আদালতে এসে জামিন পেলেন তানজিন তিশা

বিনোদন ডেস্ক : প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। অনলাইন ফ্যাশন পেজ থেকে শাড়ি নেওয়ার পর মূল্য পরিশোধ এবং প্রচারের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে মামলাটির শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে আদালত তানজিন তিশার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে গত ১২ জুলাই একই আদালত তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। তাকে ১৩ আগস্ট আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নেন তানজিন তিশা। শাড়িটির প্রচারণা করা এবং মূল্য পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন বাদীপক্ষ।

এ ঘটনায় প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

তবে অভিযোগ ওঠার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তানজিন তিশা দাবি করেন, শাড়িটি তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। তাই এর মূল্য পরিশোধের প্রশ্নই ওঠে না বলে জানান তিনি।

বাদীপক্ষের ভাষ্য, এ বিষয়ে তানজিন তিশাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে ২০২৫ সালের নভেম্বরে আদালতে মামলা করা হয়। আদালতের নির্দেশে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন অভিনেত্রী।

শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। মামলাটির পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী চলবে।




‘সে তার স্বামীর ক্ষমতা দেখাল, আমিও সবকিছু প্রকাশ করব’- তানজিন তিশা

বিনোদন ডেস্কঃ শাড়ি আত্মসাতের মামলায় জামিন পেয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। এর পরপরই আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেত্রী। মামলার ঘটনাকে ‌‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন জানান তানজিন তিশা। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে, গত ১২ জুলাই একই আদালত তাকে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশনা মেনেই এদিন আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন তিনি।

আদালত প্রাঙ্গণে তিশা বলেন, যিনি আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন, তিনি একজন নারী। তার স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে এবং সে আমাকে অনেক ধরনের হুমকিও দিয়েছে সেগুলো আমি প্রকাশ করব। সেই সংক্রান্ত অনেক বিষয়ই আমার কাছে আছে, যা আমি সময়মতো প্রকাশ্যে আনব।

মামলার ঘটনাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করে তিনি বলেন, আজ মাত্র ২৭ হাজার টাকার একটা শাড়ির জন্য বলা হচ্ছে, আমি নাকি আত্মসাৎ করেছি! বিগত ১৫ বছর ধরে আমি সততার সঙ্গে বিনোদনজগতে কাজ করছি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে একটা শাড়ির জন্য আমাকে আদালতে দাঁড়াতে হবে এটা আমার বা কোনো শিল্পীর জন্যই কাম্য হতে পারে না।

বাদীকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, তারও একটা ছোট মেয়ে আছে, তারও সংসার ও একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে। উনি নিজেও একজন নারী। সেই জায়গা থেকে আরেকজন নারীকে এভাবে হয়রানি করা কোনোভাবেই মানা যায় না। আমি আশা করি, ভবিষ্যতে আর কাউকে যেন এমন হীন উদ্দেশ্যে হয়রানি না করা হয়। আমরা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার পাব বলেই বিশ্বাস করি।

উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ঢাকার আদালতে এই মামলাটি দায়ের করা হয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, শাড়িটি নেওয়ার পর তার মূল্য পরিশোধ না করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন তানজিন তিশা।




দুর্নীতি বিতর্কে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহকে কটাক্ষ কঙ্গনার

বিনোদন ডেস্ক : রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও প্রতিবাদী অবস্থান নিয়ে শুরু হওয়া বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ ও বহুমুখী শিল্পী পীযূষ মিশ্রর মধ্যকার বাকযুদ্ধে এবার সরাসরি নাসিরুদ্দিন শাহকে ‘শিয়াল’ সম্বোধন করে তীব্র আক্রমণ ছুড়ে দিয়েছেন বিতর্কিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নাসিরুদ্দিন শাহর আনুগত্য ও অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভিনেত্রী। সেই পোস্টে কঙ্গনা রানাউত লিখেছেন, সত্যিটা হলো— আমরা প্রত্যেকেই কারও না কারও অনুগত। তিনি বলেন, আমি গর্বিত যে আমি সেই বাড়ির সুরক্ষায় লড়ি, যেখানকার অন্ন গ্রহণ করি। কিন্তু নাসিরুদ্দিন এ দেশের অন্ন খেয়ে অন্য দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন।

