রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা: তিনবারের দরপত্রেও কাজ হয়নি ৯ ট্রাফিক সিগন্যালে

রাজধানীর হাইকোর্ট মোড় থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত ২২টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও এর ৯টির কাজ আটকে আছে ঠিকাদারের জটিলতায়। সরকারি ক্রয়বিধি (পিপিআর) অনুযায়ী চাওয়া অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ করতে না পারায় তিন দফা দরপত্র আহ্বান করেও ঠিকাদার চূড়ান্ত করা যায়নি। এ কারণে নিয়মতান্ত্রিকভাবে যানবাহন চলাচলে সব মোড়ে সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। কাজ না হওয়া সব কটি মোড়ই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মধ্যে।

 

এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাজধানীর আরও ৫০টি মোড়ে নতুন প্রজন্মের আইটিএসভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

কাজ না হওয়ার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাকি থাকা ৯টি মোড়ে ঠিকাদার নিয়োগের জন্য তিন দফায় দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। প্রথম দফায় গত ডিসেম্বরে, দ্বিতীয় দফায় এপ্রিলে এবং সর্বশেষ জুনে দরপত্র আহ্বান করা হয়। কিন্তু দরপত্রে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো পিপিআর অনুযায়ী চাওয়া অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ করতে পারেনি। সে কারণে কিছু শর্ত শিথিল করে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। অর্থসংকটও কাজ দেরি হওয়ার একটি কারণ ছিল।




কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের আগমনকে ঘিরে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব কক্সবাজার জেলা কমিটির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

নুরুল হোসাইন, কক্সবাজার প্রতিনিধি: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কক্সবাজার আগমন এবং জেলা কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান সফল, সুশৃঙ্খল ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব, কক্সবাজার জেলা কমিটির উদ্যোগে এক জরুরি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব, কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সেলিম। সভা পরিচালনা করেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসাইন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে নুরুল ইসলাম সেলিম বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের আগমন কক্সবাজার জেলা কমিটির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবের বিষয়। এই সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে সকল সদস্যকে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, শৃঙ্খলা, আন্তরিকতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি সফল ও মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজনই আমাদের মূল লক্ষ্য।

সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম খোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল আলম রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক নাছিমা আক্তার, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. জাফর আলম, সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক সুলতান আহমদ, ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক এস. কে. জাফর আলম এবং নির্বাহী সদস্য কামরুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত উন্নয়নে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের আগমনকে ঘিরে অতিথি অভ্যর্থনা, অনুষ্ঠানস্থলের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, প্রচার-প্রচারণা, নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং দায়িত্ব বণ্টনসহ প্রতিটি বিষয় সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসাইন বলেন, আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান সেলিম রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি সেহলী পারভীন, সাধারণ সম্পাদক মাহিদুল হাসান সরকারসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ কক্সবাজার সফর করবেন। তাঁদের উপস্থিতিতে কক্সবাজার জেলা কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ইতোমধ্যে বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন, দায়িত্ব বণ্টন এবং সার্বিক প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দিকনির্দেশনায় কক্সবাজার জেলা কমিটি সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, সাংগঠনিক ঐক্য সুদৃঢ়করণ এবং গণমাধ্যমের মর্যাদা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। এছাড়া কক্সবাজার জেলার ১০টি উপজেলার জন্য যোগ্য, সৎ ও কর্মঠ সাংবাদিকদের যাচাই-বাছাই করে পর্যায়ক্রমে উপজেলা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সর্বসম্মতিক্রমে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সফর ও অভিষেক অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করে তুলতে সকল সদস্যকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং অনুষ্ঠান সফল করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।




টাঙ্গুয়ার হাওরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ডেস্ক নিউজ : টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য, প্রতিবেশগত ভারসাম্য ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন। হাওরের পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) সীমানার অভ্যন্তরে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব প্রকার হাউসবোট ও পর্যটকবাহী নৌযান প্রবেশ ও চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে হাওরে চলাচলকারী সকল নৌযানের মালিক ও পরিচালনাকারীদের আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনার কথা জানানো হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর সুরক্ষা আদেশ, ২০২৫’ -এর আলোকে পরিবেশ রক্ষা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ১৩ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এসব নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধান নির্দেশনাসমূহ- পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত টাঙ্গুয়ার হাওরের ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া ঘোষিত সীমানায় সকল প্রকার হাউসবোট ও পর্যটকবাহী নৌযানের প্রবেশ ও চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

