Topaz AI Cracked Stable [x64] Clean Ultimate

Poster
🔒 Hash checksum:
%DHASH%


📆 Last updated: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz processor needed
  • RAM: 4 GB or higher
  • Disk space: Free: 64 GB

Topaz AI is a suite of AI-powered tools for enhancing the quality of images and videos: upscaling, denoising, sharpening, masking, and color correction using machine learning. Suite of AI-powered software for video and photo enhancement. Employs neural networks to enhance sharpness, reduce noise, and improve detail. Offered as a plugin for editing software or as a separate app. Ideal for photographers, video editors, restorers, and archival Professionals. Designed for rapid enhancement with minimal visual distortion.

  • Patch file supports all known build numbers
  • Topaz AI 2025 Full-Activated no Virus [x86-x64] Stable FREE
  • Keygen tool with backup & restore key options
  • Topaz AI Crack for PC [Patch] (x32-x64) [100% Worked] FREE
  • Latest product key tool – updated July 2025
  • Topaz AI 6 Pre-Activated Windows 10 [Windows] MediaFire
  • Generate serial numbers with one-click keygen tool
  • Topaz AI Portable only [Lifetime] (x86x64) [Clean] 2025 FREE
  • Download crack with fully automated and silent activation process
  • Topaz AI 7 Portable only All Versions Full Unlimited FREE
  • Activation tool working offline without internet
  • Topaz AI 7 Portable + Activator [Patch] Lifetime 2025 FREE



রূপগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ‘খারা মোশাররফ’র নেতৃত্বে হামলা: ১৮ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট

বিশেষ প্রতিবেদকঃ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছেন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘গ্রীন টিভি’ ও ‘প্রতিদিনের বাংলাদেশ’-সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা। গত রবিবার (০৫ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নাওড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় সন্ত্রাসীরা সাংবাদিকদের মারধর করে প্রায় ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের পেশাদার ভিডিও সরঞ্জাম ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এই ঘটনায় গ্রীন টিভির ভিডিও জার্নালিস্ট মোঃ শরীয়তুল্লা বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-১৬ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ গ্রীন টিভিতে নাওড়া এলাকার মোশাররফ হোসেনের মাদক ব্যবসা, নারী নির্যাতন ও সাধারণ মানুষের ওপর নিপীড়নের বিষয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৫ এপ্রিল বিকেলে গ্রীন টিভি, প্রতিদিনের বাংলাদেশসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা পুনরায় সংবাদ সংগ্রহে নাওড়া এলাকায় গেলে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা মোশাররফের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

হামলাকারীরা সাংবাদিকদের এলোপাথাড়ি মারধর ও লাঞ্ছিত করে। একপর্যায়ে বিবাদী শরীয়তুল্লা গ্রীন টিভির ১৭ লাখ টাকা মূল্যের একটি প্যানাসনিক-৩৭২ ভিডিও ক্যামেরা, ৪০ হাজার টাকার ট্রাইপড এবং ৮০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ওয়্যারলেস মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে শোরগোল শুরু হলে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা সাংবাদিকদের হত্যার হুমকি দিয়ে এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ শরীয়তুল্লা বলেন, “পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আমাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। আমাদের মূল্যবান সরঞ্জাম লুট করার পাশাপাশি আমাদের জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার দাবি করছি।”

এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে সাংবাদিকদের ওপর এমন ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।




ঢাকা ওয়াসার রাজস্ব কর্মকর্তা ইকরামের বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ

এসএম বদরুল আলমঃ ঢাকা ওয়াসার ২ নম্বর জোনের রাজস্ব কর্মকর্তা এএমএম ইকরামকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ঘুরপাক খাচ্ছে। জালিয়াতি, মিথ্যাচার, দলীয় প্রভাব খাটানো, ঘুষ বাণিজ্য এমনকি একই সঙ্গে দুটি সরকারি চাকরি করার মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট মহলে এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি ‘ঢাকা ওয়াসার ইবলিশ’ হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, তথ্য গোপন করে একদিকে ঢাকা ওয়াসায় চাকরি চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তিনি নোয়াখালী পৌরসভার সচিব হিসেবেও দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ৯ বছর ধরে তিনি দুই প্রতিষ্ঠান থেকেই নিয়মিত বেতন তুলেছেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর তিনি নোয়াখালী পৌরসভার চাকরি ছেড়ে দেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী চাকরিচ্যুত হওয়ার কথা থাকলেও ঢাকা ওয়াসা কর্তৃপক্ষ তাকে কেবল নিম্নতর বেতন স্কেলে নামিয়ে শাস্তি দিয়ে দায়িত্বে বহাল রাখে।

