পাকিস্তানে বিক্ষোভস্থলের মাঝে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত ৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত জেলায় বিক্ষোভ চলাকালে থানার প্রবেশমুখে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুরে সোয়াত জেলার কাবাল থানার সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে সোয়াতের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) ফিদা হোসেন বলেন, হামলাকারী শরীরে বাঁধা বিস্ফোরক ভেস্টের বিস্ফোরণ ঘটান। এতে চার পুলিশ সদস্যসহ সাতজন নিহত এবং ২০ জনের বেশি মানুষ আহত হন।
অন্যদিকে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম *ডন* জানিয়েছে, হামলায় সাতজন নিহত ও অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন।

জেলার পুলিশ কর্মকর্তা (ডিপিও) উমর খান জানান, কাবাল থানার প্রবেশমুখে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে থামিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করছিলেন পুলিশ সদস্যরা। এ সময় তিনি শরীরে বাঁধা বিস্ফোরকের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দেন।

তিনি বলেন, পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেছে এবং হামলার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে রোববার কাবাল চত্বরে শত শত মানুষ বিক্ষোভ করছিলেন। সেই সময় থানার ফটকের কাছে শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি।

এর আগে একই দিন সকালে প্রাদেশিক রাজধানী পেশোয়ারের পেশোয়ার-ইসলামাবাদ মোটরওয়ে টোল প্লাজার কাছে একটি আইইডি বিস্ফোরণে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।

এ ছাড়া গত ৩০ জুলাই হাঙ্গু জেলায় একটি পুলিশ চেকপোস্টে সন্ত্রাসী হামলায় নয় পুলিশ সদস্য নিহত হন। সাম্প্রতিক সময়ে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

পাকিস্তান ইনস্টিটিউট ফর কনফ্লিক্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের (পিআইসিএসএস) সর্বশেষ মাসিক নিরাপত্তা মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একীভূত জেলাগুলো বাদ দিয়ে শুধু খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশেই জুলাই মাসে বিভিন্ন হামলা ও সহিংসতায় ১৫৪ জন নিহত হয়েছেন। জুন মাসে এ সংখ্যা ছিল ৭৫। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে প্রাণহানি বেড়েছে ১০৫ শতাংশ।

 




টাঙ্গুয়ার হাওরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ডেস্ক নিউজ : টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য, প্রতিবেশগত ভারসাম্য ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন। হাওরের পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) সীমানার অভ্যন্তরে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব প্রকার হাউসবোট ও পর্যটকবাহী নৌযান প্রবেশ ও চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে হাওরে চলাচলকারী সকল নৌযানের মালিক ও পরিচালনাকারীদের আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনার কথা জানানো হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর সুরক্ষা আদেশ, ২০২৫’ -এর আলোকে পরিবেশ রক্ষা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ১৩ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এসব নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধান নির্দেশনাসমূহ- পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত টাঙ্গুয়ার হাওরের ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া ঘোষিত সীমানায় সকল প্রকার হাউসবোট ও পর্যটকবাহী নৌযানের প্রবেশ ও চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

আগামী ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্ধারিত ফরমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হাউসবোটের নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে বা অনুমতি না থাকলে কোনো নৌযান পরিচালনা করা যাবে না। আবেদন সংক্রান্ত বিষয়ে নেজারত ডিপুটি কালেক্টর (এনডিসি) সুনামগঞ্জ (মোবাইল ০১৭৩০-৩৩১১০৬) এর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।

হাউসবোটে উচ্চস্বরে গান-বাজনা, মাইক বাজানো বা পার্টির আয়োজন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নৌযানে পানি বিশুদ্ধকারী ফিল্টার রাখতে হবে। এছাড়া হাউসবোটে বাধ্যতামূলকভাবে সেপটিক ট্যাংক ও অন্তত দুটি ডাস্টবিন স্থাপন করতে হবে; হাওর বা জলাশয়ে কোনো ধরনের বর্জ্য ফেলা যাবে না। হাউসবোটের দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ১০০ ফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট, লাইফবয় রিং, অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্র রাখা এবং গ্যাস সিলিন্ডারের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। পর্যটকদের জন্য আচরণবিধি দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে এবং ট্যুর শুরুর আগেই তা পর্যটকদের অবহিত করতে হবে।




