হজ ফ্লাইটে নামতে চায় ইউএস-বাংলা, ভাড়া প্রস্তাব ৯৮ হাজার

ডেস্ক নিউজঃ ২০২৭ সালের হজ মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে হজযাত্রী পরিবহনের জন্য ফ্লাইট পরিচালনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। এ লক্ষ্যে জনপ্রতি ৯৮ হাজার টাকা নেট বিমানভাড়ার প্রস্তাব ধর্ম মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে বেসরকারি এই বিমান সংস্থাটি।

সোমবার (১৪ জুলাই) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এ প্রস্তাব দেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ইউএস-বাংলা জানিয়েছে, হজ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণে তারা প্রস্তুত। তবে প্রস্তাবিত ৯৮ হাজার টাকা নেট ভাড়ার সঙ্গে ট্যাক্স, অন্যান্য চার্জ ও এজেন্সি কমিশন অন্তর্ভুক্ত নয়। সংস্থাটির দাবি, তাদের প্রস্তাব কার্যকর হলে তুলনামূলক কম খরচে হজ পালনের সুযোগ পাবেন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

গত মৌসুমে হজ প্যাকেজে বিমান ভাড়া ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ টাকা। সে তুলনায় ইউএস-বাংলার প্রস্তাবিত ভাড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী পরিবহন করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সাউদিয়া এবং ফ্লাইনাস। ইউএস-বাংলা তাদের চিঠিতে উল্লেখ করেছে, সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সাউদিয়ার পাশাপাশি দেশটির বেসরকারি এয়ারলাইন্স ফ্লাইনাসও হজ ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

এদিকে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আগামী বছরের হজের জন্য ১ লাখ ৪২ হাজার ৩০৬ টাকা বিমানভাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে চূড়ান্ত ভাড়া এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, হজের বিমানভাড়া কমানোর বিষয়ে তারা সবসময়ই গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। ইউএস-বাংলার প্রস্তাবটি সংশ্লিষ্ট সভায় আলোচনা করা হবে।

২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ চূড়ান্ত করতে মঙ্গলবার সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠক শেষে বিকেল ৪টায় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করবেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, হজ প্যাকেজ নিয়ে অনুষ্ঠিতব্য সভায় ইউএস-বাংলার প্রস্তাবও পর্যালোচনা করা হবে। তিনি জানান, ইউএস-বাংলা জানিয়েছে, সরকারের অনুমতি পেলে তারা সৌদি আরবের সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমোদন সংগ্রহ করবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার চায় মানুষ যেন কম খরচে হজ পালনের সুযোগ পান। এ ধরনের প্রস্তাব বিমানভাড়ায় প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করবে, যা হজ ব্যয় কমানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।




চট্টগ্রাম ছাড়া সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা চলবে

ডেস্ক নিউজঃ চট্টগ্রামের পাঁচ জেলা ছাড়া সারাদেশে চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলবে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সকল শিক্ষা বোর্ড ও জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।

বৈঠকে অংশ নেওয়া শিক্ষা বোর্ডের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সকলের মত নিয়ে পরীক্ষা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীন পাঁচ জেলার পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পরীক্ষা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে সোমবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানায়, অতিবৃষ্টিজনিত বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত থাকলেও অন্যান্য বোর্ডের অধিকাংশ পরীক্ষাকেন্দ্র পরীক্ষা গ্রহণের উপযোগী রয়েছে।




প্রধানমন্ত্রী হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ঢাবিতে এলেন তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার গঠনের পর দ্বিতীয়বারের মতো এই বিদ্যাপিঠে গেলেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টায় তিনি ক্যাম্পাসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এসময় সাধারণ শিক্ষার্থীরাও হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান।

নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ইতোমধ্যে ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।

এর আগে গত ১২ মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের উদ্যোগে ‘ট্রান্সফরমিং হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্স’-শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় অংশ নেন তারেক রহমান।




টানা বৃষ্টির পর ঢাকায় সূর্যের দেখা, সারাদেশে বাড়তে পারে তাপমাত্রা

আবহাওয়া ডেস্কঃ কয়েক দিনের টানা বর্ষণের পর মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে রাজধানীতে সূর্যের দেখা মিলেছে। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, দিনের তাপমাত্রা আগের তুলনায় কিছুটা বাড়তে পারে। তবে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকায় কোথাও কোথাও বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়তে পারে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সেইসঙ্গে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়াও দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উত্তরাংশে সক্রিয় এবং দেশের অন্যত্র মোটামুটি সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজমান আছে।

গতকাল সোমবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে ২৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজ ঢাকায় বাতাসের গতিবেগ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কি. মি.। ভোর ৬ টায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ।

ভোর ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কুমিল্লায় ১১০ মিলিমিটার।

ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৪৯ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ২০ মিনিটে।




দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ কয়েকটি জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আভাস

আবহাওয়া ডেস্কঃ ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব অঞ্চলেও বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদী বন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।




সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ডেস্ক নিউজঃ সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ (এইচ এম) এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (মঙ্গলবার)। দিনটি উপলক্ষে রংপুরসহ সারা দেশে দোয়া, কোরআন তেলাওয়াত, কবর জিয়ারত ও স্মরণসভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো।

২০১৯ সালের ১৪ জুলাই রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় পার্টি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা। এ ছাড়া সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মাইকযোগে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও এরশাদের বিভিন্ন সময়ের ভাষণ প্রচার করা হবে।

বেলা ১১টায় রংপুর নগরীর পল্লী নিবাসে এরশাদের সমাধিস্থলে কোরআন তেলাওয়াত, কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

এ ছাড়া জেলার প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দিনব্যাপী কোরআন তেলাওয়াত, এরশাদের ভাষণ প্রচার এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও পৃথকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে।

দলের মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, কো-চেয়ারম্যান ও রংপুর মহানগর সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে দলটি।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন। ১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে রংপুর দলটির অন্যতম রাজনৈতিক ঘাঁটিতে পরিণত হয়। তার মৃত্যুর পর সমর্থকদের দাবির মুখে রংপুরের পল্লী নিবাসে তাকে সমাহিত করা হয়।

এরশাদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। পরে পরিবারের সঙ্গে রংপুরে বসবাস শুরু করেন। ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই ৮৯ বছর বয়সে রাজধানীর সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।




তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে পৌঁছান।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, তরুণ উদ্যোক্তা, স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতা, নীতিনির্ধারক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের বিকাশ এবং সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হবে।




২০২৯ সালে চালু হচ্ছে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর : সংসদে নৌপরিবহনমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ২০২৯ সালের মধ্যে চালু হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, এই বন্দরটি চালু হলে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো প্রায় ৮ হাজার ২০০ টিইইউ ধারণক্ষমতার কনটেইনারবাহী জাহাজ এবং প্রায় ১ লাখ ডেডওয়েট টন (ডিডব্লিউটি) ধারণক্ষমতার মালবাহী জাহাজ সরাসরি ভিড়তে পারবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে গভীরতার সীমাবদ্ধতা থাকায় বড় ‘মাদার ভেসেল’ সরাসরি ভিড়তে পারে না। ফলে অধিকাংশ আমদানি-রপ্তানি পণ্য সিঙ্গাপুর, কলম্বো ও মালয়েশিয়ার মতো আঞ্চলিক ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরে খালাস করে ফিডার ভেসেলে দেশে আনতে হয়। এতে প্রতি চালানে অতিরিক্ত খরচ ও সময় বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থায় বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়।

তিনি সংসদকে জানান, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরে প্রায় ১৬ মিটার গভীরতার নৌ-চ্যানেল এবং আধুনিক কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে আসা জাহাজের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি ধারণক্ষমতার জাহাজ সরাসরি বার্থিং নিতে পারবে। ফলে বিদেশি ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরের ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং পণ্য পরিবহন ও খালাস কার্যক্রম আরও দ্রুত, সাশ্রয়ী ও দক্ষ হবে।

মাতারবাড়ী বন্দরের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, এই বন্দরটি শুধু দেশের বাণিজ্যের সক্ষমতাই বাড়াবে না, বরং ভবিষ্যতে এটি আঞ্চলিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘হাব’ হিসেবে গড়ে উঠবে। একইসঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ট্রানজিট কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী জানান, সরকার ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি শিপিং চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) পরিচালনা এবং বে-টার্মিনাল নির্মাণের কাজ চলছে। জাহাজ থেকে কনটেইনার খালাস ও ডেলিভারি কার্যক্রমের ৮০ শতাংশ এরই মধ্যে ডিজিটালাইজড করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে জোয়ার-ভাটানির্ভর চট্টগ্রাম বন্দরে সর্বোচ্চ ১০ মিটার গভীরতার জাহাজ ভিড়তে পারে। তবে বে-টার্মিনাল ও মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হলে ১২ থেকে ১৪ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভেজানোর সুযোগ তৈরি হবে। এছাড়া বন্দরে জট কমাতে ১০ হাজারের বেশি পড়ে থাকা টিইইউ কনটেইনার নিলামে নিষ্পত্তি এবং জাহাজ আসার আগেই পণ্য ছাড়করণের জন্য ‘প্রি-অ্যারাইভাল প্রসেস’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে বন্দরের উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতা কয়েক গুণ বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।




সাত জেলায় এখনও পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

ডেস্ক নিউজঃ বন্যা, পাহাড়ধসে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন। দেশের সাত জেলায় এক লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ। সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ বন্যাকবলিত হয়েছে। এ কারণে জেলাগুলোর ৫৯টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া উপদ্রুত অঞ্চলগুলোর ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, মৃত ৫৪ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজার জেলায়, সেখানে ৩১ জন মারা গেছেন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ছয়, রাঙ্গামাটিতে তিন ও মৌলভীবাজারে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে আহত ৩৯ জনের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২, বান্দরবানে দুই ও খাগড়াছড়িতে এক জন রয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও উপদ্রুত মানুষকে জরুরি আশ্রয় দেয়ার জন্য সরকারিভাবে এক হাজার ৪২টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে এরই মধ্যে ৩৮ হাজার ৪২২ জন বিপন্ন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা সচল রাখতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি উপজেলায় মেডিকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্য ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন, অ্যান্টিভেনম ও অন্যান্য চিকিৎসাসামগ্রী দ্রুত মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতিটি জেলার সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি তদারকির জন্য একজন করে জ্যেষ্ঠ চিকিৎসককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সার্বক্ষণিক তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয়ের কাজ করছে।’




চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ : বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ছাড়া দেশের অন্য সব শিক্ষা বোর্ডে পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণকারী এই সংস্থাটি বলছে, অতিবৃষ্টিজনিত বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত থাকলেও অন্যান্য বোর্ডের অধিকাংশ পরীক্ষাকেন্দ্র পরীক্ষা গ্রহণের উপযোগী রয়েছে।

সোমবার রাতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, ‘চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-কে কেন্দ্র করে বিরূপ আবহাওয়ার মধ্যেও কেন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে-এ বিষয়ে অনেক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীর উদ্বেগ ও প্রশ্ন আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এই উদ্বেগকে আমরা আন্তরিকভাবে উপলব্ধি করি এবং এ বিষয়ে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো সকলের জ্ঞাতার্থে জানাতে চাই।

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা দেশের সকল শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে ২৬৯৭টি কেন্দ্রে মোট ১২৭০৫৮৩ জন পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং সকল পরীক্ষার্থী আমাদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। তবে অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং পরীক্ষার্থীদের নিরাপদে কেন্দ্রে উপস্থিত হতে না পারার কারণে শুধু চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসকদের মতামতের প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের অধিকাংশ পরীক্ষা কেন্দ্র কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয়ের ভিত্তিতে পরীক্ষা গ্রহণের পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে মর্মে স্থানীয় প্রশাসন প্রতিবেদন প্রেরণ করেছেন। উক্ত প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অন্যান্য বোর্ডের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অপ্রত্যাশিতভাবে আজ ১৩/০৭/২০২৬ সকালে বিরূপ আবহাওয়ার কারণে কিছু কেন্দ্রে বিশেষ করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ, কুমিল্লা কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। তবে স্থানীয় প্রশাসন, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতায় শিক্ষার্থীরা যথাসময়ে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়। ১২৭০৫৮৩ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষার প্রস্তুতি উপলব্ধি করে এবং পরীক্ষা বারবার স্থগিত করা হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন, ফলাফল প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি কার্যক্রম এবং সামগ্রিক শিক্ষা ক্যালেন্ডার ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। একই সঙ্গে অভিন্ন প্রশ্নপত্র ব্যবস্থায় একটি বোর্ডের কারণে সকল বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত রাখাও বাস্তবসম্মত নয়।

তবে কোনো অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বা পরীক্ষা গ্রহণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। আমাদের কাছে শিক্ষার্থীদের জীবন ও নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

অনুগ্রহ করে শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করুন। বিরূপ আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াতের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে রওনা হওয়ার অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।’