জানা যায়, ২০০১ সালের ৯ অক্টোবর উচ্চমান সহকারী (ইউডিএ) পদে ঢাকা ওয়াসায় যোগ দেন ইকরাম। চাকরির শুরুর দিকে তাকে বোতলজাত পানি উৎপাদন প্ল্যান্টে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে তার বিরুদ্ধে প্রথম আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা পড়ে, যেখানে উল্লেখ করা হয় তিনি একই সময়ে নোয়াখালী পৌরসভায় সচিব হিসেবে কর্মরত থেকে বেতন নিচ্ছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে তার দ্বৈত চাকরির বিষয়টি সত্য বলে প্রমাণিত হয়।

সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধিমালা-১৯৭৯ অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর একাধিক চাকরি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এটি গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলেও ইকরামের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং তার বেতন স্কেল সামান্য কমিয়ে দেওয়া হয় এবং বরখাস্তকালীন সময়কে ‘অসাধারণ ছুটি’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

তথ্য অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, ওয়াসায় কর্মরত থাকা অবস্থায়ই তিনি নোয়াখালী পৌরসভায় সচিব পদে আবেদন করে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং ২০০৫ সালের ৭ জুন সেখানে যোগ দেন। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি দুই জায়গায় সমান্তরালভাবে দায়িত্ব পালন করেন। অনেক ক্ষেত্রে তিনি নিজে উপস্থিত না থেকে অন্য কাউকে দিয়ে দায়িত্ব পালন করাতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পদোন্নতি নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তাকে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়, যা ২০১৩ সাল থেকে কার্যকর দেখানো হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ১৩ জানুয়ারি তাকে রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। অথচ তার আগের জ্যেষ্ঠ ২৫ জন কর্মকর্তা এখনো একই পদে রয়ে গেছেন, যা নিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে তিনি উপপ্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা (ডিসিআরও) পদে পদোন্নতির জন্যও তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন, যদিও সংশ্লিষ্টদের মতে এই পদে উন্নীত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা তার নেই। একই সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

এছাড়াও, প্রেষণ ছাড়াই পিপিআই প্রকল্পে ফিল্ড সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং একই সময়ে একাধিক উৎস থেকে বেতন গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার স্ত্রী সালমা আক্তার মিনা ঢাকা ওয়াসার পিএন্ডডি সার্কেলে পিএ কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে মাস্টাররোলে কর্মরত আছেন। অভিযোগ আছে, আত্মীয়স্বজনদের আউটসোর্সিং ও মাস্টাররোলে নিয়োগ দিতেও তিনি প্রভাব খাটিয়েছেন।

এদিকে তার সহকর্মীদের পক্ষ থেকে একাধিক লিখিত অভিযোগ ওয়াসা প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হলেও দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। বরং প্রভাব খাটিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া থামিয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের অনিয়ম শুধু প্রশাসনিক নয়, ফৌজদারি অপরাধের মধ্যেও পড়ে। তাদের মতে, এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত এবং যারা তাকে লঘুদণ্ড দিয়েছেন তাদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য এএমএম ইকরামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।




ডিসির বিরুদ্ধে অডিও ক্লিপ ভাইরাল: ইউএনও হোসনে আরাকে আবারও বদলি

ডেস্ক নিউজঃ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সদ্য সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসনে আরাকে এবার সাতক্ষীরার তালা থেকে রাজশাহী বদলি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দেশজুড়ে আবার নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. বরমান হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, হোসনে আরাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হতে প্রত্যাহারপূর্বক সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে পরবর্তী পদায়নের জন্য রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদের বিরুদ্ধে ইউএনও হোসনে আরার একটি অডিও ক্লিপ স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

