চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ ঘাটতি, লোডশেডিং বেড়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গরমের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলে বেড়েছে লোডশেডিং। তবে শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে কয়েকগুণ বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। এ অবস্থায় ভোগান্তিতে পড়ছেন জেলা শহরসহ পাঁচ উপজেলার বাসিন্দারা। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা নাজেহাল হয়ে পড়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। তাই স্থান ও সময় ভেদে লোডশেডিং দিয়ে বিদ্যুৎ সরবারহ করতে হচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি-নেসকো চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আলিউল আজিম বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে বিদ্যুতের চাহিদা ৩১ থেকে ৩২ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে সাড়ে ২৫ থেকে ২৬ মেগাওয়াট। সে হিসেবে ঘাটতি রয়েছে ৫ থেকে ৬ মেগাওয়াট। এ কারণে এলাকাভেদে লোডশেডিং হচ্ছে।

অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার হাওলাদার মো. ফজলুর রহমান বলেন, এপ্রিলের শুরু থেকেই গরম বেড়েছে। এ কারণে বিদ্যুতের চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ ছাড়া গ্রামাঞ্চলে বোরো চাষের জন্য বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে চাহিদার চেয়ে ৩০ থেকে ৪০ ভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ কম পাওয়া যাচ্ছে তাই স্থান ও সময় ভেদে বিভিন্ন সময় লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে। তবে আগামীতে লোডশেডিং বাড়বে কিনা তা চাহিদা ও সরবরাহের উপর নির্ভর করবে বলেও জানান তিনি।




জাবিতে প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে ৫টা লোডশেডিং ঘোষণা প্রশাসনের

জাবি প্রতিনিধিঃ আগামীকাল থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে (জাবি) প্রতিদিন বিকেল ৪টা হতে ৫টা পর্যন্ত লোডশেডিং থাকবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি স্বল্পতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়  উপকেন্দ্রের চাহিদার তিন ভাগের এক ভাগ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। এমতাবস্থায়, সকল ফিডারের ব্যাপক লোডশেডিং করতে হচ্ছে (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতিত)। উল্লিখিত কারণে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুরূহ হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিদিন বিকেল ৪টা হতে ৫টা পর্যন্ত লোড শেডিং থাকবে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট অফিস এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।”




আজান শোনামাত্র মসজিদে ছুটে যেতেন রাসুল (সা.)

ইসলামিক ডেস্কঃ দুনিয়াতে এমন কোনো কাজ নেই যা সমাধা করার জন্য প্রস্তুতির প্রয়োজন হয় না। যে কাজের গুরুত্ব যত বেশি সে কাজের প্রস্তুতিও তত গুরুত্বের দাবি রাখে। নামাজ আল্লাহপাক প্রদত্ত এক মহান হুকুম, তার গুরুত্ব অপরিসীম। সুতরাং তার প্রস্তুতিও অত্যন্ত গুরুত্বের দাবিদার। আর নামাজ যেহেতু আল্লাহ প্রদত্ত বিধান, তাই প্রস্তুতি কীভাবে নিতে হবে, প্রস্তুতির উপকরণগুলো কী তা-ও আল্লাহপাক নির্ধারণ করে দিয়েছেন।

নামাজের প্রস্তুতিমূলক কাজ : ১. ওয়াক্ত মতো নামাজ পড়া। ২. পবিত্রতা অর্জন করে নামাজ পড়া। ৩. বস্ত্রাবৃত অবস্থায় নামাজ পড়া। ৪. পবিত্র কাপড় পরিধান করে নামাজ পড়া। ৫. পাক-পবিত্র স্থানে নামাজ পড়া। ৬. কেবলার দিকে ফিরে নামাজ পড়া। ৭. নামাজের নিয়ত করা।

নামাজের প্রস্তুতিস্বরূপ আল্লাহপাক এ সাতটি কাজের হুকুম দিয়েছেন। এর মাঝে অনেক হেকমত নিহিত রয়েছে। প্রথমেই আলোচনা করি নামাজের সময়সূচি নিয়ে। আল্লাহপাক প্রত্যেক নামাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সময়ের বিধান রেখেছেন। মনগড়া নামাজ পড়লেই হবে না, যে নামাজের জন্য যে সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে সে সময়েই তা আদায় করতে হবে, অন্যথায় সে নামাজ আল্লাহর কাছে গ্রহণেযোগ্য হবে না। প্রত্যেক ওয়াক্তের জন্য আল্লাহপাক নির্ধারণ করে রেখেছেন কিছু চিহ্ন ও নিদর্শন। সময় হলেই চতুর্দিক থেকে মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে ভেসে আসে সুমধুর আজানের ধ্বনি। এটা আল্লাহপাকের বিধান, যা সর্বসাধারণের সুবিধার্থে বিধিবদ্ধ হয়েছে।

আজানের বিধান কেন : আল্লাহপাক এ পৃথিবীকে আখেরাতের প্রতিচ্ছবিরূপে সৃষ্টি করেছেন। মুয়াজ্জিনের সুমধুর কণ্ঠ থেকে যখন ভেসে আসে আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ধ্বনি, তখন মুসলিম হৃদয় মাতোয়ারা হয়ে আল্লাহকে স্মরণ করতে ছুটে চলে মসজিদ পানে।

অনুরূপভাবে কেয়ামতের পর যখন হজরত ইসরাফিল (আ.) দ্বিতীয়বার শিঙায় ফুঁ দেবেন, তখনো মানুষ মধুর কণ্ঠে ভেসে আসা ধ্বনি শুনে মাতোয়ারা হয়ে আল্লাহর স্মরণে ছুটে চলবে হাশরের পানে। সেই মহাদিবসের স্মরণার্থেই আজ পৃথিবীতে আজানের বিধান। যাতে করে আজানের ধ্বনি শোনামাত্রই মানুষ অনুধাবন করতে সক্ষম হয় যে, এমনিভাবে একদিন আমাকে হাশরের ময়দানের দিকে ডাকা হবে। এতে সেই ভয়াবহ দিবসের প্রস্তুতিস্বরূপ অন্তরে আমলের তাগিদ সৃষ্টি হবে। আজান বিধিবদ্ধ হওয়ার পেছনে এ অপূর্ব হেকমত নিহিত রয়েছে।

বস্তুত আল্লাহপাক দেখতে চান, আজান শুনে কে নামাজের প্রস্তুতি নেয়, আর কে উদাসীন হয়ে বসে থাকে? যারা আজান শুনে আগ্রহ ও গুরুত্বের সঙ্গে মসজিদে উপস্থিত হয়, তারা কেয়ামতের দিন সম্মান ও চিন্তামুক্ত দিল নিয়ে উপস্থিত হবে, আর যারা নামাজ থেকে উদাসীন, মসজিদে উপস্থিত হয় না, তাদের পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ! আজান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হুকুম হলো সব কাজকর্ম ত্যাগ করে মসজিদে উপস্থিত হওয়া। আজানের পর মসজিদে না গিয়ে অন্য কাজে লিপ্ত হলে তা হবে বরকতহীন কাজ। কাজের বরকত ও প্রতিদান আল্লাহপাকের হাতে। আল্লাহপাক বরকতের সব ধারা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রাখেন।

যখন আজান হয়ে যায়, তখন বরকতের সব ধারা মসজিদের দিকে ধাবিত করে দেন। তখন অন্য কোনো কাজে এবং অন্য কোনো স্থানে বরকত থাকে না। এ সময় যারা মসজিদে থাকে, তারাই কেবল বরকত লাভ করতে পারে। যদিও দেখা যায় আজান হয়ে যাওয়ার পর দোকানে ক্রেতার ভিড় বেশি হয়, আসলে এটা দৃশ্যমান মাত্র, প্রকৃত বরকত মসজিদে। মাঠঘাট, দোকানপাট সবকিছু আজানের পর বরকতশূন্য হয়ে থাকে। সুতরাং আজানের পর শান্তি ও বরকত মসজিদেই বর্ষিত হয়।  নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারা মোবারক বিবর্ণ হয়ে যেত। অতি আদরের স্ত্রীদেরও তখন অচেনা মনে হতো।

কারও সঙ্গে কোনোরূপ কথাবার্তায় লিপ্ত না হয়ে সবকিছু বর্জন করে তিনি মসজিদে ছুটে যেতেন। হাদিসের ভাষ্য দ্বারা বোঝা যায়, কেয়ামত সংঘটিত হওয়ার পর মানুষ যখন হাশরের ময়দানের দিকে ছুটবে, তখন হজরত বেলাল হাবশী (রা.) হবেন ইসলামের পতাকাবাহী। হজরত আবু বকর, হজরত ওমর, হজরত উসমান, হজরত আলীসহ সব সাহাবা কেরাম (রা.) সেখানে উপস্থিত থাকবেন; কিন্তু পতাকাবাহী আর কেউ থাকবে না। একমাত্র পতাকাবাহী থাকবেন বেলাল হাবশী (রা.)। কারণ তিনি দুনিয়াতে আজান দিতেন, আর সে ডাকে সাড়া দিয়েই মানুষ মসজিদ পানে ছুটে যেত এবং এর মাধ্যমেই প্রমাণিত হতো কে মুসলমান আর কে মুসলমান নয়। সুতরাং সেদিন তাঁর হাতেই থাকবে মুসলমানদের পতাকা। আল্লাহপাক আমাদের সহিহ সমঝ দান করুন!




আজকের স্বর্ণের বাজারদর প্রকাশিত, ভরিতে নতুন দাম নির্ধারণ

বাণিজ্য ডেস্কঃ দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বুধবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ নতুন দাম কার্যকর হয়। আজ বৃহস্পতিবারও একই দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, সবশেষ গত ৯ এপ্রিল সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।




টাইম ১০০ প্রভাবশালী তালিকায় ‘ব্ল্যাকপিঙ্ক’ জেনি

বিনোদন ডেস্কঃ প্রভাবশালী মার্কিন সাময়িকী ‘টাইম’-এর ২০২৬ সালের বিশ্বের সেরা ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় জায়গা করে নিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছেন কে-পপ সেনসেশন ও ব্ল্যাকপিঙ্ক সদস্য জেনি। এ বছর এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় একমাত্র কে-পপ শিল্পী এবং একমাত্র দক্ষিণ কোরীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্থান পেয়েছেন তিনি।

জেনির এই অর্জন বিশ্বজুড়ে কে-পপ সংস্কৃতির ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং একক শিল্পী হিসেবে তার অনন্য উচ্চতাকেই পুনর্নিশ্চিত করেছে। টাইম ম্যাগাজিনের ‘আর্টিস্ট’ ক্যাটাগরিতে লুক কম্বস এবং ডাকোটা জনসনের মতো বৈশ্বিক তারকাদের পাশাপাশি জেনির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জেনির এই সাফল্যের নেপথ্যে গত এক বছরে তার অভাবনীয় সব রেকর্ড ও সৃজনশীল কাজ বড় ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘রুবি’ বিশ্বজুড়ে মিলিয়ন কপির বেশি বিক্রি হয়ে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এই অ্যালবামের মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ অ্যালবাম চার্টে সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকা কোরীয় একক শিল্পীর মর্যাদা পান। এ ছাড়া একই সময়ে বিলবোর্ড হট ১০০-তে তার তিনটি গান স্থান করে নেওয়া ছিল একটি বিরল ঘটনা। ডেম ইম্পালার সঙ্গে ‘ড্রাকুলা’ রিমিক্স সংস্করণে তাঁর উপস্থিতি তাকে প্রথম নারী কে-পপ একক শিল্পী হিসেবে বিলবোর্ড রক ও অল্টারনেটিভ এয়ারপ্লে চার্টের সেরা দশে জায়গা করে দেয়।

টাইম ম্যাগাজিনের এই বিশেষ সংখ্যায় জেনির ওপর আলোকপাত করতে গিয়ে জনপ্রিয় গায়িকা গ্রাসি আব্রামস তাকে এক জাদুকরী ব্যক্তিত্ব হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আব্রামস লিখেছেন যে, লাখো ভক্তের সামনে মঞ্চে পারফর্ম করা হোক কিংবা ঘরোয়া আড্ডায় কথা বলা—জেনি তার চারিত্রিক উষ্ণতা ও মায়াবী আকর্ষণে যে কাউকে মুগ্ধ করতে পারেন। তার মতে, জেনির এই অভ্যন্তরীণ শক্তিই তাকে একজন সত্যিকারের বৈশ্বিক তারকায় পরিণত করেছে।

ভক্ত ও সমালোচকদের মতে, জেনির এই স্বীকৃতি কেবল তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বিশ্ব পপ সংস্কৃতিতে দক্ষিণ কোরীয় শিল্পীদের দাপটের একটি বড় নিদর্শন। ব্ল্যাকপিঙ্কের সদস্য থেকে শুরু করে ফ্যাশন আইকন এবং এখন একক শক্তিতে বিশ্ব কাঁপানো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে জেনির এই বিবর্তন বর্তমান প্রজন্মের সংগীতশিল্পীদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। টাইম ১০০-র মতো তালিকায় তার এই অন্তর্ভুক্তি প্রমাণ করে যে, সাংস্কৃতিক প্রভাব ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে জেনি এখন এক অনস্বীকার্য নাম।




অনেক সিনেমা থেকে বাদ পড়ার অভিজ্ঞতা জানালেন প্রিয়াঙ্কা

বিনোদন ডেস্কঃ বলিউড থেকে হলিউডে সফল ক্যারিয়ার গড়া অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তাকে বারবার প্রত্যাখ্যান ও নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছে।

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বলিউডের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি তার ক্যারিয়ারে বড় প্রভাব ফেলেছিল এবং কখনো কখনো তিনি মানসিকভাবে ভেঙেও পড়েছিলেন।

প্রিয়াঙ্কা জানান, একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পরও সহ-অভিনেতার আপত্তির কারণে তাকে সেই প্রজেক্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়। শুটিং চলাকালেই সেটে এসে তাকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

স্বজনপোষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুরুতে বিষয়টি বুঝতে পারেননি। তার ভাষায়, ‘আমি ভাবতাম সবাই নিজের সন্তানের ভালো চায়, পরে ইন্ডাস্ট্রির বাস্তব রাজনীতি বুঝতে পারি।’

ক্যারিয়ারের শুরুতেই একাধিকবার প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় তিনি একসময় পেশা পরিবর্তনের কথাও ভেবেছিলেন বলে জানান এই অভিনেত্রী। তবে শেষ পর্যন্ত অভিনয়ের প্রতি আগ্রহই তাকে ধরে রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, এমন ঘটনাও ঘটেছে যেখানে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পরও পরে জানানো হয়েছে, তাকে আর প্রয়োজন নেই।




সাবানের মোড়কে তামান্নার ছবি, ক্ষতিপূরণ দাবি খারিজ

বিনোদন ডেস্কঃ বিজ্ঞাপন এবং ব্যক্তিগত স্বত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগে আইনি লড়াইয়ে বড় ধরনের ধাক্কা খেলেন জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। একটি সাবান প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে করা ১ কোটি রুপির ক্ষতিপূরণ মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন মাদ্রাজ হাইকোর্ট। পাওয়ার সোপস লিমিটেড নামক একটি কোম্পানি তামান্নার ছবি অনুমতি ছাড়াই তাদের পণ্যের প্রচারণায় ব্যবহার করেছে—এমন অভিযোগ তুলেই এই আইনি লড়াই শুরু করেছিলেন অভিনেত্রী।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, তামান্না প্রথমে নিম্ন আদালতে দাবি করেছিলেন যে, সংস্থাটি তার ছবি ব্যবহারের কোনো বৈধ অনুমতি না নিয়েই বিজ্ঞাপন প্রচার করেছে, যা তার ব্যক্তিগত প্রচারণার অধিকার বা ‘পারসোনালিটি রাইটস’ লঙ্ঘন করেছে। কিন্তু সেখানে তার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর তিনি মাদ্রাজ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। হাইকোর্ট তার সেই আপিলটিও গুরুত্ব সহকারে বিচার করার পর সম্প্রতি রায় দিয়েছেন যে, নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য পর্যাপ্ত কোনো যুক্তি বা তথ্যপ্রমাণ অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে তামান্নার ১ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সব পথ আপাতত বন্ধ হয়ে গেল।

