বিএনপিতে যোগ দিলেন শহীদ মুগ্ধের ভাই স্নিগ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মীর মুগ্ধের যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।

মঙ্গলবার রাতে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি। এসময় মীর স্নিগ্ধের হাতে বিএনপির সদস্য ফরম তুলে দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এসময় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান,  আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির  আহবায়ক আমিনুল হক ও স্নিগ্ধের পিতা  মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।




এনসিপিকে ‌‘শাপলা কলি’ দিয়ে ইসির বিজ্ঞপ্তি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-কে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টি ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলকেও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত তিনটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ‘শাপলা কলি’, বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টি পেয়েছে ‘হ্যান্ডশেক’ আর বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল পেয়েছে ‘কাঁচি’ প্রতীক।

ইসির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এসব রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বা প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে কারো আপত্তি থাকলে ১২ নভেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় দলিলপত্রসহ লিখিতভাবে ইসির সিনিয়র সচিবের কাছে জমা দিতে হবে।




এটাই হয়তো আমার শেষ নির্বাচন: ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজনীতির আকা-বাঁকা পথ পেরুনো গল্প লিখে এয়োদশ সংসদ নির্বাচন হয়তো তার শেষ নির্বাচন বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি কথা লিখেছেন।

রাজনীতিতে সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত বিএনপি মহাসচিব লিখেছেন, আমরা যারা সারাজীবন রাজনীতি করেছি, জেলে গেছি, আমাদের নিজেদের একটা গল্প থাকে! অনেকেই তা জানে না! আমি যখন ১৯৮৭ তে সিদ্ধান্ত নেই, আবার রাজনীতিতে ফিরব, আমার মেয়ে দুটো একদমই ছোট ছিলো! ঢাকায় পড়ত। আমার স্ত্রীর বয়স অনেক কম ছিলো! সে প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল! বুঝতে পারছিল কি ভয়াবহ অনিশ্চিত জীবনে পা দিতে যাচ্ছে!

তিনি বলেন, আমার মেয়ে দুটোর হাত ধরে সেই নিয়ে গেছে স্কুলে, ডাক্তারের কাছে! মনে পরে আমার বড় মেয়ের একটা অপারেশন হবে, আমি সারা রাত গাড়িতে ছিলাম, ঢাকার পথে! যাতে মেয়ের পাশে থাকতে পারি! গল্পগুলো অন্য কোনও দিন বলব যদি আল্লাহ চান! এরকম গল্প আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীর আছে! এই নির্বাচন হয়তো আমার শেষ নির্বাচন!

মির্জা ফখরুল আরো লিখেছেন, মহান আল্লাহর রহমতে বিএনপি আমাকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মনোনীত করেছে! আমি বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, এবং সকল নেতা এবং নেত্রীকে আমার কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। দলের সকল কর্মীকে জানাই আমার আন্তরিক ধন্যবাদ, আজীবন আমার সঙ্গে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

যারা মনোনয় পাননি তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা মনোনয়ন পায়নি, বিশ্বাস রাখুন, ইনশাআল্লাহ দল আপনাদের যথাযথ দায়িত্ব ও সম্মান দেবে! আসুন সবাই একসাথে কাজ করি।

মির্জা ফখরুল লিখেছেন, আপনারা সবাই আমার জন্য দু‘আ করবেন, আমাদের দলের প্রতিটি নেতা কর্মীর জন্য দু‘আ করবেন। আমরা সবাই মিলে আপনাদের পাশে থাকব এবং কাজ করবো। বিএনপির সেই যোগ্যতা আছে, দেশকে মর্যাদার সঙ্গে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার! ইনশাআল্লাহ! আপনারা পাশে থাকবেন।




রুমিন ফারহানাকে মনোনয়ন না দেওয়ায় হিরো আলমের নিন্দা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৩৭ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ৬৩ আসনে এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি। এর মধ্যে বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রত্যাশিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন রয়েছে।

সোমবার (৩ নভেম্বর) প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর ফেসবুকে এক পোস্টে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম লিখেছেন, ‘বিএনপির দুঃসময়ের সাথী, ত্যাগী নেত্রী, স্বৈরাচারের জম, প্রতিবাদী কণ্ঠ রুমিন ফারহানা আপা। আমার ওপর বারবার হামলা হলে বজ্রকণ্ঠে গণমাধ্যমে প্রতিবাদ করেছেন তিনি। বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে সবার চেয়ে বহু গুণ এগিয়েছিলেন তিনি। সেই রুমিন ফারহানা আপাকে নমিনেশন না দিয়ে তার প্রতি বিএনপি অনেক বড় অবিচার করেছে। আমি এটার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

হিরো আলম লিখেন, ‘সেই সঙ্গে আগামী দিনের দেশ গড়ার নায়ক তারেক রহমান ভাইয়ের প্রতি অনুরোধ, বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করবেন। স্বৈরাচারমুক্ত দেশ গড়তে রুমিন ফারহানা আপার মতো মানুষের আমাদের ভীষণ দরকার।’



এনসিপিসহ ৩ দলকে নিবন্ধন দিচ্ছে ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) তিন দলকে নিবন্ধন দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘চূড়ান্ত পর্যালোচনা শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টিকে নিবন্ধন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখন দাবি-আপত্তি চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। এরপর দাবি-আপত্তি এলে তা নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত নিবন্ধন দেয়া হবে।

ইসির নিবন্ধন পেতে ১৪৩ টি দল আবেদন করে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ২২ দলের মাঠ মাঠ পর্যায়ে তদন্ত পাঠায় নির্বাচন কমিশন। এরপর মাঠ পর্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এনসিপি ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগ নিবন্ধন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।




ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন: ত্যাগী নেতার হাতে দলের আস্থা ও আশার প্রতীক

এসএম বদরুল আলমঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ঢাকা-১৫ আসনে তাদের প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয় ও ত্যাগী নেতা শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দিয়েছে।  
সম্প্রতি গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে তার নাম সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়। 
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনা ও মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মিল্টনের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হয়।

মনোনয়নের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মিরপুর, পল্লবী, কাঁচাবাজার, দারুস সালাম ও রূপনগর এলাকায় আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ফুলের মালা পরিয়ে দেন প্রিয় নেতা মিল্টনের গলায়। পুরো এলাকাজুড়ে স্লোগান ওঠে—
“ঢাকা-১৫ চাই মিল্টনের নেতৃত্বে!”

দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও মাঠসঙ্গী এই নেতা বহু বছর ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন।
২০১৪, ২০১৮ সালের নির্বাচনসহ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনেকে বলছেন,
“এই মনোনয়ন হচ্ছে ত্যাগী নেতৃত্বের প্রতি দলের আস্থার প্রতিফলন।”

মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন—

“এটি শুধু আমার নয়, ঢাকা-১৫ আসনের প্রতিটি নেতাকর্মীর পরিশ্রমের ফসল।
আমি জনগণের ভোটে জাতীয়তাবাদী চেতনার বিজয় নিশ্চিত করতে চাই।”

মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই তার নির্বাচনী কার্যালয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রচার-প্রচারণা, ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ ও টিম গঠনসহ নানা কার্যক্রম চলছে জোরেশোরে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে মিল্টনের নেতৃত্ব নিয়ে দেখা যাচ্ছে আগ্রহ ও উৎসাহ।

তৃণমূল নেতারা আশাবাদী, মিল্টনের নেতৃত্বেই বিএনপি ঢাকা-১৫ আসন পুনরুদ্ধার করবে। তাদের বিশ্বাস—
“জনগণের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কই হবে দলের সবচেয়ে বড় শক্তি।”

চূড়ান্ত মনোনয়নের মধ্য দিয়ে এখন স্পষ্ট হয়েছে,
ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির লড়াইয়ের কেন্দ্রে থাকছেন শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তার নেতৃত্বে মাঠে নেমে পড়েছে দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা, ফিরে এসেছে ভোটারদের মধ্যে নতুন করে আশা, আস্থা ও পরিবর্তনের প্রত্যাশা।




ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হক, তৃণমূলের ভরসায় নতুন উদ্দীপনা

এসএম বদরুল আলমঃ আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশের বিভিন্ন আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় ঢাকা-১৬ আসনে (পল্লবী, রূপনগর, মিরপুর-১১, ১২, ১৪ ও ১৫ এর কিছু অংশ) বিএনপির আনুষ্ঠানিক প্রার্থী হিসেবে আমিনুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, আমিনুল হক দীর্ঘদিন ধরে দলের রাজনীতিতে নিবেদিতপ্রাণ, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী নেতা হিসেবে কাজ করছেন। আন্দোলন-সংগ্রামের কঠিন সময়গুলোতে তিনি নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ ও সক্রিয় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নেতারা আমিনুল হককে প্রার্থী হিসেবে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাদের বিশ্বাস, মাঠপর্যায়ে তাঁর জনপ্রিয়তা এবং কর্মীদের একতাবদ্ধ প্রচেষ্টা বিএনপিকে ঢাকা-১৬ আসনে জয়ের পথে এগিয়ে নেবে। মহানগরের এক সিনিয়র নেতা বলেন,
আমিনুল ভাই আমাদের দলের নির্ভরযোগ্য মুখ। তিনি সব সময় তৃণমূলের সঙ্গে ছিলেন, তাই জনগণের ভালোবাসা তাঁর প্রতি গভীর।

স্থানীয় ভোটারদের মধ্যেও আমিনুল হককে ঘিরে আশাবাদ দেখা যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন,
যিনি আন্দোলনের দিনেও পাশে ছিলেন, তিনিই আমাদের প্রার্থী — এটাই তৃণমূলের বিজয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির এই সিদ্ধান্তে ঢাকা উত্তর অঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে।

মনোনয়ন পাওয়ার পর আমিনুল হক বলেন,

“আমি কৃতজ্ঞ আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি। তাঁর বিশ্বাস ও দলের ভালোবাসা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি জনগণের পাশে থেকে তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করব, ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও জানান, তাঁর নির্বাচনী লক্ষ্য হবে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন ঢাকা গঠন, যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তৃণমূলের শক্তিকে কাজে লাগানো

ইতিমধ্যে ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছেন। শুরু হয়েছে উঠান বৈঠক, পোস্টার ও ব্যানার তৈরির কাজ, আর বিভিন্ন ইউনিটে কর্মী সভার প্রস্তুতি।

সবমিলিয়ে, বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হক এখন এই আসনের রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে। তৃণমূলের একতা, জনআস্থা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাঁকে এই নির্বাচনে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরেছে।




বিএনপির সম্ভাব্য মনোনয়ন তালিকায় নেই শিল্পীরা

আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। এর মধ্যে আজ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছে বিএনপি।

সোমবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নাম ঘোষণা করেন। নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় পরিচিত ও গ্রহণযোগ্যতার পাশাপাশি দলীয় জরিপে এগিয়ে থাকা অনেকের নাম থাকলেও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার তালিকায় দেখা যায়নি কোনো শোবিজ শিল্পীকে।

অথচ বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় অভিনয় অঙ্গনের মানুষের চেয়ে সংগীতাঙ্গনের মানুষের নামই বেশি উচ্চারিত হয়েছে। যাদের নিয়ে বেশ আলোচনা ছিল তাদের মধ্যে অন্যতম কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন, মনির খান, রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা ও অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল।

এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় উঠে এসেছে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর, নাজমুন মুনিরা ন্যান্‌সি, চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী হেলাল খান ও শিবা সানু বিএনপির হয়ে নির্বাচনে লড়তে পারেন। কিন্তু মনোনয়ন তালিকায় কোথাও তাদের কারো নাম পাওয়া যায়নি।




মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, বিএনপির চার নেতা বহিষ্কার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় মনোনয়ন ঘোষণার পর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকায় সহিংসতা ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বিএনপির চার নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার সন্ধ্যার পর সীতাকুণ্ডের কদমরসুল, ভাটিয়ারী বাজার ও জলিল গেইট এলাকায় মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, ভাঙচুর, হানাহানি ও সড়ক অবরোধসহ নানাবিধ অবৈধ কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আলাউদ্দিন মনি, সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন বাবর, সীতাকুণ্ড পৌরসভার আহ্বায়ক মামুন এবং সোনাইছড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মমিন উদ্দিন মিন্টুকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে গুলশানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠকে নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্তকরণ ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উল্লেখ্য, আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে।




যে জেলায় কোনো প্রার্থীই দেয়নি বিএনপি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭ আসনে সম্ভাব্য দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি।

সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এর মধ্যে একটি জেলা রয়েছে, যেখানে কাউকেই মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি।

দলটির প্রকাশিত তালিকায় দেখা গেছে, বাগেরহাটে তিনটি আসন থাকলেও কোনোটিতে প্রার্থী দেওয়া হয়নি। তালিকায় জেলার তিনটি আসনের প্রার্থীর নামের ঘরটি খালি রয়েছে।

জানা গেছে, খালি রাখা ৬৩ আসনের মধ্যে ৪০টি জোটসঙ্গীদের দেওয়ার কথা ভাবছে বিএনপি। বাকি ২৩ আসনে এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কেন্দ্রীয় কমিটি। সেগুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।