৫৫ বছরেও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সঠিক তালিকা কেন হয়নি, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও কেন শহীদ ও জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করা হয়নি সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ মঙ্গলবার ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

জামায়াত আমির বলেন, এতগুলো সরকার আসলো গেল, সবাই দাবি করে, আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্টেকহোল্ডার। আপনারা মুক্তিযুদ্ধের স্টেকহোল্ডার, আপনাদের সম্মান করি। কিন্তু এ গুরুত্বপূর্ণ কাজটা করছেন না কেন?। ইতিহাসটা উঠে আসুক, ওই ফ্যামিলিগুলা গ্লোরিফাই হোক, শহীদের আত্মা শান্তি পাক।

তিনি আরো বলেন, আমি সরকারকে অনুরোধ করব, আপনারা উদ্যোগ নেন, সঠিক ইতিহাস রচনা করেন। ৭১-এর মতো ২৪ যেন হারিয়ে না যায়।

চব্বিশের পরিবর্তনের আগে আমাদের কণ্ঠে, রাজনীতিবিদদের কণ্ঠে যে সুর ছিল, ৫ তারিখের পর তা আস্তে আস্তে বদলে যাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারির পর তা আরো বদলে যাচ্ছে। আগে যে সমস্ত কথা বলেছেন, অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন, অনেকে এটা এখন বেমালুম ভুলে গেছে। তার ঠিক বিপরীত ন্যারেটিভ দাঁড় করাচ্ছেন।




বিরোধী দলের নেতারা ‘শেখ হাসিনার ভাষায়’ কথা বলছেন: মির্জা ফখরুল

নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ বিরোধী দলের নেতারা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ‘শেখ হাসিনার ভাষায়’ কথা বলা শুরু করেছেন বলে মনে করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, “এখন যে ভাষায় আমাদের সম্মানিত বিরোধী দলের নেতারা কথা বলছেন… সরকারকে পাঁচ বছর থাকতে দেব না। এ ভাষায় কথা বলতেন শেখ হাসিনা।

“ওরা (আওয়ামী লীগ) ৯১ সালে যখন বিরোধী দলে ছিল, তখন বলেছিল যে, একটা দিনের জন্যও শান্তিতে থাকতে দেব না। আজ একই ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছেন আমাদের বিরোধী দলের নেতারা।”

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জুলাই অভ্যুত্থানের এক আলোচনা সভায় স্থানীয়সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

বিরোধী দলের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, “বিরোধী দলের নেতারা অবশ্যই সমালোচনা করবেন, অবশ্যই তারা বিরোধিতা করবেন এবং যে ভুলগুলো সরকার করবে, সেগুলোকে দেখিয়ে দেবেন। কিন্তু সেটা পার্লামেন্টের মধ্যে হলেই গণতান্ত্রিক পরিবেশটা ঠিক থাকে।

“দুর্ভাগ্য আমাদের যে তারা সেই আগের মতই রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করে জনমত তৈরির চেষ্টা করছে। এটাও তো আপত্তি নেই, এটা আপনার গণতান্ত্রিক নীতি। কিন্তু সেটা এমন এক পর্যায়ে যেন না যায়, যে পর্যায়ে গিয়ে একটা সংঘাতে রূপ নেয়।“

জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন যৌথভাবে এ সভা আয়োজন করে।




পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী ১৪ ই জুলাই উপলক্ষ্যে স্মরণ করছি: আধুনিক বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও গ্রামমুখী রাষ্ট্রচিন্তা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে আজ তাঁর শাসনামলে অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর উন্নয়ন-দর্শনের বিভিন্ন দিক উল্লেখ করছি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় ছিল পুনর্গঠন ও উন্নয়নের সময়। আশির দশকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্থানীয় সরকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি গ্রহণ করেন। দেশবাসীর মতে, উন্নয়নকে শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক না রেখে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিস্তৃত করার প্রথম চেষ্টা ছিল এরশাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

তাঁর শাসনামলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, অসংখ্য সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ এবং গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ সহজ হয়, যাতায়াতের সময় কমে এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের প্রবেশাধিকার বাড়ে।

গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য সেচ, কৃষি সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় বাজার ব্যবস্থার উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণ, উন্নত বীজের ব্যবহার এবং কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রমে সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এর ফলে আশির দশকে খাদ্যশস্য উৎপাদনে ধারাবাহিক অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়।

স্বাস্থ্য খাতেও উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে হাসপাতাল, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম এবং টিকাদান কর্মসূচির সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই সময়ে শিক্ষার প্রসারে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং গ্রামীণ এলাকার শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সময় স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ধারণা পরবর্তী সময়েও বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

তাঁর সরকারের সময় পরিবেশ সংরক্ষণেও কিছু উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নেওয়া হয়। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জাতীয়ভাবে উৎসাহিত করা হয় এবং সামাজিক বনায়নের ধারণা আরও বিস্তৃতভাবে প্রচার পায়। আজও দেশে বর্ষাকালীন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর সময়ের উদ্যোগের কথা প্রায়ই আলোচনায় আসে।

অর্থনৈতিকভাবে আশির দশকে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। শিল্পায়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল। যদিও সে সময়ের অর্থনৈতিক সাফল্য নিয়ে গবেষক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে, তবুও অবকাঠামো ও গ্রামীণ উন্নয়নে তাঁর সরকারের বিনিয়োগ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা রয়েছে।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক জীবন যেমন প্রশংসিত হয়েছে,বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গবেষকের ভিন্ন মূল্যায়ন ও রয়েছে। তবে একই সঙ্গে এটিও সত্য যে তাঁর শাসনামলের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, স্থানীয় সরকার সংস্কারের উদ্যোগ এবং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন বাংলাদেশের ইতিহাসে আলোচিত বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।

জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের কাছে তিনি শুধু একজন রাষ্ট্রনায়কই নন বরং একজন উন্নয়নমুখী নেতৃত্বের প্রতীক। তাঁরা বিশ্বাস করেন, তাঁর উন্নয়ন-ভাবনা আজও বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের আলোচনায় প্রাসঙ্গিক।
পল্লীবন্ধুর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি তাঁর কর্মজীবনকে।




পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, অথচ জামায়াত এমপি জন্মেছেন ১৯৮১ সালে!

ডেস্ক নিউজঃ জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বিতর্কিত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা হাফেজ আব্দুল মুনতাকিমকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সংসদে দেওয়া তার নিজের দাবি এবং নির্বাচনী হলফনামায় উল্লিখিত জন্মতারিখের মধ্যে এক বিশাল ও অবাস্তব অসঙ্গতি প্রকাশ পাওয়ায় এই বিতর্কের সূত্রপাত।

মূল ঘটনার সূত্রপাত ঘটে জাতীয় সংসদের একটি অধিবেশনে মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিলের ওপর আলোচনার সময়। ওই অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীকে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে আইনগতভাবে চিহ্নিত করার বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এমন প্রেক্ষাপটে সংসদে নিজের অবস্থান ও বক্তব্য তুলে ধরতে গিয়ে এমপি আব্দুল মুনতাকিম দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার নিজের পরিবারের অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল অবদান রয়েছে।

গত ১৪ জুন সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করে দেওয়া সেই বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমার বাবা, আমার দাদা যুদ্ধে শহীদ। আমার আব্বারা (বাবা-চাচা) ৭ ভাই, ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জন, ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।’

এই চাঞ্চল্যকর বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই সচেতন মহল ও অনুসন্ধিৎসু ব্যক্তিরা তার নির্বাচনী হলফনামা এবং ব্যক্তিগত নথিপত্র খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। আর তাতেই বেরিয়ে আসে এক অবিশ্বাস্য ও গাণিতিকভাবে অসম্ভব এক বৈপরীত্য। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তার হলফনামা এবং উন্মুক্ত তথ্যকোষ উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিমের জন্ম তারিখ উল্লেখ রয়েছে ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি।

নিজের বক্তব্যের শেষ দিকে এই সংসদ সদস্য নিজেও বলেন, তার জন্ম ১৯৮১ সালে।

এই জন্মসাল সামনে আসার পরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা তার বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। নেটদুনিয়ায় তীব্র সমালোচনা ও ট্রল করে অনেকেই প্রশ্ন করছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যদি তার পিতা শহীদই হয়ে থাকেন, তবে যুদ্ধ শেষ হওয়ার দীর্ঘ ১০ বছর পর অর্থাৎ ১৯৮১ সালে আব্দুল মুনতাকিমের জন্ম কীভাবে সম্ভব হলো?