তামিল, তেলেগু ও হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রভাবশালী এই অভিনেত্রীর জন্য আদালতের এই রায় বড় এক নেতিবাচক ফল হিসেবে দেখা হচ্ছে। আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তারকাদের ছবি ও ব্যক্তিগত তথ্য বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে চুক্তিপত্র কতটা স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন, এই রায় তা আবারও মনে করিয়ে দিল। একইসঙ্গে এই মামলাটি প্রমাণ করেছে যে, কেবলমাত্র অভিযোগ নয়, বরং অননুমোদিত ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট ও জোরালো প্রমাণ ছাড়া আদালতে এমন দাবি প্রতিষ্ঠা করা কঠিন।

তবে আইনি জটিলতার এই ধাক্কা কাটিয়ে তামান্না বর্তমানে তার হাতে থাকা একাধিক নতুন প্রজেক্টের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই রায়ের ফলে ভারতের বিনোদনজগতে সেলিব্রিটি ইমেজ রাইটস বা তারকাদের ছবি ব্যবহারের স্বত্ব নিয়ে চলমান বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল।




নতুন গল্প নিয়ে ফিরছে ‘সাইয়ারা’ নির্মাতারা

বিনোদন ডেস্কঃ রোমান্টিক-মিউজিক্যাল ছবিতে মোহিত সুরির সাফল্য ঈর্ষণীয়। গত বছর ‘সাইয়ারা’ বানিয়ে বাজিমাত করেছেন বক্স অফিসে। ছবিটিতে অভিষেক হয় আহান পাণ্ডে ও অনীত পড্ডার। রাতারাতি তারা বনে যান তারকা।

বছর না ঘুরতেই ফের মোহিতের ছবিতে আহান ও অনীত। এবারও প্রেমের গল্পই তুলে আনবেন তারা। ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে খবরটি জানিয়েছে বলিউড হাঙ্গামা।

সূত্রের মতে, প্রেমের গল্প হলেও এটি ‘সাইয়ারা’ থেকে একদমই আলাদা। ফের মোহিতের ছবিতে অভিনয়ের ব্যাপারে আহান ও অনীত দুজনেই ভীষণ আগ্রহী। প্রযোজনায় আছে যশরাজ ফিল্মস।

নতুন ছবিটি  নির্মাতা মোহিত সূরি বলেন, আমি সবসময় প্রেমের গল্প বলতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এমন গল্প, যেখানে আবেগ এতটাই তীব্র যে তা উপেক্ষা করা যায় না। এই ছবিতেও সেই গভীর অনুভূতির গল্পই তুলে ধরার চেষ্টা করছি। একই টিম নিয়ে আবার কাজ করতে পারা আমার জন্য বিশেষ কিছু।

প্রযোজক অক্ষয় বিধানি বলেন, মোহিতের সঙ্গে আমাদের কাজের সম্পর্ক শুধু সিনেমা বানানো নয়, বরং এমন অনুভূতির খোঁজ করা যা দর্শকের মনে দীর্ঘদিন থেকে যায়। সাইয়ারা আমাদের জন্য তেমনই একটি অভিজ্ঞতা ছিল। এবার আমরা আরও গভীর, আরও সুন্দর একটি গল্প তুলে ধরতে চাই।

বর্তমানে আহান কাজ করছেন আলী আব্বাস জাফরের একটি ছবিতে, যেখানে তাঁকে গ্যাংস্টার চরিত্রে দেখা যাবে। এর শুটিং শেষে আগস্ট নাগাদ মোহিতের নাম চূড়ান্ত না হওয়া ছবিটি শুরু হবে।




‘টাইম ১০০’ তালিকায় জায়গা পেলেন রণবীর কাপুর

বিনোদন ডেস্কঃ বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের নিয়ে প্রকাশিত ২০২৬ সালের ‘টাইম ১০০’ তালিকায় স্থান পেয়েছেন বলিউড অভিনেতা রণবীর কাপুর। তার সঙ্গে তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন প্রখ্যাত শেফ বিকাশ খন্না এবং প্রযুক্তি জগতের শীর্ষ ব্যক্তিত্ব সুন্দর পিচাই।

