গোপালগঞ্জে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করলেন ডা. জিয়াউদ্দিন

ডেস্ক নিউজ : প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা) ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার আজ রোববার গোপালগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

তিনি বলেন, দেশের ৬–৫৯ মাস বয়সী ২ কোটিরও বেশি শিশুকে আজ সারাদেশে বিনামূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এই কর্মসূচি শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাংলাদেশের অন্যতম সফল জনস্বাস্থ্য উদ্যোগ।

ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, অপুষ্টিজনিত জটিলতা কমাতে সহায়তা করে, দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতিজনিত রাতকানা ও অন্যান্য চোখের সমস্যার ঝুঁকি হ্রাস করে। একই সঙ্গে এটি শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। তার মতে, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৪–২৫ সালের পরিকল্পিত হাম টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়িত না হওয়ায় অনেক শিশু টিকার আওতার বাইরে থেকে যায়, যা বর্তমান প্রাদুর্ভাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তিনি আরও বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতি এবং সামগ্রিক অপুষ্টি গুরুতর জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। এ কারণে চলমান জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

গোপালগঞ্জ প্রসঙ্গে ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, তার মূল্যায়নে, স্বাধীনতার পর থেকে, বিশেষ করে গত দেড় দশকে, গোপালগঞ্জের মানুষ একদল দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক গোষ্ঠীর প্রভাবের মধ্যে ছিলেন। তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সেই নেটওয়ার্কের অবসান ঘটে এবং এখন গোপালগঞ্জের মানুষ স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ, স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং নিজেদের উদ্যোগে উন্নয়নের সুযোগ পাচ্ছেন। তিনি বলেন, এই নতুন পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. কে. এম. বাবর, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, ইউনিসেফের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) প্রতিনিধিবৃন্দ, স্বাস্থ্যকর্মী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনগণ।




পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১৬ কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ : কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সের টাকা গণনায় এবার আগেকার সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। মিলেছে ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা। এছাড়াও মিলেছে বৈদেশিক মুদ্রাসহ বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার।

শনিবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার সকাল থেকে শুরু হয় টাকা গণনা। প্রায় সাড়ে ১৩ ঘণ্টা গণনা ধরে যা চলে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ বলেন, ‘সকাল ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত গণনা শেষে ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা পাওয়া গেছে।’

জানা গেছে, শনিবার সকালে জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিনের উপস্থিতিতে তালা খোলা হয়। একে একে ৪৩টি বড় বস্তায় ভরা হয় টাকা। এরপর টাকা গণনার জন্য বস্তাগুলো মসজিদের দোতলায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বস্তা থেকে টাকা মেঝেতে ঢেলে দেওয়ার পর শুরু হয় অর্থ গণনার কাজ। যেখানে অংশ নেন পাগলা মসজিদ-সংলগ্ন মাদ্রাসার ১০৬ জন ও আল-জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ৩০০ জন ছাত্র। তাদের সঙ্গে দিনভর টাকা গণনা করেন রূপালী ব্যাংকের ১৩০ জন কর্মকর্তা, পাগলা মসজিদের ৩৫ জন স্টাফ এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ১৯ জন স্টাফ। গণনা শেষে রাত সাড়ে ৮টায় চূড়ান্ত টাকার পরিমাণ ঘোষণা করেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ।

টাকা খোলা থেকে শুরু করে ব্যাংকে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো সময় সশরীর মাঠে ছিলেন জেলা প্রশাসনের ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৪০ জন পুলিশ সদস্য, ৮ জন র‍্যাব সদস্য ও ২০ জন আনসার সদস্য।

জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন বলেন, পাগলা মসজিদের প্রতি মানুষের এক গভীর আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। যার প্রতিফলন দেখা যায় এই দানবাক্সগুলোয়। মানুষের এই আমানত অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। এ ছাড়া মানুষের দান করা বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রাসহ বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও রুপা জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সম্পূর্ণ নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

সোহানা নাসরিন আরও বলেন, এই দানের টাকা কোনো ব্যক্তিগত খাতে ব্যবহারের সুযোগ নেই। জমা করা এই বিশাল অর্থ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার উন্নয়ন ও পরিচালনায় অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি অসহায়, দরিদ্র ও জটিল রোগে আক্রান্ত মুমূর্ষু মানুষের চিকিৎসায় এবং কল্যাণে এই তহবিল থেকে বড় অঙ্কের অর্থ সহায়তা করা হয়ে থাকে।