রিকার্ভ মিক্সড টিম ইভেন্টে বাংলাদেশের শিমুর স্বর্ণ জয়

ক্রীড়া ডেস্ক : প্রেসিডেন্টস চ্যালেঞ্জ কাপের রিকার্ভ মিক্সড টিম ইভেন্টে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন বাংলাদেশের আরচ্যার সীমা আক্তার শিমু। টঙ্গীর আরচ্যারি ট্রেনিং একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় শিমু ও মালয়েশিয়ার মোহাম্মদ দানিশের জুটিতে গড়া ‘আজালিয়া’ দল ৬-০ সেটে প্রতিপক্ষ ‘ব্লুবেল’ দলকে পরাজিত করে এই গৌরব অর্জন করে।

একই ইভেন্টের ব্রোঞ্জপদক নির্ধারণী লড়াইয়ে প্রিমরোজ দল ডালিয়া দলকে পরাজিত করে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে।

এদিকে প্রতিযোগিতার রিকার্ভ অনূর্ধ্ব ১৮ মিক্সড টিম ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ‘লিলি’ দল। ফাইনালে লিলি দলের দুই প্রতিযোগী অ্যাঞ্জেলা ফিলিপ অ্যালেক্সিস এবং রুদ্র কুমার ৬-০ সেটে জয়লাভ করেন মোনা আলশারা ও দ্যানেশ বালাজি চেরালের বিপক্ষে। এই বিভাগে প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে ব্রোঞ্জপদক জিতেছে ‘পিওনি’ দল।




বিশ্বকাপ ফাইনালের ১৩ দিন পর মাঠে মেসি, নেমেই হতবাক করলেন

ক্রীড়া ডেস্ক : স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালে ১-০ ব্যবধানে পরাজয়ের হতাশা কাটিয়ে ১৩ দিন পর আবারও মাঠে ফিরলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে গোলের সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে দর্শকদের বিস্মিত করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) কলাম্বাস ক্রুর বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করেছে ইন্টার মায়ামি।

ঘরের মাঠ নু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৫৩তম মিনিটে ড্যানিয়েল পিন্টারের পরিবর্তে মাঠে নামেন ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শেষে প্রথমবার মাঠে নামায় দর্শকদের উষ্ণ অভ্যর্থনা পান তিনি। মাঠে নামার মাত্র তিন মিনিট পরই গোল করার দারুণ সুযোগ পান মেসি। পেনাল্টি বক্সের ডান পাশে লুইস সুয়ারেজের বাড়ানো বল থেকে বাঁ পায়ের শক্তিশালী শট নিলেও বল অল্পের জন্য পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। নিশ্চিত গোলের সেই সুযোগ নষ্ট হওয়ায় গ্যালারিতে উপস্থিত সমর্থকেরা হতবাক হয়ে যান।

ওই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে ম্যাচে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত ইন্টার মায়ামি। এর আগে প্রথমার্ধে লুইস সুয়ারেজের নৈপুণ্যে দুই গোলের লিড নেয় স্বাগতিকরা। প্রথমে নিজেই গোল করেন উরুগুইয়ান এই ফরোয়ার্ড। পরে নোয়াহ অ্যালেনকে দিয়ে দলের দ্বিতীয় গোলটি করান তিনি।

তবে বিরতিতে দুই গোলের ব্যবধান ধরে রাখতে পারেনি মায়ামি। প্রথমার্ধেই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরোর আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান কমায় কলাম্বাস। এরপর ৮৪তম মিনিটে ব্রাইস মেন্দেজের ফ্রি-কিক থেকে সমতা ফেরায় সফরকারীরা। ফলে পূর্ণ তিন পয়েন্টের বদলে এক পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ইন্টার মায়ামিকে।

মেসির ক্লাব ও জাতীয় দলের সতীর্থ রদ্রিগো দে পলও এদিন শুরুর একাদশে ছিলেন। বিশ্বকাপের পর বিশ্রামে থাকায় শিকাগো ফায়ার ও সিএফ মন্ট্রিয়লের বিপক্ষে তারা কেউ খেলেননি। এমএলএস অল-স্টার ম্যাচে অংশ না নেওয়ায় সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা থেকেও তারা অব্যাহতি পান। চলতি সপ্তাহেই অনুশীলনে ফেরেন মেসি ও দে পল। মেসি সর্বশেষ গত ২৪ মে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে খেলেছিলেন।

ইস্টার্ন কনফারেন্সে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিল এসসির চেয়ে দুই পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে ইন্টার মায়ামি। এখন দলটির লক্ষ্য লিগস কাপ। আগামী বুধবার নু স্টেডিয়ামে অ্যাতলেটিকো দে সান লুইসকে আতিথ্য দেবে তারা। এরপর নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে মন্টেরে ও লিওঁনের মুখোমুখি হবে মেসির দল।




কঙ্গনা ও হৃত্বিকের পুরোনো বিরোধে নতুন ডালপালা

বিনোদন ডেস্ক : বিতর্ক আর কঙ্গনা যেন এক অপরের পরিপূরক। বিতর্ক ছাড়া যেন ভালোই লাগে না চারবার জাতীয় পুরস্কার জয়ী অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের। অভিনেত্রী থেকে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে সংসদ সদস্য বনে গেলেও বিতর্ক সৃষ্টির অভ্যাস বদলায়নি। সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপির আন্দোলনের সময় অশালীন শব্দ ব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করে ‘জেন-জি’দের জেনারেশন গাটার বা ‘নর্দমার প্রজন্ম‘ বলে অভিহিত করেছিলেন কঙ্গনা। সিজেপিও পাল্টা জবাব দিলে এ নিয়ে সৃষ্টি হয় নতুন বিতর্ক। বিতর্কের ডালপালা বহু দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এই বিতর্ক টেনে এনেছে হৃত্বিক রোশনের সঙ্গে কঙ্গনার ১০ বছরের পুরোনো আইনি তিক্ততাকেও।

কঙ্গনা-সিজেপি বিতর্কে হৃত্বিককে টেনে আনার দায় অবশ্য সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাসের। কঙ্গনার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সৌরভ রসিকতা করে বলেছিলেন, আমার বন্ধুরা আমাকে বলেছিল- তোমাকে দেখতে তরুণ বয়সের হৃত্বিক রোশনের মতো লাগে। হয়তো এই কারণেই কঙ্গনা তোমাকে আক্রমণ করছে।

সৌরভের এই রসিকতা করে হৃত্বিককে টেনে আনাতেই ১০ বছরের পুরোনো বিতর্ক আবার চাঙা হয়েছে। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কঙ্গনার সঙ্গে সম্পর্কের কথা টেনে হৃত্বিকের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন। লেখক ফ্রেডি বার্ডির একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্ট এই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালে। কঙ্গনার মতো একজন বিতর্কপ্রিয় মানুষের সঙ্গে হৃত্বিকের সম্পর্কের ইঙ্গিত দিয়ে ফ্রেডি লেখেন, বিশ্বের ঋত্বিক রোশনের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

অবশ্য এ বিতর্কে নিজেকে জড়াতে চাননি হৃত্বিক। বরং সংযত ভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি লেখেন, আমার বন্ধু, আপনি ‘বি’-কে আর পছন্দ করেন না বলেই ‘এ’-এর পক্ষ নিচ্ছেন। এটি আমাদের সমাজে জেঁকে বসা একটি বড় পদ্ধতিগত সমস্যার ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। আমি অপেক্ষা করব, যখন এর পেছনের প্রেক্ষাপটটি সঠিক হবে এবং যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে অনুপ্রাণিত হবে। সেটাই হবে ন্যায্য। কিন্তু আবারও বলছি, এখন আর কারই বা কী যায় আসে, তাই না। তার এই প্রতিক্রিয়াটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। তাই বিতর্ক থেকে দূরে থাকতে চাইলেও পারেননি হৃত্বিক।

