গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামে আশার বাতিঘর আব্দুল আজিজ

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ ​নাটোর-৪ আসনের রাজনৈতিক দিগন্তে বর্তমানে আশার বাতিঘর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন জননন্দিত নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আজিজ। গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রামের মাটি ও মানুষের সাথে তাঁর যে আত্মার সম্পর্ক, তা আজ এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বললে একবাক্যে সবার মুখে শোনা যায় ওনার সততা ও নিঃস্বার্থ জনসেবার কথা। এলাকার সাধারণ মানুষের বক্তব্য হলো, “আমরা এমন একজনকে নেতৃত্বে চাই যাকে বিপদে-আপদে কাছে পাওয়া যায়, আর আব্দুল আজিজ ভাই সবসময় আমাদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন।” তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করেন, তিনি কেবল একজন নেতা নন, বরং এই অঞ্চলের প্রতিটি বঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর।

 

​তরুণ প্রজন্মের কাছে মো. আব্দুল আজিজ এক আধুনিক ও প্রগতিশীল নেতৃত্বের নাম। এলাকার তরুণ সমাজ আজ ওনার মাঝে এমন এক ব্যক্তিত্বকে খুঁজে পেয়েছে, যিনি তাদের কর্মসংস্থান ও ক্রীড়া-সংস্কৃতির উন্নয়নে আন্তরিক। তরুণদের মতে, “আব্দুল আজিজ ভাই ক্ষমতায় আসা মানেই গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামে পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগা, তিনি আমাদের স্বপ্নগুলো বোঝেন।” অন্যদিকে, ছাত্রদের বক্তব্যে উঠে এসেছে এক শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ জনপদ গড়ার প্রত্যাশা। সাধারণ ছাত্ররা মনে করে, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং মেধাবীদের মূল্যায়ন করার জন্য ওনার মতো একজন দূরদর্শী নেতার বিকল্প নেই।
​প্রতিকূল সময়েও দমে না গিয়ে তিনি যেভাবে তৃণমূলের মানুষকে আগলে রেখেছেন, তা তাঁকে এক অনন্য অভিভাবকের আসনে বসিয়েছে। আব্দুল আজিজ মানেই এখন অবহেলিত জনপদের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি এবং সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিফলন। বর্তমান সময়ে যখন মানুষ একজন যোগ্য ও সাহসী নেতৃত্বের সন্ধানে উন্মুখ, ঠিক তখনই আব্দুল আজিজ তাঁর পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি নিয়ে সবার সামনে দাঁড়িয়েছেন। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন থেকে শুরু করে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা—সবক্ষেত্রেই তাঁর স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি এলাকাবাসীকে এক নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখাচ্ছে। আসন্ন ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রামের আনাচে-কানাচে যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, তার মূল কারণ হলো ওনাকে ঘিরে মানুষের অগাধ প্রত্যাশা। সাধারণ ভোটারদের বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ নির্বাচিত হলে অবহেলিত এই জনপদ একটি মডেল এলাকায় পরিণত হবে। এই ভালোবাসা আর জনসমর্থনই প্রমাণ করে যে, নাটোর-৪ আসনের ভাগ্য পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে আব্দুল আজিজ আজ এক অপ্রতিরোধ্য নাম, যাঁর হাত ধরেই আসবে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন।



লালমনিরহাট-০৩ আসনে প্রচারণার শেষ লগ্নে দুই দলের শোডাউন

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাট-০৩ সদর আসনে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে শেষ দিনের প্রচারণায় পৃথকভাবে শক্তি প্রদর্শন করেছে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শেষ হওয়ার আগে শেষ মুহূর্তে নিজেদের সাংগঠনিক অবস্থান জানান দিতে দুই দলই শোডাউন কর্মসূচি পালন করে।

সকালে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আসাদুল হাবিব দুলুর সমর্থনে রেলওয়ে এম টি হোসেন ইনস্টিটিউট মাঠ থেকে ধানের শীষ প্রতীকের বিশাল নির্বাচনী মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে জেলা কালেক্টরেট মাঠে গিয়ে শেষ হয়।

এতে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন, বিভিন্ন ক্লাব এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে মিছিলটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবু তাহেরের সমর্থনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী মিছিল নয়ারহাট এলাকা থেকে বের হয়।

মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে মিশন মোড় গোলচত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট আবু তাহেরসহ জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে মিশন মোড় এলাকার মুনস্টার চাইনিজ  রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন অ্যাডভোকেট আবু তাহের।




