শুটিং সেটে দুর্ঘটনার শিকার অমিতাভ, আঘাত নিয়েই চালালেন সঞ্চালনা

বিনোদন ডেস্কঃ বিনোদনজগতের তারকাদের কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও পেশাদারত্ব প্রায়ই ভক্তদের অনুপ্রাণিত করে, আর এবার ফের একবার তার অনন্য নজির গড়লেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের মহানায়ক অমিতাভ বচ্চন। শুটিং চলাকালীন পিছলে পড়ে গিয়ে হাঁটুতে আঘাত পেয়েছেন অভিনেতা। রিয়েলিটি শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ (কেবিসি) ১৮-এর সাম্প্রতিক পর্বে নিজের এই শারীরিক পরিস্থিতির কথা ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।

‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি ১৮’-এর সাম্প্রতিক পর্বটি শুরু হয় একটি বড় ঘোষণার মাধ্যমে। সাধারণত প্রতিটি পর্বের শুরুতেই দর্শকরা দেখতে পান বিপুল উৎসাহের সঙ্গে উইংস দিয়ে দৌড়ে মঞ্চে প্রবেশ করছেন বিগ বি। তবে এদিনের দৃশ্যটি ছিল কিছুটা ভিন্ন। মঞ্চে এসে প্রবীণ এই অভিনেতা জানান, আগের দিনই তিনি হাঁটুতে গুরুতর চোট পেয়েছেন। নিজের বাম হাঁটুর দিকে নির্দেশ করে অমিতাভ উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশে বলেন, তিনি সাধারণত কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে তার প্রারম্ভিক একক বক্তৃতা দেন, কিন্তু এদিন হাঁটুতে আঘাত পাওয়ার কারণে তিনি সেটি করতে পারছেন না। তিনি জানান, গতকাল শুটিংয়ের সময় তিনি হঠাৎ পিছলে পড়ে যান এবং তার হাঁটুতে চোট লাগে।

অমিতাভের মুখ থেকে আচমকা চোট পাওয়ার খবর শুনে পুরো স্টুডিওর দর্শকরা বিষাদ ও উদ্বিগ্নতায় চমকে ওঠেন। উপস্থিত দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখে অমিতাভ দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিয়ে জানান, এই আঘাত খুব একটা মারাত্মক নয় এবং তিনি প্রতিযোগী ও চ্যালেঞ্জারদের স্বাগত জানানোর জন্য দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে খোলার দিকের একক বক্তৃতার সময়টিতে তিনি বসেই কথা বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কারণ দাঁড়িয়ে থাকতে তার সামান্য কষ্ট হচ্ছিল। তার এই সাহসী ও পেশাদার মনোভাবের প্রশংসা করে স্টুডিওর দর্শকরা সম্মিলিতভাবে তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

শারীরিক কষ্ট সামলেই অমিতাভ বচ্চন আগের দিনের রোলওভার প্রতিযোগী শৌর্য দাসকে মঞ্চে স্বাগত জানান এবং খেলাটি পুনরায় শুরু করেন। শৌর্য অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে একে একে প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে যান। তবে ৫০ লাখ টাকার প্রশ্নে এসে তিনি বড় ধরনের দ্বিধা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। ৫০ লাখ টাকার প্রশ্নটি ছিল—১৯৩০-এর দশকে লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পাঠাগার নির্মাণের দায়িত্ব এমন এক স্থপতিকে দেওয়া হয়েছিল, যিনি অন্য কোনো জাতীয় রাজধানীর নকশাও তৈরি করেছিলেন? বিকল্প হিসেবে ছিল ওয়েলিংটন, ক্যানবেরা, টরন্টো এবং ব্রাসিলিয়া।

