ওসমান হাদিকে ‘গিনিপিগ’ বললেন বিএনপি নেত্রী, সমালোচনার ঝড়

ডেস্ক নিউজঃ আততায়ীর গুলিতে নিহত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ‘গিনিপিগ’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি। তার এই বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শহীদ ওসমান হাদিকে নিয়ে এমন মন্তব্যের জন্য মনির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানাচ্ছেন অনেকে।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে আব্দুন নূর তুষারের সঞ্চালনায় ‘চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়’ শীর্ষক চ্যানেল নাইন আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠান ‘নাইন সংলাপে’ অংশ নিয়ে নিলুফার চৌধুরী মনি বলেন, ‘হাদিকে আমার কাছে এই মুহূর্তে একটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ গিনিপিগ ছাড়া আর কিছুই মনে হয় নাই। আপনারা যারা ডাক্তার, এখানে অনেকে আছেন, আপনারা তেলাপোকা কাটতেন, সেলাই-টেলাই করে ছেড়ে দিতেন—চলত। বাট হাদি হয়তো চলতে পারে নাই।’

এ সময় সঞ্চালক আব্দুন নূর তুষার আলোচকদের উদ্দেশে হাদিকে নিয়ে কোনো আপত্তিকর বক্তব্য না দেওয়ার অনুরোধ জানান। একপর্যায়ে তিনি নিলুফার চৌধুরী মনির বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে প্রশ্ন রাখেন—কেউ কি ওসমান হাদিকে ব্যবহার করে কোনো উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করেছে বলে তিনি মনে করেন?

জবাবে মনি বলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই। এটা বলার কোনো অপেক্ষাই রাখে না। যদি এটা না হতো, হাদির দলের কয়টা লোক ছিল বা আছে বলেন? আমি তাঁকে ছোট করে বলছি না, আমি তার দলটাকে বলছি। এত মানুষ সারা দেশ থেকে এলো বা আনা হলো—এটার মধ্যে বড় একটা প্রশ্নবোধক চিহ্ন আছে। এই প্রশ্নবোধক চিহ্নটা নির্বাচনকে বানচাল করার চেষ্টা করছে।’

অনুষ্ঠানেই মনির বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর। তিনি বলেন, ‘হাদি কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নেতা ছিলেন না। ইনকিলাব মঞ্চও কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি সামাজিক সংগঠন। তিনি সমাজের দুর্নীতি, অপতৎপরতা ও গণতন্ত্রবিরোধী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন।’

হুমায়রা নূর বলেন, ‘হাদির জানাজার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা কষ্টদায়ক। যারা জানাজায় এসেছিলেন, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের ডাকে আসেননি। তারা এসেছিলেন একজন মানুষ ওসমান হাদির জন্য।’

এই সংলাপে আরও অংশ নেন এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ডা. জাহেদ উর রহমান এবং সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. সাজেদুল হক রুবেল।

এদিকে মনির বক্তব্যের সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক রাজনৈতিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব জয়নাল আবেদিন শিশির ফেসবুকে লেখেন, শহীদ ওসমান হাদিকে নিয়ে এমন মন্তব্য ‘অমর্যাদাকর’ এবং তিনি এ বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।

ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের (আপ বাংলাদেশ) আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ লেখেন, একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেত্রীর কাছ থেকে এমন বক্তব্য অনভিপ্রেত। একই সঙ্গে তিনি বিএনপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান।

এ ছাড়া আপ-বাংলাদেশের চিফ কো-অর্ডিনেটর রাফে সালমান রিফাতসহ আরও অনেকে মনির বক্তব্যের সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।




দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ ঢাকা ৩ আসনে মনোনীত প্রার্থী বাবুর গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পক্ষে নির্বাচনীয় প্রচারণায় দিনরাত মাঠে হাজী মোঃ জাকির হোসেন

মোঃ মাসুদ মৃধা – স্টাফ রিপোর্টার: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পক্ষে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ব্যাপক গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির অন্যতম সদস্য হাজী মোহাম্মদ জাকির হোসেন। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই প্রচারণার গতি বাড়ছে। দিনরাত মাঠে থেকে তিনি নিজের এলাকার নেতাকর্মীদের নিয়ে সাধারণ মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছেন।