কঙ্গনা তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজে এই খবরের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করে কড়া ভাষায় একটি বার্তা দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। হৃতিক রোশন ও সাবা আজাদের সম্পর্কের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে কঙ্গনা বলেন, প্রিয় হৃত্বিক, আমি আনন্দিত যে তুমি তোমার মনের মতো সঙ্গী সাবা আজাদকে খুঁজে পেয়েছো এবং তোমাদের দুজনকে একসঙ্গে খুব সুন্দর মানায়। তুমি এখন একটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সম্পর্কের মধ্যে আছো। তাই এভাবে একজন নারীকে উত্ত্যক্ত করা বা খোঁচা দেওয়া তোমাকে মানায় না। এর চেয়ে বরং তোমার উচিত সেইসব মানুষদের নিন্দা করা, যারা তোমার নাম ব্যবহার করে আমাকে হেনস্তা ও বুলিং করছে। আগুনে ঘি ঢালা বন্ধ করো এবং তোমার সঙ্গীকে অস্বস্তিতে ফেলা বন্ধ করো। আশা করি তোমার শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং তুমি এমন অযৌক্তিক মন্তব্য করা বন্ধ করবে।

কঙ্গনা-হৃত্বিকের চলমান বিতর্ক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক মিম হয়েছে। তারই একটিতে হৃত্বিক লাইক দিয়েছেন, এমন অভিযোগ এলে বিতর্ক আরও চাঙা হয়। একজন রেডডিট ব্যবহারকারী একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেন, যাতে দেখা যায় হৃত্বিকের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্টে লাইক দেওয়া হয়েছে, যেখানে লেখা ছিল, হৃত্বিক ভাই, আপনি দলের স্বার্থে একটু ত্যাগ স্বীকার করতে পারতেন। কেন একে (কঙ্গনা) দেশের ওপর এভাবে খোলা ছেড়ে দিলেন? তবে মূল ইনস্টাগ্রাম পোস্টটি পরবর্তী সময়ে মুছে ফেলা হয় এবং এই কথিত লাইকটিও আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

কঙ্গনা আর হৃত্বিতের সম্পর্কে তিক্ততা অবশ্য বেশ পুরোনো। একসময় তাদের মধ্যে দারুণ সুসম্পর্ক ছিল। ‘কাইট্স’ (২০১০) এবং ‘কৃষ ৩’ (২০১৩) সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সময় থেকেই কঙ্গনা ও হৃত্বিকের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। তবে ২০১৬ সালে একটি সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা হৃত্বিককে তার সিলি এক্স (বোকা প্রাক্তন) বলে উল্লেখ করার পর এই গুঞ্জনটি প্রকাশ্যে আসে।

কঙ্গনা দাবি করেন, হৃত্বিক যখন সুজান খানের সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন, তখন তাদের মধ্যে প্রায় সাত বছরের একটি গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং হৃত্বিক প্যারিসে তাকে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, হৃত্বিক শুরু থেকেই এই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন এবং জানান যে, তাদের মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক ছাড়া ব্যক্তিগত কোনো সম্পর্ক কখনোই ছিল না।

২০১৬ সালে কঙ্গনাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান হৃত্বিক। কঙ্গনা ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করে পাল্টা আইনি নোটিশ পাঠান এবং হৃত্বিকের বিরুদ্ধে ভয় দেখানোর অভিযোগ আনেন।




সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি, বিচারপতি মীর হাসমত আলীর হাত থেকে সম্মাননা পেলেন সুমন খান

