সালমান শাহ হত্যা মামলায় অভিনেতা ডন কারাগারে

বিনোদন ডেস্ক : চলচ্চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগের মামলায় গ্রেফতার অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. জুয়েল রানার আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে, বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করা কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন সিআইডির পরিদর্শক আরিফুর রহমান।

রাষ্টপক্ষে ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী শুনানিতে বলেন, আসামি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। আজ তিনি বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। বিমানবন্দর থেকে তাকে সিআইডি আটক করেছে। এ আসামি সরাসরি হত্যাকাণ্ড জড়িত।

এ সময় আসামিপক্ষে কোনো জামিন আবেদন না থাকায় ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

গত বছরের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় সালমানের স্ত্রী সামীরা হক, সামীরার মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসি ও খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত পরে সিআইডিকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চলচ্চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। সেই সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন জানান তিনি।

অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। প্রতিবেদনে সালমান শাহ’র মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ওই বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সেই সময় সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা দায়ের করেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

সবশেষ গত বছরের ২০ অক্টোবর বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক।




থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করলেন স্ত্রী

বিনোদন ডেস্ক : ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও তামিলগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) প্রধান থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তার স্ত্রী সঙ্গীতা স্বর্ণালিঙ্গম। শুক্রবার আদালতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানিতে অংশ নিয়ে তিনি আবেদনটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানান। এর পর মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়ে যায়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তামিলনাড়ুর চেঙ্গালপট্টুর পারিবারিক আদালতে বিজয়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন সঙ্গীতা। আবেদনে তিনি দাম্পত্য সম্পর্কে মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করেছিলেন। একই সঙ্গে স্থায়ী ভরণপোষণ এবং চেন্নাইয়ের নীলাঙ্কারাইয়ে অবস্থিত বাড়িতে বসবাসের অনুমতিও চেয়েছিলেন।

বিজয় ও সঙ্গীতার দাম্পত্য-সংক্রান্ত মামলার শুনানি এ বছর কয়েক দফা পিছিয়েছে। গত ১৫ জুনের শুনানিতে সঙ্গীতা আবেদনটি প্রত্যাহারের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেদিনের শুনানিতে অংশ নিয়ে তিনি আদালতকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান। এরপর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ৭ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়।

এর আগে গত মাসের শুনানিতে বিজয় ও সঙ্গীতা—কেউই আদালতে উপস্থিত হননি। এর আগের শুনানিতেও দুজনের অনুপস্থিতির বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। তাদের আইনজীবীরা সশরীরে শুনানিতে অংশ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে বলে আদালতকে জানিয়েছিলেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার সঙ্গীতা তার আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর আদালত মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করেন।

বিজয় ও সঙ্গীতার সম্পর্ক প্রায় তিন দশকের। ১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট চেন্নাইয়ে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাদের বিয়ে হয়। এই দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। ২০০০ সালে তাদের ছেলে এবং ২০০৫ সালে মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়।

২০২৩ সালে বিজয়ের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জনসভায় সঙ্গীতার অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে তাদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। যদিও সে সময় এসব দাবি অস্বীকার করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালে টিভিকে আয়োজিত দলের দ্বিতীয় রাজ্য সম্মেলনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও সঙ্গীতার উপস্থিতি না থাকায় বিষয়টি ফের আলোচনায় আসে।




ইলিয়াস কাঞ্চনের জন্য দোয়া চাইলেন রোজিনা

বিনোদন ডেস্ক : যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা শেষে দীর্ঘদিন পর দেশে ফেরেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। তাকে দেখতে তার গুলশানের বাসায় গিয়েছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী রোজিনা। সেখানে অভিনেতার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তার শারীরিক অবস্থার খবরাখবর নেন তিনি।

পরবর্তীতে সামাজিক মাধ্যমে সেই সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ করে ইলিয়াস কাঞ্চনের সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রোজিনা।

ফেসবুকে অভিনেতার সঙ্গে একাধিক ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেতা কাঞ্চন। কয়দিন আগেই লন্ডন থেকে ঢাকায় এসেছে। কাঞ্চনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম তার গুলশানের বাসায়। কাঞ্চন এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়নি, ইনশাআল্লাহ অতি দ্রুতই সুস্থ হয়ে যাবেন।

