জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন চার সদস্যের শ্রদ্ধা

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির নবনিযুক্ত ৪ সদস্য।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় তারা সেখানে যান। প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং পরে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

তারা হলেন রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, আমান উল্লাহ আমান, ইসমাইল জবিউল্লাহ ও অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব ও মীর সরাফত আলী সফুসহ নেতাকর্মীরা।

এর আগে গত ১৫ আগস্ট স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে নিয়োগ পান তারা।




এমপি আয়নুল হকের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আইনুল হকের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

সংসদ সদস্যের গাড়িতে হামলার ঘটনার প্রতিবাদে রায়গঞ্জের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ মিছিল করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।

ঘটনার পর এমপির সঙ্গে থাকা ফয়সল বিশ্বাস নামের একজনের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে এমপি আইনুল হক বলেন, দেশের মানুষের জন্য কাজ করার উদ্দেশ্যে তারা বের হয়েছিলেন। এ সময় কিছু দুষ্কৃতকারী হত্যার উদ্দেশ্যে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। একজন সংসদ সদস্য হয়েও তিনি বর্তমানে নিরাপদে নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

এ সময় এমপির সঙ্গে থাকা ফয়সল বিশ্বাস ফেসবুক লাইভে এসে অভিযোগ করে বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর ইন্ধনে ছাত্রশিবির ও এনসিপির নেতাকর্মীরা এমপির গাড়িবহরে হামলা চালিয়েছে।’

রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের রায়গঞ্জে একটি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি নির্মাণের জন্য কয়েকটি স্থান নিয়ে আলোচনা চলছে। বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে জোড় দাবি জানানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনের জন্য।

এমন পরিস্থিতিতে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের স্থান নির্ধারণ বিষয়ে আলোচনার জন্য রায়গঞ্জ পৌর বিএনপি একটি সভার আয়োজন করে। আজ শনিবার বিকেলে ধানগড়া বাজারে পৌর বিএনপির সভাপতি হাতেম আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান মিরনের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য আয়নুল হক।

শামসুল ইসলামের অভিযোগ, সভায় স্থানীয় বিএনপির পাশাপাশি জামায়াত, শিবির নেতাকর্মী ও সাবেক সমন্বয়কেরা উপস্থিত ছিলেন। জামায়াত, শিবির নেতাকর্মী ও সাবেক সমন্বয়কেরা সভার শুরুতেই ধানগড়ায় সেন্টারটি নির্মাণের দাবিতে স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এ অবস্থায় সংসদ সদস্য এটির স্থান নির্বাচনে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়ে বক্তব্য শেষ করে চলে যাওয়ার মুহূর্তে আচমকা তার গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়।

সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিএনপির অভ্যন্তরীণ গ্রুপিংয়ের কারণে তারা নিজেরাই নিজেদের গাড়ি ভাঙচুর করে এর দায় জামায়াতে ইসলামীর ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমরা এ ধরনের নোংরা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’




বিএনপির মূল কারিগর খালেদা জিয়া: মির্জা ফখরুল

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিএনপিকে আজকের অবস্থানে নিয়ে আসার মূল কারিগর হিসেবে বেগম খালেদা জিয়াকে আখ্যা দিয়েছেন বিএনপির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সদস্য সচিব মাওলানা অ্যাডভোকেট আবুল হোসেইন মোনাজাত ও দোয়া পরিচালনা করেন।

মোনাজাতে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন এবং বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও আত্মিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

দোয়া ও মিলাদের আগে বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন অকুতোভয় গণতান্ত্রিক নেতা, যিনি তার সারাজীবন গণতন্ত্রের জন্য উৎসর্গ করেছেন। আজকের এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন, যিনি বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছেন।

নিজের আপসহীন নেতৃত্ব ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি বারবার বাংলাদেশকে গণতন্ত্রে ফিরিয়ে এনেছেন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

ফখরুল আরও বলেন, দীর্ঘদিন সংগ্রাম-লড়াই করা, কোনো বিষয়ে আপস না করা, দলকে আগলে রাখা এবং নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে তিনি বিএনপিকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। বিএনপি আজ যে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক গণদল, তার মূল কারিগরই আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার আদর্শ ও অনুপ্রেরণা আমাদের সবসময় পথ দেখায়।

মির্জা ফখরুল সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে বিশেষ দোয়া ও মাগফিরাত কামনা করেন।

