“হজযাত্রার ফ্লাইট শুরু আজ মধ্যরাতে”

ইসলামিক ডেস্কঃ সৌদি সরকার ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী আজ শুক্রবার মধ্যরাতে শুরু হচ্ছে চলতি বছরের হজ ফ্লাইট। প্রথম ফ্লাইটটি রাত সাড়ে ১২টার দিকে ৪১৯ যাত্রী নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

এই কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ উপলক্ষে রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্পে চলছে শেষ প্রস্তুতি।

সরকারি তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, আগামীকাল শনিবার মোট ১৪টি ফ্লাইট রয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, চারটি সৌদি আরবের সাউদিয়া এবং চারটি ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস পরিচালনা করবে। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ৫৬৫ জন এবং হজ এজেন্সির মাধ্যমে ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালনে যাবেন। এরই মধ্যে ১৭১ সদস্যের একটি মেডিক্যাল টিম সৌদি আরবে পৌঁছেছে।

সৌদি আরবের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হজচুক্তি অনুযায়ী মোট হজযাত্রীর ৫০ শতাংশ পরিবহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বাকি ৫০ শতাংশের মধ্যে সৌদি আরবের সাউদিয়া ৩৫ শতাংশ এবং ফ্লাইনাস ১৫ শতাংশ হজযাত্রী পরিবহন করবে।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবার প্রত্যেক হজযাত্রীর জন্য ‘নুসুক কার্ড’ বাধ্যতামূলক।

এই ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মাধ্যমে সৌদি আরবে সব ধরনের সেবা পাবেন হজযাত্রীরা। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া প্রত্যেক হজযাত্রী দেশেই এই কার্ড পাচ্ছেন। তবে সরকারি ব্যবস্থাপনার যাত্রীরা সৌদি আরবে হোটেল লবিতে গিয়ে নুসুক কার্ড সংগ্রহ করবেন।

প্রি-হজ ফ্লাইট মোট ২০৭টি। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১০২টি, সাউদিয়া ৭৫টি এবং ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে। ২১ মে প্রি-হজ ফ্লাইট শেষ হবে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে, যা ১ জুলাই শেষ হবে।




“শনিবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক”

ইসলামিক ডেস্কঃ হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র জিলকদ মাসের তারিখ নির্ধারণে আগামীকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।




জাবিতে প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে ৫টা লোডশেডিং ঘোষণা প্রশাসনের

জাবি প্রতিনিধিঃ আগামীকাল থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে (জাবি) প্রতিদিন বিকেল ৪টা হতে ৫টা পর্যন্ত লোডশেডিং থাকবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি স্বল্পতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়  উপকেন্দ্রের চাহিদার তিন ভাগের এক ভাগ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। এমতাবস্থায়, সকল ফিডারের ব্যাপক লোডশেডিং করতে হচ্ছে (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতিত)। উল্লিখিত কারণে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুরূহ হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিদিন বিকেল ৪টা হতে ৫টা পর্যন্ত লোড শেডিং থাকবে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট অফিস এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।”




আজান শোনামাত্র মসজিদে ছুটে যেতেন রাসুল (সা.)

ইসলামিক ডেস্কঃ দুনিয়াতে এমন কোনো কাজ নেই যা সমাধা করার জন্য প্রস্তুতির প্রয়োজন হয় না। যে কাজের গুরুত্ব যত বেশি সে কাজের প্রস্তুতিও তত গুরুত্বের দাবি রাখে। নামাজ আল্লাহপাক প্রদত্ত এক মহান হুকুম, তার গুরুত্ব অপরিসীম। সুতরাং তার প্রস্তুতিও অত্যন্ত গুরুত্বের দাবিদার। আর নামাজ যেহেতু আল্লাহ প্রদত্ত বিধান, তাই প্রস্তুতি কীভাবে নিতে হবে, প্রস্তুতির উপকরণগুলো কী তা-ও আল্লাহপাক নির্ধারণ করে দিয়েছেন।

