উখিয়া–টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তিন দিনে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৬ হাজার

ডেস্ক নিউজ : কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থিত রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যায় গত তিন দিনে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অন্তত ১৫ হাজার ৮১৩ জন রোহিঙ্গা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে প্রকাশিত ‘ইন্টার সেক্টর ফ্ল্যাশ সিচুয়েশন আপডেট-২’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ জুলাই রাত ৮টা থেকে ৭ জুলাই সকাল ১০টা পর্যন্ত ক্যাম্পগুলোতে মোট ১৬০টি দুর্যোগের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৩টি ঝড়ো হাওয়া, ৫২টি পাহাড়ধস, ১৪টি আকস্মিক বন্যা, তিনটি পানিতে ডুবে যাওয়া এবং দুটি অবকাঠামোগত ঝুঁকির ঘটনা ঘটে। নিহত ১০ জনের মধ্যে আটজন পাহাড়ধসে এবং দুজন পানিতে ডুবে মারা গেছেন। এছাড়া বিভিন্ন ঘটনায় আরও ১০ জন আহত হয়েছেন। দুর্যোগের কারণে চরম ঝুঁকিতে থাকা তিন হাজার ১৮২ জন রোহিঙ্গাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ক্যাম্পগুলোর অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ পর্যন্ত এক হাজার ৬১৪টি বসতঘর আংশিক এবং ১০টি সম্পূর্ণ ধ্বংস হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে ১০ নম্বর ক্যাম্প। সেখানে এক হাজার ৮৯১ জন দুর্যোগের শিকার হয়েছেন। এছাড়া ৬ নম্বর ক্যাম্পে এক হাজার ৩৭৫ জন, ১২ নম্বরে এক হাজার ২৫৫ জন, ৫ নম্বরে এক হাজার ১৪৯ জন এবং ১-ওয়েস্ট ক্যাম্পে এক হাজার ৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পাশাপাশি ১১ নম্বর (৯৮৮ জন), ৭ নম্বর (৭৩৩ জন), ১৬ নম্বর (৬৮৩ জন), ১৮ নম্বর (৬৭৪ জন) এবং ১৪ নম্বর (৬২৫ জন) ক্যাম্পেও ব্যাপক সংখ্যক মানুষ ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

বসতঘর বা আশ্রয়কেন্দ্রের ক্ষতির হিসাবে ১১ নম্বর ক্যাম্প সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত। সেখানে ২১৩টি ঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর বাইরে ১২ নম্বর ক্যাম্পে ১৯১টি, ৯ নম্বরে ১১৯টি, ১৬ নম্বরে ৮৮টি, ১০ নম্বরে ৮৭টি এবং ১৮ নম্বর ক্যাম্পে ৮৪টি আশ্রয়কেন্দ্র ক্ষতির শিকার হয়েছে।

সাধারণ অবকাঠামো ও স্যানিটেশন ব্যবস্থাতেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। দুর্যোগে ৩৯১টি বিভিন্ন স্থাপনা, ৪৬৫টি প্রতিরোধক দেয়াল (রিটেইনিং ওয়াল), ১০৪টি চলাচলের পথ, ৭৪টি সিঁড়ি, আটটি সড়ক ও সাতটি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি ২০টি শিক্ষাকেন্দ্র ও দুটি মসজিদেও আঘাত হেনেছে দুর্যোগ। এতে ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও জরুরি সেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) ব্যবস্থার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে। প্রতিবেদনের তথ্যমতে, দুর্যোগে ৬০৯টি শৌচাগার, ১৮৮টি গোসলখানা, ৪২টি নলকূপ, ২৪টি পানির উৎস, ১১টি ট্যাপ স্ট্যান্ড, ৯টি বর্জ্য শোধনাগার (ফিকাল স্লাজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট), ১১টি বর্জ্য পুনরুদ্ধার কেন্দ্র এবং দুটি পানি সংরক্ষণ বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে ক্যাম্পগুলোতে বিশুদ্ধ পানির সংকট সৃষ্টির পাশাপাশি পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার প্রবল ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার জেলায় ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা এই বৃষ্টির কারণেই ক্যাম্পগুলোতে এমন বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি হয়। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য জরুরি ভিত্তিতে নিরাপদ আশ্রয়, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে মানবিক সহায়তায় নিয়োজিত বিভিন্ন সংস্থা।




ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে তার চার ছেলে রুবেলকে হত্যা করেছে: পিবিআই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ময়মনসিংহ নগরের ভাড়াবাসায় যুবক রাজিব আহম্মেদ রুবেল (৪০) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মাদকের আড্ডা ও বাসা ছাড়তে বলাকে কেন্দ্র করে নারী বাড়িওয়ালাকে মারধর ও শ্লীলতাহানির ক্ষোভে তার চার ছেলে মিলে রাজিবকে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে পিবিআই। ঐ চার জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। তারা হলেন রহমত (৩০), জনি (২৮), রকি (২৬) ও ইমরাজ (১৮)।

গতকাল সোমবার বিকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, প্রায় এক মাস আগে রুবেল ঐ বাসার একটি কক্ষ ভাড়া নেন। তার চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে বাড়ির মালিক পারুলের আপত্তি ছিল। অভিযোগ আছে, রুবেল সেখানে বিভিন্ন ব্যক্তিকে নিয়ে আড্ডা দিতেন এবং মাদক সেবন করতেন। এসব কারণে বাড়ির মালিক তাকে পরবর্তী মাস থেকে বাসা ছেড়ে দিতে বলেন। তবে রুবেল জোর করে সেখানে থাকতে চান।

গত রবিবার সকালে রুবেল প্রথমে বাড়িওয়ালা ও তার ছেলের কক্ষের দরজায় লাথি মেরে তাদের ঘুম থেকে তোলেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাগিবতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তিনি বাড়ির মালিককে মারধর ও শ্লীলতাহানি করেন। পরে বাড়ির মালিকের চার ছেলে পরিকল্পনা করে একটি চায়নিজ কুড়াল দিয়ে রুবেলের গলায় আঘাত করে হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।   

এ ঘটনায় রুবেলের বাবা বাদী হয়ে বাড়ির মালিক, তার তিন ছেলেসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো তিন থেকে চার জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও শ্লীলতাহানির ঘটনার জেরে গ্রেফতারকৃত চারভাই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।

এর আগে গতকাল সকালে ময়মনসিংহ নগরের ছত্রিশবাড়ি কলোনি এলাকার একটি ভাড়াবাসা থেকে রাজিব আহম্মেদ রুবেলের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত রাজিব আহম্মেদ রুবেল নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকার মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে।




বিএনপি সরকার জাতির সাথে গাদ্দারি করছে : নাহিদ ইসলাম

ডেস্ক নিউজ : জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ৭০ ভাগ মানুষ ‘‘হ্যাঁ’’ ভোটের পক্ষে সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছে। কিন্তু এখনো সরকার তা বাস্তবায়ন করেনি। তাই বিএনপি সরকার জাতির সাথে গাদ্দারি করেছে, বেইমানী করছে।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এনসিপির মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই পদযাত্রায় অংশ নিতে তিনি সোমবার বিকেলে গাজীপুরের কালীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত জুলাই বিপ্লবীদের মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘এই সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিদ্যুতের সমস্যা সমাধান করবে, কিন্তু এই বাজেটে তা আমরা প্রতীয়মান দেখতে পাই নাই। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা দিয়েই মাদক এসে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই মাদক কারবারিদের বন্ধ করুন, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখুন।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন হবে না। সারাদেশে বিভিন্ন জায়গায় মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি হচ্ছে। তাই সরকারকে বলতে চাই- মাদক, চাঁদাবাজি সাম্রাজ্য অচিরেই নির্মূল করতে হবে।’

এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, ‘আমাদের মধ্যে ততক্ষণ পর্যন্ত কোন কোন মতপার্থক্য থাকবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা জনগণের বিরুদ্ধে না যাব। বিএনপি যদি একটি ভালো কাজ করে, আমাদেরও তাদেরকে প্রশংসা করার মতো মানসিকতা থাকতে হবে। আবার যে কোনো রাজনৈতিক দল সমালোচনা করার মতো কোনো কাজ করে, জনগণের বিরুদ্ধে বা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনো কাজ করে, তার যৌক্তিক সমালোচনা করার মতো সৎ সাহস থাকতে হবে।’

পথসভায় গাজীপুর জেলা এনসিপির সভাপতি এম এম সোয়েব, জাতীয় যুবশক্তির নেতারাসহ এনসিপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয়, মহানগর ও জেলা নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে থেকে জুলাই পদযাত্রায় শুরু হয়।




