স্ট্রেঞ্জার থিংস’ ফাইনাল সিজনের ঢেউ—স্ট্রিমিং শুরু হতেই নেটফ্লিক্স ঠেকল না চাপ

বিনোদন ডেস্ক: স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে জনপ্রিয় সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ এর ফাইনাল সিজনের প্রথম ভলিউম মুক্তি পেতেই প্ল্যাটফর্মটি সাময়িকভাবে অচল হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত দর্শক চাপের কারণে বিশ্বব্যাপী বহু ব্যবহারকারী অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে ভিডিও চালাতে ব্যর্থ হন।

ডাউনডিটেক্টরের তথ্যে জানা যায়, নেটফ্লিক্স ডাউন হওয়া নিয়ে প্রায় ১০ হাজারের বেশি রিপোর্ট জমা হয়েছে। তাদের হিসাবে, ৫১ শতাংশ ব্যবহারকারী ভিডিও লোড করতে পারেননি, আর ৪৯ শতাংশ ব্যবহারকারী সংযোগ সমস্যার অভিযোগ করেন।

হঠাৎ করে স্ট্রিমিং সেবা ব্যাহত হওয়ায় সামাজিকমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেক দর্শক। তবে নেটফ্লিক্সের জন্য এটি এক অর্থে ইতিবাচক কারণ সিরিজটি ঘিরে দর্শকের বিপুল আগ্রহই প্ল্যাটফর্মকে ডাউন করে দেয়।

ডাফার ব্রাদার্সের নির্মাণ করা ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ শুরুর পর থেকেই ব্যাপক উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে দর্শকদের মধ্যে। সময়ের সঙ্গে সিরিজটির জনপ্রিয়তা কেবল বেড়েই চলেছে।




হেনস্তার দায় পোশাকে নয়’—স্পষ্ট বার্তা দিলেন ঐশ্বরিয়া

বিনোদন ডেস্ক: নারীদের হেনস্তার বিপরীতে অনেকেই তাদের সাজপোশাককে দাঁড় করান। এবার বিষয়টি নিয়ে সরব হলেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই। জানালেন, আপস নয়, দরকার ঘুরে দাঁড়াবার।

সম্প্রতি একটি প্রসাধনী পণ্যের বিজ্ঞাপনী দূত হিসেবে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী। সেখানেই তাকে প্রশ্ন করা হয়, রাস্তাঘাটে কীভাবে হেনস্তার মোকাবিলা করবেন মেয়েরা?

তৎক্ষণাৎ পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন ঐশ্বরিয়া, ভাবছেন অপর প্রান্তের মানুষটির চোখের দিকে না তাকালেই পার পেয়ে যাবেন? তাহলে বলি, একদম নয়। মোকাবিলা করতে হেনস্তাকারীর চোখের দিকে সোজাসুজি তাকাতে শিখুন। মাথা উঁচু করে হাঁটুন।

তার কথায়, আমার শরীর, আমার সম্পদ—ভাবতে শিখুন। নিজের মূল্যের সঙ্গে কখনো আপস করবেন না। নিজেকে নিয়ে কখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগবেন না। আত্মবিশ্বাস বজায় রাখুন। দরকারে নিজের জন্য নিজে উঠে দাঁড়িয়ে লড়ুন। কিন্তু কখনো নিজের সাজপোশাক কিংবা লিপস্টিক শেডের দোষ দেবেন না। মনে রাখবেন, রাস্তাঘাটে হেনস্তার শিকার হলে সেটা কখনোই আপনার দোষ নয়।

মাসখানেক আগে শারীরিক গড়ন নিয়ে নিজেও সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। বিশেষ করে, অভিনেত্রীর ওজন বাড়া নিয়ে বিস্তর কাটাছেঁড়া হয়েছিল নেটপাড়ায়।




