ঢাকা-১৮ আসনে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের মনোনয়ন পাওয়ায় অভিনন্দন জানালেন আজমুল হুদা মিঠু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা-১৮ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন মনোনয়ন পাওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা উত্তরা পশ্চিম বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজমুল হুদা মিঠু। মনোনয়ন ঘোষণার পর তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন,
“একজন ত্যাগী নেতাকে দল সঠিক সময়ের সঠিক মূল্যায়ন করেছে। এস এম জাহাঙ্গীর মানে—ঢাকা-১৮ আসনের জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতীক।”

তিনি আরও বলেন,
“এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন একজন ত্যাগী, দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অধিকারী। দল তাকে যথাযথ মূল্যায়ন করায় আমরা আনন্দিত। ইনশাল্লাহ, আগামী নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে ঢাকা-১৮ আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করবেন।”

নেতাকর্মীদের মধ্যেও মনোনয়ন ঘোষণা ঘিরে আনন্দ ও উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। সবাই আশা করছেন, এস এম জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির নির্বাচনী মাঠ আরও শক্তিশালী হবে।




ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন মনোনয়ন পেলেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সকল জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ঢাকা-১৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। দীর্ঘদিনের ত্যাগ, নিষ্ঠা ও দলের প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসার মূল্যায়ন হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ মনোনয়ন প্রদান করে।

ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন মনোনয়ন পেলেন-

সকল জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ঢাকা-১৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। দীর্ঘদিনের ত্যাগ, নিষ্ঠা ও দলের প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসার মূল্যায়ন হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ মনোনয়ন প্রদান করে।

মনোনয়ন পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন,
“আমার একটাই প্রার্থনা—আল্লাহ পাক আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে দিন। তার নেতৃত্বে যদি আগামী নির্বাচনে জনগণ আমাদের ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করেন, আমরা দেশমাতার নেতৃত্বে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে চাই।”

তার মনোনয়নকে ঘিরে ঢাকা-১৮ আসনের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। অনেকেই জানান, নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে এই সিদ্ধান্তে তারা অত্যন্ত আশাবাদী।

নেতাকর্মীদের মতে,
“এই মনোনয়নের মাধ্যমে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের সম্মান করা হয়েছে।”

ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির নির্বাচনী মাঠ এখন আরও সরব হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও।

মনোনয়ন পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন,
“আমার একটাই প্রার্থনা—আল্লাহ পাক আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে দিন। তার নেতৃত্বে যদি আগামী নির্বাচনে জনগণ আমাদের ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করেন, আমরা দেশমাতার নেতৃত্বে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে চাই।”

তার মনোনয়নকে ঘিরে ঢাকা-১৮ আসনের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। অনেকেই জানান, নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে এই সিদ্ধান্তে তারা অত্যন্ত আশাবাদী।

নেতাকর্মীদের মতে,
“এই মনোনয়নের মাধ্যমে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের সম্মান করা হয়েছে।”

ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির নির্বাচনী মাঠ এখন আরও সরব হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও।




ইসি থেকে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে সনদ পেল এনসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন সনদ পেয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলের পক্ষে এই সনদ গ্রহণ করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। দলটির জন্য বরাদ্দকৃত প্রতীক হচ্ছে ‘শাপলা কলি’।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ ইসলাম নির্বাচন সংক্রান্ত আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) সংশোধনীকে সাধুবাদ জানান। একইসঙ্গে, তিনি এই সংস্কার বাতিলে চাপ সৃষ্টি এবং আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

নিবন্ধনের শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল নেতারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন বলে জানান এনসিপি নেতা নাহিদ। নির্বাচন কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনেক চড়াই উৎরাই পার হওয়ার পরে অবশেষে প্রতীক বরাদ্দ হয়েছে। শাপলা কলি প্রতীকে এনসিপি এবারের নির্বাচনে অংশ নেবে।

নাহিদ উল্লেখ করেন, প্রত্যেক দলকে স্ব স্ব প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে—এই প্রস্তাবনা থেকে ইসিকে সরে না আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। একটি বিশেষ দল সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে চাপ দিয়েছে এক মার্কায় নির্বাচনের জন্য এবং আদালতকে ব্যবহার করে এখন এই সংস্কার প্রস্তাবনা বাতিলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এনসিপি এই বিষয়ে ইসিকে শক্ত অবস্থানে থাকার জন্য বলেছে।

