কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উত্তরবঙ্গের কৃষি শিক্ষার মডেল হিসাবে তৈরি করাতে চান উপাচার্য

বিশেষ প্রতিবেদকঃ সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুড়িকৃবি) শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন দিগন্তের উন্মোচন হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহঃ রাশেদুল ইসলাম উপাচার্য হিসেবে যোগদানের পর গত ১৬ মাসে প্রতিষ্ঠানটি উত্তরবঙ্গের কৃষি শিক্ষার মডেলে পরিণত হওয়ার পথে এগিয়ে চলছে। জনবল সংকট থাকলেও মেধা, স্বচ্ছতা আর নিরলস প্রচেষ্টায় একাডেমিক ও প্রশাসনিক প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্যের ছাপ রাখছে এই নবীন বিশ্ববিদ্যালয়।

উপাচার্য ড. রাশেদুল ইসলাম ২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোয় ফেরাতে কাজ শুরু করেন। অন্যান্য সমসাময়িক বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরুতেই ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নিয়োগের সংস্কৃতি থাকলেও কুড়িকৃবি সেই পথে হাঁটেনি। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি আগে পূর্ণাঙ্গ নিয়োগ বোর্ড, একাডেমিক কাউন্সিল, অর্থ কমিটি ও সিন্ডিকেট গঠনের জন্য অপেক্ষা করেন।

গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় সিন্ডিকেট সভা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় একাডেমিক কাউন্সিলের সভা। উপাচার্য স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, “নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো লবিং বা অসদুপায় সহ্য করা হবে না। প্রতিটি নিয়োগ হবে লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়।”

বর্তমান উপাচার্যের দক্ষ নেতৃত্বে কুড়িকৃবি ২০২৫ সাল থেকেই কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীর হার ছিল ৯৪.৬৯%, যা দেশের ৯টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তারই প্রতিফলন।

ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের (লেভেল-১, সেমিস্টার-১) চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যাচের মিড-টার্ম পরীক্ষা শেষ হয়েছে এবং ২৬ থেকে ২৮ এপ্রিলের মধ্যে তৃতীয় ব্যাচের ভর্তি কার্যক্রমও সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অভিজ্ঞ খণ্ডকালীন ও অতিথি শিক্ষকদের মাধ্যমে নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা গ্রহণ করায় শিক্ষার্থীরা সেশনজটমুক্ত শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন। তাত্ত্বিক শিক্ষার চেয়ে ব্যবহারিক ও গবেষণাভিত্তিক শিক্ষাকে (Outcome Based Education) সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে কুড়িকৃবি। অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে শিক্ষা ও গবেষণা বিনিময় শুরু হয়েছে। কৃষি গবেষণার পথ প্রশস্ত করতে সাউথইস্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ অনুদান প্রদান করেছে।

গত সিন্ডিকেট সভায় কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে ৪টি বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো— চর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট, ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট, ফ্রেশওয়াটার ফিসারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং ভেজিটেবলস এন্ড ফ্রুটস রিসার্চ ইনস্টিটিউট।

শিক্ষার্থীদের জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে ছাত্র ও ছাত্রীদের আলাদা দুটি হলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি একাডেমিক উৎকর্ষের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে রোভার স্কাউট, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব ও ডিবেটিং সোসাইটির মতো কার্যক্রমও চালু করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অগ্রযাত্রায় শিক্ষার্থীরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, উপাচার্য মহোদয়ের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে কুড়িকৃবি অচিরেই একটি বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। যথাযথ সরকারি অনুদান ও সহযোগিতা পেলে এই বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক ও কৃষি বিপ্লবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।




শিক্ষার মান সম্পর্কে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্পষ্ট ধারণা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ দেশে বর্তমানে পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যাও শতাধিক হলেও এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো ধারণা নেই বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নতুন কারিকুলাম ও আউট লার্নি নিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে বিদেশ থেকে শিক্ষকরা এসে পড়াতেন, শিক্ষার্থীরা আসতেন। এখন কিন্তু সে পর্যায়ে নেই। এখন দেশে ১১৬টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়। ওপেন ইউনিভার্সিটি রয়েছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের
শিক্ষার মান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই। তাই শিক্ষাব্যবস্থা আবারও ঢেলে সাজাতে হবে।
পাবলিক ইউনিভার্সিটি বেড়ে ৫৭টিতে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা কোয়ান্টিটিতে অনেক এগিয়ে গেছি। কোয়ালিটিতে কতটুকু পেরেছি, আমরা জানি না। তাই নীড বেসিস এডুকেশন নিয়ে ভাবতে হবে।