১৩০০ প্রতিযোগীকে হারিয়ে রণবীর সিংয়ের নায়িকা হিসেবে নির্বাচিত সারা

বিনোদন ডেস্ক: আদিত্য ধর পরিচালিত নতুন চলচ্চিত্র ‘ধুরন্ধর’ এর ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই চলছে তুমুল আলোচনা। শুধু ট্রেলার নয়, বিশেষ নজর কেড়েছেন ছবির নায়িকা সারা অর্জুন। কয়েকদিন আগেও যাকে অনেকেই চিনতেন না, ট্রেলার প্রকাশের পর তিনি এখন চলচ্চিত্র দুনিয়ার নতুন মুখ হিসেবে সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।

ট্রেলার উন্মোচন অনুষ্ঠানে পরিচালক আদিত্য ধর জানান, সারা অর্জুনকে নায়িকার চরিত্রে নেওয়ার পথে কতটা কঠিন সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাদের। তিনি বলেন,’মুকেশ ছাবরা প্রায় ১ হাজার ৩০০টি অডিশন নেন। অসংখ্য প্রতিযোগীর মধ্য থেকে সারা অর্জুনই শেষ পর্যন্ত নির্বাচিত হয়। সে অসাধারণ সবার মধ্যে সেরা।’

২০০৫ সালের ১৮ জুন জন্ম নেওয়া সারা অর্জুন হলেন অভিনেতা রাজ অর্জুনের মেয়ে। মাত্র ১৮ মাস বয়সে অভিনয়জগতে পা রাখেন তিনি টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। পাঁচ বছর বয়সের মধ্যেই তিনি হয়ে ওঠেন দেশের অন্যতম পরিচিত শিশুশিল্পী। এ সময় শতাধিক বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন সারা।

ছোটবেলা থেকেই ক্যামেরার সামনে বেড়ে ওঠায় তার অভিনয় দক্ষতা দ্রুত বিকশিত হয়। মাত্র ছয় বছর বয়সে তামিল ছবি ‘দেবিয়া থিরুমাগাল’-এ চিয়ান বিক্রমের সঙ্গে অভিনয় করে বড় ব্রেক পান তিনি। শিশুশিল্পী হিসেবে ওই ছবিতে তার অভিনয় বহুল প্রশংসিত হয়। পরে তিনি তামিল, তেলেগু ও হিন্দি, তিন ভাষারই একাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে-‘শিবাম’, ‘পন্নিইন সেলভান’ ১ ও ২, ‘এক থি ডয়েন’ প্রভৃতি।

ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে সারা অর্জুনকে প্রশংসায় ভাসান চলচ্চিত্রের সহ-অভিনেতা রণবীর সিং। তিনি বলেন,ছবিতে সারা দারুণ চরিত্রে অভিনয় করেছে। বয়স কম হলেও প্রভাবশালী চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছে।

আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’ মুক্তি পাবে ৫ ডিসেম্বর।




তিশার বিরুদ্ধে নতুন দাবি, ‘পাসপোর্ট জমা ছাড়াই দেশ ছাড়েন

বিনোদন ডেস্ক: মডেল ও অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে ঘিরে চলমান বিতর্ক আরও তীব্র রূপ নিয়েছে। কলকাতার একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য অগ্রিম পারিশ্রমিক নেওয়ার পর কাজ না করে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর অভিযোগ তুলেছেন ছবিটির প্রযোজক সরিফুল ধাবক।

প্রায় তিন মাস আগে ভারতীয় বাংলা সিনেমা ‘ভালোবাসার মরশুম’-এ অভিনয়ের জন্য ১১ লাখ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হন তানজিন তিশা। চুক্তির সময় তিনি দুই দফায় মোট ৪ লাখ ১২ হাজার টাকা অগ্রিম নেন বলে দাবি প্রযোজকের। কিন্তু শুটিংয়ের সময়সূচি মিল না হওয়া এবং ভিসাজনিত সমস্যার কথা বলে শেষ পর্যন্ত কাজ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