 ্উল্লেখ্য, ৬ মাস আগের গণনায় মসজিদের ১৩ দানবাক্সে পাওয়া যায় প্রায় ১১ কোটি সাড়ে ৭৮ লাখ টাকা।




মা ও তিন মেয়ে খুন: লক্ষ্মীপুরে জানাজা শেষে লাশ নেওয়া হল কুমিল্লায়

ডেস্ক নিউজ : লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ভাড়া বাসায় হত্যার শিকার মা ও তিন মেয়ের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা নদীরপাড় সড়কে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, জানাজার নামাজ শেষে নিহত শাহিনুর বেগম (৩৮), তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২১), মেঝো মেয়ে নাফিসা আক্তার ইকরা (১৭) ও ছোট মেয়ে ফাতেমা আক্তার শিফার মরদেহ নিয়ে স্বজনরা কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলার লটিয়া গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন। তাদের জানাজায় রায়পুরের বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশগ্রহণ করে।

পুলিশ জানায়, জানাজায় নিহতদের স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা অংশ নেন। পরে লাশগুলো কুমিল্লার হোমনা উপজেলার লটিয়া গ্রামে দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেন, চারজনকে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমটি গঠন করা হয়েছে। গুরুত্বের সহকারে ঘটনাটি তদন্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করা হচ্ছে। নিহতদের মরদেহ কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুর পৌর শহরের নদীর পাড় এলাকা ভাড়া বাসায় ঢুকে মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করে এক যুবক। পরে ওই যুবক অন্তর মজুমদার (২৮) জনগণ গণপিটুনি দিলে সেও মারা যান।




মনপুরায় কোস্টগার্ড ও মৎস্য অফিসের যৌথ অভিযান

ডেস্ক নিউজ : ভোলার মনপুরায় মৎস্য সম্পদ রক্ষায় যৌথ অভিযান চালিয়ে বাংলাবাজারের একটি দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ও নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি এবং কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও উপজেলা মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। জব্দকৃত এই জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭ লক্ষ টাকা।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় জব্দ করা ৭ লাখ টাকার জাল নদীরপাড়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও সংবাদকর্মীদের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

এর আগে গতকাল বুধবার রাত ৯টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের অধীনস্থ মনপুরা কন্টিনজেন্ট এবং উপজেলা মৎস্য অফিসের একটি যৌথ দল উপজেলার বাংলাবাজার এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে নিষিদ্ধ জাল জব্দ করে।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, মনপুরার বাংলাবাজার মাকসুদ এন্টারপ্রাইজে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল মজুদ করে স্থানীয় জেলেদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে— এমন সুনির্দিষ্ট সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাতে সেখানে আকস্মিক যৌথ অভিযান চালানো হয়। তল্লাশিকালে মাকসুদ এন্টারপ্রাইজ থেকে ১০০ পিস ক্ষতিকারক চায়না দুয়ারি জাল এবং প্রায় ২ লাখ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় ৮৫ লাখ টাকা বলে নিশ্চিত করেছে অভিযান পরিচালনাকারী দল।

এই বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক বলেন, চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জাল নদী এবং সমুদ্রের মৎস্য সম্পদের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। এই ক্ষতিকর জালে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ও জলজ প্রাণী নির্বিচারে আটকে মারা পড়ে, যা আমাদের জলজ জীববৈচিত্র্যের চরম ক্ষতি করছে। দেশের মৎস্য সম্পদ ও মা মাছ রক্ষায় মৎস্য বিভাগ ও কোস্টগার্ডের এই ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মৎস্য সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কোস্টগার্ড সর্বদা তৎপর রয়েছে।অভিযান শেষে জব্দকৃত এই বিশাল পরিমাণের অবৈধ জালগুলো গতকাল জুন বিকেল সাড়ে ৫টায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।




লক্ষ্মীপুরে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহত বেড়ে ৫

ডেস্ক নিউজঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে মা ও দুই মেয়ের পর ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা গেছেন মেঝ মেয়েও। এদিকে, ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতার গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন ঘাতক যুবকেরও মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই নৃশংস ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো পাঁচে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে রায়পুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসায়  ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন শাহীনুর বেগম (৩৮), তার বড় মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সায়মা আক্তার (২১), মেঝ মেয়ে কলেজ  শিক্ষার্থী ইকরা আক্তার (১৮) এবং ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)।

