ভেন্যু না পাওয়ায় বদল সূচি—৯ দিন দেরিতে জাতীয় টেবিল টেনিস

খেলাধুলা ডেস্কঃ ভেন্যু সংকটের কারণে জাতীয় টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা ২০২৫ পিছিয়ে যাচ্ছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল জাতীয় টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা। সাত দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার ভেন্যু ছিল পল্টনের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়াম।

সেখানে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা থাকায় টেবিল টেনিসের প্রস্তুতি ও অনুশীলন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় টুর্নামেন্টটি ৯ দিন পিছিয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী প্রতিযোগিতা শুরু হবে ৯ জানুয়ারি।

শুরুর দুই দিন ৯ ও ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বয়সভিত্তিক বালক-বালিকাদের অনূর্ধ্ব ৯, ১১, ১৩, ১৫ ও ১৭ সিঙ্গেলস র‌্যাংকিং প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশে অনূর্ধ্ব-১৯-এর নিচে আর কোনো জাতীয় র‌্যাংকিং নেই। এরপর ১১ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে মূল পর্ব, যেখানে অনূর্ধ্ব-১৯ এবং সিনিয়র বিভাগ মিলিয়ে মোট ১৪টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।

সিনিয়রদের জন্য পুরুষ দলগত, পুরুষ একক, পুরুষ দ্বৈত, মহিলা দলগত, মহিলা একক, মহিলা দ্বৈত এবং মিশ্র দ্বৈত-এই সাতটি ইভেন্ট থাকবে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিভাগেও একই সাতটি ইভেন্টে লড়বে বালক-বালিকারা। বিশেষ সুবিধা হিসেবে বালক বিভাগের র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ আট খেলোয়াড় সিনিয়র বিভাগেও খেলতে পারবেন। বালিকা বিভাগে বয়স বা র‌্যাংকিংয়ের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।

এবার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার খেলোয়াড়-কর্মকর্তারা পাবেন যাতায়াত ভাতা ও ফেডারেশন নির্ধারিত দৈনিক ভাতা। অংশ নিতে পারবে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা, শিক্ষা বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সেনাবাহিনী, আনসার, পুলিশ, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ বিভিন্ন সরকারি সার্ভিসেস দল।




অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নতুন মাঠে ইতিহাস গড়তে নামবে বাংলাদেশ

খেলাধুলা ডেস্কঃ ২৩ বছর পর আবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালের পর প্রথমবারের মতো দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে আগামী ২০২৬ সালের আগস্টে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে টাইগাররা। আর এই সিরিজের অন্তত একটি ম্যাচ হতে পারে অজিদের একেবারে নতুন টেস্ট ভেন্যু ম্যাকাইয়ের ‘গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ এরেনা’তে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কুইন্সল্যান্ডের এই নতুন ভেন্যুটিকে অস্ট্রেলিয়ার ১২তম টেস্ট মাঠ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। নতুন স্টেডিয়ামটি ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা দেখিয়েছে।

রাজ্য সরকারের অর্থায়নে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে ১০ হাজার আসনের গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড, আধুনিক সম্প্রচার এলাকা ও উন্নতমানের প্রশিক্ষণ সুবিধা।

২০২৬ সালের আগস্টে সিরিজটি হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার প্রধান টেস্ট ভেন্যুগুলো ব্যবহারের সুযোগ নেই। তাই সারা বছর উষ্ণ আবহাওয়ার কারণে দেশের উত্তরাঞ্চলের মাঠগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে সিএ।

ম্যাকাইয়ের পাশাপাশি কেয়ার্নস, ডারউইন ও টাউনসভিলও সম্ভাব্য ভেন্যুর তালিকায় রয়েছে। কেয়ার্নস ও ডারউইনে আগে টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ।

ক্রিকেট নর্দার্ন টেরিটরির প্রধান নির্বাহী গ্যাভিন ডোভি জানান, ডারউইন কমপক্ষে একটি ম্যাচ আয়োজন করতে পারবে বলে তারা আশাবাদী।




বছরের শেষ বাজিমাত করতে আসছে ‘অ্যাভাটার ৩’

বিনোদন ডেস্কঃ ১৬ বছর পর ফের দর্শকদের মুগ্ধ করতে চলতি মাসে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘অ্যাভাটার’ সিরিজের তৃতীয় সিনেমা। এবারও সিরিজটিতে থাকছে পরিবেশ ও প্রকৃতিকে কেন্দ্র করে ভিজ্যুয়ালের চমক। আশা করা হচ্ছে, ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ আয় করা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির মধ্যে একটির সাফল্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করবে। এ