প্রযোজক সরিফুল ধাবক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিশার জন্য ভিসার স্লট ঠিক করা হয়েছিল, কিন্তু নানা অজুহাতে তিনি সময়মতো ভারতীয় অ্যাম্বাসিতে পাসপোর্ট জমা দেননি। এরপর আর ভিসা পাওয়া সম্ভব হয়নি। এমনকি তিশার সুবিধার কথা বিবেচনা করে একাধিকবার শুটিংয়ের সময়ও পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান বলে অভিযোগ তার।

ধাবক আরও জানান, সিনেমায় অভিনয় না করেও তানজিন তিশা অগ্রিম পারিশ্রমিক ফেরত দিচ্ছেন না। এ কারণে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত তিনি ইতোমধ্যেই গ্রহণ করেছেন।

অন্যদিকে, তানজিন তিশা নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ‘ভালোবাসার মরশুম’ প্রকল্পের কারণেই তিনি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দুই মাস অপেক্ষার পরও নির্মাতা প্রস্তুত না থাকায় বাধ্য হয়ে তিনি কাজ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।




অভিনেত্রীর জন্য পাত্র দরকার—রাস্তাজুড়ে ঝুলছে পোস্টার

বিনোদন ডেস্কঃ কলকাতা শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে ঝুলছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রের ছবিসহ ‘পাত্র চাই’ লেখা পোস্টার। সাদাকালো সেই পোস্টারে পাত্রের যোগ্যতার বিস্তারিত বিবরণও দেওয়া আছে। হঠাৎ এমন পোস্টার দেখে পথচারীদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়।

প্রথমে অনেকেই ভেবেছিলেন, রুক্মিণীর ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়ে এটি কোনো ঘোষণা। কিন্তু পোস্টারের মালিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে দীপক চক্রবর্তীর নাম! প্রশ্ন ওঠে, কে এই দীপক চক্রবর্তী? পরে জানা যায়, অভিনেতা চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীর চরিত্রের নাম এটি!

এতে খানিকটা ধোঁয়াশা কাটে। জানা যায়, এটি রুক্মিণী অভিনীত আসন্ন সিনেমা ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’র প্রচারণার অংশ।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, সেই সিনেমায় রুক্মিণীর বাবার চরিত্রে অভিনয় করছেন চিরঞ্জিৎ। তার চরিত্রই পর্দায় মেয়ের জন্য ‘পাত্র খুঁজছেন’, এ ধারণা থেকেই এই ব্যতিক্রমী প্রচারণা।

‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ টিম জানিয়েছে, প্রচারের ধরন বদলে যাওয়ায় এখন দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণে নতুন পদ্ধতির আশ্রয় নিতে হয়। সেই কারণে শহরজুড়ে লাগানো হয়েছে এমন পোস্টার, যা দেখে অনেকে থমকে দাঁড়াচ্ছেন, কেউ কেউ আবার মোবাইলে খুঁজে দেখছেন, রুক্মিণীর বিয়ে কবে? এমনকি কেউ কেউ বিভ্রান্তও হচ্ছেন।

দর্শক প্রতিক্রিয়া থেকেই টিম ধারণা করছে, প্রচারণা সফল হয়েছে।

ছবির প্রচারে আগে এমন ব্যতিক্রমী কৌশল দেখা গেলেও সব সময় ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে এবার প্রচারণা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে।

বাবা-মেয়ের সম্পর্কের টানাপড়েনকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন অর্ণব মিদ্যা।




অনলাইন-অফলাইনের বাজে মন্তব্যকারীদের সমান শাস্তির দাবি হুমার

বিনোদন ডেস্কঃ অভিনেত্রীদের কমেন্ট বক্সে অশালীন মন্তব্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণ নতুন নয়। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন বলিউড অভিনেত্রী হুমা কুরেশি। তার মতে, বাস্তবে নারীদের হয়রানি করলে যে শাস্তি হয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় বাজে মন্তব্য করলেও একই শাস্তি হওয়া উচিত।

