর বিক্রয়োত্তর সেবাও ইন্ডাস্ট্রির মানদণ্ডকে অতিক্রম করে।
নেক্সট লেভেল সফটওয়্যার স্মুথনেসের মাধ্যমে কোয়ালিটি যাচাই-বাছাই
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার মধ্যে স্মুথনেসই সেই সরাসরি উপায়, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী স্মার্টফোনের মান বুঝতে পারেন। সফটওয়্যার উদ্ভাবনকে অ্যাপেক্স গার্ড স্যুটের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অপো এই অভিজ্ঞতাকে কীভাবে আরও উন্নত, সমৃদ্ধ ও দীর্ঘমেয়াদি করা যায় তা নিয়ে কাজ করছে।
প্রতিদিনের স্মুথনেস নিশ্চিত করতে কালারওএস ১৬-এর অল-নিউ লুমিনাস রেন্ডারিং ইঞ্জিন, অ্যান্ড্রয়েডের জন্য প্রথম ইউনিফাইড অ্যানিমেশন আর্কিটেকচার চালু করেছে, যা পুরো সিস্টেম জুড়ে নিরবচ্ছিন্ন অ্যাপ চালু ও স্মুথ ট্রানজিশন প্রদান করে। এছাড়াও, অল-নিউ ট্রিনিটি ইঞ্জিনের মধ্যে থাকা চিপ-লেভেল ডায়নামিক ফ্রেম সিঙ্ক টেকনোলজি, মাল্টিটাস্কিংয়ের সময় ফ্রেম রেন্ডারিংয়ের প্রতিটি সিস্টেমকে রিয়েল-টাইমে সাড়া দিতে সহায়তা করে। এদিকে, গুরুত্বপূর্ণ সেন্সর কাজগুলো পরিচালনার জন্য সেন্সর-অফলোড প্রযুক্তি, শক্তিশালী এসওসি ব্যবহার করে, যা ৪কে ৬০ এফপিএস (ফ্রেম পার সেকেন্ড) ভিডিও রেকর্ড করার সময় মোট বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।
দীর্ঘমেয়াদী কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করতে অপো এন্ট্রি-লেভেল ডিভাইসগুলোর জন্য কালারওএস ১৬-তে ইনস্ট্যান্ট রিফ্রেশ চালু করেছে, যা ব্যবহারকারীদের কেবল এক ট্যাপে ডেটা ফ্র্যাগমেন্টেশন ও অ্যাপ পারমিশন অপটিমাইজ করতে দেয়। অপোর প্রতিটি ডিভাইস যেন বহুবছর ব্যবহারের পরেও স্মুথ ও রেসপনসিভ থাকে তা নিশ্চিত করতে ৪৮, ৬০ বা ৭২ মাস পর্যন্ত ফোনগুলোকে কঠোর এজিং টেস্টের মধ্যে রাখা হয়।
স্মুথনেসের ওপর মনোযোগের অংশ হিসেবে, অপো পরিমাপযোগ্য ডেটা দিয়ে স্মুথনেস পরিমাপের মূল্যায়ন সিস্টেম তৈরি করেছে। অপো স্মুথনেস বেসলাইন টেস্ট হাজারো রিয়েল-ওয়ার্ল্ড সিনারিওতে সফটওয়্যার কর্মক্ষমতা পরিমাপ করতে সক্ষম। যেখানে হোম-স্ক্রিন অ্যাপ চালু ও নিরবচ্ছিন্ন ট্রানজিশন নিশ্চিত করতে ইন্ডাস্ট্রির প্রথম প্যারালাল অ্যানিমেশন স্ট্যান্ডার্ড ৬ জিরো (শূন্য ল্যাগ, শূন্য ল্যাটেন্সি, শূন্য ফ্লিকার, শূন্য ক্র্যাশ, শূন্য মিসলঞ্চ ও শূন্য ফ্রিজ) নিয়ে আসা হয়েছে। এটি এন্ট্রি-লেভেল এ সিরিজ থেকে শুরু করে ফ্ল্যাগশিপ ফাইন্ড সিরিজ পর্যন্ত সমস্ত ডিভাইসে সফটওয়্যার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।
বিনহাই বে ক্যাম্পাস, অপোর কোয়ালিটির উৎস