নামাজের প্রস্তুতিমূলক কাজ : ১. ওয়াক্ত মতো নামাজ পড়া। ২. পবিত্রতা অর্জন করে নামাজ পড়া। ৩. বস্ত্রাবৃত অবস্থায় নামাজ পড়া। ৪. পবিত্র কাপড় পরিধান করে নামাজ পড়া। ৫. পাক-পবিত্র স্থানে নামাজ পড়া। ৬. কেবলার দিকে ফিরে নামাজ পড়া। ৭. নামাজের নিয়ত করা।

নামাজের প্রস্তুতিস্বরূপ আল্লাহপাক এ সাতটি কাজের হুকুম দিয়েছেন। এর মাঝে অনেক হেকমত নিহিত রয়েছে। প্রথমেই আলোচনা করি নামাজের সময়সূচি নিয়ে। আল্লাহপাক প্রত্যেক নামাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সময়ের বিধান রেখেছেন। মনগড়া নামাজ পড়লেই হবে না, যে নামাজের জন্য যে সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে সে সময়েই তা আদায় করতে হবে, অন্যথায় সে নামাজ আল্লাহর কাছে গ্রহণেযোগ্য হবে না। প্রত্যেক ওয়াক্তের জন্য আল্লাহপাক নির্ধারণ করে রেখেছেন কিছু চিহ্ন ও নিদর্শন। সময় হলেই চতুর্দিক থেকে মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে ভেসে আসে সুমধুর আজানের ধ্বনি। এটা আল্লাহপাকের বিধান, যা সর্বসাধারণের সুবিধার্থে বিধিবদ্ধ হয়েছে।

আজানের বিধান কেন : আল্লাহপাক এ পৃথিবীকে আখেরাতের প্রতিচ্ছবিরূপে সৃষ্টি করেছেন। মুয়াজ্জিনের সুমধুর কণ্ঠ থেকে যখন ভেসে আসে আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ধ্বনি, তখন মুসলিম হৃদয় মাতোয়ারা হয়ে আল্লাহকে স্মরণ করতে ছুটে চলে মসজিদ পানে।

অনুরূপভাবে কেয়ামতের পর যখন হজরত ইসরাফিল (আ.) দ্বিতীয়বার শিঙায় ফুঁ দেবেন, তখনো মানুষ মধুর কণ্ঠে ভেসে আসা ধ্বনি শুনে মাতোয়ারা হয়ে আল্লাহর স্মরণে ছুটে চলবে হাশরের পানে। সেই মহাদিবসের স্মরণার্থেই আজ পৃথিবীতে আজানের বিধান। যাতে করে আজানের ধ্বনি শোনামাত্রই মানুষ অনুধাবন করতে সক্ষম হয় যে, এমনিভাবে একদিন আমাকে হাশরের ময়দানের দিকে ডাকা হবে। এতে সেই ভয়াবহ দিবসের প্রস্তুতিস্বরূপ অন্তরে আমলের তাগিদ সৃষ্টি হবে। আজান বিধিবদ্ধ হওয়ার পেছনে এ অপূর্ব হেকমত নিহিত রয়েছে।

বস্তুত আল্লাহপাক দেখতে চান, আজান শুনে কে নামাজের প্রস্তুতি নেয়, আর কে উদাসীন হয়ে বসে থাকে? যারা আজান শুনে আগ্রহ ও গুরুত্বের সঙ্গে মসজিদে উপস্থিত হয়, তারা কেয়ামতের দিন সম্মান ও চিন্তামুক্ত দিল নিয়ে উপস্থিত হবে, আর যারা নামাজ থেকে উদাসীন, মসজিদে উপস্থিত হয় না, তাদের পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ! আজান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হুকুম হলো সব কাজকর্ম ত্যাগ করে মসজিদে উপস্থিত হওয়া। আজানের পর মসজিদে না গিয়ে অন্য কাজে লিপ্ত হলে তা হবে বরকতহীন কাজ। কাজের বরকত ও প্রতিদান আল্লাহপাকের হাতে। আল্লাহপাক বরকতের সব ধারা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রাখেন।

