কুলাঘাট ওয়াপদা বাজার চেকপোস্ট পরিদর্শনে লালমনিরহাট সদর থানার ওসি আব্দুল মতিন

মোঃ জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট এলাকার ওয়াপদা বাজার চেকপোস্ট পরিদর্শন করেছেন সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল মতিন। পরিদর্শনকালে চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় চেকপোস্টের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানবাহন তল্লাশি কার্যক্রম এবং দায়িত্ব পালনের অবস্থা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন ওসি।

ওসি আবদুল মতিন বলেন, সারাদেশের মতো লালমনিরহাটেও পুলিশ সর্বোচ্চ তৎপরতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। এই জেলা সীমান্তবর্তী হওয়ায় যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে আমরা বিশেষভাবে সতর্ক রয়েছি।

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় অপরাধ দমন, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

পরিদর্শনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন ওসি আবদুল মতিন। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনে আরও সতর্ক ও পেশাদার হওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি। পুলিশের এমন তৎপরতায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা জানান, নিয়মিত তল্লাশি ও নজরদারির ফলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।

লালমনিরহাট সদর থানা সূত্রে জানা গেছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের চেকপোস্ট পরিদর্শন ও নজরদারি কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।




রংপুরে কারমাইকেল কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে পদোন্নতি পেলেন ড. মো: আবুল হোসেন মন্ডল

স্টাফ রিপোর্টার: রংপুর মহানগরীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কারমাইকেল কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন প্রফেসর ড. মো: আবুল হোসেন মন্ডল (৫১৬৩)। তিনি পূর্বে একই কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গত ১১ ডিসেম্বর এই তথ্য জানানো হয়। প্রফেসর ড. মো: আবুল হোসেন মন্ডলের এই পদায়নের খবরে কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের একজন অভিজ্ঞ ও পরিচিত শিক্ষক হিসেবে প্রফেসর ড. মো: আবুল হোসেন মন্ডল এবার অধ্যক্ষের গুরু দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। তার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি কারমাইকেল কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা আনবেন বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট সকলে।
এ প্রসঙ্গে কলেজের একজন শিক্ষক বলেন, “ড. আবুল হোসেন মন্ডল স্যার কলেজের একজন অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয় মুখ। তাঁর মতো একজন অভিজ্ঞ শিক্ষাবিদকে অধ্যক্ষ হিসেবে পেয়ে আমরা আনন্দিত। আমরা আশা করি, তাঁর নেতৃত্বে কারমাইকেল কলেজ তার গৌরবময় ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।”
ঐতিহ্যের ধারক কারমাইকেল কলেজ:
১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কারমাইকেল কলেজ উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক ইতিহাসের বহু ঘটনার সাক্ষী এই কলেজটি এখনও লাখো শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। প্রফেসর ড. মো: আবুল হোসেন মন্ডলের নেতৃত্বে কলেজটি নতুন মাত্রায় উন্নীত হবে, এমনটাই আশা করছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকমহল।
এদিকে কারমাইকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্র প্রফেসর ড. মোঃ আবুল হোসেন মন্ডল অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন পাওয়ায় কলেজের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।



শরীফ ওসমান হাদির উপর গুলির প্রতিবাদে লালমনিরহাটে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ বিএনপি নেতা শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে লালমনিরহাটে জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার জেলা বিএনপির কার্যালয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করে। সমাবেশ শেষে একটি বিশাল মিছিল শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিশনমোড় বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এসে মিছিলটি শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে সরকার বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালাচ্ছে। শরীফ ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনা তারই ধারাবাহিকতা। তারা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা সভাপতি আসাদুল হাবিব দুলু।

তিনি বলেন, এই হামলা গণতন্ত্রের ওপর হামলা, আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং দাবি করছি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে এসব বর্বর হামলার বিচার অবিলম্বে হোক।

প্রতিবাদ সমাবেশে জেলা বিএনপি, উপজেলা বিএনপিসহ সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।




গণপূর্তে ক্ষমতার অপব্যবহার: নির্বাহী প্রকৌশলী নিয়াজ মো. তানভীর আলমকে ঘিরে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ

এসএম বদরুল আলমঃ গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নিয়াজ মো. তানভীর আলমের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই স্বেচ্ছাচারিতা, নিয়ম ভাঙা ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। সরকারি দপ্তরকে নিজের ব্যক্তিগত সম্পদের মতো ব্যবহার করে তিনি বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দায়িত্ব ও শৃঙ্খলার প্রতি তার এই অবহেলা দেখে অনেক সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ।

