ফুটবল প্রতীক বরাদ্দ পেলেন তাসনিম জারা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন বলে জানিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। বুধবার নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ তথ্য জানান।

সেই ফেসবুক পোস্টে তিনি রাজধানীর নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে প্রতীক বরাদ্দের কাগজ হাতে নিয়ে একটি ছবি যুক্ত করে ক্যাপশনে লিখেন ‌‘সকল বাধা পেরিয়ে ফুটবল প্রতীক নিয়েই আমরা নির্বাচন করছি!’

এর আগে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন আমার আপিল মঞ্জুর হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এখন আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতীকের জন্য আবেদন করব এবং আমার পছন্দ ফুটবল প্রতীক। সেটার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করব।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঢাকার রিটার্নিং কর্মকর্তা তাসনিম জারার আবেদনটি বাতিল ঘোষণা করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের তালিকায় ১০ জনের মধ্যে দুইজনের গরমিল দেখিয়ে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল।




গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জিএম কাদেরের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের আসন্ন গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই গণভোট সংবিধানবিরোধী, অবাস্তব এবং বাস্তবায়িত হলে দেশ অস্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে যাবে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর গ্র্যান্ড প্যালেস হোটেলের ব্যানকুয়েট হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করতে গিয়ে তিনি দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর প্রতি এ আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী, দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যসহ শীর্ষ নেতা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

জিএম কাদের বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাংবিধানিক সরকার হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছে এবং শপথের সময় সংবিধান সংরক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। অথচ সংবিধান সংশোধনের মতো জটিল বিষয় গণভোটের মাধ্যমে আনার কোনো সাংবিধানিক বিধান নেই। সংবিধান অনুযায়ী, কেবল নির্বাচিত সংসদই নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধন করতে পারে।

তিনি বলেন, এত জটিল একটি বিষয় সাধারণ মানুষের কাছে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রশ্নে উপস্থাপন করা অবাস্তব। গ্রাম পর্যায়ের সাধারণ মানুষের কাছে এ ধরনের বিষয় এভাবে উপস্থাপন করা অদ্ভুত ও অযৌক্তিক। যারা এই প্রস্তাব দিয়েছে, তারা বিষয়টি আদৌ বুঝে করেছে কি না, তা নিয়েও আমার সন্দেহ রয়েছে।

সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, এসব সংশোধনী বাস্তবায়িত হলে দেশ অচল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রধান নির্বাহী বা প্রধানমন্ত্রীকে কার্যত কোনো ক্ষমতা না দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব নয়। স্বৈরাচার রোধের নামে যদি ক্ষমতাহীন সরকার তৈরি করা হয়, তাহলে দেশ কীভাবে চলবে, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

তিনি আরও বলেন, ক্ষমতার লাগাম টানতে হবে জবাবদিহিতার মাধ্যমে, কিন্তু সম্পূর্ণভাবে ক্ষমতা কেড়ে নিলে কোনো সরকার দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। এতে সরকার কয়েক দিনের বেশি টিকবে না, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হবে এবং দেশ ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাবে।

জিএম কাদের বলেন, এসব সংস্কার প্রক্রিয়ায় জাতীয় পার্টির মতো রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন সংসদ ও সংবিধান নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও আমাদের কথা শোনা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জাতীয় পার্টি এই গণভোট প্রত্যাখ্যান করবে। আমরা ‘না’ ভোট দেবো এবং দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে সবাইকে ‘না’ ভোট দেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করবো।

তিনি দাবি করেন, এই গণভোটের প্রক্রিয়ায় জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই আইনের শাসন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং দেশ রক্ষার স্বার্থে এই গণভোট বাতিল হওয়া উচিত।




“আমাদের কয়েকজন সদসস্যের আপীল না মঞ্জুর হলেও নির্বাচন কমিশনের আপীল শুনানী বিভাগের উপর আমরা সন্তুষ্ট। আমরা আরো আশা করি নির্বাচন কমিশন যেন শেষ পর্যন্ত এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে- এই কথা বলেছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও আপীল সহায়তা কমিটির সদস্য সচিব এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভুইয়া।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ “আমাদের কয়েকজন সদসস্যের আপীল না মঞ্জুর হলেও নির্বাচন কমিশনের আপীল শুনানী বিভাগের উপর আমরা সন্তুষ্ট। আমরা আরো আশা করি নির্বাচন কমিশন যেন শেষ পর্যন্ত এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে- এই কথা বলেছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও আপীল সহায়তা কমিটির সদস্য সচিব এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভুইয়া।

জনাব রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া আরো বলেন, জাতীয় পার্টি একটি নির্বাচনমুখী দল। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বহুদলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নাই। দেশ আজ খাদের কিনারে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ন ভাবে ক্ষমতা হস্তান্তের মা্ধ্যমে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারে।

রবিবার ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬ নির্বাচন কমিশনের আপীল বিভাগে জাতীয় পার্টির আপিল সহায়তা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভুইয়া।

আপীল কার্যক্রম শেষে তিনি জানান, আজকের শেষ দিনের আপীলের শুনানীতে জাতীয় পার্টির ৪ জন প্রাথীর শুনানী ছিলো। ৪ জনের মধ্যে আপীল শুনানী বিভাগ ৩ জনের মনোনায়ন বৈধ ঘোষনা করেছেন এবং ১ জনের আপীল খারিজ করেছেন।

প্রার্থী তালিকা হচ্ছে নিম্নরুপ

১) মোঃ রোহান চৌধুরী
নিলফামারী-০৩
আপিল নং- ৪১৯ ( মঞ্জুর)

২) লিয়াকত আলী
জাতীয় আসন নং- ১৩৪
টাংগাইল-৪ (মঞ্জুর)

৩) মাহমুদুল হক মনি
জাতীয় আসন নং -১৪৩
শেরপুর-১ (মঞ্জুর)

৪) বেলাল চৌধুরী
জাতীয় আসন নং- ১৪৪
শেরপুর-২ ( না মঞ্জুর)

আপিল সহায়তা কমিটির সদস্য সচিব এ্যাড. মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঞা ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য আলমগীর সিকদার লোটন, মাননীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোঃ খলিলুর রহমান খলিল, ভাইস চেয়ারম্যান আহাদ ইউ চৌধুরী , শাহীন, হেলাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিরু, সোহেল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো: সোলায়মান সামি, মো: হিলটন প্রামানিক, যুবনেতা মনির হোসেন মনির প্রমূখ।




গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়ে বসেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রবিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর ফার্মগেট-খামারবাড়ি এলাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে এ মতবিনিময় সভা শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এতে বিএনপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত রয়েছেন। রয়েছেন তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমানও।

এর আগে গতকাল শনিবার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর একটি সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘মায়ের ডাক’ ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’।

পরপর এ দুটি মতবিনিময় সভার মাধ্যমে রাজনৈতিক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অভিজ্ঞতা শোনা এবং তাদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি।




গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে কাঁদলেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম-খুন-নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের কান্না, আর্তনাদ ও আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানও।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মায়ের ডাক ও আমরা বিএনপি পরিবার আয়োজিত মতবিনিময়ে শোকাবহ ও আর্তনাদের পরিবেশ সৃষ্টি হয়

২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর শাহবাগ থেকে গুম হওয়া পারভেজের কন্যা ঋদি। বাবার অপেক্ষা থাকা এই কন্যা বলেন, ‌‌‘এবছর যায়, নতুন বছর আসে কিন্তু আমাদের বাবা আর আসে না। ৫ আগস্টের পর একটা বছরের বেশি পার হয়ে গেল কিন্তু আমরা কাউকে ফিরে পেলাম না।’

ঋদি জানে না বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার যে স্বপ্ন দেখছে, তা আদৌ পূরণ হবে কি না।

ঋদি বলছিল, আমার বয়স যখন আড়াই বছর তখন থেকে আম্মুর কোলে চড়ে এখানে আসি। ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্ন বাবার সঙ্গে স্কুলে যাবো কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না।

মাত্র ২ মাস বয়সে সাফার বাবা নিখোঁজ হন। তার আক্ষেপ কখনো বাবাই ডাকতে না পারার। নেই বাবার সঙ্গে কোনো স্মৃতিও।

কাঁদতে কাঁদতে সাফা বলে, একযুগ ধরে বাবার জন্য সবাই অপেক্ষা করছি কিন্তু এখনো পর্যন্ত তাকে দেখতে পারিনি। অনেক জায়গায় গিয়েছি কিন্তু কোনো খোঁজ পাইনি।

সমবয়সীদের যখন হাঁটা শেখায় বাবারা, তখন নিজের বাবাকে খুঁজে বেড়ায় ৩ বছর বয়সে বাবাকে হারানো মিম।

মিম, সাফা, ঋদির মতো গত ১৭ বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং গুমের শিকার হয়ে স্বজন হারিয়েছে অসংখ্য পরিবার। কেউ বাবা, কেউ সন্তান, কেউ ভাই আবার কেউ বা হারিয়েছেন স্বামীকে। এখন শুধু সুষ্ঠু বিচার দাবি করছেন পরিবারের সদস্যরা। এসময়, ভুক্তভোগীর স্বজনদের কান্না আর আর্তনাদ শুনে কাঁদেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানও।

দেড় যুগরেরও বেশি সময় নির্বাসিত জীবন কাটানো বিএনপির চেয়ারম্যান স্বজন হারানো পরিবারগুলোর সঙ্গে সহমর্মিতা জানান।

গুম-খুনের সেই বিভীষিকাময় দিন ও রাতের অবসান ঘটেছে উল্লেখ বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘দেশের মানুষ গণতেন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। এক দুঃসময় আমরা অতিক্রম করেছি। অনেক সন্তান এখনো অপেক্ষায় রয়েছে, তাদের বাবা হঠাৎ করে দরজায় এসে কড়া নাড়বে। অনেক মা হয়তো এখনো অপেক্ষায় রয়ছেন, তার সন্তান হঠাৎ করে বাড়ি ফিরে দেখা দিবে।’

ভুক্তভোগী পরিবারের এক সদস্য বলেন, গুম প্রতিরোধে এমন আইন করবেন যেনো ভবিষ্যতে এই অপরাধ করার সাহস কারো না হয়।




দেশবাসীকে পবিত্র লাইলাতুল মেরাজের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘দেশবাসীকে পবিত্র লাইলাতুল মেরাজের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।
গতকাল এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “আজকের এইদিনে অর্থাৎ রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে আল্লাহর প্রিয় নবী ও রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সা:) আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের দিদার লাভ করেছিলেন। মহান আল্লাহর মেহমান হিসেবে আরশে আজিমে গিয়ে উম্মতে মোহম্মাদির জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নিয়ে দুনিয়াতে ফিরে এসেছিলেন। এ কারনেই মুসলমানদের কাছে এ রাতটি অত্যন্ত মহিমান্বিত।”

এই দিনটিকে অত্যন্ত তাৎপর্য বিবেচনা করে জিএম কাদের আরো বলেন, আসুন আমরা সবাই এ রাতটি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, নফল নামাজ আদায় সহ অন্যান্য ইবাদত বন্দেগি করে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিংসা, হানাহানি থেকে মুক্ত হয়ে শান্তি সৌহাদ্য ও পারস্পরিক সহাবস্থান প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের কাছে দোয়া প্রার্থণা করি।




“আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং মব সন্ত্রাসের কারনে নির্বাচনী পরিবেশ বাধা গ্রস্থ হচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পর ঘেরাও অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাশিত নয়”- জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

এসএম বদরুল আলমঃ “আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং মব সন্ত্রাসের কারনে নির্বাচনী পরিবেশ বাধা গ্রস্থ হচ্ছে। জুলাই ঐক্য নামের একটি সংগঠনের নির্বাচন কমিশন অফিসে ঘেরাও কর্মসূচির সমালোচনা করে ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, তফসিল ঘোষণার পর ঘেরাও অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাশিত নয়।

শুধুমাত্র রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে কেউ কেউ জাতীয় পার্টিকে সম্পুর্ণ অযোক্তিক ভাবে ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যা দিয়ে যাচ্ছে। অথচ জুলাই আন্দোলনে জাতীয় পার্টির অবস্থান জাতি নিশ্চয়ই অবগত আছে।

নির্বাচনের আপীল কমিশনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে আপীল লড়তে এসে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের এই কথাগুলো বলেন।
আজ মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬ নির্বাচন কমিশনের আপীল বিভাগে জাতীয় পার্টির আপিল সহায়তা কমিটির আহবায়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পাটির মহাসচিব ব্যারিষ্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। আপীল কার্যক্রম শেষে মহাসচিব জানান, আজকের ৪র্থ দিনের আপীলের শুনানীতে জাতীয় পার্টির ৫ জন প্রাথীর মধ্যে সকলেরই আপীল মঞ্জুর হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৩০ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জনেই আপীল মঞ্জুর ও ৫ জনের আপীল খারিজ হয়েছে।

আপীল খারিজ হওয়া প্রার্থীগণ উচ্চ আদালতে রীট করবেন বলে তিনি জানান।
প্রার্থী তালিকা হচ্ছে নিম্নরূপ-
১) সরকার মোঃ সালাউদ্দিন
জাতীয় আসন নং- ১৮৫ ঢাকা-১২
আপিল নং- – ২১৯ (মঞ্জুর)

২) মো: আকবর হোসাইন
জাতীয় আসন নং- ১১৫ ভোলা -০১
আপিল নং- ২৪৫ (মঞ্জুর)

৩) মোঃ লুৎফর রহমান রিপন
জাতীয় আসন নং-২ পঞ্চগড় -০২
আপিল নং- ২৫২ (মঞ্জুর)

৪) গোলাম মোস্তফা
জাতীয় আসন নং-২৫৭ কুমিল্লা-৯
আপিল নং- ২৫৫ ( মঞ্জুর)

৫) মো আয়ুব হোসেন
জাতীয় আসন নং- ১৬৭ কিশোর গঞ্জ ৬
আপীল নং ২৬৯ ( মঞ্জুর)

আপিল সহায়তা কমিটির আহ্বায়ক- ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী ছাড়াও নির্বাচন কমিশনে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন – এ্যাড. মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঞা, মাহমুদ আলম, ইকবাল হোসেন তাপস, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ হেলাল উদ্দিন, মাননীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোঃ খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিরু, এম এ রহিম, সোহেল রহমান প্রমূখ।




“দেশে কোন নির্বাচনী আমেজ নেই। ভোটাররা নিরুৎসাহিত, প্রার্থীরা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। দলগুলোর মধ্যে নিরুৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”- জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

এসএম বদরুল আলমঃ “দেশে কোন নির্বাচনী আমেজ নেই। ভোটাররা নিরুৎসাহিত, প্রার্থীরা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। দলগুলোর মধ্যে নিরুৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।” বলেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

নির্বাচন কমিশনের আপীল বিভাগে দলের প্রার্থীদের পক্ষে লড়তে এসে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের এই কথাগুলো বলেন।

নির্বাচন কমিশনের আপীল বিভাগে ব্যারিষ্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন। ৩য় দিনে ০৫ জনের মধ্যে ৩ জনের আপীল মঞ্জুর ও ২ জনের আপীল খারিজ হয়েছে।

সোমবার ১২ জানুয়ারী, ২০২৬ নির্বাচন কমিশনের আপীল বিভাগে জাতীয় পার্টির আপিল সহায়তা কমিটির আহবায়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পাটির মহাসচিব ব্যারিষ্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। আপীল কার্যক্রম শেষে মহাসচিব জানান, আজকের ৩য় দিনের আপীলের শুনানীতে জাতীয় পার্টির ০৫ জন প্রাথীর মধ্যে ৩ জনের আপীল মঞ্জুর ও ২ জনের আপীল খারিজ হয়েছে। আপীল খারিজ হওয়া প্রার্থী ২ জন উচ্চ আদালতে আপীল করবেন বলে তিনি জানান।

প্রার্থী তালিকা হচ্ছে নিম্নরূপ-
১) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
জাতীয় আসন নং -২২৮, সুনামগঞ্জ -০৫
আপিল নং- ১৪১ (নামঞ্জুর)
২) এস এম আবদুল মান্নান
জাতীয় আসন নং -১৬৯ মানিকগঞ্জ -০২
আপিল নং- ১৫৮ (না মঞ্জুর )
৩) মোঃ মামুনুর রহিম
জাতীয় আসন নং -১৩৫ টাঙ্গাইল -০৬
আপিল নং- ১৬৭ (মঞ্জুর)
৪) একেএম ফজলুল হক
জাতীয় আসন নং – ১৩৮, জামালপুর -০১
আপিল নং- ১৮৮ (মঞ্জুর)
৫) মোঃ আব্দুর রশিদ
জাতীয় আসন নং – ১০৮, সাতক্ষীরা -০৪
আপিল নং- ২০৮ ( মঞ্জুর) ।

আপিল সহায়তা কমিটির আহ্বায়ক- ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী ছাড়াও নির্বাচন কমিশনে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন – আপিল সহায়তা কমিটির সদস্য – মাহমুদ আলম।

নির্বাচন মিশনে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন – প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম, মাননীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোঃ খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিরু, এম এ রহিম, সোহেল রহমান প্রমূখ।




ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সাথে জাতীয় পার্টির চেয়ারমান জনাব জিএম কাদেরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এসএম বদরুল আলমঃ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সাথে জাতীয় পার্টির চেয়ারমান জনাব জিএম কাদেরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ।

গতকাল রবিবার ১১ ডিসেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫টায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এর মিটিং হলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সাথে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় হয়।

সে সময় জিএম কাদেরের সাথে ছিলেন চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মেজর (অব) মোঃ মাহফুজুর রহমান। অন্যদিকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইন্তা লায়েস ডেপুটি চিফ অবজারভার এবং মার্সল ন্যাগি, পলিটিক্যাল এনালিষ্ট।




হযরত শাহজালাল (র.)’র মাজার জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারে নামবেন তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজঃ আগামী ২২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সিলেট সফরে যাবেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করবেন তিনি।

আজ শনিবার বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভোটের প্রচার শুরুর বিষয়ে শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, ‘সামনে নির্বাচন। আমি একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য। স্বাভাবিকভাবেই আমরা ২২ তারিখ থেকে আমাদের সকল রকম পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের সামনে যাব।’

ভোটের প্রচারের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি বিএনপি চেয়ারম্যান।

জানা যায়, আগামী ২১ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা।

বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবে। এর অংশ হিসেবে তারেক রহমান সিলেটে হযরত শাহজালাল ও শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে প্রচারণার সূচনা করবেন। পরে সিলেট থেকে সড়কপথে ঢাকায় ফেরার সময় তিনি বিভিন্ন স্থানে পথসভা ও জনসভায় অংশ নেবেন।

এরই ধারাবাহিকতায় মৌলভীবাজারে একটি জনসভায় যোগ দেওয়ার পর তিনি শ্রীমঙ্গলে নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য রাখবেন। ঐতিহ্যগতভাবেই হযরত শাহজালাল (রা.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে বিএনপি।

এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠক শেষে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের সফর স্থগিতের কথা জানানো হয়। সেই সঙ্গে এদিন দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার নেন তারেক রহমান।

গতকাল বৈঠক শেষে এ বিষয়ে জানানোর পাশাপাশি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ সফর আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে সফরের নতুন সময়সূচি জানানো হবে।