সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে চান রিনা খান

বিনোদন ডেস্কঃ ভোটের মাঠের প্রচারণায় এবার শোবিজ তারকাদের উপস্থিতি খুব একটা দেখা যায়নি। তবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষে ভোট চাইতে মাঠে নেমেছেন দলটির সমর্থিত শিল্পীদের একাংশ।   

সম্প্রতি ঢাকা-১৭ আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন একসময়ের দাপুটে খল-অভিনেত্রী রিনা খান।

তার ভাষ্যমতে, বিগত ১৭ বছরে বিএনপি সমর্থিত অনেক শিল্পীই দেশে থাকতে পারেননি। যারা ছিলেন, তারাও হয়েছেন নির্যাতিত। তিনি তাদেরই একজন। আসন্ন নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সংরক্ষিত আসনে একটি সিট পাওয়ার প্রত্যাশা এই অভিনেত্রীর।

বিটিভির নিবন্ধিত শিল্পী হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে দীর্ঘদিন কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকার অভিযোগ তুলেছেন রিনা খান। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় নানামুখী চাপের মুখে পড়তে হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রিনা খান। জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। আগামীতে সংরক্ষিত আসনে এমপি হয়ে সংসদে যেতে পারেন কিনা, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।




ইসলাম গ্রহণ করলেন ব্রিটিশ র‍্যাপার সেন্ট্রাল সি

বিনোদন ডেস্কঃ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ র‍্যাপার এবং ‘স্প্রিন্টার’ খ্যাত তারকা সেন্ট্রাল সি। সম্প্রতি এক অনলাইন লাইভস্ট্রিমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কালিমা পাঠ করে শাহাদাহ গ্রহণ করেন। ইসলাম গ্রহণ হওয়ার পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন ‘আখিল’।

ইসলামিক ইনফরমেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৭ বছর বয়সী এই শিল্পী একটি লাইভস্ট্রিমে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। তার আগের নাম ছিল ওকলি নীল সিজার-সু।

লন্ডনের শেফার্ডস বুশ থেকে উঠে আসা এই র‍্যাপার বর্তমানে বিশ্বসংগীতের অন্যতম পরিচিত মুখ।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘PlaqueBoyMax’-এর সাথে একটি লাইভ চলাকালীন তিনি জানান, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এখন থেকে তিনি ‘আখিল’ নামে পরিচিত হতে চান। এর আগে সেন্ট্রাল সি তার ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে জনসমক্ষে খুব একটা কথা বলেননি।

২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করলেও ২০২১ সালের দিকে সেন্ট্রাল সি ইউকে র‍্যাপ জগতে এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

প্রথম ব্রিটিশ র‍্যাপার হিসেবে একটি একক প্ল্যাটফর্মে এক বিলিয়ন স্ট্রিম অর্জনের রেকর্ড রয়েছে তার। ড্রেক এবং জে. কোল- এর মতো বিশ্বসেরা তারকাদের সাথে কাজ করে তিনি গত কয়েক বছরে সাফল্যের তুঙ্গে রয়েছেন।

নিজের দ্রুত উত্থান সম্পর্কে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, সবকিছু এতো দ্রুত ঘটছে যে মাঝে মাঝে বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে যায়। আমি এতোদিন ধরে এতো দ্রুত দৌড়াচ্ছি যে এসব নিয়ে ভাবার সময়টুকুও পাইনি।

পেশাদার জীবনের এই ব্যস্ততার মাঝে তার এই ব্যক্তিগত এবং আধ্যাত্মিক পরিবর্তন ভক্তদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে তার অনুসারীরা তাকে শুভকামনা জানাচ্ছেন। মুসলিম কমিউনিটির পক্ষ থেকে তার এই সিদ্ধান্তকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে।




সময় হলে সব আমি সব বলব: বুবলী

বিনোদন ডেস্কঃ ঢালিউডে জোর গুঞ্জন চলছে, ফের মা হতে হচ্ছেন অভিনেত্রী শবনম বুবলী। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি এবং শারীরিক পরিবর্তন এই আলোচনাকে উসকে দিয়েছে। তবে বরাবরের মতো এবারও বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা রেখেছেন এই নায়িকা। 