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটাররা হিসাব কষে বলছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের হিসাব অনুযায়ী তার বর্তমান বয়স ৪৪ বছর ১১ মাস, যা ১৯৮১ সালের জন্মতারিখের সাথে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিন্তু ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে বা যুদ্ধে শহীদ হওয়া কোনো পিতার পক্ষে ১৯৮১ সালে সন্তান জন্ম দেওয়া কেবল অলৌকিক বা গাণিতিকভাবেই অসম্ভব নয়, বরং এটি একটি চরম ও হাস্যকর মিথ্যাচার।

সংসদে দেওয়া এই স্ববিরোধী বক্তব্য নিয়ে এখন পর্যন্ত জামায়াত নেতা হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম বা তার দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।




পল্লী হোসেনের মৃত্যুতে পার্টি চেয়ারম্যান-এর শোক

বিশেষ প্রতিবেদকঃ জাতীয় পার্টি মতিঝিল থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন আলী (৫৫) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গত ২৮ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার রাত ১২:৩০ মিনিটে ছোট ভাইয়ের বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তিনি “পল্লী হোসেন” নামে পরিচিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন লিভারের জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরদিন সকাল ৮টায় মুজাহিদনগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার জানাজার নামাজ শেষে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। মৃত্যু কালে তিনি তিন পুত্র এক কন্যা সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহম্মদ কাদের, পল্লী হোসেনের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকবার্তা প্রেরণ করেছেন। শোকবার্তায় পার্টি চেয়ারম্যান মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জনিয়েছেন।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক মীর আব্দুস সবুর আসুদ পৃথক পৃথক শোকবার্তায় পল্লী হোসেনের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।




জাতীয় পার্টি, ঢাকা মহানগর উত্তর-এর পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটি অনুমোদিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ ২৪ মে, ২০২৬ রবিবার। জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী’র সুপারিশে পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে এ এন এম রফিকুল ইসলাম সেলিম-কে আহবায়ক ও মোঃ নজরুল ইসলাম সরদার-কে সদস্য সচিব করে ১৫১ (একশত একান্ন) সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় পার্টি, ঢাকা মহানগর উত্তর-এর পূর্নাঙ্গ আহবায়ক কমিটি অনুমোদন করেছেন।

যা ইতোমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে।




শিশু শিক্ষার্থী রমিসা সহ দেশব্যাপী ধর্ষণ,হত্যা, নারী শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং অপরাধদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যু দন্ডের দাবীতে জাতীয় ছাত্র সমাজের আয়োজনে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ ২৪ মে ২০২৬, রবিবার, সকাল ১০. ০০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় ছাত্র সমাজের আয়োজনে শিশু শিক্ষার্থী রমিসা সহ দেশব্যাপী ধর্ষণ,হত্যা, নারী শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং অপরাধদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যু দন্ডের দাবীতে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বক্তব্য প্রদান করেন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আবদুস সবুর আসুদ, এ্যাড মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঞা, আলমগীর সিকদার লোটন, এমরান হোসেন মিয়া, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোঃ খলিলুর রহমান খলিল, ভাইস চেয়ারম্যান আমির উদ্দিন আহমেদ ডালু, আব্দুল হামিদ ভাসানী, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিরু, সমরেশ মন্ডল মানিক, নজরুল ইসলাম সরদার, আরিফুল ইসলাম রুবেল, কিশোর মবিন, মাহমুদ আলম, আসাদুজ্জামান খান, মহিলা পার্টির নেত্রী জেসমিন নূর প্রিয়াংকা, রীতু নূর, মনিকা আলম, ছাত্র সমাজের আল-আমিন সরকার, আরিফ আলী প্রমুখ।




।শোক বিজ্ঞপ্তি। রহিমা বেগমের মৃত্যুতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের শোক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় পার্টি, কাফরুল থানা কমিটির আহবায়ক এস এম বদরুল আলমের মমতাময়ী মাতা রহিমা বেগম ( ৬৮) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে ২০মে ২০২৬, বুধবার রাত ৯ঃ০০টায় ঢাকার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি চার পুত্র এক কন্যা সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহম্মদ কাদের, রহিমা বেগমের মৃত্যুতে শোকবার্তা প্রেরণ করেছেন। শোকবার্তায় পার্টি চেয়ারম্যান মরহুমার বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী রহিমা বেগমের মৃত্যুতে অনুরূপ এক শোকবার্তা প্রেরণ করেছেন।

পার্টির প্রেসিডিয়ামের সদস্য ও সাংস্কৃতিক পার্টির সভাপতি শেরিফা কাদের, রহিমা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।




ইতিহাসের একটি দলিল এবং আগামী প্রজন্মের জন্য এক প্রেরণার উৎস হবে বইটি এসএম জিলানী, এমপি

স্টাফ রিপোর্টারঃ গতকাল বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘জিয়াউর রহমান: এক দূরদর্শী নেতা ও দেশ গঠনের রূপকার’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং গোপালগঞ্জ ০৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বইটি’র মোড়ক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বইটি ইতিহাসের একটি দলিল এবং আগামী প্রজন্মের জন্য এক প্রেরণার উৎস হবে বলে মন্তব্য করেন এসএম জিলানী এমপি।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি নেছার উদ্দিন সফী, নাছির আহমেদ মোল্লা, সহ সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম রনি মৃধা, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সাধারণ সম্পাদক সাদ মোর্শেদ পাপ্পা শিকদার, সহ সভাপতি মনির হোসেন মৃধা, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, যুগ্ম সম্পাদক কাজী মহিউদ্দিন মহি, হাসান আলী, দপ্তর সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম পলাশ, সবুজবাগ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ বিল্লাল হোসেন সহ থানা ও ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিভা প্রকাশের প্রকাশক ও কবি মঈন মুরসালিন।

মোহাম্মদ মাসুদ রচিত “জিয়াউর রহমান: এক দূরদর্শী নেতা ও দেশ গঠনের রূপকার” বইটি বাংলাদেশের ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন ও কর্মের উপর একটি বিস্তৃত ও তথ্যবহুল আলোচনা। এটি কেবল একটি সাধারণ জীবনীগ্রন্থ নয়, বরং একজন মহান নেতার বহুমাত্রিক অবদানকে তুলে ধরার একটি গভীর প্রয়াস। লেখক বইটিতে ১২টি ভিন্ন প্রবন্ধ সংকলন করেছেন, যেখানে জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, রাষ্ট্র পরিচালনার কৌশল এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে তার বাস্তবধর্মী চিন্তাভাবনাগুলো সুনিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

লেখক তার পর্যালোচনায় জিয়াউর রহমানের জীবনকে কেবল একজন সামরিক নেতা হিসেবে নয়, বরং একজন রাষ্ট্রনায়ক, রাজনীতিবিদ এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে তুলে ধরেছেন। এতে মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা, স্বাধীনতার ঘোষণা এবং জেড ফোর্স গঠনের মতো ঐতিহাসিক দিকগুলো বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে। একইসঙ্গে, তিনি কীভাবে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে দেশের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা এনেছিলেন, সেই বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে উঠে এসেছে।

অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের অবদান এই বইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ‘সবুজ বিপ্লব’-এর স্থপতি হিসেবে তার খাল খনন কর্মসূচির কথা বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে, যা বাংলাদেশের কৃষি ও অর্থনীতিতে এক মহাবিপ্লব ঘটিয়েছিল বলে লেখক দাবি করেন। এটি প্রমাণ করে যে জিয়াউর রহমান কেবল সামরিক বা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার বিষয়েও কতটা দূরদর্শী ছিলেন।

বইটিতে জিয়াউর রহমানের সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের কথাও লেখা হয়েছে। ‘নতুন কুঁড়ি’-এর মতো সৃজনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি শিশুদের প্রতিভা বিকাশে যে সহায়তা করেছিলেন, তা তার উদার ও সংবেদনশীল ব্যক্তিত্বের পরিচয় বহন করে। পাশাপাশি, ইসলামী শিক্ষা ও জীবনবোধের প্রসারে তার ভূমিকাও আলোচিত হয়েছে।

লেখক এই বইটিকে কেবল ইতিহাসের একটি দলিল হিসেবে নয়, বরং বাংলাদেশের আগামী প্রজন্মের জন্য এক প্রেরণার উৎস হিসেবে দেখছেন। তার এই প্রয়াস জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশপ্রেম সম্পর্কে পাঠককে গভীরভাবে জানতে সাহায্য করবে এবং একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা যোগাবে।




“দেশে এখন স্বাধীনভাবে কথা বলাও কঠিন”-বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘অপশাসনের ধারাবাহিকতা’ বললেন জিএম কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের দাবি করেছেন, ২০১৪ সালের পর থেকে দেশে যেসব জাতীয় নির্বাচন হয়েছে, সবই আগে থেকেই পরিকল্পিত ও নিয়ন্ত্রিত ছিল। তাঁর অভিযোগ, ভোটের ফল জনগণের রায়ে নয়, বরং কৌশল আর প্রভাব খাটিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে নিজের দু’টি বইয়ের প্রকাশনা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

জিএম কাদের বলেন, সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনেও ভোটের প্রকৃত চিত্র আড়াল করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটার সংখ্যা বাড়লেও ভোটকেন্দ্রের বুথ কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল পরিকল্পিতভাবে। তিনি বলেন, দায়িত্বশীল মহল আগেই বুঝেছিল সাধারণ মানুষ ভোট দিতে কেন্দ্রে আসবে না। তাই কৃত্রিমভাবে ভোটের পরিবেশ তৈরি করতে এবং পরে ফলাফল নিজেদের মতো সাজাতে বুথ সংখ্যা কমানো হয়।

তিনি নির্বাচন কমিশনের দেওয়া ভোটের হার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ঘোষিত ভোটের হিসাব বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। তিনি গাণিতিক ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এত বিপুল সংখ্যক ভোট গ্রহণ করা বাস্তবে সম্ভব নয়। ভোটারের পরিচয় যাচাই, আঙুলে কালি দেওয়া, ব্যালট নেওয়া, ভোট দিয়ে বাক্সে ফেলা—সব মিলিয়ে যে সময় লাগে, তাতে ঘোষিত ভোটের সংখ্যা বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, বাস্তবে অধিকাংশ কেন্দ্রে দীর্ঘ সময় ভোটারশূন্য অবস্থা ছিল এবং প্রকৃত ভোট পড়েছে অনেক কম।

জাপা চেয়ারম্যান আরও অভিযোগ করেন, বিপুল সংখ্যক ভুয়া ভোট দেখিয়ে পছন্দের প্রার্থীদের জেতানো হয়েছে। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী বাস্তব ভোটের চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যা দেখিয়ে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকারকে কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ করে ফেলা হয়েছে।

গণমাধ্যম নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন জিএম কাদের। তিনি বলেন, দেশে এখন আর প্রকৃত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই। সংবাদমাধ্যমের অনেকেই চাপ, ভয় কিংবা বিভিন্ন কারণে আত্মনিয়ন্ত্রণের মধ্যে কাজ করছে। তাঁর অভিযোগ, তিনি যে তথ্য ও হিসাব তুলে ধরেছেন, তা দেশের সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করতে সাহস পায়নি।

সাংবাদিক আনিস আলমগীরমঞ্জুরুল হাসান পান্না-সহ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপেরও সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর দাবি, ভিন্নমত দমন করতে এখনও আগের মতো ভয়ভীতি ও নিয়ন্ত্রণের রাজনীতি চলছে। মানুষের বাকস্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার সংকুচিত হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও দুর্নীতি বেড়েছে বলে অভিযোগ করে জিএম কাদের বলেন, দেশে এখন নতুন ধরনের “মামলা বাণিজ্য” শুরু হয়েছে। নিরীহ মানুষকে মামলা, গ্রেফতার বা “শোন অ্যারেস্ট” দেখানোর ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে টাকা আদায় করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, কেউ রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন মতের হলেই তাকে হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। বিমানবন্দরে আটকে রেখে ভয় দেখানো, পরে অর্থ আদায়ের মতো ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করেন তিনি।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র সমালোচনা করে তিনি বলেন, একতরফাভাবে সংবিধান পরিবর্তনের চেষ্টা অতীতেও স্থায়ী হয়নি। বর্তমান সরকারও যদি রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের মতামত উপেক্ষা করে নিজেদের মতো সংস্কার চালাতে চায়, তাহলে সেই উদ্যোগও দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে জিএম কাদের বলেন, প্রতীক নিয়ে তারা চিন্তিত নন। মামলা বা চাপ যাই আসুক, দলকে ধরে রেখে রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাবেন। তবে দলের ভেতরে বিশ্বাসঘাতকতা করলে কাউকে আর ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রকাশক আলমগীর সিকদার লোটন। প্রধান আলোচক ছিলেন আবুল কাশেম ফজলুল হক। এছাড়া বক্তব্য দেন আব্দুস সাত্তার, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, কাজী রওনক হোসেন, মাসুদ কামাল-সহ আরও অনেকে।