আমার ছবি তোলাতেই কি মেসি মিস?”—মজার প্রশ্ন শুভশ্রীর

বিনোদন ডেস্কঃ সম্প্রতি আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসিকে নিয়ে কলকাতায় তুলকালাম কাণ্ড ঘটে গেছে। এদিন ‘খুদে জাদুকর’কে একনজর দেখতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছেন অনুরাগীরা। এর মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেসির সঙ্গে অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলির ছবি পোস্ট যেন আগুনে ঘি ঢেলে দেয়! মন্তব্যের ঘরে ক্ষোভ উগরে দেন নেটিজেনদের একাংশ।

এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সমস্ত বিতর্কের জবাব দিলেন শুভশ্রী। পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, G.O.A.T ইভেন্টে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বিনোদন জগতের প্রতিনিধি হিসেবে আমি এবং কৌশিক গাঙ্গুলি সেখানে আমন্ত্রিত ছিলাম।

তার কথায়, আমন্ত্রণ পেয়েই আমরা মেসির হোটেলে যাই। নির্ধারিত সময়ে আমরা মেসির সঙ্গে দেখা করি এবং ছবিও তুলি। সেখান থেকে বেরিয়ে আসার সময় ওদের পিআর টিমের পক্ষ থেকে আমাকে যুবভারতীতে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। বলা হয়, আমি গেলে ওদের সুবিধা হবে। মাঠে আমাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট তাঁবুর ব্যবস্থা ছিল, আমরা সেখানেই অপেক্ষা করছিলাম।

তিনি আরও বলেন, যে সময়ে ছবিগুলো পোস্ট করা হয়েছে, নেটওয়ার্কের সমস্যার জন্য সেই মুহূর্তে তা পোস্ট হয়নি। কারণ, ক্রীড়াঙ্গনে জ্যামার লাগানো ছিল। মেসি ক্রীড়াঙ্গনে ঢোকেন সাড়ে ১১টা নাগাদ। তাকে নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়েছিল, সেটা আমি নিজের চোখে দেখেছি।

সমালোচনার বিষয়ে নায়িকা বলেন, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে আমার ছবিগুলো কিছুটা দেরিতে পোস্ট হয়। আর সেটাই দুরন্ত গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই আমাকে নিয়ে ট্রোলিং শুরু হয়। আমাকে প্রোপাগান্ডা এবং অবজেক্ট বানিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে। কেউ কি বলতে পারবেন যে, আমার ছবি তোলার জন্যই আপনারা মেসিকে দেখতে পাননি? আমি কি মাঠের কোথাও ছিলাম?

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন শুভশ্রীর স্বামী পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। তার অভিযোগ, এসব মন্তব্যের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও থাকতে পারে।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার নির্ধারিত সময়েই যুবভারতী স্টেডিয়ামে পৌঁছান মেসি। কিন্তু আয়োজকসহ অন্যান্যদের ভিড়ে এবং ছবি তোলার মাঝে ঢাকা পড়ে যান মেসি। হাসিমুখে গ্যালারির উদ্দেশে হাত নাড়লেও সেটা দেখতে পাননি দর্শক। কারণ কিংবদন্তি ফুটবলারকে ঘিরে রেখেছিলেন অন্তত ৫০ জন। যার জেরে কেউ মাঠে বোতল ছুড়ে, কেউ বা চেয়ার-ব্যারিকেড ভেঙে, পোস্টার পুড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করা শুরু করেন।




পুত্রদের সঙ্গে মেসি-দর্শনে কারিনা

বিনোদন ডেস্কঃ ফুটবল আইকন লিওনেল মেসির ভারত সফর ঘিরে উত্তেজনার পারদ চড়েছে। বহু প্রতীক্ষিত গোট ট্যুর’-এর অংশ হিসেবে আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তি মুম্বাইতে অবস্থান করছেন। আর সেখানেই তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেয়ে আপ্লুত হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান এবং তাঁর দুই ছেলে, তৈমুর আলি খান ও জেহ (জাহাঙ্গীর আলি খান)।