যখন আজান হয়ে যায়, তখন বরকতের সব ধারা মসজিদের দিকে ধাবিত করে দেন। তখন অন্য কোনো কাজে এবং অন্য কোনো স্থানে বরকত থাকে না। এ সময় যারা মসজিদে থাকে, তারাই কেবল বরকত লাভ করতে পারে। যদিও দেখা যায় আজান হয়ে যাওয়ার পর দোকানে ক্রেতার ভিড় বেশি হয়, আসলে এটা দৃশ্যমান মাত্র, প্রকৃত বরকত মসজিদে। মাঠঘাট, দোকানপাট সবকিছু আজানের পর বরকতশূন্য হয়ে থাকে। সুতরাং আজানের পর শান্তি ও বরকত মসজিদেই বর্ষিত হয়।  নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারা মোবারক বিবর্ণ হয়ে যেত। অতি আদরের স্ত্রীদেরও তখন অচেনা মনে হতো।

কারও সঙ্গে কোনোরূপ কথাবার্তায় লিপ্ত না হয়ে সবকিছু বর্জন করে তিনি মসজিদে ছুটে যেতেন। হাদিসের ভাষ্য দ্বারা বোঝা যায়, কেয়ামত সংঘটিত হওয়ার পর মানুষ যখন হাশরের ময়দানের দিকে ছুটবে, তখন হজরত বেলাল হাবশী (রা.) হবেন ইসলামের পতাকাবাহী। হজরত আবু বকর, হজরত ওমর, হজরত উসমান, হজরত আলীসহ সব সাহাবা কেরাম (রা.) সেখানে উপস্থিত থাকবেন; কিন্তু পতাকাবাহী আর কেউ থাকবে না। একমাত্র পতাকাবাহী থাকবেন বেলাল হাবশী (রা.)। কারণ তিনি দুনিয়াতে আজান দিতেন, আর সে ডাকে সাড়া দিয়েই মানুষ মসজিদ পানে ছুটে যেত এবং এর মাধ্যমেই প্রমাণিত হতো কে মুসলমান আর কে মুসলমান নয়। সুতরাং সেদিন তাঁর হাতেই থাকবে মুসলমানদের পতাকা। আল্লাহপাক আমাদের সহিহ সমঝ দান করুন!




নির্বাচনী বিধি উপেক্ষা করে এলজিইডিতে বদলি-বাণিজ্য, দুর্নীতির অভিযোগে শীর্ষ কর্মকর্তারা

বিশেষ প্রতিবেদকঃ নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর সরকারি দপ্তরগুলোতে বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি থাকার কথা থাকলেও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) যেন সেই নিয়ম মানতেই নারাজ। অভিযোগ উঠেছে, এলজিইডির রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী গোলাম মোস্তফা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নির্বিচারে বদলি ও পদায়ন করে যাচ্ছেন। এ কাজে তাকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছেন খুলনা বিভাগের চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ শফিকুল ইসলাম এবং প্রকিউরমেন্ট শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ গোলাম ইয়াজদানী।

গত ১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে কাজী গোলাম মোস্তফা প্রধান প্রকৌশলী (রুটিন দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি নিয়মনীতি ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা উপেক্ষা করে একের পর এক বদলি ও পদায়নের আদেশ দিতে শুরু করেন। অথচ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিল যে, নির্বাচনকালীন সময়ে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া কোনো ধরনের বদলি বা ছুটির আদেশ দেওয়া যাবে না। সেই নির্দেশনা এলজিইডিতে কার্যত উপেক্ষিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয় ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দেওয়া একটি আধা-সরকারি পত্রে, যেখানে নির্বাচন ব্যাহত হতে পারে—এমন যেকোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়। এরপরও এলজিইডিতে একের পর এক বদলি ও পদায়ন চলতে থাকায় প্রশ্ন উঠেছে, কে বা কারা এসব সিদ্ধান্তের পেছনে মূল ভূমিকা রাখছেন।

