“ভারত-বাংলাদেশ পাইপলাইনে ৫ হাজার টন ডিজেল আমদানি”

বিশেষ প্রতিবেদকঃ ভারত থেকে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দিনাজপুর পার্বতীপুর পদ্মা অয়েল ডিপোতে আসা শুরু হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে সাড়ে ৩টায় দিনাজপুর পার্বতীপুর পদ্মা অয়েল ডিপোর সরকারি ব্যবস্থাপক মো. আহসান হাবীব চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পার্বতীপুর রেল হেড ডিপোতে এই ডিজেল আসা শুরু হয়েছে।

সূত্র জানায়, সবশেষ গত ১৪ এপ্রিল ভারতের নুমালীগড় থেকে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে এসেছে। এর আগে, গত মার্চ মাসে এসেছে ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল। সব মিলিয়ে মার্চ থেকে এপ্রিলের ১৪ তারিখ পর্যন্ত ভারতের নুমালীগড় থেকে পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে সর্বমোট ৩০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এসেছে।

ডিপো কর্তৃপক্ষ বলেছেন, ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসতে সময় লাগবে আনুমানিক ৫০ ঘণ্টা। এই তেল আসা শেষ হলে আগামী ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যে আরও ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসবে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে।

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার।

এর আগে, ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এসে পৌঁছায়। জ্বালানি তেল সরবরাহ ঠিক রাখার লক্ষ্যে আজ শুক্রবার ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রেখেছে ডিপো কর্তৃপক্ষ।

চলতি এপ্রিল মাসে পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে মোট ৫ ধাপে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে ডিপোর সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখতে এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।




“চাঁদা দাবির অভিযোগে মঈনসহ ৭ জন জেলে”

বিশেষ প্রতিবেদকঃ মানবিক চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের হাসপাতালের চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনসহ সাতজনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অপর আসামিরা হলেন এমবি স্বপন কাজী, মো. শাওন হোসেন, ফালান মিয়া, মো. রুবেল, ফারুক হোসেন সুমন ও মো. লিটন মিয়া।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন। এদিন রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হয়।

এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শেরেবাংলা নগর থানার মো. ছাব্বির আহমেদ তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন প্রার্থনা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে ১৩ এপ্রিল আসামি ফালান, রুবেল, ফারুক ও লিটনের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরদিন ১৪ এপ্রিল আসামি মঈন, স্বপন ও শাওনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

গত ১১ এপ্রিল সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। এতে সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনকে প্রধান আসামি এবং ৭-৮ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়।




“পাম্পে অগ্রাধিকারভিত্তিতে তেল সরবরাহ চায় পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন”

বিশেষ প্রতিবেদকঃ জ্বালানি পাম্পে পৃথক লাইনের মাধ্যমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল সরবরাহের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন। সারা দেশে দায়িত্ব পালনের সময় জ্বালানি সংকট ও দীর্ঘ লাইনের কারণে ভোগান্তি এড়াতে এমনটা দাবি করা হয়েছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এতে জরুরি অভিযান, টহল ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে গতি আসবে এবং জনসেবা আরও কার্যকর হবে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) আইজিপি বরাবর এক চিঠিতে এই আবেদন করেছে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন।

