হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৮ হাজার ২৯৭ হাজি

ডেস্ক নিউজঃ পবিত্র হজ পালন শেষে এ পর্যন্ত ৬৮ হাজার ২৯৭ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন। মোট ১৮৮টি ফিরতি ফ্লাইটে তারা বাংলাদেশে পৌঁছেছেন। 

শনিবার (২৭ জুন) ভোর ৩টা পর্যন্ত ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের আইটি হেল্পডেস্কের বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চলতি বছরের হজ অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬ মে সৌদি আরবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, দেশে ফেরা ৬৮ হাজার ২৯৭ হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এসেছেন ৪ হাজার ৪৫৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৬৩ হাজার ৮৩৮ জন। তাদের পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১০২টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৬৩টি এবং ফ্লাইনাস ২৩টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

এবছর সৌদি আরবে মোট ৫৫ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন। মারা যাওয়া বাংলাদেশি হজযাত্রীদের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী। এদের মধ্যে মক্কায় ৩৭, মদিনায় ১৭ ও জেদ্দায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।

হজ বুলেটিনে আরও জানানো হয়, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ৪১৫ জন হাজি চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। বর্তমানে ১১ জন হাজি বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করেছেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালন করেন। হজযাত্রীদের সৌদি আরবগামী প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। এরপর ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।




দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজঃ রাষ্ট্রীয় সফর শেষে চীন থেকে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) রাত পৌনে ৮টায় তাকে বহনকারী চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে অভ্যর্থনা জানান বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ নুরুল ইসলাম মনিসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও দলের শীর্ষ নেতারা।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফিরেছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ অন্যান্য সফরসঙ্গীরা। এর আগে বেইজিংয়ের স্থানীয় সময় বিকাল সোয়া ৫টায় তারা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

প্রসঙ্গত, গত ২১ জুন রাষ্ট্রীয় সফরে প্রথমে মালয়েশিয়ায় যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পরদিন ২২ জুন বিকাল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে চীনের দালিয়ান রওনা হন তিনি।

সেখানেও দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। সর্বশেষ শুক্রবার সকালে বেইজিংয়ে দেশটির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন।




পিরোজপুর এলজিইডির সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে’র বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি

বিশেষ প্রতিবেদকঃ পিরোজপুর জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ থেকে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে এবং কোনো ধরনের ঠিকাদারি কাজ সম্পন্ন না করেই বহুল আলোচিত ৬ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের বিশেষ সহযোগী ও তৎকালীন পিরোজপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে শত শত কোটি টাকার অবৈধ বিল প্রদান এবং কোটি কোটি টাকার অনিয়ম ও ঘুষবাণিজ্যের দায়ে সাময়িক বরখাস্ত হলেও এখনো রয়েছেন ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের ৩০ জুন প্রকৌশলী রঞ্জিত দে-কে পিরোজপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদায়ন করা হয়। তিনি পিরোজপুরে যোগদানের পর থেকেই একটি বিশেষ মহলের সঙ্গে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে তার পূর্ববর্তী নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বিশেষ কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোনো ধরনের কাজ সম্পন্ন না হওয়া সত্ত্বেও ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার বিল প্রদান করেন।

দুর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে’র বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া উপজেলার শিংগা গ্রামের বাসিন্দা হরিদাশ হাওলাদার শিপন গত ৬ জানুয়ারি প্রধান প্রকৌশলী বরাবর, ২৬ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব বরাবর এবং ৫ মার্চ দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, কাজ না করা সত্ত্বেও নির্বাহী প্রকৌশলী তার পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রায় শত কোটি টাকা বিল দিয়েছেন। এছাড়াও ভান্ডারিয়ার ইফতি ইটিসিএল নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোনো কাজ না করেই ৮৯ কোটি টাকা বিল প্রদান করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে-কে গত বছরের ১৪ নভেম্বর সংশ্লিষ্ট বিভাগ কুড়িগ্রামে স্ট্যান্ড রিলিজ করে। তিনি ২৮ নভেম্বর বিভিন্ন কৌশলে তার প্রত্যাহারাদেশ স্থগিত করান। আবারও রাষ্ট্রপতির আদেশে সংশ্লিষ্ট বিভাগ গত ৪ ফেব্রুয়ারি তাকে পুনরায় বদলির আদেশ দেয়। কিন্তু অজ্ঞাত শক্তির বলে তিনি স্বপদে বহাল থাকেন।

নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে’র বিরুদ্ধে এরপর দুর্নীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন মহলে আবারও আবেদন করা হলে তাকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে পুনরায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত হওয়ার পর রঞ্জিত দে অফিসিয়ালি কাউকে কিছু না জানিয়ে রাতের অন্ধকারে পিরোজপুর ত্যাগ করেন।

একটি সূত্র জানায়, পিরোজপুর থেকে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যাওয়ার পর পিরোজপুরের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দীর্ঘদিন ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান করেন। পরে বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে আবারও সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এরপর নিজেকে বিএনপি কর্মী পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন বিএনপি নেতার মাধ্যমে চাকরিতে পুনর্বহালের চেষ্টা করেন।

বর্তমানে দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী রঞ্জিত দে ঢাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে আবারও চাকরিতে পুনর্বহাল হয়ে পিরোজপুরে পুনরায় নির্বাহী প্রকৌশলী পদে যোগদানের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে। প্রায় শত কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে স্ট্যান্ড রিলিজ হওয়া এই নির্বাহী প্রকৌশলী এক অদৃশ্য শক্তির বলে বারবার পুনর্বহাল থাকায় সাধারণ ঠিকাদারদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ঠিকাদার মো. মামুন মিয়া বলেন, “নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন। তার বদলির আদেশ হলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে তিনি স্বপদে বহাল রয়েছেন। আমরা সাধারণ ঠিকাদাররা শঙ্কিত।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ঠিকাদার বলেন, “এ ইঞ্জিনিয়ার মহা দুর্নীতিবাজ এবং অফিসে অনিয়মিত ছিলেন। তার পছন্দের ঠিকাদারদের সঙ্গে আঁতাত করে কাজ ভাগিয়ে দেন। কাজ না করলেও সেসব প্রতিষ্ঠানকে শত কোটি টাকা বিল প্রদান করেছেন। ইঞ্জিনিয়ার অফিসে আমার মোটা অঙ্কের বিল বকেয়া রয়েছে। আমি প্রকাশ্যে কিছু বললে আমার সমস্যা হয়ে যাবে।”

সূত্র জানায়, পিরোজপুরের সাবেক দুর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে নেছারাবাদ উপজেলার শফিক সুমন নামে এক ঠিকাদারকে বেশ কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে কোনো ধরনের কাজ না হলেও ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে ১২২ কোটি টাকা বিল প্রদান করেছেন।

মো. আব্দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তি বলেন, “কাজ না করলেও ইঞ্জিনিয়ার ঠিকাদারকে টাকা দিয়েছেন। এ কাজ আদৌ হবে কি না জানি না। আমরা সাধারণ মানুষ ইঞ্জিনিয়ারের এ কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ।”

দুর্নীতির মাধ্যমে কাজ না করেই বিল প্রদান করায় পিরোজপুরের সাধারণ জনগণ এবং নিয়মিত ঠিকাদাররা পিরোজপুরের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের সাবেক দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী রঞ্জিত দে-কে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত বিচারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপকর্ম করার সাহস কেউ না পায়।

এদিকে পিরোজপুরের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জিত দে’র সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।




নকল নোভো নরডিস্ক ইনসুলিন জব্দ: চট্টগ্রামে অভিযানে ধরা পড়ল সরবরাহকারী, উঠে এলো মিটফোর্ড নেটওয়ার্ক

বিশেষ প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রামের অলংকার মোড় এলাকার সৌদিয়া ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন নকল ইনসুলিন বিতরণ চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। এ সময় মোজাম্মেল হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে নকল নোভো নরডিস্ক ব্র্যান্ডের ইনসুলিন সরবরাহের অভিযোগে আটক করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিজিএফআইয়ের সহযোগিতায় পরিচালিত অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং নোভো নরডিস্কের প্রতিনিধিরা যৌথভাবে অংশ নেন। আটক মোজাম্মেলকে সৌদিয়া ফার্মেসিতে ডেকে আনা হলে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোজাম্মেল জানান, জব্দকৃত ইনসুলিনসহ বিভিন্ন ওষুধ তিনি ঢাকার মিটফোর্ড এলাকার হিমেল নামে এক দালালের মাধ্যমে সংগ্রহ করতেন। তদন্তকারীদের ধারণা, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঢাকার বিভিন্ন উৎস থেকে নকল ও অনুমোদনবিহীন ওষুধ সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছে।

অভিযানকালে নোভো নরডিস্কের ‘মিক্সটার্ড’ ইনসুলিনের নামে বাজারজাত করা সন্দেহভাজন নকল পণ্য জব্দ করা হয়। পরে পাহাড়তলী থানায় একটি মামলা দায়ের করে মোজাম্মেলকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তদন্তে জানা গেছে, মোজাম্মেল কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন ফার্মেসিতে দীর্ঘদিন ধরে এসব ইনসুলিন সরবরাহ করছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার হারপাকনা মাস্টারবাড়ি এলাকায়। বর্তমানে তিনি পাহাড়তলী থানার হেফাজতে রয়েছেন এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, হিমেল নামে আরেক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে চক্রটির অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি ঢাকার মিটফোর্ড এলাকাকে কেন্দ্র করে নকল ও অনুমোদনবিহীন ওষুধ সংগ্রহ ও সরবরাহের কাজ পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মোজাম্মেলের সঙ্গে তার প্রায় দুই থেকে তিন বছরের পরিচয় এবং গত দুই মাস ধরে নিয়মিত লেনদেন চলছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

তদন্তকারী সূত্রের দাবি, চক্রটির সরবরাহ নেটওয়ার্ক ঢাকার মিটফোর্ড থেকে নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ট্রানজিট পয়েন্ট হয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিস্তৃত। জব্দকৃত ইনসুলিন সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে মোজাম্মেল দাবি করেন, পণ্যটি এসকেএফ (SK+F) থেকে এসেছে। তবে সংশ্লিষ্টরা এ দাবিকে অত্যন্ত সন্দেহজনক বলে মনে করছেন, কারণ এটি নোভো নরডিস্কের বৈধ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নকল ইনসুলিন ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এসব পণ্য ব্যবহারে চিকিৎসা ব্যর্থতা, গুরুতর স্বাস্থ্য জটিলতা এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। তাই জব্দকৃত ওষুধের ফরেনসিক পরীক্ষা ও ল্যাব বিশ্লেষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি মিটফোর্ড এলাকায় বিশেষ অভিযান, সরবরাহ চেইন শনাক্তকরণ, সংশ্লিষ্ট ফার্মেসিগুলোর মজুদ যাচাই এবং পরীক্ষাগার রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত সন্দেহভাজন পণ্য জব্দ ও কোয়ারেন্টাইনে রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি শুধু নকল ইনসুলিন নয়, বরং বৃহত্তর নকল ওষুধ ব্যবসার একটি সংগঠিত নেটওয়ার্কের অংশ হতে পারে। তাই পুরো চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে।




তিন জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ, আগামী পাঁচ দিনে বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত

ডেস্ক নিউজ : রাজশাহী, পাবনা ও যশোর জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আপাতত অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী পাঁচ দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় থাকলেও উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র তা দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ সময়ে রাজশাহী, পাবনা ও যশোর জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

শনিবার (২৭ জুন) থেকে মঙ্গলবার পর্যন্তও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে এবং ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়া, বজ্রপাতসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। সোমবার সারা দেশেই দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্য দিনগুলোতে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের পর সারা দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।




যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুত বাড়তে থাকা ড্রোনের গুরুত্ব বিবেচনায় দেশের পাঁচ লাখ সেনাকে ড্রোন পরিচালনায় দক্ষ করে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। নতুন এই উদ্যোগের আওতায় সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে ব্যক্তিগত অস্ত্র ব্যবহারের মতোই সহজে ড্রোন পরিচালনা করতে পারেন।

শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন গিউ ব্যাক এ পরিকল্পনার কথা জানান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রায় পাঁচ লাখ সদস্যকে ধাপে ধাপে ড্রোন পরিচালনায় প্রশিক্ষিত করা হবে।

