চট্টগ্রাম বন্দরে প্রভাবের অদৃশ্য জাল: কর্মকর্তা-শ্রমিক নেতাদের ঘিরে নতুন করে অভিযোগের বিস্তার

এসএম বদরুল আলমঃ চট্টগ্রাম বন্দরের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরেই একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকার কথা শোনা যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন তথ্য, নথি এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রের বক্তব্য বিশ্লেষণ করে বোঝা যাচ্ছে, বিষয়টি আগের ধারণার চেয়েও অনেক বড় ও জটিল। এখানে শুধু শ্রমিক রাজনীতি নয়, বরং কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন স্তরের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক কাজ করছে—এমন অভিযোগ উঠেছে।

এই আলোচনার কেন্দ্রে যাদের নাম ঘুরে ফিরে আসছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন সিবিএ সংশ্লিষ্ট নেতা নায়েবুল ইসলাম ফটিক, শ্রমিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ইব্রাহিম খোকন ও শেখ নূরুল্লাহ বাহার। এছাড়া পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম, শিপিং শাখার প্রধান সহকারী রফিকুল ইসলাম সেতু, প্রশাসনিক কর্মচারী আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং প্রধান সহকারী সরোয়ার হোসেন লাভলুর নামও বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, প্রভাব বিস্তার এবং আর্থিক সুবিধা নেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নায়েবুল ইসলাম ফটিককে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে তার তথাকথিত ‘অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ’ নিয়ে। অভিযোগ আছে, দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকলেও তার প্রভাব কমেনি। বরং তার ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে বন্দরের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমে তার প্রভাব অব্যাহত রয়েছে। এমনকি গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্তেও তার মতামত কার্যকর হয়েছে বলে দাবি করছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

অন্যদিকে, ইব্রাহিম খোকন ও শেখ নূরুল্লাহ বাহারকে ঘিরে শ্রমিক রাজনীতির আড়ালে প্রভাব বলয় তৈরির অভিযোগ উঠেছে। বলা হচ্ছে, তারা শুধু শ্রমিক সংগঠনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন, বরং বিভিন্ন বাণিজ্যিক কার্যক্রমেও প্রভাব খাটাচ্ছেন। কমিশন বাণিজ্য, সুবিধা আদায় এবং নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সুযোগ করে দেওয়ার মতো অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে।

পরিচালক পর্যায়েও প্রশ্ন উঠেছে। পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ—তিনি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে পক্ষপাত দেখান, নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সুবিধা দেন এবং কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকতে পারেন। যদিও এসব বিষয় নিয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

শিপিং শাখা ও প্রশাসনিক স্তরেও অনিয়মের অভিযোগ কম নয়। রফিকুল ইসলাম সেতু, আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং সরোয়ার হোসেন লাভলুর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে—নিয়োগ ও বদলি প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, তথ্য ফাঁস এবং প্রভাব খাটানোর মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার। দীর্ঘদিন ধরে এসব অভিযোগ থাকলেও দৃশ্যমান কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায় না।

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইস্যুতেও নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যক্তি একদিকে আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন, আবার অন্যদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এতে আন্দোলনের উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

এর পাশাপাশি কয়েকজনের বিরুদ্ধে আয়ের উৎসের সঙ্গে মিল না থাকা সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে। একাধিক স্থানে সম্পত্তি, ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব এবং অস্বচ্ছ আর্থিক লেনদেন নিয়ে আলোচনা চলছে। জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশন ২০২৪ সালে কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তলব করে তাদের সম্পদের হিসাব চেয়েছিল এবং একটি প্রাথমিক অনুসন্ধানও শুরু হয়। তবে সেই তদন্তের অগ্রগতি এখনো পরিষ্কার নয়।