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি শপিং কমপ্লেক্সে একটি ব্র্যান্ডের গ্র্যান্ড ওপেনিং অনুষ্ঠানে হাজির হন বুবলী। অনুষ্ঠানে একটি সাদা ফ্লোর টাচ গাউন পরেছিলেন।

তার একটি ভিডিও ভাইরাল হলে নেটিজেনরা দাবি করেন, ক্যামেরায় তার বেবিবাম্প স্পষ্ট ধরা পড়েছে। এছাড়াও সেই ইভেন্টে উপস্থিত সাংবাদিকদের মনেও কৌতূহল জাগে।

বিশেষ করে, তার হাঁটাচলা এবং শারীরিক ভঙ্গি দেখে উপস্থিত অনেকেরই মনে হয়েছে তিনি মা হতে চলেছেন।

সেই অনুষ্ঠানে মা হওয়ার গুঞ্জন নিয়ে বুবলী সরাসরি অস্বীকার না করলেও স্বীকারও করেননি। সেখানে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি কৌশলী উত্তর দেন।

বুবলী বলেন, আপনাদেরকে আমি কখনই সেই দোষটা দেই না, কারণ আপনারা নিউজ করবেন এটাই খুব স্বাভাবিক। এবং অডিয়েন্সের জায়গা থেকে আগ্রহ থাকবে। তবে সবকিছুরই তো একটা সময় আছে, একটা স্থান-কাল-পাত্র আছে যে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কথা বলতে চাই।

বুবলী বলেন, আজকে যেহেতু আমরা একটা গ্র্যান্ড লঞ্চিংয়ে এসেছি, সো আমি চাই যে ন্যাচারাল বাই রাখিতে আমরা থাকি আপাতত। যেদিন আমার প্রোগ্রাম হবে সেদিন আমি সব বলব।

এদিকে শোনা যাচ্ছে, বুবলী খুব শীঘ্রই যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাবেন।

গুঞ্জন রয়েছে, শাকিব খানের পরামর্শেই তিনি মার্কিন মুলুকে সন্তান জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং সে সময় শাকিব খানও তার পাশে থাকতে পারেন।

দীর্ঘদিন ধরে শাকিব ও বুবলীর সম্পর্কের দূরত্বের কথা শোনা গেলেও তাদের পুনরায় বাবা-মা হওয়ার গুঞ্জন নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে এ নিয়ে একের পর এক প্রশ্নের মুখে পড়লে বরাবরের মতো কৌশলী উত্তর দিয়ে গেছেন নায়িকা। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না।

গুঞ্জনের সূত্রপাত, গত বছর নিউ ইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কে সন্তান শেহজাদ খান বীরসহ এই জুটিকে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছিল। তখন থেকেই গুঞ্জন শুরু হয় যে তারা হয়তো আবারও এক হচ্ছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভক্তদের মনে প্রশ্ন জেগেছে- বুবলীর সম্ভাব্য সন্তানের বাবা কি তবে শাকিব খানই?




এবার কন্যাসন্তানের বাবা হলেন অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ

বিনোদন ডেস্কঃ জনপ্রিয় অভিনেতা ও নির্মাতা জিয়াউল হক পলাশ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হয়েছেন। তার স্ত্রী নাফিসা একটি সুস্থ ও সুন্দর কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। নতুন অতিথির আগমনে পলাশের পরিবারে আনন্দ ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

হাসপাতাল থেকে পলাশ জানান, ‘বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় রাজধানীর পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আমাদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, মা ও সন্তান দুজনেই ভালো আছেন। আমরা সবাই এখনো হাসপাতালে আছি। সবার কাছে দোয়া চাই—আমার ছেলে ও মেয়ে যেন দোয়া ও ভালোবাসায় বড় হতে পারে।’

টেলিভিশন পর্দায় জিয়াউল হক পলাশের জনপ্রিয়তার উত্থান ঘটে কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত আলোচিত ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’–এ কাবিলা চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এই চরিত্রটি তাকে দেশ-বিদেশের দর্শকদের কাছে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

