শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল ৭০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা

ডেস্ক নিউজ : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেগ থেকে এবার ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা নগদ পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি মিলেছে স্বর্ণ, রুপা ও বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল সোয়া ১০টার দিকে মাজারের তিনটি ডেগ ও পাঁচটি দানবাক্সের সিলগালা খুলে টাকা ও অন্যান্য সামগ্রী গণনা শুরু হয়। দিনভর গণনা শেষে সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে হিসাব ঘোষণা করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

তিনি জানান, দানবাক্স ও ডেগ থেকে মোট ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া ২ ভরি ১ রতি স্বর্ণ এবং ১ ভরি ২ আনা রুপা পাওয়া গেছে।

দানবাক্স থেকে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে রয়েছে ব্রিটিশ পাউন্ড ৩১ পাউন্ড ১১ পয়সা, ভারতীয় রুপি ৩ হাজার ২৪৮, পাকিস্তানি রুপি ৬০, সৌদি রিয়াল ৭০, মালয়েশীয় রিঙ্গিত ৮৩, মার্কিন ডলার ৪, নেপালি রুপি ১০০, ওমানি মুদ্রা ১ হাজার বায়সা ও ১ রিয়াল, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম ৬৪ দিরহাম ২২ সেন, ইরাকি দিনার ২৫০, তুর্কি লিরা ৯০, ভিয়েতনামের ডং ১ হাজার, জাপানি ইয়েন ১ হাজার, কাতারি রিয়াল ১১২ রিয়াল ৫০ পয়সা, লেবাননের পাউন্ড ১০, মিসরীয় পাউন্ড ১০, ইউরো ৪০ পয়সা, বাহরাইনি মুদ্রা ১ পয়সা এবং কানাডীয় ডলার ১।

এ ছাড়া নজরানা হিসেবে গরু, ছাগল, হাঁস ও মুরগিও পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এর আগে, গত ২২ জুন প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দানের টাকা গণনা করা হয়। প্রায় ৭০০ বছরের প্রচলিত রীতি ভেঙে তৎকালীন জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমের উদ্যোগে ওই গণনা করা হয়। চার দিন পর গণনা শেষে পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। এর সঙ্গে স্বর্ণালংকার ও বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া যায়। পরে এসব অর্থ সোনালী ব্যাংকে খোলা নির্ধারিত হিসাবে জমা রাখা হয়।

এর ১৯ দিন পর ১১ জুলাই দ্বিতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে খোলা হয় মাজারের দানবাক্স ও ডেগ। দ্বিতীয় দফার গণনা শেষে পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। প্রশাসন ও মাজার ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে ওই অর্থ গণনা করা হয়।




ডিএসসিসির হেরিটেজ রানে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগর গড়ার আহ্বান

রাজধানী ঢাকার সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক নিদর্শন নাগরিকদের কাছে তুলে ধরে ঢাকার প্রতি মমত্ববোধ ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে ঐতিহাসিক ‘ঢাকা হেরিটেজ রান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানী ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তি এবং ১ আগস্ট ‘ঢাকা দিবস’ উপলক্ষে ডিএসসিসির উদ্যোগে ১ আগস্ট হতে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাসব্যাপী “হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬” উৎসবের অংশ হিসেবে এই আয়োজন করা হয়।

শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিল থেকে শুরু হওয়া এই র‍্যালি প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হামিদুর রহমান, সংসদ সদস্য, ঢাকা-৭। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম।

১ হাজারের অধিক নাগরিক এই হেরিটেজ রানে অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালিটি মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে ‌মতিঝিল শাপলা চত্বর হতে কাকরাইল মোড় হয়ে →রমনা → শাহবাগ মোড় → কাটাবন মোড় → ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় → পলাশি মোড় → লালবাগ কেল্লা → শহিদনগর মোড় → সোয়ারিঘাট (লঞ্চঘাট) এসে শেষ হয়। অংশগ্রহণকারী প্রত্যক রানারকে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে পদক ও সনদ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নতুন এই বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে যেভাবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন, একইভাবে আমাদের ঐতিহ্যগুলোকে ধরে রাখার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, সেই ঐতিহ্যকে ধারণ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অত্যন্ত যথাযথ একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আমি বিশ্বাস করি, এই আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে আরও পরিচিত হয়ে উঠবে।

