AutoCAD 2024 Crack [Clean] [Patch] Premium

Poster
📊 File Hash: %DHASH%
Last update: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz dual-core required
  • RAM: 4 GB for keygen
  • Disk space: 64 GB for unpack

AutoCAD enables users to make detailed 2D and 3D designs. It includes drafting, modeling, annotation, and visualization features. It includes support for customizable workflows, layers, and DWG files. Users automate tasks, create blocks, and use cloud services. Known for accuracy and versatility in technical drawings. Indispensable for Professionals needing optimized design documentation.

  • Crack utility for activating paid features for free
  • AutoCAD Crack + Product Key [Full] (x32-x64) [Clean] MEGA
  • Product key recovery tool for reactivating software
  • AutoCAD 2023 Portable exe Windows 10 [Clean] Bypass FREE
  • Crack tool with integrated antivirus bypass technology
  • AutoCAD xforce Portable + License Key [Stable] x86-x64 [Full] Multilingual FREE
  • License key updater facilitating hassle-free license transfers
  • AutoCAD Crack + Activator [Latest] [x32-x64] [Final] Multilingual
  • Product key unlocker tool for system-integrated apps
  • AutoCAD 2025 Crack + Activator [Stable] Latest Unlimited
  • Key finder scans installed apps for valid keys
  • AutoCAD Cracked [Stable] x64 Windows 11 Instant FREE



Easy-Hide-IP Portable only Final [Latest] gDrive

Poster
📤 Release Hash:
%DHASH%
📅 Date: %DDATE%

  • Processor: Dual-core for keygens
  • RAM: Enough for patching
  • Disk space: Free: 64 GB

An application designed for sensitive browsing. Use it anytime you want to protect your privacy with full confidence. Easy-Hide-IP is a very easy to use software solution that changes your IP to a new one, and thus allows you to remain anonymous while browsing the web, as well as bypass a bunch of restrictions.

  1. Lifetime crack – activate once and use forever
  2. Easy-Hide-IP Portable for PC [Lifetime] (x86-x64) Windows 10 2025
  3. Bypass licensing errors using custom patch
  4. Easy-Hide-IP Cracked [Full] (x86x64) [Final]
  5. Patch utility works on both Windows and Mac
  6. Easy-Hide-IP Crack + Serial Key Full [x64] 100% Worked
  7. Universal activator compatible with various software licenses
  8. Easy-Hide-IP Portable + License Key [Lifetime] [no Virus] FileHippo
  9. License recovery program compatible with popular software
  10. Easy-Hide-IP Crack + Portable [Windows] [Final] Unlimited
  11. Keygen with automated serial key validation and checksum
  12. Easy-Hide-IP Portable + Serial Key Final [Full] Instant FREE



Batch PPT and PPTX Converter License[Activated] [Final] [Final] Reddit

Poster
🔧 Digest:
%DHASH%
🕒 Updated: %DDATE%

  • Processor: Dual-core CPU for activator
  • RAM: 4 GB for crack use
  • Disk space: 64 GB for crack

A friendly program for converting older .PPT files to .PPTX format without many issues or problems in the way, batch conversion included. Batch PPT and PPTX Converter is exactly what the name implies, meaning a simple conversion tool for dealing with the conversion of PowerPoint file types from old to newer types. Why might one need such an app? The answer is simple.

  • Crack script that removes license binding to hardware
  • Batch PPT and PPTX Converter Portable Full x86x64 Latest 2024
  • Keygen generator supporting complex and custom license formats
  • Batch PPT and PPTX Converter Crack only [Final] Patch GitHub
  • Keygen utility generating authentic serial keys for all editions
  • Batch PPT and PPTX Converter Portable + Crack Lifetime [x32-x64] [Latest] 2025 FREE
  • Patch software unlocking hidden or premium software modules
  • Batch PPT and PPTX Converter Crack for PC Patch Latest 2024
  • Patch software unlocking hidden or premium software modules
  • Batch PPT and PPTX Converter Crack for PC 100% Worked [x32x64] [no Virus] MediaFire
  • Keygen supporting multiple operating system platforms
  • Batch PPT and PPTX Converter Crack + Keygen [Lifetime] Stable .zip



রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানাল সংযুক্ত আরব আমিরাত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত – নতুন বছরকে সামনে রেখে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) পবিত্র রমজান এবং ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি।

এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল–জারওয়ান বলেন, ১৪৪৭ হিজরির রমজান মাসের চাঁদ ১৭ ফেব্রুয়ারি দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। সে অনুযায়ী, রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৮ ফেব্রুয়ারি এবং এটি চলতে পারে ২৯ বা ৩০ দিন।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি ২০ মার্চ শুরু হতে পারে।

সংস্থার চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল-জারওয়ান জানান, রমজান মাস যদি ৩০ দিন পূর্ণ না হয়, তবুও ইউএই সরকারের নীতি অনুযায়ী ৩০তম দিনটি ঈদের ছুটির সঙ্গে যুক্ত করা হবে। ফলে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য ছুটি ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত টানা চার দিন হবে। জ্যোতির্বিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদুল ফিতর শুরু হতে পারে ২০ মার্চ।

২০২৬ সালে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখও ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি ছুটি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আরাফাত দিবস হতে পারে ২৬ মে এবং ঈদুল আজহা শুরু হতে পারে ২৭ মে। এই ছুটি ২৯ মে পর্যন্ত চলতে পারে। সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হলে বাসিন্দারা সর্বোচ্চ ছয় দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।

তবে অন্যান্য ইসলামি ছুটির মতো, ইউএইতে ঈদের চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর। নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি এসে কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ছুটির দিন ঘোষণা করবে।




বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানিতে বড় বাধা দালাল চক্র: প্রধান উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজঃ বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে বড় বাধা দালাল চক্র বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক অভিবাসী ও প্রবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শ্রমশক্তি রপ্তানির পুরোটাই দালাল বেষ্টিত। পদে পদে দালালদের প্রতারণার জন্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, এই শ্রমশক্তি রপ্তানি খাতকে দালাল মুক্ত করতে না পারলে উন্নতি সম্ভব না।

 প্রধান উপদেষ্টা তরুণদের নিয়ে বলেন, পৃথিবীতে তারুণ্যের অভাব, আমরা তারুণ্যের খনি। এটা সোনার চেয়েও দামী। সারা পৃথিবীকে আমাদের কাছে আসতে হবেই, এত তরুণ জনশক্তি আর কোথাও নাই। প্রধান উপদেষ্টা।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল প্রবাসীদের কল্যাণে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।




‘হাদির দ্রুত ফেরার সম্ভাবনা নেই, লম্বা সময় থাকতে হতে পারে আইসিইউতে’

ডেস্ক নিউজঃ সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স এন্ড স্পোর্টস সার্জারী বিভাগের ক্লিনিক্যাল ফেলো ডা. আব্দুল্লাহ আল রাফি বলেছেন, ওসমান হাদি ইংশাআল্লাহ আমাদের মাঝে ফিরবে। তবে খুব দ্রুত তার ফেরার সম্ভাবনা নেই। কেউ এমনটা আশা করলে সেটা এক ধরনের বোকামি বা পাগলামো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় হাদি সম্পর্কিত এমন বেশ কিছু তথ্য শেয়ার করেন তিনি।

সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগ খুবই স্ট্রং এমনটা জানিয়ে ডা. রাফি বলেন, এখানে সকল ধরনের উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে। এমনকি এই হাসপাতালে নিউরোসার্জারির জন্য ন্যাশনাল নিউরোসাইন্স ইনস্টিটিউট (এনএনআই) নামের আলাদা একটা ইনস্টিটিউট রয়েছে। যেখানে রোবোটিক সার্জারিসহ সকল উন্নত টেকনোলজি ব্যবহার হয়।

তিনি বলেন, যেহেতু হাদির মাথার ভেতর বুলেটের একটা অংশ থাকার তথ্য রয়েছে সেহেতু তার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে ইন্ট্রা অপারেটিভ এমআরআই করতে হবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এরকম প্লান যদি সার্জনদের থেকে থাকে তাহলে তারা এখানেই সেটা করবে। যেই সার্জারি বাংলাদেশ বা আশপাশের দেশে নাই। তাই বলা চলে, এটা হাদির পরিবারের সঠিক সিদ্ধান্ত।