বিএনপি নেতার ভাইয়ের মারধরে চিকিৎসক আহত, ডাক্তারদের কর্মবিরতি

ডেস্ক নিউজ : নারায়গ‌ঞ্জের আড়াইহাজা‌রে এক বিএন‌পি নেতার ভাইয়ের বিরু‌দ্ধে উপ‌জেলা স্বাস্থ‌্য কম‌প্লে‌ক্সের এক চি‌কিৎসক‌কে মারধ‌রের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবা‌দে স্বাস্থ‌্য কম‌প্লে‌ক্সের চি‌কিৎসকরা জরুরি বিভাগ ছাড়া হাসপাতালের সব ধরনের চিকিৎসা সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রা‌খেন।

পরে প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করলে পুনরায় চিকিৎসা সেবা স্বাভাবিক হয়।

ঘটনার অভিযুক্ত বিল্লাল হো‌সেন আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী ভূঁইয়ার ছোট ভাই।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চামুরকান্দি এলাকার ফিরোজা বেগম পেটব্যথার চিকিৎসা নিতে জরুরি বিভাগে আসেন। দায়িত্বরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল কামাল প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রোগীর স্বামী বিল্লাল হোসেনকে একটি ইনজেকশন বাইরে থেকে কিনে আনতে বলেন।

বিল্লাল হোসেন ইনজেকশন কিনে এনে সেটি প্রয়োগ করার অনুরোধ করেন। তবে ওই সময় জরুরি বিভাগে অন্য এক গুরুতর রোগীর চিকিৎসা দিচ্ছিলেন আব্দুল্লাহ আল কামাল। এ কার‌ণে ইন‌জেকশন পুশ কর‌তে তার দেরি হয়। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বিল্লাল হোসেন ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন আব্দুল্লাহ আল কামালের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে মারধর ক‌রেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে সহকর্মী চিকিৎসক ও আনসার সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেন।

পরবর্তীতে এই ঘটনার প্রতিবাদে চিকিৎসকরা জরুরি বিভাগ চালু রেখে হাসপাতালের বহির্বিভাগসহ অন্যান্য চিকিৎসাসেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখেন। এতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

খবর পেয়ে আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুর রহমান ও আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সবজেল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে চিকিৎসকরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে চিকিৎসাসেবা শুরু করেন।

অভিযোগের বিষ‌য়ে জানতে চাইলে আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী ভূঁইয়া বলেন, তারা আমার ভাইয়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। এই ডাক্তারের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে। আমার ভাই তাকে মারধর করেনি।

আড়াইহাজার থানার ওসি সবজেল হোসেন বলেন, বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদকে জানানো হয়েছে। তিনি টেলিফোনে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।




গোসল করতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল ৩ শিশুর

ডেস্ক নিউজ : নরসিংদীর মনোহরদীতে পুকুরে গোসল করতে নামার পর পানিতে ডুবে তিন কন্যা শিশু নিহত হয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে উপজেলার খিদিরপুর ইউনিয়নের চর-আহমদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো খিদিরপুর এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে ফাতেমা (৮), তার ফুপাতো বোন ও একই এলাকার তুহিন মিয়ার মেয়ে আয়েশা ওরফে আশামনি (১২) এবং তাদের খালা ময়মনসিংহের গফরগাঁও এলাকার মুফাচ্ছের ওরফে শুক্কুর আলীর মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৩)।

নিহতের স্বজনরা জানান, বিকেলে বাড়ির পাশেই একটি পুকুরে গোসল করতে নামে তিন শিশু। দীর্ঘ সময় পার হলেও তিন শিশু পানির ওপর ভেসে না উঠলে বাড়ির এক ছোট শিশু বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায়। পরে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন পুকুরে নেমে তাদের উদ্ধার করে। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও ততক্ষণে তাদের মৃত্যু হয়।

মনোহরদী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, নিহতদের মধ্যে দুইজন স্থানীয় কওমি মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী এবং একজন পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তাদের অকালমৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




এআই দিয়ে ৩০ পণ্যের বাজার মনিটরিং করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ : শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, পণ্যের মূল্য তদারকিতে সরকারের একাধিক সংস্থা কাজ করছে। ভবিষ্যতে ৩০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে মনিটরিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে নজরদারি আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও কার্যকর করা যায়।

তিনি বলেন, ‘এই ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎপাদন, আবহাওয়ার সম্ভাব্য প্রভাব, আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি, আমদানির প্রয়োজনীয়তা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার তথ্য বিশ্লেষণ করে আগাম সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব হবে।’