সভাপতির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘আমার মূল উদ্দেশ্য ছিল- আমার শহর ঢাকা, যাকে নিয়ে আমার গর্ব করা উচিত। আজকের হেরিটেজ রানে অংশ নিয়ে আপনারা ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বাস্তব চিত্র দেখেছেন। কোথাও ভালো রাস্তা, কোথাও ভাঙাচোরা, কোথাও বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত- এটাই ঢাকার বাস্তবতা। এই বাস্তবতার মধ্যেই নগরবাসীর জীবনযাত্রা আরও সুন্দর করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। নগরবাসী যত্রতত্র ময়লা না ফেললে এবং ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা সহযোগিতা করলে ঢাকাকে আরও সুন্দর রাখা সম্ভব। সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও নিজেদের দায়িত্ব অনুযায়ী সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে হবে।’

প্রথমবারের মতো এ আয়োজন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভুলত্রুটি থাকতেই পারে। পরবর্তী সময়ে তা সংশোধন করে প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজন করা হবে। পুরান ঢাকাকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি সাইকেল চালানোর জন্য আলাদা লেন এবং হাঁটা ও দৌড়ের উপযোগী পথ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমার দায়িত্ব আমি পালন করবো, আপনার দায়িত্ব আপনি পালন করবেন। সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে এই ঢাকা শহর আরও সুন্দর হয়ে উঠবে। আসুন, দেখি- এটাই আমার ঢাকা শহর। এই শহরেই আমাকে থাকতে হবে, তাই শহরটাকে আরও সুন্দর করতে হবে।’

‘হ্দয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের পরবর্তী আয়োজনসমূহের মধ্যে রয়েছে-

• ১৬-২২ আগস্ট: জহির রায়হান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র মিলনায়তন, সূত্রাপুরে ঢাকার উপর নির্মিত মঞ্চ নাটক( নাট্যোৎসব)
• ২১ আগস্ট: খোলামোড়া ঘাট হতে ওয়াইজ ঘাটে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ
• ২১ আগস্ট: সদরঘাটে শতবছরের পুরাতন বিশেষ হেরিটেজ ক্রুজযোগে পর্যটকদের ভ্রমণ
• ২২ আগস্ট: মধুমিতা সিনেমা হলে, ঢাকা নিয়ে নির্মিত পুরাতন চলচিত্র প্রদর্শন
• ২১-৩০ আগস্ট: ঢাকার বিপনীবিতানে দি গ্রেট ঢাকা সেল
• ২১-৩০ আগস্ট: লাভ লেটার টু ঢাকা (ঢাকা নিয়ে নাগরিকদের আবেগ ও ভালোবাসার চিঠি আহবান)
• ২১-২৮ আগস্ট: শিল্পকলা একাডেমিতে, ঢাকার উপর নির্মিত মঞ্চ নাটক
• ২৩-২৯ আগস্ট: বিটিভিতে, ঢাকা নিয়ে নির্মিত পুরাতন নাটক ও অন্যান্য অনুষ্ঠান সম্প্রচার
• ২৪ আগস্ট: জয়নুল হক শিকদার মহিলা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল হেলিপাড উত্তর ধানমণ্ডিতে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পাখির চোখে হৃদয়ে ঢাকা উৎসব প্রদর্শন
• ২৮ আগস্ট: লক্ষ্মীবাজার থেকে নগরভবন ঢাকা শোভাযাত্রা (ঘোড়ার গাড়ি, রিকশা, ভিনটেজ গাড়ি, পালকিসহ)
• ২৯ আগস্ট: বিকেল ৪টায় লালবাগ কেল্লায় উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার কথা রয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। একই সাথে ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা, মশক নিধন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা করা হবে।
• ৩০ আগস্ট: লালবাগ কেল্লায় ঘুড়ি উৎসব, বিশেষ ‘ঢাকা আড্ডা’ এবং সন্ধ্যায় ঐতিহ্যবাহী কাওয়ালীসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
• ০১ সেপ্টেম্বর: শিল্পকলা একাডেমিতে শিশু ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী ও দেশের খ্যাতিমান চিত্রশিল্পীদের উপস্থিতিতে উন্মুক্ত আর্ট ক্যাম্প
• ০৫ সেপ্টেম্বর: আলমগঞ্জ জেটিতে পুরান ঢাকার পঞ্চায়েতি আড্ডা।