অভিনেতার চিকিৎসা-সংক্রান্ত আপডেট জানিয়ে এই অভিনেত্রী আরও লেখেন, লন্ডনের ডাক্তাররা বলেছে এই মাসে ১২ তারিখে আবার লন্ডনে চলে যাবে কাঞ্চন চিকিৎসার জন্য। আপনারা সবাই দোয়া করবেন কাঞ্চনের জন্য, মহান আল্লাহ পাক যেন তাকে তাড়াতাড়ি সুস্থতা দান করেন।

উল্লেখ্য, ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। গত বছরের এপ্রিল থেকে লন্ডনে তার চিকিৎসা চলছে। সে বছরের আগস্টে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হলেও জটিলতার কারণে টিউমারটি পুরোপুরি অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। যার কারণে চিকিৎসকদের পরামর্শে তিন ধাপে সব মিলিয়ে প্রায় শ খানেক কেমোথেরাপি নিতে হয়েছে এই অভিনেতাকে। দীর্ঘ চিকিৎসায় আশানুরূপ উন্নতি না হলেও কয়েক দিনের জন্য ঢাকায় এসেছেন তিনি। উপলক্ষ দেশের মাটিতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো।




‘ময়না ছলাৎ ছলাৎ’ খ্যাত গায়ক স্বাগত দে মারা গেছেন

বিনোদন ডেস্ক : ওপার বাংলার লোকসংগীতের জনপ্রিয় শিল্পী স্বাগত দে আর নেই। সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এই সংগীতশিল্পী ‘ময়না ছলাৎ ছলাৎ’ এবং ‘সোনা বন্ধু রে’র মতো অসামান্য সব জনপ্রিয় লোকগানের মাধ্যমে বাংলা গানের জগতে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

পরিবার জানায়, সোমবার (৩ আগস্ট) তিনি সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এরপর থেকে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সব চেষ্টা ব্যর্থ করে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই গুণী শিল্পী।

স্বাগত দে জাদুকরী ও প্রাণবন্ত কণ্ঠে বাংলা লোকসংগীত নতুন প্রজন্মের কাছেও দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। বিশেষ করে সুরেলা কণ্ঠ ও আবেগঘন পরিবেশনার মাধ্যমে শ্রোতাদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। তার এই আকস্মিক প্রয়াণে সংগীত ও সংস্কৃতি অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

সদ্য প্রয়াত এই শিল্পীর আত্মার শান্তি কামনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওপার বাংলার গায়িকা জোজো লিখেছেন, ‘তারাদের দেশে ভালো থেকো স্বাগতদা। ওম শান্তি।’

অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী স্মৃতিচারণ করে লেখেন, খবরটা শুনে ছোটবেলার অনেক স্মৃতি ফিরে এলো। বিশ্বাসই করতে পারছি না, স্বাগতদা আর নেই।

আরেক লোকসংগীতশিল্পী দেব চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, স্বাগত আমাদের সমসাময়িক ছিল। খবরটা মেনে নিতে পারছি না। বাংলা লোকগানের জন্য এটি বড় ক্ষতি।




না ফেরার দেশে চলে গেলেন ‘গজনি’খ্যাত অভিনেতা প্রদীপ রাওয়াত

সুপারহিট সিনেমা ‘গজনি’তে খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয়ের মাধ্যমে উপমহাদেশজুড়ে পরিচিতি পান তিনি। মৃত্যুকালে অভিনেতার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন ব্যবস্থাপক সিদ্ধার্থ তিওয়ারি।

দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন প্রদীপ, সম্প্রতি এক মাসের বেশি সময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন ভারতের চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেকেই। ১৯৫২ সালের ২১ জানুয়ারি মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে জন্মগ্রহণ করেন প্রদীপ। বিআর চোপড়ার ‘মহাভারত’-এ অশ্বত্থামা চরিত্রে অভিনয় করে টেলিভিশনে তার অভিনয়যাত্রা শুরু হয়।

১৯৮৫ সালে ‘এতবার’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। এরপর ‘অগ্নিপথ’, ‘কয়লা’, ‘সরফরোশ’ ও ‘মেজর সাব’-এ অভিনয় করে নজর কাড়েন তিনি। তবে ‘লগান’-এ দেবা সিং সোধি এবং ‘গজনি’তে খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় তাকে এনে দেয় বিপুল খ্যাতি।




৬ দিনে বিলিয়ন ডলার আয় ছাড়াল ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’

বিনোদন ডেস্ক : হলিউডের ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক বক্স অফিসকে রীতিমতো ওলটপালট করে দিয়ে মাত্র ৬ দিনে শতকোটি ডলার (১ বিলিয়ন ডলার) আয়ের অভাবনীয় মাইলফলক স্পর্শ করেছে সোনি ও মার্ভেলের যৌথ প্রযোজনায় তৈরি নতুন চলচ্চিত্র ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’।

টম হল্যান্ডের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা এই ওয়েব-স্লিংগিং সুপারহিরো আয়ের গতিতে পেছনে ফেলে দিয়েছে সাম্প্রতিক সব রেকর্ডকে। চলচ্চিত্র ইতিহাসের ইতিহাসে এর চেয়ে কম সময়ে মাত্র একটি চলচ্চিত্রই শতকোটি ডলার ছুঁতে পেরেছিল; ২০১৯ সালের মার্ভেল মহাকাব্য ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ মাত্র এক সপ্তাহান্তে (ওপেনিং উইকএন্ডে) ১.২ বিলিয়ন ডলার আয় করে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে।

মুক্তির প্রথম চার দিনেই কেবল উত্তর আমেরিকার বাজার থেকেই ৪০৭ মিলিয়ন ডলার আয় করে নিয়েছে ছবিটি, যা ঘরোয়া বাজারে সবচেয়ে দ্রুত ৪০০ মিলিয়ন ডলার আয়ের ইতিহাস তৈরি করেছে। শুধু তা-ই নয়, সোমবার এক দিনেই রেকর্ড ৪৭ মিলিয়ন ডলার ব্যবসা করে সিনেমাটি, যা ২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’-এর ৪০ মিলিয়ন ডলারের আগের রেকর্ড ভেঙে দিয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয়ের সোমবারের স্বীকৃতি পেয়েছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বা বৈশ্বিক বাজারেও সমান তাণ্ডব চালিয়ে সিনেমাটি ইতিমধ্যে ৬৪৫.৮ মিলিয়ন ডলার নিজের পকেটে পুরেছে।

টম হল্যান্ডের একক অভিনয়জীবনের চতুর্থ স্পাইডার-ম্যান চলচ্চিত্রটি গত সপ্তাহান্তে মুক্ত হওয়ার পর থেকেই বক্স অফিসের সমস্ত পূর্বাভাসকে গুঁড়িয়ে দিতে শুরু করে। ছবিটির উদ্বোধনীতে ঘরোয়া বাজারে ৩৬০ মিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বজুড়ে ৯৩২ মিলিয়ন ডলার ব্যবসা হয়, যা উত্তর আমেরিকার ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ডমেস্টিক ডেবিউ এবং বিশ্বব্যাপী ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম ওপেনিং হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া ছবিটি পূর্ব-প্রদর্শনী (প্রিভিউ) থেকে ৭২ মিলিয়ন ডলার এবং উদ্বোধনী দিনে (ওপেনিং ডে) ১৬৯.৮ মিলিয়ন ডলার আয় করার রেকর্ড গড়েছে। ইতিবাচক দর্শক প্রতিক্রিয়া ও আগামী সপ্তাহগুলোতে বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী সিনেমা না থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, চলচ্চিত্রটি খুব দ্রুতই ২০০ কোটি ডলারের ঘর অতিক্রম করবে—যা সিনেমা ইতিহাসের মাত্র সাতটি চলচ্চিত্রের অর্জনের তালিকায় রয়েছে।

