অভিযোগের পাহাড়: ঘুষ–দুর্নীতির নেপথ্যে জনস্বাস্থ্যের ক্যাশিয়ার আমিনুল ইসলাম

বিশেষ প্রতিবেদকঃ জামালপুরের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে কর্মরত ক্যাশিয়ার আমিনুল ইসলামকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের অভিযোগ ঘুরছে। অফিসের অনেকেই দাবি করেন, তিনি নাকি ঘুষ, চাঁদাবাজি আর ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ নিয়ে নিজের জন্য এক ধরনের “অদৃশ্য ক্ষমতা” গড়ে তুলেছিলেন। এসব অভিযোগ সত্য কিনা তা এখনো তদন্তসাপেক্ষ, তবে অভিযোগকারীরা বলছেন—গত ১২ বছরে নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসে আমিনুল নাকি শত কোটি টাকার মালিক হওয়ার মতো বিপুল সম্পদ জমিয়েছেন।

২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর তিনি জামালপুর অফিসে যোগ দেন।এরপর থেকেই বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অভিযোগ করে যে কোনো প্রকল্পে ফান্ড এলে তাদের নামে চেক ইস্যু করা হলেও আমিনুলের নির্ধারিত ‘কমিশন’ না দিলে চেক নাকি ক্যাশ হতো না। কেউ কেউ বলছেন—কাজ পেতে আগাম টাকা, কাজ চলাকালে মাসিক টাকা, আর বিল তুলতে গেলেও নাকি আবার নতুন করে ঘুষ দিতে হতো। অভিযোগকারীদের দাবি—এসব হিসাব রাখার জন্য তার নাকি আলাদা গোপন ডায়েরিও ছিল।

শুধু ঘুষ নেওয়ার অভিযোগই নয়, অভিযোগ আছে—আমিনুল নিজেই বিভিন্ন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদার হয়ে প্রকল্পের কাজ ভাগ করে নিতেন। জামালপুরে রূপসা এন্টারপ্রাইজ, রিপন এন্টারপ্রাইজ, আর শেরপুরে লুৎফর ও আকরাম হোসেন এন্টারপ্রাইজ—এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার নাকি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অংশীদারিত্ব ছিল। তার স্ত্রী নাছিমা আক্তার শেরপুর অফিসে চাকরি করায়, সেখানেও তিনি প্রভাব খাটাতে পারতেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

অভিযোগ আরও আছে—দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা দিয়ে তিনি ধীরে ধীরে নানা জায়গায় জমি, বাড়ি, ব্যাংক ব্যালেন্স আর স্বর্ণালংকার সংগ্রহ করেছেন। কিছু সম্পদ তার নিজের নামে, আর কিছু নাকি স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের নামে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি তিনি দেড় কোটি টাকায় জামালপুর শহরের মুকন্দবাড়ীতে জমি ও আধাপাকা বাড়ি কিনেছেন—এ তথ্যও অভিযোগকারীরা তুলে ধরেছেন।

অফিসের ভেতরে তার পরিচিতি হয়েছে “সুলতানের মাইম্যান”—মানে এমন একজন ব্যক্তি, যার পেছনে নাকি শক্তিশালী মহলের সাপোর্ট আছে। জনস্বাস্থ্য বিভাগের ভেতরের কিছু সূত্র বলছে, এসব অভিযোগ সত্য কি না সেটা যাচাই করতে যদি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে, তবে আরও অনেক তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।




যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঘিরে তোলপাড়: পরিচালক এম এ আখের ও সহযোগী মাসুদ আলমকে কেন্দ্র করে দুর্নীতির ঝড়

বিশেষ প্রতিবেদকঃ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসন পরিচালক এম এ আখের এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মাসুদ আলমকে নিয়ে নানা ধরনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের মধ্যে আছে দুর্নীতি, অর্থ লেনদেনে অনিয়ম, নিয়োগে পক্ষপাত, এমনকি বিদেশে অর্থ পাচারের মতো বিষয়ও। অভিযোগগুলো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত না হলেও অধিদপ্তরের ভেতরে-বাইরে স্পষ্ট অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি—এম এ আখের দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে অধিদপ্তরের প্রশাসনিক ক্ষমতা নিজের হাতে আটকে রেখেছেন। শুধু প্রশাসন পরিচালক হিসেবেই থেমে থাকেননি, একই সময়ে দুইটি ভিন্ন প্রকল্পের প্রজেক্ট ডিরেক্টরের দায়িত্বও ধরে রেখেছিলেন, যা অনেকের কাছে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে—কীভাবে একজন ব্যক্তি এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ পদে একসঙ্গে থাকতে পারেন?

সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগটি হচ্ছে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন। ‘ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং’ প্রকল্পে দুই দফায় মোট ৪৮ কোটি টাকা মাসুদ আলমের প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে তোলা হয়েছে—এমন দাবি করছে অভ্যন্তরীণ সূত্র। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, দুর্নীতির সন্দেহে মাসুদ আলম, তার স্ত্রী ও পরিবারের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আগে থেকেই দুদক ও বিএফআইইউ দ্বারা ফ্রিজ করা ছিল। তবুও সেই হিসাব থেকে কোটি টাকা কীভাবে তোলা হলো—এই প্রশ্নে অনেকেই বিস্মিত।

প্রকল্পের কর্মীরা জানিয়েছেন, ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও প্রভাবশালীদের সহযোগিতা ছাড়া এমন ঘটনা সম্ভব নয়। তাদের ভাষায়, “হিসাব ফ্রিজ থাকা অবস্থায় টাকা তোলার ঘটনা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।”

এছাড়া তোলা টাকা কার কাছে গেছে—এই নিয়ে আরও বড় ধরনের অভিযোগ ঘোরাফেরা করছে। কিছু সূত্র বলছে, এই অর্থের একটি অংশ নাকি পলাতক সাবেক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এবং কারাগারে থাকা সাবেক সচিব মেজবাহ উদ্দিনের কাছে পৌঁছেছে। তবে এ ধরনের অভিযোগ এখনো কোনো তদন্তে সত্য বলে প্রমাণিত হয়নি।

ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়েও অভিযোগ আছে। এম এ আখের কখনো সরকারের এক নেতার নাম, কখনো আবার বিএনপি মহাসচিবের নাম ব্যবহার করে নিজের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছেন—এমন কথাও বহু কর্মকর্তা বলেছেন। এতে অধিদপ্তরের ভেতরে একটা ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পান না।

নিয়োগ, বদলি, চুক্তিভিত্তিক চাকরি—এসব ক্ষেত্রেও নাকি অনিয়ম চলছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, যোগ্যতার চেয়ে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ আর টাকার লেনদেনই সবকিছু নির্ধারণ করে। অধিদপ্তর নাকি তরুণদের উন্নয়নের জায়গা না হয়ে কয়েকজনের জন্য ‘টাকা আয় করার ক্ষেত্র’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সবশেষে বলা হয়, এই বিষয়ে এম এ আখের বা মাসুদ আলমের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।




পেঁয়াজের দাম নিয়ে কারসাজি করলে চাকরি থাকবে না: উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজঃ পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির পেছনে কারসাজিতে কৃষি কর্মকর্তাদের যুক্ত থাকার প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। 

তিনি বলেন, যারা কারসাজি করবেন তাদের চাকরি থাকবে না। আমার আমলে যত শাস্তি হয়েছে, এর আগে কখনও এতটা হয়নি। কৃষি কর্মকর্তাদের যদি কোনও যোগসাজশ থাকে, তাহলে তারা ধরা খাবেন।

রবিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গতকাল হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এ কারসাজি যারা করছেন, সেই চক্রটিকে খুঁজে বের করতে হবে। অনেকেই পেঁয়াজ আমদানি করতে পাগল হয়ে গেছেন। কিন্তু আমাদের গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ প্রায় ওঠানো হয়ে গেছে। মুড়িঘাটা পেঁয়াজও উঠানো শুরু হয়েছে। এই মুহূর্তে পেঁয়াজের কোনও সংকটও নেই। বাজারে প্রচুর পেঁয়াজ আছে। কিন্তু দাম বেড়ে গেছে। ভোক্তাদের কষ্ট পেতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতেই আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর কারসাজিতে কৃষি কর্মকর্তাদের যুক্ত থাকার প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসপিদের মতো কৃষি কর্মকর্তাদেরও লটারিতে বদলী করা হবে বলে জানান তিনি।

আলুচাষিরা খুবই ভোগান্তি পেয়েছে জানিয়ে তাদের ভর্তুকি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। উপদেষ্টা বলেন, আমাদের আলু রপ্তানি হয়। কিন্তু আলুর মান ভালো না। কাজেই যে আলুতে চিপস হয়, সেটা আমাদের এখানে কম উৎপাদন হয়। কাজেই এখন গবেষণা করে আলুর জাত উন্নত করতে হবে। যাতে এটা বিভিন্নভাবে ব্যবহার করতে হবে।




মোবাইল ব্যবসায়ীদের আন্দোলন: বিটিআরসি ঘেরাও, অবরুদ্ধ চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তারা