অপো বিনহাই বে’তে আরও অত্যাধুনিক স্কেল ও সিনার্জির সুবিধা যুক্ত করেছে; ফলে, আধুনিক ইকুইপমেন্ট ও কেন্দ্রীভূত রিসোর্স ব্যবহারের মাধ্যমে অপো কোয়ালিটির প্রতি প্রতিশ্রুতিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এতে ম্যাটেরিয়ালস ল্যাব, ইন্টেলিজেন্ট টার্মিনাল টেস্টিং ল্যাব, পাওয়ার কনজাম্পশন ইন্টেলিজেন্ট ল্যাব ও কমিউনিকেশন ল্যাবের মতো অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিজ থাকায় নির্ভরযোগ্য হার্ডওয়্যার ও স্মুথ সফটওয়্যার নিয়ে আসার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।



নেক্সট-লেভেল কোয়ালিটি নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি হিসেবে ‘অ্যাপেক্স গার্ড’ নিয়ে আসার ঘোষণা দিলো অপো

বিশেষ প্রতিবেদকঃহার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ মানের পাশাপাশি, ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে সুরক্ষিত রাখতে আজ (১৬ নভেম্বর) সম্পূর্ণ টেকনোলজি স্যুট অ্যাপেক্স গার্ড নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছে অপো। স্মার্টফোন থেকে ক্রেতারা যা আশা করে তার সবই নতুন এই ধারণার মাধ্যমে নিয়ে আসা হয়েছে। এর মধ্যে আছে প্রতিদিনের ব্যবহারের বাইরে গিয়ে পণ্যের জীবনকাল বর্ধিত করা এবং ইন্ডাস্ট্রির স্ট্যান্ডার্ডকে নেক্সট লেভেল নিয়ে যাওয়া।
অপোর গ্লোবাল হেডকোয়ার্টার ও আরঅ্যান্ডডি (গবেষণা ও উন্নয়ন) হাব বিনহাই বে ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে নেক্সট লেভেল কোয়ালিটির ক্ষেত্রে নতুন এই ভিশন উন্মোচন করে অপো, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ের গবেষণা থেকে শুরু করে পুরো ডিভাইসটি তৈরি হওয়া পর্যন্ত, পণ্য উন্নয়নের প্রতিটি ধাপে মানের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতির বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
এ বিষয়ে অপো গ্লোবালের ডিরেক্টর অব ম্যানুফেকচারিং গ্রাস শান বলেন, “সবকিছুর ভিত্তিই হলো মান (কোয়ালিটি)। এক্ষেত্রে নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে অপো প্রত্যেক ব্যবহারকারীর স্বকীয়তা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মান কেবল কোনো ফিচার নয়; এটি ‘মেক ইওর মোমেন্ট’-এর ফ্রিডম।”
অ্যাপেক্স গার্ডের মাধ্যমে কোয়ালিটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া
ব্যবহারকারীর সত্যিকারের চাহিদাগুলোকে বিস্তৃত সমাধানের মাধ্যমে পূরণ করার ক্ষেত্রে অপোর প্রতিশ্রুতির মূলে রয়েছে অ্যাপেক্স গার্ড। এটি এমন একটি প্রযুক্তি স্যুট, যা সমস্ত প্রোডাক্ট লাইনে নিয়ে আসা হয়েছে এবং তিনটি মূল ক্ষেত্রের মানকে উন্নত করতে ডিজাইন করা হয়েছে।