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও গবেষণায় অনন্য অবদানের জন্য স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র জীবন, কর্ম ও আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে এক আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৩টায় শাহবাগে অবস্থিত বাংলা একাডেমির ড. মো. এনামুল হক ভবনের (আল মাহমুদ লেখক কর্নার) মিলনায়তনে জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ গবেষণা পরিষদের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি মীর হাসমত আলী। অনুষ্ঠানে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় দৈনিক সংবাদ দিগন্ত পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সুমন খান-এর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন প্রধান অতিথি। এ সময় তিনি দায়িত্বশীল, সত্যনিষ্ঠ ও জনস্বার্থভিত্তিক সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সমাজে ন্যায়, জবাবদিহি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন আহমেদ রনি জনাব সাব্বির‍্য্যান, বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ। প্রধান আলোচক ছিলেন রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল; মো. শাকাওয়াত হোসাইন শুভ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ম্যারেজ সলিউশন বিডি; এস. এম. মোর্তুজা আলম (বুলবুল), ম্যানেজিং পার্টনার ও সিইও, স্মার্ট লিভিং প্রপার্টিজ; অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট; মো. জামাল চৌধুরী, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ ফিমেল একাডেমি (বিএফএ); এবং শিক্ষক, কবি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অবিনাশ চন্দ্র মণ্ডল।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ও জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ গবেষণা পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. হামিদা খানম। সার্বিক সমন্বয় ও পরিচালনায় ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মামুন।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ শুধু একজন ভাষাবিজ্ঞানী নন, তিনি ছিলেন বাঙালির জ্ঞানচর্চা, মানবিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অন্যতম পথিকৃৎ। তাঁর আদর্শ ও গবেষণাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, গবেষক, শিক্ষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দৈনিক সকালের সময় ও গ্রিন টিভি-এর ক্রাইম রিপোর্টার খাইরুল ইসলাম আলম।আয়োজকদের মতে, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র আদর্শভিত্তিক গবেষণা, মুক্তচিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধ সমাজে প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং জ্ঞানচর্চাকে উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।




১২ কেজির এলপিজির দাম বাড়ল ৭০ টাকা

ডেস্ক নিউজঃ ১২ কেজির এলপি গ্যাসের দাম ১৫২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫৯৮ করা হয়েছে। যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাস লিটার প্রতি ৭৪.৪০ টাকা থেকে কমিয়ে ৭৩.৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) নতুন দর ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দর সন্ধ্যা ৬ টার পর থেকে কার্যকর হবে।

টানা কয়েক মাস বৃদ্ধির পরে গত মাসে কিছুটা দাম কমেছিল। যা আবার বাড়তে শুরু করলো। ১৯ এপ্রিল ১২ কেজিতে ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তার ১৭ দিন আগে ২ এপ্রিল ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৭ টাকা করেছিল বিইআরসি। অর্থাৎ দুই দফায় ১২ কেজিতে ৫৯৯ টাকা বৃদ্ধি করা হয়। এরপর জুনে ১২ কেজির দাম ১৯৪০ টাকা কমিয়ে ১৮৮৫ টাকা এবং যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাস লিটার প্রতি ৮৯.৫০ টাকা থেকে কমিয়ে ৮৬.৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে এলপিজি খাতে নজিরবিহীন অরাজকতা ছড়ায়। মার্চের দর ১৩৪১ টাকা থাকলেও ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় বেচাকেনার খবর রেকর্ড করা হয়েছে।

এলপি গ্যাস সংকটকে পুঁজি করে একের পর এক সুবিধা দেওয়া হয় আমদানিকারকদের। আমদানিসীমা বাড়িয়ে দেওয়া, ট্যাক্স কমানো এবং এলসি ঋণ সুবিধার ধারাবাহিকতায় ফ্রেইটচার্জও (জাহাজ ভাড়া) টন প্রতি ১০৮ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২৫০ ডলার করা হয়। শুধু এসব সুবিধা নয়, আমদানিকারকদের দাবির প্রেক্ষিতে ঋণে এলসি খোলার অনুমতি প্রদান করা হয়। তারপরও বাজারের উপর নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।




আমরা ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি : মির্জা ফখরুল

ডেস্ক নিউজঃ আমরা ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে একটি দীর্ঘ লড়াই হয়েছে। নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। সেই সম্ভাবনা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করবে।’

রবিবার ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একটা বিষয় সব সময় আপনারা ধরে রাখবেন রুল অব ল অ্যান্ড জাস্টিস ইনসাফ। এ দুটো জিনিস যদি আমরা ধরে রাখতে পারি, তাহলে আমরা সমাজকে অনেকখানি এগিয়ে নিতে পারব। দুর্ভাগ্য বিগত সময়ে বেশ কিছু সময় ধরে এই জিনিসগুলো থেকে বঞ্চিত হয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ন্যায় বিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’