জেমস ক্যামেরনের পরিচালিত ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ সিনেমাটি আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পাবে। ২০০৯ সালে সিরিজের প্রথম সিনেমা ‘অ্যাভাটার’ বিশ্বব্যাপী ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার আয় করে।

২০২২ সালে মুক্তি পায় সিরিজের দ্বিতীয় সিনেমা ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’। দ্য হলিউড রিপোর্টার-এর তথ্যমতে, এটি করোনা পরবর্তী সময়েও প্রায় ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার আয় করে। চলতি সপ্তাহে নতুন সিনেমার প্রিমিয়ার শো হয়েছে হলিউড ও প্যারিসে।

এবারের সিরিজে দর্শকরা দেখতে পাবেন নায়ক জ্যাক (স্যাম ওয়ার্থিংটন) এখন ‘টোরুক ম্যাকটো’, প্যান্ডোরার কিংবদন্তি যোদ্ধা। তার স্ত্রী নেটিরি (জো সালদানা)। তারা তাদের বড় ছেলে নেটেয়ামের মৃত্যুর শোক সামলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

তারা তাদের তিন সন্তান নিয়ে নতুন করে জীবন গড়ার চেষ্টা করছেন। যাদের মধ্যে রয়েছে কিরি, একজন দত্তক নেওয়া নাভি কিশোরী, যার চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিগার্নি উইভার এবং আরেকজন মানব স্পাইডার (জ্যাক চ্যাম্পিয়ন), যাকে নেটিরি ছাড়া সবাই পরিবারের অংশ হিসেবে গণ্য করে।

ক্যামেরন গত শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) প্যারিসে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দর্শকরা দেখবেন, সন্তানরা বড় হয়ে নিজেদের পরিচয় খুঁজছে। কারণ তাদের মা পুরোপুরি নাভি প্রজাতির। আর বাবা অন্য গ্রহ থেকে আসা। এই সংকর জীবন তাদের হাসি-আনন্দের সঙ্গে এক ঝাঁক চ্যালেঞ্জও নিয়ে আসে।

৭১ বছর বয়সী কানাডিয়ান পরিচালক আরও বলেন, আমরা মূলত শরণার্থী বা বাস্তুচ্যুত অভিবাসীদের পারিবারিক অবস্থাকে দেখানোর চেষ্টা করেছি। মানুষ এটি দেখে সহজেই বাস্তবতার সংযোগ স্থাপন করতে পারবে।

ভ্রমণের পথে নায়করা মুখোমুখি হন মাংকওয়ান বা অ্যাশ পিপল-এর সঙ্গে। এটি একটি নাভি সম্প্রদায়, যার এলাকা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন তারা জীবনধারণের জন্য লুটপাট করে।

মাংকওয়ানদের নেতৃত্ব দেন ভ্যারাং। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিশ্বখ্যাত কৌতুক অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিনের নাতনি উনা চ্যাপলিন। তিনি নাভির অন্ধকার দিক দেখান, যা আগে শুধুই কল্যাণময় ও প্রকৃতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেবে চিত্রিত হয়েছিল। এর বিপরীতে মানুষ লুটপাটে আসক্ত এবং প্রকৃতির সম্পদ শোষণ করতে চাইছে।

তিনি নাভি সম্প্রদায়ের অন্ধকার দিক দেখান। আগে তারা শুধুই শান্তিপ্রিয় ও প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করত। এবার তাদের আরও জটিল ও ভিন্ন দিক দেখা যাবে। মানুষের লুটপাটের লোভ আবারও প্রকৃতির সঙ্গে সংঘর্ষের গল্পে নতুন মোড় নিয়ে আসবে।

প্যান্ডোরার বাসিন্দাদের ফের লড়তে হবে ‘স্কাই পিপল’ বা রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মানুষদের বিরুদ্ধে। তারা তুলকুন নামের সামুদ্রিক প্রাণী শিকার করতে চাইছে। লক্ষ্য তাদের মস্তিষ্ক থেকে ‘অ্যামরিটা’ সংগ্রহ।