অভিযোগ রয়েছে, সৈয়দ শফিকুল ইসলামকে ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে খুলনা বিভাগে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলেও তিনি সেখানে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন না। বরং তিনি প্রায় সারাক্ষণ প্রধান প্রকৌশলী কাজী গোলাম মোস্তফার কক্ষে অবস্থান করছেন। তার সঙ্গে থাকেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ গোলাম ইয়াজদানী। এলজিইডির ভেতরে আলোচনা রয়েছে, এই দুই কর্মকর্তার পরামর্শ ছাড়া প্রধান প্রকৌশলী কোনো নথিতে স্বাক্ষর করেন না।

এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে জনশ্রুতি রয়েছে, বর্তমানে বদলি ও পদায়ন কার্যক্রম একটি নির্দিষ্ট চক্রের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মোটা অঙ্কের উৎকোচের বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বড় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কিংবা প্রশাসন শাখার মতো ক্ষমতাশালী পদগুলো পাচ্ছেন মূলত যাদের অর্থের জোর বেশি। এই সুযোগটি কাজে লাগাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আওয়ামী সমর্থিত প্রকৌশলীরা।

এমন অভিযোগও উঠেছে যে, নির্বাচনী আইন অমান্য করে এবং কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়াই অর্থের বিনিময়ে জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী বদলি ও বড় প্রকল্পের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। এসব প্রক্রিয়ায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব থেকে শুরু করে ঊর্ধ্বতন মহলকে ‘ম্যানেজ’ করার কথাও শোনা যাচ্ছে, যা এলজিইডির ভাবমূর্তিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের শীর্ষ দুই নেতার প্রভাব খাটিয়ে চাঁদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান কবিরকে আম্পান প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং বগুড়া অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী নাসির উদ্দীনকে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া সাবেক প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ করিমের সময় বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের কমিটির সদস্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ মোশারফ হোসেনকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে বদলি করা হয়। পরে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর সৈয়দ শফিকুল ইসলাম ও মোঃ গোলাম ইয়াজদানীর আগ্রহে কাজী গোলাম মোস্তফা তাকে আবার সদর দপ্তরে ফিরিয়ে আনেন বলে অভিযোগ ওঠে।

প্রকিউরমেন্ট শাখা নিয়েও রয়েছে গুরুতর অভিযোগ। মোঃ গোলাম ইয়াজদানী দায়িত্ব নেওয়ার পর এই শাখাটি দুর্নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ঠিকমতো উৎকোচ না দিলে টেন্ডার অনুমোদনে নানা ধরনের হয়রানি, রি-টেন্ডার বা রি-ইভ্যালুয়েশনের মাধ্যমে কাজ আটকে দেওয়ার অভিযোগ করছেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রকৌশলীরা।

আরও অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন আওয়ামী ঘরানার সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত মোঃ গোলাম ইয়াজদানী বর্তমানে নিজেকে বিএনপি অনুসারী হিসেবে তুলে ধরতে চেষ্টা করছেন। এ উদ্দেশ্যে তিনি বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে ছবি তুলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

এদিকে সম্প্রতি নির্বাহী প্রকৌশলী (অর্থ) মোঃ জামাল হোসেনকে নিয়োগ ও পদায়ন শাখার দায়িত্ব দেওয়া নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রধান প্রকৌশলীর ওপর চাপ সৃষ্টি করে জোরপূর্বক এই দায়িত্ব নিয়েছেন। এ কাজে তাকে সহায়তা করেছেন সৈয়দ শফিকুল ইসলাম ও মোঃ গোলাম ইয়াজদানী।

মোঃ জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অর্থ শাখার দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি নারী সহকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং নিয়মিত উৎকোচ দাবি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে সন্তুষ্ট না করলে ফাইল আটকে রাখা হয়। এমন পরিস্থিতিতে হয়রানি এড়াতে নারী সহকর্মীরা পালাক্রমে তার জন্য বাসা থেকে খাবার রান্না করে নিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছেন। বিষয়টি বর্তমানে প্রশাসন শাখায় প্রকাশ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব অভিযোগ ও অনিয়ম দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনা হলে ইতোমধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ এলজিইডির সুনাম আরও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।




আজ ১৯ ডিসেম্বর—২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির সর্বশেষ মূল্য