এমপিওভুক্ত হচ্ছে না ১,৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত

ডেস্ক নিউজঃ দেশের ১ হাজার ৭১৯টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের চূড়ান্ত করা তালিকা আপাতত বাস্তবায়ন করছে না বর্তমান সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পূর্বের তালিকা পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হবে এবং একই সঙ্গে নতুন করে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এরপর পুরোনো ও নতুন সব আবেদন একত্রে মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারণ করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, পূর্বের তালিকা বাতিল করা হয়নি; বরং নতুন আবেদনের সঙ্গে সমন্বয় করে পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। তিনি বলেন, নতুন তালিকা চূড়ান্ত করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেট বরাদ্দ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’-এর আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে আবেদন আহ্বান করা হয়। গত ১৪ থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হলে মোট ৩ হাজার ৬১৫টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক এবং স্নাতক (পাস ও সম্মান) পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত ছিল।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ডিজিটাল সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় গ্রেডিং করে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জন্য উপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এ লক্ষ্যে গত ৫ ফেব্রুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ৬৭০ কোটি টাকা বরাদ্দও চাওয়া হয়। তবে তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা, জনসংখ্যা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঘনত্ব এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় এ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।




প্রথম দিনে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৬ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ডেস্ক নিউজঃ পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক কড়াকড়ি এবং সিসিটিভি নজরদারির মধ্যেই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথমদিনে সারা দেশে (১১টি শিক্ষাবোর্ডে) নকল ও অসদুপায় অবলম্বন করায় ৬ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে দুইজন, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের চার শিক্ষার্থী রয়েছে।

একই সঙ্গে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে না পারায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একজন পরিদর্শককেও (শিক্ষক) বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান  প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।




জাবিতে প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে ৫টা লোডশেডিং ঘোষণা প্রশাসনের

জাবি প্রতিনিধিঃ আগামীকাল থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে (জাবি) প্রতিদিন বিকেল ৪টা হতে ৫টা পর্যন্ত লোডশেডিং থাকবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি স্বল্পতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়  উপকেন্দ্রের চাহিদার তিন ভাগের এক ভাগ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। এমতাবস্থায়, সকল ফিডারের ব্যাপক লোডশেডিং করতে হচ্ছে (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতিত)। উল্লিখিত কারণে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুরূহ হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিদিন বিকেল ৪টা হতে ৫টা পর্যন্ত লোড শেডিং থাকবে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট অফিস এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।”




সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘মেডিটেশনের’ নির্দেশনা

ডেস্ক নিউজঃ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ১০টি নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি)। তাদের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে এক দিন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য এক দিনের মেডিটেশনভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি মাউশির এক নির্দেশনা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মাউশির ওই স্মারকে মোট ১০টি নির্দেশনা দেওয়া হয়ে।

মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখা হতে বেসরকারি সংস্থা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’ সংক্রান্ত ম্যানুয়ালের ভিত্তিতে পরিকল্পনা অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ)-এর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বিনা মূল্যে এক দিনের প্রশিক্ষণ সম্পাদনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

১. প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শিরোনাম : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’

২. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মাউশি ও কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি নিজ নিজ ভেন্যুতে বিনা মূল্যে বাস্তবায়ন করবে।

৩. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানেরা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের নিবন্ধিত ও নির্ধারিত স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বৈজ্ঞানিক লাইফস্টাইল ডেভেলপমেন্ট এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম’ অনুযায়ী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য এক দিনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আয়োজন করবেন।

৪. প্রশিক্ষণ-পরবর্তী দৈনিক অনুশীলন কার্যক্রম নিয়মিত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট-২(গ)-এর ‘বাস্তবায়ন ও মনিটরিং নির্দেশনা’ অনুসারে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একটি মনিটরিং পুল গঠন করবে।

৫. ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট-২-এ অন্তর্ভুক্ত পরিচালনা ও বাস্তবায়ন গাইডলাইনের কাউন্সেলিং সেবা প্রদানসহ অবশিষ্ট নির্দেশনাগুলো শিক্ষার্থীদের দৈনিক অনুশীলন কার্যক্রমের সঙ্গে প্রয়োজন অনুসারে বাস্তবায়িত হবে।