এ ঘটনায় সন্দেভাজন এক যুবককে গণপিটুনি দিলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের ৬/৭ জন সদস্য আহত হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে শাহীনুর বেগমের স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এরপর থেকে তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে তিনি ওই বাসায় বসবাস করছিলেন। দুপুরে দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের হামলায় শাহীনুর ও তার তিন মেয়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে শাহীনুর, সায়মা, ইকরা ও শিফাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে পাঁচজনকে আহত অবস্থায় আনা হয়। তাদের মধ্যে মা ও তিন মেয়ে মারা গেছেন। গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন যুবককে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) মো. আব্দুর রাশেদ বলেন, ঘটনায় একই পরিবারের চারজন নিহত হয়েছেন। অভিযুক্ত সন্দেহে এক যুবককে গণপিটুনি দিয়েছে জনতা। হাসপাতালে নেওয়ার পর সে যুবকও মারা যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে উত্তেজিত লোকজন ইট পাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হন। নিহত পরিবারের সঙ্গে সন্দেভাজন যুবকের কোনো সম্পর্ক ছিলো কিনা তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যতটুকু জানি সে ভ্রমমাণ ফল বিক্রেতা ছিলেন।

ঘটনার পরপরই লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার আবু তারেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, নিহতদের মরদেহের ময়নাতদন্ত চলছে। কী কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।




বজ্রপাতে ময়মনসিংহে কলেজ শিক্ষার্থীসহ নিহত ২

ডেস্ক নিউজ : ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় বজ্রপাতে কলেজ শিক্ষার্থীসহ দুজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যার এই ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালাদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম। নিহতরা হলেন- স্থানীয় একটি কলেজের শিক্ষার্থী তুলি ও আব্দুল খালেক।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, ফুলবাড়ীয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের দেবগ্রামে পুকুর পাড়ে বসে মোবাইলে কথা বলার সময় বজ্রপাতে ওই শিক্ষার্থীর আহত হন। তাকে চিকিৎসার জন্য ফুলবাড়ীয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বজ্রপাতে নিহত তুলি ফুলবাড়ীয়া সরকারি মহিলা কলেজের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

অন্যদিকে, কালাদহ গ্রামের নিচপাড়ায় একই সময়ে বজ্রপাতে আ. খালেক নামের এক কৃষক নিহত হয়েছে। আছরের নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বাড়িতে আসার সময় ওই কৃষক বজ্রপাতে আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ফুলবাড়ীয়া থানার ওসি রাশেদুল হাসান জানান, বজ্রপাতে নিহতের বিষয়টি শুনেছি। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




বিপৎসীমার কাছাকাছি তিস্তার পানি, খুলে দেওয়া হয়েছে সব জলকপাট

ডেস্ক নিউজ : বিপৎসীমার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে নদীর পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এর আগে বেলা তিনটায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এখানে পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।

লালমনিরহাট জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড এ তথ্য জানিয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার গণমাধ্যমকে জানান, গত এক-দুই দিনের ভারী বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে তিস্তাপারের নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এসব অঞ্চলের জনগণকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এ দিকে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা ব্যারাজের সব জলকপাট সার্বক্ষণিক খুলে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।




মুক্তিপণ দাবির পর পুকুরে মিলল দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীর মরদেহ

ডেস্ক নিউজ : টাঙ্গাইলের সখিপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর সেঁজুতি নামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধারকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটির পরিবার দাবি করেছে, তাকে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সখিপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুর থেকে সেঁজুতির (৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা ফালু চন্দ্র মালু ও শোভা চন্দ্র দম্পতির মেয়ে এবং স্থানীয় আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে শনিবার রাতেই সখিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, গতকাল রোববার রাতে অজ্ঞাত ব্যক্তি তাদের কাছে ফোন ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে সেঁজুতিকে ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এর কয়েক ঘণ্টা পরই উপজেলা পরিষদের পুকুরে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখা যায়।

শিশুটির রহস্যজনক মৃত্যু এবং মুক্তিপণ দাবির অভিযোগকে কেন্দ্র করে সখিপুরজুড়ে উদ্বেগ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশি তদন্তের দিকে তাকিয়ে আছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন পুকুরে একটি শিশুর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

মেয়ের মৃত্যুতে শোকাহত বাবা ফালু চন্দ্র মালু বলেন, ‘আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

মা শোভা চন্দ্র কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার সন্তানের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন হোক। আমার ছোট্ট মেয়েটিকে কে বা কারা হত্যা করেছে, আমি তাদের বিচার চাই।’

এ ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাড. আহমেদ আযম খান নিহত শিশুর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকলে দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে সখিপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সব দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বন্যার আতঙ্কে হাজারো মানুষ

ডেস্ক নিউজ : উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতের প্রভাবে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার প্রধান নদী ধরলাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও এখনও সব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, তবুও নদীতীরবর্তী এলাকার হাজারো মানুষের মধ্যে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের চরসোনাইকাজী এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, ধরলা নদীর পানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, ধরলা নদীর তালুক শিমুলবাড়ী (ফুলবাড়ী ধরলা সেতু) পয়েন্টে পানির উচ্চতা সামান্য কমেছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদ-নদী পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় এ এলাকায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

রোববার সকাল ৬টায় তালুক শিমুলবাড়ী পয়েন্টে ধরলা নদীর পানির উচ্চতা ছিল ২৯ দশমিক ৭৮ মিটার, যা সকাল ৯টায় কমে ২৯ দশমিক ৭৫ মিটারে নেমে আসে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৩০ দশমিক ৮৭ মিটার।

বিকেল ৩টায় শিমুলবাড়ী পয়েন্ট পানি সমতল ২৯ দশমিক ৬৮ মিটার, (বিপদসীমা ৩০ দশমিক ৮৭ মিটার) যা বিপদসীমার ১১৯ সে.মি নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। হঠাৎ ধরলাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি কখনও বাড়ছে আবার কখনও কমছে। তবে গতকালের চেয়ে রোববার বারোমাসিয়া নদীর পানি কমে যাওয়ায় তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের পানিবন্দি পাট ও ভুট্টা ক্ষেতের পানি নেমে যাচ্ছে বলে জানান কৃষকরা।

ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

ধরলা নদীর তীরবর্তী চরসোনাইকাজী এলাকার বাসিন্দা জহুরুল হক ও ওবায়দুল হক জানান, গত চার দিন ধরে নদীর পানি ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে আমন ধানের বীজতলাসহ বিভিন্ন ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

একই এলাকার কৃষক জরিতুল্লা আলী বলেন, ধরলার পানি বৃদ্ধির কারণে আমার আমনের বীজতলা ও পাটক্ষেত ইতোমধ্যে পানিতে ডুবে গেছে। বীজতলা নষ্ট হয়ে গেলে আমন চাষ করা কঠিন হয়ে পড়বে। এছাড়া পানি আরও বাড়লে বসতবাড়িতেও পানি ঢুকে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম বলেন, উজানের ঢল ও বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার কয়েকটি নদীর পানি ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে বর্তমানে সব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। তাই তাৎক্ষণিক বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।




দোকানের দেয়াল কেটে কয়েক কোটি টাকার স্বর্ণালংকার লুট

ডেস্ক নিউজ : রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার স্বর্ণপট্টি এলাকার একটি জুয়েলার্সের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা দেয়াল কেটে দোকানে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ এবং ১ হাজার ২০০ ভরি রুপা ও নগদ অর্থ নিয়েছে বলে দাবি করেছেন মালিকপক্ষ।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত থেকে শুক্রবার দিবাগত রাতের মধ্যে কোনো এক সময় সাহেববাজার এলাকার ‘স্বর্ণা হোটেলের নিচতলায় অবস্থিত ‘কারুশ্রী জুয়েলার্সে’ এই চুরির ঘটনা ঘটে।

এদিকে দুর্ধর্ষ এই চুরির ঘটনার প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে স্বর্ণ উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে রাজশাহীর জুয়েলার্স ব্যবসায়ীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

পুলিশ ও মালিকপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, পাশাপাশি অবস্থিত আফিয়া জুয়েলার্স ও কারুশ্রী জুয়েলার্সের মধ্যে সংযোগকারী দেয়াল কেটে চোরেরা কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে। এর আগে তারা আফিয়া জুয়েলার্সের তালা খুলে ভেতরে ঢোকে। পরে দুই দোকানের মাঝের দেয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার, রুপার অলংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। আফিয়া জুয়েলার্সে কোনো মালামাল না থাকায় সেখান থেকে কিছু নেওয়া হয়নি বলে জানা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছেন।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি আশরাফুল ইসলাম অপু বলেন, প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণ এবং ১ হাজার ২০০ ভরি রুপা ও নগদ ২০ লাখ টাকা চুরি হয়েছে। চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত রাজশাহীর সব জুয়েলার্সের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।