সব মিলিয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—এত অভিযোগ থাকার পরও কার্যকর ব্যবস্থা কোথায়? অনুপস্থিত কর্মচারী এখনও বহাল, বিতর্কিত বদলি কার্যকর হয়নি, অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অনেকে দায়িত্বে রয়েছেন। এতে করে বন্দর প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাই এখানে যদি সত্যিই এমন একটি প্রভাবশালী বলয় সক্রিয় থাকে, তাহলে তা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়—পুরো জাতীয় অর্থনীতির জন্যই উদ্বেগজনক। এখন সবচেয়ে জরুরি হলো স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা।




ঢাকায় গণপূর্তে গোপন প্রভাববলয়: সমীরণ মিস্ত্রীকে ঘিরে বদলি ও টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ

এসএম বদরুল আলমঃ ঢাকার গণপূর্ত অধিদপ্তরকে ঘিরে আবারও নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে। ভেতরের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর দাবি, পুরো বিভাগজুড়ে এক ধরনের অদৃশ্য প্রভাববলয় কাজ করছে। এই বলয়ের কেন্দ্রীয় ব্যক্তি হিসেবে বারবার উঠে আসছে সমীরণ মিস্ত্রীর নাম। অফিসের ভেতরে-বাইরে তার প্রভাব নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। অনেকে মনে করেছিলেন রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি বদলাবে, কিন্তু বাস্তবে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। বরং প্রভাবশালী কিছু প্রকৌশলী এখনও রাজধানীতেই নিজেদের অবস্থান শক্ত করে রেখেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারর ঘনিষ্ঠ একটি গোষ্ঠী এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং সেই গোষ্ঠীর অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে সমীরণ মিস্ত্রীর নাম সামনে আসছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ, প্রকল্প বণ্টন, এমনকি কর্মকর্তাদের কোথায় পোস্টিং হবে—এসব ক্ষেত্রেও তার প্রভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভেতরের সূত্রগুলো বলছে, অনেক সিদ্ধান্তই নাকি আনুষ্ঠানিকভাবে নয়, বরং অঘোষিতভাবে এই প্রভাববলয়ের মাধ্যমে ঠিক করা হয়।

শেরেবাংলা নগর এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে মেরামতের নামে প্রায় ৮০ কোটি টাকার কাজ দেখানো হলেও বাস্তবে তার উল্লেখযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। বলা হচ্ছে, এসব প্রকল্পের বিল-ভাউচারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং সেই টাকা কিছু ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের মধ্যে ভাগ হয়ে গেছে। একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে সংসদ সচিবালয়ের কাজ নিয়েও, যেখানে প্রকল্পের প্রকৃত কাজের তুলনায় খরচ অনেক বেশি দেখানো হয়েছে।

এছাড়া বদলি বাণিজ্য নিয়েও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভেতরের তথ্য অনুযায়ী, পছন্দের জায়গায় পোস্টিং পেতে কর্মকর্তাদের বড় অঙ্কের টাকা দিতে হচ্ছে। এই তথাকথিত ‘পেইড পোস্টিং’ সিন্ডিকেটের সঙ্গে সমীরণ মিস্ত্রীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে আলোচনা চলছে। কেউ কেউ দাবি করছেন, ভালো পদে যেতে কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন হচ্ছে।

সমীরণ মিস্ত্রী দীর্ঘ সময় ধরে গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ ইএম বিভাগ-৭ এ দায়িত্ব পালন করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, পরে গণপূর্ত সচিব শহীদুল্লাহ খন্দকার এবং প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফ আহমেদর প্রভাব ব্যবহার করে তিনি নিয়ম বহির্ভূতভাবে একই বিভাগে বছরের পর বছর অবস্থান ধরে রাখেন। এমনকি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের—যেমন শেখ হেলালশেখ জুয়েল—সঙ্গে সম্পর্ক ব্যবহার করে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর তাকে ইএম বিভাগ-৭ থেকে পিএন্ডডি বিভাগ-১ এ বদলি করা হয় এবং তার জায়গায় দায়িত্ব পান আনোয়ার হোসেন। কিন্তু বদলির পরও তার প্রভাব পুরোপুরি কমেনি বলে অভিযোগ। বিশেষ করে তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সিফাত ওয়াসীকে নিয়েও ব্যাপক আলোচনা চলছে। বলা হচ্ছে, সমীরণ মিস্ত্রীর অনুরোধেই পরবর্তীতে সিফাত ওয়াসীকেও তার নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়, যা ঘটেছে সরকারি ছুটির দিনেই—যা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

