শরীফ ওসমান হাদির উপর গুলির প্রতিবাদে লালমনিরহাটে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ বিএনপি নেতা শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে লালমনিরহাটে জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার জেলা বিএনপির কার্যালয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করে। সমাবেশ শেষে একটি বিশাল মিছিল শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিশনমোড় বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এসে মিছিলটি শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে সরকার বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালাচ্ছে। শরীফ ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনা তারই ধারাবাহিকতা। তারা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা সভাপতি আসাদুল হাবিব দুলু।

তিনি বলেন, এই হামলা গণতন্ত্রের ওপর হামলা, আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং দাবি করছি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে এসব বর্বর হামলার বিচার অবিলম্বে হোক।

প্রতিবাদ সমাবেশে জেলা বিএনপি, উপজেলা বিএনপিসহ সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।




‘‘মুক্তিযুদ্ধকে বাদ দিয়ে, ৭১ কে বাদ দিয়ে কোন চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না’’- বলেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারিী।

এসএম বদরুল আলমঃ আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধে জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর নেতৃত্বে ফুলেল শ্রদ্ধা জানালো জাতীয় পার্টি।

শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি বলেন, একটি জাতির বুদ্ধিভিত্তিক সত্তাকে বিনষ্ট করার জন্য আমাদের মহান বিজয়ের মাত্র ২ দিন আগে এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী লিস্ট করে করে আমাদের বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করেছে । আমরা সেই সব বুদ্ধিজীবিদের গভীর শ্রদ্ধা জানাই পাশাপাশি আমরা আশা করি যে বৈষম্যের বাংলাদেশের জন্য তাঁরা জীবন দিয়েছে অচিরেই তা দূর হোক, অচিরেই দেশে একটি সাম্যের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হোক- বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাড়াক- এটাই আমরা প্রত্যাশা করি।

এক প্রশ্নের জবাবে শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে বাদ দিয়ে, ৭১ কে বাদ দিয়ে কোন চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। এই প্রজন্মের তরুনদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যদি তোমরা তোমাদের দেশকে ভালোবাসতে চাও তাহলে অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধকে ভালোবাসতে হবে, ৭১ কে ভালবাসতে হবে এবং অবশ্যই ৭১ এর চেতনাকে লালন করতে হবে, ধারন করতে হবে। ৭১ বা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোন শক্তি বাংলাদেশের জন্য কখনোই মঙ্গল বয়ে আনতে পারবে না।




ওসমান হাদিকে গুলি করা সন্দেহভাজন যুবকের বাড়ি পটুয়াখালী

ডেস্ক নিউজঃ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনের পরিচয় ও ঠিকানা জানা গেছে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ওই যুবকের নাম ফয়সাল করিম মাসুদ, ডাকনাম রাহুল। তার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়।

জানা গেছে, ফয়সাল করিম মাসুদের স্থায়ী ঠিকানা বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে, কেশবপুর কলেজসংলগ্ন এলাকায়। তার পিতার নাম হুমায়ুন কবির। বর্তমানে তিনি ঢাকার আদাবর থানাধীন পিস কালচার হাউজিং সোসাইটির ৪১ নম্বর বাসা, ৯ নম্বর রোডে বসবাস করতেন। জানা গেছে, আদাবর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।

এদিকে, ফয়সাল করিম মাসুদের পিসিআর রিপোর্ট–সংক্রান্ত কিছু তথ্য ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এসব তথ্যের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে শরীফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজনের পরিচয় ও বাড়ির ঠিকানা বাউফল এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর সেখানে মানুষের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তবে পুরো ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলমান থাকায় এ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।




ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ

ডেস্ক নিউজঃ আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর নির্বাচনী প্রচারণার সময় রাজধানীর বিজয়নগরে এ ঘটনা ঘটে।

জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক ইস্রাফিল ফরায়েজি জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়।

এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হাদির মতো আমাদের জীবনেরও শঙ্কা রয়েছে, আমাদেরকেও মেরে ফেলা হতে পারে, তবে আমরা জীবন দিয়ে লড়াই করে যেতে চাই।’

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা শুনেছি বিজয়নগর এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে বিষয়টি আমরা নিশ্চিত নই, আমাদের টিম পাঠিয়েছি। টিম আমাদের কনফার্ম করলে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।’




ঢাকা-১৫ এ বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সম্মিলিত দোয়া—উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন

এসএম বদরুল আলমঃ বাংলাদেশের অভিভাবক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় ঢাকা-১৫ আসনের সর্বস্তরের আপামর সাধারণ মানুষের উদ্যোগে এক সম্মিলিত দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তিনি বলেন,
“দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের সকলের মায়ের মতো। তাঁর সুস্থতা দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। আমরা বিশ্বাস করি—আল্লাহর রহমতে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।”

উক্ত দোয়া মাহফিলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন ফাউন্ডেশন, যারা পুরো আয়োজনটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন করে এলাকার মানুষকে একত্রিত করেন।




লালমনিরহাট যুবদলের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ- স্বেচ্ছায় সেতু নির্মাণে নজির

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ঝাড়িরঝাড় রত্নাই নদীর দুই গ্রামের মানুষের দুর্দশা লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে সেতু নির্মাণ করেছে জেলা যুবদল।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ০৬ নং ওয়ার্ডের ঝাড়িরঝাড় নামক এলাকায় দুই গ্রামের যাতায়াতে রতনাই নদীর উপরে নির্মিত এ সেতুর উদ্বোধন করা হয়। রংপুর বিভাগীয় সাংগাঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু এ সেতুর উদ্বোধন করেন।

অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ফ্যাসিবাদী শাষণের কারণে মানুষের দুঃখ-দুর্দশার প্রতি কোন আন্তরিকতা ছিলনা আওয়ামী লীগের। ৫ আগষ্টের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছি। যুবদল বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ করছে এতে জনদূর্ভোগ কমছে মানুষের।

এলাকাবাসী জানান, কৃষি জমির জন্য সারের বস্তা কিংবা উৎপাদিত ফসল হাটবাজারে নিয়ে যাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য। একটা সেতু না থাকায় এসব ভোগান্তির সীমা ছিল না। তাছাড়া বর্ষাকালে চরম ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে হতো। জেলা যুবদলের এ উদ্যোগে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনিছুর রহমান ভিপি আনিছ বলেন, স্থানীয়দের দুঃখ দুর্দশার কথা ভেবে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের যুবদলের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাশ্রমে ভাসমান এ সেতু নির্মাণ করছি ইতিমধ্যে আমরা তিনটি সেতু নির্মাণ কাজ শেষ করেছি এবং আরো চারটি সেতু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জেলা যুবদলের সদস্য সচিব হাসান আলী বলেন, পাশ্ববর্তী তিস্তা নদীর পানির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় সতি নদীর পানিও ওঠা নামা করে। তাই বাঁশ বা কাঁঠের সেতু নির্মাণসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাশ্রম কাজ করে যাচ্ছে জেলা যুবদল। মানুষের পাশে থাকা ও সমস্যা সমাধানে কাজ করাই যুবদলের লক্ষ। এই ধরনের কাজ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রোকন উদ্দিন বাবুল, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, জেলা যুবদলসহ ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ।




নির্বাচন বানচালে ৫০ প্রার্থীকে টার্গেট কিলিং করা হবে: রাশেদ খাঁন

ডেস্ক নিউজঃ গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর নির্বাচন হচ্ছে, এ নির্বাচনে প্রত্যেক দলের প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের এক ধরনের চক্রান্ত রয়েছে যে, যারা নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে- এরকম ৫০ জন প্রার্থীকে টার্গেট কিলিং করা হবে। আমি এমন তথ্য পেয়েছি। আরও তথ্য পেয়েছি যারা প্রার্থী রয়েছেন, তাদের গুপ্তহত্যা করার প্ল্যান আওয়ামী লীগের রয়েছে। এভাবে নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত তাদের রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচন কেউ বানচাল করতে পারবে না। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচন হবে এবং নির্বাচন আদায় করে নিতে হবে।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহের গোয়ালপাড়া বাজারে নির্বাচনি পথসভায় রাশেদ খান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমি যতটুক জেনেছি বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে যতটুক আমার কথাবার্তা হয়েছে, তারেক রহমান তফশিলের পরপরই বাংলাদেশে আসবেন এবং তিনি বাংলাদেশের মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা, সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করবেন।