তবে তার জিসিএস-থ্রি কন্ডিশন জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের রোগীদের দ্রুত ফেরার সম্ভাবনা নেই। দীর্ঘ সময় লাগবে।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও একজন এই হাসপাতালে হেড ইনজুরি নিয়ে আসে। তার অবস্থাও হাদির মতো খুবই খারাপ ছিল। তিনিও তিন মাস আইসিইউতে ছিলেন। ফলে এটা দু-একদিনের বিষয় নয় জানিয়ে তিনি বলেন, হাদিকে রাতারাতি সুস্থ করা সম্ভব নয়। ফিরে আসলে লম্বা সময় তাকে আইসিইউতে থাকতে হবে। এছাড়া ফিরলেও নানান ধরনের সমস্যার মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হতে পারে বলে জানান এই চিকিৎসক।




‘উপকার হবে’ বলে ২০ দিন আগে কবিরকে হাদির অফিসে নিয়ে যান ফয়সাল

ডেস্ক নিউজঃ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু কবির ওরফে দাঁতভাঙা কবিরকে নিয়ে হাদির অফিসে গিয়েছিলেন—এমন তথ্য উঠে এসেছে আদালতের রিমান্ড শুনানিতে।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামানের আদালতে রিমান্ড শুনানিকালে এসব তথ্য তুলে ধরেন রাষ্ট্রপক্ষ।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে ১৫ ডিসেম্বর কবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর কাইয়ুম হোসেন নয়ন বলেন, কবির আদাবর থানার স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। প্রকাশ্য দিবালোকে যে মোটরসাইকেলে করে শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়, সেই মোটরসাইকেলে কবির উপস্থিত ছিলেন। ফয়সাল করিম মাসুদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং ফয়সালকে নিয়ে কবিরই হাদির অফিসে যান।

রাষ্ট্রপক্ষ আরও জানায়, ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কবির আত্মগোপনে চলে যান। হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র কবির ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ করা হয় এবং যে মোটরসাইকেলটি ব্যবহার করা হয়েছে, সেটিও তার বলে দাবি করা হয়। অস্ত্র উদ্ধার ও ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা জানার জন্য রিমান্ড প্রয়োজন বলে জানানো হয়।

শুনানিকালে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। এ সময় আদালতে বক্তব্য দেন কবির। তিনি বলেন, তিনি পেশায় উবার গাড়িচালক এবং মাঝে মাঝে ফয়সাল করিম মাসুদ ফোন দিলে তার সঙ্গে যেতেন। গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকায় ফয়সালের সঙ্গে যাতায়াত ছিল। প্রায় ১৮–২০ দিন আগে ফয়সাল ফোন করে তাকে হাদির অফিসে নিয়ে যেতে বলেন এবং ‘গেলে উপকার হবে’ বলেছিলেন। পরে তিনি ফয়সালকে হাদির অফিসে নিয়ে যান।

মোটরসাইকেল প্রসঙ্গে কবির বলেন, সেটি তার বন্ধু মাউনুদ্দিন ইসলাম শুভ কিনেছিলেন। দুজন একসঙ্গে মোটরসাইকেল কিনতে গেলেও পরিচয়পত্র হিসেবে তার এনআইডি ব্যবহার করা হয়। মোটরসাইকেলের কাগজপত্র শুভর নামে রয়েছে এবং এটি অনেক আগেই কেনা হয়েছিল।

শুনানি শেষে আদালত কবিরের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, গত ১৪ আগস্ট ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব জাবেদ বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

এ মামলায় এরই মধ্যে ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, তার বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা এবং শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপুকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্তের একজন চলন্ত রিকশায় থাকা শরিফ ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সর্বশেষ উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।




বিজ্ঞাপনে ‘মিথ্যা’ দাবি, নথিতে ভিন্ন চিত্র: পিডি ইনামুল কবীরকে ঘিরে উঠছে একের পর এক প্রশ্ন

এসএম বদরুল আলমঃ সাম্প্রতিক সময়ে পিডি ইনামুল কবীরকে ঘিরে জলবায়ু ও পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। এসব অভিযোগের জবাবে সংশ্লিষ্ট সংবাদে প্রতিবাদ না জানিয়ে তিনি ভিন্ন মাধ্যমে বিজ্ঞাপন আকারে একটি লিখিত প্রতিবাদ প্রকাশ করেন, যা প্রতিবেদকের নজরে আসে। সেই প্রতিবাদে তিনি অভিযোগগুলোকে “মিথ্যা” বলে দাবি করলেও, তার বক্তব্যে উঠে আসা কিছু তথ্য নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