সম্প্রতি দ্য মেল ফেমিনিস্ট-এর সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন অভিনেত্রী।

হুমা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ বিকিনি পরা ছবি পোস্ট করতে বলেন। আবার পোস্ট করলে লেখেন, এগুলো কী করছেন? এই দ্বিচারিতা যেমন বিরক্তিকর, তেমনই দুঃখজনক। রাস্তায় নারীদের বাজে মন্তব্য করলে যেমন শাস্তি হয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় একই কাজ করলে একই ধরনের শাস্তি হওয়া উচিত। কোনো পার্থক্য থাকা উচিত নয়।

তার কথায়, যদি কেউ আমার মেসেজে অশ্লীল ছবি বা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন, তবে তারও শাস্তি হওয়া উচিত। আমি শুধু এইটুকুই বলতে চাই, নারীরা কী পোশাক পরছেন, তাদের মেকআপ, জীবনশৈলী, কাজ বা রাতে কখন বাড়ি ফিরছেন—এসব নিয়ে সমালোচনা করা বন্ধ করুন।

অভিনেত্রীর এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন অনেকে। তাদের কথায়, বাজে মন্তব্যকারীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা উচিত।

বর্তমানে বেশ ভালো সময় কাটছে হুমার। ‘দিল্লি ক্রাইম ৩’ এবং ‘মহারানি ৪’ সিরিজ দুটি বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে দর্শক মহলে।

রচিত সিংয়ের সঙ্গে প্রেম করছেন হুমা—সম্প্রতি এমন গুঞ্জন ছড়িয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেননি অভিনেত্রী। তবে সোনাক্ষীর রিসেপশনে রচিতের সঙ্গে একই রঙের পোশাক পরে আসতে দেখা যায় পর্দার মহারানিকে।




নারীবাদের আসল অর্থ হারিয়ে ফেলছে সমাজ

বিনোদন ডেস্কঃ নিজের ছবি ‘ধাক ধাক’ নিয়ে কথা বলছিলেন বলিউডের অভিনেত্রী ফাতিমা সানা শেখ। অভিনেত্রী জানান, এই ছবির কিছু দৃশ্য এমন, দেখে মনে হবে পরিচালক নিশ্চয়ই কোনও নারী।

অভিনেত্রী বলেন, “ভেবেছিলাম ছবির পরিচালক কোনও নারীই এমন দৃশ্য রাখতে পারেন। কিন্তু পরে দেখলাম, এ তো পুরুষ! উনি খুবই নারীবাদী পুরুষ। এর মানে এই নয় যে উনি পুরুষবিরোধী।”

ফাতিমা বলেছেন, “পুরুষদের যদি প্রশ্ন করা হয়, ‘আপনি কি নারীবাদী?’ ওরা রেগে গিয়ে জবাব দেয়, ‘না না, আমি নারীবাদী নই। ’ যেন নারীবাদী কথাটা খুব খারাপ। আসলে এরা নারীবাদী কথার অর্থই জানে না। ভাবে নারীবাদী হওয়া খুব খারাপ।”

নারীরা নাকি নারীদের শত্রু হয়। নারীরা ঘ্যানঘ্যানে হয়। এই সব ধারণা পুরুষতন্ত্র তৈরি করেছে বলে মনে করেন ফাতিমা। কিন্তু ‘ধাক ধাক’ ছবির পরিচালককে দেখে অন্য ভাবনা তৈরি হয়েছে ফাতিমার।

সম্প্রতি বিজয় বর্মার সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন ছড়িয়েছে ফাতিমার। তামন্না ভাটিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে নাকি ফাতিমার সঙ্গেই সম্পর্কে বিজয়।