সোনি ও মার্ভেলের এই বিস্ময়কর সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মার্ভেল স্টুডিওসের সভাপতি ও ছবির প্রযোজক কেভিন ফাইগি। ‘ভারাইটি’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি সত্যিই আশা করিনি যে এন্ডগেমের ঘরোয়া রেকর্ড কেউ কখনো ভাঙতে পারবে। তবে আমাদের মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের (এমসিইউ) ৩৮তম চলচ্চিত্রটি দিয়ে এই রেকর্ড ভাঙতে দেখে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও অভিভূত। এই অভাবনীয় সাফল্য ডিসেম্বরে মুক্তি পেতে যাওয়া পরবর্তী ছবি ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’-এর জন্য অত্যন্ত শুভ বার্তা এনে দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ চলতি ২০২৬ সালের চতুর্থ চলচ্চিত্র যা শতকোটি ডলারের ক্লাবে প্রবেশ করল। এর আগে ‘দ্য সুপার মারিও গ্যালক্সি মুভি’ (১.০০১ বিলিয়ন ডলার), ‘মাইকেল’ (১.০০১ বিলিয়ন ডলার) এবং ‘টয় স্টোরি ৫’ (১.০৬৭ বিলিয়ন ডলার) এই তালিকায় স্থান পেয়েছিল। ক্রিস্টোফার নোলানের বহু আলোচিত ‘দ্য ওডিসি’ ইতিমধ্যে ৯১২ মিলিয়ন ডলার আয় করে শতকোটি ডলার স্পর্শ করার একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

চলতি বছরের আগস্ট মাস চলাই অবস্থাতেই মহামারির পর থেকে সর্বোচ্চসংখ্যক শতকোটি ডলারের সিনেমা দেখে ফেলল বৈশ্বিক চলচ্চিত্রশিল্প। ২০১৯ সালে করোনাকালীন স্থবিরতা শুরুর আগে রেকর্ডসংখ্যক ৯টি চলচ্চিত্র ১০০ কোটি ডলারের বেশি ব্যবসা করেছিল, যার পর থেকে কোনো একক বছরে তিনটি চলচ্চিত্রের বেশি এই উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি। তবে এই বছর মে থেকে আগস্টের শুরু পর্যন্ত উত্তর আমেরিকার বাজারে ইতিমধ্যেই ৩.৫৭৯ বিলিয়ন ডলারের টিকিট বিক্রি হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে ‘ডুন ৩’ এবং ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’-এর মতো মেগা বাজেটের চলচ্চিত্র মুক্তির অপেক্ষায় থাকায় ২০১৯ সালের পর এই প্রথম উত্তর আমেরিকার বক্স অফিস আয় ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।




মারা গেছেন ‘স্পাইডার-ম্যান’ খ্যাত অভিনেত্রী মেরি রিভেরা

বিনোদন ডেস্ক : মার্ভেলের জনপ্রিয় সিনেমা স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম এ নেডের নানির চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের নজর কাড়েন প্রবীণ অভিনেত্রী মেরি এগিদা রিভেরা। ৮২ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুর খবরে শোক প্রকাশ করছেন মার্ভেল ভক্ত ও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা।

সোমবার (৩ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিএমজেড অভিনেত্রীর পরিবার ও স্বজনদের বরাতে জানায়, মেরি রিভেরা গত ১৫ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ের হনুলুলুতে মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

পরিবারের এক সদস্য জানান, স্ট্রোক করার পর তার মৃত্যু হয়। তিনি আরও বলেন, স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম সিনেমায় অভিনয় করতে পেরে মেরি খুব গর্ব অনুভব করতেন।

সিনেমায় তার উপস্থিতি ছিল খুব অল্প সময়ের। তবে সেই দৃশ্যটি দর্শকদের বেশ আনন্দ দিয়েছিল। এক পর্যায়ে নেড ও এমজের সঙ্গে অ্যান্ড্রু গারফিল্ডের স্পাইডার-ম্যান কথা বলার সময় ঘরে ঢোকেন মেরি। এরপর নেডের মাধ্যমে তিনি স্পাইডার-ম্যানকে ছাদের কোণে থাকা মাকড়সার জাল পরিষ্কার করতে বলেন। এই দৃশ্যটি দর্শকদের হাসির খোরাক জুগিয়েছিল।