ব্যক্তিগত জীবনে ২০২২ সালে পারিবারিকভাবে নাফিসা রুম্মান মেহনাজের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পলাশ। পরের বছর জুলাইয়ে তিনি প্রথমবারের মতো বাবা হন। তার পুত্র সন্তানের নাম রাখা হয় মোহাইমিনুল হক আহান। এবার সেই পরিবারে যুক্ত হলো নতুন আনন্দ—কন্যাসন্তানের আগমনে আরও পূর্ণতা পেল পলাশের সংসার।

ক্যারিয়ারের শুরুতে ২০১৩ সালে ‘ছবিয়াল’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ শুরু করেন জিয়াউল হক পলাশ। দীর্ঘ সময় তিনি খ্যাতিমান নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। পরবর্তীতে ইশতিয়াক আহমেদ রোমেলের সহকারী পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালে তিনি কাজল আরেফিন অমির সঙ্গে সহযোগী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন।

একপর্যায়ে অভিনয়ে মনোযোগী হয়ে ওঠেন পলাশ। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর সাফল্যের পর তার ক্যারিয়ার নতুন মোড় নেয়। বর্তমানে নিয়মিত অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি নাটক ও টিভিসি নির্মাণ করতেও দেখা যায় এই অভিনেতা–নির্মাতাকে।




ট্রাম্পের ওপর বিরক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার ঘোষণা দিলেন ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট

বিনোদন ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামল নিয়ে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন অস্কার মনোনীত তারকা ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট। সম্প্রতি ‘দ্য টাইমস অব লন্ডন’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সাফ জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি সম্ভবত আর আমেরিকায় থাকছেন না। তার মতে, ট্রাম্পের অধীনে আমেরিকার ‘বাস্তবতা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে’।

সাক্ষাৎকারে স্টুয়ার্ট তার ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ট্রাম্পের অধীনে বাস্তবতা পুরোপুরি খণ্ডবিখণ্ড হয়ে যাচ্ছে। তবে আমাদের উচিত তার কৌশল থেকেই শিক্ষা নেওয়া এবং আমরা যে বাস্তবতায় বাঁচতে চাই, তা নিজেরাই তৈরি করা।

যখন তাকে প্রশ্ন করা হয় যে ট্রাম্পের এই শাসনামলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে থাকবেন কি না, স্টুয়ার্ট সরাসরি বলেন, সম্ভবত না। আমি সেখানে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি না। তবে আমি পুরোপুরি হাল ছেড়ে দিতে চাই না। আমি ইউরোপে সিনেমা তৈরি করতে চাই এবং সেগুলো মার্কিন দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে চাই।

ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট একাই নন, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর অনেক তারকাই যুক্তরাষ্ট্র ছেড়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন এলেন ডিজেনারেস এবং রোজি ও’ডোনেল-এর মতো ব্যক্তিত্বরা। এমনকি ‘টাইটানিক’ ও ‘অ্যাভাটার’ খ্যাত পরিচালক জেমস ক্যামেরনও বর্তমানে নিউজিল্যান্ডে স্থায়ী হয়েছেন।

নিউজিল্যান্ডের প্রশংসা করে ক্যামেরন বলেন, আমি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের সঙ্গে থাকার জন্য এখানে এসেছি। নিউজিল্যান্ড বিজ্ঞানে বিশ্বাস করে, তারা ঐক্যবদ্ধ। অন্যদিকে আমেরিকা এখন চরমভাবে মেরুকরণ করা একটি দেশ, যারা বিজ্ঞানের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

একই সুর শোনা গেছে রোজি ও’ডোনেলের কণ্ঠেও। ভ্যারাইটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমার সন্তানকে নিয়ে সেখানে (যুক্তরাষ্ট্রে) ফিরে যাওয়া কি নিরাপদ হবে? এই প্রশাসন বিদায় না নেওয়া পর্যন্ত এবং তাদের অপরাধের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমি ফিরছি না।

ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈরিতা অবশ্য নতুন নয়। ২০১২ সালে স্টুয়ার্টের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্ট করেছিলেন ট্রাম্প। তখন রবার্ট প্যাটিনসনের সঙ্গে স্টুয়ার্টের বিচ্ছেদ নিয়ে ট্রাম্প লিখেছিলেন যে, প্যাটিনসনের উচিত স্টুয়ার্টকে ত্যাগ করা।

পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে সেই স্মৃতি রোমন্থন করে স্টুয়ার্ট বলেছিলেন, তিনি কয়েক বছর আগে আমার ওপর বেশ ক্ষেপে ছিলেন, বলা যায় আমাকে নিয়ে আচ্ছন্ন ছিলেন, যা সত্যিই পাগলামি। আমি আজও বুঝতে পারি না একজন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কেন আমাকে নিয়ে এত মাথা ঘামাতেন।

সূত্র: ভ্যারাইটি




এবার সিনেমায় নিশো-মেহজাবীন জুটি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জুটি বেঁধে নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন অনেকবার। এবার সিনেমায় জুটি বাঁধতে চলেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।

নির্মাতা ভিকি জাহেদের সাসপেন্স-থ্রিলার সিনেমা ‌‘পুলসিরাত’-এ দেখা যাবে দুজনকে। জানা গেছে, ইতোমধ্যেই সিনেমাটির প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে ছবিটির অভিনয়শিল্পী, গল্প ও শুটিং-সংক্রান্ত বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে।

সম্প্রতি রেদওয়ান রনি পরিচালিত সিনেমা ‘দম’-এর শুটিং শেষ করেছেন আফরান নিশো। অন্যদিকে, মেহজাবীন চৌধুরী কাজ করছেন ‘ক্যাকটাস’ নামের একটি ওয়েব সিরিজে। এতে তার বিপরীতে সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা প্রীতম হাসান অভিনয় করছেন।




আলি জাফরের নতুন অ্যালবাম ‘রোশনি’ প্রকাশ

বিনোদন ডেস্কঃ পাকিস্তানের জনপ্রিয় গায়ক, গীতিকার ও অভিনেতা আলি জাফর তার চতুর্থ স্টুডিও অ্যালবাম ‘রোশনি’ মুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিশ্বব্যাপী অ্যালবামটি প্রকাশিত হবে।

‘রোশনি’কে একটি পূর্ণাঙ্গ শ্রবণ অভিজ্ঞতা হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছে। অ্যালবামটিতে আলো ও অন্ধকার, প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই, ভালোবাসা এবং অন্তর্দৃষ্টির জাগরণের মতো বিষয়গুলো আধুনিক সাউন্ড ও সৎ গল্প বলার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত স্পষ্টতা ও সত্যের পথে থাকার প্রত্যয়ই এই অ্যালবামের মূল বার্তা।

অ্যালবাম মুক্তির দিনই প্রকাশ পাবে প্রথম অফিসিয়াল মিউজিক ভিডিও ‘রুকসানা’। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে ধারণ করা ভিডিওটিতে আলি জাফরের নতুন সাউন্ডস্কেপ ও স্টাইল তুলে ধরা হবে। নানা ঘরানায় সাবলীলভাবে নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত।

‘রোশনি’ সব প্রধান ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে। অ্যালবাম প্রকাশের পর পর্যায়ক্রমে আরও ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট ও লাইভ এক্সটেনশন প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।

আলি জাফরের সংগীতযাত্রার এক নতুন ও শক্তিশালী অধ্যায়ের সূচনা করছে ‘রোশনি’। ‘হুক্কা পানি’ দিয়ে যাত্রা শুরু, ‘মাস্তি’তে বিস্তার এবং ‘ঝুম’-এ পরিপক্বতা অর্জনের পর এই অ্যালবামে এসে তিনি তুলে ধরেছেন আরও ব্যক্তিগত ও সমসাময়িক অনুভূতি।