আন গিউ ব্যাক বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দেখিয়ে দিয়েছে, স্বল্প খরচে বিপুলসংখ্যক ড্রোন যুদ্ধের ধরন পাল্টে দিচ্ছে। তাই ভবিষ্যতের যুদ্ধের বাস্তবতা মাথায় রেখেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, উত্তর কোরিয়া ধারাবাহিকভাবে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়ে চলেছে। এতে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রশিক্ষণের জন্য প্রায় ১১ হাজার বাণিজ্যিক ড্রোন সংগ্রহ করা হবে। ২০২৯ সালের মধ্যে এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৬০ হাজারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ হাজারের বেশি স্বল্পমূল্যের একবার ব্যবহারযোগ্য যুদ্ধ ড্রোন সংগ্রহের পরিকল্পনাও রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়া দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি দূরপাল্লার হামলাকারী কে লুকাস ড্রোনের উৎপাদনও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে লেজার ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোওয়েভভিত্তিক ড্রোন প্রতিরোধ প্রযুক্তির ব্যবহারও সম্প্রসারণ করা হবে।

২০২২ সালে উত্তর কোরিয়ার পাঁচটি ছোট ড্রোন দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করলে দেশটির সেনাবাহিনী যুদ্ধবিমান ও আক্রমণকারী হেলিকপ্টার মোতায়েন করে প্রায় ১০০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। তবে কোনো ড্রোন ভূপাতিত করা সম্ভব হয়নি। ওই ঘটনা দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতার কারণে উত্তর কোরিয়ার ড্রোন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত কৌশল ও বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেশটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক শিক্ষা পাচ্ছে।

এদিকে শুক্রবার উত্তর কোরিয়া জানিয়েছে, দেশটির নেতা কিম জং উন কৌশলগত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং উন্নত রকেট আর্টিলারি ব্যবস্থার পরীক্ষাও তদারক করেছেন।

সোর্সঃ দ্য গার্ডিয়ান




চীনে ১০৯ তলা ভবনে বিমান বিধ্বস্ত, আতঙ্কে স্থানীয়রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবন ‘সিটিক টাওয়ারে’ একটি বিমান আঘাত হেনেছে। এ ঘটনায় ভবনের ভেতরে থাকা মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে ভবনটি দ্রুত খালি করে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

এতে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি বিমানে কতজন আরোহী ছিলেন বা কোথা থেকে আসছিল এবং ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তাও এখনো জানা যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বিমানটি  ১০৯ তলা বিশিষ্ট ভবনটির উপরের দিকের একটি তলাতে আঘাত করছে। এরপর ধ্বংসাবশেষের বড় বড় টুকরো নিচের রাস্তা ও সবুজ চত্বরে ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। এছাড়া বিভিন্ন ফুটেজে ভবনটি থেকে লোকজনকে দ্রুত সরিয়ে নিতে দেখা গেছে।

ঘটনাস্থলে থাকা সিএনএনের এক সাংবাদিক জানান, দুর্ঘটনার পরপরই ভবনটি থেকে লোকজনকে দ্রুত নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে ভবনের প্রবেশমুখের কাছে তাদের জড়ো হতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক গাড়ি, পুলিশ সদস্য এবং একটি অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে জানতে সিএনএ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি বিমানটির মালিকের তালিকাভুক্ত যোগাযোগ নম্বরেও যোগাযোগের চেষ্টা করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিমানের নিবন্ধন নম্বর (রেজিস্ট্রেশন কোড) থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এটি চীনে তৈরি ‘সানওয়ার্ড এসএ ৬০এল অরোরা’ মডেলের একটি হালকা স্পোর্টস বিমান। বিমানটি একটি স্থানীয় জেনারেল এভিয়েশন কোম্পানির মালিকানাধীন।