ডিএসসিসির পক্ষ থেকে নাগরিক জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝে উৎসবে-গর্বে-দায়িত্বে ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উদযাপনে নাগরিকদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।




রাঙামাটিতে পানিতে ডুবে শিশু নিহত

ডেস্ক নিউজ : রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি  উপজেলার খেদারমারা  ও সাজেক ইউনিয়নের ভূয়াছড়ি এলাকায় বন্যার পানিতে ডুবে অনুষ্কা চাকমা (৫)  ও আন্দারা চাকমা (১২) দুই শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ আগষ্ট)  দুপুরে পৃথক দুটি ঘটনায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ঘটে।

অনুষ্কা চাকমার বাবা সুজিত বিকাশ চাকমা জানান, অনুষ্কা বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে যায় পরে তাকে উদ্ধার করে বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপর দিকে সাজেক ইউনিয়নের দুর্গম ভূয়াছড়ি এলাকায় কাচালং নদীতে গোসল করতে নেমে ডুবে মারা যায় আন্দারা চাকমা (১২)।
আন্দারা চাকমার বাবা লক্ষিরঞ্জন চাকমা  জানান তার ছেলে গত ১১ আগস্ট দুপুরে নদীতে গোসল করতে গিয়ে তলিয়ে যায়। পরে অনেক খুঁজাখুঁজি করেও পাওয়াযায়নি। ৩ দিনপর আজ দুপুরে ভাসমান অবস্থায় তার উদ্ধার করা হয়েছে।

দুরছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক জুলফিকার ইসলাম জানান ঘটনা স্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্তে মনে হয়েছে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

​খবর পেয়ে বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আমেনা মারজান তাৎক্ষণিকভাবে শোকসন্তপ্ত সুজিত বিকাশ চাকমার বাড়িতে ছুটে যান। তিনি নিহত শিশুর পরিবারকে সমবেদনা জানান এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।




ফুটপাতের খাবার খেয়ে হাসপাতালে ৭ শিক্ষার্থী

ডেস্ক নিউজ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাজারের একটি দোকানের পিয়াজু খেয়ে ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ ৭ জনকে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা বালিকা উচ্চবিদ্যালয় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রতিদিনের মতো সকালে তারা বিদ্যালয়ে আসে। পরে টিফিনের সময় ৯ জন স্কুলের সামনে ফুটপাতের একটি দোকান থেকে পিয়াজু কিনে খায় এবং তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। এদেরমধ্যে ৭ জনকে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয় এবং দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অভিভাবকের মাধ্যমে বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মো রহমতুল্লাহ জানান, খাদ্যের বিষক্রিয়া থেকে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে তারা বিপদমুক্ত। তবে তাদেরকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নজরদারিতে রাখা হয়েছে।




লোডশেডিং ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনার শঙ্কা, প্রশাসনের দ্বারস্থ পল্লী বিদ্যুৎ

ডেস্ক নিউজঃ জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে ও রাতে মিলিয়ে অনেক এলাকায় মাত্র চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে। বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

মাদারগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উপজেলার বিদ্যুতের চাহিদার মাত্র এক-তৃতীয়াংশ সরবরাহ করা যাচ্ছে। এ অবস্থায় নাশকতা বা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিদ্যুৎ অফিস ও উপকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারের জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় প্রশাসনের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

মাদারগঞ্জ জোনাল অফিস ও কয়ড়া সাব-জোনাল অফিসের আওতায় উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় প্রায় এক লাখ গ্রাহক রয়েছেন।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, দিনে গড়ে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে দৈনন্দিন কাজকর্ম, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, চিকিৎসাসেবা ও অফিস কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

সিধুলী ইউনিয়নের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, “বিদ্যুতের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। শিশু ও বৃদ্ধরা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।”

পৌর এলাকার চাঁদপুরের আবুল হাসান বলেন, “দিনে চার-পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে। প্রচণ্ড গরমে জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।”

