Microsoft Excel Portable + Crack [Stable] [x64] [Full] Reddit

Poster
🔍 Hash-sum: %DHASH%


🕓 Last update: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz chip recommended
  • RAM: Enough for patching
  • Disk space: Required: 64 GB

Microsoft Excel is a robust spreadsheet program used for data analysis and visualization. It facilitates data organization, calculation, and chart creation by users. Supports formulas, macros, Power Query, and Power Pivot. Frequently used in business, finance, education, and research fields. Recognized for its versatility, accuracy, and critical decision-making features.

  1. Download crack files with verified working serial keys
  2. Microsoft Excel 2025 Portable + Activator [Lifetime] [Stable] MediaFire
  3. Custom keygen supporting various serial formats and templates
  4. Microsoft Excel Cracked Windows 11 [x86x64] Lifetime 2025 FREE
  5. License updater software for easy license transfer between PCs
  6. Microsoft Excel 2021 Portable + Crack Clean [x64] Lifetime Reddit
  7. Crack tool featuring silent activation and background patching
  8. Microsoft Excel 2025 Portable + License Key Patch [Lifetime] Reddit
  9. License key backup and restore tool with advanced encryption
  10. Microsoft Excel 2025 Free[Activated] [Final] [x32x64] Patch




গোল পাহাড়ের জমি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ: মোঃ শরফুল হকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও হয়রানির গুরুতর দাবি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের গোল পাহাড় এলাকায় একটি জমি ও সেখানে থাকা দোকানঘর ঘিরে মোঃ শরফুল হক (পিতা: মৃত তৈয়ব উল্লাহ) এর বিরুদ্ধে অভিনব কৌশলে প্রতারণা, অবৈধ দখল এবং বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন একাধিক ভুক্তভোগী। তাদের দাবি, চুক্তির শর্ত মানা তো দূরের কথা, পরিকল্পিতভাবে জমির মালিকদের অন্ধকারে রেখে তিনি দীর্ঘদিন ধরে জমি ও দোকান ব্যবহার করে কোটি টাকার সুবিধা নিয়েছেন।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৯ জুন চট্টগ্রামের গোল পাহাড় এলাকায় অবস্থিত একটি তফসিলভুক্ত সম্পত্তি নিয়ে মোঃ শরফুল হকের সঙ্গে একটি লিখিত চুক্তি হয়। ওই চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল, জমিটির বিএস রেকর্ড ও খাজনা সংক্রান্ত সব কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ভূমি অফিসে প্রায় ৩০ লাখ টাকা খরচ হবে। এই টাকা জমির দুই মালিক মোঃ ওমর ফারুক এবং মোঃ শরফুল হকের যৌথ অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে সেই টাকা কখনোই জমা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

আরও অভিযোগ রয়েছে, জমিটির মালিক দুইজন থাকা সত্ত্বেও মোঃ শরফুল হক কৌশলে একজন মালিকের সঙ্গে আলাদা সমঝোতায় যান এবং যৌথ অ্যাকাউন্ট খোলার শর্ত এড়িয়ে যান। চুক্তি অনুযায়ী বিএস ও খাজনা সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন না করেই তিনি জমির ওপর থাকা দোকানগুলো বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ভাড়া দেন। এ সময় দোকান ভাড়া দেওয়ার নামে প্রায় ৮০ লাখ টাকা অগ্রিম অর্থ গ্রহণ করেন তিনি, যা জমির প্রকৃত মালিকদের অজান্তেই করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে জমিটি নিজের দখলে রেখে দোকান ভাড়া দিয়ে মোঃ শরফুল হক প্রায় আড়াই কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ আদায় করেছেন। অথচ এই পুরো সময়ের মধ্যে মালিকপক্ষকে ভাড়া বাবদ মাত্র ১০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকি বিপুল অর্থ এখনো পাওনা রয়েছে বলে মালিকরা দাবি করছেন। টাকা চাইতে গেলেই অভিযুক্ত ব্যক্তি হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখান বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি তিনি আইন ও আদালতকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আছে—এমন কথাও বলেছেন বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, যা আদালত অবমাননার শামিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এক পর্যায়ে জমির মালিকরা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে জমি ও দোকান খালি করার অনুরোধ জানালে মোঃ শরফুল হক আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি হুমকি দিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করেন এবং পরবর্তীতে আদালতে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে জমির মালিক ও সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে তথ্য গোপন ও মিথ্যা উপস্থাপনের মাধ্যমে মামলা করা মানহানিকর এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধের আওতায় পড়ে।

