CyberLink Power2Go Platinum Full-Activated Windows 11 [no Virus]

Poster
💾 File hash: %DHASH%
Update date: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz processor needed
  • RAM: 4 GB to avoid lag
  • Disk space: 64 GB for patching

Everybody’s favorite all media burning software, packed with advanced disc backup utilities, image extraction and virtual drive creation. CyberLink Power2Go is an innovative suite of tools designed for disc burning and backup, with support for Blu-ray, audio editing and DVD production.

  • Patch tool that disables activation reminders and popups
  • CyberLink Power2Go Platinum License[Activated] [Patch] [x64] Windows 10 GitHub FREE
  • Patch enabling unlimited usage without license renewal
  • CyberLink Power2Go Platinum Crack + Portable [Full] (x32-x64) Latest FREE
  • Advanced crack detection bypasser
  • CyberLink Power2Go Platinum Portable + Serial Key Patch [x86-x64] Lifetime GitHub FREE
  • Download crack files with verified working serial keys
  • CyberLink Power2Go Platinum Crack + Activator Clean [Clean] GitHub FREE
  • Script-based license unlocker – no GUI required
  • CyberLink Power2Go Platinum Activated [Stable] [x86x64] Clean Genuine



YTD Video Downloader Crack only [Patch] [x32-x64] 100% Worked Instant

Poster
💾 File hash: %DHASH%
Update date: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz chip recommended
  • RAM: At least 4 GB
  • Disk space: 64 GB for patching

With this program, one can easily grab videos from the internet while also creating a dependable offline collection to be accessed at any time. With YTD Video Downloader you can easily create an online library of videos you might watch in the future or which have already been seen and are there for safekeeping. Regardless, with this program, one can easily download and convert the grabbed content in a matter of moments. The fact that you can also add multiple URLs, provided you have paid for the Pro subscription, makes it more interesting.

  1. Activation patch tool for bypassing software DRM
  2. YTD Video Downloader Activated Windows 10 no Virus Genuine
  3. Updated crack supports cloud-based apps and services
  4. YTD Video Downloader License[Activated] [Patch] x86x64 Lifetime .zip
  5. License key recovery utility with support for various file types
  6. YTD Video Downloader Crack + Activator no Virus x64 Full gDrive FREE
  7. Crack package with easy installation and no hidden components
  8. YTD Video Downloader Crack + Serial Key Patch [x86-x64] [Final] 2024 FREE
  9. Patch utility that disables software usage restrictions
  10. YTD Video Downloader Crack + Product Key Lifetime x86x64 [Windows] Bypass



Adobe Premiere Pro CC 2022 Portable + Keygen [no Virus] [x86x64] [Stable] 2025

Poster
🔍 Hash-sum: %DHASH%


🕓 Last update: %DDATE%

  • Processor: Dual-core for keygens
  • RAM: 4 GB to avoid lag
  • Disk space: 64 GB for setup

Adobe Premiere Pro serves as software for editing and creating video content. Adobe Premiere Pro facilitates timeline editing, color correction, audio mixing, and effects. Adobe Premiere Pro accommodates many formats and integrates with Adobe Creative Cloud. Employed by filmmakers, editors, and content creators. Acclaimed for its flexible, powerful, and intuitive interface. Known as a preferred video production software.

  • Offline crack utility – no internet access required
  • Adobe Premiere Pro 2023 Portable + Product Key Stable [Clean] Tested FREE
  • Product key finder compatible with Windows and macOS systems
  • Adobe Premiere Pro Portable + Serial Key Stable Windows 10 FileHippo FREE
  • Download crack package with full installation guide
  • Adobe Premiere Pro CC 2022 License[Activated] [100% Worked] Clean Premium




বাংলাদেশে তামাকজনিত মৃত্যু ঠেকাতে আইন শক্তিশালী করার দাবি

বিশেষ প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশে প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ তামাক। এ বাস্তবতা তুলে ধরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটি যৌথভাবে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন দ্রুত সংশোধনের দাবি জানিয়েছে।

