ঢাকা-১৫ এর ৪ নং ওয়ার্ডে এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময়ে মিল্টন: “জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনাই আমার প্রধান অঙ্গীকার”

এসএম বদরুল আলমঃ ঢাকা ১৫ আসনের অন্তর্ভুক্ত ৪ নং ওয়ার্ড এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী জনাব শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। সভায় তিনি এলাকার নানা সমস্যা, নাগরিক ভোগান্তি এবং আগামী দিনের পরিকল্পনা তুলে ধরে জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, “ঢাকা-১৫ এ ন্যায়বিচার, উন্নয়ন এবং মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা আমার প্রথম কাজ।” “এলাকার রাস্তাঘাট, পানি–গ্যাস সংকট এবং নিরাপত্তা—এসব সমস্যা সমাধানে জনগণের ম্যান্ডেট পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবো।” “এই আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়, উন্নয়ন চায়, স্বচ্ছ রাজনীতি চায়। আমি আপনাদের সন্তান—আপনাদের সহযোগিতা পেলেই আমরা মিলেই এই পরিবর্তন আনবো।”“দমন-পীড়ন আর মিথ্যা মামলার রাজনীতি বন্ধ করে একটি শান্তিপূর্ণ এলাকাই আমার লক্ষ্য।” “আমি ব্যক্তিগত স্বার্থে রাজনীতি করি না—এই এলাকার প্রতিটি মানুষের অধিকার রক্ষা করতে চাই।”

মতবিনিময় সভায় ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তি, যুবসমাজ, ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন। তারা মিল্টনকে সমর্থন জানিয়ে এলাকার উন্নয়নে তার পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।




ঢাকায় সফররত কমনওয়েলথ প্রতিনিধি দলের সাথে জাতীয় পার্টির বৈঠক অনুষ্ঠিত।

এসএম বদরুল আলমঃ আজ ২৩ নভেম্বর ২০২৫, সন্ধ্যায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এ কমনওয়েলথ প্রতিনিধি দলের সাথে জাতীয় পার্টির এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জাতীয় পার্টির নেতৃত্ব দেন দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের এবং কমনওয়েলথ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন কমনওয়েলথ এর মহাসচিব শার্লি আয়োরকর বচওয়েক।

উক্ত বৈঠকে আলোচনার মুল বিষয় ছিলো, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের অবস্থা, রাজনৈতিক পরিবেশ এবং আর্ন্তজাতিক ভাবে গ্রহনযোগ্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের অভিযোগ করে বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহনমুলক নির্বাচনে সকলের জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত করছে না অন্তবর্তীকালীন সরকার। ঐক্যমত কমিশন এবং নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে জাতীয় পার্টিকে অংশগ্রহনের সুযোগ দেয়া দেয়া হয় নাই।

এই বৈঠকে জাতীয় পার্টির প্রতিনিধি দলের সাথে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী, প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আবদুস সবুর আসুদ, ইঞ্জিনিয়ার মইনুর রাব্বি চৌধুরী, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মেজর (অব:) মোঃ মাহফুজুর রহমান এবং কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম প্রমুখ। কেমনওয়েলথ এর পক্ষে আরো ছিলেন কমনওয়েলথ এর আইনী উপদেষ্টা ডাঃ দিনুষা পন্ডিত রত্ন, সহকারী গবেষণা কর্মকর্তা মিঃ সার্থক রায়।




ঝালকাঠির জেলা প্রশাসকের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন এবি পার্টির শেখ জামাল

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোঃ মমিন উদ্দিন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন এবি শ্রমিক পার্টির কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক শেখ জামাল হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আমার বাংলাদেশ পার্টির ঝালকাঠি জেলা আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক জামাল হোসেন হাওলাদার, সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম বশির, এবি শ্রমিক পার্টির জেলা আহ্বায়ক শেখ মিজানুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এসময় জেলা প্রশাসক এর সাথে আন্তরিক পরিবেশে ঝালকাঠির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ঝালকাঠি -২ আসনের এবি পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ জামাল হোসেন তার দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানান।