সিফাত ওয়াসীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি নিজ আওতাধীন এলাকায় দায়িত্ব পালনে চরম অদক্ষতা ও দুর্নীতির পরিচয় দেন। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো বারবার আড়াল করা হয়েছে সমীরণ মিস্ত্রীর প্রভাবের কারণে। দায়িত্ব পালনের পুরো সময়টিতেই তিনি নির্বাহী প্রকৌশলী সমীরণ মিস্ত্রীর সঙ্গে লেপ্টে ছিলেন।

এ নিয়ে সে সময়ে নানা কথাবার্তা উঠলেও সমীরণ তার ক্ষমতাবলে আগলে রেখেছিলেন সিফাত ওয়াসীকে। সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের স্ত্রী সিফাত ওয়াসীকে বদলি করার জন্য প্রধান প্রকৌশলীকে অনুরোধ জানালেও সমীরণ নিজ ক্ষমতাবলে তা আটকে দিয়েছিলেন। সে সময়ে গুঞ্জন উঠেছিল তারা বিয়ে করেছেন।

ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও এই দুই কর্মকর্তাকে ঘিরে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে, যা অফিসের পরিবেশেও প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন অনেকে। যদিও এসব বিষয়ে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তাদের নীরবতা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠছে।

বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী দায়িত্ব নেওয়ার পর কিছুটা পরিবর্তনের আশা তৈরি হলেও এখনো পর্যন্ত মূল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, এই প্রভাবশালী চক্র এখনো আগের মতোই সক্রিয় রয়েছে।

সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে—গণপূর্ত অধিদপ্তরের এই দীর্ঘদিনের অভিযোগ ও অনিয়মের অবসান আদৌ হবে কি না, নাকি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে সবকিছু আগের মতোই চলতে থাকবে। এখন সবার নজর নতুন নেতৃত্বের দিকে, তারা কতটা কার্যকরভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেন, সেটাই দেখার বিষয়।




স্মৃতিসৌধে জাতীয় পার্টি-ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের হাতাহাতি, জাতীয় পার্টির নেতা আহত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ঢাকার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের আগমুহূর্তে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে লাইনে অপেক্ষা করার সময় এ ঘটনা ঘটে।

হাতাহাতি ও উত্তেজনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী। অন্যদিকে ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক ও জাতীয় ছাত্রশক্তির সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসান লাবীব।

এ ঘটনায় জাতীয় পার্টির অন্তত একজন নেতা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ব্যানারসহ মিছিল ও ফুল নিয়ে লাইনে অপেক্ষা করার সময় একটি গ্রুপ তাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। এ সময় জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা ভদ্রভাবে তা প্রতিরোধ করেন।

অন্যদিকে জাতীয় ছাত্রশক্তির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, জাতীয় পার্টি স্লোগান দেওয়ার সময় ছাত্রশক্তির পক্ষ থেকেও “মুজিববাদের দালালেরা হুশিয়ার সাবধান”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া শুরু হলে জাতীয় পার্টির এক নেতা ছাত্রশক্তির সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারি নাঈম আবেদিনের ওপর হামলা করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা জাতীয় পার্টির ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন।

ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা এখনো জানি না কারা করেছে (হামলা)। তবে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, একাত্তরবিরোধী চক্র—যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না, যারা পাকিস্তানকে ধারণ করে, যারা পাকিস্তানে আবার ফিরে যেতে চায়—তারা এই পবিত্র জায়গায় এই অপবিত্র কাজটি করতে পারে।”

