বাইউস্টে শিক্ষার্থীদের পোস্টার প্রেজেন্টেশনের চমক

কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বাইউস্ট) তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতা।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের প্লাজা এলাকায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ছয়টি বিভাগ থেকে নির্বাচিত ২০টি গবেষণা পোস্টার অংশ নেয়।

সকালে প্রতিযোগিতার প্রথম পর্বে বিচারকমণ্ডলী পোস্টারগুলো পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করেন। শিক্ষার্থীদের গবেষণা উপস্থাপনা ও প্রশ্নোত্তর দক্ষতা বিচারকদের মুগ্ধ করে বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।

দ্বিতীয় পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নূর হোসেন বিশেষ অতিথিদের সঙ্গে উপস্থাপনাগুলো পরিদর্শন করেন এবং গবেষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রতিটি বিভাগের বিজয়ীদের হাতে সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেন উপাচার্য। তিনি বলেন, “বাইউস্টের শিক্ষার্থীরা শুধু একাডেমিক ক্ষেত্রেই নয়, গবেষণাতেও নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করছে। ভবিষ্যতে এসব গবেষণা দেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের মর্যাদা বাড়াবে।”

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ ইফতেখারুল হক, রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল (অব.) খন্দকার মাহমুদ হোসেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক লে. কর্নেল (অব.) শাব্বির আহমেদ সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন গবেষণা ও প্রকাশনা সেলের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান।




শাকসু নির্বাচনে রেকর্ড অংশগ্রহণ: মনোনয়ন জমা ১৯১ জনের

শিক্ষা ডেস্কঃ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) নির্বাচনে প্রার্থী হতে ১৯১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ১০৬টি এবং ছয়টি আবাসিক হল সংসদে ৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।

শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন শাকসু নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র নজরুল ইসলাম।

নজরুল ইসলাম বলেন, শাকসু ও হল সংসদে প্রার্থী হতে মোট ২৫১ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে জমা পড়েছে ১৯১টি। কেন্দ্রীয় সংসদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন ১৪৫ জন, জমা দিয়েছেন ১০৬ জন। অপর দিকে হল সংসদের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন ১০৬ জন, জমা দিয়েছেন ৮৫ জন।

এর আগে শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা নেয়া হয়। এ সময় সম্ভাব্য প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।




বিএড শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনতে সিলেবাস পুনর্গঠনের তাগিদ

গাজীপুর প্রতিনিধিঃ ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চ শিক্ষাকে কর্মমুখী করতে বিদ্যমান সিলেবাস সংস্কারের পাশাপাশি স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে আইসিটি ও ইংরেজি কোর্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইসাথে দেশ বিদেশের খ্যাতনামা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করা হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও উন্নত উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন উচ্চ শিক্ষায় যে গুণগত মান পরিবর্তনের চেষ্টা করছে তার সফলতা নির্ভর করছে সংস্কার করা সিলেবাস ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে সহজভাবে তুলে ধরার উপর। এজন্য ব্যাচেলর অব এডুকেশন-বিএড এর সিলেবাস সংস্কার করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। একারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন এন্ড রিসার্চ-আইইআর এর সহায়তা চেয়েছেনে তিনি।

রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর এর শহীদ শাদাত আলী কনফারেন্স রুমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এক বছর মেয়াদী বিএড শিক্ষাক্রম সংশোধন ও পরিমার্জন বিষয়ক কর্মশালা উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রফেসর আমানুল্লাহ বলেন, সারাদেশের প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে যে আধুনিক গুণগতমান সম্পন্ন কর্মমুখী উচ্চশিক্ষা প্রদানের স্বপ্ন দেখছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তা বাস্তবায়নের মূল কারিগর বিএড ও এমএড ডিগ্রিধারীরা। তারা নতুন সিলেবাস সহজভাবে শেখানোর কৌশল গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে পারলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব। তিনি বলেন, আইইআর থেকে বিএড এর সিলেবাস সংশোধন ও পরিমার্জন করে দিলেই তা কার্যকর করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন এন্ড রিসার্চ-আইইআর এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর হোসনে আরা বেগমের সভাপতিত্বে দিনব্যাপী কর্মশালায় ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন এন্ড রিসার্চ-আইইআর এর শিক্ষক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি, বিভিন্ন টিচার্স ট্রেইনিং কলেজের শিক্ষক ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ অংশগ্রহণ করেন।




ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

শিক্ষা ডেস্কঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’ এর আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ ঢাকার বাইরে ৪টি বিভাগীয় শহরের বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকার বাইরের কেন্দ্রগুলো হল—চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৫০টি আসনের বিপরীতে ৩৪ হাজার ৬২ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে উপাচার্য বলেন, অত্যন্ত সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষায় ১টি আসনের বিপরীতে প্রায় ৩৩ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশ নিচ্ছে। এটি খুবই কঠিন একটি প্রতিযোগিতা।

ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে সন্তানদের ওপর কোন ধরনের মানসিক চাপ সৃষ্টি না করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে ভর্তির সুযোগ পাওয়া মানেই জীবনের শেষ কথা নয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থী তাদের নিজের মতো করে সক্ষম। এই সক্ষমতাকে সমর্থন ও বহিঃপ্রকাশের সুযোগ দেওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, ১ হাজার ৫০টি আসনের মধ্যে ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য ৯৩০টি, বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য ৯৫টি ও মানবিক শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য ২৫টি আসন রয়েছে।

বিজ্ঞান শাখার ৫ হাজার ১৪৮ জন, মানবিক শাখার ৫ হাজার ৮৯২ জন ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ২৩ হাজার ২২ জন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করে।




পরীক্ষায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বাড়তি সময়ের সুবিধা

বিশেষ ডেস্কঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের অনার্স ৩য় বর্ষের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম, সেরিব্রাল পলসি আক্রান্ত) শিক্ষার্থী থাকলে তারা পরীক্ষায় ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় পাবেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রতিবন্ধী সনদ থাকতে হবে। পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ২ কর্মদিবস আগে অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের তথ্য (প্রবেশপত্রের কপি ও প্রতিবন্ধী সনদের কপি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বা সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবরে পাঠাতে হবে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পৃথকভাবে সিলগালা করে অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, অনার্স ৩য় বর্ষ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর-১৭০৪ এই ঠিকানায় পাঠাতে হবে। প্যাকেটের উপরে ‘প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র’ লাল কালিতে লিখতে হবে।




ব্রিটিশ হাউস অব কমন্সে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে গোলটেবিল বৈঠক

গাজীপুর প্রতিনিধিঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক সংস্কার কার্যক্রম, কারিকুলাম হালনাগাদ এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সের সদস্য ও উন্নয়ন সহযোগীরা প্রশংসা করেছেন। যুক্তরাজ্যের স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির সঙ্গে একাধিক শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর হাউস অব কমন্সে এ গোল টেবিল আলোচনার আয়োজন করা হয়।

গত ২৬ নভেম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির মধ্যে ডেটা সায়েন্স, মেশিন লার্নিং, পাবলিক হেলথ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এর ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বৃহত্তর ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহাম, ওল্ডহ্যামের এমপি জিম ম্যাকমেহোন এবং ওল্ডহ্যাম কাউন্সিলর আবদুল জব্বার।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম আমানুল্লাহ বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে তত্ত্বাবধান করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের দক্ষতায় রূপান্তরে কারিগরি শিক্ষা, ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই।

ব্রিটিশ এমপি জিম ম্যাকমেহোন বলেন, বৈশ্বিক অংশীদারত্ব ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা সহায়তার জন্য তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংস্কার কর্মসূচিরও প্রশংসা করেন।

গ্রেটার ম্যানচেস্টার বাংলাদেশ পার্টনারশিপের চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার বলেন, আধুনিক কারিগরি শিক্ষা ও ডিজিটাল দক্ষতা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের চাবিকাঠি। স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির গ্লোবাল এনগেজমেন্টের অধ্যাপক নিক বিচ এবং ডেটা সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন এবং এআই-ভিত্তিক শিক্ষা সহায়তার আশ্বাস দেন।

এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি নূরানী রোপমা, ব্রিটিশ কাউন্সিলের সাউথ এশিয়ার পরিচালক ডেভিড নকস, স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির উপউপাচার্য অধ্যাপক ভিকি, ব্রিটিশ কারিগরি শিক্ষা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক পলসহ ব্রিটিশ সরকারের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তাঁরা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্বের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

গোল টেবিল আলোচনার সভাপতিত্ব করেন ব্রিটিশ এমপি জিম ম্যাকমেহোন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।




পিএলএসডি কোর্সে দক্ষতা প্রদর্শনে ব্যাচ ২২২-এর শিক্ষার্থীরা

ইরিন তৃষ্ণা আক্তার মুন প্রতিবেদকঃ গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো মক ভাইভা ও প্রেজেন্টেশন সেশন
গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো PLSD (Professional Life Skill Development) কোর্সের আওতায় ব্যাচ ২২২-এর শিক্ষার্থীদের মক ভাইভা ও প্রেজেন্টেশন সেশন। এই সেশনে শিক্ষার্থীরা তাদের পেশাগত দক্ষতা, উপস্থাপন কৌশল এবং যোগাযোগ সক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ পান।
পিএলএসডি শুধুমাত্র একটি কোর্স নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের সফল পেশাজীবনে রূপান্তরের একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। উক্ত সেশনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাদের উপস্থাপনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন বাস্তবভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দেন, যা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানান, এই ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল, প্রফেশনাল আচরণ এবং ইন্টারভিউ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে মিডিয়া বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এই উদ্যোগ একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা হিসেবে কাজ করেছে।
ব্যাচ ২২২-এর এই সফল আয়োজন প্রমাণ করে যে, শিক্ষার্থীরা এখন পেশাগত জগতে প্রবেশের জন্য আরও আত্মনির্ভরশীল ও প্রস্তুত।



“জকসু নির্বাচনের আগে ক্যাম্পাসে সব ব্যানার-ফেস্টুন সরানোর নির্দেশ”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন-২০২৫ উপলক্ষে ক্যাম্পাসের সব ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের ঝুলানো ব্যানার-ফেস্টুন সরানোর নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুহাম্মদ তাজাম্মুল হকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন-২০২৫ উপলক্ষে শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ছাত্রকল্যাণ কর্তৃক বিভিন্ন স্থানে ঝুলানো/সাঁটানো ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন আগামী ১৪ নভেম্বর সকাল ১০টার মধ্যে নিজ দায়িত্বে সরিয়ে ফেলার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

আগামী ২২ ডিসেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আসন্ন জকসু নির্বাচন উপলক্ষে ক্যাম্পাসের সুষ্ঠু পরিবেশ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আশা করি এক্ষেত্রে সব ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা ও সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশ গড়ে তুলতে আমাদের সহযোগিতা করবে।