৬. প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট-২ ও ৪–এ বর্ণিত নীতিমালা অনুসারে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মনিটরিং পুল তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

মনিটরিং পুলের কার্যাবলি প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল এবং পরিচালনা ও বাস্তবায়ন গাইডলাইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। এর বাইরের কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে কোনো অবস্থাতেই সম্পৃক্ত হওয়া যাবে না।
৭. নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মনিটরিং পুল প্রতিবছর নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করবে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা বেশি হলে আলোচনা সাপেক্ষে ব্যাচ আকারে প্রশিক্ষণ প্রদান করা যেতে পারে।

৮. অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অভিভাবকদের এই প্রশিক্ষণ সম্পর্কে অবহিতকরণের অংশ হিসেবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রয়োজন মনে করলে ম্যানুয়ালের পরিশিষ্ট-৪(১)(৩) অনুযায়ী প্রয়োজনবোধে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের প্রশিক্ষণের আওতায় এনে কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।

৯. প্রতিষ্ঠানপ্রধানেরা সংশ্লিষ্ট অঞ্চল/জেলা/থানা/উপজেলার সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটির বাস্তবায়ন সমন্বয় করবেন। তা ছাড়া প্রতিষ্ঠানপ্রধানেরা প্রশিক্ষণসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে প্রয়োজনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের কো-অর্ডিনেটর (মানসিক স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ) সাইকোলজিস্ট (যোগাযোগ : ০১৮৯২০০৯৯১৪ ও ই-মেইল: (totalfitness@quantummethod.org.bd) এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

১০. প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি বাস্তবায়নে এবং প্রশিক্ষণপরবর্তী দৈনিক অনুশীলন কার্যক্রমের মনিটরিং পুলের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ স্কাউটস (স্কাউটস—স্কুল পর্যায়ে ও রোভার স্কাউটস—কলেজ পর্যায়ে) সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সম্পৃক্ত থাকবেন।




ঢাবিতে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র অলী আহমেদের শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রফেশনাল মাস্টার্সের ৬ষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী অলী আহমেদের শোক সভা ও দোয়া মাহফিল শুক্রবার(২৩ জানুয়ারী,২০২৬ ইং) বিকাল সাড়ে ৫টায় কলা ভবনে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়।

 

প্রফেশনাল এম এ ইন ইসলামিক স্টাডিজ ২০২৩ -২৪ শিক্ষাবর্ষ ফাতিহ ৬ষ্ঠ ব্যাচ সতীর্থ ফোরামের আয়োজনে শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে হুমায়ুন কবীর ও সাদী মাহমুদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো: ছানাউল্লাহ, বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. মো: আবদুল লতিফ,ড. মুহাম্মদ শফিক আহমেদ, ড. মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, ড. আমীর হোসেন, ড. জাহিদুল ইসলাম সানা, ড. মোহাম্মদ ইমাউল হক সরকার টিটু।
মরহুম অলী আহমেদ গত ৮ জানুয়ারী ২০২৬ বৃহস্পতিবার ইন্তেকাল করেন।
তিনি বরগুনার স্থানীয় মাদ্রাসা থেকে ২০১৩ সালে দাখিল, ২০১৫ সালে আলিম,পরে ঢাকা তামিরুল মিল্লাত থেকে ফাজিল পাশ করেন,পাশাপাশি ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা শেষ করে ২০২৩ -২৪ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে প্রফেশনাল মাস্টার্সে ভর্তি হন।
প্রধান অতিথি ড. মো: ছানাউল্লাহ বলেন, অলী আহমেদ একজন মেধাবী ছাত্র ও বহুগুনে গুণান্বিত ছিলেন।
দোয়া মাহফিল ও মুনাজাতের মাধ্যমে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসভা সম্পন্ন হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন হুমায়ুন কবীর, সাদী মাহমুদ, মিতু আকতার, মো মাঈনুদ্দিন,শারমিন রীমা, শাখাওয়াত হোসেন, ফাইয়্যাজ হোসেন, নিশাত জাহান, জায়েদ উদ্দিন, আবু দাউদ, মিজানুর রহমান, প্রফেশনাল মাস্টার্স ৭ম, ৮ম, ৯ম,১০ম,১১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা কর্মচারী ও  মরহুমের স্ত্রী মায়িশা তাবাসসুম।



!! অনুসন্ধানী প্রতিবেদন !! প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে ভয়াবহ অনিয়মের ছায়া : বারবার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে বেকার সমাজের স্বপ্ন ভাঙছে !