বিনোদন, রন্ধনশৈলী ও প্রযুক্তিতে অবদানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের অবস্থান আরও দৃঢ় করলেন এই তিনজন। অর্থনীতি, ক্রীড়া, শিল্প ও প্রযুক্তির বিশ্বসেরা ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে এক কাতারে উঠে এসেছে তাদের নাম।

রণবীর কাপুরের এই অর্জনে অভিনন্দন জানিয়ে অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা বলেন, ‘কিছু অভিনেতা উত্তরাধিকার সূত্রেই নিজের ঐতিহ্য বজায় রাখেন। আর কিছু অভিনেতা তাঁদের কাজ দিয়ে নিজেই একটি ইতিহাস হয়ে ওঠেন। রণবীর দ্বিতীয় ঘরানার।’

তিনি আরও বলেন, রণবীর শুধু একজন তারকা নন, বরং একজন বিশ্বমানের গল্পকার, যিনি ভারতীয় সিনেমাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরেছেন। বর্তমানে ‘রামায়ণ’ প্রজেক্টে যুক্ত থাকা রণবীরকে তিনি ভারতের ‘সাংস্কৃতিক সেতু’ বলেও উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে, তালিকায় জায়গা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শেফ বিকাশ খন্না। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এ আমাদের ঐতিহ্যের জয়, যা বিশ্ব জুড়ে সমাদৃত। আমি আশা করি এই সম্মান আমার দেশের মানুষকে তাঁদের স্বপ্নপূরণ করতে এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করতে অনুপ্রাণিত করবে।’ এই সাফল্যের কৃতিত্ব তিনি তাঁর ঠাকুরমা, মা ও বোনকে উৎসর্গ করেন।

প্রযুক্তি খাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তালিকায় স্থান পেয়েছেন গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাইও।

এবারের ‘টাইম ১০০’ তালিকায় আরও রয়েছেন ফ্যাশন জগতের রালফ লরেন, হলিউড অভিনেত্রী কেট হাডসন, অভিনেতা ইথান হক এবং মহাকাশচারী মার্ক কেলির মতো আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বরা।




অধিনায়কদের জন্য ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ চালু করছে বিসিবি

খেলাধুলা ডেস্কঃ বাংলাদেশের সাবেক ও বর্তমান জাতীয় দলের অধিনায়কদের সম্মান জানাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল খানের উদ্যোগে চালু হচ্ছে ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ হস্তান্তর অনুষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজন করা হবে ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড হস্তান্তর অনুষ্ঠান’। বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দিয়ে গর্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা বিশিষ্ট পুরুষ ও নারীদের হাতে ক্রিকেটারদের জন্য একটি স্পেশাল এডিশন প্রিভিলেজ কার্ড তুলে দেবেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল খান।’

এই কার্ডের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো না হলেও জানা গেছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়া সব অধিনায়কই এই কার্ড পাবেন। এটি মূলত একটি বিশেষ প্রবেশপত্র হিসেবে কাজ করবে, যার মাধ্যমে তারা দেশের সব মাঠে আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখতে পারবেন।

একজন সাবেক অধিনায়ক জানান, ‘তামিম ফোন করেছিল কয়েক দিন আগে। বিস্তারিত কিছু বলেনি, শুধু বলেছে যে অধিনায়কদের নিয়ে ছোট একটি আয়োজন আছে। অবশ্যই যেন উপস্থিতি থাকি। খুব আন্তরিকভাবে বলেছে, আমিও কথা দিয়েছি যে থাকব। পরে বিসিবি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।’

সাধারণত বিসিবির পক্ষ থেকে সাবেক অধিনায়কদের ম্যাচ টিকিট দেওয়া হয়। তবে এবার তাদের বিশেষ মর্যাদা দিতে আলাদা এই ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, দেশের সাবেক ও বর্তমান সব অধিনায়ক, যারা অন্তত একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচেও দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তারা এই কার্ডের আওতায় থাকবেন।