তুলকুন হল প্যান্ডোরা গ্রহের বিশাল ও বুদ্ধিমান সামুদ্রিক প্রাণী, যাদের মস্তিষ্ক থেকে ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণে মূল্যবান পদার্থ পাওয়া যায়। মূল ‘অ্যাভাটার’ গল্প ১৯৯৫ সালে ক্যামেরন নিজেই লিখেছিলেন। পরিচালকের মতে, সেটিতে পরিবেশ বিষয়ক বার্তা অনেক বেশি স্পষ্ট ছিল।




মঞ্চে ঝড় তুলে আলোচনায় নেহা

বিনোদন ডেস্কঃ সম্প্রতি একটি কনসার্টে মঞ্চ মাতান ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নেহা কক্কর। আর এতে গায়িকার একটি কাণ্ড ঘিরে অন্তর্জালে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ এটিকে ‘সাহসী’ বললেও কেউ আবার ‘সস্তা জনপ্রিয়তা’ পাওয়ার চেষ্টা অ্যাখ্যা দিয়ে সমালোচনায় মেতেছেন।

সেই কনসার্টের ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, লেপার্ড-প্রিন্টের একটি আঁটসাঁট পোশাকে মঞ্চে গান গাইছেন নেহা। পরিবেশনার একপর্যায়ে তিনি একটি পানির বোতল তুলে নেন এবং নিজের শরীরের উপরিভাগে ঢেলে দেন।

এই দৃশ্যটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। নেহার এই বিশেষ কোরিওগ্রাফি ঘিরেই মূলত বিতর্কের সূত্রপাত। টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে ইতোমধ্যে ভিডিওটি ১ কোটির বেশি মানুষ দেখেছেন।

নেহার এমন কাণ্ডে নেটিজেনদের একাংশ গায়িকাকে রীতিমতো ধুয়ে দিচ্ছেন। তাদের মতে, একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে গানের চেয়ে শরীরী প্রদর্শনীতেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। একজন লিখেছেন, সুরের রানি থেকে এমন পর্যায়ে নেমে আসা দুঃখজনক। আরেকজনের মন্তব্য, ভাইরাল হওয়ার নেশায় নিজের ব্যক্তিত্ব নষ্ট করছেন নেহা।

তবে নেহার ভক্তরা বরাবরের মতোই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের মতে, এটি কেবলই মঞ্চের উন্মাদনা এবং আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশনার অংশ।

এবারই প্রথম নয়, এর আগে মঞ্চে বেলি ড্যান্স করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন নেহা। তবে সমালোচনা খুব একটা পাতে নেন না নেহা।




আমাকে একা ফেলে গেলে”—হেমার হৃদয়ভাঙা আক্ষেপ

বিনোদন ডেস্কঃ বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র বেঁচে থাকলে আজ ৮ ডিসেম্বর পা দিতেন ৯০ বছরে। কিন্তু দিনটি উৎসবের নয়—শোকের। প্রায় দুই সপ্তাহ হলো বলিউডের ‘হি-ম্যান’ ভক্তদের, পরিবারকে ও ভালোবাসার মানুষদের ছেড়ে চিরবিদায় নিয়েছেন। স্বামীর প্রয়াণের ঠিক পরেই জন্মদিন—এই শূন্যতা আরও গভীরভাবে অনুভব করছেন অভিনেত্রী হেমা মালিনী।

দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য নারীর স্বপ্নপুরুষ ছিলেন ধর্মেন্দ্র। সেই মানুষটিই জীবনের এক পর্যায়ে প্রেমে পড়েছিলেন ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনীর। প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরকে তালাক না দিয়ে, ধর্ম পরিবর্তন করেই হেমাকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের সম্পর্ক সবসময় ছিল ভালোবাসা, টানাপোড়েন ও জটিল আবেগের এক সূক্ষ্ম মিশ্রণ।

স্বামীর প্রয়াণ এবং প্রথম জন্মদিন দুইয়ে মিলে আজ স্বভাবতই মন খারাপ হেমা মালিনীর। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে এক আবেগঘন পোস্ট লেখেন। হেমা লেখেন, ‘তুমি নেই তাও সপ্তাহখানেক হলো। আমাকে একা ছেড়ে চলে গেলে। নিজের ভাঙা হৃদয়ের টুকরোগুলো জোড়ার চেষ্টা করছি।’