বিশেষ প্রতিবেদকঃ সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ (২০২৫–২৬) ঘিরে চলমান অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এখন আর গুঞ্জন নয়—এটি পরিণত হয়েছে দেশের শিক্ষিত বেকার সমাজের জন্য এক দুঃস্বপ্নে। মেধা, যোগ্যতা ও কঠোর পরিশ্রমকে উপেক্ষা করে টাকার বিনিময়ে চাকরি বাণিজ্যের অভিযোগ দীর্ঘদিনের হলেও সাম্প্রতিক নিয়োগ কার্যক্রমে সেই অভিযোগ আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

ভুক্তভোগী প্রার্থীদের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ দালালচক্র ও কিছু অসাধু মহলের যোগসাজশে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। এতে প্রকৃত মেধাবী ও পরিশ্রমী প্রার্থীরা বারবার বঞ্চিত হচ্ছেন, আর চাকরি পাচ্ছেন ‘আগাম লেনদেনের’ মাধ্যমে নির্বাচিতরা।

একাধিক শিক্ষিত বেকার তরুণ জানান, বছরের পর বছর ধরে নিরলস পড়াশোনা ও প্রস্তুতির পরও তারা চাকরি পাচ্ছেন না। এতে তরুণ সমাজের মধ্যে হতাশা ভয়াবহভাবে বেড়ে চলেছে এবং রাষ্ট্রীয় নিয়োগ ব্যবস্থার ওপর আস্থা ক্রমেই ভেঙে পড়ছে। প্রশ্ন উঠছে—এই দুর্নীতিগ্রস্ত বাস্তবতায় শিক্ষিত বেকারদের সঙ্গে প্রহসন কি কারও চোখে পড়ে না?

পরীক্ষার এক ঘণ্টা আগে বাতিল—চরম ভোগান্তি

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ২৬ তারিখ বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য প্রাথমিকের হিসাব সহকারী পদের পরীক্ষাটি প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা শুরুর ঠিক এক ঘণ্টা আগে বাতিল করা হয়। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকায় আসা হাজারো পরীক্ষার্থী চরম বিপাকে পড়েন—অর্থনৈতিক ক্ষতি ও মানসিক ধাক্কা দুই-ই বহন করতে হয় তাদের।
একইভাবে খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষাতেও প্রশ্নফাঁস নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। পরীক্ষার্থীদের দাবি, বুয়েটের অধীনে প্রণীত প্রশ্নপত্রগুলো ধারাবাহিকভাবে ফাঁস হচ্ছে। এমনকি গুঞ্জন রয়েছে, আগামী ২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সহকারী শিক্ষক পরীক্ষার আসন (সিট) আগাম বুক করা এবং প্রশ্নফাঁসের প্রবল আশঙ্কাও রয়েছে। এই বাস্তবতা মেধাবী শিক্ষার্থীদের হতাশা কতটা গভীরে পৌঁছেছে, তারই প্রতিফলন। প্রশ্ন উঠছে—মেধাবীদের মূল্যায়ন আর কবে হবে?

নির্বাচনী তফসিল ও নিরাপত্তা ঝুঁকি : এদিকে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর সাধারণত যেখানে পরীক্ষা নেওয়ার স্পষ্ট নির্দেশনা থাকে না, সেখানে বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দেওয়া একজন শিক্ষার্থীর জন্য কতটা নিরাপদ—সে প্রশ্নও জোরালোভাবে উঠছে।

শিক্ষাবিদদের সতর্কবার্তা :
শিক্ষাবিদদের মতে, প্রাথমিক স্তরে অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ হলে তার নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে পুরো জাতিকে বহন করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি বন্ধ না হলে বেকার সমাজের হতাশা আরও গভীর হবে এবং শিক্ষা ব্যবস্থার ভিত নড়বড়ে হয়ে পড়বে।