প্রতিদিনের ব্যবহারের বাইরে নেক্সট লেভেল কোয়ালিটি; ডিজাইনে মৌলিক অগ্রগতির পাশাপাশি, অ্যাপেক্স গার্ড পানি বা দুর্ঘটনাক্রমে পড়ে যাওয়ার মতো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি থেকেই সুরক্ষা দেয় না; বরং, দৈনন্দিন ব্যবহারের বাইরেও একটি নিরবচ্ছিন্ন ও সহজ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। উপাদান ও পণ্যের ডিজাইনে অগ্রসর গবেষণার মাধ্যমে অপো আল্ট্রা-হাই-স্ট্রেংথ স্টিল ও এএম০৪ অ্যারোস্পেস-গ্রেড অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয়ের মতো উপকরণ তৈরি করেছে। যা প্রতিদিনের ক্ষয়ক্ষতি সহ্য করার পাশাপাশি, প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সুরক্ষা নিশ্চিতে আর্মর শিল্ডের মতো কাঠামোগত সমাধান নিয়ে এসেছে।
পণ্যের জীবনকালের বাইরে নেক্সট লেভেল কোয়ালিটি; নিশ্চিন্ত অভিজ্ঞতার জন্য অ্যাপেক্স গার্ড নেক্সট লেভেল কোয়ালিটি নিশ্চিত করে যা সময়ের পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ। কাস্টমাইজড স্ফেরিকাল সিলিকন-কার্বন ম্যাটেরিয়ালসহ অপো সিলিকন-কার্বন ব্যাটারির মতো উদ্ভাবনের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা নিশ্চিত করছে এটি, যা ব্যাটারি সেলের জীবনকালকে অতিরিক্ত ৪০০ সাইকেল পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়। অ্যাপেক্স গার্ড অপো ডিভাইসগুলোকে আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য নতুনের মতো পারফর্ম করতে সক্ষম করে তোলে।
বিদ্যমান মানদণ্ডের বাইরে নেক্সট লেভেল কোয়ালিটি; শুরু থেকেই ব্যতিক্রমী মান নিশ্চিত করতে অপো টিইউভি রাইনল্যান্ড, টিইউভি সুড ও এসজিএস সহ সুপরিচিত আন্তর্জাতিক টেস্টিং প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নিচ্ছে এবং ইন্ডাস্ট্রির বাকিদের চেয়ে
 
মানদণ্ডে তাদের ডিভাইসগুলোকে অনেক বেশি এগিয়ে রাখছে। অপোর ডিভাইসগুলো অত্যন্ত নির্ভুল উৎপাদন প্রক্রিয়া ও কঠোর টেস্টিং পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে নতুন উপকরণগুলোর মান কয়েক দফায় মূল্যায়ন এবং প্রি-আরঅ্যান্ডডি থেকে পণ্যের জীবনচক্রের শেষপর্যন্ত ১৮০টিরও বেশি ডিভাইসে এটি পরীক্ষা করে দেখা। এছাড়াও, অপোর বিক্রয়োত্তর সেবাও ইন্ডাস্ট্রির মানদণ্ডকে অতিক্রম করে।
নেক্সট লেভেল সফটওয়্যার স্মুথনেসের মাধ্যমে কোয়ালিটি যাচাই-বাছাই
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার মধ্যে স্মুথনেসই সেই সরাসরি উপায়, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী স্মার্টফোনের মান বুঝতে পারেন। সফটওয়্যার উদ্ভাবনকে অ্যাপেক্স গার্ড স্যুটের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অপো এই অভিজ্ঞতাকে কীভাবে আরও উন্নত, সমৃদ্ধ ও দীর্ঘমেয়াদি করা যায় তা নিয়ে কাজ করছে।
