প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় আশুলিয়ায় দোয়া মাহফিল।

 ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ বশির উদ্দিনঃ সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় সাভার–আশুলিয়ায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার দ্রুত সুস্থতা কামনায় আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় আশুলিয়া বাইপাইলে এলাহী কমিউনিটি সেন্টারে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে ঢাকা জেলা ওলামা দল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি মনোনীত ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী। তিনি এ সময় বক্তব্যে বলেন—
বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে। আমরা মহান আল্লাহর কাছে তার সুস্থতা কামনা করি এবং সরকারকে অনতিবিলম্বে উন্নত চিকিৎসার জন্য মানবিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই।
প্রধান বক্তা ছিলেন আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর মিয়া। তিনি বলেন—
নেত্রী খালেদা জিয়া দেশের কোটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিচ্ছবি। তার সুস্থতা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি নেতাকর্মীসহ দেশপ্রেমিক জনগণ তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া করছে।
বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ রবিউল আউয়াল, সদস্য সচিব, ঢাকা জেলা ওলামা দল। তিনি বলেন—
একজন অভিভাবকসুলভ নেত্রীর অসুস্থতায় দেশবাসীর হৃদয়ে যে বেদনা সৃষ্টি হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশের নয়। আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এইচ. এম. মাসুদ রানা, আহবায়ক, ঢাকা জেলা ওলামা দল। সঞ্চালনায় ছিলেন হাফেজ মাসুদুর রহমান দেওয়ান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, ঢাকা জেলা ওলামা দল।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— মাওলানা তাওহিদুল ইসলাম, মাওলানা আবু সাঈদ, মফিজুল ইসলাম ফকির, সেলিম ভূইয়া, আবু তালহা, লোকমান হোসেন, আবুল মুন্সি প্রমুখ।
দোয়া মাহফিলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা, দীর্ঘায়ু, এবং দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
আয়োজনেঃ ঢাকা জেলা ওলামা দল



বাংলাদেশে বিক্রি করতে না পেরে ভারতে পেঁয়াজের ‘শেষকৃত্য’ করলো ব্যবসায়ীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ কোনো মানুষের নয়, ভারতে শেষকৃত্যের আয়োজন চলছে পেঁয়াজের। এ বছর বাংলাদেশে পেঁয়াজের রেকর্ড উৎপাদনের কারণে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা চড়া দামে রপ্তানি করতে না পেরে হয়েছেন কার্যত পথে বসা।  

কেজি দুই রুপিতেও কেউ পেঁয়াজ কিনছে না দেশটিতে। সেই হতাশা, রাগ–ক্ষোভ থেকেই অভিনব এই প্রতিবাদ। মধ্যপ্রদেশে কৃষকরা ঘটা করে আয়োজন করছেন পেঁয়াজের প্রতীকী শেষকৃত্যের। যে ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বাংলাদেশে রেকর্ড পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদনের জেরে এবার ভারতের কৃষকদের নিতে হচ্ছে ভিন্নধর্মী প্রতিবাদের পথ। দেশে মাত্র দুই রুপিতেও পেঁয়াজ বিক্রি না হওয়ায় মধ্যপ্রদেশের অনেক চাষি ক্ষোভ–হতাশায় আয়োজন করেছেন পেঁয়াজের প্রতীকী শেষকৃত্য। শেষকৃত্যের এই ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।

চলতি বছরে বাংলাদেশের পেঁয়াজ উৎপাদন গত কয়েক বছরের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। সরকারি সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন কোনো ঘাটতি নেই, ফলে কৃষকদের সুবিধা ও উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে সরকার আমদানি বন্ধ রাখে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের বড় ধাক্কা লাগে ভারতের মধ্যপ্রদেশের মান্দাসৌর অঞ্চলে। বাংলাদেশের বাজার হারিয়ে এবং স্থানীয়ভাবে দাম না পাওয়ায় সেখানকার কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পেঁয়াজের প্রতীকী অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

বাংলাদেশের বাজারে যখন নতুন দেশি পেঁয়াজের সরবরাহে স্বস্তির হাওয়া বইছে, ঠিক তখনই পাশের দেশ ভারতে নেমে এসেছে ভয়াবহ চিত্র। মধ্যপ্রদেশের মান্দাসৌরে পেঁয়াজের দাম নেমে গেছে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে—কেজিপ্রতি মাত্র দুই রুপি। এত কম দামেও ক্রেতা না মেলায় ক্ষুব্ধ কৃষকেরা রাস্তায় পেঁয়াজের বস্তা ফেলে প্রতিবাদ করছেন, এমনকি পেঁয়াজের প্রতীকী শেষকৃত্যও আয়োজন করছেন। তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ রপ্তানি বন্ধ করায় বাজারে সরবরাহ বেড়ে গিয়ে এ ভয়াবহ দরপতন হয়েছে।

বাংলাদেশে অবশ্য দৃশ্য সম্পূর্ণ আলাদা। মৌসুমের শুরু থেকেই নতুন পেঁয়াজ ঘিরে স্থানীয় কৃষকেরা ভালো মূল্যের আশায় আছেন। সামনে মুড়িকাটা পেঁয়াজের সরবরাহ আসছে, যা রবি মৌসুমে দেশের মোট উৎপাদনের প্রায় ৭০ শতাংশ পূরণ করে এবং তিন থেকে পাঁচ মাস বাজারকে স্থিতিশীল রাখে। এর সঙ্গে খারিফ–১ মৌসুমের উৎপাদন যুক্ত হওয়ায় সারা বছরই দেশীয় পেঁয়াজের যোগান বজায় থাকে। ফলে আমদানির প্রয়োজন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