চিঠিতে বলা হয়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ দমন, মামলা তদন্ত, আসামি গ্রেপ্তার, জরুরি অভিযান পরিচালনা, ভিআইপি নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগকালীন সহায়তা এবং ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন জনসেবা প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। বাস্তব প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে যে, সরকারি দায়িত্ব পালনকালে অধিকাংশ পুলিশ সদস্যকে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল, সরকারি যানবাহন এবং রিকুইজিশনকৃত যানবাহন ব্যবহার করে তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু বর্তমানে সারা দেশের বিভিন্ন জ্বালানি পাম্পে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য পুলিশ সদস্যদের সাধারণ জনগণের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এর ফলে পুলিশ সদস্যদের মূল্যবান কর্মঘণ্টার একটি বড় অংশ পাম্পে অপেক্ষমাণ অবস্থায় নষ্ট হচ্ছে এবং জরুরি সেবা কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। বিশেষ করে আসামি ধরতে অভিযান, জরুরি টহল, মামলার তদন্তে ঘটনাস্থলে দ্রুত উপস্থিতি, দুর্যোগ ও দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত সাড়া প্রদানসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সময়মতো সম্পাদনে বিলম্ব ঘটছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনে লাইনের বাইরে গিয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করতে গেলে পুলিশ সদস্যরা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি, জনঅসন্তোষ এমনকি ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানারও সম্মুখীন হচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। জনস্বার্থে এবং এর জরুরি দায়িত্ব পালনের স্বার্থে, সারা দেশের সব সরকারি/বেসরকারি জ্বালানি পাম্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সরকারি পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পৃথক লাইন/বিশেষ বুথের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ ও কার্যকর নির্দেশনা একান্তভাবে কামনা করছি। আপনার সদয় বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সমগ্র পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপকৃত হবেন এবং জনসাধারণ আরও দ্রুত ও কার্যকর পুলিশি সেবা লাভ করবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।




৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রায় পাঁচ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রমবাজারে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে স্পেন। অনেক ইউরোপীয় প্রতিবেশী দেশ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ কঠোর করার বিপরীতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ‘ন্যায়বিচারের পদক্ষেপ’ ও স্পেনের জন্য একটি প্রয়োজনীয় উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। স্পেনবাসীর উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে সানচেজ বলেন, এই গণবৈধতা কর্মসূচির লক্ষ্য হলো- প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের বাস্তবতাকে স্বীকার করা, যারা এরই মধ্যে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছেন।

তবে স্পেনের রক্ষণশীল বিরোধী দল পিপলস পার্টি (পিপি) এই উদ্যোগ ঠেকানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাদের দাবি- এটি অবৈধ অভিবাসীদের পুরস্কৃত করবে ও আরও মানুষকে অবৈধভাবে আসতে উৎসাহিত করবে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী অবৈধ অভিবাসীদের এক বছরের জন্য নবায়নযোগ্য আবাসন অনুমতি দেওয়া হবে। তবে এর জন্য আবেদনকারীদের প্রমাণ করতে হবে যে, তারা এরই মধ্যে অন্তত পাঁচ মাস স্পেনে অবস্থান করেছেন ও তাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের রেকর্ড নেই। আবেদন করার সময়সীমা ১৬ এপ্রিল থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

গবেষণা সংস্থা ফুংকাস-এর হিসাব অনুযায়ী স্পেনে বর্তমানে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার অবৈধ অভিবাসী রয়েছেন। তাদের অধিকাংশ লাতিন আমেরিকার বাসিন্দা।

এদিকে বিরোধীরা দাবি করেছে, সরকারের হিসাব সঠিক নয় এবং প্রায় ১০ লাখ অভিবাসী এই প্রকল্পের আওতায় আবেদন করতে পারেন। পিপি এই পরিকল্পনাকে ‘চরম অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে ক্যাথলিক চার্চ এই আইনি উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে।




আগ্রাসনে ইরানের ক্ষতি ২৭০০ কোটি ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় এ পর্যন্ত ইরানের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আর্থিক হিসাবে তা ২ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের সমতুল্য। গত মঙ্গলবার দেশটির আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজকে সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি বলেছেন, এটি প্রাথমিক হিসাব। বিস্তারিতভাবে হিসাব আরও বাড়তে পারে।

গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে বৈঠকে ক্ষয়ক্ষতির এ তথ্য মার্কিন প্রতিনিধিদের জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন মোহাজেরানি।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে গত দুই যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। দুই ইস্যুতে গত ৬ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো ধরনের সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ। তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনই নিহত হন আয়তুল্লাহ খামেনি, যিনি টানা ৩৭ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। এ ছাড়া ইরানে ক্ষমতাসীন ইসলামী প্রজাতন্ত্রী সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায়।




যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে অপ্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি, তবে বেড়েছে বাণিজ্য ঘাটতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে গত ফেব্রুয়ারিতে অপ্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে একই সময়ে দেশটির বাণিজ্য ঘাটতিও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের (ওএনএস) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাজার প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেলেও বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ২ হাজার ৪ কোটি পাউন্ডে (প্রায় ২ হাজার ৭৭০ কোটি ডলার) দাঁড়িয়েছে।

ওএনএস জানায়, জানুয়ারিতে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পর ফেব্রুয়ারিতেও শূন্য দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। তবে বাস্তবে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ মাসিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। বার্ষিক হিসাবে জিডিপির এই প্রবৃদ্ধির হার ১ শতাংশ, যা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশের বাজার প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। খাতভিত্তিক হিসাবে গত ফেব্রুয়ারিতে নির্মাণ খাতে ১ শতাংশ, সেবা খাতে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ এবং উৎপাদন খাতে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

শিল্প খাতেও ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা গেছে। জানুয়ারিতে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ সংকোচনের পর ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটিশ শিল্প উৎপাদন শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ওএনএস এক বিবৃতিতে বলে, ‘ফেব্রুয়ারি মাসে খনি ও পাথর উত্তোলন খাতে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ, বিদ্যুৎ ও গ্যাসে ১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন খাতে আংশিক বৃদ্ধির কারণে মাসিক শিল্প উৎপাদনে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।’ তবে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ পতন সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিকে কিছুটা ম্লান করেছে বলে দপ্তরটি জানিয়েছে। খনি ও পাথর উত্তোলনের ক্ষেত্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন ৫ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়েছে।

অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি থাকলেও বাণিজ্য ঘাটতির চিত্রটি তুলনামূলক হতাশাজনক। ওএনএস জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ২ হাজার ৪ কোটি পাউন্ডে পৌঁছেছে, যেখানে বাজার প্রত্যাশা ছিল ১ হাজার ৯৪০ কোটি পাউন্ড। এ সময় পণ্য আমদানি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ১৯০ কোটি পাউন্ডে পৌঁছায়। অন্যদিকে, রপ্তানি ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৩ হাজার ১৫০ কোটি পাউন্ডে নেমে আসে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৭০ কোটি পাউন্ডে। ইইউ দেশগুলোতে রপ্তানি শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫৪০ কোটি পাউন্ড এবং আমদানি ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৭১০ কোটি পাউন্ড হয়েছে। অন্যদিকে, ইইউবহির্ভূত দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৮৭০ কোটি পাউন্ড।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অবশ্য ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। দেশটিতে যুক্তরাজ্যের রপ্তানি ১১ দশমিক ৩ শতাংশ (প্রায় ৫০ কোটি পাউন্ড) বেড়েছে। যন্ত্রপাতি, পরিবহন সরঞ্জাম এবং কাঁচামাল রপ্তানি বৃদ্ধির কারণেই মূলত এই উল্লম্ফন ঘটেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ আমদানি কমে যাওয়ায় সার্বিক আমদানি ৮ দশমিক ২ শতাংশ (প্রায় ৪০ কোটি পাউন্ড) হ্রাস পেয়েছে। তবে ওএনএস জানিয়েছে, ২০২৫ সালের এপ্রিলে বাণিজ্য শুল্ক আরোপের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানির মূল্য তুলনামূলকভাবে কমই রয়ে গেছে।




চুক্তি না করলে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারে, তাহলে ইসরায়েল ইরানের ওপর ‘আরও ভয়াবহ’ হামলা চালাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘ইরান এখন এক ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে। এটি তাদের বেছে নেওয়ার সময়, ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সেতু নাকি বিচ্ছিন্নতা ও ধ্বংসের অতল গহ্বর’।