তার কথায়, ‘আমি জানি তোমার আত্মা সারাজীবন আমার সঙ্গে থাকবে। তুমি আমাকে সুন্দর দুই সন্তান দিয়েছ। তেমনই সুন্দর সময় কাটিয়েছি আমরা। তোমার দেওয়া সুখ-স্মৃতিকে সঙ্গে নিয়েই কাটিয়ে দেব বাকি জীবন। শুভ জন্মদিন আমার ভালবাসা।’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রথম সংসারের দুই তারকা-পুত্র সানি দেওল ও ববি দেওলও পোস্ট দিয়েছে। বিশেষ করে সানি দেওল বাবাকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন। অন্যদিকে, দুই কন্যা ঈশা দেওল এবং অহনা দেওলও তাদের পিতাকে প্রতিটা দিন মিস করার কথা জানিয়েছেন।




শুধু লালগালিচায় হাঁটা নয়, জেদ্দায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন আনা-ঐশ্বরিয়ারা

বিনোদন ডেস্কঃ নায়িকারা শুধু লালগালিচায় হাঁটবেন, অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য বাড়াবেন—এমনটাই ছিল প্রচলিত ধারণা। কিন্তু এবার এটির ব্যতিক্রম দেখা গেছে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের পঞ্চম আসরে। যেখানে অভিনেত্রীরা শুধু অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য বাড়ানোয় নয়, বরং রীতিমতো নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে তাদের।

ফেস্টিভ্যালের তৃতীয় দিনের শুরুতে দর্শকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মঞ্চে আসেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। মাতৃত্ব ও ক্যারিয়ার সামলানোর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, বিশ্বসুন্দরী খেতাব নিয়ে তার ভাবনা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন তিনি। ঐশ্বরিয়ার মতে, নিরাপত্তাহীনতা কখনো তার চালিকাশক্তি ছিল না, বরং সততা ও দৃঢ়তাই তাকে পথ দেখিয়েছে।

অন্যদিকে হলিউড অভিনেত্রী আনা দে আরমাস ছিলেন পুরোপুরি বাস্তববাদী। হাভানা থেকে মাদ্রিদ হয়ে হলিউডে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার যাত্রা, ভাষার বাধা, কঠিন সময় নিয়ে কথা বলেন তিনি। চরিত্রের প্রস্তুতি, পর্যবেক্ষণ ও পরিশ্রম নিয়ে তার শিল্পভিত্তিক আলোচনা শিক্ষার্থী ও তরুণ নির্মাতাদের বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।

মার্কিন সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী কুইন লতিফা উৎসবে যোগ করেন প্রতিনিধিত্ব ও শিল্পে নারী নেতৃত্বের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি কথা বলেন সহযোগিতা এবং শিল্পে নারীর কণ্ঠ শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে। তার বক্তব্যে উঠে আসে একজন নারীর সাফল্য মানে অন্য নারীর জন্য নতুন দরজা খুলে দেওয়া।

প্রসঙ্গত, গত ৪ ডিসেম্বর জেদ্দায় বসেছে রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের পঞ্চম আসর। চলবে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এবারের আয়োজনে ‘সিনেমার প্রতি ভালোবাসা’ স্লোগানে প্রদর্শিত হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১১১ সিনেমা।




আগামী নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-২ আসনের মানুষের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ

মোঃ শফিকুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন  কায়কোবাদ ১৯৭০ সালে ২৯ শে ডিসেম্বর কুড়িগ্রামের পুরাতন স্টেশন এলাকায় এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আব্দুল কুদ্দুস কুড়িগ্রাম জজকোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী ছিলেন।
মাতা সাবিনা খাতুন কুড়িগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন।
সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। প্রথমে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদে অন্তর্ভুক্ত হন। অতি অল্প সময়ের ব্যবধানে সুদক্ষ নেতৃত্বে জনপ্রিয়তা অর্জন করে ১৯৯২ সালে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০২ সালে জাতীয়তাবাদী যুবদল কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক মনোনীত হন। ২০০৩ সালে কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাউন্সিলের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর পর্যন্ত দুই দফায় কাউন্সিলের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির ১ নং যুগ্ন সম্পাদক নির্বাচিত হন।
কুড়িগ্রাম জেলায় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় থেকে জেলা উপজেলা পর্যায়ে অনেক খ্যাতিমান ও স্বনামধন্য সিনিয়র লিডার পার্সন আছেন। সেই সকল ব্যক্তিত্বের হৃদয়ে  সোহেল হোসানাইন কায়কোবাদ জায়গা করে নিয়েছেন।
তিনি বহুগুণে গুণান্বিত এমন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মূল দলের আশীর্বাদ পুষ্ট, যুবদলের অহংকার ছাত্রদলের অলংকার। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে মানবিকতা,সততা, স্বচ্ছতা দক্ষতা প্রতিটি মুহূর্তে প্রতীয়মান। যার ফলশ্রুতিতে আজকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কুড়িগ্রাম ২ আসনের  যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, বিগত ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি দলীয়  মনোনয়ন লাভ করেছিলেন। তৎকালীন বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক শরিক দল  যুক্তফ্রন্টকে এই আসনটি ছেড়ে দিতে হয়।
বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের শাসনামলে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বিভিন্ন ভাবে অসংখ্য মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। এতো কিছুর পরেও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেতনা ও আদর্শ থেকে একচুলও বিচলিত হননি। তিনি নিজেকে সবসময় শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক ও কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে নিজেকে বিলিয়ে দিতে সদা প্রস্তুত ছিলেন।
বিএনপির রাজনীতিতে জেলা উপজেলা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে এখন একটাই নাম সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। বর্তমানে তিনি কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব পদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। আসছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-২  আসনে
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিন উপজেলায় তৃণমূলের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
জনমত জরীপে দেখা গেছে কুড়িগ্রাম সদর,রাজারহাট, ফুলবাড়ী উপজেলায় সাধারণ মানুষ সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ এর মতো পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দলমত নির্বিশেষে কুড়িগ্রাম-২ আসনের (সদর, রাজারহাট, ফুলবাড়ী)  উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ আগামী ত্রোয়োদশ নির্বাচনে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ কে এমপি হিসেবে দেখতে চান। তিনি নির্বাচিত হলে অতীতের সকল  রেকর্ড ভেঙ্গে কুড়িগ্রাম-২ আসনের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ও অবকাঠামোগত অর্থ সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে তিনি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।



লালমনিরহাটে দ্বিতীয় দফায় হরিজনদের মানববন্ধন, নিয়োগ বাতিলের দাবিতে উত্তাল রাজপথ

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটে ডিসি অফিসের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে দ্বিতীয় দফায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জেলায় বসবাসরত হরিজন (সুইপার) সম্প্রদায়।

রবিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে স্টেশনের পূর্ব ও পশ্চিম পাশের ২টি সুইপার কলোনির প্রায় ২ শতাধিক মানুষ হরিজন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে মিছিল নিয়ে প্রথমে মিশন মোড়ে মানববন্ধন, পরে ডিসি অফিসে সমবেত হয়। পরে সেখানে বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদ ও হরিজন অধিকার আদায় সংগঠন’ জেলা শাখার ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য দেন তারা।

এর আগে গতকাল একই দাবিতে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ ও ঝাড়ু মিছিল করেছেন তারা। বক্তারা বলেন, ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক সংস্থাপন শাখায় ৭টি পদের অনুকুলে ৩৯ জনকে নিয়োগের জন্য গত ১৩ এপ্রিল ২০২৫ ইং  বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত শুক্রবার ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

যার মৌখিক পরীক্ষা রবিবার (৭ ডিসেম্বর) রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিজ্ঞাপ্তিতে ৬ জন পরিচ্ছন্নকর্মীর শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হয়। কোন স্বীকৃত শিক্ষা বোর্ড থেকে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

তারা অভিযোগ করে বলেন, লালমনিরহাট ডিসি অফিসে ওই ৩৯ জন স্টাফ নিয়োগে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এ এচই এম রকিব হায়দার তাদের সঙ্গে বৈষম্য করেছেন। ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশ্নপত্র কঠিন করে কৌশলে তাদের বাতিলের চেষ্টা করা হচ্ছে।

তারা বলেন, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলাম ও লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এ এইচ এম রকিব হায়দার যোগসাজশে ওই দিন রাত ৩ টায় লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছেন।

এ ফলাফলে প্রকৃত চাকরিপ্রার্থীদেরকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তারা অবিলম্বে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নিয়োগ পরীক্ষা আহবানের দাবি জানান।




হত্যা বন্ধে আমার কাছে কোনো রকম ম্যাজিক নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজঃ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, হত্যা বন্ধে আমার কাছে কোনো ম্যাজিক বা সুইচ অন-অফের মতো কিছু নেই। এ রকম কিছু থাকলে সব বন্ধ করে দিতাম। 

সোমবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন উপদেষ্টা।

রংপুরে নিজ বাসায় মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রী হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে এক সাংবাদিক জানতে চান, নির্বাচনের আগে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে তিনি কীভাবে দেখেন। উত্তরে উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন বলে নয়, নির্বাচনের আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। এটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের আগে এগুলো সব বন্ধ হয়ে যাবে তা-ও আমি বলতে পারি না। যদি আমার কাছে কোনো ম্যাজিক থাকত বা সুইচ লাইট অন–অফের মতো কিছু থাকত, আমি বন্ধ করে দিতাম। যে লাইট অফ এখন আর কোনো কিলিং হবে না। আমার কাছে এ রকম কোনো ম্যাজিক নেই।’

উপদেষ্টা বলেন, রংপুরে যে দুজনকে হত্যা করা হয়েছে, তাদের এক সন্তান পুলিশে আরেকজন র‍্যাবে কর্মরত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় নির্বাচনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুতের ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা। যদি কোথাও বিদ্যুৎ না থাকে, সেখানে বিকল্প ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে বলেন তিনি।

নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের প্রস্তুতি ভালো। সব বাহিনী প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা তাদের প্রশিক্ষণের মান দেখতে যাব। জানুয়ারির মধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অবাধ উৎসবমুখর নির্বাচনের জন্য যত ধরনের প্রস্তুতি দরকার তাই নিচ্ছি।’

নির্বাচন নিয়ে বেশির ভাগ মানুষের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা দূর করতে পারছি না শুধু আপনাদের (গণমাধ্যম) জন্য। আপনারা খালি বলবেন যে এই নির্বাচন হবে। আপনারা প্রচার করে থাকবেন’। উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য বডি ক্যামেরা কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে বডি ক্যামেরা থাকবে।’




নতুন বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, এবার লাখো কণ্ঠে কোরআন পাঠের ঘোষণা হুমায়ুনের

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে নতুন বাবরি মসজিদের কাজ শুরু হওয়ার পর এবার লাখো কণ্ঠে কোরআন পাঠের আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন ভরতপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবির। আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, মুসলিমদের অধিক সংখ্যায় বিধানসভায় জয়ী করতে তিনি কোরআন পাঠের আয়োজন করবেন। মুর্শিদাবাদের কোনো স্থানে প্যান্ডেল তৈরি করে লাখো মুসলিমকে নিয়ে কোরআন পাঠ অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের জন্য মাংস ও ভাতের ভোজের আয়োজন করা হবে। তিনি জানিয়েছেন, কোরআন পাঠের পর নতুন বাবরি মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হবে।

এর আগে, গত ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা ২ নম্বর ব্লকের ছেতিয়ানি এলাকায় নতুন বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, এই কাজের মাধ্যমে তিনি কোনো অসাংবিধানিক কার্যকলাপ করেননি এবং হাইকোর্টও এ বিষয়ে কোনো অসাংবিধানিকতার অভিযোগ স্বীকার করেনি।

তৃণমূল কংগ্রেসের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে হুমায়ুন কবিরকে দল থেকে বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত হওয়া বিধায়ক বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ করেছেন, কিন্তু এর বিরুদ্ধে ভারতের মুসলিম সমাজ কোনো প্রতিবাদ করেনি। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাবরি মসজিদ আবারও তৈরি হবে এবং কোনো শক্তি এটিকে আটকে রাখতে পারবে না।

উল্লেখ্য, কোরআন পাঠের ঘোষণা হুমায়ুন কবিরের পক্ষ থেকে নতুন বাবরি মসজিদ নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত একটি বড় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উদ্যোগ হিসেবে ধরা হচ্ছে। এ আয়োজনের মাধ্যমে তিনি রাজ্যের মুসলিম সমাজের ভোটরদের প্রতি প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন। একই সময়ে কলকাতার ব্রিগেড পারেড গ্রাউন্ডে সনাতন সংস্কৃতি সংসদের উদ্যোগে ‘পঞ্চ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’ অনুষ্ঠিত হয়, যা হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় আয়োজন হিসেবে আয়োজন করা হয়। এই দুই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম ও রাজনীতির সংযোগের প্রভাব নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা পেয়েছে।