তিনি বলেন, “আমরা যখন মিছিল নিয়ে আসছিলাম, তখন কিছু ছেলেপেলে আমাদের মিছিলে আক্রমণ করেছে। তবে আমাদের নেতাকর্মীরা সেটিকে ভদ্রভাষায় প্রতিহত করেছে।”

তিনি আরও দাবি করেন, “এই ঘটনায় জাতীয় পার্টির কেউ হতাহত হয়নি। আমরা সর্বোচ্চ সাহসিকতার সঙ্গে ব্যাপারটি দেখেছি, আমরা তাদের উগ্র ফাঁদে পা দেইনি।”

অন্যদিকে জাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক ও জাতীয় ছাত্রশক্তির সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসান লাবীব বলেন, “সেখানে জাতীয় পার্টির লোকজন নানা ধরনের স্লোগান দিচ্ছিল। এসময় আমরাও স্লোগান দেওয়া শুরু করি, ‘মুজিববাদের দালালেরা হুঁশিয়ার, সাবধান’। এসময় জাতীয় পার্টির একজন নেতা আমাদের ছাত্রশক্তির একজন নেতার ওপর হামলা করেন, পরে আমাদের ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা তাদের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন।”

এদিকে শামীম হায়দার পাটোয়ারী দাবি করেন, নির্বাচনে হীন প্রক্রিয়া ও নীল নকশার মাধ্যমে জাতীয় পার্টিকে পার্লামেন্ট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “একটা হীন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, একটা নীল নকশার মাধ্যমে জাতীয় পার্টিকে পার্লামেন্ট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, দীর্ঘমেয়াদে এই ষড়যন্ত্র সফল হবে না। জাতীয় পার্টি ফিরে আসছে এবং বারবার ফিরে আসবে।”

তিনি বলেন, “২৬শে মার্চ আমাদের হাজার বছরের বাঙালির অর্জন। স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে জাতীয় পার্টি এগিয়ে চলছে এবং সামনেও এগিয়ে চলবে।”

“আমরা একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ চাই, একটা সমতার বাংলাদেশ চাই, একটা সকলের বাংলাদেশ চাই। কিছু ব্যক্তি মনে করে বাংলাদেশ তার নিজস্ব দলের। কিছু ব্যক্তি মনে করে বাংলাদেশ তাদের পৈতৃক ধন। এই বাংলাদেশের মালিক বাংলাদেশের জনগণ, আর জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল দল হিসাবে জাতীয় পার্টি রাজনীতি করছে। সামনেও রাজনীতি করবে”, যোগ করেন শামীম।




স্বাধীনতা দিবসে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ডেস্ক নিউজঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৭টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর পরই তিনি মা-বাবার সমাধিসৌধে উপস্থিত হন। পরে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়েও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

এর আগে, আজ সকাল ৬টায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে’ উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী।




স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ডেস্ক নিউজঃ আজ ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। এ সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শহিদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। রাষ্ট্রপতির সাথে আনুষ্টানিক শ্রদ্ধা নিবেদনের পরই মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং সেখানে উপস্থিত বিদেশি কূটনীতিকদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।

এদিকে, জাতির সূর্য সন্তানদের প্রতি আরও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি তার সাথে ছিলেন অন্যান্য বিচারপতিরাও। এরপরই, তিন বাহিনীর প্রধান পরে- মুক্তিযোদ্ধা, তাদের পরিবারের সদস্য এবং জুলাই আন্দোলনে আহত ও নিহত পরিবারের সদস্য শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনও ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।




মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ

ডেস্ক নিউজঃ আজ ২৬ মার্চ। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত লড়াইটা শুরু হয়েছিল ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ। জাতি বীর শহিদদের আত্মদানের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে আজ।