এদিকে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানা গেছে।

মাদারগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, “মাদারগঞ্জে বিদ্যুতের চাহিদা ২১ মেগাওয়াট, কিন্তু আমরা মাত্র ৭ মেগাওয়াট সরবরাহ পাচ্ছি। ফলে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।”

তিনি আরও বলেন, “অফিস এবং উপজেলার উপকেন্দ্রসহ সব বিদ্যুৎ স্থাপনায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। একই চিঠির অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছেও পাঠানো হয়েছে।”




ইয়াবাসহ শিক্ষক আটক

ডেস্ক নিউজ : জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আব্দুর রহিম নামে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকালে উপজেলার কাচারী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

আটক আব্দুর রহিম ক্ষেতলাল সরকারি পাইলট মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকালে ক্ষেতলাল থানা পুলিশের একটি দল কাচারী বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় আব্দুর রহিমের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাকে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে তিন পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

আরও জানা গেছে, সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি পূর্বে চিকিৎসা সনদ নিয়ে তিনি একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি ছিলেন বলেও জানা গেছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক আব্দুর রহিমের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ক্ষেতলাল থানার ওসি মুক্তারুল আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিন পিস ইয়াবাসহ আব্দুর রহিমকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জেসের আলী জানান, কোনো শিক্ষক মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা বা আটক হওয়ার বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রতিবেদন আকারে জানানো হবে। সেখান থেকে বিভাগীয় ডিপিইও নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।




নড়াইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির মতবিনিময়

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। কঠোর হাতে মাদক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন করা হবে। কোনো পুলিশ সদস্যের মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সমাজে মব সংস্কৃতি রোধ এবং চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও দস্যুতা প্রতিরোধে টহল পুলিশিং ও বিট পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হবে।

ডিআইজি জানান, চলতি বছর খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানো হবে।

নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদারের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর-ই-আলম সিদ্দিকী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান, কালিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রবিন হালদার, সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোহসিন, নড়াইল প্রেসক্লাবের সহসভাপতি সুলতান মাহমুদ, অ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এম এম মাহবুবুর রশিদ লাবলুসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।




সাভারে জেএমবির আস্তানায় অভিযান, ১১ বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) একটি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে ১১টি পাইপ বোমা, গানপাউডার, সায়ানাইডসহ বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। এ সময় সেখান থেকে আরিফ নামে সংগঠনটির সক্রিয় এক সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়েছে ।

সিটিটিসি জানিয়েছে, জেএমবির বোমা তৈরির কারিগর হিসেবে পরিচিত ‘বোমারু মামুন’ ওই আস্তানায় আসা-যাওয়া করতেন। সেখানে তিনি বোমা তৈরির কাজও তদারক করতেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় আব্দুল জলিলের মালিকানাধীন তিনতলা ভবনের নিচতলায় অভিযান চালায় সিটিটিসি ও সাভার মডেল থানার পুলিশ। অভিযান শেষে ভবনটি থেকে উদ্ধার ১১টি পাইপ বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

সিটিটিসি সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় আরিফের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগ থেকে বিশেষ কৌশলে লুকানো ছয়টি শক্তিশালী পাইপ বোমা ও বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক উদ্ধার করা হয়। পরে ওই বাসায় তল্লাশি চালিয়ে আরো ৫টি পাইপ বোমা, গানপাউডার, সায়ানাইড ও বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়।

পুলিশের তথ্য বলছে, গত ২ আগস্ট ভুয়া পরিচয় দিয়ে ওই ভবনের নিচতলার একটি রুম ভাড়া নেন আরিফ। বাড়ির মালিকের কাছে নিজেকে ড্রাইভার হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন, পরিবার নিয়ে সেখানে থাকবেন। সেইসঙ্গে পাশের একটি স্কুলে শিশুদের পড়াবেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