আগামী ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্ধারিত ফরমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হাউসবোটের নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে বা অনুমতি না থাকলে কোনো নৌযান পরিচালনা করা যাবে না। আবেদন সংক্রান্ত বিষয়ে নেজারত ডিপুটি কালেক্টর (এনডিসি) সুনামগঞ্জ (মোবাইল ০১৭৩০-৩৩১১০৬) এর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।

হাউসবোটে উচ্চস্বরে গান-বাজনা, মাইক বাজানো বা পার্টির আয়োজন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নৌযানে পানি বিশুদ্ধকারী ফিল্টার রাখতে হবে। এছাড়া হাউসবোটে বাধ্যতামূলকভাবে সেপটিক ট্যাংক ও অন্তত দুটি ডাস্টবিন স্থাপন করতে হবে; হাওর বা জলাশয়ে কোনো ধরনের বর্জ্য ফেলা যাবে না। হাউসবোটের দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ১০০ ফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট, লাইফবয় রিং, অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্র রাখা এবং গ্যাস সিলিন্ডারের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। পর্যটকদের জন্য আচরণবিধি দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে এবং ট্যুর শুরুর আগেই তা পর্যটকদের অবহিত করতে হবে।




সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি, বিচারপতি মীর হাসমত আলীর হাত থেকে সম্মাননা পেলেন সুমন খান

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও গবেষণায় অনন্য অবদানের জন্য স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র জীবন, কর্ম ও আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে এক আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৩টায় শাহবাগে অবস্থিত বাংলা একাডেমির ড. মো. এনামুল হক ভবনের (আল মাহমুদ লেখক কর্নার) মিলনায়তনে জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ গবেষণা পরিষদের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি মীর হাসমত আলী। অনুষ্ঠানে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় দৈনিক সংবাদ দিগন্ত পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সুমন খান-এর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন প্রধান অতিথি। এ সময় তিনি দায়িত্বশীল, সত্যনিষ্ঠ ও জনস্বার্থভিত্তিক সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সমাজে ন্যায়, জবাবদিহি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন আহমেদ রনি জনাব সাব্বির‍্য্যান, বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ। প্রধান আলোচক ছিলেন রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল; মো. শাকাওয়াত হোসাইন শুভ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ম্যারেজ সলিউশন বিডি; এস. এম. মোর্তুজা আলম (বুলবুল), ম্যানেজিং পার্টনার ও সিইও, স্মার্ট লিভিং প্রপার্টিজ; অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট; মো. জামাল চৌধুরী, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ ফিমেল একাডেমি (বিএফএ); এবং শিক্ষক, কবি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অবিনাশ চন্দ্র মণ্ডল।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ও জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ গবেষণা পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. হামিদা খানম। সার্বিক সমন্বয় ও পরিচালনায় ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মামুন।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ শুধু একজন ভাষাবিজ্ঞানী নন, তিনি ছিলেন বাঙালির জ্ঞানচর্চা, মানবিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অন্যতম পথিকৃৎ। তাঁর আদর্শ ও গবেষণাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, গবেষক, শিক্ষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দৈনিক সকালের সময় ও গ্রিন টিভি-এর ক্রাইম রিপোর্টার খাইরুল ইসলাম আলম।আয়োজকদের মতে, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র আদর্শভিত্তিক গবেষণা, মুক্তচিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধ সমাজে প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং জ্ঞানচর্চাকে উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।




সোনারগাঁয়ে দুই হাসপাতালকে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে দুটি বেসরকারি হাসপাতালকে মোট ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে গুরুতর ত্রুটির কারণে একটি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার (ওটি) সিলগালা করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাঁচপুর সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম।