তিনি আরও বলেন, ইরান যদি ধ্বংসের পথ বেছে নেয়, তবে তারা ‘খুব দ্রুতই টের পাবে’ যে ইসরায়েল এখন পর্যন্ত যেসব জায়গায় হামলা চালায়নি, সেগুলো ‘এর আগে আক্রান্ত হওয়া জায়গাগুলোর চেয়েও অনেক বেশি স্পর্শকাতর হবে।’

‘সিদ্ধান্ত তাদের হাতে এবং এর পরিণামের দায়ভারও তাদেরই নিতে হবে’ বলেন কাৎজ।

সূত্র : বিবিসি




মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্যে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে সম্মতি

ডেস্ক নিউজ: মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্য নীতিগতভাবে আরও বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে সম্মতি জানিয়েছে। নির্মাণ খাতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের অবদানের প্রশংসা করে উভয়পক্ষ গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা  করেছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় জানানো হয়, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী এবং সারাওয়াকের মুখ্যমন্ত্রী আবাং হাজি আবদুল রহমান জোহারির মধ্যে কুচিংয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অগ্রগতি হয়।

বৈঠকে উভয়পক্ষ কৃষি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং শ্রম অভিবাসন খাতে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

হাইকমিশনার বাংলাদেশের কৃষি ও মানবসম্পদ খাতের সক্ষমতার কথা তুলে ধরে দক্ষ, আধা-দক্ষ ও সাধারণ শ্রমিক সরবরাহের মাধ্যমে সারাওয়াকের উন্নয়নে অবদান রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সারাওয়াকের মুখ্যমন্ত্রী প্রস্তাবগুলোকে স্বাগত জানান, বিশেষ করে ওই অঞ্চলের উন্নয়ন কৌশলের মূল স্তম্ভ কৃষি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং নির্মাণ খাতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

উভয়পক্ষ শ্রম অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের বিষয়েও আলোচনা করেন এবং কৃষি খাতেও আরেকটি এমওইউ স্বাক্ষরের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেন। পাশাপাশি সৌরশক্তিসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে জ্ঞান ও সবুজ প্রযুক্তি বিনিময়ের সম্ভাবনাও আলোচনা হয়।

দুইপক্ষ আলোচনার ফলাফল বাস্তবায়নে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।




জিয়া শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জিয়া শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ঘোষিত হয়েছে। সংগঠনের এক জরুরী সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মেয়াদোর্ত্তীন কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। সাংগঠনিক বিধি মোতাবেক সভায় উপস্থিত সকল নেতৃবৃন্দের সম্মতিতে নতুন কমিটি গঠিত হয়। সভায় পুনরায় প্রতিষ্ঠাতা জাহাঙ্গীর শিকদারকে সভাপতি ও আশরাফুল আমিনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৪৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। প্রতিটি বিভাগে আলাদা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচন করা হয়েছে।