সঠিক উত্তর সম্পর্কে নিশ্চিত হতে না পেরে শৌর্য দাস আর ঝুঁকি নেননি। তিনি গেম থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন এবং ২৫ লাখ টাকা নিশ্চিত করে জয়ী হিসেবে বাড়ি ফিরে যান। তবে খেলা ছাড়ার পর তিনি একটি আনুমানিক উত্তর হিসেবে ‘ক্যানবেরা’ নামটির কথা উল্লেখ করেন, যা প্রকৃতপক্ষে সঠিক উত্তর ছিল। ক্যানবেরা শহরটির মূল নকশা করেছিলেন স্থপতি ওয়াল্টার বার্লি গ্রিফিন, যাকে ১৯১৩ সালে অস্ট্রেলিয়া সরকার এই কাজের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৩৫ সালে তিনি লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠাগারের নকশা করার সুযোগ পান। ভারতে তার স্বল্পমেয়াদি অবস্থানের পরিকল্পনা থাকলেও তিনি দ্রুত আরও একাধিক ভবনের নকশা তৈরির কাজ পান এবং পরবর্তীতে ১৯৩৭ সালে লখনউতেই এই গুণী স্থপতির জীবনাবসান ঘটে।

অনুষ্ঠান চলাকালে প্রতিযোগী শৌর্য দাস তার ভবিষ্যৎ জীবন ও স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি তার বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকেন এবং কোনো কাজ না করে কেবল স্টেট পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর আগে তিনি ইউপিএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা করলেও পরীক্ষাটি অত্যন্ত কঠিন মনে হয়েছিল বলে জানান। তার মূল লক্ষ্য হলো স্টেট পিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে একজন ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (বিডিও) হিসেবে নিজের কর্মজীবন গড়ে তোলা।




সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব

বিনোদন ডেস্ক : কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য ও লেনদেনের বিবরণ চেয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানো এক ই-মেইল বার্তায় সালমান মুক্তাদিরের হিসাবের তথ্য, হিসাব খোলার ফরম (এওএফ), গ্রাহকের পরিচিতি-সংক্রান্ত তথ্য (কেওয়াইসি) ও হিসাব বিবরণী (স্টেটমেন্ট) দিতে বলা হয়েছে।

৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে পাঠানো ওই ই-মেইল বার্তায় সালমান মোহাম্মাদ মুক্তাদিরের নাম উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে তথ্য দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আরও বলা হয়, এই বার্তা উচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত।

বিএফআইইউর এই বার্তা দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। প্রাপকের তালিকায় সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংকের নাম রয়েছে।

সম্প্রতি সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয়। দুর্বৃত্তরা তাঁর কার্যালয়ে ঢুকে বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে।




শিল্পকলায় ‘রাইজ অ্যান্ড শাইন’

সাংস্কৃতিক প্রতিবেদকঃ পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও জীবন সংগ্রামে প্রতিনিয়ত লড়ে যাচ্ছে। শ্রমজীবী নারীর জীবনসংগ্রাম, শোষণ ও নিপীড়নের গল্প নিয়ে নাটকের দল বটতলা মঞ্চায়ন করল নাটক ‘রাইজ অ্যান্ড শাইন’।

বুধবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ থিয়েটার হলে মঞ্চায়ন হয় নাটকটি।

ইতালীয় নাট্যকার দারিও ফো ও ফ্র্যাঙ্কা রাম রচিত ও অধ্যাপক আবদুস সেলিমের রূপান্তরে নাটকটির নির্দেশনায় ছিলেন ম. সাঈদ।

‘রাইজ অ্যান্ড শাইন’ মূলত জীবনযুদ্ধ ও সংসারের নানা টানাপোড়েনে আটকে থাকা এক শ্রমজীবী নারীর গল্প। মঞ্চে একজন নারী চরিত্রের জীবনযাপনের মধ্য দিয়ে তুলে ধরা হয় শ্রমজীবী, প্রান্তিক ও ভাগ্যহত মানুষের প্রতিদিনের বাস্তবতা। একই সঙ্গে ক্ষমতার নানা সমীকরণে সাধারণ মানুষ কীভাবে টিকে থাকে, সেই প্রশ্নও নাটকটির কাহিনিতে উঠে এসেছে।