নির্বাচনে অর্থ ও ক্ষমতার প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এনসিপি। নাহিদ বলেন, হলফনামায় প্রার্থীর তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য ইসিকে বলা হয়েছে। এছাড়া অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে ইসি যেন কঠোর অবস্থান নেয়। যারা কালো টাকা ছড়াবে, তাদের বিরুদ্ধে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সে বিষয়ে বলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) বদলির বিষয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ডিসি, এসপিদের বদলিতে রাজনৈতিক প্রভাব আছে। এই প্রভাবের কারণে তারা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করবে।

গণভোটের প্রশ্ন যেন সঠিক প্রচার হয়, সেই বিষয়েও ইসিকে সতর্ক করেছে এনসিপি। নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটের প্রশ্ন সঠিকভাবে প্রচার না হলে জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছাবে না। এছাড়া নির্বাচনে অপতথ্য বা ভুল তথ্যের বিস্তার রোধে নির্বাচন কমিশনকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এছাড়া এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের কাছ থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করেছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

এ সময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ ও যুগ্ম সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

পরে রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন সনদ পাওয়ায় পৃথক ফেসবুক পোস্টে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায় এনসিপি। ওই পোস্টে নিবন্ধন সনদের ছবিও জুড়ে দেওয়া হয়।




দুঃসময়ে বিএনপির পাশে ছিলেন উত্তরা পশ্চিম বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজমুল হুদা মিঠু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর উত্তরা পশ্চিম থানার সাবেক সাবেক সদস্য সচিব, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বৃহত্তর উত্তরা থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি আজমল হুদা মিঠুর বিরুদ্ধে দলের অভ্যন্তরে থাকা একটি কুচক্রী মহলের মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা। তারা বলেছেন, দলের প্রতি মিঠুর সীমাহীন ত্যাগ ও অবদানকে কোনোভাবেই অস্বীকার করা যাবে না।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, আজমল হুদা মিঠু দীর্ঘকাল ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এবং বৃহত্তর উত্তরা থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১/১১ সরকারের সময় থেকে নিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সময় দলের কঠিন দুঃসময়ে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। জেল-জুলুম উপেক্ষা করে তিনি দলের আদর্শ ও শহীদ জিয়ার সৈনিক হিসেবে মাঠে সক্রিয় ছিলেন।

তবে সম্প্রতি দলের ভিতরে থাকা কতিপয় ব্যক্তি তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়িয়ে তাকে কোনঠাসা করার চেষ্টা করছেন। এই ঘটনাকে দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে উত্তরা বিএনপির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা মন্তব্য করেছেন, “আজমল হুদা মিঠুর মতো ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতার রাজনৈতিক অতীত সোনালী অক্ষরে লেখা। মিথ্যাচার করে সাময়িকভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা গেলেও, তার সেই সোনালী অতীতকে মুছে দেওয়া সম্ভব নয়।”

তারা আরও জানান, এই ধরনের অপপ্রচার দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করছে এবং এই মুহূর্তে যখন নির্বাচনের দাবীতে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করার প্রয়োজন, তখন দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল উস্কে দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বিএনপির সকল স্তরের নেতাকর্মীরা এই কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ এবং আজমল হুদা মিঠুর পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছেন। তারা দলের হাইকমান্ডের কাছে এই পরিস্থিতি নিরসনে দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।




জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ

এসএম বদরুল আলমঃ জাতীয় ছাত্র সমাজের সদস্য সচিব মো. আরিফ আলী অভিযোগ করেছেন যে জাতীয় পার্টিকে (জাপা) স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে প্রচারের যে অপচেষ্টা চলছে—তা “স্পষ্ট মিথ্যাচার এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার”।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের প্রথম দিন থেকেই জাতীয় ছাত্র সমাজ ও জাতীয় পার্টি রাজপথে সক্রিয় ছিল। অথচ এ সত্যটি গোপন করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, যা তিনি “নিন্দনীয় ও ধিক্কারযোগ্য” বলে মন্তব্য করেন।

বিবৃতিতে তিনি জানান, আন্দোলনের সময়ে রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির নেতা মেরাজুল ইসলাম এবং জাতীয় অটো শ্রমিক পার্টির নেতা মানিক মিয়া শহিদ হন। ১৩ জুলাই জাতীয় ছাত্র সমাজ আন্দোলনে আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানায় এবং ১৬ জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের পর দেশের প্রথম সংগঠিত বিক্ষোভ রংপুরে জাপার ব্যানারে অনুষ্ঠিত হয়—যেখানে পুলিশি হামলায় বহু নেতা-কর্মী আহত হন।

