টাঙ্গাইলে পোড়াবাড়ীতে কৃষক দলের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়া ও মাহমুদুল হাসানের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া




নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিগত ১৬ বছরে উন্নয়নের নাম করে দেশের জনগণের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর সিলেটের আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত বিএনপির জনসভায় এ কথা বলেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো সক্রিয়। দেশে-বিদেশে বসে যারা ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের থেকে সচেতন থাকতে হবে। দেশের মানুষ আগেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছে। আগামীতেও জনগণ ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।
এর আগে, দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে মঞ্চে উঠেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এটি বিএনপির প্রথম নির্বাচনি জনসভা। এদিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে সিলেট নগরীর ঐতিহাসিক সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে কুরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে সমাবেশের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। জনসভাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সভাস্থল কানায় কানায় পূর্ণ। নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের রাস্তাঘাটে অবস্থান নিয়েছেন নেতাকর্মীরা।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নানা জল্পনা ও কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘ ২২ বছর পর সিলেটের মাটিতে পা রেখেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মর্যাদাপূর্ণ সিলেট-১ আসন থেকেই মায়ের মতো নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করছেন তিনি।
সেই পরিচিত ‘আলিয়া মাদরাসার মাঠ’, মঞ্চ সবই আগের মতোই আছে, শুধু নেই সাবেক চেয়ারম্যান খালেদা জিয়া।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর প্রথমবারের মতো এটি তারেক রহমানের সিলেট সফর। সর্বশেষ ২০১৮ সালে দলের সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সিলেট সফর করেছিলেন। হিসাব করলে দেখা যায়, মায়ের সফরের সাত বছরের ব্যবধান পর তারেক রহমান আবার সিলেট সফরে এসেছেন। এবার তিনি দলের গুরু দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ঐতিহাসিক আলিয়া মাদরাসার মাঠ থেকে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন। স্মরণাতীত কালের মধ্যে এটি বিএনপির সর্ববৃহৎ জনসমাবেশে পরিণত হয়।
বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমানের সিলেট সফর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করবে। তারেক রহমানের সফর এবার সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুরে উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছড়িয়ে দিয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) তিনি দুই অলির মাজার জিয়ারত করার পর রাতেই ছুটে যান শ্বশুরবাড়িতে। সেখানে গিয়েও তিনি ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান।
জানা গেছে, বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ এবং মায়ের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহ্য মেনেই সিলেটের পুণ্যভূমি থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হতে যাচ্ছে। ওইদিন সকাল ১১টার দিকে সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান।
জনসভায় সিলেটের জকিগঞ্জ থেকে আসা বিএনপি কর্মী আবুল হোসেন মিয়া বলেন, “এই মাঠেই খালেদা জিয়ার দুইটি সমাবেশে অংশগ্রহণ করেছি। মাকে দুইবার দেখেছি। এইবার পুত্রকে দেখলাম। আজ আমাদের খুব খুশি লাগছে।”
বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, সিলেট থেকেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করা দলটির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক চেয়ারম্যান খালেদা জিয়াও প্রতিবার নির্বাচনের আগে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.) মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি আলিয়া মাদরাসা মাঠে প্রথম নির্বাচনী জনসভা করতেন।
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান। সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা মহানগরের নেতৃবৃন্দদের।
গতকাল বুধবার রাত ৮টার দিকে আকাশপথে সিলেটে পৌঁছান তারেক রহমান। পৌঁছানোর পর তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন। এছাড়া তিনি হজরত শাহজালাল দরগাহ কবরস্থানে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর কবরও জিয়ারত করেন। এরপর তিনি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বিরাইমপুর গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে যান।
সবশেষ ২০০৫ সালে সিলেটে এসেছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ ২০ বছর পর সিলেটে ফিরে তিনি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করছেন।
ডেস্ক নিউজঃ সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরান (র.) এর মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার রাত ৮টা ৫২ মিনিটের দিকে তার গাড়িবহর শাহজালাল (র.) মাজার এলাকায় পৌঁছায়। এরপর তিনি দলীয় নেতাকর্মীকে নিয়ে মাজার জিয়ারত ও মোনাজাত করেন। তারপর হযরত শাহজালাল (র.) এর মাজার মসজিদে এশার নামাজ আদায় করেন।
তিনি সেখানে কিছু সময় অতিবাহিত করে হযরত শাহপরাস (র.) এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশে রওনা হন। রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে তারেক রহমান শাহপরান মাজারে পৌঁছান।
এর আগে সন্ধ্যা ৭টা ৫৬ মিনিটের দিকে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তার সাথে আছেন স্ত্রী জোবাইদা রহমান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। বিমানবন্দরে তাকে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ স্বাগত জানান।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন বলে জানিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। বুধবার নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ তথ্য জানান।
সেই ফেসবুক পোস্টে তিনি রাজধানীর নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে প্রতীক বরাদ্দের কাগজ হাতে নিয়ে একটি ছবি যুক্ত করে ক্যাপশনে লিখেন ‘সকল বাধা পেরিয়ে ফুটবল প্রতীক নিয়েই আমরা নির্বাচন করছি!’
এর আগে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন আমার আপিল মঞ্জুর হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এখন আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতীকের জন্য আবেদন করব এবং আমার পছন্দ ফুটবল প্রতীক। সেটার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করব।
এর আগে গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঢাকার রিটার্নিং কর্মকর্তা তাসনিম জারার আবেদনটি বাতিল ঘোষণা করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের তালিকায় ১০ জনের মধ্যে দুইজনের গরমিল দেখিয়ে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের আসন্ন গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই গণভোট সংবিধানবিরোধী, অবাস্তব এবং বাস্তবায়িত হলে দেশ অস্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে যাবে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর গ্র্যান্ড প্যালেস হোটেলের ব্যানকুয়েট হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করতে গিয়ে তিনি দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর প্রতি এ আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী, দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যসহ শীর্ষ নেতা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
জিএম কাদের বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাংবিধানিক সরকার হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছে এবং শপথের সময় সংবিধান সংরক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। অথচ সংবিধান সংশোধনের মতো জটিল বিষয় গণভোটের মাধ্যমে আনার কোনো সাংবিধানিক বিধান নেই। সংবিধান অনুযায়ী, কেবল নির্বাচিত সংসদই নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধন করতে পারে।
তিনি বলেন, এত জটিল একটি বিষয় সাধারণ মানুষের কাছে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রশ্নে উপস্থাপন করা অবাস্তব। গ্রাম পর্যায়ের সাধারণ মানুষের কাছে এ ধরনের বিষয় এভাবে উপস্থাপন করা অদ্ভুত ও অযৌক্তিক। যারা এই প্রস্তাব দিয়েছে, তারা বিষয়টি আদৌ বুঝে করেছে কি না, তা নিয়েও আমার সন্দেহ রয়েছে।
সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, এসব সংশোধনী বাস্তবায়িত হলে দেশ অচল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রধান নির্বাহী বা প্রধানমন্ত্রীকে কার্যত কোনো ক্ষমতা না দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব নয়। স্বৈরাচার রোধের নামে যদি ক্ষমতাহীন সরকার তৈরি করা হয়, তাহলে দেশ কীভাবে চলবে, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।
তিনি আরও বলেন, ক্ষমতার লাগাম টানতে হবে জবাবদিহিতার মাধ্যমে, কিন্তু সম্পূর্ণভাবে ক্ষমতা কেড়ে নিলে কোনো সরকার দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। এতে সরকার কয়েক দিনের বেশি টিকবে না, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হবে এবং দেশ ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাবে।
জিএম কাদের বলেন, এসব সংস্কার প্রক্রিয়ায় জাতীয় পার্টির মতো রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন সংসদ ও সংবিধান নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও আমাদের কথা শোনা হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জাতীয় পার্টি এই গণভোট প্রত্যাখ্যান করবে। আমরা ‘না’ ভোট দেবো এবং দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে সবাইকে ‘না’ ভোট দেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করবো।
তিনি দাবি করেন, এই গণভোটের প্রক্রিয়ায় জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই আইনের শাসন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং দেশ রক্ষার স্বার্থে এই গণভোট বাতিল হওয়া উচিত।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ “আমাদের কয়েকজন সদসস্যের আপীল না মঞ্জুর হলেও নির্বাচন কমিশনের আপীল শুনানী বিভাগের উপর আমরা সন্তুষ্ট। আমরা আরো আশা করি নির্বাচন কমিশন যেন শেষ পর্যন্ত এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে- এই কথা বলেছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও আপীল সহায়তা কমিটির সদস্য সচিব এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভুইয়া।
জনাব রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া আরো বলেন, জাতীয় পার্টি একটি নির্বাচনমুখী দল। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বহুদলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নাই। দেশ আজ খাদের কিনারে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ন ভাবে ক্ষমতা হস্তান্তের মা্ধ্যমে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারে।
রবিবার ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬ নির্বাচন কমিশনের আপীল বিভাগে জাতীয় পার্টির আপিল সহায়তা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভুইয়া।
আপীল কার্যক্রম শেষে তিনি জানান, আজকের শেষ দিনের আপীলের শুনানীতে জাতীয় পার্টির ৪ জন প্রাথীর শুনানী ছিলো। ৪ জনের মধ্যে আপীল শুনানী বিভাগ ৩ জনের মনোনায়ন বৈধ ঘোষনা করেছেন এবং ১ জনের আপীল খারিজ করেছেন।
প্রার্থী তালিকা হচ্ছে নিম্নরুপ
১) মোঃ রোহান চৌধুরী
নিলফামারী-০৩
আপিল নং- ৪১৯ ( মঞ্জুর)
২) লিয়াকত আলী
জাতীয় আসন নং- ১৩৪
টাংগাইল-৪ (মঞ্জুর)
৩) মাহমুদুল হক মনি
জাতীয় আসন নং -১৪৩
শেরপুর-১ (মঞ্জুর)
৪) বেলাল চৌধুরী
জাতীয় আসন নং- ১৪৪
শেরপুর-২ ( না মঞ্জুর)
আপিল সহায়তা কমিটির সদস্য সচিব এ্যাড. মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঞা ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য আলমগীর সিকদার লোটন, মাননীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোঃ খলিলুর রহমান খলিল, ভাইস চেয়ারম্যান আহাদ ইউ চৌধুরী , শাহীন, হেলাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিরু, সোহেল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো: সোলায়মান সামি, মো: হিলটন প্রামানিক, যুবনেতা মনির হোসেন মনির প্রমূখ।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়ে বসেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রবিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর ফার্মগেট-খামারবাড়ি এলাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে এ মতবিনিময় সভা শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এতে বিএনপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত রয়েছেন। রয়েছেন তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমানও।
এর আগে গতকাল শনিবার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর একটি সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘মায়ের ডাক’ ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’।
পরপর এ দুটি মতবিনিময় সভার মাধ্যমে রাজনৈতিক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অভিজ্ঞতা শোনা এবং তাদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম-খুন-নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের কান্না, আর্তনাদ ও আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানও।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মায়ের ডাক ও আমরা বিএনপি পরিবার আয়োজিত মতবিনিময়ে শোকাবহ ও আর্তনাদের পরিবেশ সৃষ্টি হয়
২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর শাহবাগ থেকে গুম হওয়া পারভেজের কন্যা ঋদি। বাবার অপেক্ষা থাকা এই কন্যা বলেন, ‘এবছর যায়, নতুন বছর আসে কিন্তু আমাদের বাবা আর আসে না। ৫ আগস্টের পর একটা বছরের বেশি পার হয়ে গেল কিন্তু আমরা কাউকে ফিরে পেলাম না।’
ঋদি জানে না বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার যে স্বপ্ন দেখছে, তা আদৌ পূরণ হবে কি না।
ঋদি বলছিল, আমার বয়স যখন আড়াই বছর তখন থেকে আম্মুর কোলে চড়ে এখানে আসি। ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্ন বাবার সঙ্গে স্কুলে যাবো কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না।
মাত্র ২ মাস বয়সে সাফার বাবা নিখোঁজ হন। তার আক্ষেপ কখনো বাবাই ডাকতে না পারার। নেই বাবার সঙ্গে কোনো স্মৃতিও।
কাঁদতে কাঁদতে সাফা বলে, একযুগ ধরে বাবার জন্য সবাই অপেক্ষা করছি কিন্তু এখনো পর্যন্ত তাকে দেখতে পারিনি। অনেক জায়গায় গিয়েছি কিন্তু কোনো খোঁজ পাইনি।
সমবয়সীদের যখন হাঁটা শেখায় বাবারা, তখন নিজের বাবাকে খুঁজে বেড়ায় ৩ বছর বয়সে বাবাকে হারানো মিম।
মিম, সাফা, ঋদির মতো গত ১৭ বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং গুমের শিকার হয়ে স্বজন হারিয়েছে অসংখ্য পরিবার। কেউ বাবা, কেউ সন্তান, কেউ ভাই আবার কেউ বা হারিয়েছেন স্বামীকে। এখন শুধু সুষ্ঠু বিচার দাবি করছেন পরিবারের সদস্যরা। এসময়, ভুক্তভোগীর স্বজনদের কান্না আর আর্তনাদ শুনে কাঁদেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানও।
দেড় যুগরেরও বেশি সময় নির্বাসিত জীবন কাটানো বিএনপির চেয়ারম্যান স্বজন হারানো পরিবারগুলোর সঙ্গে সহমর্মিতা জানান।
গুম-খুনের সেই বিভীষিকাময় দিন ও রাতের অবসান ঘটেছে উল্লেখ বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘দেশের মানুষ গণতেন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। এক দুঃসময় আমরা অতিক্রম করেছি। অনেক সন্তান এখনো অপেক্ষায় রয়েছে, তাদের বাবা হঠাৎ করে দরজায় এসে কড়া নাড়বে। অনেক মা হয়তো এখনো অপেক্ষায় রয়ছেন, তার সন্তান হঠাৎ করে বাড়ি ফিরে দেখা দিবে।’
ভুক্তভোগী পরিবারের এক সদস্য বলেন, গুম প্রতিরোধে এমন আইন করবেন যেনো ভবিষ্যতে এই অপরাধ করার সাহস কারো না হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘দেশবাসীকে পবিত্র লাইলাতুল মেরাজের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।
গতকাল এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “আজকের এইদিনে অর্থাৎ রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে আল্লাহর প্রিয় নবী ও রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সা:) আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের দিদার লাভ করেছিলেন। মহান আল্লাহর মেহমান হিসেবে আরশে আজিমে গিয়ে উম্মতে মোহম্মাদির জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নিয়ে দুনিয়াতে ফিরে এসেছিলেন। এ কারনেই মুসলমানদের কাছে এ রাতটি অত্যন্ত মহিমান্বিত।”
এই দিনটিকে অত্যন্ত তাৎপর্য বিবেচনা করে জিএম কাদের আরো বলেন, আসুন আমরা সবাই এ রাতটি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, নফল নামাজ আদায় সহ অন্যান্য ইবাদত বন্দেগি করে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিংসা, হানাহানি থেকে মুক্ত হয়ে শান্তি সৌহাদ্য ও পারস্পরিক সহাবস্থান প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের কাছে দোয়া প্রার্থণা করি।