ফুটবলপ্রেমী তৈমুর ও জেহ-র জন্য এই দিনটি ছিল বিশেষভাবে স্মরণীয়। মেসি-ভক্ত এই দুই ছেলেকে নিয়ে কারিনা মুম্বাইতে আয়োজিত ইভেন্টে উপস্থিত হয়েছিলেন। ইভেন্টে তোলা ছবিতে দেখা যায়, তৈমুর ও জেহ দুজনেই ফুটবল জার্সি পরে আছে। তৈমুরের জার্সিতে লেখা মেসির নাম, আর ছোট্ট জেহ পরেছিল আর্জেন্টিনা দলের জার্সি।

মুম্বাইতে মেসির এই সফরসূচি বেশ ব্যস্ত। ক্রিকেট ক্লাব অফ ইন্ডিয়াতে ‘প্যাডেল জিওএটি কাপ’-এ অংশ নেওয়ার পর তিনি মুম্বাইয়ের ঐতিহ্যবাহী ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভক্তদের সামনে উপস্থিত হন। এই ইভেন্টগুলির আগেই কারিনা তার সন্তানদের নিয়ে মেসির সঙ্গে দেখা করেন এবং ছবি তোলেন।

কলকাতা এবং হায়দ্রাবাদের পর মুম্বাই হয়ে মেসির ট্যুরের চূড়ান্ত গন্তব্য ভারতের রাজধানী দিল্লি। সেখানেই সোমবার তিনি ভারত সফরের ইতি টানবেন।




ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর গল্প শোনালেন বাঁধন

বিনোদন ডেস্কঃ ক্যামেরার সামনে নিখুঁত দেখানোর চাপ, চরিত্রের চাহিদা এবং ব্যক্তিগত লড়াই মিলিয়ে ওজন নিয়ে সংগ্রাম তারকাদের জীবনে নতুন নয়। তবে সেই সংগ্রাম যখন সাহস, আত্মবিশ্বাস এবং সুস্থতার গল্প হয়ে ওঠে, তখন তা অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়। ঠিক এমনই এক পরিবর্তনের গল্প শোনালেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।

মাত্র ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমিয়ে নিজের নতুন রূপ তুলে ধরেছেন তিনি। রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাশাপাশি কয়েকটি ছবি শেয়ার করে বাঁধন নিজের এই দীর্ঘ শারীরিক ও মানসিক যাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধদেস্ক

এক পোস্টে বাঁধন লেখেন, ৭৮ কেজি থেকে ৬০ কেজি, আমি পেরেছি। তবে এই পথচলা সহজ ছিল না বলেও স্বীকার করেন তিনি। অভিনেত্রী জানান, মানসিক স্বাস্থ্যজনিত লড়াই, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং বংশগত কারণেই তার ওজন বেড়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিন বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

বাঁধনের ভাষায়, সঠিক চিকিৎসকের পরামর্শ, নিয়মিত অনুশীলন এবং নিজের ওপর বিশ্বাস এই তিনটি বিষয়ই তাকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে। ছয় মাসের কঠোর শৃঙ্খলাই এনে দিয়েছে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন।

এই যাত্রায় তার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন তার মেয়ে। বাঁধন জানান, মেয়েই তাকে নিয়মিত ব্যায়াম করতে উৎসাহ দিয়েছে, জাঙ্ক ফুড থেকে দূরে থাকতে বলেছে এবং প্রতিদিন নিজেকে বিশ্বাস করার শক্তি জুগিয়েছে।

বাঁধনের মতে, এটি শুধু ওজন কমানোর গল্প নয়। এটি আত্মসম্মান ফিরে পাওয়ার, ভেতরের ক্ষত সারিয়ে ওঠার এবং নিজের শক্তিকে নতুন করে আবিষ্কার করার গল্প। তিনি বলেন, এই পথচলা এখনো শেষ হয়নি, তিনি এগিয়ে চলেছেন।

কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন অভিনেত্রী। নির্মাতা তানিম নূরের নতুন সিনেমা বনলতা এক্সপ্রেসে অভিনয় করছেন তিনি। হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস কিছুক্ষণ অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমাটি বাঁধনের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