ফাতিমা ও বিজয় ‘গুস্তাখ ইশ্‌ক’ ছবিতে জুটি বাঁধছেন। অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বিজয় সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “আমার সত্যিই ওর সঙ্গে কাজ করতে ভাল লাগে। ও খুবই খাঁটি মানুষ এবং ভাল অভিনেত্রী। পাশাপাশি ও কিন্তু খুবই রসিক। সব সময় আনন্দ করতে ভালবাসে। তবে কাজে কোনও ফাঁকি নেই ওর। প্রত্যেকটি দৃশ্যে নিজের ১০০ শতাংশ দেয়।”




সুফিবাদের দর্শন কীভাবে গড়েছে এ. আর. রহমানের জীবন ও সংগীত

বিনোদন ডেস্কঃ ভারতের খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী ও সুরকার এ আর রহমানের জন্ম হিন্দু বাড়িতে। বাবা-মা নাম রেখেছিলেন দিলীপ কুমার। নামটা বিশেষ পছন্দ ছিল না তার। এক হিন্দু জ্যোতিষীর পরমার্শেই নাকি নিজের নাম রাখেন রহমান। মুসলিম নাম গ্রহণ করলেও তিনি বিশ্বাসী সুফিবাদে। বাকি ধর্ম সম্পর্কে কী ধারণা অস্কারজয়ী সুরকারের?

তখন তার বয়স মাত্র ২৩। এ আর রহমানের বাবা দীর্ঘ দিন ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। তার শেষের দিনগুলিতে সাহায্য করেছিলেন একজন সুফি রোগনিরাময়কারী। এ আর রহমানের জীবনে তার বিরাট প্রভাব ছিল। ওই ব্যক্তির পরামর্শ মেনে চলতেন শিল্পী। সেখান থেকেই ধর্ম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন রহমান। এক হিন্দু জ্যোতিষীর পরামর্শে শিল্পী বেছে নেন ‘আবদুল রহমান’ নামটি। পরে নামের সঙ্গে ‘আল্লাহ্‌ রাখা’ যোগ করেন তার মা।

যদিও রহমান এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘হিন্দু, ইসলাম ও খ্রিস্টান— সব ধর্ম নিয়েই পড়েছি। প্রতিটা ধর্মকেই ভালবাসি। তবে ধর্মের নামে মানুষ মারায় আপত্তি আছে। তবে সুফিবাদ যেন মৃত্যুর আগেই পুর্নজন্মের কথা বলে। নিজের অন্তরাত্মার সঙ্গে সরাসরি কথা বলা যায়। এখানে মানুষের মনের ক্ষোভ, হিংসা, রাগ সব শেষ হয়ে যায়। মানুষ ঈশ্বরের মতো শুদ্ধ হয়ে যায় তখন।’’

রহমান একা নন, তার মা-ও সুফিবাদের রাস্তায় হেঁটে যেন শান্তি পেয়েছেন।




মিস ইউনিভার্স ফাতিমা বশ কী কী পাচ্ছেন

বিনোদন ডেস্কঃ জাঁকজমক আয়োজন আর বিশ্বসুন্দরীদের জমকালো প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শেষ হলো মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসর। সারা বিশ্বের ১২০ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে এবারের মুকুট জিতে নিয়েছেন মেক্সিকোর ফাতিমা বশ। শুক্রবার সকালে থাইল্যান্ডের ব্যাংককের গ্র্যান্ড ফিনালেতে তার নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছ্বাস আর করতালি।

মাত্র ২৫ বছর বয়সেই সর্বোচ্চ সৌন্দর্য খেতাব নিজের করে নিলেন ফাতিমা। গত বছরের বিজয়ী ভিক্টোরিয়া কিয়ের থিলভিগ নিজ হাতে মুকুট পরিয়ে দেন তাকে।

কে এই ফাতিমা বশ

মেক্সিকোর তাবাস্কো অঙ্গরাজ্যের সান্তিয়াগো দে তেয়াপায় জন্ম তার। ছোটবেলা থেকেই ফ্যাশন আর ডিজাইনের প্রতি আগ্রহী ফাতিমা ফ্যাশন ডিজাইন নিয়েই উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ‘মিস ইউনিভার্স মেক্সিকো’ জিতে আলোচনায় আসেন তিনি। দ্রুতই বাড়তে থাকে তার জনপ্রিয়তা—ইনস্টাগ্রামে এখন তার অনুসারী ৯ লাখ ৯০ হাজারের বেশি, টিকটকেও রয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজারের ওপর ফ্যান।