ওই দৃশ্যে অ্যান্ড্রু গারফিল্ড, টোবি ম্যাগুইয়ার, টম হল্যান্ড, জেনডায়া এবং জ্যাকব ব্যাটালনের মতো তারকাদের সঙ্গে অভিনয় করেন মেরি রিভেরা। অল্প সময় পর্দায় থাকলেও তিনি দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন।

মেরির মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্পাইডার-ম্যান ভক্তরা তাকে স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

মেরি এগিদা রিভেরার জন্ম ১৯৪৩ সালের ২ জুন, ফিলিপাইনের ইলোইলোতে। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত মিশনারি ছিলেন। মৃত্যুর পর তিনি স্বামী আলেজান্দ্রো রিভেরা, চার সন্তান, ১১ জন নাতি-নাতনি এবং চারজন পুতি-পুতনি রেখে গেছেন।




হঠাৎ ১৬ কেজি ওজন কমার কারণ জানালেন সালমান

বিনোদন ডেস্ক : চোখেমুখে ক্লান্তি, ঝরেছে অনেকটা ওজন, মাথা ঢাকা টুপিতে, ম্লান মুখ— সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ছবিতে সালমান খানকে এমন লুকে দেখে চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন অনেকেই। এতে করে ভক্তদের মনে প্রশ্ন জাগছিল যে, সালমান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন কিনা। তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই। অবশেষে সেই জল্পনার জবাব দিলেন অভিনেতা।  প্রশ্নের জবাব নিজেই দিলেন ‘ভাইজান’ নিজেই।

সালমান জানান, ইচ্ছাকৃতভাবেই ১৬ কেজি ওজন কমিয়েছেন তিনি। এটি তার পরিকল্পিত ফিটনেস সফরেরই অংশ, তাই উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। ভাই সোহেল খানের সঙ্গে কথোপকথনের সময়েই নিজের ফিটনেস নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন সালমান।

তিনি জানান, নিয়মিত শারীরচর্চা করছেন এবং ওজন কমিয়েছেন। জবাবে সোহেল জানান, তিনিও ১২ কেজি ওজন ঝরিয়েছেন। তখনই সালমান বলেন, আমি ১৬ কেজি ওজন কমিয়েছি। এর মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করে দেন, সাম্প্রতিক শারীরিক পরিবর্তন তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল। এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। নিজের ভালোর জন্যই ওজন কমিয়েছেন তিনি।

সালমান আরও জানান, সামনে একাধিক কাজ রয়েছে। সেই কারণেই তিনি এখনো ওজন কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আরও বেশ কিছুটা ওজন কমাতে চান তিনি।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ের ‘স্লাম রিহ্যাবিলিটেশন অথরিটি’র দফতরে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সালমান। সেখানে সংস্থার নতুন ‘ডেটা কালেকশন অ্যান্ড ভেরিফিকেশন সাপোর্ট সেন্টার’-এর উদ্বোধন করেন তিনি। তবে অনুষ্ঠান শেষে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ঘিরেই শুরু হয়েছে জল্পনা। কেউ কেউ সালমানকে দেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, এ কী অবস্থা নব্বই দশকের সুদর্শন নায়কের? কী হয়েছে তার?

সালমান নিজের কায়দাতেই এসব উদ্বেগের জবাব দিয়েছেন। গভীর রাতে নিজের বেশ কিছু ছবি ভাগ করে নিয়েছিলেন সালমান। সেই ছবির মাধ্যমে অনুরাগীদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। এবার বিশদে জানালেন, কেন তার ওজন কমেছে।