ভ্রাম্যমাণ আদালত জানায়, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে রয়েল স্পেশালিস্ট হাসপাতাল এবং মেডি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনে দেখা যায়, উভয় প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলেও তা নবায়ন করা হয়নি। এছাড়া মেডিকেল বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ না করে অপরিকল্পিতভাবে ফেলা হচ্ছিল। প্যাথলজি ল্যাবেও প্রয়োজনীয় মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়নি, যা রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এসব অনিয়মের দায়ে রয়েল স্পেশালিস্ট হাসপাতালকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেডি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের সময়ই জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। এছাড়া মেডি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে গুরুতর অনিয়ম শনাক্ত হওয়ায় সেটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম বলেন, জনগণের নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা নিয়মিতভাবে চলবে। অভিযানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোস্তাফিজুর রহমান দিগন্ত এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।




কক্সবাজার সৈকতে প্যারাসেলিং থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল পর্যটকের

ডেস্ক নিউজঃ কক্সবাজারের দরিয়ানগর এলাকায় প্যারাসেইলিং করতে গিয়ে সমুদ্রে পড়ে অক্ষর শৌভিক রায় (৩১) নামে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি খুলনা সদরের বানিয়াখামার এলাকার শেখর রায়ের ছেলে।

শনিবার (১ আগস্ট) বেলা ১টার দিকে কলাতলীর দরিয়ানগর এলাকায় ‘ফরিদের প্যারাসাইলিংয়ে’ এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শৌভিক রায় খুলনা জেলার বাসিন্দা। তিনি ৯ সদস্যের একটি পর্যটক দলের সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, প্যারাসেইলিং চলাকালে হঠাৎ নিরাপত্তা হারনেস থেকে শৌভিক ছিটকে সমুদ্রে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে ‘সি-স্পোর্টস’ প্যারাসাইলিং কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর নিহতের স্বজন ও সফরসঙ্গীদের আহাজারিতে হাসপাতাল এলাকা ভারী হয়ে ওঠে।

জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, দরিয়ানগর এলাকায় প্যারাসেইলিং করার সময় সমুদ্রে পড়ে ওই পর্যটক গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুবক্তগীন মোহাম্মদ সহেল বলেন, দুপুর ২টা ১০ মিনিটে শৌভিককে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং পরিচালিত হলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কার্যকর কোনো নজরদারি নেই। একের পর এক দুর্ঘটনার পরও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থাও নেওয়া হয়নি। এর আগে আরও কয়েকটি দুর্ঘটনার পর প্রশাসন প্যারাসেলিং বন্ধে নোটিশ দিলেও পক্ষকাল না যেতেই রহস্যজনকভাবে ফের চালু হয় অনিরাপদ এ পর্যটন বিনোদন।




চলন্ত বাসে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, মাঝপথে বাস থামিয়ে পুলিশের তাৎক্ষণিক অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

ডেস্ক নিউজ : ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সাভার পরিবহনের বাসচালক, তার সহকারী ও চালকের এক পরিচিত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন বাসচালক মো. ইমরান (৩৫), তার সহকারী মো. মুসফেকুর রহমান জনি (২০) এবং মো. সুমন প্রামাণিক (৩০)।

পুলিশ জানায়, শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে নবীনগর যাওয়ার উদ্দেশ্যে সাভার পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন ওই নারী। নবীনগরের কাছাকাছি পৌঁছালে চালক ইমরান বাস চালানোর দায়িত্ব সহকারী জনির কাছে দিয়ে দেন। এরপর তিনি ওই নারীর সঙ্গে থাকা রুবেল নামে এক ব্যক্তিকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়ে শ্রীপুর এলাকায় বাস থেকে নামিয়ে দেন। কিছুক্ষণ পর চালকও বাস থেকে নেমে যান। তখন বাসে সহকারী জনি ও সুমন প্রামাণিক অবস্থান করছিলেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, এরপর সুমনের সহায়তায় সহকারী জনি চলন্ত বাসে ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া রুবেল জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানান।

খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশের একাধিক দল রাড়ইপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আরেকটি বাস দিয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে অভিযুক্ত বাসটি থামায়। পরে পুলিশ বাস থেকে ভুক্তভোগী নারীকে নিরাপদে উদ্ধার করে এবং জনি ও সুমনকে আটক করে। এ সময় বাসটিও জব্দ করা হয়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাসচালক ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ এ কল পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে নারীকে উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়। পরে পৃথক অভিযানে বাসচালককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।