শিক্ষার্থীদের স্পষ্ট দাবি : এই প্রেক্ষাপটে শিক্ষিত বেকার ও পরীক্ষার্থীরা কয়েকটি সুস্পষ্ট দাবি তুলে ধরেছেন— সুষ্ঠু পরীক্ষা নিশ্চিত ও প্রশ্নফাঁস রোধে সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অবিলম্বে বুয়েটের অধীন থেকে সরিয়ে পিএসসির অধীনে নেওয়া হোক। পরীক্ষা যাতে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হয়, সে লক্ষ্যে যে পদক্ষেপগুলো প্রয়োজন তা অনতিবিলম্বে গ্রহণ করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের বারবার বিপাকে পড়তে না হয়। নির্বাচনী সময়কাল ও রাস্তাঘাটের নিরাপত্তা বিবেচনায় রেখে নিয়োগ পরীক্ষাগুলো সাময়িকভাবে পিছিয়ে দেওয়া হোক। প্রশ্নফাঁস ও নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠিন থেকে কঠিনতর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
সচেতন নাগরিক সমাজের আহ্বান
সচেতন নাগরিক সমাজ দ্রুত, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, কঠোর নজরদারি ও দালালচক্র নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শেষ কথা : সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি শিক্ষার্থীদের কঠিন আবেদন—এই সংকটময় সময়ে শিক্ষার্থীদের মুখের দিকে তাকিয়ে, অন্তত জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে সম্মান করে, অসদুপায় রোধ করুন। প্রকৃত মেধাবীদের স্বপ্ন যেন আর ঝরে না পড়ে, সে লক্ষ্যে একটি সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, ২ জানুয়ারির সহকারী শিক্ষক পরীক্ষা আপাতত স্থগিত করে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অন্যথায় দেশের এই অন্ধকার বাস্তবতায় শিক্ষিত বেকাররা আজীবন হতাশা ও অনিশ্চয়তার গহ্বরে গড়াগড়ি খাবে।
একটি সুন্দর, মানবিক ও শিক্ষিত সমাজ গড়তে হলে নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করতেই হবে। প্রকৃত মেধার বিকাশ হোক—এটাই এখন সময়ের দাবি।




২০২৬ সালে বিদ্যালয়ে সরকারি ছুটি ৬৪ দিন, তালিকা প্রকাশ

ডেস্ক নিউজঃ ২০২৬ সালের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটি তালিকা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। রবিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখা থেকে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

তালিকা অনুযায়ী, এ বছর মোট ছুটি রয়েছে ৬৪ দিন। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় ছুটি আগামী ৮ থেকে ২৬ মার্চ মোট ১৯ দিনের। এসব ছুটি রমজান, ঈদ ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে।




রংপুরে কারমাইকেল কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে পদোন্নতি পেলেন ড. মো: আবুল হোসেন মন্ডল

স্টাফ রিপোর্টার: রংপুর মহানগরীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কারমাইকেল কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন প্রফেসর ড. মো: আবুল হোসেন মন্ডল (৫১৬৩)। তিনি পূর্বে একই কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গত ১১ ডিসেম্বর এই তথ্য জানানো হয়। প্রফেসর ড. মো: আবুল হোসেন মন্ডলের এই পদায়নের খবরে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের একজন অভিজ্ঞ ও পরিচিত শিক্ষক হিসেবে প্রফেসর ড. মো: আবুল হোসেন মন্ডল এবার অধ্যক্ষের গুরু দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। তার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি কারমাইকেল কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা আনবেন বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট সকলে।
এ প্রসঙ্গে কলেজের একজন শিক্ষক বলেন, “ড. আবুল হোসেন মন্ডল স্যার কলেজের একজন অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয় মুখ। তাঁর মতো একজন অভিজ্ঞ শিক্ষাবিদকে অধ্যক্ষ হিসেবে পেয়ে আমরা আনন্দিত। আমরা আশা করি, তাঁর নেতৃত্বে কারমাইকেল কলেজ তার গৌরবময় ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।”
ঐতিহ্যের ধারক কারমাইকেল কলেজ:
১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কারমাইকেল কলেজ উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক ইতিহাসের বহু ঘটনার সাক্ষী এই কলেজটি এখনও লাখো শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। প্রফেসর ড. মো: আবুল হোসেন মন্ডলের নেতৃত্বে কলেজটি নতুন মাত্রায় উন্নীত হবে, এমনটাই আশা করছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকমহল।
এদিকে কারমাইকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্র প্রফেসর ড. মোঃ আবুল হোসেন মন্ডল অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন পাওয়ায় কলেজের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।