সভাপতি- জাহাঙ্গীর শিকদার
সিনিয়র সহ-সভাপতি- কে.এস. হোসেন টমাস
সহ-সভাপতি- হায়দার আলী বাবলা
সহ-সভাপতি- জসীম উদ্দিন খান খোকন
সহ-সভাপতি- কাওসার মজুমদার
সহ-সভাপতি- হাসান মুকুল
সহ-সভাপতি- হাজী আক্তার হোসেন
সহ-সভাপতি- শেখ মহসিন
সহ-সভাপতি- তানিয়া ইসলাম
সহ-সভাপতি- নিয়ামুল বাশার মনকা
সহ-সভাপতি- কাজী আলমগীর হোসেন
সহ-সভাপতি- সাখাওয়াত হোসেন তুহিন
সহ-সভাপতি- আব্দুল আলীম
সহ-সভাপতি- শরীফুল ইসলাম রাকিব
সহ-সভাপতি- মীর আদনান তুহিন
সহ-সভাপতি- মাসুদ পারভেজ মানিক
সহ-সভাপতি- আলমগীর কবির বাবু
সাধারণ সম্পাদক- মোঃ আশরাফুল আমিন খান
সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- দ্বীন মোহাম্মদ দুলু
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- কাজী আনোয়ার হোসেন
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- তারেক কবির
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- কাউসার আহমেদ মিয়া
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- মীর নূর উস শামস্
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- হাজী মোহাম্মদ সজল
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- হামিদুল হক চৌধুরী
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- নাসিমুল গনি খান
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- মিন্টু আলম
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- কামরুল ইসলাম চৌধুরী
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- উমর ফারুক
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- কামরুল হাসান
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- জিয়া উদ্দিন জিয়া
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- এ্যাড. মজিবুর রহমান প্রধানীয়া
সহ-সাধারণ সম্পাদক- কেরামত আলী রাজু
সহ-সাধারণ সম্পাদক- এ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান বাবু
সহ-সাধারণ সম্পাদক- ওবায়দুল্লাহ মাসুম
সহ-সাধারণ সম্পাদক- জহিরুল ইসলাম বুলবুল
সহ-সাধারণ সম্পাদক- মজিবুর রহমান দীপু
সহ-সাধারণ সম্পাদক- নাসির উদ্দিন শাহ মামুন
সহ-সাধারণ সম্পাদক- তাজুল ইসলাম তাজু
সহ-সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ মাসুদ
সহ-সাধারণ সম্পাদক- রফিক মৃধা
সহ-সাধারণ সম্পাদক- আমিনুল হোসেন সুমন
বিশেষ সম্পাদক- এস. এম ফরিদ
বিশেষ সম্পাদক- মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান রিজভী
বিশেষ সম্পাদক- আ.ন.ম. আব্দুল হামিদ
বিশেষ সম্পাদক- রুকাইয়া হক রুকু
বিশেষ সম্পাদক- বিপুল আহমেদ
বিশেষ সম্পাদক- কিরণ শেখ
বিশেষ সম্পাদক- আব্দুল মান্নান বাবুল
বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক
সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা- নাহিদুল ইসলাম নাহিদ
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা- কামরুল হাসান
সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম- জহিরুল ইসলাম
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম- জাহাঙ্গীর আলম
সাংগঠনিক সম্পাদক, বরিশাল- ফেরদৌস আহমেদ
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বরিশাল- শামীম আহমেদ মৃধা
সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট- সোলেমান আহমেদ সিদ্দিক
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট- নাজমুল ইসলাম চৌধুরী
সাংগঠনিক সম্পাদক, ফরিদপুর- মুহাম্মাদ আরিফুজ্জামান (অপু)
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, ফরিদপুর- মোঃ সাহিদুল ইসলাম নান্নু
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, ফরিদপুর- মোহাম্মেদ শরিফ আহম্মেদ
সাংগঠনিক সম্পাদক, খুলনা- রঞ্জু আহমেদ
সাংগঠনিক সম্পাদক ময়মনসিংহ- মোঃ আকরাম হোসেন
দপ্তর সম্পাদক (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদ মর্যাদা)- মোঃ মোরশেদ আলম (চঞ্চল)
সহ-দপ্তর সম্পাদক- মোঃ নূর নবী
সহ-দপ্তর সম্পাদক- মোঃ আহসান হাবীব সবুজ
প্রচার সম্পাদক- মাহির আহমেদ রানা
সহ-প্রচার সম্পাদক- নজরুল ইসলাম
সহ-প্রচার সম্পাদক- মোঃ মাসুম ফরায়েজি
কোষাধ্যক্ষ- মাসুদ রানা
সহ-কোষাধ্যক্ষ- মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- দিলদার হোসেন শামীম
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- ইমরান জাহান সম্রাট
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- জহির রায়হান
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- আজিজুন নাহার মালা
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- জামান ফারুক
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- সুজন ঢালী
সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- মাহমুদুল হাসান
সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- শফিকুল ইসলাম লাভলু
সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- সৈয়দ মামুন হোসেন
সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক- হাবিবুর রহমান (রুবেল)
সহ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক- গোলাম আশরাফ খান উজ্জল
সহ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক- কল্যানী ঘোষ
প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক- জাহাঙ্গীর আলম
সহ-প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ ইকরামুল হাসান
সহ-প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক- হাফিজ আল আসাদ
সংগীত বিষয়ক সম্পাদক- আব্দুল আউয়াল
সহ-সংগীত বিষয়ক সম্পাদক- শাহীন বিশ্বাস
সহ-সংগীত বিষয়ক সম্পাদক- এস. এম পান্না
সহ-সংগীত বিষয়ক সম্পাদক- আনোয়ার সরদার
সহ-সংগীত বিষয়ক সম্পাদক- আফরোজা আক্তার এ্যানী
সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক- রুুহুল আমিন
সহ-সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ আলমগীর হোসেন
সহ-সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ শাহাদাত হোসেন স্বপন
সেমিনার বিষয়ক সম্পাদক- সাবদার মাহমুদ অতুল
সহ-সেমিনার বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ আব্দুল গফুর ভূঁইয়া
মহিলা বিষয়ক সম্পাদক- রুপা খান
সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক- সালমা খানম পুতুল
শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক- সাইদুর রহমান
লোকজ সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক- সেলিম রেজা
সহ-লোকজ সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক- আফসানা ইমা
আবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)- শফিকুল ইসলাম ডাবলু
নৃত্যকলা বিষয়ক সম্পাদক- রুবি মজুমদার
সহ-নৃত্যকলা বিষয়ক সম্পাদক- ওয়াহিদ উদ্দিন নঈম
সহ-নৃত্যকলা বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ রুহুল কুদ্দুস (সুমন)
নাট্যকলা বিষয়ক সম্পাদক- মোহাম্মদ নেসার
সহ-নাট্যকলা বিষয়ক সম্পাদক- শেখ ইসরাফিল ইসরাইল (অপু)
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক- দেওয়ান নূর ইসলাম উজ্জল
ক্ষুদ্র কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ ইমরান হোসেন
সহ-ক্ষুদ্র কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ মামুন হোসেন
গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক- হাফিজুর রহমান শফিক
সহ-গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক- মাহমুদুল হাসান বিপ্লব
সহ-গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক- মুস্তাক আহমেদ
আইন বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. আওলাদ হোসেন
সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. মোঃ সাইফুল আলম সাব্বির
সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. ফারুক গাজী
সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. মোঃ শরীফ পাঠান
মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. রেহানা পারভীন
সহ-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. রোজিয়া বেগম
সহ-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক- মাসুদা আক্তার
ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক – হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহিম
সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক- মুফতি গোফরান ফরিদী
সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক- হাফেজ মাওলানা আব্দুল বাসেত
সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক- মাওলানা আব্দুল্লাহ হাসান
ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক- আবুল হোসেন পাপ্পু
সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক- সালাহউদ্দিন ইমন
সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির
সহ-সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ মোস্তফা কামাল
স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক- আব্দুর রহিম তালুকদার
আলোকচিত্র বিষয়ক সম্পাদক- মীর্জা সম্রাট রেজা
আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক- আব্দুস সালাম খান
সহ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক- ফিরোজ শিকদার
লাইব্রেরী বিষয়ক সম্পাদক- শামীম হাসান
সদস্য- জাকির হোসেন আখের
সদস্য- মোঃ মাহবুবুল আলম
সদস্য- মোঃ শহিদুল্লাহ
সদস্য- শরীফ মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া
সদস্য- মোঃ নাহিদ হাসান
সদস্য- ফরিদ আলম অপু
সদস্য- মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মিঠু
সদস্য- আলাল খাঁন
সদস্য- শফিকুল ইসলাম জীবন
সদস্য- খাইরুদ্দিন ভূট্টো
সদস্য- মোঃ আযম আল ফয়সাল শিমুল
সদস্য- জসীম উদ্দিন
সদস্য- আব্দুল মান্নান
সদস্য- জাকিয়া সুলতানা স্বর্না
সদস্য- রাউফি খন্দকার শুভ
সদস্য- সোনিয়া নেহা
সদস্য- সুইটি মাহমুদ