হাজী মোহাম্মদ জাকির হোসেনের নেতৃত্বে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে নিয়মিত উঠান বৈঠক, পথসভা, লিফলেট বিতরণ ও জনসংযোগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব কর্মসূচিতে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রচারণার প্রতিটি মুহূর্তে তার একটাই প্রত্যাশা—ঢাকা-৩ আসন থেকে বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে বিপুল ভোটে বিজয়ী করা।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, হাজী মোহাম্মদ জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। দলের দুঃসময়েও তিনি মাঠ ছেড়ে যাননি। এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো এই নেতা বর্তমানে নির্বাচনী প্রচারণায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের কাছে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন।

হাজী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, “ঢাকা-৩ আসনের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। মানুষ পরিবর্তন চায়। বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় একজন সৎ, সাহসী ও পরীক্ষিত নেতা। আমরা বিশ্বাস করি, জনগণ এবার ধানের শীষের পক্ষেই রায় দেবে। ইনশাআল্লাহ বিপুল ভোটে বিজয় নিশ্চিত হবে।”

এদিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরীর নেতৃত্বে থানা বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। যুবদল, শ্রমিক দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক আলাদা আলাদা টিম গঠন করে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা হচ্ছে। নেতাকর্মীরা বলছেন, ঢাকা-৩ আসনে এবার নির্বাচনী পরিবেশ অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি প্রাণবন্ত। জনগণের মধ্যে বিএনপির প্রার্থীর প্রতি আগ্রহ ও সমর্থন দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয় একাধিক ভোটার জানান, তারা বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে একজন অভিজ্ঞ ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে দেখেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পক্ষে কথা বলেছেন। তাই আসন্ন নির্বাচনে তারা তাকে ভোট দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।

নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সুসংগঠিত। এই ঐক্য ও গণসংযোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ঢাকা-৩ আসনে ধানের শীষের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।

সব মিলিয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নির্বাচনী প্রচারণা এখন তুঙ্গে। হাজী মোহাম্মদ জাকির হোসেনসহ থানা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা আশাবাদী—আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৩ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবেন।




ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় নিজ দলের নেতাকর্মীদের হাতে লাঞ্চিত হলেন উপজেলা বিএনপির পদ স্থাগিত সাধারন সম্পাদক আখতার হোসেন নিজাম মীররহর।

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালালুর রহমান আকন জানান, নিজেদের মধ্যে ভুলবুঝাবুঝির কারণে সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এটা আমরা মিমাংশা করার চেষ্টা করছি। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে কাঠালিয়া উপজেলা পরিষদের সামনে কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে দলের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে ফেরার পথে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার বাসস্টান্ডে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এসময় উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো.জালালুর রহমান আকন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মো.হাসিব ভুট্রো, সাংগঠনিক সম্পাদক মো.শাহীন হাওলাদার ও সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. নুরুজ্জামান বাদলসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো.আলিমুল ইসলাম মুন্সি জানান, মহান বিজয় দিবসে শহীদ মিনারে ফুল দিতে দলের মাত্র নয়জন শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়। দলের পক্ষ থেকে ছাত্রদলসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের কাউকে দাওয়াত দেওয়া হয়নি। এনিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে মনোমলিন্য হয়। পরে বাসস্টান্ডে ওই সব নেতাকর্মীদের সাথে নিজাম মীরবহরের তর্কবির্তক হয়। এক পযার্য় বহিস্কিকৃত সাধারন সম্পাদক আখতার হোসেন নিজামকে লাঞ্চিত করে দলের কয়েকজন। আমি তাকে উদ্ধার করে বাড়ীতে পাঠিয়ে দেই।
আখতার হোসেন নিজাম মীরবহর জানান, শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ফেরার পথে বাসস্টান্ডে বসে মটর সাইকেল থামিয়ে তাকে লাঞ্চিত করা হয়। তিনি আরও বলেন, এটা আমাদের সাংগঠনিক দূর্বলতার কারণে হয়েছে। যারা এটা করেছে তারা দলের ভালো চায় না।
উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো.জালালুর রহমান আকন জানান, শহীদ মিনারে ফুল দিতে দলীয় নেতাকর্মীদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। এরপরও ভুলবুঝাবিুজির কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি একান্ত দলীয়, এটা আমরা মিমাংশা করে নিচ্ছি।
থানার ওসি নাছের রায়হান জানান, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসে এমন খবর শুনেছি। তবে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিষয়ে বিকেলে ব্রিফ করবেন ডা. জাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের সবশেষ অবস্থা নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