আমরা জনগণের সমর্থন দিয়ে সরকার গঠন করতে চাই: ঠাকুরগাঁওয়ে তারেক রহমান

মোঃ শফিকুল ইসলামঃ ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যাডেট কলেজ, মেডিকেল কলেজ, বিমানবন্দর ও আইটি হাব করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি বলেন, আমরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই। এজন্য ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়কে শিল্পে রূপান্তর করতে চাই। আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।
তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে মানুষের যে অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল সেটা ভোটের মাধ্যমে ফিরিয়ে দেবে। বিগত ১৬ বছর স্বৈরাচার শুধু নিজের স্বার্থ দেখেছে। আমরা জনগণের সমর্থন দিয়ে সরকার গঠন করতে চাই। দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে চাই।
পঞ্চগড়ে চিনিকল, চা ও রেশন শিল্প চালু করা হবে। জনগণের হারিয়ে যাওয়ার অধিকার ভোগ করার সময় এসেছে।
তারেক রহমান বলেন, এই এলাকা কৃষনির্ভর। কৃষকদের পাশে যেমন দাঁড়াবো তেমনভাবে এই এলাকায় কৃষিনির্ভর শিল্প বিকশিত করবো। যাতে কর্মসংস্থান হয়। বহু যুবক আছে যারা বেকার। যুবকদের ট্রেনং দিয়ে দক্ষ শ্রমিক করতে চাই। আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মানুষকে সাথে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগীতা লাগবে।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনী জনসভায় এক দল আরেক দলের বিপক্ষে কথা বললে জনগণের কোনও লাভ হবে না। জনগণ জানতে চায় আমরা মানুষের জন্য কি করবো। এজন্য আমরা আমাদের পরিকল্পনা তুলে ধরেছি। খালেদা জিয়া বলতেন বাংলাদেশ ছাড়া তার আর কোনও ঠিকানা নেই। বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী বিশ্বাস করে বাংলাদেশ তাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। এজন্য আমরা জনগণের সামনে দাঁড়িয়েছি। জনগণের শক্তিতে দেশ পুনর্গঠন করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, ২৪ সালে অভ্যুত্থান দিয়ে দেশকে রক্ষা করেছি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা দেখিনি কে কোন ধর্মের। ২৪ এও একই। এই দেশে হাজার বছর ধরে প্রত্যেক ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করেছে। আগামীতেও তাই হবে। ধর্ম দিয়ে কাউকে বিচার করা হবে না।



নৌকা নেই, নিশ্চিত ভোটও নেই: হবিগঞ্জ-০৪ এ অনিশ্চয়তার রাজনীতি

বিশেষ প্রতিবেদকঃ স্বাধীনতার পর থেকে আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হবিগঞ্জ-০৪ আসন (চুনারুঘাট–মাধবপুর) এবার একেবারেই ভিন্ন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে। নৌকা প্রতীক না থাকায় ভোটারদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা, কৌতূহল আর চাপা উত্তেজনা। প্রায় ৫ লাখ ১০ হাজার ভোটারের এই আসনে দীর্ঘদিন ধরে নৌকার পক্ষে থাকা একটি বড় অংশ এবার কোন দিকে যাবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

এই আসনের রাজনীতিতে এবার মুখোমুখি অবস্থানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শিল্পপতি ও রাজনীতিবিদ এস এম ফয়সল এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ইসলামি বক্তা মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরি। দুজনের প্রচার, বক্তব্য ও সমর্থন ঘিরে শুরু থেকেই চলছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এস এম ফয়সলের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৮ কোটি টাকা হলেও তার বিরুদ্ধে প্রায় ২০০০ কোটি টাকার ঋণের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের ওপর পেশিশক্তি প্রয়োগ, ভয়ভীতি দেখানো এবং নির্বাচনী মাঠে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে। এছাড়া তার পরিবারের একাধিক সদস্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতৃত্বে থাকায় বিষয়টি নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে এস এম ফয়সলের ভাই এস এম কায়সার যুদ্ধাপরাধের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন—এই ইতিহাস নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যদিও আদালতের রায় কার্যকরের আগেই তিনি কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন।