নাটকের গল্পে দেখা যায়, প্রতিদিনের ব্যস্ত নগরজীবনের অসংখ্য নারীর মতোই একজন নারী সকালে ঘর থেকে বের হন। সংসারের নানা ‘ঘ্যানচক্কর’ নীরবে সামলে তিনি কর্মস্থলে ছুটে যান। বহুজাতিক ক্রেতাদের জন্য তৈরি পোশাকের কারখানায় কাজ করতে গিয়ে তাকে অতিরিক্ত সময় শ্রম দিতে হয়। কর্মজীবনের এই কঠিন বাস্তবতার পাশাপাশি ঘরে রয়েছে বদমেজাজি ও দায়িত্বহীন স্বামী। সংসার, কর্মক্ষেত্র এবং সামাজিক বাস্তবতার চাপ একসময় তার জীবনকে অসহনীয় করে তোলে। তবে নিপীড়নের কাছে নত না হয়ে একসময় ওই নারী নিজের জীবনকে নতুনভাবে দেখার এবং জেগে ওঠার চেষ্টা করেন। একজন নারীর ব্যক্তিগত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নাটকটি তখন হয়ে ওঠে অসংখ্য নারী, মা ও কর্মজীবী নারীর সম্মিলিত গল্প। মঞ্চে একজন অভিনেত্রীকে দেখা গেলেও দর্শক তার জীবনের সঙ্গে পরিচিত বহু নারীর জীবনের মিল খুঁজে পান। এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকটির কাহিনি।

এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বটতলার নিয়মিত অভিনয়শিল্পীরা।




জিসাসের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

সাংস্কৃতিক প্রতিবেদকঃ আলোচনা, সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠার ৩৪তম বার্ষিকী উদযাপন করল জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস)।

বুধবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা অ্যাকাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন।

সংগঠনের সভাপতি রোকেয়া সুলতানা কেয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে অতিথি ছিলেন চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি ও সেন্সর সার্টিফিকেশন বোর্ড সদস্যরা।

এতে স্বাগত বক্তৃতা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাওন আশরাফ।

বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিজস্ব প্রতিবেদক ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা মতিহার এবং সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র গবেষক আহমেদ তেপান্তরসহ তেরোজন বিশেষ ব্যক্তিকে জিসাস সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নাচ ও গান পরিবেশন করেন উদিয়মান ও বরেণ্য শিল্পীরা।




সালমান শাহ হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পেছাল

বিনোদন ডেস্ক : চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগে তার স্ত্রী সামিরা হক, সামিরার মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসি ও খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল।

তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ আদালতে কোনো প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এ জন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ দিন ধার্য করেন। সালমান শাহর পক্ষের আইনজীবী আবিদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, গত ২০ মে হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এই চিত্রনায়কের মৃতদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

পরে ২৪ মে সালমান শাহর লাশ উত্তোলনপূর্বক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতি দেওয়া হয়। তখন বাদীপক্ষ লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করেন। গত ২২ জুন সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে কবর থেকে তার দেহাবশেষ উত্তোলনের প্রক্রিয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সিলেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা একটি অফিস আদেশ জারি করেন। ওই আদেশের অনুলিপি সম্প্রতি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হলে তা নথিভুক্ত করা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। সে সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন জানান তিনি।




প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন ডাকোটা জনসন

বিনোদন দেস্কঃ ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা গুঞ্জন ও জল্পনা-কল্পনা ছড়িয়ে পড়া প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন হলিউড অভিনেত্রী ডাকোটা জনসন। তার সঙ্গে কাউকে প্রকাশ্যে দেখা গেলেই কিংবা কারও সঙ্গে ছবি প্রকাশিত হলেই প্রেমের সম্পর্কের গুঞ্জন শুরু হয় বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এ ধরনের প্রতিটি খবরের ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন না অভিনেত্রী।

সম্প্রতি ‘ভোগ’-এর ‘দ্য রান থ্রু’ পডকাস্টে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে নিজের মনোভাবের কথা জানান ডাকোটা। তিনি বলেন, নিজের ম্যানেজার কিংবা আইনজীবীর সঙ্গে রাতের খাবার খেতে গেলেও কখনো কখনো সেটিকে ‘রহস্যময় পুরুষের সঙ্গে দেখা গেছে’—এ ধরনের খবর হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