বাণিজ্য ডেস্কঃ বিশ্ব বাজারে দাম বাড়ার ফলে দেশের বাজারেও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ভরিতে ১ হাজার ৪৭০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বাজুস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সমন্বয় করে কার্যকর করা এই দামেই শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) স্বর্ণ বিক্রি হবে।               

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৭ টাকা  (যা সোমবার ছিল ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা)।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৭ হাজার ২১১ টাকা (যা সোমবার ছিল ২ লাখ ৫ হাজার ৮০০ টাকা), ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ টাকা (যা সোমবার ছিল ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৫ টাকা), এবং সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯০০ টাকা (যা সোমবার ছিল ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩৮ টাকা)। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে।

বাজুস জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।




নিজের শান্তির জন্য অন্যকে ক্ষমা করুন

ইসলামিক ডেস্কঃ মহান আল্লাহর যত গুণাবলি রয়েছে, ক্ষমার গুণ তার অন্যতম। কোরআন-হাদিসের পাতায় পাতায় আল্লাহর ক্ষমা ও মহানুভবতার পরিচয় মুক্তার মতো ছড়িয়ে আছে। আল্লাহ বলেছেন, হে আমার বান্দাগণ, যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ও না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ ক্ষমা করেন  (জুমার)। এ আয়াত থেকে আমরা জানতে পারলাম, পৃথিবীতে এমন কোনো গুনাহ নেই, যার ক্ষমা নেই। তবে এর জন্য তওবা আবশ্যক। অর্থাৎ আল্লাহর হকসম্পৃক্ত সব গুনাহই যথাযথ তওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আর বান্দার হকসম্পৃক্ত গুনাহের ক্ষেত্রে তওবার পাশাপাশি বান্দার কাছ থেকে ক্ষমা চাওয়াও আবশ্যক। মুত্তাকিদের গুণাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে সুরা আলে ইমরানে মহান আল্লাহ বলেছেন, (মুত্তাকি তারাই) যারা সুখে ও দুঃখে দান করে, ক্রোধ দমন করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে। আর আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।

এ আয়াতে মুত্তাকিদের তিনটি গুণের কথা বলা হয়েছে। সবই আমাদের হৃদয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কৃপণতা না করে সুখে-দুঃখে আল্লাহর রাস্তায় দান করা, ক্রোধ দমন করা, ক্ষমা করা-এগুলো মুত্তাকিদের বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ বলেন, ক্রোধ না থাকা মুত্তাকিদের বৈশিষ্ট্য। বরং তিনি ক্রোধ দমনের কথা বলেছেন। সৃষ্টির নিয়মে আমাদের ভিতর ক্রোধ থাকবে। তবে সেই ক্রোধ কে কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারল, আল্লাহ সেটাই দেখবেন। আবার ক্ষমা এমন গুণ, বান্দা যদি ক্ষমা করে, আল্লাহও তাকে ক্ষমা করেন। ক্ষমা করা বড় হৃদয়ের পরিচয়। যারা ক্ষমা করতে পারে না, তাদের হৃদয় ছোট। সমুদ্রের ভিতর যদি ময়লা পড়ে, মুহূর্তে ময়লার টুকরো সমুদ্রের গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। কিন্তু ময়লার ওই টুকরো যদি কুয়ার ভিতর পড়ে, তবে ময়লাটি হারিয়ে যায় না। বরং চোখের সামনে দৃশ্যমান হয়ে থাকে। আমাদেরকে সমুদ্রের মতো বড় হৃদয়ের অধিকারী হতে হবে। জীবন চলার পথে নানা আঘাত, দুঃখ-বেদনা আসবে। কিন্তু সেগুলো মনে পুষে রাখা যাবে না। বরং সমুদ্রের মতো সেসব দুঃখ-বেদনা বিলীন করে দিতে হবে। এক চাকর বারবার ভুল করে আর ক্ষমা চায়। মালিক একসময় বিরক্ত হয়ে বলে, আর কত ক্ষমা করব! তোমার কাজই তো সব সময় ভুল করা। তখন চাকর বলে, আপনি আল্লাহর কাছে যতবার ক্ষমার আশা করেন, আমাকেও ততবার ক্ষমা করুন। এটি একটি শিক্ষণীয় গল্প। আমরা অধীনস্থদের সামান্য ভুলেই বিরক্ত হই, দুর্ব্যবহার করি। স্ত্রী- সন্তানদের সঙ্গেও খারাপ ব্যবহার করি। তাদের সামান্য ভুলে ত্যক্ত হয়ে উঠি। তাদের ক্ষমা করি না। কিন্তু আমাদের ভাবা উচিত, আমরা আল্লাহর কাছেও বারবার ভুল করি এবং প্রত্যাশা রাখি, প্রত্যেকবারই আল্লাহ যেন আমাদের ক্ষমা করেন। আমরা যতক্ষণ না ক্ষমা করব, ততক্ষণ আমাদের হৃদয় ভারী হয়ে থাকবে। ধীরে ধীরে এই ভারত্ব বাড়তেই থাকবে। আধা লিটার পানির একটি বোতল হাতে ধরে রাখা খুব সহজ। কিন্তু এই বোতলটাই যদি আমরা পাঁচ-সাত ঘণ্টা ধরে রাখি, তবে এটাই আধামণ ভারী হয়ে উঠবে। ক্ষোভ পুষে রাখার ব্যাপারটাও তাই।