আরিফ আলী বলেন, ১৭ জুলাই আবু সাইদের গায়েবানা জানাজা থেকে শুরু করে ২১ জুলাই তাকে এবং জাতীয় যুব সংহতির রংপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আহম্মেদসহ সাতজনকে গ্রেফতার ও নির্যাতন করা হয়। পরে ১১টি “মিথ্যা মামলা” দিয়ে ৭ জনকে গ্রেফতার এবং ৩৩ জন নেতা-কর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়, যা জাতীয় গণমাধ্যমেও প্রচারিত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জিএম কাদেরের নির্দেশে সারা দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে জাতীয় পার্টির তিন শতাধিক কর্মী টিয়ারশেল, লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেটে আহত হয়েছেন।

তার দাবি, ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একদফা আন্দোলনে জাতীয় পার্টির প্রকাশ্য একাত্মতা এবং ৫ আগস্ট সরকার পতন পর্যন্ত দলের অবিচল উপস্থিতি—এসব প্রমাণ করে জাপা আন্দোলনের অংশীদার ছিল। “এমন ইতিহাস থাকার পরও যারা জাপাকে আওয়ামী লীগের দোসর বলছে, তারা জুলাই বিপ্লবের শহিদদের রক্তকে অপমান করছে,”—বলেন তিনি।

বিবৃতিতে আরিফ আলী বলেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের সংসদ, জনসভা ও গণমাধ্যমে শুরু থেকেই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন।
তার ভাষায়, তাদের বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচার “রাজনৈতিক হীন স্বার্থের বহিঃপ্রকাশ”।

বিবৃতির শেষে তিনি এ ধরনের “উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণের” তীব্র প্রতিবাদ জানান।




তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন মায়ের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং অতীতের নির্মম স্মৃতি- ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার

বিশেষ প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজ সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন—তারেক রহমান দেশে ফিরছেন না কেন? তিনি কি নিজের দেশকে ভালোবাসেন না? সত্যটা অনেক গভীর। এর ভিতরে আছে মায়ের জন্য সন্তানের হৃদয়ভাঙা অপেক্ষা, আছে নিরাপত্তার অজানা শঙ্কা, আর আছে ইতিহাসের নির্মমতা।

তারেক রহমান বহুবার বলেছেন যে, বাংলাদেশই তাঁর হৃদয়। বাংলাদেশই তাঁর বাড়ি, তাঁর শেকড়। তাঁর মা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, যাঁর জন্য তিনি সবসময় ব্যাকুল। মায়ের অসুস্থতার প্রতিটি মুহূর্ত তাঁর জন্য অসহনীয় কষ্টের। একজন সন্তানের কাছে এর চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি আর কী হতে পারে? প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে তাঁর একটাই ভাবনা – কবে আমি মায়ের পাশে দাঁড়াতে পারব?

কিন্তু বাস্তবতা অন্য কথা বলে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বেগম জিয়ার জরুরি উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। যে কোনো সময় তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডনে স্থানান্তর করতে হতে পারে। সেই প্রস্তুতি নিয়েই তারেক রহমান এবং তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান লন্ডনে প্রতিটি দিন কাটাচ্ছেন – বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্বসেরা চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে, চিকিৎসার সব ব্যবস্থা করে, শুধু নির্দেশের অপেক্ষায়। লন্ডন তাদের জন্য এখন বিশ্রামের নিবাস নয়; লন্ডন এখন মায়ের জীবন বাঁচানোর অপেক্ষার ঘর।

এখানেই শেষ নয়। বাংলাদেশে তারেক রহমানের ওপর এখনো গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। অতীতের স্মৃতি তাঁর পরিবার এবং দলের কাছে এখনো তাজা। ফখরুদ্দিন-মইন মদদপুষ্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তিনি রাষ্ট্রযন্ত্রের নামে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। আইনের ন্যূনতম সুরক্ষা পাননি। সমাজের বিবেক – মিডিয়া ও সিভিল সোসাইটি – তখন নীরব ছিল। তখন ওনার উপর যে ভয়াবহ নির্মমতা হয়েছিল, তা ছিল মানবাধিকারের প্রকাশ্য লঙ্ঘন। রাষ্ট্র যখন নিজেই প্রতিশোধে মেতে ওঠে, সুরক্ষা ছাড়া দেশে ফেরা বীরত্ব নয় – এটি ফাঁদ।

আজও সেই অজানা ভয়, সেই রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের সম্ভাবনা একেবারে চলে যায়নি। তাই তাঁর ফিরে আসা শুধু আবেগ নয়, এটি রাজনৈতিক হিসাব, ভবিষ্যতের দায়িত্ব এবং জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত।