ডেস্ক নিউজঃ ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) সংস্কারসহ কয়েকটি দাবিতে কঠোর কর্মসূচিতে নেমেছেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ‘বাংলাদেশ মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি’-র ব্যানারে শত শত ব্যবসায়ী আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনের সামনে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন। 

অবস্থান কর্মসূচির কারণে সড়কের এক পাশের যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। ব্যবসায়ীরা বিটিআরসি ঘেরাও করে চেয়ারম্যানসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ভবনের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আগারগাঁও মোড় থেকে বিটিআরসি ভবন পর্যন্ত অন্তত চারটি স্থানে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ জানান মোবাইল ব্যবসায়ীরা।

মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)-এর সেক্রেটারি আবু সায়ীদ পিয়াস বলেন, আমরা বহুবার সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বৈঠকের জন্য অনুরোধ করেছি। কিন্তু একবারও আমাদের ডাকা হয়নি। আলোচনার সুযোগ পেলে সমাধান সম্ভব ছিল। এখন পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। সারা দেশের খুচরা ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রেখেছেন।

ব্যবসায়ীদের মূল দাবির মধ্যে রয়েছে— এনইআইআর সংস্কার, সিন্ডিকেট প্রথা বাতিল এবং মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করা। তাদের অভিযোগ, এনইআইআর পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে লাখো খুচরা ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। নতুন নিয়মে একটি বিশেষ গোষ্ঠী লাভবান হবে এবং অতিরিক্ত করের চাপ গ্রাহকের ওপর পড়বে, ফলে মোবাইল ফোনের দামও বেড়ে যাবে।

এমবিসিবির যমুনা ফিউচার পার্ক শাখার সভাপতি হুমায়ুন কবীর বলেন, এনইআইআর পূর্ণমাত্রায় বাস্তবায়িত হলে লক্ষাধিক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। নতুন এই ব্যবস্থায় বিশেষ একটি গোষ্ঠী লাভবান হবে, আর বাড়তি কর ও জটিল প্রক্রিয়ার কারণে গ্রাহক পর্যায়ে মোবাইল ফোনের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে।

তিনি বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের (শেরে-বাংলা নগর জোন) সহকারী কমিশনার (এসি) জাকির হোসেন বলেন, বিটিআরসি ভবনের সামনে মোবাইল ব্যবসায়ীদের সড়ক অবরোধের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আমরা ডাইভারশন দিয়ে অন্য রাস্তায় যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করেছি। আগারগাঁও একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এটি বন্ধ থাকায় অন্য রাস্তায় ব্যাপক চাপ পড়েছে। বিভিন্ন সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি।

এর আগে গত ৩০ নভেম্বর সকাল ১০টায় পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দোকান বন্ধ রেখে রাজধানীর কারওয়ান বাজার-পান্থপথ এলাকায় জড়ো হয়ে মানববন্ধন করেছিলেন বিভিন্ন শপিং মলের মোবাইল ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।

উল্লেখ্য, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টেলিযোগাযোগ খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অনিবন্ধিত মোবাইল ফোনের ব্যবহার রোধ করতে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এর ফলে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে নিবন্ধনবিহীন, চুরি হওয়া বা অনুমোদনহীন আমদানি করা মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে। এর ঠিক আগেই বড় ধরনের আন্দোলনে নামলেন ব্যবসায়ীরা।




নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে জানালেন সিইসি

ডেস্ক নিউজঃ আগামী সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অবহিত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। 

রোববার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কমিশনারগণ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে নির্বাচন আয়োজনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানান।

বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে সিইসি নাসির উদ্দিন জানান, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সব ধরনের প্রস্তুতি সঠিক ও সুন্দরভাবে এগোচ্ছে এবং ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন ও একই দিনে গণভোট আয়োজনের জন্য কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

প্রস্তুতিকালে ইসিকে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদানের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান সিইসি ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা। নির্বাচনের প্রস্তুতিকালে সর্বাত্মক সহযোগিতা করায় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও প্রধান উপদেষ্টার মাধ্যমে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে নাগরিকরা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছেন, যা দেশে নির্বাচনী আমেজ সৃষ্টি করেছে।

এ সময় নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার। জাতির জন্য প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনে আপনারা (ইসি) চালকের আসনে আছেন। আমাদেরকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতেই হবে।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জাতিকে একটি সুন্দর নির্বাচন দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতিকে আমরা ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার প্রত‍্যয়ে এগিয়ে চলছি।




খাদ্যদূষণ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার উদ্বেগ, মোকাবিলায় সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান

ডেস্ক নিউজঃ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, খাদ্যদূষণ মোকাবিলায় আমাদের সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। 