ডাকোটার মতে, ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া প্রতিটি গুঞ্জন সত্য না মিথ্যা, তা প্রমাণ করতে গেলে বরং সেই বিষয়টি আরও আলোচনায় চলে আসে। এ কারণে মানুষ যা বিশ্বাস করতে চায়, সেটাই বিশ্বাস করুক—এমন অবস্থান নিয়েছেন তিনি।

অভিনেত্রী বলেন, ইন্টারনেটে প্রতিদিনই তাকে নিয়ে নানা ধরনের খবর প্রকাশিত হয়। এর কিছু সত্য হলেও অনেক খবরই সত্য নয়। কিন্তু প্রতিটি খবর নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার মতো সময় বা আগ্রহ তার নেই। নিজের জীবনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েই মনোযোগ দিতে চান তিনি।

অনলাইনে তাকে নিয়ে গুঞ্জন ছড়ানো ব্যক্তিদের উদ্দেশে ডাকোটা বলেন, ‘নিজের জীবন নিয়ে ভাবুন।’ ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মানুষের অতিরিক্ত আগ্রহ এভাবেই এড়িয়ে যেতে চান তিনি।

এদিকে সম্প্রতি ডাকোটা জনসন ও র‍্যাপার মেশিন গান কেলি (এমজিকে)কে ঘিরেও নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছে। টেলর সুইফট ও ট্রাভিস কেলির বিয়ের অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই এ আলোচনা শুরু হয়।

এরপর ‘পিপল’-এর এক প্রতিবেদনে একটি সূত্রের বরাতে দাবি করা হয়, ডাকোটা ও এমজিকে কয়েক মাস ধরে গোপনে একে অপরের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। তাদের আগে থেকেই পরিচয় ছিল এবং ওই অনুষ্ঠানে তাদের ঘনিষ্ঠতা আরও বাড়ে বলেও দাবি করেছে সূত্রটি।

সূত্রটির ভাষ্য অনুযায়ী, ডাকোটা ও এমজিকে শুরুতে বন্ধু হিসেবেই যোগাযোগ রাখতেন। পরে নিয়মিত বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে তাদের যোগাযোগ অব্যাহত থাকে। সম্প্রতি তারা একসঙ্গে আরও বেশি সময় কাটাচ্ছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

তবে এমজেকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি ডাকোটা জনসন নিজে নিশ্চিত করেননি। বরং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যেকোনো ধরনের গুঞ্জনে প্রতিক্রিয়া না দেওয়ার অবস্থানই জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে ‘ফিফটি শেডস অব গ্রে’খ্যাত এই অভিনেত্রীর সঙ্গে কোল্ডপ্লে তারকা ক্রিস মার্টিনের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। তাদের সম্পর্ক নিয়েও বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে খুব বেশি কথা বলতে আগ্রহী নন ডাকোটা।




ট্রাম্পকে বার্তা দিতে ‘বাহুবলী’র আশ্রয় ইরানের

বিনোদন দেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে সমঝোতা নিয়ে দর কষাকষির মধ্যে অনলাইনে যোগাযোগের জন্য ইরানের কূটনৈতিক মিশনগুলো একটি অপ্রত্যাশিত উপায় খুঁজে পেয়েছে। তারা ভারতীয় চলচ্চিত্রের অ্যাকশনভিত্তিক বিভিন্ন ভিডিও শেয়ার করছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের জবাবে তেলুগু তারকা নান্দামুরি বালাকৃষ্ণের একটি জোরালো দৃশ্য শেয়ার করে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের ভাষণের প্রেক্ষিতে হায়দারাবাদ অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেট এবার প্রভাসের ‘বাহুবলী’ সিনেমার শরণাপন্ন হয়েছে। তাদের সাম্প্রতিক পোস্টে এস.এস. রাজামৌলির ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’ সিনেমার অন্যতম স্মরণীয় যুদ্ধের দৃশ্যটি তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে প্রভাসের চরিত্রটিকে কালাকেয় বাহিনীর মোকাবিলা করতে দেখা যায়।