তবু দূরে থেকেও তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন গণতন্ত্রের অধিকারের জন্য, মানুষের ভোটের মর্যাদার জন্য, দেশকে নতুন ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য যার মধ্যে প্রাধান্য পেয়েছে কৃষি, স্বাস্থ্য, সহ নারী ও তরুণ-যুবাদের জীবন ও জীবিকার উন্নতি। দূরত্ব তাঁর নেতৃত্বকে কমিয়ে দেয়নি; বরং আরও প্রখর করেছে।

যারা প্রশ্ন করেন “এখনই কেন ফিরছেন না?” – তাদের মনে রাখতে হবে: একজন দায়িত্ববান নেতা শুধু আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেন না; সঠিক সময়ের অপেক্ষা করেন।

আজ তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব—মাকে বাঁচানো। আর দেশের জন্য তাঁর সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি, একদিন ফিরে এসে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার করা।

তারেক রহমানের দেশের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তাঁর ফেরা হবে। কিন্তু, তা হবে শক্তভাবে, নিরাপদে এবং দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে। সেই প্রত্যাবর্তন হবে বাংলাদেশের নতুন সূচনার দিন।

লেখকঃ বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও বিশ্ব ব্যাংকের সাবেক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ।




জেলা ট্রাক ট্যাংলরী ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: সোমবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় লালমনিরহাট জেলা ট্রাক ট্যাংকলরী কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনার পাশাপাশি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জিয়া পরিবারের সদস্যদের মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের সভাপতি জালাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, রেল শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল মতিন, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উমর ফারুক বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক আনিচুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

দোয়া মাহফিল শেষে নেতারা দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করেন এবং সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে থাকার আহ্বান জানান।




আমি আশ্বাসের রাজনীতিতে মোটেই বিশ্বাস করি না: জামায়াত আমির

ডেস্ক নিউজঃ আমি আশ্বাসের রাজনীতিতে মোটেই বিশ্বাস করি না, আমি বিশ্বাস করি অ্যাকশনের রাজনীতি-এমনটাই মন্তব্য করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে ‘প্রন্তিক পর্যায়ে স্বাভাবিক প্রসব সেবা প্রদানে কমিউনিটি হেলথকেয়ার প্রোভাইডারদের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা জানান।  

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আশ্বাস এবং ওয়াদা নয় বরং কাজের মাধ্যমে প্রমাণ হবে হোয়াট উই আর ফর এন্ড হোয়াট ফর আই। বাংলায় একটা কথা আছে। ও গাছ তোমার পরিচয় কি? গাছ বলতেসে আমার ফলের দিকে তাকাইয়া আমার পরিচয়টা জেনে নাও। আমাদের প্রয়োজন এখন ফল। এই ফলের ফসলের চাষটা আমাদের সবাইকে মিলে করতে হবে।’

দেশের মানুষকে ভালো উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘তবে খারাপ রাজনীতিবিদদের কারণে দেশে কিছুই হয় না। কিন্তু আমরা মূল ধরে টান দিবো।’

দেশে মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা নেই জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘মা বাবা নয়, সন্তান কী নিয়ে পড়াশোনা করবে তা নির্ধারণ করবে শিক্ষক। আমাদের টার্গেট সব শিশুকে গড়ে তোলা। আগামীতে বোঝা নয়, সম্পদ হয়ে উঠবে তারা।’

এখন জাস্টিস পয়সা দিয়ে কিনতে হয় মন্তব্য করে জামায়াত আমির বলেন, ‘এর পরিবর্তন করতে হবে আমাদের।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারে গেলে কোনো দাবি নিয়ে দপ্তরে দপ্তরে ধরনা দিতে হবে না, আন্দোলন করতে হবে না। সরকার তার দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেবে।’

সরকারে না গেলেও জামায়াতের পক্ষ থেকে ১০০ ক্লিনিকে সোলার প্যানেল লাগানোর কথা জানান ডা. শফিকুর রহমান।




খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়ার আহ্বান হেফাজতের

ডেস্ক নিউজঃ হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু সুস্থতা কামনায় দেশবাসীকে দোয়ার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব সাজেদুর রহমান।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা বলেন, আমরা দোয়া করছি, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে দ্রুত সুস্থ করে জাতির এই দুর্দিনে আবারও দেশের হাল ধরার তাওফিক দান করুন, আমিন। ২০১৩ সালে শাহবাগের ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিকদের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিয়ে ইসলাম, দেশ ও জাতির স্বার্থের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন খালেদা জিয়া।

‘ভারতপন্থি সেকুলার প্রগতিশীলদের চক্রান্ত উপেক্ষা করে হেফাজতের আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছিলেন। হেফাজতের পাশে থাকতে তার দলের নেতাকর্মীদেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি একজন দেশপ্রেমিক ও সাহসী ঈমানদার নারী। তার কাছ থেকে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের শিক্ষা নেওয়া সময়ের অপরিহার্য দাবি।’