কেরানীগঞ্জে নারীর মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ : রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জের খোলামোড়া এলাকায় বাসার পাশের একটি খোলা জায়গা থেকে মমতাজ (৩০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার খোলামোড়া টাইলস মসজিদসংলগ্ন গলিতে জালাল মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন মমতাজ। রোববার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের একটি খোলা জায়গায় চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, মরদেহের হাতে কামড়ের দাগ রয়েছে। ঘটনাস্থলের পাশে জুতা ও ধস্তাধস্তির আলামত পাওয়া গেছে। এসব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

একই বাড়ির ভাড়াটিয়া ইমরান জানান, মমতাজ আগে স্বামীর সঙ্গে খোলামোড়া মডেল টাউন এলাকায় থাকতেন। সম্প্রতি স্বামী তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তিনি বড় বোন খুশি ও ভগ্নিপতি ইউনুস মিয়ার সঙ্গে একই এলাকায় বসবাস শুরু করেন। শনিবার দুপুরে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেননি। পরদিন সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের সৎমা সাহিদা খাতুন বলেন, ঘটনার সময় মমতাজের বড় বোন ও ভগ্নিপতি গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। তাই তিনি বাসায় একাই ছিলেন। পরিবারের অমতে নিজের চেয়ে কম বয়সী এক যুবককে বিয়ে করায় পরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো ছিল না। ওই স্বামীও চার মাস আগে তাকে ছেড়ে চলে যান।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল কুদ্দুস বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।




বাগেরহাটে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে আইনজীবী নিহত

ডেস্ক নিউজ : বাগেরহাট শহরের হাড়িখালীর তেঁতুলতলা এলাকায় নিজাম উদ্দিন শান্ত (৪২) নামে এক অ্যাডভোকেট দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত ১টার দিকে বাগেরহাট শহরের হাড়িখালী তেঁতুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই রাতে তিনি শহর থেকে নিজ এলাকা গোটা পাড়ায় ফিরছিলেন।

নিহত নিজাম উদ্দিন শান্ত বাগেরহাট সদর উপজেলার পশ্চিমভাগ গ্রামের তোরাব আলীর ছেলে এবং বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির একজন নিয়মিত সদস্য ছিলেন।

বাগেরহাট সদর মডেল থানার ওসি শামসুল আরেফিন বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে নিজাম উদ্দীন শান্ত নামে এই আইনজীবী শহরের চেম্বার শেষ করে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। বাগেরহাট শহরের হাড়িখালী তেঁতুলতলা এলাকায় পৌঁছলে একদল দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। তার পিঠে ও পাজড়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। 
তিনি আরও জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা কি কারনে এই আইনজীবীকে হত্যা করল তা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। হত্যার কারন অনুসন্ধান করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।



গাইবান্ধায় ৪৫ পয়েন্টে ভাঙনে বিপাকে ৭ শতাধিক পরিবার

ডেস্ক নিউজ : গাইবান্ধায় করতোয়া ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও কমেছে ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদের পানি। জেলার নদ-নদীগুলোর পানি কখনো বাড়ছে, আবার কখনো কমছে। এতে নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে বন্যা ও নদীভাঙনের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার চার উপজেলার ৪৫টি পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭ শতাধিক পরিবার।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং ঘাঘট নদের পানি ২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে করতোয়া নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং তিস্তা নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাউবো জানায়, চলমান বর্ষা মৌসুমে এখন পর্যন্ত জেলার কোনো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

তবে বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকেই ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, ঘাঘট, তিস্তা ও করতোয়া নদীতে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী ৪৫টি পয়েন্টে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, ফসলি জমি, সড়কসহ বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় নদীভাঙনে ৭ শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে ফুলছড়ি উপজেলার দক্ষিণ রসুলপুর, চৌমহন চর, খাটিয়ামারি, দক্ষিণ খাটিয়ামারি, কাউয়াবাদা ও রতনপুর; সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কেরানীর চর, কালির খামার ও চর চরিতাবাড়ী; গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পূর্বপাড়া এবং সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়ন ও সাঘাটা উপজেলার কয়েকটি এলাকা।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ভাঙনকবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রস্তুত রয়েছে।’