সংগঠনগুলো সোমবার (৮ ডিসেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, বর্তমান আইনকে শক্তিশালী না করা হলে অকালমৃত্যু কমানো, স্বাস্থ্যব্যবস্থার চাপ হ্রাস ও জনস্বাস্থ্য রক্ষা সম্ভব নয়। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দেশে প্রতিদিন ৩৫৭ জন এবং বছরে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ তামাকজনিত রোগে মারা যায়। এছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক প্রায় ১৫ লাখ মানুষ তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত হন এবং ৬১ হাজার শিশু বিভিন্ন রোগে ভোগে।

বিবৃতিতে তামাকের অর্থনৈতিক প্রভাবও তুলে ধরা হয়েছে। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তামাক থেকে সরকারের আয় ছিল ৪০ হাজার কোটি টাকা; কিন্তু স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার কোটি টাকা—আয়ের দ্বিগুণেরও বেশি।

সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, অন্তবর্তীকালীন সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকেই তামাকশিল্প বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সংশোধন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।

যৌথ বিবৃতিতে ৬টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে:

  1. সব পাবলিক স্থান ও গণপরিবহনে ধূমপানের নির্ধারিত স্থান বাতিল করা

  2. বিক্রয়কেন্দ্রে তামাকপণ্যের প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা

  3. তামাক কোম্পানির সিএসআর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা

  4. ই-সিগারেট থেকে শিশু-কিশোরদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা

  5. তামাকপণ্যের খুচরা ও খোলা বিক্রি বন্ধ করা

  6. সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ৫০% থেকে বাড়িয়ে ৯০% করা

বিবৃতিতে সই করেছেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী, বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক এবং বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ডা. আসিফ মুজতবা মাহমুদ।




সুন্দরবনে অভিযান: অস্ত্র ও জিম্মি জেলে উদ্ধার, শিকারী আটক

মোংলা প্রতিনিধিঃ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ জিম্মি জেলে উদ্ধার ও হরিণের মাংসসহ চোরা শিকারী আটক হয়েছে।

কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা (ঢাকা) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত দুলাভাই বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনের কয়রা নদীর নাগজোড়া খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে- এ তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার রাত ৮ টার দিকে কোস্টগার্ড কয়রা সদস্যরা ওই এলাকায় অভিযান চালায়। ওই সময় অভিযানকারীরা ওই এলাকা হতে ১ টি একনালা বন্দুক, ১ রাউন্ড তাজা গুলি ও ১ রাউন্ড ফাঁকা গুলিসহ ডাকাত দুলাভাই বাহিনীর কাছে জিম্মি থাকা ৪ জেলেকে উদ্ধার করে। সে সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ায় কেউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকৃত জেলেদের তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত অস্ত্র ও গুলি জব্দের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অপরদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার মধ্যরাত ২টার দিকে কোস্টগার্ড সদস্যরা সুন্দরবনের কয়রা নদীর ময়দাপেশা খাল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানকারীরা ওই এলাকায় তল্লাশি করে ৭২ কেজি হরিণের মাংস, ২টি মাথা, ৩০০ মিটার হরিণ শিকারের ফাঁদসহ ৪ হরিণ শিকারিকে আটক করে। জব্দকৃত হরিণের মাংস, মাথা, শিকারের ফাঁদ এবং আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে এবং বন্যপ্রাণী হত্যা ও পাচার রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এধরণের অভিযান অব্যাহত রাখবে।




বাগেরহাটে ক্রমেই হারাচ্ছে কৃষিজমি

বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটে এখন মাঠের পর মাঠ নেই অতীতের সেই সোনালি ধানের শিষ, মাঠে এখন ঢেউ তুলছে লবণাক্ত পানিতে চিংড়ি চাষের ঘের। গত এক দশকে উপকূলীয় এই জেলায় যে বদল এসেছে তা কয়েক কয়েক হাজার মানুষের এনে দিয়েছে বিপুল সমৃদ্ধি, তবে, লাখ লাখ কৃষকের জীবনে বয়ে এনেছে অস্থিরতা ও ক্ষতি।