কী কী পাচ্ছেন ফাতিমা 

বিশ্বসুন্দরীর এই শিরোপা জিতে এক নতুন যাত্রা শুরু করলেন ফাতিমা।  যদিও এবারের প্রাইজমানি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি, কিন্তু প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী মিস ইউনিভার্স বিজয়ী পান ২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ কোটি।

এ ছাড়া ফাতিমা আরও পাচ্ছেন—প্রতি মাসে ৫০ হাজার ডলার ভাতা (প্রায় ৬০ লাখ টাকা) যা ভ্রমণ ও কাজের ব্যয় হিসেবে ব্যবহার করবেন। মূল্যবান ৫০ লাখ ডলারের মুকুট যার মূল্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬১ কোটি। নিউইয়র্ক সিটিতে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট যেখানে মিস ইউনিভার্স হিসেবে থাকবেন তিনি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ, বিশ্বভ্রমণ ও একাধিক গ্লোবাল ইভেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ।




শুটিং সেটে আঘাত পেলেন শ্রদ্ধা, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রার্থনার ঢল

বিনোদন ডেস্কঃ সময়টা ভালো যাচ্ছে না শ্রদ্ধা কাপুরের। তার ভাই সিদ্ধান্ত কাপুরের বিরুদ্ধে মুম্বাইয়ে ২৫২ কোটি টাকার মামলা হয়েছে। এ বার বিপাকে পড়লেন তিনি। শনিবার (২২ নভেম্বর) শুটিং সেটে আহত হয়েছেন অভিনেত্রী।

ভারতীয় গণমাধ্যম ‘ইন্ডিয়ান টাইমস’ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের মহারাষ্ট্রের বরেণ্য তামাশা শিল্পী বীথাবাঈ ভাউ মাং নারায়ণগাঁওকারের জীবনভিত্তিক সিনেমা ‘এথা’র শুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন শ্রদ্ধা কাপুর। চরিত্রের প্রস্তুতিতে মাসখানেক কঠোর অনুশীলনও করেছিলেন তিনি।

গত সপ্তাহে পরিচালক লক্ষ্মণ উতরেকর ‘এথা’র শুটিং শুরু করেন। কয়েক দিন সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চললেও এক নাচের দৃশ্যেই বিপত্তি ঘটে। বীথাবাঈয়ের বিখ্যাত লোকনৃত্য ‘লাবণী’র স্টেপ অনুশীলন করার সময় ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান শ্রদ্ধা। এতে তার বাঁ পায়ের আঙুল ভেঙে যায়। সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করতে হয় শুটিং।

শুটিংয়ে লাবণী নৃত্যের সাজপোশাকে প্রস্তুত ছিলেন শ্রদ্ধা। লাবণী এমনিতেই দ্রুত লয়ের নাচ। সেই সঙ্গে ভারী শাড়ি, প্রচুর পরিমাণে গয়না ছিল গায়ে। সঙ্গে ছিলে ভারী কোমরবন্ধনী। সব মিলিয়ে ওজন প্রায় ১৫ কেজি। নাচতে নাচতে কোমরবন্ধনী খুলে পড়ে যায় এবং তাতেই শ্রদ্ধার পায়ে চোট লাগে।

এই ঘটনার পর তড়িঘড়ি মুম্বােই ফিরে আসেন অভিনেত্রী। যদিও প্রযোজকের টাকা ‘নষ্ট’ করতে নারাজ তিনি। তাই মুম্বাই ফিরেই যত ‘ক্লোজ শট’ রয়েছে সেটার শুটিং চালিয়ে যাচ্ছেন।