কনস্যুলেটটি এই ক্লিপটির সাথে ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদে পেজেশকিয়ানের বক্তব্যের প্রসঙ্গটি যুক্ত করেছে। পোস্টটিতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রেসিডেন্ট ড. পেজেশকিয়ান বলেছেন, ‘আমরা কখনোই মাথা নত করব না বা হাঁটু গেড়ে বসব না’। আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং ভারতীয় ব্লকবাস্টার সিনেমার এই অপ্রত্যাশিত সংমিশ্রণটি দ্রুত অনলাইনে সবার নজর কাড়ে এবং ব্যবহারকারীরা ‘বাহুবলী’-র এই অভিনব ব্যবহারের বিষয়ে নানা প্রতিক্রিয়া জানান।

শুরুটা হয়েছিল বালাকৃষ্ণাকে দিয়ে

তেলুগু চলচ্চিত্রের প্রসঙ্গ টানার ঘটনা ইরানের কোনো কূটনৈতিক মিশনের ক্ষেত্রে এটিই প্রথম নয়। গত ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ইরানের বিষয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যের পর জিম্বাবুয়েতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস বালাকৃষ্ণের ২০২৩ সালের চলচ্চিত্র ‘ভাগবন্ত কেশরী’-র ৫৮ সেকেন্ডের একটি অ্যাকশন দৃশ্য শেয়ার করেছিল।

পোস্টটিতে বালাকৃষ্ণের চরিত্রটিকে সশস্ত্র আক্রমণকারীদের মোকাবিলা করতে দেখা যায় এবং এতে বার্তা দেওয়া হয়, ইরান ‘অসহায় নয়’। এছাড়া রসিকতা করে দাবি করা হয়, আমেরিকানরা ইদানীং ‘হলিউডের বদলে বলিউড’ দেখছে।
এতে একটি মজার বিষয়ও ছিল, ‘ভাগবন্ত কেশরী’ আসলে একটি তেলুগু ভাষার চলচ্চিত্র, কোনো বলিউড প্রযোজনা নয়। ভারতীয় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা দ্রুতই এই ভুলটি ধরে ফেলেন।

পরবর্তীতে হায়দারাবাদে অবস্থিত ইরানি মিশনও এই আলোচনায় যোগ দেয়। তারা বালাকৃষ্ণের সেই একই ক্লিপ শেয়ার করে তেলুগু চলচ্চিত্রের প্রশংসা করে বলে, তেলুগু সিনেমা হলো সর্বকালের সেরা। আর এখন মাত্র কয়েক দিন পরেই, ‘বাহুবলী’ নিয়ে আলোচনায় যুক্ত হলেন প্রভাস।

কেন ‘বাহুবলী’? এই ক্লিপটি ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’ সিনেমার অন্যতম প্রধান একটি অ্যাকশন দৃশ্য থেকে নেওয়া হয়েছে। সিনেমায় প্রভাসের অভিনীত চরিত্র ‘শিবুডু’-র কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে সে মাহিশ্মতী রাজ্য এবং নিজের রাজপরিবারের সাথে তার সম্পর্কের বিষয়টি আবিষ্কার করে। সারা ভারতজুড়ে ব্যাপক সাফল্য পাওয়া এই সিনেমার পরবর্তী কিস্তি হিসেবে ২০১৭ সালে মুক্তি পায় ‘বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশন’।

সর্বশেষ এই পোস্টটির মাধ্যমে ইরানের কূটনৈতিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলো তাদের বার্তা উপস্থাপনের জন্য আবারও ভারতীয় পপ-কালচার বা জনপ্রিয় সংস্কৃতির এক অনন্য উপায় বেছে নিয়েছে। এবার তারা বালাকৃষ্ণের অতি-নাটকীয় অ্যাকশন দৃশ্যের পরিবর্তে প্রভাসের আইকনিক ‘বাহুবলী’ যুদ্ধের দৃশ্যটি ব্যবহার করেছে।

কনস্যুলেটের এই পোস্টটি ২০১৫ সালের সিনেমাটিকে এক অপ্রত্যাশিত ভূমিকা এনে দিয়েছে। হায়দারাবাদ থেকে পাঠানো কূটনৈতিক বার্তায় পপ-কালচারের একটি অনুষঙ্গ হিসেবে।