জেলার রামপাল, মোংলা, মোরেলগঞ্জ, কচুয়া  থেকে শুরু করে বাগেরহাট সদরে লবণাক্ততার কারনে হাজার হাজার হেক্টর চাষযোগ্য জমি রূপান্তরিত হয়েছে চিংড়ি চাষের ঘেরে। বড় বিনিয়োগকারীদের জন্য এ পরিবর্তন বৈদেশিক বাজারে চিংড়ি রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়ালেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন লাখ লাখ কৃষক। বহু পরিবার জমি হারিয়ে, দেনার বোঝা বাড়িয়ে এবং চাষাবাদের অনুপযোগী মাটি নিয়ে এখন দিশেহারা।

মোরেলগঞ্জের হরতকিতলা গ্রামের কৃষক আতিয়ার রহমান জানান, আগে তাঁর সব জমিতেই ধান হতো। এখনমাত্র আড়াই একর ধান চাষ করেন, বাকি ৫ একরে প্রভাবশালীরা বাগদা চিংড়ির ঘের করছে। মোংলার চিলা গ্রামের কৃষক রতন হাওলাদার জানান, তাঁর পুরো ৫ একর জমিই এখন চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত হয়, ধান চাষ আর করেন না। এই চিংড়ি ঘেরে লবণাক্ত পানি ঢুকানোর ফলে পাশের কৃষকের জমিতে আর ধান হচ্ছেনা। ধানের ফলন কমে যাওয়ায় অনেককে কম দামে জমি লিজ দিতে বাধ্য হতে হয়েছে।
গত বছর খুলনার মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই) এবং বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ জরিপে দেখাগেছে, বাগেরহাট  জেলাটির বিভিন্ন অঞ্চলে মাটির লবণাক্ততা গত এক দশকে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। পশুর, দড়াটানা, পনগুছি ঘষিয়াখালী নদীর লবণাক্ততা শুষ্ক মৌসুমে  প্রায় ২০ ডিসিএম পর্যায়ে উঠে যায়, যা ধানসহ অধিকাংশ ফসলের সহনক্ষমতার চেয়ে বহুগুণ বেশি।
বাগেরহাট ২০২০ সালে জেলার মোট কৃষিজমি ছিল ১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৪১ হেক্টর। ২০২৪ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৬১ হেক্টরে। যদিও ফসল চক্রের অনুপাত জেলায় শতকরা ৬১ শতাংশ  এক ফসলি, ২৭ শতাংশ দুই ফসলি, ১১ শতাংশ তিন ফসলি জমি। পানিতে লবণাক্ততা বাড়য় কৃষি  জমিগুলো সহজেই চিংড়ি ঘরে পরিণত হচ্ছে।
ধরিত্রী রক্ষায় আমরা খুলনা বিভাগের সমন্বয়কারী শেখ নূর আলম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাগেরহাট জেলায় লবণাক্ততা বাড়ায় কৃষিতে ধস নামেছে। ৮০ দশকে চালু হওয়া চিংড়ি চাষ কৃষির পরিবেশ পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। ধান ছাড়াও সবজি, কলা সবই লবণাক্ততায় আক্রান্ত হচ্ছে। এমনকি জনস্বাস্থ্যের ওপরও এর ক্ষতি পড়ছে। চিংড়ি রপ্তানি বছরে ৩ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা আয় করলেও কৃষি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যে এর ক্ষতির পরিমাণ ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। তাই পরিকল্পনা ছাড়া চিংড়ি চাষ বন্ধে কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রিত হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।
বাগেরহাট জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাগেরহাটে চিংড়ি চাষের জমি বেড়েছে। বাগদা চিংড়ি চাষ হচ্ছে ৫২ হাহার ৫৫১ হেক্টর জমিতে, উৎপাদন ২০ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন। আর গলদা চাষ হচ্ছে ১৯ হাহার ৭৭৩.৩ হেক্টর জমিতে। বাগদা উৎপাদন ১৯ হয়েছে ৭১৬.৩  মেট্রিক টন। এ হিসাবে চলতি অর্থবছরে চিংড়ি থেকে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। যা দেশের মোট চিংড়ি রপ্তানী আয়ের (গত অর্থবছরে ৪,০০০ কোটি টাকা) চেয়ে কিছুটা কম।