বুলেটপ্রুফ গাড়ি ক্রয়ের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খান পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, এখন তারেক রহমানের কি নিরাপত্তা লাগবে না? শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, আজকে যদি তারেক রহমান একই ধরনের নির্মম পরিণতি ভোগ করতে হয়, তাহলে এই বাংলাদেশ নিয়ে যে ধরনের ভারতীয় ষড়যন্ত্র, বিভিন্ন বিদেশি চক্রের ষড়যন্ত্র হয়েছে, সেগুলো সফল হয়ে যাবে। সুতরাং তার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ। সেই নিরাপত্তা বিবেচনা করে দলের পক্ষ থেকে বুলেটপ্রুফ গাড়ি ক্রয় করা হয়েছে। আমি মনে করি, এখানে কোনো অন্যায় নাই। বরং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার, আপনার, আমাদের সবার দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, ঠিক একইভাবে আমরা যারা প্রার্থী রয়েছি, আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এখন প্রশাসন যদি মনে করে যে রাশেদ খানের নিরাপত্তা লাগবে না, তাহলে তো আমার কিছু করার নাই; কিন্তু আমি যেহেতু প্রশাসনকে সবসময় অবহিত করি, আমি পুলিশকে জানাই, এসপিকে জানাই, ডিজিএফআইকে জানাই। সুতরাং এখানে যদি আমার ওপর আক্রমণ হয়, আমার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, এর দায়ভার কিন্তু সরকারকে নিতে হবে।

এ সময় পথসভায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।




আগামী নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-২ আসনের মানুষের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ

মোঃ শফিকুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন  কায়কোবাদ ১৯৭০ সালে ২৯ শে ডিসেম্বর কুড়িগ্রামের পুরাতন স্টেশন এলাকায় এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আব্দুল কুদ্দুস কুড়িগ্রাম জজকোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী ছিলেন।
মাতা সাবিনা খাতুন কুড়িগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন।
সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। প্রথমে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদে অন্তর্ভুক্ত হন। অতি অল্প সময়ের ব্যবধানে সুদক্ষ নেতৃত্বে জনপ্রিয়তা অর্জন করে ১৯৯২ সালে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০২ সালে জাতীয়তাবাদী যুবদল কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক মনোনীত হন। ২০০৩ সালে কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাউন্সিলের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর পর্যন্ত দুই দফায় কাউন্সিলের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির ১ নং যুগ্ন সম্পাদক নির্বাচিত হন।
কুড়িগ্রাম জেলায় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় থেকে জেলা উপজেলা পর্যায়ে অনেক খ্যাতিমান ও স্বনামধন্য সিনিয়র লিডার পার্সন আছেন। সেই সকল ব্যক্তিত্বের হৃদয়ে  সোহেল হোসানাইন কায়কোবাদ জায়গা করে নিয়েছেন।
তিনি বহুগুণে গুণান্বিত এমন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মূল দলের আশীর্বাদ পুষ্ট, যুবদলের অহংকার ছাত্রদলের অলংকার। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে মানবিকতা,সততা, স্বচ্ছতা দক্ষতা প্রতিটি মুহূর্তে প্রতীয়মান। যার ফলশ্রুতিতে আজকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কুড়িগ্রাম ২ আসনের  যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, বিগত ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি দলীয়  মনোনয়ন লাভ করেছিলেন। তৎকালীন বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক শরিক দল  যুক্তফ্রন্টকে এই আসনটি ছেড়ে দিতে হয়।
বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের শাসনামলে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বিভিন্ন ভাবে অসংখ্য মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। এতো কিছুর পরেও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেতনা ও আদর্শ থেকে একচুলও বিচলিত হননি। তিনি নিজেকে সবসময় শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক ও কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে নিজেকে বিলিয়ে দিতে সদা প্রস্তুত ছিলেন।
বিএনপির রাজনীতিতে জেলা উপজেলা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে এখন একটাই নাম সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। বর্তমানে তিনি কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব পদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। আসছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-২  আসনে
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিন উপজেলায় তৃণমূলের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
জনমত জরীপে দেখা গেছে কুড়িগ্রাম সদর,রাজারহাট, ফুলবাড়ী উপজেলায় সাধারণ মানুষ সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ এর মতো পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দলমত নির্বিশেষে কুড়িগ্রাম-২ আসনের (সদর, রাজারহাট, ফুলবাড়ী)  উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ আগামী ত্রোয়োদশ নির্বাচনে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ কে এমপি হিসেবে দেখতে চান। তিনি নির্বাচিত হলে অতীতের সকল  রেকর্ড ভেঙ্গে কুড়িগ্রাম-২ আসনের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ও অবকাঠামোগত অর্থ সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে তিনি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।



ঢাকা–১৮-এ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের উদ্যোগে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সম্মিলিত দোয়া মাহফিল

এসএম বদরুল আলমঃ বাংলাদেশের অভিভাবক, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় ঢাকা–১৮ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন-এর উদ্যোগে এক বিশাল সম্মিলিত দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও ঢাকা–১৬ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক। দোয়া মাহফিলে কয়েক হাজার ওলামা-মাশায়েখ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পুরো এলাকা হয়ে ওঠে আধ্যাত্মিক আবহে মোড়ানো এক মানবিক সমাবেশ।

দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন—
“দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামে আজীবন লড়ে গেছেন। তিনি শুধু বিএনপির নয়—এই জাতির আশা, সাহস ও গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতীক। তাঁর সুস্থতা আজ বাংলাদেশের কোটি মানুষের দোয়া। আমরা আল্লাহর দরবারে মাথা নত করে প্রার্থনা করছি—তিনি যেন দ্রুত আরোগ্য লাভ করে আবারও দেশ ও মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন।”

প্রধান অতিথি আমিনুল হক বলেন—
“খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে এক অনন্য নাম। তাঁর অসুস্থতা জাতিকে উদ্বেগে ফেলেছে, কিন্তু তাঁর জন্য দেশের মানুষের দোয়া কখনো থেমে নেই। আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহর রহমতে খুব শিগগিরই তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। দেশের মানুষের অধিকার ও ভোটের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে তাঁর নেতৃত্ব এখনো দেশের প্রয়োজন।”

✦ ওলামা-মাশায়েখদের বিশেষ দোয়া

অনুষ্ঠানে উপস্থিত একজন শীর্ষ ওলামা মাশায়েখ দোয়া পরিচালনা করেন। তিনি মোনাজাতে বলেন—
“হে আল্লাহ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পূর্ণ সুস্থতা দান করুন। তাঁর ওপর আপনার রহমত বর্ষিত হোক। তাঁকে শক্তি, ধৈর্য ও সুস্থ জীবন দান করুন, যাতে তিনি পুনরায় দেশের কল্যাণে কাজ করতে পারেন। আমিন।”

হাজারো মানুষের আমিন আমিন ধ্বনিতে সমগ্র দোয়া মাহফিল প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় দেশনেত্রীর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও প্রার্থনার এক বিরল সমাবেশে।




খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় মিরপুর প্রেসক্লাবে মিলাদ মাহফিল

এসএম বদরুল আলমঃ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় মিরপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ আয়োজন করা হয়। মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা খোরশেদ আলম।

অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ও দৈনিক পাঞ্জেরীর সম্পাদক তালুকদার রুমি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া জাতির সম্পদ। তার সুস্থতার জন্য আমরা সবাই আজ একত্রিত হয়ে দোয়া করেছি। আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত আরোগ্য দান করেন।”

প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম বদরুল আলম বলেন, “আমরা সাংবাদিক সমাজ সর্বদা মানবিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে দেশনেত্রীর পাশে আছি। তার সুস্থতা শুধু বিএনপি নয়, দেশের কোটি মানুষের প্রত্যাশা।”

প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন, “মিরপুর প্রেসক্লাব সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। আজকের দোয়া মাহফিলে সাংবাদিকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে—আমরা সকলেই দেশনেত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।”

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মিরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা মোঃ সালমান ফারসি, উপদেষ্টা মামুন খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাইনুল ইসলাম পলাশ, সিনিয়র সহ সভাপতি জাকির হোসেন শান্ত, সিনিয়র সহ সভাপতি এস এম ইসলাম উকিল, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি খাইরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি শাহিনুজ্জামান, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শহীদ, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল সিদ্দিক, সুমন খান, এক নং সম্পাদক জাকির হোসেন মোল্লা, সহ সম্পাদক মোঃ আজিজুল হক মিলন, অর্থ সম্পাদক জি এস জয়, সহ-অর্থ সম্পাদক এম এ মালেক, দপ্তর সম্পাদক এম এ গফফার, প্রচার সম্পাদক মঞ্জুর আলম, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সায়মনসহ প্রায় একশত সাংবাদিক।

দোয়া মাহফিলে খালেদা জিয়ার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও দ্রুত ঘরে ফেরার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।