মুম্বাইয়ে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট কিনলেন ‘ধুরন্ধর’ অভিনেতা

বিনোদন দেস্কঃ দারুণ সময় পার করছেন অক্ষয় খান্না। ‘ধুরন্ধর’ সিনেমায় রহমান ডাকাইতের চরিত্রে অভিনয়ের পর এই অভিনেতা মুম্বাইয়ের মালাবার হিলে ৩৩ কোটি ২৬ লাখ (৩৩২.৬ মিলিয়ন) টাকা দিয়ে একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছেন। ‘স্কয়ার ইয়ার্ডস’-এর দেখা সম্পত্তি নিবন্ধনের নথিপত্র অনুযায়ী, অভিনেতা অ্যাপার্টমেন্টটি চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে কিনেছিলেন।

অ্যাপার্টমেন্টটির কার্পেট এরিয়া বা ব্যবহারযোগ্য আয়তন ২,৩৪১.৩৯ বর্গফুট। এর সাথে ১৭৫.৪৫ বর্গফুটের বারান্দা যুক্ত হয়ে মোট আয়তন দাঁড়িয়েছে ২,৫১৬.৮৪ বর্গফুটে। নথিপত্র অনুযায়ী, এই সম্পত্তির সাথে তিনটি পার্কিংয়ের সুবিধাও রয়েছে।

এই কেনাকাটার জন্য মোটা অঙ্কের স্ট্যাম্প ডিউটিও দিতে হয়েছে। ‘স্কয়ার ইয়ার্ডস’-এর হাতে আসা নথিপত্র থেকে জানা যায়, এই লেনদেনের ক্ষেত্রে ১.৯৯ কোটি টাকা স্ট্যাম্প ডিউটি ​​এবং ৩০,০০০ টাকা নিবন্ধন ফি দিতে হয়েছে। দক্ষিণ মুম্বাইয়ে আরব সাগরের তীর ঘেঁষে অবস্থিত মালাবার হিল অন্যতম অভিজাত ও কাঙ্ক্ষিত আবাসিক এলাকা।

এলাকাটি বিলাসবহুল বাসভবন, সবুজ প্রকৃতি এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের জন্য পরিচিত। আরব সাগরের তীরে অবস্থিত এই এলাকাটি নেপিয়ান সি রোড, ওয়াকেশ্বর রোড এবং পেডার রোডের মাধ্যমে শহরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও জীবনযাত্রার কেন্দ্রগুলোর সাথে সংযুক্ত। এখান থেকে মেরিন ড্রাইভ, নরিমান পয়েন্ট এবং কোলাবাতেও সহজে যাতায়াত করা যায়।

কয়েক দশকব্যাপী কর্মজীবনে বিভিন্ন ঘরানার চলচ্চিত্রে নানা ধরণের চরিত্রে অভিনয় করে অক্ষয় খান্না নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি প্রবীণ অভিনেতা বিনোদ খান্নার পুত্র। খান্না ‘হুলচল’, ‘রেস’, ‘গান্ধী, মাই ফাদার’, ‘দিল চাহতা হ্যায়’ এবং ‘দৃশ্যম’-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

তার বলিষ্ঠ অভিনয়, তীক্ষ্ণ সংলাপ প্রদান এবং পর্দায় স্বতন্ত্র উপস্থিতি ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল। চরিত্রটি সিনেমার অন্যতম আলোচিত অভিনয়ে পরিণত হয়। এছাড়া তিনি ‘ছাওয়া’ সিনেমায় ভিকি কৌশলের বিপরীতে ঔরঙ্গজেবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।




বিয়ের দুই বছর পর আবারও নববধূর সাজে সোনাক্ষী

বিনোদন ডেস্কঃ বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহার শাড়িপ্রেম নতুন নয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বিশেষ মুহূর্তে শাড়িতে দেখা গেছে তাঁকে। তবে এবার দীর্ঘ সময় পর আবারও শাড়ি পরে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী। মজার বিষয় হলো, বিয়ের পর এই প্রথম শাড়ি পরেছেন তিনি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছেন সোনাক্ষী। ছবিতে লাল টুকটুকে শাড়িতে একেবারে সাবেকি সাজে দেখা গেছে তাঁকে। সঙ্গে ছিল মানানসই চুড়ি ও কানের দুল। চুল খোঁপা করে তাতে জড়িয়েছেন গজরা। কপালে সিঁদুর ও গলায় মঙ্গলসূত্র—সব মিলিয়ে নববধূর সাজেই ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী।

ছবিগুলোর ক্যাপশনে সোনাক্ষী জানিয়েছেন, বিয়ের দিনই শেষবার শাড়ি পরেছিলেন তিনি। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও শাড়ি পরা হয়নি। এতদিন পর আবার শাড়ি পরে নিজের কাছেই বেশ ভালো লেগেছে বলে জানান অভিনেত্রী।

তবে সোনাক্ষীর এবারের শাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বন্ধুত্বের বিশেষ গল্প। লাল রঙের এই সুন্দর শাড়িটি তাঁকে উপহার দিয়েছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ‘ডাবল এক্সএল’ ছবির সহ-অভিনেত্রী হুমা কুরেশি। তাই পোশাকটির প্রতি আলাদা ভালো লাগার কথাও প্রকাশ করেছেন সোনাক্ষী।

লাল শাড়ির সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী গয়না, গজরা, সিঁদুর ও মঙ্গলসূত্রে সাজ সম্পূর্ণ করেছেন অভিনেত্রী। মেকআপও রেখেছেন বেশ সাদামাটা। নুড শেডের লিপস্টিকেই ধরা দিয়েছেন তিনি।

এর আগে বিয়ের অনুষ্ঠানেও শাড়িতেই সেজেছিলেন সোনাক্ষী। রিসেপশনে ডিজাইনার সঞ্জয় গর্গের লেবেল Raw Mango-র ক্রিমসন-লাল বানারসি সিল্ক শাড়ি পরেছিলেন তিনি। ‘চাঁদ বুটা’ নামের ওই শাড়িটি তৈরি হয়েছিল খাঁটি কাতান সিল্ক দিয়ে। সঙ্গে ছিল সোনালি নকশা ও জরি বর্ডার। পান্না ও সোনার চোকার, ঝুমকা এবং লাল চুড়িতে সেদিনও নজর কেড়েছিলেন অভিনেত্রী।




অস্কারে যাচ্ছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ‘রইদ’

বিনোদন ডেস্ক : অস্কারে যাচ্ছে মেজবাউর রহমান সুমন নির্মিত বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ‘রইদ’। ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম বিভাগে বাংলাদেশের হয়ে ৯৯তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে (অস্কার) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে সিনেমাটি। বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের (বিএফএফএস) উদ্যোগে গঠিত ‘অস্কার বাংলাদেশ কমিটি’ চলচ্চিত্রটিকে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন হিসেবে নির্বাচন করেছে।

রবিবার রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ছবিটির নাম ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের সভাপতি এবং অস্কার বাংলাদেশ কমিটির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম উপস্থিত।

তিনি জানান, ৯৯তম অস্কারে অংশগ্রহণের জন্য রেদওয়ান রনির ‘দম’, মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’, নূরুল আলম আতিকের ‘মানুষের বাগান’, মোহাম্মদ তৌকির ইসলামের ‘দেলুপি’ এবং মনিরুল আকাশ হকের ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চাঁনখারপুল’ এই  পাঁচটি চলচ্চিত্র জমা পড়ে। পরবর্তী সময়ে ‘মানুষের বাগান’ চলচ্চিত্রটি স্বেচ্ছায় প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ায় এবং বাকি চারটি চলচ্চিত্রের মধ্য থেকে ‘রইদ’ চলচ্চিত্রটিকে অস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।

ছয় সদস্যের অস্কার বাংলাদেশ কমিটির চেয়ারপারসন ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের সভাপতি ড. জহিরুল ইসলাম কচি। কমিটির সদস্যরা হলেন- সাজ্জাদ শরিফ, শাহীন দিল-রিয়াজ, রাশেদ জামান, সাইয়্যিদ শাহজাদা আল কারীম এবং শাহরীন আক্তার সুমি।