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মতাহার হোসেন জানান, শিল্পায়ন, শহরায়ণ এবং নদীর লবণাক্ততা বৃদ্ধিই বাগেরহাট জেলায় চাষযোগ্য জমি কমে যাওয়ার মূল কারণ। নভেম্বর থেকেই নদীর পানিতে তীব্র লবণাক্ততা শুরু হয়, যা আগে জানুয়ারি মাসে হতো। মার্চ- এপ্রিল নাগাদ জমির ফসল লবনাক্ততায় মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমন পরিস্থিতিতে লবণ-সহনশীল ধান বীজের প্রচলন ও এক ফসলি জমিকে দুই ফসলি ব্যবস্থায় আনতে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। এরমধ্যে প্রভাবশালীরা অনেক ক্ষেত্রেই কৃষকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে জমি চিংড়ি ঘেরের মধ্যে নিয়ে যাচ্ছে, যা সাময়িক লাভ দিলেও দীর্ঘ মেয়াদে তা কৃষিসহ পরিবেশের ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হবে। যা বাগেরহাটে এখনই দেখা যাচ্ছে।




বাইউস্টে শিক্ষার্থীদের পোস্টার প্রেজেন্টেশনের চমক

কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বাইউস্ট) তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতা।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের প্লাজা এলাকায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ছয়টি বিভাগ থেকে নির্বাচিত ২০টি গবেষণা পোস্টার অংশ নেয়।

সকালে প্রতিযোগিতার প্রথম পর্বে বিচারকমণ্ডলী পোস্টারগুলো পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করেন। শিক্ষার্থীদের গবেষণা উপস্থাপনা ও প্রশ্নোত্তর দক্ষতা বিচারকদের মুগ্ধ করে বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।

দ্বিতীয় পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নূর হোসেন বিশেষ অতিথিদের সঙ্গে উপস্থাপনাগুলো পরিদর্শন করেন এবং গবেষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রতিটি বিভাগের বিজয়ীদের হাতে সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেন উপাচার্য। তিনি বলেন, “বাইউস্টের শিক্ষার্থীরা শুধু একাডেমিক ক্ষেত্রেই নয়, গবেষণাতেও নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করছে। ভবিষ্যতে এসব গবেষণা দেশ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের মর্যাদা বাড়াবে।”

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ ইফতেখারুল হক, রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল (অব.) খন্দকার মাহমুদ হোসেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক লে. কর্নেল (অব.) শাব্বির আহমেদ সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন গবেষণা ও প্রকাশনা সেলের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান।




ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে সুশাসনের গুরুত্ব ও ফলাফল

ইসলামিক ডেস্কঃ একটি দেশে সুশাসন প্রবর্তন হওয়া ওই দেশের মানব সমাজের স্থিতি, শান্তি ও উন্নতির প্রধান ভিত্তি। আইনের শাসন, দায়িত্বশীল সরকার ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সুশাসন অতি জরুরি। দেশ ও সমাজের নেতৃত্বে ন্যায়, সততা ও জবাবদিহিতা অনুপস্থিত হলে কোনো সভ্যতাই টেকসই হতে পারে না। তাই ইসলাম সুশাসনকে কেবল রাজনৈতিক পরিভাষা হিসেবে নয়, বরং ধর্ম ও নৈতিকতার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে সুশাসন হলো এমন এক নেতৃত্ব ব্যবস্থা, যা মানুষের ন্যায়নীতি রক্ষা করবে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবে এবং সমাজকে নৈতিকতার পথে পরিচালিত করবে।