ছড়িয়ে পড়া অডিওতে ইউএনও হোসনে আরাকে স্থানীয় এক সাংবাদিকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলতে শোনা গেছে।

সেখানে তিনি ওই সাংবাদিককে বলেন, জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মাসউদ তাকে (ইউএনও) টাকাসহ বিভিন্ন অনৈতিক প্রস্তাব দেন। তাতে রাজি না হওয়ায় বিধিবহির্ভূতভাবে বদলি করিয়েছেন।

ইউএনও বলেন, ‘একটা মানুষের যত খারাপ দোষ থাকে সব কিছুই তার আছে। মন্ত্রীর পা ছুঁয়ে এসে জামায়াতের গলা ধরেন। তার কোনো চরিত্র নাই। লাখ টাকার দুর্নীতি করেন। তা আপনারা নিউজ করেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘তিনি খারাপ লোক। তার সঙ্গে কি নাইট স্টে করতে হবে। বারবার পরিষদে বিধিবহির্ভূত বরাদ্দ নিতে বলেন। আমি তাতে রাজি হয়নি। আমার অসুস্থ দুইটা বাচ্চাকে নিয়ে দ্রুত এখান থেকে চলে যেতে বলেছেন।’

এ ঘটনায় কয়েক দিন আগে তাকে ঝিনাইদহ থেকে সাতক্ষীরার তালায় বদলি করা হয়েছিল।

জেলা সচেতন সমাজের প্রতিনিধি ও মানবাধিকারকর্মী আনোয়ারুজ্জামান আজাদ বলেন, বর্তমান সরকার যেখানে নারীর সুশাসন ও ক্ষমতায়নের কথা বলছে, সেখানে এক নারী ইউএনওর সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

কয়েক দিন আগেই তাকে ঝিনাইদহ থেকে সাতক্ষীরার তালায় বদলি করা হয়েছিল।

আজ আবার তাকে রাজশাহীতে বদলি করা হয়েছে। এটা অত্যন্ত পরিতাপের।

আমার মনে হয়, ওই অডিও ক্লিপ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ ক্ষুব্ধ হয়ে এমনটা ঘটাতে পারেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের তদন্ত করা উচিত।

এ বিষয়ে ইউএনও হোসনে আরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।




রাজউকের মালিবাগ কোয়ার্টার এখন অব্যবস্থাপনা, মাদক ও দুর্নীতির আখড়া

এসএম বদরুল আলমঃ রাজধানীর মালিবাগে অবস্থিত রাজউকের অফিসার্স কোয়ার্টার এখন যেন বসবাসের অযোগ্য এক পরিবেশে পরিণত হয়েছে। যেখানে উন্নয়ন আর নিরাপদ বসবাসের কথা, সেখানে দেখা যাচ্ছে ময়লা পানি, অপরিচ্ছন্নতা, মশার উপদ্রব এবং নানা ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড। দীর্ঘদিন ধরে এই কোয়ার্টারে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের।

অভিযোগ রয়েছে, রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) এবং বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর দায়িত্বে থাকা মো. আবু সাইদের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এই সিন্ডিকেট উন্নয়নের নামে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ পেলেও বাস্তবে কাজ হয় খুবই নিম্নমানের। একই কাজ বারবার দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে কোটি কোটি টাকা খরচ হলেও কোয়ার্টারের বাস্তব চিত্র বদলায়নি।

কোয়ার্টারের বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা নোংরা পানি থেকে মশার বংশবিস্তার হচ্ছে। এতে ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। ইতিমধ্যে এখানে বসবাসকারী বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। অথচ এই সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না।

অভিযোগ আছে, দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজান ও আমিনুল বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে এড়িয়ে যাচ্ছেন। বাসিন্দারা বারবার অভিযোগ করলেও তারা নানা অজুহাতে সময় পার করছেন। ফলে বাসিন্দারা ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, কলেরা ও টাইফয়েডের মতো রোগের ঝুঁকিতে বসবাস করছেন।