এদিকে এস এম ফয়সলের ভাতিজা সৈয়দ তানভীর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতা হওয়ায় এলাকাজুড়ে আরও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগপন্থী অনেক নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, গ্রেপ্তার আতঙ্ক এবং তথাকথিত মামলা-বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে, যেখানে এস এম ফয়সলের অনুসারীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর মাধবপুর বাজারের স্বর্ণপট্টি এলাকায় এক রাতেই প্রায় ৮০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় জড়িত বিতর্কিত কিছু নেতাকে নির্বাচনী কার্যক্রমে সক্রিয় দেখা গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের মধ্যেও বিভাজন তৈরি, মতের অমিল থাকা সাংবাদিকদের চাপের মুখে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার কথাও শোনা যাচ্ছে।

অন্যদিকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের প্রার্থী মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরি নিজেকে একজন ঋণমুক্ত প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরছেন। তিনি ইসলামি মূল্যবোধ, সংযত ভাষা ও ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তার পক্ষে পীর-মাশায়েখদের সমর্থন এবং সাবেক স্বতন্ত্র এমপি ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমনের সমর্থনের কথাও আলোচনায় রয়েছে।

যদিও মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরির স্থায়ী ঠিকানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়, তবুও তিনি হবিগঞ্জ-০৪ আসনে উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন পাচ্ছেন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা চলছে। অনেকের মতে, বহিরাগত হয়েও তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

ইটাখোলা দাখিল মাদ্রাসার এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এস এম ফয়সলের পরিবারের বিরুদ্ধে অতীতে নিজ দলের লোকজনের ওপরও হামলা, মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। তার মতে, নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারে এসব নতুন কিছু নয়। তিনি আরও বলেন, মুফতী তাহেরির কর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকির ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতার অংশ বলে অনেকেই মনে করছেন।

মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরি নিজেও অভিযোগ করেছেন যে, তাকে গাড়ি আটকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং মত প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। তবে এসব ঘটনায় তিনি বিচলিত নন বলে জানান। তার ভাষায়, “আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করে এগোচ্ছি। জনগণ ব্যালটেই জবাব দেবে।”

এই আসনে প্রায় ২২টি চা বাগানের প্রায় ৭০ হাজার চা শ্রমিক ভোটার দীর্ঘদিন ধরে নৌকার প্রতি অনুগত বলে পরিচিত। নৌকা না থাকায় তাদের ভোট কোন দিকে যাবে, সেটিই এখন নির্বাচনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। অনেকের ধারণা, প্রকাশ্যে মিছিল-মিটিংয়ের চিত্র একরকম হলেও গোপন ব্যালটে ভিন্ন ফল দেখা যেতে পারে।

সব মিলিয়ে হবিগঞ্জ-০৪ আসনের নির্বাচন এবার শুধু ভোটের লড়াই নয়, বরং অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ, ইতিহাস আর নতুন সমীকরণের এক জটিল চিত্র হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ব্যালট বাক্সই ঠিক করবে—এই উত্তাল মাঠে কে হাসবে শেষ হাসি।




আগামী নির্বাচন হবে মতলববাজ রাজনীতির কবর রচনার নির্বাচন: জামায়াত আমির

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত সরকার গঠন করলে সব ধরনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

একই সঙ্গে তিস্তাকে জীবন্ত নদীতে রূপ দিয়ে উত্তরবঙ্গকে কৃষি ও শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

বুধবার লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারাজ এলাকার হেলিপ্যাড মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত এই জনসভায় তিনি বলেন, তিস্তা উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য আশীর্বাদ হওয়ার কথা থাকলেও ভুল পরিকল্পনা ও অবহেলার কারণে এটি আজ এই অঞ্চলের মানুষের জন্য অভিশাপে পরিণত হয়েছে।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ডাঃ শফিকুর রহমান বলেন, আগামী নির্বাচন হবে মতলববাজ রাজনীতির কবর রচনার নির্বাচন। মানুষ এখন পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তনের মাধ্যম হতে পারে ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতি।

জনসভায় তিনি লালমনিরহাট ও নীলফামারীর সাতটি আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং আসন্ন নির্বাচনে এ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

জনসভা শুরুর আগেই তিস্তা ব্যারাজ এলাকার হেলিপ্যাড মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দুপুর একটার দিকে জামায়াত আমির মঞ্চে ওঠেন।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাট জেলা জামায়াতের আমির ও লালমনিরহাট-০৩ আসনের প্রার্থী মোঃ আবু তাহের।

সমাবেশ সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফিরোজ হায়দার লাভলু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন লালমনিরহাট-০১ আসনের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু, নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমীর ও নীলফামারী-০১ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-০২ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল-ফারুক আব্দুল লতীফ, নীলফামারী-০৩ আসনের প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ সালাফী এবং নীলফামারী-০৪ আসনের প্রার্থী আব্দুল মুনতাকিম।




