ঢাকা-১৫ এ বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সম্মিলিত দোয়া—উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন

এসএম বদরুল আলমঃ বাংলাদেশের অভিভাবক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় ঢাকা-১৫ আসনের সর্বস্তরের আপামর সাধারণ মানুষের উদ্যোগে এক সম্মিলিত দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তিনি বলেন,
“দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের সকলের মায়ের মতো। তাঁর সুস্থতা দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। আমরা বিশ্বাস করি—আল্লাহর রহমতে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।”

উক্ত দোয়া মাহফিলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন ফাউন্ডেশন, যারা পুরো আয়োজনটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন করে এলাকার মানুষকে একত্রিত করেন।




লালমনিরহাট যুবদলের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ- স্বেচ্ছায় সেতু নির্মাণে নজির

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ঝাড়িরঝাড় রত্নাই নদীর দুই গ্রামের মানুষের দুর্দশা লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে সেতু নির্মাণ করেছে জেলা যুবদল।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ০৬ নং ওয়ার্ডের ঝাড়িরঝাড় নামক এলাকায় দুই গ্রামের যাতায়াতে রতনাই নদীর উপরে নির্মিত এ সেতুর উদ্বোধন করা হয়। রংপুর বিভাগীয় সাংগাঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু এ সেতুর উদ্বোধন করেন।

অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ফ্যাসিবাদী শাষণের কারণে মানুষের দুঃখ-দুর্দশার প্রতি কোন আন্তরিকতা ছিলনা আওয়ামী লীগের। ৫ আগষ্টের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছি। যুবদল বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ করছে এতে জনদূর্ভোগ কমছে মানুষের।

এলাকাবাসী জানান, কৃষি জমির জন্য সারের বস্তা কিংবা উৎপাদিত ফসল হাটবাজারে নিয়ে যাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য। একটা সেতু না থাকায় এসব ভোগান্তির সীমা ছিল না। তাছাড়া বর্ষাকালে চরম ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে হতো। জেলা যুবদলের এ উদ্যোগে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনিছুর রহমান ভিপি আনিছ বলেন, স্থানীয়দের দুঃখ দুর্দশার কথা ভেবে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের যুবদলের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাশ্রমে ভাসমান এ সেতু নির্মাণ করছি ইতিমধ্যে আমরা তিনটি সেতু নির্মাণ কাজ শেষ করেছি এবং আরো চারটি সেতু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জেলা যুবদলের সদস্য সচিব হাসান আলী বলেন, পাশ্ববর্তী তিস্তা নদীর পানির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় সতি নদীর পানিও ওঠা নামা করে। তাই বাঁশ বা কাঁঠের সেতু নির্মাণসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাশ্রম কাজ করে যাচ্ছে জেলা যুবদল। মানুষের পাশে থাকা ও সমস্যা সমাধানে কাজ করাই যুবদলের লক্ষ। এই ধরনের কাজ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রোকন উদ্দিন বাবুল, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, জেলা যুবদলসহ ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ।




নির্বাচন বানচালে ৫০ প্রার্থীকে টার্গেট কিলিং করা হবে: রাশেদ খাঁন

ডেস্ক নিউজঃ গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর নির্বাচন হচ্ছে, এ নির্বাচনে প্রত্যেক দলের প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের এক ধরনের চক্রান্ত রয়েছে যে, যারা নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে- এরকম ৫০ জন প্রার্থীকে টার্গেট কিলিং করা হবে। আমি এমন তথ্য পেয়েছি। আরও তথ্য পেয়েছি যারা প্রার্থী রয়েছেন, তাদের গুপ্তহত্যা করার প্ল্যান আওয়ামী লীগের রয়েছে। এভাবে নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত তাদের রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচন কেউ বানচাল করতে পারবে না। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচন হবে এবং নির্বাচন আদায় করে নিতে হবে।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহের গোয়ালপাড়া বাজারে নির্বাচনি পথসভায় রাশেদ খান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমি যতটুক জেনেছি বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে যতটুক আমার কথাবার্তা হয়েছে, তারেক রহমান তফশিলের পরপরই বাংলাদেশে আসবেন এবং তিনি বাংলাদেশের মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা, সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করবেন।