আজ শুক্রবার বিকেলে সিলেট সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘এআই-ভিত্তিক এই ব্যবস্থা চালু হলে বাজার তদারকি আরও প্রাতিষ্ঠানিক, তথ্যনির্ভর ও কার্যকর হবে। এর ফলে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং বাজারে অস্থিরতা প্রতিরোধে সরকার আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হবে।’

পণ্যের মূল্য নির্ধারণ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে অধিকাংশ পণ্যের মূল্য বাজারব্যবস্থার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। তবে, সংবেদনশীল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার একটি কার্যকর মূল্য নির্ধারণ কাঠামো প্রণয়নের কাজ করছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে।’




হাবিপ্রবির ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, ৬০ জনকে শাস্তি

ডেস্ক নিউজ : দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) দুইটি আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও সহকারী প্রক্টরের ওপর হামলার ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার এবং ৬০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় দিনাজপুর হাবিপ্রবির জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মো. খাদেমুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আবু হাসান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে গতকাল বুধবার রাতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।’

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গত ২১ মে শহীদ আবরার ফাহাদ আবাসিক হল এবং নূর হোসেন আবাসিক হলে অবস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।

প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের ২৭তম বিশেষ সিন্ডিকেট সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

আজীবন বহিষ্কার হওয়া ৬ শিক্ষার্থী হলেন অ্যাগ্রিকালচার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নাইমুর রহমান দুর্জয়, অর্থনীতি বিভাগের সাকির মাহমুদ, ইংরেজি বিভাগের আসিফ হোসেন, ফুড অ্যান্ড প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আসাদুজ্জামান সাগর, ইসিই বিভাগের সৌরভ আহমেদ এবং হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের তাসরিয়াফ ইসলাম প্রান্তিক।

এ ছাড়া ৮ জন শিক্ষার্থীকে ৬ মাসের জন্য আবাসিক হল থেকে বহিষ্কারসহ ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, এক সেমিস্টার একাডেমিক কার্যক্রম ও হল থেকে বহিষ্কার এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করার সুপারিশ করা হয়েছে ৬ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।

অস্ত্র হাতে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি সাধনের দায়ে ৪৬ শিক্ষার্থীকে দুই সেমিস্টার একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধসহ আজীবন হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানার সুপারিশ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হাবিপ্রবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. নওশের ওয়ান বলেন, ‘তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও তাদের অভিমতের ভিত্তিতে এ শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রাখা হয়েছে।’




ঠাকুরগাঁওয়ের নিখোঁজ চার শিক্ষার্থী সিলেট থেকে উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ : ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নিখোঁজ চার শিক্ষার্থীকে সিলেট থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঠাকুরগাঁও সহকারী পুলিশ সুপার স্নেহাশীষ কুমার দাস আজ বুধবার বিকেলে তাদের উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা হলো বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর এলাকার বাসিন্দা মানিক চন্দ্রের মেয়ে শ্রীমতি খুশি, একই এলাকার বাঙ্কু দেবনাথের মেয়ে শ্রীমতি মলিকা, রমেশ দেবনাথের মেয়ে রিতু দেবনাথ, এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সেজুতি রানী দেবনাথ। তারা সবাই সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

খুশি, মলিকা ও রিতু দশম শ্রেণির এবং সেজুতি রানী দেবনাথ অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চার শিক্ষার্থী একসঙ্গে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

সহকারী পুলিশ সুপার স্নেহাশীষ কুমার দাস বলেন, ‘বুধবার দুপুরে সিলেটের একটি বাস কাউন্টারে বাসের জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় চার শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা সিলেটের গোয়াইনঘাট যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিল।’

তিনি আরও জানান, গতকাল মঙ্গলবার রাত থেকেই পুলিশ তাদের সন্ধানে কাজ করে। নিখোঁজ হওয়ার পর চার শিক্ষার্থী প্রথমে ঢাকায় যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা একটি মানবপাচার চক্রের খপ্পরে পড়েছিল। ওই চক্রটি প্রলোভন দেখিয়ে তাদের ভারতে পাচারের চেষ্টা করছিল বলে আমরা ধারণা করছি। তবে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছি। উদ্ধার হওয়া চার শিক্ষার্থীকে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মানবপাচার চক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