প্রতিদিনের স্মুথনেস নিশ্চিত করতে কালারওএস ১৬-এর অল-নিউ লুমিনাস রেন্ডারিং ইঞ্জিন, অ্যান্ড্রয়েডের জন্য প্রথম ইউনিফাইড অ্যানিমেশন আর্কিটেকচার চালু করেছে, যা পুরো সিস্টেম জুড়ে নিরবচ্ছিন্ন অ্যাপ চালু ও স্মুথ ট্রানজিশন প্রদান করে। এছাড়াও, অল-নিউ ট্রিনিটি ইঞ্জিনের মধ্যে থাকা চিপ-লেভেল ডায়নামিক ফ্রেম সিঙ্ক টেকনোলজি, মাল্টিটাস্কিংয়ের সময় ফ্রেম রেন্ডারিংয়ের প্রতিটি সিস্টেমকে রিয়েল-টাইমে সাড়া দিতে সহায়তা করে। এদিকে, গুরুত্বপূর্ণ সেন্সর কাজগুলো পরিচালনার জন্য সেন্সর-অফলোড প্রযুক্তি, শক্তিশালী এসওসি ব্যবহার করে, যা ৪কে ৬০ এফপিএস (ফ্রেম পার সেকেন্ড) ভিডিও রেকর্ড করার সময় মোট বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।
দীর্ঘমেয়াদী কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করতে অপো এন্ট্রি-লেভেল ডিভাইসগুলোর জন্য কালারওএস ১৬-তে ইনস্ট্যান্ট রিফ্রেশ চালু করেছে, যা ব্যবহারকারীদের কেবল এক ট্যাপে ডেটা ফ্র্যাগমেন্টেশন ও অ্যাপ পারমিশন অপটিমাইজ করতে দেয়। অপোর প্রতিটি ডিভাইস যেন বহুবছর ব্যবহারের পরেও স্মুথ ও রেসপনসিভ থাকে তা নিশ্চিত করতে ৪৮, ৬০ বা ৭২ মাস পর্যন্ত ফোনগুলোকে কঠোর এজিং টেস্টের মধ্যে রাখা হয়।
স্মুথনেসের ওপর মনোযোগের অংশ হিসেবে, অপো পরিমাপযোগ্য ডেটা দিয়ে স্মুথনেস পরিমাপের মূল্যায়ন সিস্টেম তৈরি করেছে। অপো স্মুথনেস বেসলাইন টেস্ট হাজারো রিয়েল-ওয়ার্ল্ড সিনারিওতে সফটওয়্যার কর্মক্ষমতা পরিমাপ করতে সক্ষম। যেখানে হোম-স্ক্রিন অ্যাপ চালু ও নিরবচ্ছিন্ন ট্রানজিশন নিশ্চিত করতে ইন্ডাস্ট্রির প্রথম প্যারালাল অ্যানিমেশন স্ট্যান্ডার্ড ৬ জিরো (শূন্য ল্যাগ, শূন্য ল্যাটেন্সি, শূন্য ফ্লিকার, শূন্য ক্র্যাশ, শূন্য মিসলঞ্চ ও শূন্য ফ্রিজ) নিয়ে আসা হয়েছে। এটি এন্ট্রি-লেভেল এ সিরিজ থেকে শুরু করে ফ্ল্যাগশিপ ফাইন্ড সিরিজ পর্যন্ত সমস্ত ডিভাইসে সফটওয়্যার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।
বিনহাই বে ক্যাম্পাস, অপোর কোয়ালিটির উৎস
অপো বিনহাই বে’তে আরও অত্যাধুনিক স্কেল ও সিনার্জির সুবিধা যুক্ত করেছে; ফলে, আধুনিক ইকুইপমেন্ট ও কেন্দ্রীভূত রিসোর্স ব্যবহারের মাধ্যমে অপো কোয়ালিটির প্রতি প্রতিশ্রুতিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এতে ম্যাটেরিয়ালস ল্যাব, ইন্টেলিজেন্ট টার্মিনাল টেস্টিং ল্যাব, পাওয়ার কনজাম্পশন ইন্টেলিজেন্ট ল্যাব ও কমিউনিকেশন ল্যাবের মতো অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিজ থাকায় নির্ভরযোগ্য হার্ডওয়্যার ও স্মুথ সফটওয়্যার নিয়ে আসার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।