বুলেটপ্রুফ গাড়ি ক্রয়ের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খান পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, এখন তারেক রহমানের কি নিরাপত্তা লাগবে না? শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, আজকে যদি তারেক রহমান একই ধরনের নির্মম পরিণতি ভোগ করতে হয়, তাহলে এই বাংলাদেশ নিয়ে যে ধরনের ভারতীয় ষড়যন্ত্র, বিভিন্ন বিদেশি চক্রের ষড়যন্ত্র হয়েছে, সেগুলো সফল হয়ে যাবে। সুতরাং তার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ। সেই নিরাপত্তা বিবেচনা করে দলের পক্ষ থেকে বুলেটপ্রুফ গাড়ি ক্রয় করা হয়েছে। আমি মনে করি, এখানে কোনো অন্যায় নাই। বরং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার, আপনার, আমাদের সবার দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, ঠিক একইভাবে আমরা যারা প্রার্থী রয়েছি, আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এখন প্রশাসন যদি মনে করে যে রাশেদ খানের নিরাপত্তা লাগবে না, তাহলে তো আমার কিছু করার নাই; কিন্তু আমি যেহেতু প্রশাসনকে সবসময় অবহিত করি, আমি পুলিশকে জানাই, এসপিকে জানাই, ডিজিএফআইকে জানাই। সুতরাং এখানে যদি আমার ওপর আক্রমণ হয়, আমার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, এর দায়ভার কিন্তু সরকারকে নিতে হবে।

এ সময় পথসভায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।




আগামী নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-২ আসনের মানুষের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ

মোঃ শফিকুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন  কায়কোবাদ ১৯৭০ সালে ২৯ শে ডিসেম্বর কুড়িগ্রামের পুরাতন স্টেশন এলাকায় এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আব্দুল কুদ্দুস কুড়িগ্রাম জজকোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী ছিলেন।
মাতা সাবিনা খাতুন কুড়িগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন।
সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। প্রথমে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদে অন্তর্ভুক্ত হন। অতি অল্প সময়ের ব্যবধানে সুদক্ষ নেতৃত্বে জনপ্রিয়তা অর্জন করে ১৯৯২ সালে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০২ সালে জাতীয়তাবাদী যুবদল কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক মনোনীত হন। ২০০৩ সালে কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাউন্সিলের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর পর্যন্ত দুই দফায় কাউন্সিলের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির ১ নং যুগ্ন সম্পাদক নির্বাচিত হন।
কুড়িগ্রাম জেলায় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় থেকে জেলা উপজেলা পর্যায়ে অনেক খ্যাতিমান ও স্বনামধন্য সিনিয়র লিডার পার্সন আছেন। সেই সকল ব্যক্তিত্বের হৃদয়ে  সোহেল হোসানাইন কায়কোবাদ জায়গা করে নিয়েছেন।
তিনি বহুগুণে গুণান্বিত এমন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মূল দলের আশীর্বাদ পুষ্ট, যুবদলের অহংকার ছাত্রদলের অলংকার। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে মানবিকতা,সততা, স্বচ্ছতা দক্ষতা প্রতিটি মুহূর্তে প্রতীয়মান। যার ফলশ্রুতিতে আজকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কুড়িগ্রাম ২ আসনের  যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, বিগত ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি দলীয়  মনোনয়ন লাভ করেছিলেন। তৎকালীন বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক শরিক দল  যুক্তফ্রন্টকে এই আসনটি ছেড়ে দিতে হয়।
বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের শাসনামলে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বিভিন্ন ভাবে অসংখ্য মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। এতো কিছুর পরেও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেতনা ও আদর্শ থেকে একচুলও বিচলিত হননি। তিনি নিজেকে সবসময় শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক ও কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে নিজেকে বিলিয়ে দিতে সদা প্রস্তুত ছিলেন।
বিএনপির রাজনীতিতে জেলা উপজেলা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে এখন একটাই নাম সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। বর্তমানে তিনি কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব পদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। আসছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-২  আসনে
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিন উপজেলায় তৃণমূলের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
জনমত জরীপে দেখা গেছে কুড়িগ্রাম সদর,রাজারহাট, ফুলবাড়ী উপজেলায় সাধারণ মানুষ সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ এর মতো পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দলমত নির্বিশেষে কুড়িগ্রাম-২ আসনের (সদর, রাজারহাট, ফুলবাড়ী)  উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ আগামী ত্রোয়োদশ নির্বাচনে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ কে এমপি হিসেবে দেখতে চান। তিনি নির্বাচিত হলে অতীতের সকল  রেকর্ড ভেঙ্গে কুড়িগ্রাম-২ আসনের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ও অবকাঠামোগত অর্থ সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে তিনি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।