প্রতিবাদে পিডি ইনামুল কবীর জানান, ২৪৬১ কোটি টাকার জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে ২৫৫ জন আউটসোর্সিং স্টাফ নিয়োগ দেওয়া হয়। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী বুয়েটের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত সব কাগজপত্র তার দপ্তরে সংরক্ষিত আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে বুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা আয়োজনের জন্য যে বড় অঙ্কের ব্যয় হয়, সেই অর্থের উৎস সম্পর্কে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে আরও গুরুতর অভিযোগ উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ২৫৫ জন নিয়োগের একটি বড় অংশের ক্ষেত্রে ঘুষের বিনিময়ে আত্মীয়করণ ও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ আছে, প্রায় ৮০ শতাংশ জনবল এভাবে নিয়োগ পেয়েছেন। প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে যে, নিয়োগের দায়িত্বে দেখানো জনবল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এলকেএসএস নামে বাস্তবে বৈধভাবে কার্যকর কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব স্পষ্ট নয়। নিয়ম অনুযায়ী জনবল সরবরাহ প্রতিষ্ঠানের অন্তত তিন বছরের ভ্যাট ও ট্যাক্স পরিশোধের অভিজ্ঞতা থাকার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে তা পূর্ণ হয়নি।

এছাড়া যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োগ দেখানো হয়েছে, তাদের নিবন্ধিত নাম এলকেএসএস হিউম্যান রিসোর্স সেন্টার হলেও টেন্ডার দাখিল করা হয়েছে ভিন্ন সংক্ষিপ্ত নামে। একই নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বও পাওয়া গেছে, যা বিষয়টিকে আরও জটিল করেছে। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো—এই প্রতিষ্ঠানের একক মালিক হিসেবে মো. বেলাল হোসেনের নাম পাওয়া যায়, যিনি এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (প্রশাসন) এবং বর্তমানে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্বে রয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি একই সঙ্গে ফার্মের মালিক, সিডিউল বিক্রেতা এবং নিয়োগ কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, যা স্বার্থের সুস্পষ্ট সংঘাতের ইঙ্গিত দেয়।

পিডি ইনামুল কবীর তার প্রতিবাদে দাবি করেন, গত দুই বছরে প্রকল্পের জনবল বেতন ও অন্যান্য খাতে মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ২১ কোটি টাকা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই অঙ্কে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির সুযোগ নেই। তবে অনুসন্ধানে প্রশ্ন উঠেছে—প্রত্যেক নিয়োগপ্রাপ্তের কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হয়েছে, মোট কত অর্থ লেনদেন হয়েছে এবং সেই অর্থ কোথায় গেছে, এসব বিষয় এখনো অস্বচ্ছ রয়ে গেছে।

অফিস ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। প্রতিবাদে বলা হয়, ৮০ থেকে ৯০ জন জনবলের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় অনুমতি নিয়ে শেওড়াপাড়ায় আলাদা অফিস ভাড়া নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এলজিইডির একাধিক সিনিয়র প্রকৌশলীর দাবি, মূল ভবনের চতুর্থ তলায় পর্যাপ্ত খালি জায়গা রয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী পিডি ও হিসাব শাখার অফিস মূল ভবনের মধ্যেই থাকার কথা। নিয়ম অনুসরণ না করে ব্যয়বহুল ও অতিরিক্ত নিরাপত্তাবেষ্টিত অফিস স্থাপন করায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।

প্রতিবেদকের হাতে আসা সরকারি নথি অনুযায়ী, কাজ না করেই বিল পরিশোধ, টেন্ডার বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য এবং বদলি বাণিজ্যের অভিযোগের বিষয়ে ২৮ অক্টোবর উপসচিব মোহাম্মদ শামীম বেপারীর স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে গুরুতর ইঙ্গিত পাওয়া যায়। একই সঙ্গে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগে ইনামুল কবীরের বিরুদ্ধে সিলেট এলজিইডি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (অব.) কাজী আব্দুস সামাদ লিখিতভাবে তদন্তের সুপারিশ করেন।