একসময় নিয়াজ মো. তানভীর আলম বঙ্গভবনে এসডিই হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি আজিমপুর এলাকায় নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে টানা পাঁচ বছরের বেশি সময় দায়িত্বে ছিলেন। সেখান থেকে ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর তাকে সচিবালয়ে বদলি করা হলেও তিনি নির্ধারিত নিয়ম মানেননি। অভিযোগ রয়েছে, বদলির পর এক মাসেরও বেশি সময় তিনি একসঙ্গে দুটি ডিভিশনের দায়িত্ব পালন করেন, যা স্পষ্টভাবে সরকারি আদেশের লঙ্ঘন। এমনকি দায়িত্ব হস্তান্তর না করেই তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ শেষ না করে ঠিকাদারদের কোটি কোটি টাকার বিল ছাড় করেন এবং এর মাধ্যমে কমিশন বাণিজ্যে জড়ান।

আরও অভিযোগ রয়েছে, তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করার নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা মানেননি। বরং একই সময়ে দুই জায়গায় অফিস চালিয়েছেন, ব্যবহার করেছেন দুটি সরকারি গাড়ি ও জ্বালানি সুবিধা। বিভিন্ন বিল-ভাউচারের মাধ্যমে তিনি বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ উত্তোলন করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনা ঘিরে সরকারি দপ্তরে প্রশ্ন উঠেছে—কোন শক্তির জোরে তিনি বারবার আইন ও নিয়ম ভেঙে পার পেয়ে যাচ্ছেন?

আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে নির্মাণাধীন বহুতল মেকানিক্যাল কার পার্কিং শেড নিয়েও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই প্রকল্পে প্রায় ৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। ডিপিপিতে যেখানে ২৮৮টি গাড়ি রাখার ব্যবস্থা থাকার কথা ছিল, সেখানে অনুমোদন ছাড়াই তা কমিয়ে ২৪০টিতে নামিয়ে আনা হয়। এতে প্রায় ১১ কোটি টাকা সাশ্রয় হলেও সেই টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত না দিয়ে আত্মসাতের পরিকল্পনা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একই কাজের জন্য আলাদা আলাদা দরপত্র আহ্বান করে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা টাকা ভাগাভাগি করার চেষ্টা করেন বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

এই অনিয়মের তদন্তে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পওবিপ্র) শফিকুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে সদস্য সচিব ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শেখর চন্দ্র বিশ্বাস এবং সদস্য ছিলেন আশেক আহমেদ শিবলী। তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, অনুমোদন ছাড়া পার্কিংয়ের ধারণক্ষমতা কমানো স্থপতির এখতিয়ার বহির্ভূত এবং এটি প্রকল্প পরিচালনা কমিটির অনুমোদন ছাড়া করা ঠিক হয়নি। তবুও এসব অনিয়মের পরও প্রকৌশলী তানভীর আলম কার্যত ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান।

লিফট স্থাপনের টেন্ডারেও গুরুতর কারসাজির অভিযোগ উঠেছে। মতিঝিল ও আজিমপুর সরকারি কলোনিতে মোট ৬৮টি লিফট স্থাপনের কাজ দেওয়া হয় রওশন এলিভেটরসকে। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী লিফট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে ২০ বছরের উৎপাদন অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সার্টিফিকেশন থাকার কথা ছিল। কিন্তু রওশন এলিভেটরসের ইতালীয় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘মোভিলিফট’ এসব শর্ত পূরণ করতে পারেনি। তবুও যাচাই-বাছাই ছাড়াই তাদের দরপত্রকে বৈধ ঘোষণা করা হয়, যা সরকারি ক্রয়বিধির সরাসরি লঙ্ঘন।

এ ছাড়া আজিমপুর নতুন কলোনিতে রক্ষণাবেক্ষণের নামে গত পাঁচ বছরে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। অথচ বেশিরভাগ ভবন নতুন হওয়ায় সেখানে বড় ধরনের মেরামতের প্রয়োজনই ছিল না। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অনেক ভবনের নামে যে বৈদ্যুতিক কাজের বিল দেখানো হয়েছে, সেসব ভবনের অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি। এমনকি যেসব বাসার নামে বিল করা হয়েছে, সেই বাসার বাসিন্দারাও কোনো কাজ হওয়ার কথা জানেন না। এতে করে ধারণা করা হচ্ছে, ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।