অভিনেত্রী জানান, সিনেমার নির্মাতা ও সহশিল্পীদের সঙ্গে কাজ করাটা তার জন্য আনন্দের অভিজ্ঞতা। তানিম নূর যখন চরিত্রটির কথা বলেন, তখন তার মেয়ে তাকেই অভিনয়ে রাজি হতে উৎসাহ দেয়। বাঁধনের কথায়, দীর্ঘদিন ধরে সিরিয়াস ও বিষণ্ন চরিত্রে দেখা যাওয়ার পর এই কাজটি তার জন্য ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা হবে।




রম্যার বদলে ঐশ্বরিয়া রাইকে নেওয়ার ইচ্ছা ছিল রজনীকান্তের

বিনোদন ডেস্কঃ দক্ষিণী সিনেমার ইতিহাসের অন্যতম আইকনিক খলনায়িকা ‘নীলাম্বরি’। ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পডিয়াপ্পা’ সিনেমায় এই চরিত্রে রম্যা কৃষ্ণানের দাপুটে অভিনয় আজও দর্শকের মনে জায়গা করে আছে।

তবে ২৬ বছর পর সিনেমাটি পুনরায় মুক্তির ঠিক আগ মুহূর্তে এক বিস্ফোরক তথ্য জানালেন সুপারস্টার রজনীকান্ত। তিনি জানান, এই কালজয়ী চরিত্রের জন্য নির্মাতাদের প্রথম পছন্দ রম্যা ছিলেন না। বরং তারা চেয়েছিলেন বলিউড সুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে!

আগামীকাল ১২ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে পুনরায় মুক্তি পাচ্ছে কে. এস. রবিকুমার নির্মিত ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘পডিয়াপ্পা’। এ উপলক্ষে ‘দ্য রিটার্ন অব পডিয়াপ্পা’ শিরোনামে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন রজনীকান্ত। সেখানেই তিনি এই গোপন তথ্যটি সামনে আনেন।

রজনীকান্ত জানান, নীলাম্বরি’ চরিত্রটি যখন কল্পনা করা হয়েছিল, তখন তার মনে কেবল ঐশ্বরিয়া রাইয়ের ছবিই ভেসে উঠেছিল। কারণ চরিত্রটি ছিল তামিল সিনেমার অন্যতম শক্তিশালী নারী চরিত্র। তিনি বলেন, চরিত্রটিতে কাস্ট করার জন্য আমাদের টিম তিন মাস চেষ্টা করেছিল। এমনকি, ঐশ্বরিয়ার আত্মীয়স্বজনদের মাধ্যমেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি রাজি হলে দুই থেকে তিন বছর অপেক্ষা করতেও আমার অসুবিধা ছিল না, কারণ চরিত্রটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

রজনীকান্ত পরিচালককে বলেছিলেন, ‘নীলাম্বরি’ চরিত্রে এমন কাউকে নিতে হবে যার চোখে শক্তি আছে এবং যার উপস্থিতি দাপুটে। উপযুক্ত অভিনেত্রী না পাওয়া গেলে প্রজেক্টটি স্থগিত রাখার কথাও ভাবা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত পরিচালকের প্রস্তাবে রম্যা কৃষ্ণানকে নেওয়া হয় এবং বাকিটা ইতিহাস।

আসছে কি ‘পডিয়াপ্পা ২’? পুরনো স্মৃতিচারণের পাশাপাশি ভক্তদের জন্য নতুন আশার আলোও দেখিয়েছেন রজনীকান্ত। ভিডিও বার্তায় তিনি কালজয়ী সিনেমাটির সিক্যুয়েল নির্মাণের প্রস্তাব দেন। তিনি নামও প্রস্তাব করেন—‘নীলাম্বরি: পডিয়াপ্পা টু’। তবে নির্মাতারা এ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি।




‘ধুরন্ধর’–এ মুগ্ধ হৃতিক, তবে ছবির রাজনীতি নিয়ে স্পষ্ট আপত্তি

বিনোদন ডেস্কঃ বলিউড বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে ‘ধুরন্ধর’। ছবিটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত সাধারণ দর্শক থেকে তারকারাও। এবার ‘ধুরন্ধর’কে প্রশংসায় ভাসালেন হৃতিক রোশন। এরসঙ্গে নিজের দ্বিমতের জায়গাও তুলে ধরলেন অভিনেতা।

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ‘ধুরন্ধর’ দেখার অভিজ্ঞতা ভাগ করে হৃতিক লেখেন, আমি সিনেমাকে ভালোবাসি। সেই সব মানুষকে ভালোবাসি, যারা শিখরে পৌঁছেও কাহিনির কাছে নিজেকে সঁপে দেন, যা বলতে চাইছেন, তা পর্দায় ফুটে না ওঠা পর্যন্ত সেই কাহিনিই তাদের চালনা করে। ‘ধুরন্ধর’ তেমনই এক উদাহরণ। গল্প বলার ধরন দারুণ।

ছবিতে যে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হয়েছে তার সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করে অভিনেতা আরও লেখেন, আমি হয়তো (ছবির) রাজনীতির ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করি। বৈশ্বিক নাগরিক হওয়ার দরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আমাদের কী দায়িত্ব পালন করা উচিত, তা নিয়ে তর্কবিতর্কেও যেতে পারি আমি। কিন্তু সিনেমার শিক্ষার্থীর হিসেবে যা শিখলাম, তা এড়িয়ে যেতে পারি না। অসাধারণ!

‘ধুরন্ধর’ ছবির প্রেক্ষাপট হিসেবে রাখা হয়েছে, ২৬/১১ মুম্বাই হামলা এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সে সময়ের সরকারকে। ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের অনুগামী হিসেবে পরিচিত আদিত্য ধরের এই ছবিও ‘প্রোপাগান্ডা’ বলে দাবি উঠতে শুরু করেছে। সেই আবহেই হৃতিকের এই পোস্ট বিতর্ক আরও উসকে দিল বলে মনে করছেন অনেকে।

আদিত্য ধর এর আগে ‘উরি’, ‘আর্টিকেল ৩৭০’র মতো ছবি বানিয়েছেন। নিজের ছবিতে উগ্র জাতীয়তাবাদ তুলে ধরেন তিনি, এমন সমালোচনাও শোনা গিয়েছে। তবে বিতর্ক সত্ত্বেও বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে ‘ধুরন্ধর’। প্রথম সপ্তাহেই ১০০ কোটি রুপির ব্যবসা করে ছবিটি।




ছবি পোস্ট করতেই বিতর্ক ফের ঘনীভূত, চর্চায় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী

বিনোদন ডেস্কঃ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই সমালোচনায় খোরাক হন জনপ্রিয় টলিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। এবার আরও একবার কটাক্ষের শিকার হলেন নায়িকা। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে বাথটাবে লাস্যময়ী ভঙ্গিমার একটি ছবি পোস্ট করে ফের নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েছেন তিনি।

শ্রাবন্তী তার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে ছবিটি শেয়ার করেছেন, যেখানে তাকে দেখা যাচ্ছে সাবানের ফেনাভর্তি বাথটাবে। ছবিতে সোনালি রঙের বিকিনিতে আবৃত নায়িকার মুখে লেগে রয়েছে চেনা হাসি। চোখে আবেশের রেশ, যা তার অনুরাগী মহলে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে। ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে শ্রাবন্তী লিখেছেন, নিজেকে সিক্ত করতে থাকুন।

ছবিটি প্রকাশ্যে আসতেই নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অসংখ্য অনুরাগী ভালোবাসা প্রকাশ করে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন, অসাধারণ দুটি চোখের চাহনি। আরেকজন মন্তব্য করেন, ওয়াও, দারুণ! তবে প্রশংসার পাশাপাশি তীব্র কটাক্ষের শিকারও হয়েছেন অভিনেত্রী।

খোঁচা মেরে একজনের মন্তব্য, বুড়ি হয়ে আর কত রং দেখাবে। ঠাট্টার সুরে আরেকজন প্রশ্ন তুলেছেন, ঠান্ডায় কত স্নান করো তা দেখাতে চাইছো? অন্যদিকে, অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনেকে সহানুভূতি জানালেও, কেউ কেউ তির্যক মন্তব্য করতে ছাড়েননি।

যদিও এসব বিষয় নিয়ে তেমন একটা মাথা ঘামান না শ্রাবন্তী। বরং ব্যক্তিজীবনের সমালোচনা এড়িয়ে পেশাগত জীবনে বেশ সফলই বলা চলে তাকে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের দুর্গাপূজায় মুক্তি পেয়েছে শ্রাবন্তী অভিনীত আলোচিত ছবি ‘দেবী চৌধুরানী’। ছবিটিতে তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, দর্শনা বণিক, অর্জুন চক্রবর্তী, কিঞ্জল নন্দা ও সব্যসাচী চক্রবর্তী প্রমুখ।




‘দ্য তাজ স্টোরি’ কি রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা? তাজমহলকে ঘিরে নতুন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব

বিনোদন ডেস্কঃ মুঘল সম্রাট শাহজাহান ও মমতাজের প্রেমের স্মৃতি তাজমহলকে ঘিরে হঠাৎ নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বলিউড পরিচালক তুষার গোয়েল নির্মিত দ্য তাজ স্টোরি সিনেমাটিই সেই বিতর্কের সূত্রপাত ঘটিয়েছে। সিনেমাটিতে বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত প্রেমের স্মৃতিস্তম্ভের সরকারিভাবে স্বীকৃত ইতিহাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে।

একটি দৃশ্যে দেখানো হয়েছে, তাজমহল আসলে মুসলিম সমাধি নয়, বরং একটি হিন্দু প্রাসাদ যা পরে মুঘল শাসকেরা দখল করে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করেছিলেন। যদিও এই দাবির কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই এবং অতীতেও ইতিহাসবিদরা এমন তত্ত্বকে একাধিকবার খণ্ডন করেছেন।

সিনেমায় তাজমহলের ট্যুর গাইড চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিশু দাস অর্থাৎ পরেশ রাওয়াল। সিনেমাটিতে তার মুখ দিয়ে বলা হয়েছে, এতদিন যেকোনো পর্যটককে তাজমহলের যে গল্প শোনানো হয়েছে, তা নাকি মিথ্যে হতে পারে এবং তাজমহলের ডিএনএ পরীক্ষা করা উচিত। দৃশ্যটি শেষ হয় এই সিদ্ধান্তে যে তারা ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছেন। বলিউডে এর আগে দ্য কাশ্মির ফাইলস এবং দ্য কেরালা স্টোরি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল এবং কয়েকটি রাজ্যে সিনেমা দুটো নিষিদ্ধও করা হয়।

সমালোচকদের অভিযোগ, দ্য তাজ স্টোরি সিনেমার উদ্দেশ্য ভারতের প্রায় ২০ কোটি মুসলিমকে হেয় করা এবং মুসলিমদের ইতিহাসকে বিকৃত করে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের আধিপত্যপূর্ণ অতীত রচনার প্রচেষ্টা। তাদের দাবি, এসব চলচ্চিত্র ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির মতাদর্শের সঙ্গে মিলে যায়।

এই দলটির বিরুদ্ধে ইসলামোফোবিয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। পরেশ রাওয়াল নিজেও বিজেপির সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন। যদিও পরিচালক তুষার গোয়েল দাবি করেছেন, সিনেমাটি কোনো রাজনৈতিক অর্থায়নে নির্মিত হয়নি।

ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের বহু গবেষণা বলছে, সিনেমাটির কাহিনি ইতিহাসসম্মত নয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সিনেমাটিকে ষড়যন্ত্রতত্ত্বের কোলাজ বলে মন্তব্য করেছে। অন্যদিকে দ্য উইক লিখেছে, এটি না ভালো সিনেমা, না ঠিকঠাক প্রোপাগান্ডা। সিনেমাটি শুরু হয় দুই মিনিটের ডিসক্লেইমার দিয়ে যেখানে স্পষ্ট করা হয়েছে গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। যদিও পোস্টারে তাজমহলের ভেতর থেকে শিবের ছবি উঠে আসতে দেখা যায়, যা আরও বিতর্ক তৈরি করেছে।

১৩ লাখ ডলার বাজেটে নির্মিত সিনেমাটি বক্স অফিসে খুব বেশি সাড়া ফেলতে পারেনি এবং প্রায় ২০ লাখ ডলার আয় করেছে। তবে বিজেপির কিছু নেতার কাছ থেকে সিনেমাটি সমর্থন পেয়েছে। তারা বলছেন সত্য আর চাপা রাখা যাবে না। দর্শকদের একাংশও দাবি করেছেন তাদের এতদিন ভুল ইতিহাস শেখানো হয়েছে।

তাজমহলকে কেন্দ্র করে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। ২০১৭ সালে উত্তর প্রদেশ রাজ্য সরকারের একটি পর্যটন বুকলেটে তাজমহলকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে বিজেপির এক রাজনীতিবিদ আদালতে আবেদন করেন তাজমহলের ভেতরের সিল করা ২২টি কক্ষ খুলে দেখতে। তিনি দাবি করেন সেখানে হিন্দু মন্দিরের প্রমাণ পাওয়া যেতে পারে। এই দাবি ছিল পিএন ওকের প্রচারিত ১৯৮০ দশকের তেজো মহালয়া তত্ত্বের পুনরাবৃত্তি, যার কোনো প্রমাণ নেই এবং যা প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ বহু বছরের গবেষণায় খণ্ডন করেছে।

সমালোচকদের মতে বলিউডে সাম্প্রতিক সময়ে ডানপন্থী রাজনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট। তারা মনে করেন দ্য কাশ্মির ফাইলস ও দ্য কেরালা স্টোরির মতো সিনেমায় মুসলিমদের ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং ইতিহাস বিকৃত করে উত্তেজনা ছড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে ডানপন্থী গোষ্ঠীরা হিন্দু ধর্মকে অশ্রদ্ধা করা হয়েছে দাবি তুলে অন্নপূরাণী ও পদ্মাবতসহ একাধিক সিনেমার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে।

ইতিহাসবিদরা বলছেন, ভারতের বহুত্ববাদী অতীতকে দুর্বল করার বড় প্রচারণার অংশ এই ধরনের সিনেমা। তাদের মতে অনেক মানুষের ইতিহাস জ্ঞান আসে সিনেমা দেখে, যেখানে কল্পকাহিনিকেই তারা সত্য মনে করে নেয়।

অথচ যমুনা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা সাদা মার্বেলের তাজমহল এখনো একই আছে, কিন্তু এর সাথে জুড়ে থাকা ইতিহাস ক্রমেই রাজনৈতিক তর্কে জড়িয়ে পড়ছে। সমালোচকদের মতে দ্য তাজ স্টোরি সেই বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে।




বছরের শেষ বাজিমাত করতে আসছে ‘অ্যাভাটার ৩’

বিনোদন ডেস্কঃ ১৬ বছর পর ফের দর্শকদের মুগ্ধ করতে চলতি মাসে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘অ্যাভাটার’ সিরিজের তৃতীয় সিনেমা। এবারও সিরিজটিতে থাকছে পরিবেশ ও প্রকৃতিকে কেন্দ্র করে ভিজ্যুয়ালের চমক। আশা করা হচ্ছে, ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ আয় করা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির মধ্যে একটির সাফল্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করবে। এ

জেমস ক্যামেরনের পরিচালিত ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ সিনেমাটি আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পাবে। ২০০৯ সালে সিরিজের প্রথম সিনেমা ‘অ্যাভাটার’ বিশ্বব্যাপী ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার আয় করে।

২০২২ সালে মুক্তি পায় সিরিজের দ্বিতীয় সিনেমা ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’। দ্য হলিউড রিপোর্টার-এর তথ্যমতে, এটি করোনা পরবর্তী সময়েও প্রায় ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার আয় করে। চলতি সপ্তাহে নতুন সিনেমার প্রিমিয়ার শো হয়েছে হলিউড ও প্যারিসে।

এবারের সিরিজে দর্শকরা দেখতে পাবেন নায়ক জ্যাক (স্যাম ওয়ার্থিংটন) এখন ‘টোরুক ম্যাকটো’, প্যান্ডোরার কিংবদন্তি যোদ্ধা। তার স্ত্রী নেটিরি (জো সালদানা)। তারা তাদের বড় ছেলে নেটেয়ামের মৃত্যুর শোক সামলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

তারা তাদের তিন সন্তান নিয়ে নতুন করে জীবন গড়ার চেষ্টা করছেন। যাদের মধ্যে রয়েছে কিরি, একজন দত্তক নেওয়া নাভি কিশোরী, যার চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিগার্নি উইভার এবং আরেকজন মানব স্পাইডার (জ্যাক চ্যাম্পিয়ন), যাকে নেটিরি ছাড়া সবাই পরিবারের অংশ হিসেবে গণ্য করে।

ক্যামেরন গত শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) প্যারিসে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দর্শকরা দেখবেন, সন্তানরা বড় হয়ে নিজেদের পরিচয় খুঁজছে। কারণ তাদের মা পুরোপুরি নাভি প্রজাতির। আর বাবা অন্য গ্রহ থেকে আসা। এই সংকর জীবন তাদের হাসি-আনন্দের সঙ্গে এক ঝাঁক চ্যালেঞ্জও নিয়ে আসে।

৭১ বছর বয়সী কানাডিয়ান পরিচালক আরও বলেন, আমরা মূলত শরণার্থী বা বাস্তুচ্যুত অভিবাসীদের পারিবারিক অবস্থাকে দেখানোর চেষ্টা করেছি। মানুষ এটি দেখে সহজেই বাস্তবতার সংযোগ স্থাপন করতে পারবে।

ভ্রমণের পথে নায়করা মুখোমুখি হন মাংকওয়ান বা অ্যাশ পিপল-এর সঙ্গে। এটি একটি নাভি সম্প্রদায়, যার এলাকা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন তারা জীবনধারণের জন্য লুটপাট করে।

মাংকওয়ানদের নেতৃত্ব দেন ভ্যারাং। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিশ্বখ্যাত কৌতুক অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিনের নাতনি উনা চ্যাপলিন। তিনি নাভির অন্ধকার দিক দেখান, যা আগে শুধুই কল্যাণময় ও প্রকৃতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেবে চিত্রিত হয়েছিল। এর বিপরীতে মানুষ লুটপাটে আসক্ত এবং প্রকৃতির সম্পদ শোষণ করতে চাইছে।

তিনি নাভি সম্প্রদায়ের অন্ধকার দিক দেখান। আগে তারা শুধুই শান্তিপ্রিয় ও প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করত। এবার তাদের আরও জটিল ও ভিন্ন দিক দেখা যাবে। মানুষের লুটপাটের লোভ আবারও প্রকৃতির সঙ্গে সংঘর্ষের গল্পে নতুন মোড় নিয়ে আসবে।

প্যান্ডোরার বাসিন্দাদের ফের লড়তে হবে ‘স্কাই পিপল’ বা রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মানুষদের বিরুদ্ধে। তারা তুলকুন নামের সামুদ্রিক প্রাণী শিকার করতে চাইছে। লক্ষ্য তাদের মস্তিষ্ক থেকে ‘অ্যামরিটা’ সংগ্রহ।

তুলকুন হল প্যান্ডোরা গ্রহের বিশাল ও বুদ্ধিমান সামুদ্রিক প্রাণী, যাদের মস্তিষ্ক থেকে ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণে মূল্যবান পদার্থ পাওয়া যায়। মূল ‘অ্যাভাটার’ গল্প ১৯৯৫ সালে ক্যামেরন নিজেই লিখেছিলেন। পরিচালকের মতে, সেটিতে পরিবেশ বিষয়ক বার্তা অনেক বেশি স্পষ্ট ছিল।




মঞ্চে ঝড় তুলে আলোচনায় নেহা

বিনোদন ডেস্কঃ সম্প্রতি একটি কনসার্টে মঞ্চ মাতান ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নেহা কক্কর। আর এতে গায়িকার একটি কাণ্ড ঘিরে অন্তর্জালে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ এটিকে ‘সাহসী’ বললেও কেউ আবার ‘সস্তা জনপ্রিয়তা’ পাওয়ার চেষ্টা অ্যাখ্যা দিয়ে সমালোচনায় মেতেছেন।