ঢাকা-১৫ আসনে ভোটার জরিপে বড় ব্যবধানে এগিয়ে মিল্টন

এসএম বদরুল আলমঃ ঢাকা-১৫ আসনে ভোটারদের সাম্প্রতিক মতামত জরিপে বিএনপির ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে এগিয়ে দেখা গেছে। এলাকার ২০০ জন ভোটারকে নিয়ে করা এই জরিপে প্রায় ৭৮ শতাংশ জানিয়েছেন যে তারা মিল্টনকে ভোট দিতে চান। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ড. শফিকুর রহমানের পক্ষে এসেছে প্রায় ২২ শতাংশ ভোটারের সমর্থন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকা-১৫ সবসময়ই প্রতিযোগিতামূলক একটি আসন হিসেবে পরিচিত। এবারও দুইজন হেভিওয়েট প্রার্থী মাঠে থাকলেও জরিপে লড়াইটা আপাতত একতরফা বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। জরিপে আরও দেখা গেছে, জামায়াত আমির ড. শফিকুর রহমান এলাকায় মোটামুটি গ্রহণযোগ্য অবস্থায় থাকলেও জাতীয় পার্টি বা আওয়ামী লীগের প্রতি উল্লেখযোগ্য সমর্থন পাওয়া যায়নি।

এ এলাকার ভোটাররা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের উন্নয়ন স্থবিরতা, স্থানীয় সমস্যার জট, এবং প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিই তাদের সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রেখেছে। যদিও বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসবে, প্রচারণা, মাঠের কার্যক্রম এবং সামগ্রিক জাতীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভোটারদের মনোভাবে পরিবর্তন আনতে পারে। তাই শেষ পর্যন্ত ফল কী হবে, তা নির্ভর করছে আসন্ন সপ্তাহগুলোর রাজনৈতিক পরিবেশ ও ভোটার উপস্থিতির ওপর।




মাহফুজ আলম ও এনসিপি নেতাদের দুর্নীতির প্রমাণ ফাঁস করব : মুনতাসির

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবং এনসিপি নেতাদের দুর্নীতির প্রমাণ ফাঁস করার হুমকি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে (এনসিপি) স্থায়ীভাবে অব্যাহতি পাওয়া কেন্দ্রীয় সংগঠক মুনতাসির মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘একটু চুপ আছি। কষ্ট হচ্ছে, মেনে নিয়েছি। অনেকদিন পর ৫ ঘণ্টা ঘুমালাম। খুব মজা করে পরোটা-ডাল খাইলাম। ধৈর্য ধরে আছি। আমার কোনো ব্যাকআপ নেই, কেউ নাই সাথে। জামাত-শিবিরের পক্ষে পোস্ট দেখে ভাবতে পারেন, সেদিক থেকে সমর্থন পাচ্ছি। আমি নিশ্চিত করছি, জামাত শিবির থেকেও আমি কোনো সাপোর্ট পাচ্ছি না। জামাত সাপোর্ট দিলে রেড ক্রিসেন্টে আমার এই অবস্থা হতো না, তাদের সাহায্য আমি চেয়েছিলাম।’

দুর্নীতি ফাঁস করবেন জানিয়ে মুনতাসির বলেন, ‘সময় নিয়ে উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবং এনসিপি নেতাদের দুর্নীতির প্রমাণ ফাঁস করব আমি। যা আমি বলি, তা আমি করি। প্রমাণের অভাব নাই, কিন্ত এগুলা গুছিয়ে আনা লাগে। আমার কোনো টিম নাই, ভিডিও আমি করি, এডিটও আমি করি। লাইভ করি, ইউটিউবে আপলোড করি, সেটার থাম্বনেইলও আমাকে বানাতে হয়। আমার দুর্নীতির টাকা নাই।’ 

তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা নাই। একাধিক উপদেষ্টা আমার বিরুদ্ধে সরাসরি কাজ করছেন। সুযোগ পাইলেই আমার ক্ষতি করবে। আমার ফেসবুক সর্বোচ্চ রেস্ট্রিকটেড করে রাখা হয়েছে। যেখানে সেদিন ৭০০০ লোক একসঙ্গে লাইভ দেখেছে, সেখানে এখন ৫০ জনও একসঙ্গে লাইভ দেখে না। এটা ক্ষমতার অপব্যবহার। আমি হতাশ নই তবে বেশ কষ্টে আছি। মেনে নিয়েছি, আমি জানি, আমি জিতবো, এটা আল্লাহর ওয়াদা।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এই কেন্দ্রীয় সংগঠক বলেন, ‘যারা আমাকে এই সংক্রান্ত কাজগুলোতে সহযোগিতা করতে পারবেন, তারা যোগাযোগ কইরেন। দয়া করে কেউ হাই হ্যালো কইরেন না, যথাযথ কারণসহ মেসেজ দিয়েন। আমি এন্ড্রয়েড ফোনের জন্য ভালো একটা মাইক্রোফোন কিনতে চাই, অভিজ্ঞরা সাজেস্ট কইরেন। যারা নির্বাচনী ব্যানার ফেস্টুনের কাজে সহযোগিতা করতে চান, কইরেন। টাকার অভাবে কাজটা শেষ করতে পারছি না!  সর্বোপরি, আমার জন্য দোয়া কইরেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘সততা এবং দুর্নীতি ছাড়াও রাজনীতি হয়, সেটা আমি দেখিয়ে দেব। এত এত ঘৃণার ভিড়েও কিছু মানুষ আমাকে ভালোবাসেন, আমি জানি। আমিও তাদের ভালোবাসি, ভালোবাসি বাংলাদেশ।’ 

 




এত আলেম, মসজিদ-মাদ্রাসা থাকতে দেশে অন্যায়-দুর্নীতি কেন: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে অগণিত মুসলমান, মাদ্রাসা, মসজিদ, ইমাম-উলামা থাকা সত্ত্বেও কেন এত অন্যায়, দুর্নীতি, চুরি ও অর্থপাচার হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘একটা মসজিদ তৈরি করতে মানুষ যে আগ্রহ দেখায়, সেই আগ্রহ ভালো মানুষ তৈরিতে কোথায় হারিয়ে যায়, বুঝি না।’ 

শনিবার (২২ নভেম্বর) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক গণশিক্ষার কেয়ারটেকারদের আলোচনা সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ফখরুল বলেন, ধর্ম ও নৈতিকতা সমাজে কীভাবে প্রয়োগ করা যায়, তা নিয়ে দেশে আরও গভীর আলোচনা ও কার্যকর উদ্যোগ জরুরি। এ প্রসঙ্গে তিনি ইন্দোনেশিয়ার উদাহরণ তুলে বলেন, ‘সেখানে সরকার যেই হোক—কমিউনিস্ট বা ইসলামী—গণতান্ত্রিক অ্যাসোসিয়েশন অব উলামা নামের শক্তিশালী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয় না।’ তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই ধরনের শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নেই।

বিএনপিকে ‘উদারপন্থী গণতান্ত্রিক দল’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র না থাকলে কোনো শ্রেণি বা ধর্মের অধিকারই প্রতিষ্ঠিত হয় না। তার অভিযোগ, গত ১৫–১৬ বছরে শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে মানুষের ভোটাধিকার থেকে শুরু করে ধর্ম পালনের অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

সমালোচনার সুরে তিনি আরও বলেন, কিছু আলেম–ওলামা শেখ হাসিনাকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দিয়েছেন—যা বহু প্রশ্নের জন্ম দেয়। তার দাবি, আওয়ামী লীগের দলীয়করণে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ইসলামী ফাউন্ডেশনকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুনর্গঠন করা হবে এবং রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, প্রতিদিন সংবাদপত্র খুললেই অসংখ্য অপকর্মের খবর চোখে পড়ে। কিন্তু নৈতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে দেশে হত্যা, রাহাজানি ও অপরাধ অনেকটাই কমে আসত। নৈতিকতার উৎস মাদ্রাসা, স্কুল, শিক্ষক ও পরিবার—এসব প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করাই হওয়া উচিত অগ্রাধিকার।

তিনি সভায় আহ্বান জানান, সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হবে। তার মতে, এমন নির্বাচনের মাধ্যমেই একটি গণতান্ত্রিক সরকার ও গণতান্ত্রিক পার্লামেন্ট গঠন সম্ভব হবে, যেখানে জাতীয় সমস্যাগুলো উত্থাপন ও সমাধান করা যাবে এবং তা-ই হবে জনগণের প্রকৃত সিদ্ধান্ত।




আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: ইশরাক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা–৬ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ইশরাক হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।

শনিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সমাবেশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইশরাক অভিযোগ করে বলেন, ‘শেখ হাসিনা গুপ্ত সন্ত্রাসীদের দিয়ে নির্বাচন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।’

নিজেদের মধ্যে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিভেদ আমাদের দুর্বল করবে। জুলাই আন্দোলনের সব দল একত্রিত না থাকতে পারলে বহিঃশত্রু আমাদের করদ রাষ্ট্রে পরিণত করবে।’

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘দেশকে করদ রাষ্ট্রে পরিণত করতে দেওয়া যাবে না। দেশের জন্য সব বিভেদ ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’




তারেক রহমানের ৬১তম জন্মদিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৬১তম জন্মদিন বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর)। ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন। জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তিনি। 

তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, পোস্টার, ব্যানার লাগানো ও আলোচনা সভাসহ কোনও ধরনের আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান বা উৎসব পালন না করতে ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিএনপি’র সকল ইউনিটের নেতাকর্মীদেরকে দলটির পক্ষে থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যারা এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা ভাবছেন তাদের অর্থ দান করার জন্য বলা হয়েছে।

তারেক রহমানকে শৈশবে তার বাবা-মা তাকে ঢাকা সেনানিবাসের শাহীন হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভর্তি করিয়েছিলেন, যা তখন একটি ইংরেজি-মাধ্যমিক স্কুল ছিল, যেখানে কেবল সেনা সদস্যদের সন্তানদের জন্য উন্মুক্ত ছিল। তিনি তার মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট ও অনার্স-মাস্টার্স পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। স্নাতকোত্তর অধ্যয়নের জন্য, তিনি তার প্রিয় বিষয় হিসেবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে (আইআর) লেখাপড়া করেন।

তারেক রহমান ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলায় প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সদস্য হন। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনের সময় তিনি তার দলের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করেন।

দলের জাতীয় প্রচারণা কৌশল কমিটির সদস্য হিসেবে, তারেক রহমান তার মা যে পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন, তার নির্বাচনী প্রচারণার সমন্বয় সাধন করেছিলেন। পাঁচটি আসনেই তার (বেগম খালেদা জিয়া) বিশাল জয় প্রমাণ করে যে তিনি (তারেক রহমান) একজন সূক্ষ্ম সংগঠক হিসেবে ভবিষ্যতে দলের নেতৃত্বের ভূমিকা গ্রহণ করতে সক্ষম।




আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির ইস্তেহারে শিশুদের নিরাপত্তা বিষয়ে ইউনিসেফের সাথে বৈঠক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গতকাল ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ইউনিসেফের গুলশানস্থ বাংলাদেশ, কার্যালয়ে ইউনিসিফের একটি প্রতিনিধি দলের সাথে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর নেতৃত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত বৈঠকের মুল বিষয় ছিলো আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ইশতেহারে শিশু নিরাপত্তা। বৈঠকে জাতীয় পার্টি তাদের নির্বাচনী ইস্তেহারে শিশুদের নিরাপত্তা বিধানে ৫টি বিষয় সন্নিবেশন করার আশ্বাস প্রদান করেন।

বিষয়গুলো হলো,

১) শিশু ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রনালয় হতে শিশুদের জন্য বাজেট বৃদ্ধি এবং শিশুদের জন্য একটি স্বতন্ত্র বিভাগ চালু করা।
২) ১৮ বছরের নীচে সকল মেয়ে শিশুদের শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা এবং শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা।
৩) ঝড়ে পড়া (ড্রপট আউট) শিক্ষার্থীদের ডাটাবেজ তৈরী করা এবং তাদের পুনরায় বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করা।
৪) বিভিন্ন পর্যায়ে ৩০ হাজার স্থানীয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে শিশু নিরাপত্তা কার্যক্রম বৃদ্ধি করা। প্রায় ৪০ হাজার প্রশিক্ষনার্থী সিসিসিপি কর্মীদের দ্বারা শিশুর সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা।
৫) শুধুমাত্র শিশুদের নিরাপত্তার জন্য সাইবার মিডিয়া এক্ট-এ প্রয়োজনীয় ধারা সন্নিবেশন করা।

উক্ত বৈঠকে জাতীয় পার্টির প্রতিনিধি দলের সাথে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসিডিয়াম সদ্য হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভুইয়া, আরমান হোসেন মিয়া এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মেজর (অব:) মোঃ মাহফুজুর রহমান ।

ইউনিসেফ প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন, রানা ফ্লাওয়ার্স, রিপ্রেজেনেটিটিভ ইউনিসেফ, দীপিকা মেহরিশ শর্মা, চিফ চাইল্ড নিউট্রেশন এন্ড ডেভলোপমেন্ট সেকশন, মিগুয়েল মেটোস মুনাজ, চিফ কমিউনিকেশন এন্ড এডভোকেসী।




হাসিনার পতন দেখে যেতে পারেননি মওদুদ, এটা দুঃখজনক: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা একটা অস্থিরতার মধ্যে বাস করছি। এই অস্থিরতা থেকে যে মানুষগুলো আমাদের পথ দেখাতে পারতেন, তাদের মধ্যে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ছিলেন নিঃসন্দেহে অন্যতম। আমার দুঃখ হয়, তিনি ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন দেখে যেতে পারেননি। যেটি তিনি আন্তরিকভাবেই দেখতে চেয়েছিলেন।’

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ রচিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের লেখা ‘ডিমিস অব ডেমোক্রেসি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘হাসিনার শাসনামলের মতো শেখ মুজিবুর রহমানের সময়েও একইভাবে দেশে দুঃশাসন চলেছে। রক্ষীবাহিনী তৈরি করে মানুষকে নির্যাতন-নিপীড়ন করা হয়েছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ব্যারিস্টার মওদুদ নিষ্ঠার সঙ্গে ইতিহাস চর্চা করতেন। রাজনীতিবিদ মওদুদের কিছুটা সমালোচনা বা বিতর্ক থাকতে পারে, তবে ইতিহাস লেখার ক্ষেত্রে তার সমালোচনা করার কিছু রয়েছে বলে আমার মনে হয় না।’

মওদুদ রাজনীতির বিচিত্রধর্মী পুরুষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপাদমস্তক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক নেতা ছিলেন মওদুদ। বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন সময় তিনি বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়েছেন।

যদি খুঁজে দেখি, গণতন্ত্রে ফিরে আসার উপায়টা বের করতেই তিনি সেখানে গিয়েছেন। এতে তাকে মূল্যায়ন করার ভালো পথ হবে।’

এই মুহূর্তে ব্যারিস্টার মওদুদকে খুব বেশি দরকার ছিল উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, ‘কারণ আমরা একটা অস্থিরতার মধ্যে বাস করছি। এই অস্থিরতা থেকে যে মানুষটি আমাদের পথ দেখাতে পারতেন, দিশা দেখাতে পারতেন তাদের মধ্যে মওদুদ ছিলেন অন্যতম। তিনি ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন দেখে যেতে পারেননি, এটা দুঃখজনক।’

যে তরুণসমাজ আমাদের ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে উদ্ধার করেছে, তাদের জন্য মওদুদের লেখনী গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের এই নেতা।