এদিকে, দোকান ভাড়া নেওয়ার জন্য যারা মোঃ শরফুল হকের কাছে অগ্রিম টাকা দিয়েছিলেন, তারাও নিজেদের অর্থ ফেরত না পেয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। এসব ভুক্তভোগীর কেউ কেউ আলাদাভাবে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বলেও জানা গেছে। ফলে একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক পক্ষের অভিযোগ সামনে এসেছে।

ভুক্তভোগীরা এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বলেন, দেশে আইন ও বিচার ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে একজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে প্রতারণা ও হয়রানি করতে পারে, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও নিরপরাধ মানুষ এ ধরনের ফাঁদে পড়তে পারে।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগীরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে সমাজ থেকে এ ধরনের প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।




কনুইয়ের গুঁতো ও নখের আছড়ে বিশৃঙ্খলা, মাঠ ছাড়লেন মেসিরা

খেলাধুলা ডেস্কঃ দুই যুগ পর ভারতে পা রেখে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়লেন আর্জেন্টাইন ফুটবল সুপারস্টার লিওনেল মেসি। জিওএটি ট্যুরের অংশ হিসেবে কলকাতায় আসার পর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই আয়োজকদের অব্যবস্থাপনায় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। মেসিকে সরাসরি দেখতে না পেয়ে ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা ভাঙচুর চালান।

পরে আয়োজক প্রধানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ঘটনার জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ক্ষমা চান। এই বিশৃঙ্খলার খবর ছড়িয়ে পড়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও।

কলকাতার সেই দিনের ঘটনা নিয়ে ধীরে ধীরে সামনে আসছে নানা অস্বস্তিকর তথ্য। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক হয়ে ওঠে যে, নিজ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা অনুভব করতে শুরু করেন লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ, রদ্রিগো ডি পল।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যুবভারতীর চার ও পাঁচ নম্বর গ্যালারির মাঝের পথে এসে থামে মেসির গাড়ি। গাড়ি থেকে নামতেই তাকে ঘিরে ধরেন শতাধিক মানুষ। উদ্যোক্তা, আলোকচিত্রী, রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী এবং তাদের ঘনিষ্ঠজনদের ভিড়ে মেসি কার্যত আটকে পড়েন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস মেসির গায়ে কার্যত লেপ্টে ছিলেন। প্রভাবশালীদের ভিড় মেসির সঙ্গে সঙ্গে এগোতে থাকে এবং ছবি তোলার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। ধাক্কাধাক্কির এক পর্যায়ে মরিয়া সেলফি শিকারিদের একজনের কনুইয়ের গুঁতো লাগে লুইস সুয়ারেজের পেটে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আরেকজনের নখের আছড় লাগে রদ্রিগো ডি পলের হাতে।

মুখে হাসি ধরে রাখার চেষ্টা করলেও স্পষ্ট অস্বস্তিতে ছিলেন মেসি। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরা আর ঝুঁকি নেননি। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে মেসি, সুয়ারেজ, ডি পলদের মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ওইদিন মাঠে উপস্থিত ভারতের ফুটবলারদের কেউ কেউ এই দৃশ্য লক্ষ্য করেন। রহিম নবি বলেন, অনেকেই মেসি, সুয়ারেজ, ডি পলদের ঘাড়ের কাছে চলে যাচ্ছিলেন। কয়েক মিনিট পরিস্থিতি দেখে মেসি নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে মাঠ ছাড়েন। দূর থেকেই বোঝা যাচ্ছিল ভিড়ের মধ্যে তিনি অস্বস্তিতে ছিলেন।

দীপেন্দু বিশ্বাস জানান, পেনাল্টি নেওয়ার কথা ছিল মেসির। সে জন্য তিনি গোলপোস্টের দিকেও যাচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই তাকে আবার ভিড়ের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। সংগ্রাম মুখোপাধ্যায়ের ভাষ্য, মেসিকে ঠিকমতো হাঁটতেও দেওয়া হচ্ছিল না, কোনও দিক দিয়েই ভিড় থেকে বেরোতে পারছিলেন না।

ঘটনার পেছনে অব্যবস্থাপনার একের পর এক চিত্র উঠে এসেছে। ন্যূনতম পরিকল্পনার অভাবের পাশাপাশি দায়িত্বশীল পক্ষগুলোর মধ্যে কোনও সমন্বয় ছিল না। আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, পশ্চিমবঙ্গের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ও ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের মধ্যে মেসিকে দখলে নেওয়ার প্রতিযোগিতাই বিশৃঙ্খলার সূত্রপাত করে।

শুক্রবার দিবাগত রাতে কলকাতায় পৌঁছানোর পর মেসিকে নিজের দখলে নেন সুজিত বসু। হায়াত রিজেন্সি হোটেলে মেসিকে ঘিরে থাকেন তার লোকজন। শ্রীভূমির সামনে ৭০ ফুট মূর্তি উন্মোচনসহ সারাক্ষণই মেসির পাশে ছিলেন তিনি এবং মঞ্চে হাজির করেন তার মেয়েকেও।

মেসি মাঠে ঢুকতেই সেই দখল চলে যায় ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের হাতে। মাঠে ঢোকার পর তাকে ঘিরে ধরেন অরূপ ও তার ঘনিষ্ঠরা। ছবি তোলার টানাহ্যাচড়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। এক পর্যায়ে নিরাপত্তাকর্মীরা অরূপ বিশ্বাসকে সরিয়ে দেন।

এমন অস্বস্তিকর পরিবেশে প্রায় এক ঘণ্টা থাকার কথা থাকলেও মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই মাঠ ছাড়েন লিওনেল মেসি। তার এই দ্রুত প্রস্থান হাজার হাজার দর্শকের হতাশা ও ক্ষোভকে আরও উসকে দেয়।

ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, বিশৃঙ্খলার অন্যতম কারণ ছিল নিয়ন্ত্রণহীন ভিআইপি সংস্কৃতি। এনডিটিভি লিখেছে, যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে রাজনৈতিক ও প্রভাবশালীদের ভিড়ের কারণেই সাধারণ দর্শকেরা মেসিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাননি।




যুব এশিয়া কাপে টানা জয়ে বাংলাদেশের দাপট

খেলাধুলা ডেস্কঃ নেপালকে সাত উইকেটে হারিয়ে যুব এশিয়া কাপে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। এর মধ্যে দিয়ে সেমিফাইনাল এক পা দিয়েছে যুবা টাইগাররা।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুবাইয়ে টসে জিতে আগে নেপালকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। মাত্র ১৩০ রানের মাথাতে অলআউট হয়ে যায় নেপাল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রানের ইনিংস খেলেন অভিষেক তিওয়ারি।

বাংলাদেশের হয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ সবুজ। ২টি করে উইকেট নেন সাদ ইসলাম, শাহরিয়ার আহমেদ এবং আজিজুল হাকিম তামিম। ১ উইকেট নিয়েছেন শাহরিয়া আল-আমিন।

জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশকে আগ্রাসী শুরু এনে দেন ওপেনার জাওয়াদ আবরার। তবে ৪র্থ ওভারের প্রথম দুই বলে রিফাত বেগ এবং আজিজুল হাকিম তামিমের উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। ৭ বলে ৫ রান করে বিদায় নেন রিফাত। তামিম আউট হন ১ বলে ১ রান করে। এরপর জাওয়াদের সাথে জুটি বাঁধেন কালাম সিদ্দিকী অ্যালেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশকে শুভ সূচনা এনে দেন ওপেনার জাওয়াদ আবরার। তবে ৪র্থ ওভারের প্রথম দুই বলে রিফাত বেগ এবং আজিজুল হাকিম তামিমের উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। ৭ বলে ৫ রান করে বিদায় নেন রিফাত। তামিম আউট হন ১ বলে ১ রান করে। এরপর জাওয়াদের সাথে জুটি বাঁধেন কালাম সিদ্দিকী অ্যালেন।

এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে গেছেন জাওয়াদ। তাকে দারুণভাবে সঙ্গ দেন কালামও। দুজনের কার্যকরী ব্যাটিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশের ইনিংস। কিছুটা চালিয়ে খেলেছেন জাওয়াদ। তুলে নেন দারুণ এক ফিফটিও। আগের ম্যাচেও ম্যাচ জেতানো ফিফটি হাঁকিয়েছিলেন জাওয়াদ আবরার।

শেষে ৬৬ বলে ৩৪ রান করে বিদায় নেন অ্যালেন। জাওয়াদ শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৬৮ বলে ৭০ রান করে টিকে ছিলেন জাওয়াদ। ৮ বলে ১২ রান করে টিকে ছিলেন রিজান হোসেন। ১৫১ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ।

আগামী ১৭ ডিসেম্বর (বুধবার) বাংলাদেশ পরের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে।




শাওন-আনিস আলমগীরসহ চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযোগ

ডেস্ক নিউজঃ সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাংবাদিক আনিস আলমগীর ও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় জুলাই রেভ্যুলেশনারী এলায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ এই অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত অন্য দুজন হলেন মারিয়া কিশপট্ট ও ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজ।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়লেও তার অনুসারীরা বিভিন্ন কৌশলে দেশে অবস্থান করে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা চালিয়ে আসছেনৎ

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ৫ আগস্টের পর থেকে অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠনকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রচারণা চালাচ্ছেন, যা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের অপচেষ্টা হিসেবে দেখানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, এসব বক্তব্য ও পোস্টের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা উৎসাহিত হয়ে রাষ্ট্রে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও অবকাঠামো ধ্বংসের লক্ষ্যে ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে।

এদিকে অভিযোগ দায়েরের পর রোববার রাতেই সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। ডিবি প্রধান চ্যানেল ২৪-কে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধানমন্ডি ২ নম্বরে অবস্থিত একটি জিম থেকে বের হওয়ার পর আনিস আলমগীরকে ডিবিতে নেওয়া হয়। জিমটির ম্যানেজার আরেফিন গণমাধ্যমকে জানান, সন্ধ্যায় জিমে এসে ব্যায়াম শেষে রাত আটটার দিকে তিনি বের হয়ে যান। জিমের ভেতরে পুলিশের কাউকে তিনি দেখেননি বলেও জানান।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে দেওয়া বক্তব্যের কারণে আলোচনায় ছিলেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীর। তিনি দৈনিক আজকের কাগজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।




পুত্রদের সঙ্গে মেসি-দর্শনে কারিনা

বিনোদন ডেস্কঃ ফুটবল আইকন লিওনেল মেসির ভারত সফর ঘিরে উত্তেজনার পারদ চড়েছে। বহু প্রতীক্ষিত গোট ট্যুর’-এর অংশ হিসেবে আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তি মুম্বাইতে অবস্থান করছেন। আর সেখানেই তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেয়ে আপ্লুত হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান এবং তাঁর দুই ছেলে, তৈমুর আলি খান ও জেহ (জাহাঙ্গীর আলি খান)।

ফুটবলপ্রেমী তৈমুর ও জেহ-র জন্য এই দিনটি ছিল বিশেষভাবে স্মরণীয়। মেসি-ভক্ত এই দুই ছেলেকে নিয়ে কারিনা মুম্বাইতে আয়োজিত ইভেন্টে উপস্থিত হয়েছিলেন। ইভেন্টে তোলা ছবিতে দেখা যায়, তৈমুর ও জেহ দুজনেই ফুটবল জার্সি পরে আছে। তৈমুরের জার্সিতে লেখা মেসির নাম, আর ছোট্ট জেহ পরেছিল আর্জেন্টিনা দলের জার্সি।

মুম্বাইতে মেসির এই সফরসূচি বেশ ব্যস্ত। ক্রিকেট ক্লাব অফ ইন্ডিয়াতে ‘প্যাডেল জিওএটি কাপ’-এ অংশ নেওয়ার পর তিনি মুম্বাইয়ের ঐতিহ্যবাহী ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভক্তদের সামনে উপস্থিত হন। এই ইভেন্টগুলির আগেই কারিনা তার সন্তানদের নিয়ে মেসির সঙ্গে দেখা করেন এবং ছবি তোলেন।

কলকাতা এবং হায়দ্রাবাদের পর মুম্বাই হয়ে মেসির ট্যুরের চূড়ান্ত গন্তব্য ভারতের রাজধানী দিল্লি। সেখানেই সোমবার তিনি ভারত সফরের ইতি টানবেন।




ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর গল্প শোনালেন বাঁধন

বিনোদন ডেস্কঃ ক্যামেরার সামনে নিখুঁত দেখানোর চাপ, চরিত্রের চাহিদা এবং ব্যক্তিগত লড়াই মিলিয়ে ওজন নিয়ে সংগ্রাম তারকাদের জীবনে নতুন নয়। তবে সেই সংগ্রাম যখন সাহস, আত্মবিশ্বাস এবং সুস্থতার গল্প হয়ে ওঠে, তখন তা অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়। ঠিক এমনই এক পরিবর্তনের গল্প শোনালেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।

মাত্র ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমিয়ে নিজের নতুন রূপ তুলে ধরেছেন তিনি। রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাশাপাশি কয়েকটি ছবি শেয়ার করে বাঁধন নিজের এই দীর্ঘ শারীরিক ও মানসিক যাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধদেস্ক

এক পোস্টে বাঁধন লেখেন, ৭৮ কেজি থেকে ৬০ কেজি, আমি পেরেছি। তবে এই পথচলা সহজ ছিল না বলেও স্বীকার করেন তিনি। অভিনেত্রী জানান, মানসিক স্বাস্থ্যজনিত লড়াই, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং বংশগত কারণেই তার ওজন বেড়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিন বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

বাঁধনের ভাষায়, সঠিক চিকিৎসকের পরামর্শ, নিয়মিত অনুশীলন এবং নিজের ওপর বিশ্বাস এই তিনটি বিষয়ই তাকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে। ছয় মাসের কঠোর শৃঙ্খলাই এনে দিয়েছে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন।

এই যাত্রায় তার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন তার মেয়ে। বাঁধন জানান, মেয়েই তাকে নিয়মিত ব্যায়াম করতে উৎসাহ দিয়েছে, জাঙ্ক ফুড থেকে দূরে থাকতে বলেছে এবং প্রতিদিন নিজেকে বিশ্বাস করার শক্তি জুগিয়েছে।

বাঁধনের মতে, এটি শুধু ওজন কমানোর গল্প নয়। এটি আত্মসম্মান ফিরে পাওয়ার, ভেতরের ক্ষত সারিয়ে ওঠার এবং নিজের শক্তিকে নতুন করে আবিষ্কার করার গল্প। তিনি বলেন, এই পথচলা এখনো শেষ হয়নি, তিনি এগিয়ে চলেছেন।

কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন অভিনেত্রী। নির্মাতা তানিম নূরের নতুন সিনেমা বনলতা এক্সপ্রেসে অভিনয় করছেন তিনি। হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস কিছুক্ষণ অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমাটি বাঁধনের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

অভিনেত্রী জানান, সিনেমার নির্মাতা ও সহশিল্পীদের সঙ্গে কাজ করাটা তার জন্য আনন্দের অভিজ্ঞতা। তানিম নূর যখন চরিত্রটির কথা বলেন, তখন তার মেয়ে তাকেই অভিনয়ে রাজি হতে উৎসাহ দেয়। বাঁধনের কথায়, দীর্ঘদিন ধরে সিরিয়াস ও বিষণ্ন চরিত্রে দেখা যাওয়ার পর এই কাজটি তার জন্য ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা হবে।




বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির অনুমোদন

সৈয়দ উসামা বিন শিহাব স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বরে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ নবগঠিত জেলা কমিটির সদস্যদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত এবং দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমান।

এসময় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি, সময়ের জনপ্রিয় মানবাধিকার নেতা সেহলী পারভীন; ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আরঙ্গজেব কামাল এবং বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সিনিয়র সহ-সম্পাদক মো. মাহিদুল হাসান সরকার।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক গণ জাগরণ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি শিহাব উদ্দিন; কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মো. মাহাবুব উদ্দিন; শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ও দৈনিক মাতৃজগতের বার্তা সম্পাদক ওয়ারেছ আহমেদ ভুঁইয়া (তাপস); প্রচার সম্পাদক সৈয়দ উসামা বিন শিহাবসহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি খান সেলিম রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্য, খান সেলিম রহমান বলেন, সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়, এটি জাতির প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিশ্রুতি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা ন্যায়, সত্য, মানবিকতা এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধের নাম। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে এখানকার সংবাদকর্মীরা পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা ও বস্তুনিষ্ঠতার মান আরও উঁচুতে নিয়ে যাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি জনগণের সমস্যাকে প্রাধান্য দিয়ে সাহসিকতার সঙ্গে সংবাদ তুলে ধরার আহ্বান জানান এবং সাংবাদিকদের উন্নয়ন, সুরক্ষা, প্রশিক্ষণ ও অধিকার রক্ষায় কেন্দ্রীয় কমিটি সবসময় পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ডিজিটাল সাংবাদিকতায় প্রশিক্ষণ, তথ্য যাচাই ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের দক্ষতা বৃদ্ধি, তরুণ সংবাদকর্মীদের পেশাগত দিকনির্দেশনা এবং আইনগত সহায়তার জন্য হেল্প ডেস্ক চালু—এসবকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটি কাজ করবে।
তারা জানান, প্রতি মাসে নিয়মিত সেমিনার, ট্রেনিং এর আয়োজন করা হবে।

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটি (২০২৫–২০২৭)
নবগঠিত কমিটির অনুমোদিত তালিকা
১. সভাপতি
মো. জানে আলম
২. সহ-সভাপতি
২.১ মো. আবুল কালাম ইউসুফ
২.২ মো. মাসেকুর রহমান
৩. সাধারণ সম্পাদক
আবদুল্লা আল সাঈদ
৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক
সালমান হোসেন
৫. সাংগঠনিক সম্পাদক
মো. ছালেক আহাম্মেদ তারেক

৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক
মো. বকুল মিয়া
৭. অর্থ সম্পাদক
মো. রুবেল মিয়া
৮. সহ-অর্থ সম্পাদক
শারমিন ইসলাম
৯. দপ্তর সম্পাদক
মো. খাদেমুল ইসলাম (জীবন)
১০. প্রচার সম্পাদক
আরিফ চৌধুরী
১১. সাংস্কৃতিক সম্পাদক
এস এম খোকন
১২. মহিলা বিষয়ক সম্পাদক
সানজিদা বেগম
১৩. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক
মাওলানা মাসুদ আযহার
১৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক
জাহিদুল মনির
১৫. সমাজকল্যাণ সম্পাদক
স্বপন আহমেদ
১৬. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক
রাবেয়া খাতুন
১৭. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক
মো. সুফল আমিন
১৮. ত্রাণ সম্পাদক
মো. হিরা আলম
১৯. দুর্যোগ ও পরিবেশ সম্পাদক
মো. তোফাজ্জল ইসলাম
২০. জনশক্তি সম্পাদক
মো. সালাউদ্দিন
২১. ক্রীড়া সম্পাদক
সোহাগ মোল্লা শিমুল
২২. কার্যনির্বাহী সদস্য
২২.১ হারুন মিয়া
২২.২ শারমিন জাহান।

নবগঠিত কমিটির সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, সত্য সংবাদ প্রকাশের পথে বাধা আসলেও থেমে থাকা যাবে না। গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ, আর সংবাদকর্মীরা জনগণের কণ্ঠস্বর। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির প্রতিটি সদস্য সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।

কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ সব উপজেলার সাংবাদিকদের উন্নয়নে যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করবে:
উপজেলা ইউনিটে প্রেসক্লাব কার্যক্রম সম্প্রসারণ, সাংবাদিকদের আইডি কার্ড বিতরণ ও ডাটাবেজ তৈরি, আইনগত সহায়তা ইউনিট চালু, জেলা-ভিত্তিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন উৎসাহনা, জরুরি ঘটনায় র‌্যাপিড রেসপন্স টিম গঠন, প্রবীণ সাংবাদিকদের সম্মাননা ও কল্যাণ তহবিল চালু, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও ফ্যাক্ট-চেকিং প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা।
এসব উদ্যোগ সাংবাদিক মহলে ইতোমধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির এই অনুমোদনের মাধ্যমে জেলার সাংবাদিকতা আরও সুসংগঠিত, গতিশীল এবং জনমুখী হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। নতুন নেতৃত্ব জেলার সাংবাদিক সমাজকে আরও এগিয়ে নেবে বলেও তারা আশাবাদী।




হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

ডেস্ক নিউজঃ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে ওসমান হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমাবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে, দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে তাকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে বের করে নেওয়া হয়।

এরও আগে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে অসপ্রে এভিয়েশনের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, ওসমান হাদির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় মেডিকেল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক দল এবং ভ্রমণসংক্রান্ত সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের অ্যাক্সিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি বিভাগে তার চিকিৎসার সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া তার চিকিৎসা-সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। একই সঙ্গে তিনি ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমানে ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং অপরিবর্তিত আছে।

ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন।




প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে শোক প্রকাশ করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব

ডেস্ক নিউজঃ সুদানে ড্রোন হামলায় শান্তিরক্ষী মিশনে ছয় বাংলাদেশি মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানাতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহম্মদ ইউনূসকে ফোন করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফোনালাপে গুতেরেস বলেন, আমি আমার গভীর সমবেদনা জানাতে ফোন করেছি। আমি বিধ্বস্ত। এসময় তিনি হামলার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেন।

জাতিসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি তার সমবেদনা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে অনুরোধ জানান।

অধ্যাপক ইউনূস জানান, বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের প্রাণহানিতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। তিনি আহত সেনাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া এবং নিহতদের লাশ দ্রুত দেশে ফেরত আনার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের সহায়তা কামনা করেন।

গুতেরেস জানান, আহত শান্তিরক্ষীদের প্রাথমিকভাবে সুদানের একটি স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহতদের উন্নত সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালে স্থানান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আহতদের চিকিৎসা ও সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান প্রধান উপদেষ্টা।

বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত এ ফোনালাপে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত রমজানে জাতিসংঘ মহাসচিবের বাংলাদেশ সফরের কথাও স্মরণ করেন। এ সময় উভয় নেতা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়েও আলোচনা করেন। অধ্যাপক ইউনূস জাতিসংঘ মহাসচিবকে আশ্বস্ত করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজন করবে।

এসময় জাতিসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশের নির্বাচন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।