কঙ্গনা ও হৃত্বিকের পুরোনো বিরোধে নতুন ডালপালা

বিনোদন ডেস্ক : বিতর্ক আর কঙ্গনা যেন এক অপরের পরিপূরক। বিতর্ক ছাড়া যেন ভালোই লাগে না চারবার জাতীয় পুরস্কার জয়ী অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের। অভিনেত্রী থেকে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে সংসদ সদস্য বনে গেলেও বিতর্ক সৃষ্টির অভ্যাস বদলায়নি। সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপির আন্দোলনের সময় অশালীন শব্দ ব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করে ‘জেন-জি’দের জেনারেশন গাটার বা ‘নর্দমার প্রজন্ম‘ বলে অভিহিত করেছিলেন কঙ্গনা। সিজেপিও পাল্টা জবাব দিলে এ নিয়ে সৃষ্টি হয় নতুন বিতর্ক। বিতর্কের ডালপালা বহু দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এই বিতর্ক টেনে এনেছে হৃত্বিক রোশনের সঙ্গে কঙ্গনার ১০ বছরের পুরোনো আইনি তিক্ততাকেও।

কঙ্গনা-সিজেপি বিতর্কে হৃত্বিককে টেনে আনার দায় অবশ্য সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাসের। কঙ্গনার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সৌরভ রসিকতা করে বলেছিলেন, আমার বন্ধুরা আমাকে বলেছিল- তোমাকে দেখতে তরুণ বয়সের হৃত্বিক রোশনের মতো লাগে। হয়তো এই কারণেই কঙ্গনা তোমাকে আক্রমণ করছে।

সৌরভের এই রসিকতা করে হৃত্বিককে টেনে আনাতেই ১০ বছরের পুরোনো বিতর্ক আবার চাঙা হয়েছে। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কঙ্গনার সঙ্গে সম্পর্কের কথা টেনে হৃত্বিকের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন। লেখক ফ্রেডি বার্ডির একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্ট এই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালে। কঙ্গনার মতো একজন বিতর্কপ্রিয় মানুষের সঙ্গে হৃত্বিকের সম্পর্কের ইঙ্গিত দিয়ে ফ্রেডি লেখেন, বিশ্বের ঋত্বিক রোশনের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

অবশ্য এ বিতর্কে নিজেকে জড়াতে চাননি হৃত্বিক। বরং সংযত ভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি লেখেন, আমার বন্ধু, আপনি ‘বি’-কে আর পছন্দ করেন না বলেই ‘এ’-এর পক্ষ নিচ্ছেন। এটি আমাদের সমাজে জেঁকে বসা একটি বড় পদ্ধতিগত সমস্যার ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। আমি অপেক্ষা করব, যখন এর পেছনের প্রেক্ষাপটটি সঠিক হবে এবং যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে অনুপ্রাণিত হবে। সেটাই হবে ন্যায্য। কিন্তু আবারও বলছি, এখন আর কারই বা কী যায় আসে, তাই না। তার এই প্রতিক্রিয়াটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। তাই বিতর্ক থেকে দূরে থাকতে চাইলেও পারেননি হৃত্বিক।

কঙ্গনা তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজে এই খবরের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করে কড়া ভাষায় একটি বার্তা দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। হৃতিক রোশন ও সাবা আজাদের সম্পর্কের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে কঙ্গনা বলেন, প্রিয় হৃত্বিক, আমি আনন্দিত যে তুমি তোমার মনের মতো সঙ্গী সাবা আজাদকে খুঁজে পেয়েছো এবং তোমাদের দুজনকে একসঙ্গে খুব সুন্দর মানায়। তুমি এখন একটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সম্পর্কের মধ্যে আছো। তাই এভাবে একজন নারীকে উত্ত্যক্ত করা বা খোঁচা দেওয়া তোমাকে মানায় না। এর চেয়ে বরং তোমার উচিত সেইসব মানুষদের নিন্দা করা, যারা তোমার নাম ব্যবহার করে আমাকে হেনস্তা ও বুলিং করছে। আগুনে ঘি ঢালা বন্ধ করো এবং তোমার সঙ্গীকে অস্বস্তিতে ফেলা বন্ধ করো। আশা করি তোমার শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং তুমি এমন অযৌক্তিক মন্তব্য করা বন্ধ করবে।

কঙ্গনা-হৃত্বিকের চলমান বিতর্ক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক মিম হয়েছে। তারই একটিতে হৃত্বিক লাইক দিয়েছেন, এমন অভিযোগ এলে বিতর্ক আরও চাঙা হয়। একজন রেডডিট ব্যবহারকারী একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেন, যাতে দেখা যায় হৃত্বিকের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্টে লাইক দেওয়া হয়েছে, যেখানে লেখা ছিল, হৃত্বিক ভাই, আপনি দলের স্বার্থে একটু ত্যাগ স্বীকার করতে পারতেন। কেন একে (কঙ্গনা) দেশের ওপর এভাবে খোলা ছেড়ে দিলেন? তবে মূল ইনস্টাগ্রাম পোস্টটি পরবর্তী সময়ে মুছে ফেলা হয় এবং এই কথিত লাইকটিও আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

কঙ্গনা আর হৃত্বিতের সম্পর্কে তিক্ততা অবশ্য বেশ পুরোনো। একসময় তাদের মধ্যে দারুণ সুসম্পর্ক ছিল। ‘কাইট্স’ (২০১০) এবং ‘কৃষ ৩’ (২০১৩) সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সময় থেকেই কঙ্গনা ও হৃত্বিকের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। তবে ২০১৬ সালে একটি সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা হৃত্বিককে তার সিলি এক্স (বোকা প্রাক্তন) বলে উল্লেখ করার পর এই গুঞ্জনটি প্রকাশ্যে আসে।

কঙ্গনা দাবি করেন, হৃত্বিক যখন সুজান খানের সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন, তখন তাদের মধ্যে প্রায় সাত বছরের একটি গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং হৃত্বিক প্যারিসে তাকে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, হৃত্বিক শুরু থেকেই এই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন এবং জানান যে, তাদের মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক ছাড়া ব্যক্তিগত কোনো সম্পর্ক কখনোই ছিল না।

২০১৬ সালে কঙ্গনাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান হৃত্বিক। কঙ্গনা ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করে পাল্টা আইনি নোটিশ পাঠান এবং হৃত্বিকের বিরুদ্ধে ভয় দেখানোর অভিযোগ আনেন।




ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানি র‍্যাপার হাসান রহিম

বিনোদন ডেস্ক : প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে কনসার্ট করতে আসছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় র‍্যাপার ও গায়ক হাসান রহিম। চলতি আগস্টে রাজধানী ঢাকার মঞ্চে পারফর্ম করবেন তিনি।

নিজের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এই শিল্পী।

বর্তমানে ‘দিল কে পারদে’ শিরোনামে বিশ্বসংগীত সফরে রয়েছেন হাসান রহিম। এরই মধ্যে উত্তর আমেরিকা, লন্ডন ও ইউরোপের বিভিন্ন শহরে সফল কনসার্ট করেছেন তিনি। সেই সফরের অংশ হিসেবেই আগামী ২৮ আগস্ট ঢাকার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে তার কনসার্ট।
অনুষ্ঠানটির আয়োজন করছে কেওয়াইএন আর্ট। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খুব শিগগিরই অনলাইনে কনসার্টের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে।

আরঅ্যান্ডবি, হিপহপ ও ইন্ডি-পপ ঘরানার গানের জন্য পরিচিত হাসান রহিম। কোক স্টুডিও পাকিস্তানের ১৪তম আসরে প্রকাশিত ‘পিছে হাট’ গানটির মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। এরপর ‘তুররি জান্দি’ গানটিও শ্রোতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পায়।

তার জনপ্রিয় গানের তালিকায় রয়েছে ‘পয়সা’, ‘রাধা’, ‘ফালতু পেয়ার’, ‘অ্যায়সে কেয়সে’ ও ‘মেহবুবা’। র‍্যাপ, আরঅ্যান্ডবি ও ইন্ডি-পপের মিশেলে তৈরি তাঁর গান তরুণ শ্রোতাদের মধ্যে বিশেষ সাড়া ফেলেছে।

এর আগে গত ২৪ জুলাই ঢাকায় কনসার্ট করেন পাকিস্তানের আরেক জনপ্রিয় শিল্পী আতিফ আসলাম। রাজধানীর ১০০ ফুট এলাকায় আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রায় দুই ঘণ্টা গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন তিনি।

অন্যদিকে, আজ (১ আগস্ট) ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পী অনুপম রায়ের কনসার্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রয়োজনীয় অনুমতি না পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে সেটি বাতিল করা হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়েছে।