এর আগে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকাসহ সারাদেশে দলীয় কার্যালয় ও বিভিন্ন মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবেই নয়াপল্টনে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।




১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী কর্নেল অলির মনোনয়নপত্র দাখিল

১১ দলীয় ঐক্যজোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের পক্ষে নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল করে ড. হামিদুর রহমান আযাদের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল।

এ সময় জোটের শরিক দলগুলোর কয়েকজন নেতাও উপস্থিত ছিলেন। 

পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীরবিক্রম)।

আগামী ২০ আগস্ট দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ জন্য বৃহস্পতিবার নিজেদের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেবে সরকারি দল ও বিরোধী দল।

সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৬ আগস্ট। 

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আগামী ১৮ আগস্ট। আগামী ২০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।




জরুরি বৈঠকে বিএনপি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে জরুরি বৈঠকে বসেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠক শুরু হয়। দলের সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বৈঠকে বিএনপির শীর্ষ ও জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী কে হবেন, বৈঠকে সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে।

দলীয় উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্রের দাবি, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকেই রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির প্রস্তুতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মির্জা ফখরুল।

আগামী ২০ আগস্ট দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া পদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য জাতীয় সংসদের বিশেষ বৈঠক ডেকেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসীর উদ্দীন।

নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির মহাসচিবের পদটি শূন্য হবে। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পাশাপাশি দলের পরবর্তী মহাসচিব কে হবেন, তা নিয়েও বিএনপির অভ্যন্তরে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের নাম আলোচনায় রয়েছে।




মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের প্রতিবাদে রংপুরে এবার জামায়াতের বিক্ষোভ–সমাবেশ

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের প্রতিবাদে রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

আজ বুধবার দুপুরে রংপুর মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এটি সিটি বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, প্রেসক্লাব ও গ্র্যান্ড হোটেল মোড় ঘুরে শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান। সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক (কাজল)। বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হক।

সমাবেশে এ টি এম আজম খান বলেন, মন্ত্রীর বক্তব্যে এমন ধারণা পাওয়া যায় যে রংপুরের মানুষ বিএনপির পরিবর্তে জাতীয় পার্টি বা জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়ায় এ অঞ্চল কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে রয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য রংপুরবাসীর রাজনৈতিক সচেতনতা, স্বাধীন মতপ্রকাশ ও সাংবিধানিক অধিকারকে খাটো করে। কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়া হবে, সেটি জনগণের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। উন্নয়নের সঙ্গে রাজনৈতিক পছন্দের সম্পর্ক তৈরি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারের দায়িত্ব দলমত–নির্বিশেষে দেশের সব অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য অধিকার ও সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

রংপুরের দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন, তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানান এ টি এম আজম খান।

সমাবেশ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক আনুগত্যের সঙ্গে উন্নয়নকে যুক্ত না করে রংপুরের মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান, সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক, অ্যাসাইনমেন্ট সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল গনি, কোতোয়ালি থানা আমির মাওলানা গোলাম কিবরিয়াসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত রোববার রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘রংপুরের লোকেরা, আমরা সব সময় পিছিয়ে পড়া। কেন পিছিয়ে পড়া? আমরা তো সঠিক জিনিসটাই বুঝি না। যখন বিএনপি সরকার আসবে, তখন আপনারা করবেন জাতীয় পার্টি; যখন বিএনপি সরকার আসবে, তখন আপনারা করবেন জামায়াত। তাহলে কেমনে হবে? পাবেন কেমনে?’

মন্ত্রীর ওই বক্তব্যের পরে রংপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে এর পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা শুরু হয়। ওই বক্তব্যের প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার রাতে রংপুরে জামায়াতের ১১ জন সংসদ সদস্য সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় তাঁরা বলেন, রংপুরের মানুষ কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেবেন, সেটি তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার। উন্নয়নের সঙ্গে কোনো অঞ্চলের মানুষের রাজনৈতিক পছন্দকে শর্তযুক্ত করা যাবে না।




মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করার চেষ্টা করছে স্বাধীনতাবিরোধীরা: রিজভী

স্বাধীনতাবিরোধীরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘আমার পরিচিতি বাংলাদেশি। এটা ৭১-এর অর্জন। আমরা তাদের উত্তরসূরি, যারা যুদ্ধ করেছেন।’