এদিকে কোয়ার্টারের ভেতরেই গড়ে উঠেছে মাদক ব্যবসার নেটওয়ার্ক। পাম্পচালক সুমনের নেতৃত্বে ইয়াবা, ফেন্সিডিল ও মদের ব্যবসা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হিসেবে অফিস সহকারী ইউসুফ, ড্রাইভার ইলিয়াছ, আসাদুল, মেকানিক আবুল কাশেম ওরফে জামাই কাশেম এবং জাহেদ ইবনে নোমান (জুয়েল)-এর নাম উঠে এসেছে। এর আগে সুমন মাদকসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে মামলাও চলমান রয়েছে।

শুধু মাদকই নয়, কোয়ার্টারের ড্রাইভারদের ডরমেটরিতে নিয়মিত জুয়ার আসর বসছে। আবুল কাশেম ও ইলিয়াছের নেতৃত্বে এই জুয়ার বোর্ড পরিচালিত হয়। রাতের বেলায় সেখানে বহিরাগতদের আনাগোনা বেড়ে যায় এবং মাদক সেবনও চলে। আগে পার্কিং এলাকায় এসব কার্যক্রম হলেও এখন ডরমেটরির ভেতরেই তা চলছে।

অভিযোগ রয়েছে, করোনাকালীন সময়েও কোয়ার্টারের একটি ভবনের লোহার ফ্রেম কেটে বিক্রি করে দেওয়া হয়, যার পরিমাণ ছিল প্রায় ৪ টন। কিন্তু প্রভাবশালী মহলের কারণে বিষয়টি চাপা পড়ে যায়।

বর্তমানে কোয়ার্টারের অনেক রুম অবৈধভাবে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। ড্রাইভার ইলিয়াছ, জুয়েল, খুরশীদ আলম (মিলন), ফারুকসহ অনেকেই একাধিক রুম ভাড়া দিয়েছেন। এসব রুমে বিভিন্ন পেশার লোকজন বসবাস করছেন, যাদের অনেকেই বহিরাগত। এর মাধ্যমে মাসে বড় অঙ্কের অর্থ আয় হচ্ছে, যার একটি অংশ নাকি দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তার কাছেও যায়।

এছাড়া এখানে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাতও বেড়েছে। জুয়েলের ছেলে আইজান, জাকিরের ছেলে শুভসহ কয়েকজনের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই গ্যাং কোয়ার্টারের পরিবেশ নষ্ট করছে। তারা নিয়মিত আড্ডা, ইভটিজিং এবং মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, কিছু বাসায় অতিরিক্ত লোক সাবলেট হিসেবে রাখা হচ্ছে। যেমন ডিডি আসমা বেগমের বাসায় প্রায় ২০ জনের মতো মানুষ থাকেন। তার বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে নানা অনিয়ম করার অভিযোগও উঠেছে।

সব মিলিয়ে, যেখানে রাজউকের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার কর্মকর্তাদের জন্য নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ থাকার কথা, সেখানে এখন চলছে দুর্নীতি, মাদক ব্যবসা, জুয়া এবং অব্যবস্থাপনা। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিষ্ক্রিয়তার কারণে পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে।

সচেতন মহলের দাবি, এই কোয়ার্টারের সব অনিয়ম তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাশাপাশি অবৈধ দখল, মাদক ব্যবসা ও জুয়ার আসর বন্ধ করে কোয়ার্টারের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।




সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক

ডেস্ক নিউজঃ রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের নিজ বাসভবন থেকে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, ডিবির একটি বিশেষ দল গভীর রাতে এই অভিযান পরিচালনা করে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে থাকা শিরীন শারমিন চৌধুরীকে অবশেষে আইনের আওতায় আনা হলো।

গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই তার অবস্থান নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর খবরও ছড়িয়ে পড়ে।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর থেকে টানা এক দশকেরও বেশি সময় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ পুনরায় সরকার গঠন করলে তাকে আবারও স্পিকার নির্বাচিত করা হয়। তিনি রংপুর-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে আসছিলেন।

উল্লেখ্য, ৫ আগস্ট গণ-আন্দোলনের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পর ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীও তার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর দীর্ঘ সময় তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।