ঢাকা–১৮-এ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের উদ্যোগে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সম্মিলিত দোয়া মাহফিল

এসএম বদরুল আলমঃ বাংলাদেশের অভিভাবক, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় ঢাকা–১৮ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন-এর উদ্যোগে এক বিশাল সম্মিলিত দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও ঢাকা–১৬ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক। দোয়া মাহফিলে কয়েক হাজার ওলামা-মাশায়েখ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পুরো এলাকা হয়ে ওঠে আধ্যাত্মিক আবহে মোড়ানো এক মানবিক সমাবেশ।

দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন—
“দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামে আজীবন লড়ে গেছেন। তিনি শুধু বিএনপির নয়—এই জাতির আশা, সাহস ও গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতীক। তাঁর সুস্থতা আজ বাংলাদেশের কোটি মানুষের দোয়া। আমরা আল্লাহর দরবারে মাথা নত করে প্রার্থনা করছি—তিনি যেন দ্রুত আরোগ্য লাভ করে আবারও দেশ ও মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন।”

প্রধান অতিথি আমিনুল হক বলেন—
“খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে এক অনন্য নাম। তাঁর অসুস্থতা জাতিকে উদ্বেগে ফেলেছে, কিন্তু তাঁর জন্য দেশের মানুষের দোয়া কখনো থেমে নেই। আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহর রহমতে খুব শিগগিরই তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। দেশের মানুষের অধিকার ও ভোটের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে তাঁর নেতৃত্ব এখনো দেশের প্রয়োজন।”

✦ ওলামা-মাশায়েখদের বিশেষ দোয়া

অনুষ্ঠানে উপস্থিত একজন শীর্ষ ওলামা মাশায়েখ দোয়া পরিচালনা করেন। তিনি মোনাজাতে বলেন—
“হে আল্লাহ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পূর্ণ সুস্থতা দান করুন। তাঁর ওপর আপনার রহমত বর্ষিত হোক। তাঁকে শক্তি, ধৈর্য ও সুস্থ জীবন দান করুন, যাতে তিনি পুনরায় দেশের কল্যাণে কাজ করতে পারেন। আমিন।”

হাজারো মানুষের আমিন আমিন ধ্বনিতে সমগ্র দোয়া মাহফিল প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় দেশনেত্রীর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও প্রার্থনার এক বিরল সমাবেশে।




খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় মিরপুর প্রেসক্লাবে মিলাদ মাহফিল

এসএম বদরুল আলমঃ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় মিরপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ আয়োজন করা হয়। মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা খোরশেদ আলম।

অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ও দৈনিক পাঞ্জেরীর সম্পাদক তালুকদার রুমি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া জাতির সম্পদ। তার সুস্থতার জন্য আমরা সবাই আজ একত্রিত হয়ে দোয়া করেছি। আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত আরোগ্য দান করেন।”

প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম বদরুল আলম বলেন, “আমরা সাংবাদিক সমাজ সর্বদা মানবিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে দেশনেত্রীর পাশে আছি। তার সুস্থতা শুধু বিএনপি নয়, দেশের কোটি মানুষের প্রত্যাশা।”

প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন, “মিরপুর প্রেসক্লাব সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। আজকের দোয়া মাহফিলে সাংবাদিকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে—আমরা সকলেই দেশনেত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।”

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মিরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা মোঃ সালমান ফারসি, উপদেষ্টা মামুন খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাইনুল ইসলাম পলাশ, সিনিয়র সহ সভাপতি জাকির হোসেন শান্ত, সিনিয়র সহ সভাপতি এস এম ইসলাম উকিল, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি খাইরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি শাহিনুজ্জামান, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শহীদ, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল সিদ্দিক, সুমন খান, এক নং সম্পাদক জাকির হোসেন মোল্লা, সহ সম্পাদক মোঃ আজিজুল হক মিলন, অর্থ সম্পাদক জি এস জয়, সহ-অর্থ সম্পাদক এম এ মালেক, দপ্তর সম্পাদক এম এ গফফার, প্রচার সম্পাদক মঞ্জুর আলম, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সায়মনসহ প্রায় একশত সাংবাদিক।

দোয়া মাহফিলে খালেদা জিয়ার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও দ্রুত ঘরে ফেরার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।




ঢাকা-১৮ আসনে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের মনোনয়ন পাওয়ায় অভিনন্দন জানালেন আজমুল হুদা মিঠু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা-১৮ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন মনোনয়ন পাওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা উত্তরা পশ্চিম বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজমুল হুদা মিঠু। মনোনয়ন ঘোষণার পর তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন,
“একজন ত্যাগী নেতাকে দল সঠিক সময়ের সঠিক মূল্যায়ন করেছে। এস এম জাহাঙ্গীর মানে—ঢাকা-১৮ আসনের জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতীক।”

তিনি আরও বলেন,
“এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন একজন ত্যাগী, দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অধিকারী। দল তাকে যথাযথ মূল্যায়ন করায় আমরা আনন্দিত। ইনশাল্লাহ, আগামী নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে ঢাকা-১৮ আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করবেন।”

নেতাকর্মীদের মধ্যেও মনোনয়ন ঘোষণা ঘিরে আনন্দ ও উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। সবাই আশা করছেন, এস এম জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির নির্বাচনী মাঠ আরও শক্তিশালী হবে।




ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন মনোনয়ন পেলেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সকল জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ঢাকা-১৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। দীর্ঘদিনের ত্যাগ, নিষ্ঠা ও দলের প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসার মূল্যায়ন হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ মনোনয়ন প্রদান করে।

ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন মনোনয়ন পেলেন-

সকল জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ঢাকা-১৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। দীর্ঘদিনের ত্যাগ, নিষ্ঠা ও দলের প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসার মূল্যায়ন হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ মনোনয়ন প্রদান করে।

মনোনয়ন পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন,
“আমার একটাই প্রার্থনা—আল্লাহ পাক আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে দিন। তার নেতৃত্বে যদি আগামী নির্বাচনে জনগণ আমাদের ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করেন, আমরা দেশমাতার নেতৃত্বে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে চাই।”

তার মনোনয়নকে ঘিরে ঢাকা-১৮ আসনের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। অনেকেই জানান, নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে এই সিদ্ধান্তে তারা অত্যন্ত আশাবাদী।

নেতাকর্মীদের মতে,
“এই মনোনয়নের মাধ্যমে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের সম্মান করা হয়েছে।”

ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির নির্বাচনী মাঠ এখন আরও সরব হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও।

মনোনয়ন পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন,
“আমার একটাই প্রার্থনা—আল্লাহ পাক আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে দিন। তার নেতৃত্বে যদি আগামী নির্বাচনে জনগণ আমাদের ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করেন, আমরা দেশমাতার নেতৃত্বে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে চাই।”

তার মনোনয়নকে ঘিরে ঢাকা-১৮ আসনের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। অনেকেই জানান, নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে এই সিদ্ধান্তে তারা অত্যন্ত আশাবাদী।

নেতাকর্মীদের মতে,
“এই মনোনয়নের মাধ্যমে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের সম্মান করা হয়েছে।”

ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির নির্বাচনী মাঠ এখন আরও সরব হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও।




ইসি থেকে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে সনদ পেল এনসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন সনদ পেয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলের পক্ষে এই সনদ গ্রহণ করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। দলটির জন্য বরাদ্দকৃত প্রতীক হচ্ছে ‘শাপলা কলি’।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ ইসলাম নির্বাচন সংক্রান্ত আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) সংশোধনীকে সাধুবাদ জানান। একইসঙ্গে, তিনি এই সংস্কার বাতিলে চাপ সৃষ্টি এবং আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

নিবন্ধনের শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল নেতারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন বলে জানান এনসিপি নেতা নাহিদ। নির্বাচন কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনেক চড়াই উৎরাই পার হওয়ার পরে অবশেষে প্রতীক বরাদ্দ হয়েছে। শাপলা কলি প্রতীকে এনসিপি এবারের নির্বাচনে অংশ নেবে।

নাহিদ উল্লেখ করেন, প্রত্যেক দলকে স্ব স্ব প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে—এই প্রস্তাবনা থেকে ইসিকে সরে না আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। একটি বিশেষ দল সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে চাপ দিয়েছে এক মার্কায় নির্বাচনের জন্য এবং আদালতকে ব্যবহার করে এখন এই সংস্কার প্রস্তাবনা বাতিলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এনসিপি এই বিষয়ে ইসিকে শক্ত অবস্থানে থাকার জন্য বলেছে।

নির্বাচনে অর্থ ও ক্ষমতার প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এনসিপি। নাহিদ বলেন, হলফনামায় প্রার্থীর তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য ইসিকে বলা হয়েছে। এছাড়া অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে ইসি যেন কঠোর অবস্থান নেয়। যারা কালো টাকা ছড়াবে, তাদের বিরুদ্ধে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সে বিষয়ে বলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) বদলির বিষয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ডিসি, এসপিদের বদলিতে রাজনৈতিক প্রভাব আছে। এই প্রভাবের কারণে তারা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করবে।

গণভোটের প্রশ্ন যেন সঠিক প্রচার হয়, সেই বিষয়েও ইসিকে সতর্ক করেছে এনসিপি। নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটের প্রশ্ন সঠিকভাবে প্রচার না হলে জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছাবে না। এছাড়া নির্বাচনে অপতথ্য বা ভুল তথ্যের বিস্তার রোধে নির্বাচন কমিশনকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এছাড়া এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের কাছ থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করেছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

এ সময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ ও যুগ্ম সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

পরে রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন সনদ পাওয়ায় পৃথক ফেসবুক পোস্টে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায় এনসিপি। ওই পোস্টে নিবন্ধন সনদের ছবিও জুড়ে দেওয়া হয়।




দুঃসময়ে বিএনপির পাশে ছিলেন উত্তরা পশ্চিম বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজমুল হুদা মিঠু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর উত্তরা পশ্চিম থানার সাবেক সাবেক সদস্য সচিব, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বৃহত্তর উত্তরা থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি আজমল হুদা মিঠুর বিরুদ্ধে দলের অভ্যন্তরে থাকা একটি কুচক্রী মহলের মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা। তারা বলেছেন, দলের প্রতি মিঠুর সীমাহীন ত্যাগ ও অবদানকে কোনোভাবেই অস্বীকার করা যাবে না।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, আজমল হুদা মিঠু দীর্ঘকাল ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এবং বৃহত্তর উত্তরা থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১/১১ সরকারের সময় থেকে নিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সময় দলের কঠিন দুঃসময়ে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। জেল-জুলুম উপেক্ষা করে তিনি দলের আদর্শ ও শহীদ জিয়ার সৈনিক হিসেবে মাঠে সক্রিয় ছিলেন।

তবে সম্প্রতি দলের ভিতরে থাকা কতিপয় ব্যক্তি তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়িয়ে তাকে কোনঠাসা করার চেষ্টা করছেন। এই ঘটনাকে দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে উত্তরা বিএনপির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা মন্তব্য করেছেন, “আজমল হুদা মিঠুর মতো ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতার রাজনৈতিক অতীত সোনালী অক্ষরে লেখা। মিথ্যাচার করে সাময়িকভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা গেলেও, তার সেই সোনালী অতীতকে মুছে দেওয়া সম্ভব নয়।”

তারা আরও জানান, এই ধরনের অপপ্রচার দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করছে এবং এই মুহূর্তে যখন নির্বাচনের দাবীতে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করার প্রয়োজন, তখন দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল উস্কে দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বিএনপির সকল স্তরের নেতাকর্মীরা এই কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ এবং আজমল হুদা মিঠুর পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছেন। তারা দলের হাইকমান্ডের কাছে এই পরিস্থিতি নিরসনে দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।