তিনি একজন গায়ক, গীতিকার, প্রযোজক, অভিনেতা ও ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট। পাকিস্তানসহ আন্তর্জাতিক পরিসরে আধুনিক পপ সংস্কৃতি গঠনে তার অবদান উল্লেখযোগ্য। নিরন্তর নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলা এবং গভীর শিল্পীসত্তার মাধ্যমে তিনি মূলধারার আবেদন ও অর্থবহ প্রকাশের মেলবন্ধন ঘটিয়ে চলেছেন।




‘রঙ বাজার’-এর ফাস্ট লুক প্রকাশ, মুক্তি আসছে ঈদে

বিনোদন ডেস্কঃ মানবিক ও হৃদয়স্পর্শী গল্পে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘রঙ বাজার’–এর ফার্স্ট লুক পোস্টার প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘ তিন বছর আগে শুটিং শেষ হলেও অবশেষে মুক্তির প্রস্তুতি শুরু হয়েছে সিনেমাটির। আসন্ন ঈদুল ফিতরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।

এক রাতের মধ্যে একটি যৌনপল্লী উচ্ছেদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিনেমাটির গল্প আবর্তিত হয়েছে। বাস্তবতার ছোঁয়া দিতে চলচ্চিত্রের বড় একটি অংশের শুটিং করা হয়েছে দৌলতদিয়ায়। সামাজিক বাস্তবতা ও মানুষের জীবনের টানাপোড়েনকে তুলে ধরা হয়েছে এই সিনেমায়।

পরিচালক রাশিদ পলাশ তার ফেসবুক পেজে ফার্স্ট লুক পোস্টার শেয়ার করে সিনেমার মুক্তির আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতির ঘোষণা দেন। তিনি জানান, খুব শিগগিরই দর্শকদের জন্য সিনেমাটির টিজার প্রকাশ করা হবে।

‘রঙ বাজার’ সিনেমায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখেরা। নায়িকা হিসেবে রয়েছেন পিয়া জান্নাতুল। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন লুৎফর রহমান জর্জ, বড়দা মিঠু, শম্পা রেজা, নাজনীন চুমকি, তানজিকা আমিন ও মৌসুমী হামিদ।

সিনেমাটির মূল ভাবনা দিয়েছেন তামজিদ অতুল, চিত্রনাট্য লিখেছেন গোলাম রাব্বানী। প্রযোজনা করেছে লাইভ টেকনোলজিস। সবকিছু ঠিক থাকলে আসন্ন ঈদুল ফিতরেই দর্শকদের সামনে আসবে আলোচিত এই সিনেমা।




‘তাকদীর’–এর ৫ বছর: যেভাবে ওটিটিতে নতুন যুগের সূচনা হয়েছিল

বিনোদন ডেস্কঃ এক তরুণীর মুখ। আপাতদৃষ্টে ভাবলেশহীন। একটু পরই কথা বলতে শুরু করে সে। কোনো বাড়তি আবেগের প্রকাশ নেই, নেই কোনো আবহসংগীত। ক্যামেরা কাছে এলে স্পষ্ট হয়, অদ্ভুত অন্তর্ভেদী দৃষ্টি তার। শীতল চাহনির আড়ালে লুকিয়ে আছে কোনো দুঃসহ অতীত স্মৃতি। ধর্ষণের শিকার হয়েছে সে।

বাংলা কনটেন্টে ধর্ষণের শিকার তরুণীকে নানাভাবেই পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে দর্শকের সঙ্গে। তবে ‘তাকদীর’-এর এই সূচনা পর্ব অনেক অর্থেই দেশি দর্শকের কাছে ‘ভিনদেশ’। আবহ সংগীতের অতি ব্যবহারে বাড়তি নাটকীয়তা তৈরির চেষ্টা নেই, কথা বলার সময় কান্নাকাটি নেই। বাস্তবে যেমন হয় বলে ইনটিউশন আপনাকে বলে দেয়, তেমনই। ‘তাকদীর’-এর এই সূচনা দৃশ্যই আসলে বহুল চর্চিত সিরিজটির সুর বেঁধে দিয়েছে। এরপর পর্বগুলো এগিয়েছে সে পথ ধরেই। একই সঙ্গে সিরিজটি কি বাংলা কনটেন্টের গতিপথও ঠিক করে দেয়নি?