টাঙ্গাইল পৌরকৃষক দলের উদ্যোগে আলহাজ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা সভায়

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধ: টাঙ্গাইল পৌরকৃষক দলের উদ্যোগে আলহাজ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ভাইয়ের ধানের শীষের নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি জেলা কৃষকদলের আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব দিপু হায়দার খান। আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব জনাব শামীমুর রহমান খান ভিপি শামীম।

এতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ভাইয়ের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন তার সহধর্মিনী জনাব ছিম্মি ভাবী। আরো উপস্থিত ছিলেন পৌর কৃষকদের আহবায়ক জনাব সাইফুল ইসলাম লিটন ভাই।

সকল বক্তারা উন্নয়নের স্বার্থে আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানের দেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।




গুনিয়াউক দরবার শরীফের তৃতীয় ও শেষ দিনের ওরশ সম্পন্ন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণ বাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গুনিয়াউক দরবার শরীফের বার্ষিক ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৩১ জানুয়ারি বাদ জোহর চার তরিকার অনুসারী পীরে তরিকত রাহনুমায়ে শরীয়ত হয়রত মাওলানা সৈয়দ আব্দুস সামাদ (র:) এর ছোট সাহেব জাদা সৈয়দ আব্দুল আওয়াল বুলবুল চিশতী (র:) ও উনার ছেলে সৈয়দ গোলাম হোসাইন আলিফ চিশতীর ওরশ মোবারক হাজার হাজার আশেকান মুরিদান ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে সারারাত ব্যাপী জিকির আসকারের সমন্বয়ে সারা জাহানের মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করা হয়।

শুরুতে ওরসেকুল ফাতেহা শরীফ পাঠ,মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তাবারক বিতরন, হামদ ও নাত পাঠের ফাকে ফাকে জিকির আজকার করা হয়৷

দেশের বিভিন্ন স্হান থেকে আগত ওলামায়ে কেরামগন রাত ব্যাপী ওয়াজ নসিহত করে বাদ ফজর আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে ওরশ মোবারকের সমাপ্তি ঘোষণা করেন সৈয়দ আব্দুল আওয়াল বুলবুল চিশতী সাহেব।
এক প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আব্দুল আওয়াল বুলবুল চিশতী বলেন, মানবজাতির কল্যাণে যুগেযুগে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন নবী রাসুল প্রেরণ করেছেন৷ উনাদের সিলসিলা অনুসরণ করেই মুলত ইসালে সওয়াব, নসিহতের উদ্দ্যেশ্য এবং আমার বাপ দাদার ও পীর মাশায়েখের রুহানী তাওয়াজ্জুহ কামনা, আশেকান মুরিদানদের জন্য দোয়া করাই ওরশ মোবারকের মুল উদ্দেশ্য।

রাত বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা আগামী সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দোয়া নিতে হাজির হন৷ বিশেষ করে হবিগঞ্জ ০৪ আসনের আলোচিত প্রার্থী মুফতি গিয়াস উদ্দিন আততাহেরীর উপস্থিতি ওরশ মোবারকে এক অনন্য নজির স্হাপন করে।

এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শুধু মুসলিম ই নয় নওমুসলিম পুরুষ মহিলারা ও দল বেধে ওরশ মোবারকে অংশগ্রহণ করেন। যা ভ্রাতৃত্বের অপরুপ নিদর্শন বটে।




টঙ্গীর শিল্পনগরীতে মাদকের ‘নিরাপদ ঘাঁটি’ জাভান হোটেল সন্ধ্যার পর নাচানাচি ও মাদক সেবনের অভিযোগ –পর্ব ২য়