এলজিআরডি মন্ত্রী‌ বলেন, ‘প্রভাবমুক্ত একটি জুডিশিয়াল তৈরি করতে পারি, তাহলে সাধারণ নাগরিকরা উপকৃত হবে। আমরা প্রশাসনকে যদি দক্ষ প্রশাসন গড়ে তুলতে পারি তাহলে রাষ্ট্র উপকৃত হবে। সেই সঙ্গে পার্লামেন্টের কমিটিগুলোকে কার্যকরী করতে পারি তাহলে গণতন্ত্র অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’




ইরান যুদ্ধের জেরে তেল কোম্পানির রেকর্ড মুনাফা, যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে

ইরান যুদ্ধের কারণে তেল কোম্পানিগুলোর মুনাফা বেড়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই তাদের মুনাফা বেড়েছে; যদিও তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার কারণে বিশ্বজুড়েই নানা সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

 

ওয়াশিংটন পোস্টের সংবাদে বলা হয়েছে, বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের দুই বৃহৎ তেল কোম্পানি এক্সনমোবিল ও শেভরনের মোট মুনাফা হয়েছে ২৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৬৫০ কোটি ডলার। তবে এই রেকর্ড আয়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক বিতর্ক বেড়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, জ্বালানির বাড়তি দামের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ভোক্তারা।

 

গত শুক্রবার প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে শেভরন জানিয়েছে, এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে তাদের নিট মুনাফা হয়েছে ১২ বিলিয়ন বা ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন বা ৯৬০ কোটি ডলার বেশি।

 

একই সময়ে এক্সনমোবিলের মুনাফা হয়েছে ১৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৪৫০ কোটি ডলার, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা দ্বিগুণের বেশি।




গণপূর্তের প্রকৌশলী বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

প্রতিবাদ প্রতিবেদনঃ পেশাগত যোগ্যতা, সততা আর প্রশাসনিক দক্ষতার কাছে বারবার ধরাশায়ী হয়ে এবার চরম নীতিহীনতা ও চরিত্রের নিম্নতম স্তরে নেমে এসেছে এক স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহল। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ বদরুল আলম খানের কাজের জায়গায় কোনো গলদ বা দুর্নীতির সূত্র মেলাতে না পেরে, শেষমেশ তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত জীবনের গোপন পাতায় চোখ রেখে হিংসার আগুন নেভানোর নজিরবিহীন চক্রান্তে মেতেছে এই সিন্ডিকেট।

তিনি এসবের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ” দীর্ঘ ২৫টি বছর ধরে প্রথম স্ত্রীর অমানসিক নির্যাতন ও অবর্ণনীয় মানসিক নিপীড়নের যন্ত্রণা নীরবে সহ্য করে গিয়েছি। একের পর এক ঝড়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে জীবনের দীর্ঘ পথচলায় যখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়, ঠিক তখনই পারিবারিক সম্মতিতে এবং ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইনের শতভাগ বিধান মেনে নতুন করে বাঁচতে দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। যা সম্পূর্ণ আইনসিদ্ধ ও একটি স্বাভাবিক পারিবারিক সিদ্ধান্ত।”

তিনি আরও বলেন, “কর্মক্ষেত্রে আমাকে কোণঠাসা করতে ব্যর্থ হয়ে কিছু ধুরন্ধর চক্র আমার বৈধ ও সুখী দাম্পত্য জীবনের সামাজিক ছবিগুলোকে পুঁজি করে সোশ্যাল মিডিয়া ও আড়ালে-আবডালে ছড়াতে শুরু করেছে মনগড়া ভুয়া ‘স্ক্যান্ডাল’। একজন সৎ প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অফিসে কোনো অভিযোগ দাঁড় করাতে না পেরে, তাঁর বৈবাহিক জীবন নিয়ে এমন কুরুচিপূর্ণ চরিত্রহনন মূলত চক্রান্তকারীদের চরম দেউলিয়াত্বকেই নগ্নভাবে প্রকাশ করে।” তিনি আরোও অভিযোগ করেন,” দৈনিক উদয় উওরণ, দৈনিক বঙ্গসংবাদ, দৈনিক দুর্নীতির বার্তা ছাড়াও আরোও কিছু পত্রিকা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”