রোববার (৭ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘খাদ্যে বিভিন্ন দূষণের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমরা জানি; এটাকে কীভাবে মোকাবিলা করা যায় সেই ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে। আমাদের সন্তান, বাবা-মা, আপনজন সবাই এর ভুক্তভোগী। নিজেদের স্বার্থেই আমাদের সকলকে একসঙ্গে এই সংকট মোকাবিলায় কাজ করতে হবে। বাস্তবায়নের দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব কোনটি এখনই শুরু করা জরুরি। এ বিষয়ে জরুরি উদ্যোগগুলো আমরা তাৎক্ষণিকভাবে নেব।’

এসময় সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যে দূষণ সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রস্তাবনা লিখিত আকারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

বৈঠকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কিছু তথ্য, উপাত্ত তুলে ধরা হয়। তারা জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী বছরে খাদ্যবাহিত রোগে প্রতি বছর ১০ জনের মধ্যে এক জন শিশু বছরে অন্তত একবার অসুস্থ হয়। খাদ্যবাহিত রোগে আক্রান্ত ৩ ভাগের ১ ভাগ শিশু মৃত্যুবরণ করে। খাদ্যবাহিত রোগে প্রতিবছর বিশ্বে ৬০ কোটি এবং বাংলাদেশে ৩ কোটি শিশু আক্রান্ত হয়।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, খাবারে চার ধরনের দূষক থাকতে পারে। ভারী ধাতু, কীটনাশক-জীবনাশক এর অবশিষ্টাংশ, তেজস্ক্রিয়তা ও জৈবদূষক। গত অর্থবছর ১৭১৩টি এবং এ বছর এ পর্যন্ত ৮১৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে অতিরিক্ত মাত্রায় পাওয়া গেছে সীসা/সীসা ক্রোমেট। মোট ১৮০ নমুনার মধ্যে ২২টিতে সীসা শনাক্ত হয়েছে।

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউএমইএ সুইডেন এর যৌথ গবেষণায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৮৭টি পানি ও ২৩ মাছ এর নমুনা সংগ্রহ করে ৩০০ ধরনের ঔষধ, ২০০ ধরনের কীটনাশক, ১৬ ধরনের পিএফএএস শনাক্ত করা হয়।

ইউনিসেফের এক জরিপে জানা গেছে, বাংলাদেশে সাড়ে তিন কোটি শিশু সীসার সংক্রমণে আক্রান্ত। এ তথ্য তুলে ধরে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জাকারিয়া বলেন, ‘সীসা মানবদেহে প্রবেশ করে মস্তিষ্ক, যকৃৎ, কিডনি, হাড় এবং দাঁতে জমা হয়। শিশুদের হাড় নরম হওয়ায় সীসা সরাসরি মস্তিস্কে চলে যায়। ফলে শিশুদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।’

এছাড়া, গবেষণায় ৫ শতাংশ গর্ভবতী নারীদের মধ্যেও সীসার সংক্রমণ পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। সীসার সংক্রমণ কমিয়ে আনতে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনায় ১০ বছরের কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সায়েদুর রহমান জানান, বাংলাদেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাব আছে। শিক্ষার্থীদের এ ধরনের পরীক্ষা করার ক্যাপাসিটিও রয়েছে। খাদ্যে সীসার পরিমাণ নিয়ে একটি সমন্বিত গবেষণা করে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।

বৈঠকে খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা হাঁস-মুরগি, দুগ্ধজাত খাদ্য ও মাছের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশকারী ক্ষতিকারক পদার্থ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। তারা জানান, হাঁস-মুরগির খামারগুলোতে অনিয়ন্ত্রিত ওষুধ প্রয়োগ হয়। মুরগিকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হলে তা ৭ থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত থেকে যায়। ২৮ দিন পার হওয়ার আগেই মুরগিকে বাজারজাত করা হলে সেই মুরগির মাংসের মাধ্যমে মানবদেহে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ঢুকতে পারে।

তারা জানান, বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে এসব বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন হলেও কিছু চোরাগোপ্তা কোম্পানি কর্তৃপক্ষের নজরদারি এড়িয়ে গোপনে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পোল্ট্রি ফার্ম পরিচালনা করছে।

পোল্ট্রি ফার্মগুলোকে নজরদারিতে আনা এবং কৃষিতে অবৈধ কীটনাশকের ব্যবহার রোধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আরও কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য নিশ্চিত করতে গিয়ে কখনো কখনো যা খাচ্ছি তা নিরাপদ কি না সে দিকটি উপেক্ষা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমগুলো ভূমিকা রাখতে পারে। খাদ্য নিরাপত্তা একটি জরুরি বিষয়। পাঠ্যপুস্তকে এ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ছিলেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম প্রমুখ।