২০২০ সালে ‘তাকদীর’ দিয়ে নির্মাতা হিসেবে যাত্রা শুরু হয় সৈয়দ আহমেদ শাওকীর। আজ ১৮ ডিসেম্বর সিরিজটি মুক্তির পাঁচ বছর পূর্ণ হলো। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ে প্রচারিত সিরিজটি নির্মাণ করেছিল প্রযোজনা সংস্থা ফিল্ম সিন্ডিকেট।

কোনো এক বিকেলে

নির্মাতা শাওকী সাক্ষাৎকারে আগে বলেছিলেন ‘তাকদীর’ নির্মাণের গল্প। এক বিকেলে তাঁদের দেখা করার কথা হইচইয়ের তখনকার হেড অব কনটেন্ট অনিন্দ্য ব্যানার্জির সঙ্গে। শাওকীদের মাথায় কোনো গল্প নেই, মিটিংয়ে যাওয়ার সময় হাঁটতে হাঁটতে একটা প্লট ভেবে বলে দিলেন। অনিন্দ্য বললেন, ‘এটা কি এক্ষুনি আসতে আসতে বানালি?’ সেই সঙ্গে জুড়ে দিলেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেই প্রশ্নও, ‘এই গল্প যদি বাংলাদেশে না হয়ে টেক্সাসে হয়, তাহলে কি গল্পটা বদলে যাবে?’ না, বদলাবে না। এ উত্তর শুনে তিনি বললেন, এ রকম গল্প তাঁর চাই না। তাঁর চাই এমন গল্প, যা শুধু বাংলাদেশেই সম্ভব। এভাবেই এসেছিল ‘তাকদীর’-এর গল্পটা।

সম্পাদক অনীমের যাত্রা শুরু
সম্পাদক, নির্মাতা, প্রযোজক—এখন নানা ভূমিকায় সালেহ সোবহান অনীম পরিচিত হলেও অনেকেই হয়তো জানেন না, ‘তাকদীর’ দিয়েই শুরু হয় তাঁর সম্পাদনার যাত্রা। সালেহ সোবহান জানালেন, সম্পাদনা তিনি শিখেছেন বিপদে পড়ে। ‘তাকদীর’-এর শুটিংয়েই সব টাকা খরচ হয়ে গিয়েছিল। পোস্টপ্রোডাকশনের বাজেট আর ছিল না। তাই নিজে নিজেই সম্পাদনা শিখে নিতে হয়। পরে এ বিষয়ে আগ্রহও তৈরি হয় তাঁর। আশপাশের বন্ধুরাও বুঝতে পারেন, সম্পাদনায় তাঁর একটা দক্ষতা তৈরি হয়েছে। এভাবে আস্থাও গড়ে ওঠে।

করোনার সেই সময়ে

হইচইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্মৃতিচারণা করা হয়েছে ‘তাকদীর’-এর নির্মাণের গল্পের। সালটা ২০২০, সারা বিশ্বে করোনা। অদ্ভুত এক অস্থির সময়, যেখানে বিনোদনের সুযোগ খুব একটা নেই। আবার অন্যদিকে বাংলাদেশের ওটিটির উত্থান। আবার এই ওটিটি নিয়ে ভালো-মন্দ, শ্লীলতা-অশ্লীলতা নিয়ে চলছে তর্কবিতর্ক। ঠিক সেই সময় মুক্তি পায় ‘তাকদীর’।

ওয়েব কনটেন্টে সিরিজটিকে ‘এক মাইলফলক’ উল্লেখ করে সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘হইচইয়ে মুক্তির পর থেকে সিরিজটি দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বাংলাদেশের ক্রাইম-থ্রিলার ও স্লো-বার্ন ঘরানার ড্রামা হিসেবে আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছেও বেশ পরিচিতি পায় কনটেন্টটি। গল্প, নির্মাণশৈলী ও পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে ‘তাকদীর’ এখনো দর্শকপ্রিয়তার শীর্ষে। ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড, দুর্নীতি ও মানবিক সিদ্ধান্তের জটিলতা, মার্ডার মিস্ট্রি—এই সবকিছুকেই দক্ষভাবে ফুটিয়ে তোলা হয় সিরিজটিতে।’