শুক্রবার রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালের সামনে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির মিডিয়া সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের সর্বশেষ আপডেট নিয়ে সাংবাদিক সঙ্গে কথা বলবেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন।




হাজারীবাগে হোস্টেলে মিললো এনসিপি নেত্রী জান্নাতারার মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর হাজারীবাগের জিগাতলা কাঁচাবাজার সংলগ্ন একটি ছাত্রীবাস থেকে জান্নাতারা রুমী (৩০) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ (ধানমন্ডি থানা) সমন্বয় কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে ছাত্রীবাস থেকে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, জান্নাতারা রুমী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। জান্নাতারা রুমী নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার নাজিরপুর থানাধীন মো. জাকির হোসেনের মেয়ে। তার মায়ের নাম নুরজাহান বেগম।

হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সে এলাকায় থাকাকালীন এনসিপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।




‘সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা থাকলেও ভোটে যেতে আগ্রহী জাপা’- শামীম হায়দার পাটোয়ারী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তবে ‘নো ইলেকশনের চেয়ে খারাপ নির্বাচনও ভালো’-এই যুক্তিতে দলটির ভোটে যাওয়ার আগ্রহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন শামীম হায়দার।

জাপা মহাসচিব বলেন, ‘আমরা মনে করি বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না। মব তীব্রভাবে দেশকে আকড়ে ধরেছে। মব সচিবালয়ে ঢুকে পড়েছে, মব ডিসি অফিসে ঢুকে পড়েছে। সেই প্রশাসন কীভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করবে। তারপরও আমরা ভোটে যেতে আগ্রহী, কারণ কোনো কোনো ক্ষেত্রে ‘এ ব্যাড ইলেকশন বেটার দ্যান নো ইলেকশন’। কিন্তু সামনের দিনে আমরা প্রতিনিয়ত গভীরভাবে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করব। নিরাপত্তাহীনতা দেখলে আমরা আমাদের প্রার্থীদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারি না। আমরা পরিবেশ-পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেব।’

বিজয় দিবসের কথা বলতে গিয়ে শামীম হায়দার বলেন, ‘এই দিনে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে সারেন্ডার করেছিল। এটি আমাদের হাজার বছরের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন। যে বৈষম্য, যে হীন মানসিকতা, যার প্রতিবাদে আমরা স্বাধীন হয়েছিলাম, এত বছর পরেও আমরা সেই বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে পারিনি। সেই সমতার সমাজ গড়তে পারিনি, সেই গণতান্ত্রিক সমাজ গড়তে পারিনি।

‘বর্তমান সরকারকে আমরা মনে করেছিলাম তারা সমতার বাংলাদেশ গড়বে, ঐক্যের বাংলাদেশ গড়বে। আমরা দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে দেখেছি, ঐক্যের জায়গায় অনৈক্যকে আনা হয়েছে, মবতন্ত্রের উত্থান ঘটেছে, হত্যার রাজনীতি শুরু হয়েছে, রক্তের রাজনীতি শুরু হয়েছে। নির্বাচনের তফসিল দেওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ একজন প্রার্থী, একজন গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর ওসমান হাদিকে হত্যার জন্য অত্যন্ত নির্মমভাবে গুলি করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করি। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রব্যবস্থার চিড় উদীয়মান হচ্ছে, এর মাধ্যমে রাষ্ট্রব্যবস্থার যে ভঙ্গুর অবস্থা, সেটি উদীয়মান হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হচ্ছে যে সরকার আসলে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত কি না।’

জাপা মহাসচিব বলেন, ‘আমরা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন চাই, আমরা একটা সমতার নির্বাচন চাই, আমরা একটা রাষ্ট্র কাঠামো দেখতে চাই, সরকার কাঠামো দেখতে চাই। কিন্তু আমরা দেখছি, সরকার দুর্বল হচ্ছে, মব শক্তিশালী হচ্ছে। আমরা দেখছি সরকার দুর্বল হচ্ছে, অপশক্তি শক্তিশালী হচ্ছে। আমাদের এখন সকলকে মিলে ঐক্যমত সৃষ্টি করে একটা ঐক্যমতের নির্বাচন, একটা সমঝোতা করতে হবে—রাজনৈতিক সমঝোতা, সকলকে নিয়ে। তার মাধ্যমে দেশ গঠন করতে হবে।’

শামীম হায়দার বলেন, ‘আজকে ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন, যেদিনে সারা পৃথিবীতে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিলাম। সেই দিনে সকলের শপথ হওয়া উচিত—সামনের বাংলাদেশ হবে একাত্তরের বাংলাদেশ। সামনের বাংলাদেশ হবে বৈষম্যহীনতার বাংলাদেশ। সামনের বাংলাদেশ হবে ঐক্যের বাংলাদেশ। সামনের বাংলাদেশ হবে সার্বভৌমত্বের বাংলাদেশ। সামনের বাংলাদেশ হবে সমঝোতার বাংলাদেশ। সেটি আমাদের সকলকে, সকল দেশপ্রেমিক মানুষকে একত্রিত হয়ে সেই সমঝোতা করতে হবে—দেশের স্বার্থে, দেশের মানুষের স্বার্থে। আমরা মনে করি, সেখান থেকে আমরা যোজন যোজন বিচ্যুতি ঘটে গেছে।

‘কোন একজন ব্যক্তিকে, কোন একটি দলকে ঐক্যের আহ্বান দিতে হবে, জানাতে হবে। জাতীয় পার্টি সেই ঐক্যের ডাক দিচ্ছে। একাত্তরের সমস্ত শক্তিকে আমরা বলব—জাতীয় পার্টির আন্ডারে আসেন। আমরা একতাবদ্ধ হয়ে সকলকে নিয়ে একাত্তরের চেতনায় দেশ গড়ব।’

একাত্তরকে ছাড়া কোনো রাজনৈতিক আদর্শ হতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, চব্বিশে একটি অসম্ভব আন্দোলন হয়েছে, অনেক ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছে। তবে একাত্তর একাত্তরের জায়গায় মহিমান্বিত, চব্বিশ চব্বিশের জায়গায় মহিমান্বিত। একাত্তরকে ছাড়া কোনো রাজনৈতিক আদর্শ হতে পারে না।

‘যারা একাত্তরকে বিশ্বাস করবে না, তারা বাংলাদেশকে ভালোবাসে না। যারা একাত্তরকে বিকৃত করছে, তারা বাংলাদেশকে বিকৃতি করছে। তারা বাংলাদেশের শত্রু। একাত্তরকে নিয়ে যে ‘ডিস্টরশন অব হিস্ট্রি’ হচ্ছে, ‘স্যাফ্রোনাইজেশন অব হিস্ট্রি’ হচ্ছে—আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। একাত্তর একাত্তরের জায়গায় আছে, কেউ এটিকে নষ্ট করতে চাইলেও নষ্ট করতে পারবে না।’

এক প্রশ্নের জবাবে জাপা মহাসচিব বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পরে এক প্রার্থীকে গুলি করা হয়েছে এবং এখনো প্রকৃত আসামিরা ধরা পড়েনি। এর মাধ্যমে আমরা প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে খুবই শঙ্কিত। আমরা আমাদের পোলিং এজেন্ট, তাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত; প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। দেড় বছর একটা সরকার থেকে এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারার দায় এই সরকারকে ইতিহাসে নিতে হবে। আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। যদি আমরা দেখতে পারি যে আমাদের প্রার্থীর নিরাপত্তা নাই, তাহলে আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হব। সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে যে এই নিরাপত্তা বর্তমানে দেশে আছে। এটি তাদের দায়িত্ব। ঠিক এই কাজের জন্যই তারা শপথ নিয়েছেন। তারা যদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারেন বা আন্তরিক না হন, তাহলে তাদের শপথ ভঙ্গ হয়েছে।




শরীফ ওসমান হাদির উপর গুলির প্রতিবাদে লালমনিরহাটে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ বিএনপি নেতা শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে লালমনিরহাটে জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার জেলা বিএনপির কার্যালয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করে। সমাবেশ শেষে একটি বিশাল মিছিল শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিশনমোড় বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এসে মিছিলটি শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে সরকার বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালাচ্ছে। শরীফ ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনা তারই ধারাবাহিকতা। তারা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা সভাপতি আসাদুল হাবিব দুলু।

তিনি বলেন, এই হামলা গণতন্ত্রের ওপর হামলা, আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং দাবি করছি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে এসব বর্বর হামলার বিচার অবিলম্বে হোক।

প্রতিবাদ সমাবেশে জেলা বিএনপি, উপজেলা বিএনপিসহ সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।




‘‘মুক্তিযুদ্ধকে বাদ দিয়ে, ৭১ কে বাদ দিয়ে কোন চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না’’- বলেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারিী।

এসএম বদরুল আলমঃ আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধে জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর নেতৃত্বে ফুলেল শ্রদ্ধা জানালো জাতীয় পার্টি।

শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি বলেন, একটি জাতির বুদ্ধিভিত্তিক সত্তাকে বিনষ্ট করার জন্য আমাদের মহান বিজয়ের মাত্র ২ দিন আগে এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী লিস্ট করে করে আমাদের বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করেছে । আমরা সেই সব বুদ্ধিজীবিদের গভীর শ্রদ্ধা জানাই পাশাপাশি আমরা আশা করি যে বৈষম্যের বাংলাদেশের জন্য তাঁরা জীবন দিয়েছে অচিরেই তা দূর হোক, অচিরেই দেশে একটি সাম্যের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হোক- বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাড়াক- এটাই আমরা প্রত্যাশা করি।

এক প্রশ্নের জবাবে শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে বাদ দিয়ে, ৭১ কে বাদ দিয়ে কোন চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। এই প্রজন্মের তরুনদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যদি তোমরা তোমাদের দেশকে ভালোবাসতে চাও তাহলে অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধকে ভালোবাসতে হবে, ৭১ কে ভালবাসতে হবে এবং অবশ্যই ৭১ এর চেতনাকে লালন করতে হবে, ধারন করতে হবে। ৭১ বা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোন শক্তি বাংলাদেশের জন্য কখনোই মঙ্গল বয়ে আনতে পারবে না।




ওসমান হাদিকে গুলি করা সন্দেহভাজন যুবকের বাড়ি পটুয়াখালী

ডেস্ক নিউজঃ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনের পরিচয় ও ঠিকানা জানা গেছে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ওই যুবকের নাম ফয়সাল করিম মাসুদ, ডাকনাম রাহুল। তার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়।

জানা গেছে, ফয়সাল করিম মাসুদের স্থায়ী ঠিকানা বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে, কেশবপুর কলেজসংলগ্ন এলাকায়। তার পিতার নাম হুমায়ুন কবির। বর্তমানে তিনি ঢাকার আদাবর থানাধীন পিস কালচার হাউজিং সোসাইটির ৪১ নম্বর বাসা, ৯ নম্বর রোডে বসবাস করতেন। জানা গেছে, আদাবর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।

এদিকে, ফয়সাল করিম মাসুদের পিসিআর রিপোর্ট–সংক্রান্ত কিছু তথ্য ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এসব তথ্যের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে শরীফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজনের পরিচয় ও বাড়ির ঠিকানা বাউফল এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর সেখানে মানুষের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তবে পুরো ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলমান থাকায় এ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।




ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ

ডেস্ক নিউজঃ আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর নির্বাচনী প্রচারণার সময় রাজধানীর বিজয়নগরে এ ঘটনা ঘটে।

জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক ইস্রাফিল ফরায়েজি জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়।

এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হাদির মতো আমাদের জীবনেরও শঙ্কা রয়েছে, আমাদেরকেও মেরে ফেলা হতে পারে, তবে আমরা জীবন দিয়ে লড়াই করে যেতে চাই।’

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা শুনেছি বিজয়নগর এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে বিষয়টি আমরা নিশ্চিত নই, আমাদের টিম পাঠিয়েছি। টিম আমাদের কনফার্ম করলে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।’