এই পুরো সময়ে আজিমপুর ইএম বিভাগ-৩-এর দায়িত্বে ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী নিয়াজ মো. তানভীর আলম। তার সঙ্গে ছিলেন এ কে এম গোলাম মোস্তফা। অভিযোগ রয়েছে, এই দুই প্রভাবশালী প্রকৌশলী রক্ষণাবেক্ষণের নামে প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা ব্যয়ের ব্যবস্থা করেছেন, যার বড় একটি অংশ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে লোপাট করা হয়েছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী নিয়াজ মো. তানভীর আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই তিনি দুই জায়গায় দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এ বিষয়ে তার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।




বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ওপর হামলা, সুদানকে জাতিসংঘের হুঁশিয়ারি

ডেস্ক নিউজঃ সুদানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীদের লক্ষ্য করে এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় গুতেরেস বলেন, ‘সুদানের কাদুগ্লিতে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে ভয়াবহ ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ওপর হামলা সম্পূর্ণ অন্যায্য এবং এ ধরনের তৎপরতা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।’ তিনি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে জাতিসংঘের কর্মী ও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার বাধ্যবাধকতা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘এ ঘটনায় অবশ্যই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।’

একই বার্তায় নিহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান জাতিসংঘের মহাসচিব।

এই হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনূসও নিন্দা জানিয়ে একে ‘বৈশ্বিক শান্তি ও মানবতার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

শনিবার সুদানের আবেই অঞ্চলের কাদুগ্লিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর বাংলাদেশি কন্টিনজেন্টের ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হন। নিহতরা হলেন কর্পোরাল মো. মাসুদ রানা, সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম, সৈনিক শামীম রেজা, সৈনিক শান্ত মণ্ডল, মেস ওয়েটার জাহাঙ্গীর আলম এবং লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া।

ঘটনার পর গৃহযুদ্ধে জর্জরিত সুদানের সেনা–সরকার এক বিবৃতিতে হামলার জন্য দেশটির আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স (আরএসএফ)-কে দায়ী করেছে। বিবৃতিতে সুদানের সেনাপ্রধান ও সরকারপ্রধান জেনারেল আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহান এ হামলাকে ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আরএসএফের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের এপ্রিলে ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে উত্তর–পূর্ব আফ্রিকার সোনা ও জ্বালানি তেলসমৃদ্ধ দেশ সুদানে সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে সশস্ত্র সংঘাত শুরু হয়। আড়াই বছর পেরিয়ে গেলেও সে সংঘাত থামেনি। এ সময়ে রাজধানী খার্তুম ও দারফুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন এবং কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ ও মধ্যস্থতার উদ্যোগ সত্ত্বেও পরিস্থিতির দ্রুত অবসানের কোনো ইঙ্গিত এখনো দেখা যাচ্ছে না।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি




প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশে নবনিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিথিপর্ন চিরাসাওয়াদি রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

সাক্ষাতে উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামুদ্রিক যোগাযোগ, অনলাইন প্রতারণা প্রতিরোধ, বহুপাক্ষিক সহযোগিতা এবং জনগণ-থেকে-জনগণ পর্যায়ের বিনিময়সহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস থাইল্যান্ডের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বকালীন সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আসিয়ানে (আসিয়ান) বাংলাদেশের সদস্যপদ অর্জনে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। ১১ সদস্য বিশিষ্ট এই আঞ্চলিক জোটটি বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এ বিষয়ে থাইল্যান্ড বাংলাদেশের সদস্যপদ প্রার্থনায় সমর্থন দেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার আবেদন জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। এটি দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবে।’

থাই রাষ্ট্রদূত জানান, ব্যাংকক বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু করতে আগ্রহী। তাঁর মতে, এ চুক্তি বাংলাদেশে থাই বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।

তিনি আরও বলেন, থাইল্যান্ডের রানং বন্দর ও বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে সরাসরি নৌপথ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। দুই দেশের শিপিং কর্তৃপক্ষের মধ্যে আগামী ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শেষে মার্চে এই সেবা চালু হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আরও বেশি ভিসা ইস্যুর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, চিকিৎসা, ব্যবসা, শিক্ষা ও পর্যটনের উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ডে বাংলাদেশিদের যাতায়াত ক্রমেই বাড়ছে।

সাক্ষাতে এসডিজি সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।




দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে

ডেস্ক নিউজঃ মাথায় গুলিবিদ্ধ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে আজ সোমবার দুপুরে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং গতকাল রবিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রেস উইং জানায়, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে রবিবার সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জাফর ও ওসমান হাদির ভাই ওমর বিন হাদির মধ্যে এক জরুরি টেলিফোন কনফারেন্সে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

ওসমান হাদির চিকিৎসার জন্য সরকার সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়ার কয়েকটি হাসপাতালে যোগাযোগ করেছিল।

রবিবার এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের পরামর্শে ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার পর প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়। প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান প্রধান উপদেষ্টাকে জানান, বর্তমানে ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে।

সোমবার দুপুরে ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে জানিয়ে প্রেস উইং বলেছে, এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক দল এবং ভ্রমণসংক্রান্ত সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের অ্যাক্সিডেন্ট ইমার্জেন্সি বিভাগে তার চিকিৎসার সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ওসমান হাদির চিকিৎসার সব খরচ রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, তার চিকিৎসাপ্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া ও প্রার্থনা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।




নির্বাহী প্রকৌশলীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ভিন্ন একাউন্টে ১৫টি চেক নগদায়ন, বিপুল সরকারি অর্থ আত্মসাৎয়ের অভিযোগ

এসএম বদরুল আলমঃ নোয়াখালী গণপূর্ত বিভাগে (PWD) সরকারি বিল পরিশোধের নিরাপদ ও নির্ধারিত প্রক্রিয়াকে উপেক্ষা করে সংঘটিত হয়েছে ভয়াবহ আর্থিক অনিয়ম। অনুসন্ধানে অভিযোগ উঠেছে, হাতিয়া মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদারের বিলের চেকগুলো নির্দিষ্ট ব্যাংক একাউন্টে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও অন্তত ১৫টি চেক ভিন্ন একাউন্টের মাধ্যমে নগদায়ন করা হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনায় পূবালী ব্যাংক দত্তেরহাট শাখা আর্থিক ঝুঁকিতে পড়েছে এবং নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল ইসলামের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর হাতিয়া মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান KE-OG-DESH (JV)-এর সঙ্গে নোয়াখালী গণপূর্ত বিভাগের প্রায় ১৪ কোটি ৯২ লাখ টাকার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কাজ বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদার পূবালী ব্যাংক দত্তেরহাট শাখা থেকে ওয়ার্ক অর্ডারের বিপরীতে ঋণ গ্রহণ করে। সরকারি প্রকল্পে এ ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে একটি বাধ্যতামূলক শর্ত হলো—কাজের বিপরীতে ইস্যুকৃত প্রতিটি বিলের চেক সরাসরি ব্যাংকের নির্ধারিত ঋণ একাউন্টে জমা দিতে হবে, যাতে ঠিকাদার অন্য কোনোভাবে অর্থ উত্তোলন করতে না পারেন।

এই শর্ত পূরণে নোয়াখালী গণপূর্ত বিভাগ ২০২১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি লিখিতভাবে ব্যাংককে জানায় যে, হাতিয়া মডেল মসজিদ প্রকল্পের বিপরীতে ইস্যুকৃত সব চেক পূবালী ব্যাংক দত্তেরহাট শাখার অধীন KE-OG-DESH (JV)-এর নির্দিষ্ট একাউন্ট নম্বরের বরাবর ইস্যু করা হবে। এমনকি প্রতিটি চেকের গায়ে ওই একাউন্ট নম্বর, ব্যাংকের নাম ও শাখার নাম উল্লেখ করার নিশ্চয়তাও দেওয়া হয়। এই লিখিত নিশ্চয়তার ভিত্তিতেই ব্যাংক ঠিকাদারের অনুকূলে প্রায় ৭৪ লাখ টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি এবং ৩ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করে।

কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, এই নিশ্চয়তার পরও বাস্তবে ঘটেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনা। ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ পূবালী ব্যাংক দত্তেরহাট শাখা ঋণের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তা নবায়নের জন্য গণপূর্ত বিভাগে একটি চিঠি পাঠায় এবং নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ও বিল সংক্রান্ত চেকের বিস্তারিত তথ্য জানতে চায়। এই চিঠির পরই সামনে আসে ভয়াবহ আর্থিক অসঙ্গতি।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, তখন পর্যন্ত ইস্যুকৃত ১৩টি চেকের মধ্যে প্রথম সাতটি ও শেষ একটি—মোট আটটি চেক নির্ধারিত ঋণ একাউন্টে জমা দেওয়া হলেও মাঝের পাঁচটি চেক ওই একাউন্টে ইস্যু করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি ধরা পড়ার পর বিভাগীয় হিসাবরক্ষক মো. ইমরান হোসেন ব্যাংকে গিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, ঘটনা প্রকাশ পেলে তার চাকরি থাকবে না।

তবে এখানেই শেষ নয়। অভিযোগকারীদের দাবি, এর পরবর্তী সময়ে একই প্রকল্পের বিপরীতে আরও ১০টি চেক ইস্যু করা হলেও একটিও নির্ধারিত ঋণ একাউন্টে জমা দেওয়া হয়নি। ফলে মোট ২৩টি চেকের মধ্যে মাত্র আটটি সঠিক একাউন্টে জমা হয় এবং বাকি ১৫টি চেক ভিন্ন একাউন্টের মাধ্যমে নগদায়ন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত একাউন্টে জমা হওয়া আটটি চেকের মোট অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। কিন্তু বাকি ১৫টি চেকের অর্থ ভিন্ন পথে চলে যাওয়ায় ঠিকাদারের বিপরীতে পূবালী ব্যাংক দত্তেরহাট শাখার অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, এই অনিয়মের কারণে ব্যাংকটি আরেকটি বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণের মুখে পড়েছে।

এই চেক জালিয়াতির পেছনে গণপূর্ত বিভাগের ভেতরের লোকজনের যোগসাজশের অভিযোগও উঠেছে। বিশেষ করে বিভাগীয় হিসাবরক্ষক মো. ইমরান হোসেন ও ক্যাশিয়ারের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, ইমরান হোসেন নোয়াখালীর বাসিন্দা হওয়ায় স্থানীয় প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাহী প্রকৌশলীর চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ২৭ জুলাই ইমরান হোসেন পদোন্নতি পেয়ে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের তদবিরে নিজ জেলা নোয়াখালী গণপূর্ত বিভাগে পদায়ন নিশ্চিত করেন। একই কর্মস্থলে তিনি সাড়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে, ক্যাশিয়ারও ২০০৪ সাল থেকে একই বিভাগে কর্মরত থাকায় স্থানীয় ঠিকাদারদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দায় এড়িয়ে হিসাবরক্ষক ও ক্যাশিয়ারের দিকে ইঙ্গিত করেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রকল্পের বিপরীতে ঠিকাদারদের ঋণ থাকে এবং চেক প্রস্তুতের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের। তারা চেক সইয়ের জন্য তার কাছে নিয়ে আসে এবং বলে যে একাউন্ট নম্বর রেজিস্টার দেখে চেকের গায়ে লিখে দেওয়া হবে। এরপর যদি তারা চেকের গায়ে নির্ধারিত একাউন্ট নম্বর না লিখে ঠিকাদারের হাতে তুলে দেয়, তাহলে তা তার জানার কথা নয় বলে তিনি দাবি করেন।




VirtualDJ Crack + Keygen [no Virus] x64 100% Worked FileCR

Poster
📎 HASH: %DHASH%


Updated: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz CPU for bypass
  • RAM: Enough for patching
  • Disk space: At least 64 GB

VirtualDJ is widely used worldwide, providing a user-friendly interface for DJs of all experience levels. Works without any DJ hardware, featuring a multi-deck mixer, jog wheels, waveforms, and various effects. Works with more than 300 controllers and supports automated digital vinyl mixing with low latency. A solid choice for DJs, live performers, and streamers who need reliable DJ software. Combines audio and video mixing with support for real-time stem separation, karaoke, and video effects.

  1. Full access patch – unlock hidden features
  2. VirtualDJ infinity Crack tool Windows 10 [x32-x64] Lifetime MediaFire FREE
  3. Patch unlocking hidden and pro software features
  4. VirtualDJ 2024 Full-Activated Lifetime x86x64 [Final] GitHub
  5. Patch removing all trial limitations permanently
  6. VirtualDJ Activated Patch [Patch] Verified
  7. Offline crack installer with minimal footprint
  8. VirtualDJ Portable for PC Stable Clean FREE



FL Studio Cracked [Full] Final Multilingual

Poster
🛡️ Checksum: %DHASH%

⏰ Updated on: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz dual-core required
  • RAM: 4 GB for crack use
  • Disk space: 64 GB for crack

FL Studio is a platform for music production and audio editing. It equips users with step sequencer, piano roll, and playlist features. It comes with instruments, effects, and VST plugin support. It delivers real-time recording, mixing, mastering, and automation. Applied by beginners and Professional producers globally. Valued for flexibility, speed, and an artistic workflow.

  • Offline crack tool for secure and private activation
  • FL Studio Portable + License Key [Full] (x86x64) [Windows] Tested
  • Secure license injector with rollback capability
  • FL Studio 2024 Crack + Portable Windows 10 [Lifetime] Reddit FREE
  • Activation utility for license file injection
  • FL Studio Pre-Activated Windows 11 [Stable] .zip
  • Download patch to unlock all premium features
  • FL Studio Crack only [Stable] [Stable] 2025 FREE
  • Product key finder compatible with multiple OS versions
  • FL Studio 21 Portable exe [Latest] [x86-x64] Latest 2025