সিরিজে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, সোহেল মণ্ডল, সানজিদা প্রীতি, পার্থ বড়ুয়া, মনোজ কুমার প্রামাণিক, ইন্তেখাব দিনার, সমু চৌধুরীসহ অনেকে।কী বলছেন নির্মাতা
‘তাকদীর’-এর চিত্রনাট্য যখন তৈরি হচ্ছিল, গল্পটা ছিল বেশ আনকনভেনশনাল (অপ্রচলিত) এবং ডার্ক ঘরানার। কিন্তু মুক্তির পর দেখা গেল, এটা সাধারণ দর্শকের আবেগকেও ছুঁয়ে গেছে। মানবিক গল্পে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াটা কেমন ছিল? কী বলছেন নির্মাতা
‘তাকদীর’-এর চিত্রনাট্য যখন তৈরি হচ্ছিল, গল্পটা ছিল বেশ আনকনভেনশনাল (অপ্রচলিত) এবং ডার্ক ঘরানার। কিন্তু মুক্তির পর দেখা গেল, এটা সাধারণ দর্শকের আবেগকেও ছুঁয়ে গেছে। মানবিক গল্পে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াটা কেমন ছিল?




সৌদি মঞ্চে চমক: গান গাইতে এসে হিজাবে মার্কিন র‍্যাপার

বিনোদন ডেস্কঃ সম্প্রতি সৌদি ট্যুর করেছেন গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডজয়ী মার্কিন র‌্যাপার কার্ডি বি। সফরে তিনি দেশটির ঐতিহ্যবাহী পোশাক হিজাব পরেছেন। পাশাপাশি সৌদি ও সে দেশের মানুষদের নিয়ে প্রশংসার ফুলঝুরি ফুটিয়েছেন তার কথায়।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানায়।

কার্ডি বি ওই দিন তার ইনস্টাগ্রামে নিজের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। সেটির ক্যাপশনে লেখেন, হ্যালো সৌদি আরব। হালাল বি এসেছে। পাশে সৌদির পতাকার রঙের একটি লাভ ইমোজিও জুড়ে দেন তিনি।

ভিডিওতে দেখা গেছে, কার্ডি বি একটি সম্পূর্ণ কালো, মেঝে-ছোঁয়া পোশাক পরেছিলেন, যার সঙ্গে ছিল উঁচু হল্টার নেকলাইন, লম্বা কালো গ্লাভস এবং তার কাঁধের ওপর একটি ম্যাচিং হুড। পরে রিয়াদের সোলিতায়ার মলে একই পোশাক পরে তাকে দেখতে পান ভক্তরা।

সৌদিতে আসার পরের দিন ইনস্টাগ্রামে আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে তিনি জানান, তাকে স্বাগত জানিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ ডেজার্ট পরিবেশন করেছে।

গত শুক্রবার এক লাইভে তিনি সৌদিতে অবস্থান নিয়ে লেখেন, এই দেশটি জাঁকজমকপূর্ণ। আমি আমার হোটেল রুমের ভেতরই জিম পেয়েছি। সৌদি ট্যুরের জন্য প্রস্তুতি নিতে আমি এখানে ব্যায়াম করব।

এ ছাড়া শপিং মলে গিয়ে কিছু কেনাকাটা করেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সৌদি আরবে তাকে সবাই চেনে দাবি করে এ সংগীতশিল্পী বলেন, এখানকার ছোট বাচ্চারা আমাকে চেনে। সবাই আমাকে চেনে, বড়রা চেনে। এখানকার মানুষ বেশ শালীন ও ভদ্র। বিশ্বের ভালো মানুষদের মধ্যে তারা অন্যতম।

গত ১১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরবের বিভিন্ন জায়গায় গান পরিবশেন করেন এ র‌্যাপার।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৬১তম বার্ষিক গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে ‘ইনভেশন অব প্রাইভেসি’ অ্যালবামের জন্য ‘বেস্ট র‌্যাপ অ্যালবাম’-এর পুরস্কার জেতেন কার্ডি বি।