কোরআনে করিমের নির্দেশনা : কোরআনে করিমে সুশাসনের প্রতি স্বচ্ছ দিকনির্দেশনা দিয়েছে। কোরআন সুশাসনের প্রথম ও অপরিহার্য শর্ত হিসেবে আমানত রক্ষার কথা উল্লেখ করেছে। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তার প্রকৃত অধিকারীর কাছে পৌঁছে দেবে এবং যখন মানুষের মাঝে বিচারকার্য পরিচালনা করবে, ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে বিচার করবে।’ (নিসা-৫৮)

এই আয়াত সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় ক্ষমতা, নেতৃত্ব, দায়িত্ব- সবই আমানত। ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত সম্পদ বা প্রভাব বিস্তারের মাধ্যম হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। নেতৃত্বের মূল তত্ত্ব হলো ন্যায়বিচার। ব্যক্তি বিশেষ, দল বা গোষ্ঠী ন্যায় বিচারের মাধ্যম নয়। বরং ন্যায়বিচার হলো সমগ্র সমাজের অধিকার। অন্যত্র উল্লেখ আছে, ‘কোনো জাতির প্রতি নিজেদের বিদ্বেষ তোমাদের ন্যায়পরায়ণতা থেকে বিরত রাখবে না; ন্যায় কর, এটাই তাকওয়ার নিকটবর্তী।’ (মায়েদাহ-৮)

এ আয়াতে ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও দলীয় সবক্ষেত্রে ন্যায়পরায়ণতার বাধ্যবাধকতা তুলে ধরে- যা সুশাসনের মৌলিক শর্ত।

হাদিসের নির্দেশনা : রসুলুল্লাহ (সা.) অগণিত হাদিসে ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠা ও সুশাসনভিত্তিক নেতৃত্বের গুরুত্ব উল্লেখ করেছেন। বর্ণনা করেছেন এর যথার্থ মর্যাদা। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্ববান এবং প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে।’ (সহিহ বুখারি, মুসলিম) এ ঘোষণায় ইসলাম নেতৃত্বকে জবাবদিহির অঙ্গনে স্থাপন করেছে। নেতৃত্ব মানে প্রভাব বিস্তার ও ক্ষমতায়ন নয়; বরং আমানত রক্ষা এবং মানুষের হক আদায়ের দায়িত্ব। ন্যায়পরায়ণ নেতাদের মর্যাদা সম্পর্কে রসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যারা ন্যায়ের সঙ্গে শাসন করে, আল্লাহর কাছে তারা নূরের মিম্বরে অবস্থান করবে।’ (সহিহ মুসলিম) হাদিসের এ বাণী প্রমাণ করে, ন্যায়ভিত্তিক সুশাসন দুনিয়ার শান্তি যেমন নিশ্চিত করে, তেমনি পরকালীন পুরস্কারের পথও উন্মুক্ত করে।

ইতিহাসে সুশাসনের বাস্তবতা : ইসলামি ইতিহাসে সুশাসনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে। খোলাফায়ে রাশেদীনের শাসনব্যবস্থা মানবসভ্যতার ইতিহাসে সুশাসনের অসাধারণ উদাহরণ। বিশেষত হজরত উমর (রা.)- যিনি তাঁর শাসনামলে ন্যায়, সত্য ও মানবিকতার সর্বোচ্চ মানদণ্ড স্থাপন করেছিলেন। তাঁর বিখ্যাত উক্তি- ‘যদি মরুভূমির পথে একটি কুকুরও ক্ষুধায় মারা যায়, আল্লাহ উমরের কাছেই জিজ্ঞাসা করবেন।’ এ বক্তব্য কোনো রাজনৈতিক নীতি নয়; বরং সুশাসনের গভীরতম মানবিক দর্শন। এ ছাড়া হজরত আলী (রা.) তাঁর প্রশাসনিক চিঠিতে গভীরভাবে উল্লেখ করেছেন নেতৃত্বের মূলে আছে দয়া, ন্যায় ও জনকল্যাণ। অত্যাচার নয়, পক্ষপাত নয়।

সুশাসনের অভাবে করুণ পরিণতি : যখন দেশ ও সমাজে ন্যায়বিচার বিলীন হয়, বিচারব্যবস্থা পক্ষপাতদুষ্ট হয় এবং নেতারা জবাবদিহি হারান, তখন সমাজে অস্থিরতা, অবিচার ও দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়ে। আল্লাহতায়ালা ঘোষণা করেছেন, ‘সতর্ক হও- একটি বিপর্যয় এলে তা শুধু অত্যাচারীদেরই নয়; বরং সবাইকে গ্রাস করবে।’ (আনফাল-২৫) সমাজে অন্যায় প্রতিষ্ঠিত হলে তার ক্ষতি সম্পূর্ণ জাতিকেই ভোগ করতে হয়- ইসলামের এ সতর্কবাণী আজও সত্য ও প্রযোজ্য। সুশাসনের ফল-সমৃদ্ধি, শান্তি ও নৈতিক উন্নতি। ইসলাম মানবসমাজকে ন্যায়ভিত্তিক সুশাসনের মাধ্যমে একত্র করে। এর ফলাফল তিনভাবে প্রকাশ পায়-

১. সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা : ন্যায়বিচার হলে মানুষ নিরাপদ বোধ করে, অপরাধ কমে, আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।

২. রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নতি : গবেষণায় দেখা যায় যেসব দেশে নেতৃত্ব স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক, সেখানে অর্থনীতি দ্রুত উন্নত হয় এবং দুর্নীতি কমে।

৩. মানুষের নৈতিক উন্নতি : সুশাসন মানুষকে নৈতিকতার পথে পরিচালিত করে; অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে। ফলে সমাজে সহযোগিতা, দয়া, মানবিকতা ও ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধি পায়।




টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সম্প্রচার সংকটে আইসিসি বিপাকে

খেলাধুলা ডেস্কঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে দু’মাস বাকি। মাঠের প্রস্তুতির পাশাপাশি দল নির্বাচন নিয়ে যখন উত্তেজনা চূড়ান্ত, ঠিক তখনই বড় বিপাকে পড়েছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বিশ্বকাপের ঠিক আগে ভারতীয় মিডিয়া পার্টনার জিও হটস্টার (JioHotstar) চুক্তি ভাঙতে চাইছে, ফলে টুর্নামেন্টের সম্প্রচার ভবিষ্যৎ নিয়ে দেখা দিয়েছে বড় অনিশ্চয়তা।

২০২৪-২০২৭ মেয়াদে আইসিসিরর সম্প্রচার অংশীদার ছিল জিও হটস্টার। কিন্তু একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে চার বছরের এই চুক্তি ভেঙে বেরিয়ে যেতে চায় তারা।

চুক্তির অংশ হিসেবে আইসিসি প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার দাবি করেছিল, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২৭,০৩৪ কোটি রুপি।

২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে জিও হটস্টারের ক্ষতি ছিল প্রায় ১২,৩১৯ কোটি রুপি। পরের বছর সেটি দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়ায় ২৫,৭৬০ কোটি রুপি।

স্পোর্টস কনটেন্ট কেনার বিপুল ব্যয়, সঙ্গে ভারতজুড়ে অনলাইন বেটিং ও রিয়াল মানি গেমিং নিষিদ্ধ হওয়ায় বিজ্ঞাপন ও আয়ের বড় অংশ হারায় সংস্থাটি।