কনা আক্তার: শিল্পনগরী টঙ্গীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত টঙ্গী জাভান হোটেলকে কেন্দ্র করে মাদক সেবন, অবৈধ মাদক বাণিজ্য ও অসামাজিক কার্যকলাপের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও একাধিক সূত্রের দাবি, সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হোটেলটিতে নিয়মিতভাবে মাদকের আসর বসে এবং বিভিন্ন স্থান থেকে আনা নারীদের দিয়ে চলে উশৃঙ্খল নাচানাচি।
অনুসন্ধানে জানা যায়, দিনের বেলায় সাধারণ আবাসিক হোটেল হিসেবে কার্যক্রম চললেও সন্ধ্যার পর হোটেলটির চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যায়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আনাগোনা বেড়ে যায় এবং প্রকাশ্যেই চলে মাদক সেবন ও কেনাবেচা এমন অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী।
যুবসমাজ ধ্বংসের আশঙ্কা।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, শিল্প এলাকায় কর্মরত তরুণ শ্রমিক ও যুবসমাজ সহজেই এই হোটেলকে মাদক সেবনের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নিচ্ছে। ফলে দিন দিন যুবসমাজ নৈতিক ও সামাজিকভাবে ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।
এতসব অভিযোগের পরও কীভাবে টঙ্গী জাভান হোটেল বৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে—তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, হোটেলটির লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন প্রক্রিয়ায় যথাযথ যাচাই হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাব প্রয়োজন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এর আগেও টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ একাধিকবার অভিযান চালিয়ে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করেছে। কোনো কোনো অভিযানে মাদকদ্রব্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও আটক করা হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব অভিযান সাময়িক হলেও হোটেলটির মূল কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।
সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে প্রশাসনের ভূমিকা গোপন সূত্রে জানা যায় যে, মালিকপক্ষ প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে প্রশাসনের একটি অংশকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তবে এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী ও সচেতন নাগরিকরা দ্রুত স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত, হোটেলের লাইসেন্স যাচাই, এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।



পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল যৌথ অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে

মোহাম্মদ লোকমান হোসেনঃ পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল যৌথ অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। সোমবার গভীর রাতে ভাণ্ডারিয়া পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষিপুরা মহল্লায় ইকবাল মল্লিকের বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভাণ্ডারিয়া সেনা ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতেই ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাড়ি থেকে দুইটি রামদা, একটি কুঠার, একটি ছেনি, একটি হাতুড়ি, একটি বাটাল, একটি ড্রিল মেশিন এবং কয়েকটি চাকুসহ বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
তবে অভিযানের সময় অভিযুক্ত ইকবাল মল্লিককে বাড়িতে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সেনা সূত্র আরও জানায়, অভিযানের নেতৃত্ব দেন ভাণ্ডারিয়া সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোস্তাক ফাহাদ জোয়ারদ্দার। উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এমন অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।



পিরোজপুরে ‎নিখোঁজের ৩ দিন পরে শিশুর বস্তাভর্তি লাশ উদ্ধার : চাচা সহ গ্রেপ্তার ৪

পিরোজপর প্রতিনিধি: ‎পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় মোঃ রাইয়ান মল্লিক নামে এক শিশুর বস্তাভর্তি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের গোয়ালঘরের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫ টায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পিরোজপরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহম্মেদ সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎নিহত রাইয়ান (০৫) ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের আতরখালী গ্রামের প্রবাসি রাসেল মল্লিক এর ছেলে। শিশুটি স্থানীয় পশারিবুনীয়া আফছারিয়া নূরানী কিণ্ডার গার্টেন এ শিশু শ্রেণিতে পড়ালেখা করতো। পরিবারের অভিযোগ প্রতিপক্ষ চাচা আব্দুল কাদের মল্লিক শিশুটিকে হত্যার পর লাশ খড়ের গাদায় লুকিয়ে রেখেছে।

‎গ্রেপ্তাররা হলেন, মো. রিয়াদ মল্লিক (১৯), মো. মিজান মল্লিক (৪২), মো. সাইদুল ইসলাম (৩৬), মোসা. পারভীন বেগম (৩৫)। গ্রেপ্তার হওয়া সবার বাড়ি ভান্ডারিয়া উপজেলার উত্তর আতরখালী গ্রামে।
‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার শিশু রাইয়ান সকলের অগোচরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। খুঁজে না পেয়ে শিশুটির মা তন্নী আক্তার ভাণ্ডারিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের একটি দল অনুসন্ধান চালিয়ে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
‎পিরোজপরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহম্মেদ সিদ্দিকী  জানান, আসামী রিয়াদ মল্লিককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে  ভিকটিম রাইয়ান মল্লিক কোথায় আছে তা জানে বলে জানান। পরবর্তিতে রিয়াদ মল্লিককে সঙ্গে নিয়ে ভান্ডারিয়া ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে রিয়াদ মল্লিক এর দেখানো মতে তাদের বসত ঘরের সামনের গোয়াল ঘরের মধ্য হতে খরকুটার ভিতর বস্তাভর্তি অবস্থায় ভিকটিমের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ সুপার জানিয়েছেন।