মা ও তিন মেয়ে খুন: লক্ষ্মীপুরে জানাজা শেষে লাশ নেওয়া হল কুমিল্লায়

ডেস্ক নিউজ : লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ভাড়া বাসায় হত্যার শিকার মা ও তিন মেয়ের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা নদীরপাড় সড়কে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, জানাজার নামাজ শেষে নিহত শাহিনুর বেগম (৩৮), তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২১), মেঝো মেয়ে নাফিসা আক্তার ইকরা (১৭) ও ছোট মেয়ে ফাতেমা আক্তার শিফার মরদেহ নিয়ে স্বজনরা কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলার লটিয়া গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন। তাদের জানাজায় রায়পুরের বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশগ্রহণ করে।

পুলিশ জানায়, জানাজায় নিহতদের স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা অংশ নেন। পরে লাশগুলো কুমিল্লার হোমনা উপজেলার লটিয়া গ্রামে দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেন, চারজনকে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমটি গঠন করা হয়েছে। গুরুত্বের সহকারে ঘটনাটি তদন্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করা হচ্ছে। নিহতদের মরদেহ কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুর পৌর শহরের নদীর পাড় এলাকা ভাড়া বাসায় ঢুকে মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করে এক যুবক। পরে ওই যুবক অন্তর মজুমদার (২৮) জনগণ গণপিটুনি দিলে সেও মারা যান।




এমবাপ্পে-হালান্ড লড়াই আজ

ক্রীড়া ডেস্ক : সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জমে উঠেছে বিশ্বকাপ। গ্রুপ ‘আই’ থেকে ইতিমধ্যেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স ও নরওয়ে। তাই আজকের ম্যাচে মূল লড়াই হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় বোস্টনে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটি আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে দুই কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আলিং হালান্ডের কারণে। অনেকে ম্যাচটিকে দেখছেন এমবাপ্পে ও হালান্ডের লড়াই হিসেবে।




যুদ্ধ নয়, বিশ্বকাপেই কি আবার মুখোমুখি হচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র

ক্রীড়া ডেস্ক : চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষ পর্যায়ে। আর এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত সম্ভাবনাগুলোর একটি হচ্ছে ফুটবলের মাঠে আবারও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হওয়া। তবে সেই বহুল প্রতীক্ষিত লড়াইয়ের আগে আজ ভাগ্য নির্ধারণী ম্যাচে কঠিন পরীক্ষায় নামতে হবে ইরানকে।

স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই গ্রুপ ডি থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে। তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক হারে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তারা টেবিলের শীর্ষে রয়েছে। শেষ ম্যাচে তুরস্কের কাছে ৩-২ গোলে হারলেও গ্রুপ সেরা হওয়ার পথে কোনো বাধা আসেনি।

এদিকে গ্রুপ জিতে নেই ইরানের ভাগ্য। প্রথম দুই ম্যাচে বেলজিয়াম ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করে ২ পয়েন্ট নিয়ে তারা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে মিশর। একই পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেলজিয়াম এবং ১ পয়েন্ট নিয়ে শেষ স্থানে নিউজিল্যান্ড।

আজ মিশরের বিপক্ষে জয় পেলেই ইরান সরাসরি নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি বেলজিয়াম যদি নিউজিল্যান্ডকে হারাতে না পারে, তাহলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগও থাকবে তাদের।

ম্যাচ ড্র হলে ইরানকে তাকিয়ে থাকতে হবে বেলজিয়াম ও নিউজিল্যান্ড ম্যাচের দিকে। বেলজিয়াম পয়েন্ট হারালে রানার্সআপ হিসেবে পরের রাউন্ডে যেতে পারে ইরান।

অন্যদিকে হেরে গেলে কিংবা ড্রয়ের পর বেলজিয়াম জিতে গেলে ইরান তৃতীয় স্থানে নেমে যাবে। তখন নতুন ৪৮ দলের বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর তালিকায় জায়গা করে নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

নকআউটের সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, ইরান যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে টুর্নামেন্টের পরবর্তী ধাপে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বহুল আলোচিত এক লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হবে। আর রানার্সআপ বা সেরা তৃতীয় দল হিসেবে উঠলে দুই দলকে সেই সম্ভাব্য সাক্ষাতের আগে নিজ নিজ নকআউট ম্যাচে জয় পেতে হবে।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপের পর আবারও বিশ্বমঞ্চে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য মুখোমুখি হওয়ার সমীকরণ তাই এখন নির্ভর করছে আজ রাতের ম্যাচের ফলের ওপর।