একাত্তরের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাঙালি জাতির ওপর হামলে পড়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। কিন্তু বাঙালি জাতি সর্বশক্তি দিয়ে পালটা প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং স্বাধীনতার চূড়ান্ত লড়াইয়ের সূচনা করে। ৯ মাসের ধারাবাহিক রক্তক্ষয়ী লড়াই, অকাতরে আত্মদান এবং বীরত্বের স্বাক্ষর রেখে ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ ভোরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে প্রথম বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়ে তারেক রহমান প্রথম বার স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবার প্রথম বারের মতো জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় আচারের অংশ হিসেবে তিনি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপনের জন্য সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো এ উপলক্ষ্যে তিন স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করেছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকাসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের সূচনা হবে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনসমূহ, সিটি করপোরেশন এবং ঢাকার দৃশ্যমান উঁচু ভবনসমূহে বৃহদাকার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের পরে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এছাড়া বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকরাও জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা আয়োজনে গৌরবের দিনটি পালন করবে। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।

ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির : বর্তমান ও ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য একটি ইনসাফভিত্তিক, স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কর্মমুখর বাংলাদেশ বিনির্মাণে দল-মত-পথনির্বিশেষে দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দীর্ঘদিনের অপশাসন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পরিস্থিতির বিরূপ প্রভাব দেশ ও দশের ওপর পড়ছে। সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে একটি স্বনির্ভর, গতিশীল ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে চলেছে। এ সময় দৃঢ় জাতীয় ঐক্য, সহমর্মিতা ও দেশপ্রেম খুব জরুরি।’

মহান স্বাধীনতা দিবস আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে :প্রধানমন্ত্রী :প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে।’ ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ উপলক্ষ্যে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণসহ প্রবাসে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির অগ্রগতি ও উন্নয়নের ধারাকে আরো বেগবান করতে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে হূদয়ে ধারণ করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘আসুন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাত্পর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করি।’

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেওয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া এবার সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ঢাকার গাবতলী থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত সড়কে তোরণ, পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো হয়নি। জ্বালানি-সংকট মাথায় রেখে কৃচ্ছ্রসাধনের উদ্দেশ্যে এবার ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে দেশব্যাপী কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না। আজ বিকালে বঙ্গভবনের সবুজ লনে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবার ও জীবিত খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। ২৬ মার্চ সকাল ৮টায় দেশের সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের সমাবেশ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হবে। আজ সকাল ৯টায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীর অর্কেস্ট্রা দল ও ওয়ারফেজের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরি : স্বাধীনতাকে অর্থবহ ও কার্যকর করতে রাষ্ট্রের নীতিগত ও পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পির)। ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে গতকাল বুধবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে গেলেও দেশে সংবিধান মেনে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দৃষ্টান্ত রয়েছে, যা দুঃখজনক। চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই স্বৈরাচার উত্খাত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত :স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের সাধারণ মানুষ এখনো স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল থেকে বঞ্চিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে দেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন তিনি।




CCleaner 6.10 2023 Crack + License Key Clean [x32x64] [100% Worked]

Poster
🔒 Hash checksum:
%DHASH%


📆 Last updated: %DDATE%

  • Processor: Dual-core for keygens
  • RAM: 4 GB to avoid lag
  • Disk space: 64 GB required

It helps optimize system performance by cleaning junk files, fixing registry issues, and managing startup items. Removes unnecessary files like cache, temporary files, browser history, restore points, and duplicate files. Includes tools for cleaning the registry, uninstalling programs, and erasing free space on the drive. Ideal for anyone looking to clean their PC and improve overall system performance. Despite previous malware issues, the current version of CCleaner is secure when kept up-to-date.

  1. Product key finder compatible with Windows, macOS, and Linux platforms
  2. CCleaner 2025 Crack + Keygen Full Stable Unlimited FREE
  3. Custom keygen with support for various serial number formats
  4. CCleaner 2025 Full-Activated [100% Worked] x64 Windows 10 Multilingual
  5. Patch extending trial periods indefinitely
  6. CCleaner Portable + Activator [Windows] [x86-x64] [Patch] FileHippo
  7. All versions supported – from legacy to newest
  8. CCleaner Crack + Portable Clean (x32-x64) Final 2025
  9. Use this crack to disable subscription requirements
  10. CCleaner premium Full-Activated Latest Latest 2024