আমাদের নিজেদের প্রয়োজনেই অন্যকে ক্ষমা করা উচিত। কারণ আমরা যত ক্ষমা করব, তত নির্ভার থাকব। আমরা যতক্ষণ ক্ষমা না করব, ততক্ষণ কুয়ার ময়লার মতো আমাদের হৃদয় ময়লা হয়ে থাকবে। এ ময়লা নিয়ে কেউ ভালো থাকতে পারে না। তাই নিজেদের ভালো থাকার স্বার্থেই আমাদের ক্ষমার গুণ অর্জন করা উচিত। হাদিসের একটি ঘটনা বলি। হাদিসটি মুসনাদে আহমাদে এসেছে। একবার রসুল (সা.) সাহাবিদের সঙ্গে বসেছিলেন। হঠাৎ তিনি বললেন, এখন এমন এক ব্যক্তি আমাদের মাঝে উপস্থিত হবেন, যিনি জান্নাতি। দেখা গেল, একটু পর একজন আনসার সাহাবি এলেন, যার মুখমণ্ডল দিয়ে অজুর পানি ঝরছে এবং তার বাম হাতে জুতা। পরপর তিন দিন একই ঘটনা ঘটল। তখন ওই জান্নাতি সাহাবির গোপন আমলের ব্যাপারে আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.)-এর কৌতূহল হলো। আমাদের সমাজে কেউ হঠাৎ বড়লোক হয়ে গেলে তার ব্যাপারে আমাদের কৌতূহল হয়। ধনী হওয়ার রহস্য উন্মোচন করে আমরাও তার মতো ধনী হওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু সাহাবিদের ধ্যানজ্ঞান ছিল পরকাল, জান্নাত। তাই আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) ওই সাহাবির গোপন আমল অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিলেন। তিন দিনের জন্য তিনি তাঁর মেহমান হলেন। কিন্তু এই তিন দিনে নিয়মিত আমলের বাইরে বিশেষ কোনো আমল দেখা গেল না। অবশেষে ওই সাহাবিকে তাঁর মেহমান হওয়ার গোপন উদ্দেশ্য খুলে বললেন। তখন সাহাবি বললেন, আমার তেমন বিশেষ কোনো আমল নেই। তবে একটা কাজ আমি নিয়মিত করি। সেটা হলো, প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে সবাইকে ক্ষমা করে দিই। কারও প্রতি কোনো ধরনের বিদ্বেষ রাখি না। হাদিসের এ ঘটনায় আমাদের জন্য অনেক বড় শিক্ষা রয়েছে। এ থেকে আমরা বুঝতে পারলাম, নিয়মিত ক্ষমা করতে থাকা, কারও প্রতি রাগ-ঘৃণা-বিদ্বেষ পুষে না রাখা জান্নাতি মানুষের আলামত। তাই আসুন, আমরা হৃদয়টাকে কোমল করি, সবাইকে ক্ষমা করার গুণ অর্জন করি। তাহলে আমাদের দুনিয়া ও আখেরাত শান্তিময় হয়ে উঠবে।




খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় শেকৃবিতে দোয়া মাহফিল

শেকৃবি প্রতিনিধিঃ অ্যাগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (অ্যাব) শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) শাখার উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার জোহরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ। অ্যাব শেকৃবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. এ কে এম রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ ও অ্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশার, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আরফান আলী, পরিকল্পনা উন্নয়ন ও ওয়ার্কস পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ছরোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ড. এইচ এম এম তারিক হোসেন এবং সাউরেস পরিচালক অধ্যাপক ড. এফ এম আমিনুজ্জামান।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন অ্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও শেকৃবি বহিরাঙ্গন কার্যক্রম পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. জামশেদ আলম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক খোন্দকার আসাদুজ্জামান, আইসিটি পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. জামিলুর রহমান, পরিবহন পুলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক মোহা. আশাবুল হক, অ্যাব শেকৃবি শাখার সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মো. নজরুল ইসলাম সুলতানসহ বিভিন্ন অনুষদের চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি এবং দেশের উন্নতি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।




আজকের নামাজের সময়সূচি—১১ ডিসেম্বর ২০২৫

ইসলামিক ডেস্কঃ আজ বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৭।

ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—

জোহরের সময় শুরু – ১১টা ৫৫ মিনিট।

আসরের সময় শুরু – ৩টা ৩৬ মিনিট।

মাগরিব – ৫টা ১৬ মিনিট।

এশার সময় শুরু – ৬টা ৩৪ মিনিট।

আগামীকাল ফজর শুরু – ৫টা ১৫ মিনিটে।

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত – ৫টা ১১ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় – ৬টা ২৭ মিনিটে।




এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য সুখবর—আজ মিলছে মূল নম্বরপত্র

বিশেষ প্রতিবেদকঃ ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ঢাকা বোর্ডের মূল নম্বরপত্র বিতরণ শুরু হচ্ছে আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) থেকে যা চলবে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ সময়ে শিক্ষার্থীদের মূল নম্বরপত্র গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়। অফিস আদেশে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২০২৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র বা ছাত্রীদের মূল নম্বরপত্র নিম্নে বর্ণিত সময় ও তারিখ অনুযায়ী বোর্ডের সনদ শাখা থেকে গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। এসব মূল নম্বরপত্র ১০ থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে সনদপত্র শাখার ৪নং ভবনের ৫ তলা থেকে সংগ্রহ করত হবে।

অফিস আদেশে জানানো হয়, টাঙ্গাইল ও ঢাকা জেলার মূল নম্বরপত্র পাওয়া যাবে ১০ ডিসেম্বর, নরসিংদী, ফরিদপুর জেলার মূল নম্বরপত্র পাওয়া যাবে ১১ ডিসেম্বর, মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ জেলার মূল নম্বরপত্র পাওয়া যাবে ১৪ ডিসেম্বর, কিশোরগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলার মূল নম্বরপত্র পাওয়া যাবে ১৫ ডিসেম্বর, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার মূল নম্বরপত্র পাওয়া যাবে ১৭ ডিসেম্বর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ জেলার মূল নম্বরপত্র পাওয়া যাবে ১৮ ডিসেম্বর, গাজীপুর জেলার মূল নম্বরপত্র পাওয়া যাবে ২১ ডিসেম্বর এবং ঢাকা মহানগরের মূল নম্বরপত্র পাওয়া যাবে ২২ ডিসেম্বর।

অফিস আদেশে আরো বলা হয়, আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূল নম্বরপত্র গ্রহণ করার জন্য বিভাগওয়ারী কতজন ছাত্র বা ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে তার বিবরণসহ নিজে অথবা দায়িত্বশীল প্রতিনিধিকে প্রাধিকার পত্র দিয়ে তিনটি নমুনা স্বাক্ষর সত্যায়িতসহ মূল নম্বরপত্র গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।