নিজের স্বভাবসিদ্ধ চাঁচাছোলা ভঙ্গিতে অভিনেত্রী বলেন, ‘আজকের দিনে কুকুর শব্দটা আসলে প্রশংসা। কারণ আনুগত্য ও বিশ্বস্ততা এখন বিরল। নাসিরুদ্দিনের মতো ‘শিয়াল’ হওয়ার চেয়ে আমি কুকুর হওয়াকেই শ্রেয় মনে করি।

একটি সূত্রে জানা গেছে, নিট দুর্নীতি নিয়ে যন্তর-মন্তরে আয়োজিত এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এ ঘটনার সূত্রপাত। সেখানে তারকাদের নীরবতা নিয়ে তোপ দেগে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ বলেছিলেন— মুখে হাড় থাকলে কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে পারে না। বলিপাড়ার একাংশকে ইঙ্গিত করে এ বর্ষীয়ান অভিনেতার মন্তব্যটি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নাসিরুদ্দিনের এ মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানান পীযূষ মিশ্র। ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে নাসিরুদ্দিন কেন নীরব তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে পীযূষের সেই মন্তব্যটি পুনঃপ্রকাশ করে তার সঙ্গে একমত পোষণ করেন কঙ্গনা রানাউত।




সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটমোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের এ আদেশ দেন।

এদিন আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. তরিকুল ইসলাম (জুয়েল) জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এর বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

জামিন আবেদনে বলা হয়, হাজতি আসামি ডনের বিরুদ্ধে এজাহারে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। তিনি কথিত ঘটনার সাথে জড়িত ছিল না। এজন্য তার জামিন পাওয়া একান্ত আবশ্যক।

এর আগে, গত ৯ আগস্ট ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বিকালে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক আরিফুর রহমান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

জানা গেছে, চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার অভিযোগে ইমিগ্রেশন থেকে সিআইডি গ্রেফতার করে। গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবে ওমরাহ পালনে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়।

সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় মারা যান। শুরুতে তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলা হলেও পরে এ নিয়ে হত্যা মামলা হয়। মামলাটির তদন্তে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তির নাম এসেছে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।




ফের চলচ্চিত্রে ফিরছেন শবনম বুবলী

বিনোদন ডেস্ক : মাতৃত্বকালীন বিরতি কাটিয়ে আবারও সিনেমায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আলোচিত ঢালিউড অভিনেত্রী শবনম বুবলী। নিজের ফিটনেস পুনরুদ্ধার করতে কঠোর পরিশ্রম করছেন তিনি।কন্যা শারলিন খানের সার্বিক যত্নের পাশাপাশি নিজে নিয়মিত বিশেষ ডায়েট ও জিম অনুসরণ করছেন অভিনেত্রী, যাতে খুব দ্রুত সময়ে নতুন সিনেমার জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে পারেন তিনি।

কন্যা শারলিন খানের জন্মের পর খুব একটা জনসম্মুখে আসেননি শবনম বুবলী। তবে সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিতই ছিলেন তিনি। ফুটবল বিশ্বকাপে প্রিয় দল ব্রাজিলকে সাপোর্ট থেকে শুরু করে ফটোশুটের ভিডিও-ছবিসহ নানা কিছু সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন অভিনেত্রী।

আগামী মাসেই তার ফেরার কথা রয়েছে ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ সিনেমার মধ্য দিয়ে। তবে তার এ ফেরার প্রস্তুতির মূল আকর্ষণ ও পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ দিয়ে প্রত্যাবর্তন।  সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসেই জাহিদ হোসেন পরিচালিত ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় কামব্যাক করতে যাচ্ছেন শবনম বুবলী। পুরান ঢাকার সমাজ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য কেন্দ্র করে নির্মিত এ সিনেমায় তার বিপরীতে নায়ক হিসেবে থাকছেন আদর আজাদ।

এছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় সিনেমার মধ্যেূ রয়েছে— শাপলা শালুক। এ সিনেমায় বুবলীর বিপরীতে অভিনয় করেছেন আব্দুন নূর সজল। এ ছাড়া ‘কয়লা’ সিনেমাটির শুটিং ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছেন অভিনেত্রী।




থাইল্যান্ডে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অভিনেতা খায়রুল বাসার

বিনোদন ডেস্ক : থাইল্যান্ডে শুটিং করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসার। পাহাড়ের ওপর শুটিং শেষ করে নিচে নামার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা চিত্রগ্রাহক মেহেদী রনিও আহত হয়েছেন। বর্তমানে দুজনই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৪টার পর এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, একটি শুটিংয়ের কয়েকটি দৃশ্য ধারণের জন্য পাহাড়ের ওপর গিয়েছিলেন খায়রুল বাসার ও তার টিম। শুটিং শেষ করে স্কুটিতে করে নিচে নামার সময় হঠাৎ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় স্কুটিটি চালাচ্ছিলেন চিত্রগ্রাহক মেহেদী রনি।

অভিনেতা খায়রুল বাসার দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নাটকের শুটিং করার জন্য থাইল্যান্ড গিয়েছিলেন। কাজ ঠিকমত হচ্ছিল। কোলান দ্বীপে একটি দৃশ্যের শুটিং ছিল। একপর্যায়ে পাহাড়ের ওপর শুটিং করেন। সবই ঠিকমত হয়েছে। কিন্তু সেখান থেকে নামার সময় হঠাৎ তাদের স্কুটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। আর সঙ্গে সঙ্গে তারা পড়ে যান।

সবকিছু খুব দ্রুত ঘটে যায়। তাদের শুটিং টিম কিছুটা দূরে ছিল। তবে তারাই তাদের উদ্ধার করেছেন। এ ব্যাপারে খায়রুল বাসার বলেন, দুর্ঘটনায় আমি বুকে ব্যথা পেয়েছি, হাঁটুতেও আঘাত পেয়েছি। এখন হাঁটতে কষ্ট হচ্ছে। আমরা এখন পাতায়ায় এসেছি। এখানে হাসপাতালে চিকিৎসা নেব আমরা। আর এ অবস্থায় আমাদের শুটিং বাতিল করতে হয়েছে। আমার যে শারীরিক অবস্থা এখন, তাতে শুটিং করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

এ অভিনেতা জানান, দুর্ঘটনায় চিত্রগ্রাহকের শরীরের কিছু অংশ ছুলে গেছে। বেশ আহত হয়েছেন। তাদের দু’জনেরই এক্স-রে করাতে হবে। তারপর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। যদিও কাল তার শুটিং ছিল না, পরে ছিল। তবে এখন বিশ্রাম নিতে হবে তার। এ অবস্থায় আগামী কয়েক দিন শুটিং করা সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন খায়রুল বাসার।

জানা গেছে, একসঙ্গে কয়েকটি নাটকের শুটিং করার জন্য গেছেন খায়রুল বাসার। ঈদ পরবর্তীতে বিরতি কাটিয়ে থাইল্যান্ডে শুটিং করলেন। নাটকে তার সহশিল্পী ছিলেন সাদনিমা বিনতে নোমানসহ আরও অনেকে।




ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকার চুক্তি হয় সামিরা-আজিজের: দাবি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর

বিনোদন ডেস্ক : ঢাকাই চলচ্চিত্রের ক্ষণজন্মা চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পরও কাটেনি রহস্য। সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত এজাহারভুক্ত ৪ নম্বর আসামি চলচ্চিত্র অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে আদালতে হাজির করা হলে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

রোববার ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন থেকে ডনকে গ্রেপ্তারের পর সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে বিকেলে তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে সিআইডি। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের বরাতে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জানান, সালমান শাহর স্ত্রী সামিরার সঙ্গে শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের গোপন সম্পর্ক ছিল। ওই সম্পর্কের জেরেই সালমান শাহকে হত্যার জন্য খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকায় চুক্তি করা হয়েছিল। রাজসাক্ষী রিজভী আহমেদের দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে এই তথ্য উঠে এসেছে।

শুধু হত্যার পরিকল্পনা নয়, মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগের জন্য সালমান শাহর ভাই বিল্টুকে অপহরণের পরিকল্পনারও অভিযোগ রয়েছে ডন ও ডেভিডের বিরুদ্ধে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময় ১৯৯৭ সালের ১৯ জুলাই গ্রেফতার হন রিজভী আহমেদ। পরে একই বছরের ২৪ জুলাই সালমান শাহ হত্যার ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। দীর্ঘ এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া ও তদন্তে এখন এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করা হবে।




মাত্র তিন সপ্তাহেই বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে নোলানের ‘দ্য ওডিসি’

বিনোদন ডেস্কঃ মাত্র তিন সপ্তাহেই বক্স অফিসে বাজিমাত করলো ক্রিস্টোফার নোলানের নতুন ধামাকা ‘দ্য ওডিসি’। হলিউডের এই মাস্টারমাইন্ড পরিচালকের সিনেমাটি কেবল উত্তর আমেরিকা থেকেই পকেটে পুরেছে ৪২ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

বিশ্ববাজার থেকে আয় হয়েছে আরো বেশি। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সিনেমাটি আয় করেছে ৫৭ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। ফলে বৈশ্বিক মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১০০ কোটি ডলারের বেশি।

ক্রিস্টোফার নোলান ‘ওপেনহাইমার’ সিনেমার জন্য অস্কারও পেয়েছেন। কিন্তু ২০১২ সালের ‘দ্য ডার্ক নাইট রাইজেস’-এর পর বক্স অফিসে এত বড় সাফল্য আসেনি তার। ২০০৯ সালে তার ‘দ্য ডার্ক নাইট’ ও ২০১২ সালে দ্য ডার্ক নাইট রাইজেস ১ বিলিয়ন ডলার আয় করেছিল। সে হিসেবে ১৪ বছর পর বক্স অফিসে এত বড় সাফল্য পেলেন নোলান।



সালমান শাহ হত্যা মামলায় অভিনেতা ডন কারাগারে

বিনোদন ডেস্ক : চলচ্চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগের মামলায় গ্রেফতার অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. জুয়েল রানার আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে, বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করা কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন সিআইডির পরিদর্শক আরিফুর রহমান।

রাষ্টপক্ষে ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী শুনানিতে বলেন, আসামি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। আজ তিনি বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। বিমানবন্দর থেকে তাকে সিআইডি আটক করেছে। এ আসামি সরাসরি হত্যাকাণ্ড জড়িত।

এ সময় আসামিপক্ষে কোনো জামিন আবেদন না থাকায় ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

গত বছরের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় সালমানের স্ত্রী সামীরা হক, সামীরার মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসি ও খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত পরে সিআইডিকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চলচ্চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। সেই সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন জানান তিনি।

অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। প্রতিবেদনে সালমান শাহ’র মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ওই বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সেই সময় সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা দায়ের করেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

সবশেষ গত বছরের ২০ অক্টোবর বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক।




থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করলেন স্ত্রী

বিনোদন ডেস্ক : ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও তামিলগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) প্রধান থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তার স্ত্রী সঙ্গীতা স্বর্ণালিঙ্গম। শুক্রবার আদালতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানিতে অংশ নিয়ে তিনি আবেদনটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানান। এর পর মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়ে যায়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তামিলনাড়ুর চেঙ্গালপট্টুর পারিবারিক আদালতে বিজয়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন সঙ্গীতা। আবেদনে তিনি দাম্পত্য সম্পর্কে মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করেছিলেন। একই সঙ্গে স্থায়ী ভরণপোষণ এবং চেন্নাইয়ের নীলাঙ্কারাইয়ে অবস্থিত বাড়িতে বসবাসের অনুমতিও চেয়েছিলেন।

বিজয় ও সঙ্গীতার দাম্পত্য-সংক্রান্ত মামলার শুনানি এ বছর কয়েক দফা পিছিয়েছে। গত ১৫ জুনের শুনানিতে সঙ্গীতা আবেদনটি প্রত্যাহারের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেদিনের শুনানিতে অংশ নিয়ে তিনি আদালতকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান। এরপর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ৭ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়।

এর আগে গত মাসের শুনানিতে বিজয় ও সঙ্গীতা—কেউই আদালতে উপস্থিত হননি। এর আগের শুনানিতেও দুজনের অনুপস্থিতির বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। তাদের আইনজীবীরা সশরীরে শুনানিতে অংশ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে বলে আদালতকে জানিয়েছিলেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার সঙ্গীতা তার আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর আদালত মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করেন।

বিজয় ও সঙ্গীতার সম্পর্ক প্রায় তিন দশকের। ১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট চেন্নাইয়ে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাদের বিয়ে হয়। এই দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। ২০০০ সালে তাদের ছেলে এবং ২০০৫ সালে মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়।

২০২৩ সালে বিজয়ের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জনসভায় সঙ্গীতার অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে তাদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। যদিও সে সময় এসব দাবি অস্বীকার করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালে টিভিকে আয়োজিত দলের দ্বিতীয় রাজ্য সম্মেলনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও সঙ্গীতার উপস্থিতি না থাকায় বিষয়টি ফের আলোচনায় আসে।