সমুদ্রের ঢেউ আর পোড়া মাছের ঘ্রাণে প্রাণবন্ত কুয়াকাটা

কলাপাড়া(পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ সূর্য ডোবার পর কুয়াকাটার এক ভিন্ন রূপ চোখে পড়ে। দিনের আলো মুছে যেতেই সৈকতের পাশেই জমে ওঠে রাতজাগা ফিস ফ্রাই মার্কেট, যেখানে স্বাদ আর পরিবেশ মিলিয়ে তৈরি হয় এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার জিরো পয়েন্টের পূর্ব পাশে অবস্থিত এই ফ্রাই মার্কেটে প্রতিদিনই শত শত দর্শনার্থীর ভিড় দেখা যায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসে অনেকে উপভোগ করেন সদ্য ভাজা সামুদ্রিক মাছের স্বাদ।

সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে সারি সারি দোকানে জ্বলে ওঠে আলো। লইট্টা, টুনা, কোরাল, ইলিশ, রুপচাঁদা, চিংড়ি, কাঁকড়া সহ নানা ধরনের মাছ সাজিয়ে রাখা হয়। ক্রেতার পছন্দ অনুযায়ী সেগুলো তাৎক্ষণিক ভেজে বা গ্রিল করে পরিবেশন করা হয়।

গভীর রাত পর্যন্ত পোড়া মাছের গন্ধ পর্যটকদের টেনে নেয় বারবিকিউ জোনে। সমুদ্রের ঢেউ আর গরম মাছ ভাজার ঘ্রাণ একসঙ্গে মিলে তৈরি করে ভিন্নধর্মী এক আবহ। এক পাশে বারবিকিউ, অন্য পাশে গান আর আড্ডায় মেতে ওঠেন পর্যটকেরা।

স্থানীয়দের মতে, এখানে প্রায় শতাধিক দোকান রয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভিড়ে মুখর থাকে পুরো এলাকা। ছুটির দিনগুলোতে এই ভিড় আরও বেড়ে যায়।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে কুয়াকাটার এই ফ্রাই মার্কেট দেশের অন্যতম জনপ্রিয় নাইট ফুড ডেস্টিনেশন হয়ে উঠতে পারে। ইতোমধ্যে এটি স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে।

তবে বাজারের পরিচ্ছন্নতা ও খাবারের মূল্য নিয়ে কিছু পর্যটকের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। তাদের মতে, নিয়মিত তদারকি থাকলে এই মার্কেট আরও সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।

পর্যটক শামসুর নাহার দোলা বলেন, কুয়াকাটার সমুদ্র দেখার পর এই ফ্রাই মার্কেটে খাওয়ার অভিজ্ঞতা অসাধারণ। পরিবেশ আর স্বাদ মিলিয়ে এটি এক অনন্য অনুভূতি।

পর্যটক সাকিল আহম্মেদ বলেন, কুয়াকাটায় এসে ফিস ফ্রাই না খেলে মনে হয় কিছু একটা মিস হয়ে যায়। সারাদিন ঘোরাঘুরির পর সন্ধ্যায় এখানে এসে টাটকা মাছ খাওয়ার আলাদা আনন্দ আছে।

হলিডে ফিস ফ্রাইয়ের স্বত্বাধিকারী সাগর জানান, বাজার থেকে সবচেয়ে তাজা মাছ সংগ্রহ করে পর্যটকদের চাহিদা অনুযায়ী পরিবেশন করা হয়।

কুয়াকাটা ফিস ফ্রাই মালিক সমিতির সভাপতি কাউসার বলেন, পর্যটকদের সন্ধ্যার পর বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে এই বারবিকিউ আয়োজন শুরু হয়েছে। বর্তমানে এটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অফ কুয়াকাটা টোয়াকের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, সমুদ্রের ঢেউ আর গরম মাছ ভাজার ঘ্রাণ মিলিয়ে এই ফ্রাই মার্কেট এখন কুয়াকাটার অন্যতম আকর্ষণ।