CyberGhost Portable tool Universal Stable 2024

Poster
🧮 Hash-code:
%DHASH%


📆 %DDATE%

  • Processor: 1+ GHz for cracks
  • RAM: 4 GB for crack use
  • Disk space: 64 GB for install

Internet anonymity with your very own Virtual Private Network connection that makes your Internet experience simple as well as secure. Websites you visit usually bundle trackers for targeted advertising, search engines monitor user habits and profiles to offer suggestions, and so on. While these measures are meant to enhance the user experience, it is equally true that some might feel, and for good reason, that there are too many prying eyes watching. Online privacy has become a concern of any computer user.

  1. Activation override module for protected installers
  2. CyberGhost Crack + License Key Full x86-x64 Final Multilingual FREE
  3. Universal crack patch for software version compatibility
  4. CyberGhost Portable + Crack [Clean] (x64) Lifetime FREE
  5. Trusted crack source with no malware
  6. CyberGhost Crack [Windows] [x86-x64] Patch Reddit FREE
  7. Product key recovery tool for reactivating software
  8. CyberGhost Crack exe Universal [x86-x64] Final GitHub



Microsoft Office Portable + Serial Key Latest Stable 2025

Poster
📎 HASH: %DHASH%


Updated: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz CPU for bypass
  • RAM: 4 GB or higher
  • Disk space: 64 GB for patching

Microsoft Office is a suite for documents, spreadsheets, presentations, and email. It provides Word, Excel, PowerPoint, and Outlook including collaboration capabilities. It facilitates cloud integration, real-time co-authoring, and advanced formatting. Used extensively in business, education, and personal productivity. Known for user-friendly interface and seamless interoperability.

  1. Keygen download – no virus, no surveys
  2. Microsoft Office 2025 Crack + Keygen [no Virus] [Latest] MEGA FREE
  3. License recovery software compatible with major software applications
  4. Microsoft Office Crack for PC Stable (x32x64) Patch 2025 FREE
  5. Download crack installer featuring silent activation mode
  6. Microsoft Office Crack tool [Latest] [x86-x64] no Virus FREE




SketchUp 2022 Portable only Full [Patch] 2024

Poster
🔗 SHA sum:
%DHASH%
Updated: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz chip recommended
  • RAM: Minimum 4 GB
  • Disk space: 64 GB for setup

SketchUp is intuitive 3D modeling software used in design projects. SketchUp facilitates rapid creation, modification, and visualization of models. SketchUp accommodates plugins and integrates with rendering and CAD applications. Used widely by architects, designers, and hobbyists. Known for fast workflows and collaboration features. Ideal for conceptualizing and presenting design ideas.

  1. License key injector with support for multiple activations
  2. SketchUp Free[Activated] [Final] (x86-x64) Windows 11 FREE
  3. Download keygen offering export to several popular key formats
  4. SketchUp License[Activated] [Lifetime] Stable
  5. Bypass login and license sync with modified config
  6. SketchUp Portable for PC [Full] 100% Worked Premium FREE
  7. License key backup and restore tool with strong encryption methods
  8. SketchUp Cracked Patch (x32x64) [100% Worked] Genuine FREE



Microsoft Project Professional Portable + Product Key All Versions [Windows] Multilingual

Poster
📡 Hash Check: %DHASH%


📅 Last Update: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz processor needed
  • RAM: 4 GB for crack use
  • Disk space: Required: 64 GB

Rich-featured project management software that allows you to deliver personalized projects with the aid of templates and collaboration, reporting and presentation tools. Microsoft Project Professional is a powerful and reliable platform designed for project management and analysis. It delivers easy planning and collaboration, task prioritization and visually compelling presentations that allow teams to be more efficient and productive.

  1. Silent patch installation without user prompts
  2. Microsoft Project Professional Portable exe [no Virus] [x32x64] [Final] Tested
  3. Permanent license activation – works after reinstall
  4. Microsoft Project Professional Free[Activated] Full Final MEGA
  5. Auto-patch tool – applies crack on launch
  6. Microsoft Project Professional Portable tool Universal Full Genuine FREE