হেফাজত নেতারা বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া শুধু সাবেক প্রধানমন্ত্রীই নন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানেরও সহধর্মিনী। শহীদ জিয়া আলেম-ওলামাকে ভালোবাসতেন। স্বামীর আদর্শ ও পদাঙ্ক অনুসরণ করে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া আপসহীনভাবে লড়াই করে গেছেন। মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছেন। নানা প্রোপাগান্ডার শিকার হয়েছেন। ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তার সুদীর্ঘ ত্যাগ-তিতিক্ষা ও সংগ্রাম দেশপ্রেমিক জনগণের জন্য অনুপ্রেরণা।




তিন দিন পর কথা বললেও ঝুঁকিমুক্ত নন খালেদা জিয়া

ডেস্ক নিউজঃ এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পাঁচ দিন ধরে সিসিইউতে থাকা গুরুতর অসুস্থ খালেদা জিয়া গত বুধবার থেকে প্রায় সাড়াহীন ছিলেন। তিন দিন পর গতকাল শনিবার সকালে তিনি সংক্ষিপ্তভাবে কথা বলেছেন—এ তথ্য নিশ্চিত করেছে চিকিৎসক ও পরিবার-ঘনিষ্ঠ সূত্র।

সামান্য উন্নতি, তবে সংকট কাটেনি

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গত তিন দিনের তুলনায় তাঁর অবস্থায় সামান্য উন্নতি দেখা গেলেও সামগ্রিক সংকট এখনো কাটেনি। বিশেষ করে কিডনির কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় তাঁকে চার দিন ধরে টানা ডায়ালাইসিসে রাখা হয়েছে। শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে শ্বাসকষ্ট বাড়ায় তাঁর অবস্থা আরও জটিল হয়ে পড়ে। সচেতন থাকলেও তিনি সাড়া দিচ্ছিলেন না বলে জানানো হয়।

শুক্রবার রাত থেকে সামান্য অগ্রগতি দেখা গেলে গতকাল সকালে পুত্রবধূ শামিলা রহমানের সঙ্গে কয়েকটি কথা বলেন তিনি। এটিকে চিকিৎসকেরা ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে দেখছেন।

বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

দেশি–বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তাঁর উন্নত চিকিৎসার জন্য আবারও বিদেশে নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বিমানযাত্রার ধকল সহ্য করার মতো শারীরিক সক্ষমতা আছে কি না—এটি বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, সম্ভব হলে তাঁকে লন্ডন ক্লিনিকে নেওয়া হবে। তা সম্ভব না হলে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল হতে পারে বিকল্প। এদিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা বিদেশে নেওয়ার মতো নয়।

ডায়ালাইসিস চলছে, পর্যবেক্ষণে মেডিকেল বোর্ড

একটানা ডায়ালাইসিস দেওয়ার পরও শরীরের পানি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারায় তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হয়। কয়েক দিনের ডায়ালাইসিস শেষে অবস্থার ওপর ভিত্তি করে নতুন চিকিৎসা পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা সতর্ক করে বলেছেন, এখনো যেকোনো সময় পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটতে পারে।

৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস ও কিডনির জটিলতায় ভুগছেন।

বিএনপির শীর্ষ নেতাদের অবস্থান

শুক্রবার রাতে আড়াই ঘণ্টার আলোচনায় মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছিল, তাঁর বিদেশে চিকিৎসা জরুরি। পরিবারের পক্ষ থেকেও এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। তবে বিএনপি মহাসচিবের ভাষায়—“সব প্রস্তুতি থাকলেও তাঁর শরীর এখন সে ধকল নেওয়ার মতো নয়।”

রাষ্ট্রপতির দোয়ার আহ্বান

গতকাল রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন। এর আগে প্রধান উপদেষ্টাও একই আহ্বান জানান।

হাসপাতালের সামনে ভিড়, ফখরুলের অনুরোধ

খালেদা জিয়ার অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়লে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। কেউ কেউ ব্যানার নিয়ে দোয়া মাহফিলও করেন, যা যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের মাধ্যমে অনুরোধ জানান—
“দয়া করে হাসপাতালে ভিড় করবেন না। এতে চিকিৎসায় বিঘ্ন ঘটছে এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিব্রত হচ্ছেন।”

বিএনপি, খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন দলের নেতা–কর্মীরা গতকাল হাসপাতালে খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে যান। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর ছেলে তারেক রহমান সবার দোয়া ও ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।