জিও হটস্টারের সম্ভাব্য সরে দাঁড়ানোর খবর পাওয়ার পরই নতুন মিডিয়া পার্টনার খুঁজতে তৎপর আইসিসি। ২০২৬-২০২৯ মেয়াদে সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির চেষ্টা চলছে। নেটফ্লিক্স, সোনি স্পোর্টস নেটওয়ার্ক ও অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওর সঙ্গে যোগাযোগও করেছে সংস্থা।

কিন্তু রিপোর্ট বলছে, মাত্র দুই বছরের চুক্তির জন্য আইসিসি প্রস্তাব করেছে ২.৪ বিলিয়ন ডলার।




হাঁটুর সমস্যায় বিরতি—বিশ্রামের সিদ্ধান্ত নেইমার

খেলাধুলা ডেস্কঃ নেইমারের মাঠে ফেরার পর যেন বদলে গেল সান্তোস। টানা তিন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন তিনি। আগের দুই ম্যাচে গোল, একটিতে হ্যাটট্রিক; শেষ ম্যাচে গোল না পেলেও খেলার ছন্দ পুরো নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।

ব্রাজিলিয়ার সেরি আতে মৌসুমের শেষ ম্যাচে ক্রুজেইরোকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দেয় সান্তোস। দুর্দান্ত জয়ে লিগ শেষ করল দল। টানা তিন ম্যাচে চোট নিয়ে খেলে দলকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করার পর এই তারকা নিশ্চিত করলেন, অস্ত্রোপচনা হবে তার হাঁটুতে।

নেইমার বলেন, “আমি এখানে এসেছিলাম এটার জন্যই, দলকে সম্ভাব্য সেরা উপায়ে সহায়তা করতে। আমার জন্য সপ্তাহগুলি ছিল খুবই কঠিন। আমাকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করে গেছেন যারা, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। তারা না থাকলে এমন চোট নিয়ে, হাঁটুর এত সমস্যা নিয়ে ম্যাচগুলি খেলতে পারতাম না। এখন আমার কিছুটা বিশ্রাম প্রয়োজন, এরপর হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করাব।”

হাঁটুর চোটের ধরন বা কোন ধরনের অস্ত্রোপচার হবে তার, বিস্তারিত সেসব জানা যায়নি। তবে বিশ্বকাপের ছয় মাস আগে অস্ত্রোপচার মানে বিশ্ব আসরে তার খেলার সম্ভাবনায় আরেকটি বড় আঘাত অবশ্যই। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি জাতীয় দলে নেই। গত মে মাসে কার্লো আনচেলত্তি কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ কবারই বলেছেন, কেবল পুরো ফিট হলেই নেইমারকে নেওয়া হবে জাতীয় দলে।

নেইমার নিজে অবশ্য চোট পাওয়ার পরও বলেছেন, বিশ্বকাপে খেলতে তিনি আশাবাদী। সেখান থেকে ধারণা করা যায়, তার হাঁটুর চোট হয়তো গুরুতর নয়। তার পরও শঙ্কা থাকছে প্রবলভাবেই।

ক্রুজেইরোর বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর আগে নেইমারের জন্য ছিল ছোট একটি সম্মাননা অনুষ্ঠান। শৈশবের ক্লাবটির হয়ে ১৫০ ম্যাচ পূর্ণ করায় তাকে দেওয়া হয় বিশেষ স্মারক। পাশে ছিলেন তার স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের সদস্যরা। এরপর মাঠেও খেললেন প্রাণবন্ত ফুটবল, দলের জয়ে রাখেন বড় ভূমিকা। তিন ম্যাচ আগেও অবনমনের ভয় ছিল সান্তোসের সামনে। ঠিক সেই সময় হাঁটুর ব্যথা নিয়েই ম্যাচে নেমেছিলেন নেইমার। প্রতিটি ম্যাচে দলকে বাঁচাতে অবদান রাখেন তিনি। আগের ম্যাচে করেন দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক, তার আগের ম্যাচেও গোল। শেষ ম্যাচে গোল না পেলেও আক্রমণ সাজানো ও সুযোগ তৈরি করে দলের ৩-০ ব্যবধানে জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি।