চমক নিয়ে আসছে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’

বিনোদন ডেস্কঃ জেমস ক্যামেরনের বহুল প্রতীক্ষিত ‘অ্যাভাটার: ফায়ার এন্ড অ্যাশ’ ইতোমধ্যে সাংবাদিক ও সমালোচকদের জন্য প্রদর্শিত হয়েছে। আগামী ১৯ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে সিনেমাটি। প্রদর্শনী শেষে সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট নতুন অ্যাভাটার আবারও ঝড় তুলতে প্রস্তুত।

সমালোচক কোর্টনি হাওয়ার্ড বলেছেন, ‘অ্যাভাটার ৩ মনে করিয়ে দেয় কেন সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখা জরুরি। সিরিজের নতুন কিস্তিটি আগের কিছুর পুনরাবৃত্তি নয়। এটি একদম নতুন অনুভূতি। জেমস ক্যামেরনের কাজ এখনও দুর্দান্ত।’

সমালোচক শান তাজিপুরও বলেছেন, ‘অ্যাভাটার: ফায়ার এন্ড অ্যাশ’ ছবির প্রতিটি দৃশ্যে ক্যামেরন মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন।

কলাইডারের পেরি নেমিরফ লিখেছেন, সিনেমা দেখে পানডোরার জগতে আবার ঢুকে যাওয়ার মতো অভিজ্ঞতা হয়েছে। ফিল্ম লেখক মাইকেল লি বলেছেন, গল্প কিছুটা কম আকর্ষণীয় হলেও ভিজ্যুয়াল ও অ্যাকশন অবিশ্বাস্য। নতুন উপজাতি ও পানডোরার গভীর খোঁজ সিনেমাটিকে আরও আকর্ষণীয় করেছে।

নতুন সিনেমাটি আগের পর্বের পরবর্তী কাহিনি। সুল্লি পরিবার তাদের সন্তান নেটেয়ামের মৃত্যু নিয়ে শোক করছে। নতুন বিপদ আসে আগুন উপজাতির মাধ্যমে। সিনেমার প্রধান চরিত্রে থাকছেন স্যাম ওয়ার্থিংটন, জো স্যালদানা, সিগরনি উইভার, স্টিফেন ল্যাং এবং কেট উইন্সলেট।

জেমস ক্যামেরন জানিয়েছেন, এই সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের ওপর নির্ভর করছে অ্যাভাটার সিরিজের ভবিষ্যৎ। মূল ‘অ্যাভাটার’ সর্বকালের সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমা। এরপরের ছবিটি ভালো আয় করলেও প্রথমটির রেকর্ড ভাঙতে পারেনি। নির্মাতা প্রত্যাশা করছেন, তৃতীয় কিস্তি দিয়ে বাজিমাত করবেন তিনি।




টলিউডে প্রথমবার ট্যাঙ্গোতে মিমি–সোহমের নাচ

বিনোদন ডেস্কঃ বাংলা সিনেমায় প্রথমবার ট্যাঙ্গো নাচ আসছে নন্দিতা রায়–শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রযোজিত নতুন ছবি ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’–এ। জানুয়ারিতে মুক্তি পেতে চলা এই ভৌতিক–কমেডি ঘরানার ছবিতে মিমি চক্রবর্তীর সঙ্গে ট্যাঙ্গো নাচে অংশ নিয়েছেন অভিনেতা সোহম মজুমদার—যাকে এত দিন কোনও বাংলা বা হিন্দি ছবিতেই নাচতে দেখা যায়নি।

এ নিয়ে পরিচালক অরিত্র মুখোপাধ্যায় বলেন, শুটিংয়ের আগে-পরে বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে, যা নিজেই চমকপ্রদ। নাচ নিয়ে সোহমকে দারুণ পরিশ্রম করতে হয়েছে।সোহম জীবনে নাচেননি বললেই চলে। তবু ট্যাঙ্গো শেখার জন্য নৃত্যপরিচালক মঙ্গেশ থেড়করের কাছে দীর্ঘ সময় প্রশিক্ষণ নেন তিনি।

শুটিংয়ের আগের দিন শহরে জলাবদ্ধতার মধ্যেই ভিজে এসে ফাইনাল রিহার্সাল করেন সোহম। পরদিন প্রচণ্ড জ্বর নিয়েও শুটিংয়ে এসে প্রথম টেকেই ‘ওকে’ দেন তিনি।

অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্তও শুটিং চলাকালে চোখের সমস্যায় ভুগছিলেন। তবু দলের সবাই কাজ শেষ করেছেন।

আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের জনপ্রিয় নাচ ট্যাঙ্গোকে কেন্দ্র করে সাজানো এই গানের দৃশ্যে মিমি, সোহম, স্বস্তিকা, বনি সেনগুপ্তসহ আরও কয়েকজন অভিনয়শিল্পীকে পার্টির সাজে দেখা যাবে।

ছবির প্রথম গান ‘তুমি কে’ শুক্রবার প্রকাশিত হচ্ছে। গীতিকার–সুরকার–গায়ক অনুপম রায় জানান, ভৌতিক ছবির গান বলে যে গা–ছমছমে আবহ থাকবে—সেটি এখানে নেই। করোনাকালে বানানো একটি গানই নন্দিতা–শিবপ্রসাদের পছন্দ হয়, পরে তা সৃজিতা মিত্রকে নিয়ে রেকর্ড করা হয় ছবির জন্য।




প্রাণী নির্যাতন রুখতে সচেতনতার বার্তা দিলেন পিয়া জান্নাতুল

বিনোদন ডেস্কঃ পাবনার ঈশ্বরদীতে বস্তায় ভরে আটটি কুকুরছানা পুকুরে ফেলে হত্যার ঘটনায় গভীর রাতে ভাড়া বাসা থেকে নিশি খাতুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাণী কল্যাণ আইন ২০১৯ অনুযায়ী দায়ের করা মামলায় তিনি একমাত্র আসামি। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও শুরু হয় তীব্র নিন্দা।

এই নিষ্ঠুর ঘটনার পর নিজের ভেরিফায়েড পেজে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন মডেল, অভিনেত্রী ও আইনজীবী পিয়া জান্নাতুল। তিনি লেখেন, সরকারি চাকুরে স্ত্রী হলেই যা খুশি করার অধিকার নেই, এই গ্রেপ্তারই তার প্রমাণ। আটটি নিরীহ কুকুরছানাকে ব্যাগে ভরে পুকুরে ফেলা শুধু নিষ্ঠুরতা নয়, মানুষ হিসেবে আমাদের লজ্জা।

তিনি আরও বলেন, প্রাণীরা কথা বলতে পারে না বলে যাদের মনে হয় তাদের ওপর যা ইচ্ছা করা যায়। এখনই সাবধান হওয়ার সময়। দেশের মানুষ আর আইন কেউ আগের মতো চুপ করে থাকবে না। শাস্তি আরও কঠোর হবে, আরও কড়া হবে।

প্রাণী নির্যাতন বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জানিয়ে পিয়া বলেন, প্রাণীকে কষ্ট দেওয়ার আগে ভাববেন, তাদেরও জীবন আছে, ব্যথা আছে। অবলা প্রাণীর ওপর শক্তি দেখানোর দিন শেষ, এখন জবাবদিহির সময়।

গত রবিবার সন্ধ্যার পর উপজেলা পরিষদ চত্বরে থাকা আটটি কুকুরছানাকে বস্তায় ভরে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে নিশি খাতুনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই শহরজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং মঙ্গলবার তার পরিবারকে সরকারি কোয়ার্টার ছাড়ার নির্দেশ দেয়। পরে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ নিশিকে গ্রেপ্তার করে।

এদিকে সন্তান হারিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া মা কুকুরটিকে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্তে ঢাকার একটি বিশেষ প্রাণী অধিকার সংগঠনের দল ইতিমধ্যে ঈশ্বরদীতে পৌঁছেছে।




কন্যা সন্তানের বাবা হলেন নিলয়

বিনোদন ডেস্কঃ বর্তমান সময়ে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা নিলয় আলমগীর বাবা হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে তার স্ত্রী তাসনুভা তাবাসসুম হৃদি এক কন্যাসন্তান প্রসব করেন।

নিলয় নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খুশির খবরটি ভাগ করে নেন। ফেসবুক পোস্টে ক্যাপশনে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, কন্যা সন্তানের বাবা হলাম। নাম রুশদা মাইমানাহ। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

এদিকে বাবা হওয়ার সুখবর জানাতেই শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভাসছেন নিলয়-হৃদি দম্পতি। মন্তব্যের ঘরে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা নানা ধরনের শুভেচ্ছামূলক বার্তা দিচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, ফেসবুক থেকে পরিচয়ের পর ২০২১ সালের ৭ জুলাই তাসনুভা তাবাসসুম হৃদিকে বিয়ে করেন অভিনেতা নিলয় আলমগীর। এরপর পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে হয়। এটি হৃদির প্রথম বিয়ে হলেও অভিনেতার দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে ২০১৬ সালে মডেল-অভিনেত্রী আনিকা কবির শখকে বিয়ে করেছিলেন নিলয় আলমগীর। কিন্তু সেই বিয়ে বেশি দিন স্থায়ী হয়নি।




কন্যাসন্তানের নাম প্রকাশ্যে আনলেন কিয়ারা

বিনোদন ডেস্কঃ চলতি বছরের জুলাইয়ে কন্যাসন্তানের মা হন কিয়ারা আদভানি, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। জন্মের পর থেকেই অনুরাগীরা জানতে চাচ্ছিলেন, তাদের কন্যার নাম কী রাখা হয়েছে। কিছু অনুরাগীর প্রস্তাব ছিল, সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার নাম মিশিয়ে ‘সিয়ারা’ রাখা হোক।

অবশেষে শুক্রবার সকালে কিয়ারার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একরত্তির পায়ের ছবি শেয়ার করে জানানো হয়, তাদের কন্যার নাম রাখা হয়েছে সারায়াহ মালহোত্রা।

কিয়ারার লেখা: “আমাদের প্রার্থনা থেকে আমাদের কোলে এসেছে আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ—আমাদের রাজকন্যা।”

সারায়াহ নামের অর্থ নিয়ে সরাসরি কিছু বলা হয়নি। তবে হিব্রু ভাষায় ‘সারাহ’ মানে রাজকন্যা, তাই অনুরাগীরা অনুমান করছেন এখান থেকেই নামটি এসেছে।

তারা কন্যার মুখ প্রকাশ্যে আনেননি, তবে নতুন রাজকন্যার আগমন ভক্তদের আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ‘শেরশাহ’ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার প্রেমের শুরু। ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। চলতি বছরের মে মাসে মেট গালায় একসাথে উপস্থিত হয়েছিলেন তারা, এরপর বেশ কিছু সময় ক্যামেরার সামনে দেখা যায়নি।




স্ট্রেঞ্জার থিংস’ ফাইনাল সিজনের ঢেউ—স্ট্রিমিং শুরু হতেই নেটফ্লিক্স ঠেকল না চাপ

বিনোদন ডেস্ক: স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে জনপ্রিয় সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ এর ফাইনাল সিজনের প্রথম ভলিউম মুক্তি পেতেই প্ল্যাটফর্মটি সাময়িকভাবে অচল হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত দর্শক চাপের কারণে বিশ্বব্যাপী বহু ব্যবহারকারী অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে ভিডিও চালাতে ব্যর্থ হন।

ডাউনডিটেক্টরের তথ্যে জানা যায়, নেটফ্লিক্স ডাউন হওয়া নিয়ে প্রায় ১০ হাজারের বেশি রিপোর্ট জমা হয়েছে। তাদের হিসাবে, ৫১ শতাংশ ব্যবহারকারী ভিডিও লোড করতে পারেননি, আর ৪৯ শতাংশ ব্যবহারকারী সংযোগ সমস্যার অভিযোগ করেন।

হঠাৎ করে স্ট্রিমিং সেবা ব্যাহত হওয়ায় সামাজিকমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেক দর্শক। তবে নেটফ্লিক্সের জন্য এটি এক অর্থে ইতিবাচক কারণ সিরিজটি ঘিরে দর্শকের বিপুল আগ্রহই প্ল্যাটফর্মকে ডাউন করে দেয়।

ডাফার ব্রাদার্সের নির্মাণ করা ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ শুরুর পর থেকেই ব্যাপক উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে দর্শকদের মধ্যে। সময়ের সঙ্গে সিরিজটির জনপ্রিয়তা কেবল বেড়েই চলেছে।




হেনস্তার দায় পোশাকে নয়’—স্পষ্ট বার্তা দিলেন ঐশ্বরিয়া

বিনোদন ডেস্ক: নারীদের হেনস্তার বিপরীতে অনেকেই তাদের সাজপোশাককে দাঁড় করান। এবার বিষয়টি নিয়ে সরব হলেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই। জানালেন, আপস নয়, দরকার ঘুরে দাঁড়াবার।

সম্প্রতি একটি প্রসাধনী পণ্যের বিজ্ঞাপনী দূত হিসেবে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী। সেখানেই তাকে প্রশ্ন করা হয়, রাস্তাঘাটে কীভাবে হেনস্তার মোকাবিলা করবেন মেয়েরা?

তৎক্ষণাৎ পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন ঐশ্বরিয়া, ভাবছেন অপর প্রান্তের মানুষটির চোখের দিকে না তাকালেই পার পেয়ে যাবেন? তাহলে বলি, একদম নয়। মোকাবিলা করতে হেনস্তাকারীর চোখের দিকে সোজাসুজি তাকাতে শিখুন। মাথা উঁচু করে হাঁটুন।

তার কথায়, আমার শরীর, আমার সম্পদ—ভাবতে শিখুন। নিজের মূল্যের সঙ্গে কখনো আপস করবেন না। নিজেকে নিয়ে কখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগবেন না। আত্মবিশ্বাস বজায় রাখুন। দরকারে নিজের জন্য নিজে উঠে দাঁড়িয়ে লড়ুন। কিন্তু কখনো নিজের সাজপোশাক কিংবা লিপস্টিক শেডের দোষ দেবেন না। মনে রাখবেন, রাস্তাঘাটে হেনস্তার শিকার হলে সেটা কখনোই আপনার দোষ নয়।

মাসখানেক আগে শারীরিক গড়ন নিয়ে নিজেও সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। বিশেষ করে, অভিনেত্রীর ওজন বাড়া নিয়ে বিস্তর কাটাছেঁড়া হয়েছিল নেটপাড়ায়।




১৩০০ প্রতিযোগীকে হারিয়ে রণবীর সিংয়ের নায়িকা হিসেবে নির্বাচিত সারা

বিনোদন ডেস্ক: আদিত্য ধর পরিচালিত নতুন চলচ্চিত্র ‘ধুরন্ধর’ এর ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই চলছে তুমুল আলোচনা। শুধু ট্রেলার নয়, বিশেষ নজর কেড়েছেন ছবির নায়িকা সারা অর্জুন। কয়েকদিন আগেও যাকে অনেকেই চিনতেন না, ট্রেলার প্রকাশের পর তিনি এখন চলচ্চিত্র দুনিয়ার নতুন মুখ হিসেবে সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।

ট্রেলার উন্মোচন অনুষ্ঠানে পরিচালক আদিত্য ধর জানান, সারা অর্জুনকে নায়িকার চরিত্রে নেওয়ার পথে কতটা কঠিন সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাদের। তিনি বলেন,’মুকেশ ছাবরা প্রায় ১ হাজার ৩০০টি অডিশন নেন। অসংখ্য প্রতিযোগীর মধ্য থেকে সারা অর্জুনই শেষ পর্যন্ত নির্বাচিত হয়। সে অসাধারণ সবার মধ্যে সেরা।’

২০০৫ সালের ১৮ জুন জন্ম নেওয়া সারা অর্জুন হলেন অভিনেতা রাজ অর্জুনের মেয়ে। মাত্র ১৮ মাস বয়সে অভিনয়জগতে পা রাখেন তিনি টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। পাঁচ বছর বয়সের মধ্যেই তিনি হয়ে ওঠেন দেশের অন্যতম পরিচিত শিশুশিল্পী। এ সময় শতাধিক বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন সারা।

ছোটবেলা থেকেই ক্যামেরার সামনে বেড়ে ওঠায় তার অভিনয় দক্ষতা দ্রুত বিকশিত হয়। মাত্র ছয় বছর বয়সে তামিল ছবি ‘দেবিয়া থিরুমাগাল’-এ চিয়ান বিক্রমের সঙ্গে অভিনয় করে বড় ব্রেক পান তিনি। শিশুশিল্পী হিসেবে ওই ছবিতে তার অভিনয় বহুল প্রশংসিত হয়। পরে তিনি তামিল, তেলেগু ও হিন্দি, তিন ভাষারই একাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে-‘শিবাম’, ‘পন্নিইন সেলভান’ ১ ও ২, ‘এক থি ডয়েন’ প্রভৃতি।

ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে সারা অর্জুনকে প্রশংসায় ভাসান চলচ্চিত্রের সহ-অভিনেতা রণবীর সিং। তিনি বলেন,ছবিতে সারা দারুণ চরিত্রে অভিনয় করেছে। বয়স কম হলেও প্রভাবশালী চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছে।

আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’ মুক্তি পাবে ৫ ডিসেম্বর।




তিশার বিরুদ্ধে নতুন দাবি, ‘পাসপোর্ট জমা ছাড়াই দেশ ছাড়েন

বিনোদন ডেস্ক: মডেল ও অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে ঘিরে চলমান বিতর্ক আরও তীব্র রূপ নিয়েছে। কলকাতার একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য অগ্রিম পারিশ্রমিক নেওয়ার পর কাজ না করে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর অভিযোগ তুলেছেন ছবিটির প্রযোজক সরিফুল ধাবক।

প্রায় তিন মাস আগে ভারতীয় বাংলা সিনেমা ‘ভালোবাসার মরশুম’-এ অভিনয়ের জন্য ১১ লাখ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হন তানজিন তিশা। চুক্তির সময় তিনি দুই দফায় মোট ৪ লাখ ১২ হাজার টাকা অগ্রিম নেন বলে দাবি প্রযোজকের। কিন্তু শুটিংয়ের সময়সূচি মিল না হওয়া এবং ভিসাজনিত সমস্যার কথা বলে শেষ পর্যন্ত কাজ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

প্রযোজক সরিফুল ধাবক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিশার জন্য ভিসার স্লট ঠিক করা হয়েছিল, কিন্তু নানা অজুহাতে তিনি সময়মতো ভারতীয় অ্যাম্বাসিতে পাসপোর্ট জমা দেননি। এরপর আর ভিসা পাওয়া সম্ভব হয়নি। এমনকি তিশার সুবিধার কথা বিবেচনা করে একাধিকবার শুটিংয়ের সময়ও পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান বলে অভিযোগ তার।

ধাবক আরও জানান, সিনেমায় অভিনয় না করেও তানজিন তিশা অগ্রিম পারিশ্রমিক ফেরত দিচ্ছেন না। এ কারণে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত তিনি ইতোমধ্যেই গ্রহণ করেছেন।

অন্যদিকে, তানজিন তিশা নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ‘ভালোবাসার মরশুম’ প্রকল্পের কারণেই তিনি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দুই মাস অপেক্ষার পরও নির্মাতা প্রস্তুত না থাকায় বাধ্য হয়ে তিনি কাজ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।




অভিনেত্রীর জন্য পাত্র দরকার—রাস্তাজুড়ে ঝুলছে পোস্টার

বিনোদন ডেস্কঃ কলকাতা শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে ঝুলছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রের ছবিসহ ‘পাত্র চাই’ লেখা পোস্টার। সাদাকালো সেই পোস্টারে পাত্রের যোগ্যতার বিস্তারিত বিবরণও দেওয়া আছে। হঠাৎ এমন পোস্টার দেখে পথচারীদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়।

প্রথমে অনেকেই ভেবেছিলেন, রুক্মিণীর ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়ে এটি কোনো ঘোষণা। কিন্তু পোস্টারের মালিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে দীপক চক্রবর্তীর নাম! প্রশ্ন ওঠে, কে এই দীপক চক্রবর্তী? পরে জানা যায়, অভিনেতা চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীর চরিত্রের নাম এটি!

এতে খানিকটা ধোঁয়াশা কাটে। জানা যায়, এটি রুক্মিণী অভিনীত আসন্ন সিনেমা ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’র প্রচারণার অংশ।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, সেই সিনেমায় রুক্মিণীর বাবার চরিত্রে অভিনয় করছেন চিরঞ্জিৎ। তার চরিত্রই পর্দায় মেয়ের জন্য ‘পাত্র খুঁজছেন’, এ ধারণা থেকেই এই ব্যতিক্রমী প্রচারণা।

‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ টিম জানিয়েছে, প্রচারের ধরন বদলে যাওয়ায় এখন দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণে নতুন পদ্ধতির আশ্রয় নিতে হয়। সেই কারণে শহরজুড়ে লাগানো হয়েছে এমন পোস্টার, যা দেখে অনেকে থমকে দাঁড়াচ্ছেন, কেউ কেউ আবার মোবাইলে খুঁজে দেখছেন, রুক্মিণীর বিয়ে কবে? এমনকি কেউ কেউ বিভ্রান্তও হচ্ছেন।

দর্শক প্রতিক্রিয়া থেকেই টিম ধারণা করছে, প্রচারণা সফল হয়েছে।

ছবির প্রচারে আগে এমন ব্যতিক্রমী কৌশল দেখা গেলেও সব সময় ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে এবার প্রচারণা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে।

বাবা-মেয়ের সম্পর্কের টানাপড়েনকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন অর্ণব মিদ্যা।