চিপস খেয়ে ১২ শিক্ষার্থী অসুস্থ, দোকান বন্ধ করল ভ্রাম্যমাণ আদালত

ডেস্ক নিউজ : বাগেরহাটের রামপালে অনুমোদনহীন চিপস খেয়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষার্থী ও এক অভিভাবক অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনিরাপদ খাদ্যপণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় ব্যবসায়ী মনোরঞ্জন মন্ডলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং দোকান সিলগালা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বড়দূর্গাপুর গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের ওই দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি।

এর আগে গতকাল সোমবার দুপুরে বড় দূর্গাপুর দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাশে থাকা মনোরঞ্জন মন্ডলের দোকান থেকে খোলা চিপস কিনে খায়। এতে ১২ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের চিপসগুলো ডিটারজেন্টের প্যাকেট সদৃশ্য মোড়কে বিক্রি করা হচ্ছিল। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পেটে ব্যথা, বমি ও শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিলে তাদের অভিভাবক ও শিক্ষকরা রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রস্থ মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে যায়। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।

অসুস্থরা হলেন প্রাপ্তি অধিকারী (১০), তুফান শেখ (১৩), রাজদীপ (১০), আখিরা (১১), লামিয়া (১১), জান্নাতুল (১০), আরহী মন্ডল (৫), রাহুল মন্ডল (৮), সৃষ্টী বিশ্বাস (১০), ফাতেমা আক্তার (৮), আমবিকা (৬) ও প্রোভাতী (১০), দীপিকা হালদার (অভিভাবক ২৮)। তাদের মধ্যে জান্নাতুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

মৈত্রী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাকিব রেজোয়ান জানান, ‘খাদ্যে বিষক্রিয়ার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনকে মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। গুরুতর এক শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।’

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

রামপাল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার বলেন, শিক্ষার্থীদের অসুস্থতার খবরে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রশাসনের সহযোগিতায় দোকানটি সিলগালা করা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদেরকে বাইরের খাবার খাওয়ানোর ব্যাপারে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।




মনপুরায় জেলের জালে রাজা ইলিশ, দাম ৯ হাজার টাকা

ডেস্ক নিউজ : ভোলার মনপুরার মেঘনায় ফের জেলের জালে ধরা পড়ল রাজা ইলিশ। মাছটির ওজন দুই কেজি চারশত গ্রাম। রাজা ইলিশ মাছটি নিলামে ৯ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।

আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের মমিন তালুকদারের মৎস্য আড়তে বিক্রি করা হয়।

মৎস্য আড়তের মালিক মমিন তালুকদার জানান, সোমবার সন্ধ্যায় বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জের জেলে ইসমাইল মাঝিসহ সঙ্গীয় জেলেরা রামনেওয়াজ সংলগ্ন মেঘনায় মাছ শিকার করছিল। এই সময় জালে অন্যান্য ছোট ইলিশের সঙ্গে রাজা ইলিশটি ধরা পড়ে। এই উপকূলের জেলে ও মৎস্য আড়তদাররা বড় সাইজের ইলিশকে রাজা মাছ বলে।

রামেওয়াজ মৎস্য ঘাটের ব্যাপারী মো. নাহিদ জানান, তিনিসহ অন্যান্য ব্যাপারীর উপস্থিতিতে মাছটি মমিন তালুকদারের মৎস্য আড়তের বাক্সে নিলামে তোলা হয়। পরে সর্বোচ্ছ দাম ৯ হাজার ৩০০ টাকায় মাছটি ক্রয় করেন মৎস্য ব্যবসায়ী ও আড়তদার মমিন তালুকদার।

মৎস্য ব্যবসায়ী ও রাজা মাছটি ক্রয় করা মৎস্য আড়তদার মমিন তালুকদার জানান, বরিশাল ও ঢাকার পাইকারি আড়তে বড় সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি। তিনি নিজে আড়তদার ও ঢাকায় মাছ চালান করেন। মঙ্গলবার ঢাকার লঞ্চে অন্যান্য মাছের সাথে রাজা ইলিশ মাছটি ঢাকার যাত্রাবাড়ি মাছের আড়তে পাঠাবেন। তিনি আরও বেশি দামে মাছটি বিক্রি করতে পারবেন বলে আশাবাদী।

এ বিষয়ে মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক জানান, মেঘনায় বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়ছে এইটা জেলেদের জন্য সুখবর। সামনে বর্ষায় বৃষ্টিপাত বাড়লে আরও বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়বে বলে তিনি আশাবাদী।