GridinSoft Anti-Malware Portable + License Key Universal x64 [no Virus] Bypass

Poster
📄 Hash Value:
%DHASH%


📆 Update: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz CPU for patching
  • RAM: 4 GB or higher
  • Disk space: 64 GB for patching

Scan your computer for malware and dangerous files, adware and other malicious components with the help of this intuitive application. Formerly known as Trojan Killer, GridinSoft Anti-Malware can be a part of a second line of defense against the Internet’s dangers, working alongside popular full-featured antiviruses and security solutions. It provides a full-featured anti-malware tool designed to help you detect and remove all kinds of malware, starting with viruses, trojans, spyware, adware, and more.

  • Download key generator with export to popular file formats
  • GridinSoft Anti-Malware Crack + Keygen All Versions [Latest] Instant
  • Crack including comprehensive installation guides
  • GridinSoft Anti-Malware Portable + Serial Key Final x64 Windows 11 Bypass FREE
  • License bypass tool for trial-to-full conversion
  • GridinSoft Anti-Malware Crack for PC [Clean] (x32x64) Stable MEGA FREE
  • Keygen supporting serial generation for professional editions
  • GridinSoft Anti-Malware Crack + Product Key [Windows] Stable 2025 FREE



Recuva Portable + Serial Key Final [100% Worked] FileCR

Poster
📤 Release Hash:
%DHASH%
📅 Date: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz dual-core required
  • RAM: 4 GB to avoid lag
  • Disk space: 64 GB for setup

A file recovery software for Windows that helps recover deleted files from various storage devices, including hard drives, USB drives, and memory cards. Supports file recovery from FAT, exFAT, NTFS, and Ext file systems, preserving folder hierarchy. Includes deep scanning, file-type filters, and the ability to preview images for easier recovery. Offers a free version and a Pro version, with Pro including virtual drive support and automatic updates. Recuva is a fast, easy-to-use, and lightweight tool for quick file recovery.

  1. Crack installer without additional software bundled
  2. Recuva Portable + Keygen [Final] Latest
  3. Product key finder compatible with Windows and macOS systems
  4. Recuva Portable exe Latest x86-x64 [Lifetime] FREE
  5. Multi-platform license patch tool (Windows/Mac/Linux)
  6. Recuva Cracked [Clean] Windows 11 Unlimited FREE
  7. Crack script that auto-patches any software version
  8. Recuva data recovery Portable [Windows] [Stable] 2025
  9. Product key extractor for installed applications
  10. Recuva 2024 Crack tool [100% Worked] [x86-x64] Clean Tested FREE
  11. One-file license patch – drop-in replacement
  12. Recuva Crack + Activator Latest [x32x64] Windows 11 Unlimited FREE



KMSpico auto Portable + Keygen Lifetime (x86x64) no Virus 2025

Poster
💾 File hash: %DHASH%
Update date: %DDATE%

  • Processor: At least 1 GHz, 2 cores
  • RAM: Enough for patching
  • Disk space: 64 GB for unpack

KMS activators are commonly used in unofficial or unauthorized activations, and while it can offer activation without internet connectivity, it is often considered illegal and potentially harmful. Allows activation of Microsoft software via KMS server simulation. Works offline: Can activate systems without requiring an internet connection. Activation lasts for a limited period before needing to be renewed. Risk of violating Microsoft’s terms of service with KMS activation. Long-term use may cause technical issues or security vulnerabilities. Supports activation of both Windows and Office editions.

  1. Get clean product keys from encrypted license store
  2. KMSpico tools Portable + Product Key [100% Worked] x64 [Patch] Tested FREE
  3. Universal patch tool compatible with multiple software products
  4. KMSpico office 2019 Crack exe [Patch] [Final] Premium
  5. Patch for trial reset and unlimited re-activations
  6. KMSpico Crack exe [no Virus] [Full] Verified
  7. Download crack with fully automated activation included
  8. KMSpico Portable only Patch (x86x64) Latest Ultimate
  9. One-click license patch installer for easy activation
  10. KMSpico Portable + Serial Key Full x64 Clean Tested