সেই কনসার্টের ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, লেপার্ড-প্রিন্টের একটি আঁটসাঁট পোশাকে মঞ্চে গান গাইছেন নেহা। পরিবেশনার একপর্যায়ে তিনি একটি পানির বোতল তুলে নেন এবং নিজের শরীরের উপরিভাগে ঢেলে দেন।

এই দৃশ্যটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। নেহার এই বিশেষ কোরিওগ্রাফি ঘিরেই মূলত বিতর্কের সূত্রপাত। টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে ইতোমধ্যে ভিডিওটি ১ কোটির বেশি মানুষ দেখেছেন।

নেহার এমন কাণ্ডে নেটিজেনদের একাংশ গায়িকাকে রীতিমতো ধুয়ে দিচ্ছেন। তাদের মতে, একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে গানের চেয়ে শরীরী প্রদর্শনীতেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। একজন লিখেছেন, সুরের রানি থেকে এমন পর্যায়ে নেমে আসা দুঃখজনক। আরেকজনের মন্তব্য, ভাইরাল হওয়ার নেশায় নিজের ব্যক্তিত্ব নষ্ট করছেন নেহা।

তবে নেহার ভক্তরা বরাবরের মতোই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের মতে, এটি কেবলই মঞ্চের উন্মাদনা এবং আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশনার অংশ।

এবারই প্রথম নয়, এর আগে মঞ্চে বেলি ড্যান্স করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন নেহা। তবে সমালোচনা খুব একটা পাতে নেন না নেহা।




আমাকে একা ফেলে গেলে”—হেমার হৃদয়ভাঙা আক্ষেপ

বিনোদন ডেস্কঃ বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র বেঁচে থাকলে আজ ৮ ডিসেম্বর পা দিতেন ৯০ বছরে। কিন্তু দিনটি উৎসবের নয়—শোকের। প্রায় দুই সপ্তাহ হলো বলিউডের ‘হি-ম্যান’ ভক্তদের, পরিবারকে ও ভালোবাসার মানুষদের ছেড়ে চিরবিদায় নিয়েছেন। স্বামীর প্রয়াণের ঠিক পরেই জন্মদিন—এই শূন্যতা আরও গভীরভাবে অনুভব করছেন অভিনেত্রী হেমা মালিনী।

দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য নারীর স্বপ্নপুরুষ ছিলেন ধর্মেন্দ্র। সেই মানুষটিই জীবনের এক পর্যায়ে প্রেমে পড়েছিলেন ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনীর। প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরকে তালাক না দিয়ে, ধর্ম পরিবর্তন করেই হেমাকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের সম্পর্ক সবসময় ছিল ভালোবাসা, টানাপোড়েন ও জটিল আবেগের এক সূক্ষ্ম মিশ্রণ।

স্বামীর প্রয়াণ এবং প্রথম জন্মদিন দুইয়ে মিলে আজ স্বভাবতই মন খারাপ হেমা মালিনীর। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে এক আবেগঘন পোস্ট লেখেন। হেমা লেখেন, ‘তুমি নেই তাও সপ্তাহখানেক হলো। আমাকে একা ছেড়ে চলে গেলে। নিজের ভাঙা হৃদয়ের টুকরোগুলো জোড়ার চেষ্টা করছি।’

তার কথায়, ‘আমি জানি তোমার আত্মা সারাজীবন আমার সঙ্গে থাকবে। তুমি আমাকে সুন্দর দুই সন্তান দিয়েছ। তেমনই সুন্দর সময় কাটিয়েছি আমরা। তোমার দেওয়া সুখ-স্মৃতিকে সঙ্গে নিয়েই কাটিয়ে দেব বাকি জীবন। শুভ জন্মদিন আমার ভালবাসা।’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রথম সংসারের দুই তারকা-পুত্র সানি দেওল ও ববি দেওলও পোস্ট দিয়েছে। বিশেষ করে সানি দেওল বাবাকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন। অন্যদিকে, দুই কন্যা ঈশা দেওল এবং অহনা দেওলও তাদের পিতাকে প্রতিটা দিন মিস করার কথা জানিয়েছেন।