Adobe After Effects Portable + Keygen [Clean] [Windows] Instant

Poster
📄 Hash Value:
%DHASH%


📆 Update: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz, 2-core minimum
  • RAM: 4 GB for tools
  • Disk space: 64 GB for unpack

Adobe After Effects is an application for motion graphics and visual effects. It produces titles, transitions, and cinematic effects using advanced tools. It facilitates keyframes, 3D layers, tracking, and plugin use. Utilized in film, television, and digital media creation. Suitable for visual artists, animators, and editors. It works well with Premiere Pro and Photoshop integration.

  • Portable crack version with no installation needed
  • Adobe After Effects 2022 Cracked Lifetime [x64] no Virus 2025 FREE
  • Key injector patch for advanced users
  • Adobe After Effects 2021 Cracked [100% Worked] [Lifetime] Reddit FREE
  • Crack download guaranteed clean, virus-free with instructions
  • Adobe After Effects Portable exe [Clean] [x64] Windows 11 FileCR




Microsoft Office Professional Crack tool 100% Worked x86-x64 [Stable] gDrive

Poster
🖹 HASH-SUM:
%DHASH%
📅 Updated on: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz CPU for bypass
  • RAM: 4 GB for tools
  • Disk space: 64 GB for setup

Microsoft Office includes software for documents, spreadsheets, presentations, and email. It contains Word, Excel, PowerPoint, and Outlook alongside collaboration features. It offers cloud connectivity, real-time collaboration, and advanced formatting options. Known for use in business, education, and personal productivity. Famous for its intuitive interface and seamless interoperability.

  1. Portable keygen tool – no installation needed
  2. Microsoft Office Portable + Keygen [Patch] [x32-x64] [no Virus] Unlimited
  3. Product key unlocks premium edition instantly
  4. Microsoft Office 2025 Crack + Portable Final (x32-x64) [Windows] 2024 FREE
  5. Patch disabling license expiration and update notifications completely
  6. Microsoft Office plus Portable + Keygen [no Virus] [Lifetime] gDrive
  7. Free license key installer for instant software unlock
  8. Microsoft Office Crack Clean [x32-x64] Windows 11 Genuine FREE




InstallMate Cracked [Full] Final Reddit

Poster
🔗 SHA sum:
%DHASH%
Updated: %DDATE%

  • Processor: 1+ GHz for cracks
  • RAM: 4 GB to avoid lag
  • Disk space: Required: 64 GB

Intuitive solution that allows software developers to create installers for their programs in a very easy-to-comprehend manner, while also affording numerous options for customization. After finishing development on your software and testing everything out, you’ll have to think of how to deliver it to your user base.

  1. Keygen supporting both temporary trial and permanent license keys
  2. InstallMate Cracked [Stable] [x32x64] [Latest] MediaFire FREE
  3. Auto keygen + crack combo – no manual steps
  4. InstallMate Portable + License Key [Lifetime] Windows 11 2025
  5. Universal keygen for generating product keys
  6. InstallMate Full-Activated [Final] x64 Stable MEGA



Net Scanner License[Activated] Clean [x32x64] Stable 2024

Poster
🧾 Hash-sum — %DHASH%


🗓 Updated on: %DDATE%

  • Processor: Dual-core CPU for activator
  • RAM: Needed: 4 GB
  • Disk space: 64 GB for unpack

A must-have tool for network administrators for finding open ports, scanning dead machines, tracking IP addresses, resolving hosts and more. Net Scanner is a network administration application that comes with a variate set of tools for managing workstations, converting hosts and running port scans. The program has not received any updates recently and therefore, some of its functions might not work properly or might be outdated. Nevertheless, it might come in handy for those who are still using old versions of Windows.

  1. Crack bypass for mandatory sign-in requirements
  2. Net Scanner Portable only [Lifetime] Stable Genuine
  3. License key injector supporting unlimited activations per user
  4. Net Scanner Portable + Activator [Patch] Clean
  5. Activator supports full offline deployment scenarios
  6. Net Scanner License[Activated] Windows 10 (x32x64) [Patch]
  7. Keygen generator supporting complex and customized serial formats
  8. Net Scanner Crack for PC [Full] Lifetime 2025
  9. Activator supports one-click rollback to original state
  10. Net Scanner Portable + License Key Windows 10 [x32-x64] [Patch] MEGA
  11. Patch utility bypassing all software license validation and checks
  12. Net Scanner Crack tool [no Virus] [x64] 100% Worked Verified FREE