এছাড়া এলজিইডি সিলেট অফিস কম্পাউন্ডে অবৈধভাবে জীবিত গাছ কাটার অভিযোগে সিলেট বন বিভাগের পক্ষ থেকেও একাধিক চিঠির মাধ্যমে তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়। এসব চিঠির অনুলিপি সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের দপ্তরগুলোতেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

সব মিলিয়ে, বিজ্ঞাপন আকারে প্রকাশিত প্রতিবাদের পর এলজিইডি ভবনে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, লিখিত প্রতিবাদে যেসব দাবি করা হয়েছে, তার সঙ্গে নথি ও অভিযোগের মধ্যে স্পষ্ট ফারাক রয়েছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তই পারে প্রকৃত সত্য সামনে আনতে।




‘ভোটের ওপর নির্ভর করছে আপনার আমার সবার ভবিষ্যৎ’

ডেস্ক নিউজঃ দেশের জনগণের উদ্দেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ভোটের ওপর নির্ভর করছে আপনার আমার সবার ভবিষ্যৎ। আপনার আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ। যোগ্য লোককে ভোট দিন। জাতির ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. ইউনূস বলেন, ভোট জনগণের ভবিষ্যৎ রচনার অক্ষর। ভোট বাক্সে ভোট জমা দিতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যৎ আর রচনা করা যাবে না। আপনার ভোট আপনি সযত্নে ভোট বাক্সে দিয়ে আসুন। কেউ বাধা সৃষ্টি করলে তাকে সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিহত করুন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নিন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনা শুধু ব্যক্তি নয়, দেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত।




মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে মিরপুর প্রেসক্লাবের দোয়া ও আলোচনা সভা

এসএম বদরুল আলমঃ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করে মিরপুর প্রেসক্লাব, ঢাকা। প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ত্যাগ ও চেতনা নিয়ে গুরুত্বসহকারে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মিরপুর প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম বদরুল আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরপুর প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও দৈনিক পাঞ্জেরী পত্রিকার সম্পাদক তালুকদার রুমী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তালুকদার রুমী বলেন,

“মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন। শহীদদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এই স্বাধীনতা শুধু উদযাপনের নয়, রক্ষা করারও দায়িত্ব আমাদের।”

 

সভাপতির বক্তব্যে এস এম বদরুল আলম বলেন,

“মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে সাংবাদিকদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

 

সঞ্চালক ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন,

“শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের।”

 

বিশেষ অতিথি এস এম ইসলাম উকিল বলেন,

“মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছাড়া মানবিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।”

 

সহ-সভাপতি সৈয়দ সিরাজুল সালেহীন রাহাত বলেন,

“মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে গণমাধ্যমকে আরও সক্রিয় হতে হবে।”

 

সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,

“শহীদদের রক্তের ঋণ কখনো শোধ হবার নয়।”

 

মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম সায়মন বলেন,

“মুক্তিযুদ্ধ আমাদের মানবাধিকার ও মর্যাদার শিক্ষা দিয়েছে।”

 

যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম টুটুল বলেন,

“বিজয় দিবস আমাদের ঐক্যের প্রতীক।”

 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন:

মিরপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম ইসলাম উকিল, সহ-সভাপতি এস এম পলাশ, সহ-সভাপতি খায়রুল ইসলাম  যুগ্ম সম্পাদক ও দ্য মেসেজ টুডের পত্রিকার সম্পাদক সাইফুল শিকদার, যুগ্ম সম্পাদক র. ই. জাকির, যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম টুটুল, যুগ্ম সম্পাদক সুমন খান, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম সায়মন, দপ্তর সম্পাদক এম.এ. গাফফার, প্রচার সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ, অর্থ সম্পাদক জি এস জয় ও এম এ মালেক।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহ-সম্পাদক জাকির হোসেন মোল্লা, রশিদ ই মাহবুব, আখতারুজ্জামান, মোছাম্মদ আনোয়ারা মঞ্জুর, রাবিয়া সিদ্দিকা, মিজানুর রহমান খান, আব্দুর রশিদ, রহমান, হুমায়ুন কবির, আলমগীর, আলী আহসান, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ দুলাল হোসেন, মোঃ আব্দুল আলীম, পারভেজ মিয়া, মোঃ রেজা, মোহাম্মদ শাহজালাল, মোছাম্মদ রাবেয়া আক্তারসহ মিরপুর প্রেসক্লাবের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয় মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ।