গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামে আশার বাতিঘর আব্দুল আজিজ


জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাট-০৩ সদর আসনে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে শেষ দিনের প্রচারণায় পৃথকভাবে শক্তি প্রদর্শন করেছে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
সোমবার (৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শেষ হওয়ার আগে শেষ মুহূর্তে নিজেদের সাংগঠনিক অবস্থান জানান দিতে দুই দলই শোডাউন কর্মসূচি পালন করে।
সকালে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আসাদুল হাবিব দুলুর সমর্থনে রেলওয়ে এম টি হোসেন ইনস্টিটিউট মাঠ থেকে ধানের শীষ প্রতীকের বিশাল নির্বাচনী মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে জেলা কালেক্টরেট মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
এতে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন, বিভিন্ন ক্লাব এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে মিছিলটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবু তাহেরের সমর্থনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী মিছিল নয়ারহাট এলাকা থেকে বের হয়।
মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে মিশন মোড় গোলচত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট আবু তাহেরসহ জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে মিশন মোড় এলাকার মুনস্টার চাইনিজ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন অ্যাডভোকেট আবু তাহের।
মোঃ শফিকুল ইসলামঃ ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যাডেট কলেজ, মেডিকেল কলেজ, বিমানবন্দর ও আইটি হাব করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব প্রতিশ্রুতি দেন।
বিশেষ প্রতিবেদকঃ স্বাধীনতার পর থেকে আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হবিগঞ্জ-০৪ আসন (চুনারুঘাট–মাধবপুর) এবার একেবারেই ভিন্ন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে। নৌকা প্রতীক না থাকায় ভোটারদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা, কৌতূহল আর চাপা উত্তেজনা। প্রায় ৫ লাখ ১০ হাজার ভোটারের এই আসনে দীর্ঘদিন ধরে নৌকার পক্ষে থাকা একটি বড় অংশ এবার কোন দিকে যাবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
এই আসনের রাজনীতিতে এবার মুখোমুখি অবস্থানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শিল্পপতি ও রাজনীতিবিদ এস এম ফয়সল এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ইসলামি বক্তা মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরি। দুজনের প্রচার, বক্তব্য ও সমর্থন ঘিরে শুরু থেকেই চলছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এস এম ফয়সলের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৮ কোটি টাকা হলেও তার বিরুদ্ধে প্রায় ২০০০ কোটি টাকার ঋণের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের ওপর পেশিশক্তি প্রয়োগ, ভয়ভীতি দেখানো এবং নির্বাচনী মাঠে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে। এছাড়া তার পরিবারের একাধিক সদস্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতৃত্বে থাকায় বিষয়টি নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে এস এম ফয়সলের ভাই এস এম কায়সার যুদ্ধাপরাধের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন—এই ইতিহাস নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যদিও আদালতের রায় কার্যকরের আগেই তিনি কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন।
এদিকে এস এম ফয়সলের ভাতিজা সৈয়দ তানভীর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতা হওয়ায় এলাকাজুড়ে আরও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগপন্থী অনেক নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, গ্রেপ্তার আতঙ্ক এবং তথাকথিত মামলা-বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে, যেখানে এস এম ফয়সলের অনুসারীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর মাধবপুর বাজারের স্বর্ণপট্টি এলাকায় এক রাতেই প্রায় ৮০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় জড়িত বিতর্কিত কিছু নেতাকে নির্বাচনী কার্যক্রমে সক্রিয় দেখা গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের মধ্যেও বিভাজন তৈরি, মতের অমিল থাকা সাংবাদিকদের চাপের মুখে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার কথাও শোনা যাচ্ছে।
অন্যদিকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের প্রার্থী মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরি নিজেকে একজন ঋণমুক্ত প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরছেন। তিনি ইসলামি মূল্যবোধ, সংযত ভাষা ও ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তার পক্ষে পীর-মাশায়েখদের সমর্থন এবং সাবেক স্বতন্ত্র এমপি ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমনের সমর্থনের কথাও আলোচনায় রয়েছে।
যদিও মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরির স্থায়ী ঠিকানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়, তবুও তিনি হবিগঞ্জ-০৪ আসনে উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন পাচ্ছেন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা চলছে। অনেকের মতে, বহিরাগত হয়েও তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।
ইটাখোলা দাখিল মাদ্রাসার এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এস এম ফয়সলের পরিবারের বিরুদ্ধে অতীতে নিজ দলের লোকজনের ওপরও হামলা, মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। তার মতে, নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারে এসব নতুন কিছু নয়। তিনি আরও বলেন, মুফতী তাহেরির কর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকির ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতার অংশ বলে অনেকেই মনে করছেন।
মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরি নিজেও অভিযোগ করেছেন যে, তাকে গাড়ি আটকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং মত প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। তবে এসব ঘটনায় তিনি বিচলিত নন বলে জানান। তার ভাষায়, “আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করে এগোচ্ছি। জনগণ ব্যালটেই জবাব দেবে।”
এই আসনে প্রায় ২২টি চা বাগানের প্রায় ৭০ হাজার চা শ্রমিক ভোটার দীর্ঘদিন ধরে নৌকার প্রতি অনুগত বলে পরিচিত। নৌকা না থাকায় তাদের ভোট কোন দিকে যাবে, সেটিই এখন নির্বাচনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। অনেকের ধারণা, প্রকাশ্যে মিছিল-মিটিংয়ের চিত্র একরকম হলেও গোপন ব্যালটে ভিন্ন ফল দেখা যেতে পারে।
সব মিলিয়ে হবিগঞ্জ-০৪ আসনের নির্বাচন এবার শুধু ভোটের লড়াই নয়, বরং অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ, ইতিহাস আর নতুন সমীকরণের এক জটিল চিত্র হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ব্যালট বাক্সই ঠিক করবে—এই উত্তাল মাঠে কে হাসবে শেষ হাসি।
জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত সরকার গঠন করলে সব ধরনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
একই সঙ্গে তিস্তাকে জীবন্ত নদীতে রূপ দিয়ে উত্তরবঙ্গকে কৃষি ও শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

বুধবার লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারাজ এলাকার হেলিপ্যাড মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত এই জনসভায় তিনি বলেন, তিস্তা উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য আশীর্বাদ হওয়ার কথা থাকলেও ভুল পরিকল্পনা ও অবহেলার কারণে এটি আজ এই অঞ্চলের মানুষের জন্য অভিশাপে পরিণত হয়েছে।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ডাঃ শফিকুর রহমান বলেন, আগামী নির্বাচন হবে মতলববাজ রাজনীতির কবর রচনার নির্বাচন। মানুষ এখন পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তনের মাধ্যম হতে পারে ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতি।
জনসভায় তিনি লালমনিরহাট ও নীলফামারীর সাতটি আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং আসন্ন নির্বাচনে এ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

জনসভা শুরুর আগেই তিস্তা ব্যারাজ এলাকার হেলিপ্যাড মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দুপুর একটার দিকে জামায়াত আমির মঞ্চে ওঠেন।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাট জেলা জামায়াতের আমির ও লালমনিরহাট-০৩ আসনের প্রার্থী মোঃ আবু তাহের।
সমাবেশ সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফিরোজ হায়দার লাভলু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন লালমনিরহাট-০১ আসনের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু, নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমীর ও নীলফামারী-০১ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-০২ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল-ফারুক আব্দুল লতীফ, নীলফামারী-০৩ আসনের প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ সালাফী এবং নীলফামারী-০৪ আসনের প্রার্থী আব্দুল মুনতাকিম।
টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধ: টাঙ্গাইল পৌরকৃষক দলের উদ্যোগে আলহাজ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ভাইয়ের ধানের শীষের নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি জেলা কৃষকদলের আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব দিপু হায়দার খান। আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব জনাব শামীমুর রহমান খান ভিপি শামীম।

এতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ভাইয়ের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন তার সহধর্মিনী জনাব ছিম্মি ভাবী। আরো উপস্থিত ছিলেন পৌর কৃষকদের আহবায়ক জনাব সাইফুল ইসলাম লিটন ভাই।
সকল বক্তারা উন্নয়নের স্বার্থে আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানের দেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বিশেষ প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণ বাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গুনিয়াউক দরবার শরীফের বার্ষিক ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩১ জানুয়ারি বাদ জোহর চার তরিকার অনুসারী পীরে তরিকত রাহনুমায়ে শরীয়ত হয়রত মাওলানা সৈয়দ আব্দুস সামাদ (র:) এর ছোট সাহেব জাদা সৈয়দ আব্দুল আওয়াল বুলবুল চিশতী (র:) ও উনার ছেলে সৈয়দ গোলাম হোসাইন আলিফ চিশতীর ওরশ মোবারক হাজার হাজার আশেকান মুরিদান ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে সারারাত ব্যাপী জিকির আসকারের সমন্বয়ে সারা জাহানের মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করা হয়।
শুরুতে ওরসেকুল ফাতেহা শরীফ পাঠ,মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তাবারক বিতরন, হামদ ও নাত পাঠের ফাকে ফাকে জিকির আজকার করা হয়৷
দেশের বিভিন্ন স্হান থেকে আগত ওলামায়ে কেরামগন রাত ব্যাপী ওয়াজ নসিহত করে বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে ওরশ মোবারকের সমাপ্তি ঘোষণা করেন সৈয়দ আব্দুল আওয়াল বুলবুল চিশতী সাহেব।
এক প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আব্দুল আওয়াল বুলবুল চিশতী বলেন, মানবজাতির কল্যাণে যুগেযুগে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন নবী রাসুল প্রেরণ করেছেন৷ উনাদের সিলসিলা অনুসরণ করেই মুলত ইসালে সওয়াব, নসিহতের উদ্দ্যেশ্য এবং আমার বাপ দাদার ও পীর মাশায়েখের রুহানী তাওয়াজ্জুহ কামনা, আশেকান মুরিদানদের জন্য দোয়া করাই ওরশ মোবারকের মুল উদ্দেশ্য।
রাত বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা আগামী সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দোয়া নিতে হাজির হন৷ বিশেষ করে হবিগঞ্জ ০৪ আসনের আলোচিত প্রার্থী মুফতি গিয়াস উদ্দিন আততাহেরীর উপস্থিতি ওরশ মোবারকে এক অনন্য নজির স্হাপন করে।
এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শুধু মুসলিম ই নয় নওমুসলিম পুরুষ মহিলারা ও দল বেধে ওরশ মোবারকে অংশগ্রহণ করেন। যা ভ্রাতৃত্বের অপরুপ নিদর্শন বটে।

মোহাম্মদ লোকমান হোসেনঃ পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল যৌথ অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। সোমবার গভীর রাতে ভাণ্ডারিয়া পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষিপুরা মহল্লায় ইকবাল মল্লিকের বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নিহত রাইয়ান (০৫) ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের আতরখালী গ্রামের প্রবাসি রাসেল মল্লিক এর ছেলে। শিশুটি স্থানীয় পশারিবুনীয়া আফছারিয়া নূরানী কিণ্ডার গার্টেন এ শিশু শ্রেণিতে পড়ালেখা করতো। পরিবারের অভিযোগ প্রতিপক্ষ চাচা আব্দুল কাদের মল্লিক শিশুটিকে হত্যার পর লাশ খড়ের গাদায় লুকিয়ে রেখেছে।