ভবনের মালিক আব্দুল জলিলের মেয়ে ইলমা বলেন, ‘আব্বাস আলী’ নামের একজনসহ দুজন বাসা ভাড়া নিতে এসেছিলেন। পরে ২ আগস্ট তাদের বাসা ভাড়া দেয়া হয়। তারা স্বামী-স্ত্রী থাকবেন এবং পাশের একটি স্কুলে বাচ্চাদের পড়াবেন বলে জানিয়েছিলেন। তিনি আরো বলেন, তারা বলছিলেন লোকটা গাড়ি চালায়, ড্রাইভার। পরিবার নিয়ে থাকবে মনে করেই বাসা ভাড়া দিয়েছি। ভেতরে এত কিছু লুকিয়ে রাখছে, তা আমরা জানতাম না।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, পুরো এলাকা ঘিরে রেখে উদ্ধার সব বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। গ্রেফতার আরিফের কাছ থেকে জেএমবির বিপুলসংখ্যক দাওয়াতি ও সাংগঠনিক লিফলেটও উদ্ধার করা হয়েছে।

সিটিটিসি ইউনিটের যুগ্ম কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন বলেন, রাজধানীর মতিঝিল ও আশুলিয়ায় বোমা উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত করতে গিয়ে দুজনকে শনাক্ত করা হয়। তাদের একজন আরিফ এবং অপরজন বোমারু মামুন, যাকে এ ঘটনার মূলহোতা হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সাভারের শ্যামপুরে আব্দুল জলিলের মালিকানাধীন বাড়িটি ঘিরে অভিযান চালানো হয়েছে। সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক ও বিস্ফোরক উদ্ধার এবং আরিফকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বোমারু মামুনকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আজ দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলেও জানান তিনি।




বাংলাদেশিকে ফেরত দেওয়ায় দুই ভারতীয়কে ছেড়ে দিল স্থানীয়রা

ডেস্ক নিউজ : মেহেরপুর সদর উপজেলার ইছাখালী সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক এক বাংলাদেশি কৃষককে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। একই ঘটনায় স্থানীয়দের হাতে আটক দুই ভারতীয় নাগরিককেও পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা ৩টার দিকে ইছাখালী সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের ক্যাম্প কমান্ডার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মেহেরপুর সদর উপজেলার ইছাখালী সীমান্তের সীমান্ত পিলার ১২৪/৩-এস সংলগ্ন এলাকায় কৃষিকাজ করতে যান ইছাখালী গ্রামের আব্দুল মান্নান (৬৫)। এ সময় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার অধীন ৫৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের নবচন্দ্রপুর ক্যাম্পের একটি টহলদল তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

আব্দুল মান্নানকে বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তার স্বজনরা সীমান্তবর্তী এলাকায় কৃষিকাজ করতে থাকা দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করে ইছাখালী বিজিবি ক্যাম্পে নিয়ে আসেন।

আটক দুই ভারতীয় নাগরিক হলেন- ভারতের নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার লালবাজার গ্রামের মনমোহন দাসের ছেলে শচীন দাস (৬০) এবং একই গ্রামের কুঞ্জু বিশ্বাসের ছেলে নরতন বিশ্বাস (৩৫)।

পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বৈঠকে বাংলাদেশি কৃষক আব্দুল মান্নানকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে বিএসএফ। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আটক দুই ভারতীয় নাগরিককে বিএসএফের কাছে ফেরত দেওয়া হয়।

পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ইছাখালী বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার আবু হানিফ। ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন নবচন্দ্রপুর ক্যাম্প কমান্ডার ইন্সপেক্টর রাজীব কুমার।

চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত আনা হয়েছে এবং বাংলাদেশে আটক দুই ভারতীয় নাগরিককে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি সীমান্তবর্তী কৃষক ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনোভাবেই যেন তারা আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ না করেন।

স্থানীয়রা জানান, আব্দুল মান্নান দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় প্রায় দেড় বিঘা জমিতে কাঁচা মরিচসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করে আসছেন। মঙ্গলবার সকালে নিজের মরিচখেতে কীটনাশক স্প্রে করতে গেলে বিএসএফ সদস্যরা তাকে আটক করে নিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।




চাঁদপুরে বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষ, নিহত ৩

চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের বানিয়াচোঁ এলাকায় যাত্রীবাহী আল-আরাফাহ পরিবহন ও বালুবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আজ সকালে বানিয়াচোঁ এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে বাস ও ট্রাকের একপাশে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

চাঁদপুর জেলা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে নিহত ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ এবং হতাহতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উদ্ধারের পর জানা যাবে।