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করার চেষ্টা কারা করছে, সে প্রশ্ন তুলে রিজভী বলেন, ‘যারা সেদিন স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে। এদের বীরত্বের ইতিহাস নাই, শুধু আছে দালালির ইতিহাস।’

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন।  ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামায়াতে ইসলামীর ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে’ সংবাদ সম্মেলন, বিক্ষোভ মিছিল ও এই সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম।

প্রথমে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন হয়। পরে রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এরপর সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করা হয়।

এসময় রিজভী আরও বলেন, আওয়ামী লীগের কৃপা পাওয়ার জন্য জামায়াতে ইসলামী সব সময় চেষ্টা করেছে। ১৯৮৬ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে নির্বাচনে গেছে। ২০০৮ সালের পাতানো নির্বাচনে হুমকি দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচন করার জন্য বাধ্য করেছে।

তিনি বলেন, জামায়াত জোরেশোরে বলেছে, পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলবে। যারা আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করছে, যে ভারতে প্রতিদিন মুসলমানদের ওপর অত্যাচার হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এক কোটির মতো মুসলমানকে তাড়িয়ে দেবে বলেছে, যারা ইসরায়েলকে তাদের পিতৃভূমি বলে, তাদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী আঁতাত করতে চায়।

জামায়াতে ইসলামীর প্রধানের বাসভবনে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সেখানে ‘সর্বশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা’র কোনো ছবি নেই। সেখানে ৭ মার্চের শেখ মুজিবের ভাষণের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, ‘এখানেই বোঝা যায়।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের দাঁড়িপাল্লা আঁকার প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, ‘৭১-কে হালকা করে দেখিয়েছে। এগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একাত্তরের চেতনা আমাদের বুকের মধ্যে ছিল বলেই আমাদের সন্তানরা ২৪-এ শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্টকে তাড়িয়ে দিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকে খুবই চক্রান্তমূলকভাবে কোনটা বড়, কোনটা ছোট, এটা যাচাই করার চেষ্টা করছেন। এটাতে কোনো লাভ হবে না। এই জাতি স্বাধীনতা রক্ষা করতে জানে।’




গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন ডা. শফিকুর রহমান: রাশেদ খাঁন

গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সর্বপ্রথম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বেইমানি করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।

শনিবার সকালে নিজ গ্রাম ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী মুরারীদহ এলাকার ‘মিয়ার দালান’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খাঁন বলেন, ডা. শফিকুর রহমানকে এতদিন মজলুম নেতা হিসেবে জানতাম। তবে তিনি যে মুখোশধারী ছিলেন, তা গণঅভ্যুত্থানের পরই স্পষ্ট হয়েছে। তিনি গণঅভ্যুত্থানের পর প্রথম আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন- অর্থাৎ গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানিটি তিনিই করেছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা দেখেছি জামায়াতে ইসলামী জান্নাতের টিকিট বিক্রি করেছে। ক্ষমতায় আসার জন্য এমন কোনো অন্যায়, অপরাধ, মিথ্যাচার ও মুনাফেকি নেই যা তারা করেনি। জনগণ এখন বুঝতে পেরেছে, এ দেশের যা কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন, তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে হয়েছে। ঠিক একইভাবে আগামীর বাংলাদেশের পরিবর্তন হবে দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে।

সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের ভূমিকা প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, নাহিদ ইসলাম গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত একদম সঠিক পথেই ছিলেন। কিন্তু যে মুহূর্তে তিনি জামায়াতে ইসলামীর ফাঁদে পা দিয়েছেন, ঠিক তখন থেকেই তিনি বিপথগামী হয়েছেন।

ঐতিহ্যবাহী ‘মিয়ার দালান’ পরিদর্শনকালে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।




আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ আছে বলে মনে করি না: জামায়াত আমির

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরা প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাজনীতিতে তাদের ফেরার সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না। এ দেশের রাজনীতি তারাই হত্যা করেছে। তারা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। অসংখ্য মায়ের বুক খালি করেছিল, অসংখ্য মানুষ ঘুম হয়েছিল, গুম হওয়া সবাই ফিরে আসেনি এখনো। এ অবস্থায় আওয়ামী লীগ এখনই রাজনীতিতে চলে আসবে?

আজ শুক্রবার সকালে বাগেরহাট জেলা জামায়াতের রুকন সম্মেলনে যোগ দেয়ার আগে সার্কিট হাউসে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জামায়াত আমির বলেন, আওয়ামী লীগ এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেনি, সামান্য অনুশোচনাও নেই তাদের। যে দল এ দেশের অসংখ্য মানুষকে গুম করল, খুন করল, অসংখ্য মানুষকে পঙ্গু করল, একটা জেনারেশনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেল, তাদের কোনো অনুশোচনা দেখা গেল না। শুধু দল ভারী করার জন্য তাদের রাজনীতিতে আনা অন্যায়, জঘন্য অপরাধ। এ ধরনের জঘন্য অপরাধ কারো করা উচিৎ হবে না।

তিনি বলেন, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। জায়গাটা সরকার যত সামাল দেবে বাংলাদেশের ততো সুন্দরভাবে পরিচালিত হবে। আমরা সংসদের ভেতরে অবশ্যই সহযোগিতা করছি। আর যেখানে বিরোধিতা করা দরকার, সেখানে বিরোধিতা করছি।

জুলাই সনদ প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখনো আমরা দুই মেরুতে আছি। দেশের ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অবশ্যই সম্মান করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই অপমান করতে দেয়া হবে না।

জাতীয় সংকট মোকাবেলায় সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করলে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব উল্লেখ করে তিনি বলেন, তেলের সংকটের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার ও বিরোধী দল একযোগে পদক্ষেপ নেয়ার পরই জ্বালানি তেলের সংকট কেটে যায়। অথচ কেউ অতিরিক্ত তেল সরবরাহ করেনি। এতে বোঝা যায়, সমন্বিত উদ্যোগ অনেক সংকটের কার্যকর সমাধান দিতে পারে।

সংসদে বিরোধীদলের ভূমিকা নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।এক সময় সংসদে মারামারি হয়েছে। ফাইল ছুড়ে মারা হয়েছে। একে অন্যের দিকে তেড়ে গেছে। অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে। আমরা সে পার্লামেন্ট চাই না। আমরা একটা সভ্য জগতের পার্লামেন্ট দেখতে চাই। এজন্য প্রথম দিন থেকে বিরোধীদল হিসেবে আমাদের ভূমিকা ছিল গঠনমূলক এটা আমরা অব্যাহত রাখব। কোনো উস্কানিতেই এ জায়গা থেকে আমরা সরে আসব না।

বাগেরহাট জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় ছিলেন জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মো. মশিউর রহমান , বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীমসহ জেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

পরে তিনি বাগেরহাট কামিল মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জেলা জামায়াতের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।




জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

 জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সকাল সাড়ে ৯টার পর তিনি জাদুঘর উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্যরা।

সকাল ৯টা নাগাদ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে উপস্থিত হন তারেক রহমান। উদ্বোধনের পর অতিথিদের নিয়ে জাদুঘর ঘুরে দেখেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় এ ভবন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাসস্থান হিসেবে ব্যবহার করবেন। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে এখান থেকেই ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান। এর আগের এক মাসে জনবিক্ষোভে আইনশৃংখলাবাহিনী ও ক্ষমতাসীন দলের হামলায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত ও হাজার হাজার আহত হন।

অভ্যুত্থানের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। পরে এ সরকারের অধীনেই জুলাইয়ের নানা স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে সেই গণভবনে তৈরি করা হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর।

জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের দিন বিশেষ অতিথি ও শহীদ পরিবারের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার থেকে সাধারণ জনগণের জন্য এটা উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী।

গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক জুলাই গণঅভ্যুত্থান এর গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং শহিদ ও জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা ও আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণ করে জুলাই যোদ্ধা এবং জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যগণ বক্তব্য প্রদান করবেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস ভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে দেশের বিশিষ্ট শিল্পীদের অংশগ্রহণে দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও পরিবেশনার মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, দেশপ্রেম এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ তুলে ধরা হবে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক উপস্থিত সকল অতিথি, জুলাই যোদ্ধা, শহিদ পরিবারের সদস্য, আমন্ত্রিত অতিথি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন।

অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ, কূটনীতিক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সংস্কৃতিজন, জুলাই যোদ্ধা, জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন।

জাদুঘরে প্রবেশের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে টিকিটের ব্যবস্থা থাকবে। এখানে বড়দের জন্য ৫০ টাকা এবং ছোটদের জন্য ২৫ টাকা টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।