ভারতের গণমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে, বাংলাদেশ আগে ভারতের মোট পেঁয়াজ রপ্তানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কিনত। এবার সেই দরজা বন্ধ। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের উৎপাদনক্ষমতা বেড়ে যাওয়ায় কৃষকের স্বার্থেই আমদানি বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে ভারতের পাইকারি বাজারে পচে যাচ্ছে বিশাল পরিমাণ পেঁয়াজ।

ভারতীয় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর দাবি, রপ্তানি বন্ধ থাকাই এই সংকটের মূল কারণ। অন্যদিকে বাংলাদেশের কৃষকেরা এখন অনেকটাই নিশ্চিত যে, দেশীয় উৎপাদনেই অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বাজার স্থিতিশীল রাখা যাচ্ছে।




মার্ডার মিস্ট্রি চলচ্চিত্র ‘দূর্বার’-এ সজল–অপু নতুন চমক

বিনোদন ডেস্কঃ নতুন সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হলেন জনপ্রিয় অভিনেতা আব্দুন নূর সজল। ‘দূর্বার’ শিরোনামের এ সিনেমাতে সজলের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধতে চলেছেন জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। গণমাধ্যমকে এমনটা নিশ্চিত করেছেন ছবিটির পরিচালক কামরুল হাসান ফুয়াদ। এটি পরিচালকের প্রথম সিনেমা।

জানা গেছে, মার্ডার মিস্ট্রি থ্রিলার গল্পের এ সিনেমাটিতে থাকবে রোমান্স এবং ড্রামার মিশেল। আবদুল্লাহ জহির বাবুর গল্প ও চিত্রনাট্যে এতে আরও অভিনয় করছেন জান্নাতুল নূর মুন, সানজু জন। আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে ছবির শুটিং শুরু হবে। তবে শুটিং শুরুর আগে ১৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক ফটোশুটে অংশ নেওয়ার কথা আছে তাঁদের।

ছবির পরিচালক বলেন, এখন প্রি-প্রোডাকশন চলছে, একইসঙ্গে চলছে রিহার্সেল। সবকিছু ঠিক থাকলে ১৬ ডিসেম্বর থেকে শুটিং শুরুর প্ল্যান।

সজল এবং অপু বিশ্বাসকে জুটি করার পরিকল্পনা কোন ভাবনা থেকে, এমন প্রশ্নে কামরুল হাসান ফুয়াদ বলেন, এখন পর্যন্ত অনেকগুলো ফিকশন, বিজ্ঞাপন নির্মাণ করেছি। আমার প্রথম ফিকশনের নায়ক ছিলেন সজল ভাই। তার অভিনয় কিংবা পারফররম্যান্স নিয়ে তো কোনো সন্দেহ নেই। সেই জায়গা থেকে নিজের প্রথম সিনেমাটা তার সঙ্গেই করার ইচ্ছে ছিল। এছাড়া যেহেতু প্রেক্ষাগৃহের জন্য সিনেমাটা, আরও একজন পারফর্মার প্রয়োজন ছিল। সেদিক থেকে অপু দি নিঃসন্দেহে দারুণ। তাকে গল্প শোনানোর পর তিনি সেটি পছন্দ করেন।




খালেদা জিয়ার অবস্থা ‘অপরিবর্তিত’

ডেস্ক নিউজঃ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা মোটাদাগে ‘অপরিবর্তিত’ রয়েছে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

মেডিকেল বোর্ডের একাধিক চিকিৎসক জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন এখনো বিমানযাত্রার সক্ষমতা অর্জন করেনি। সেজন্যই লন্ডনযাত্রা বিলম্ব হচ্ছে।

তবে এক চিকিৎসক এদিন দুপুরে সংবাদমাধ্যমকে জানান, “অনেকগুলো প্যারামিটার পজেটিভ সাইন দিচ্ছে, তবে অবস্থার উন্নতি হয়েছে এমনটা এখনই বলা যাচ্ছে না। আমরা আশা করছি, পজেটিভ সাইন অব্যাহত থাকলে উনি ৯-১০ তারিখের (ডিসেম্বর) দিকে ফ্লাই করার সক্ষমতা অর্জন করতেও পারেন।”

চিকিৎসকরা বলছেন, গত দুই দিনে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে, সেসব প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। শুক্রবার দুই দফা মেডিকেল বোর্ড বৈঠক করেছে। প্রতিদিনই খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার নিয়মিত প্রতিবেদনগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এদিকে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে মেডিকেল বোর্ড সবুজ সংকেত দিলেই কেবল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় আসবে বলে বিএনপির তরফে জানানো হয়েছে।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যুক্তরাজ্যে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর জানানো হয়, গত জানুয়ারির মত এবারও কাতারের আমিরের বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে লন্ডনে পাঠানো হবে। বৃহস্পতিবার বিএনপির তরফে বলা হয়েছিল, সেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স শুক্রবার সকালে তাকে নিয়ে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করবে।

সেদিনই জানানো হয়, খালেদা জিয়ার বড় পুত্রবধূ জুবাইদা রহমান ঢাকায় আসার পরে তিনিও এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে লন্ডনে যাবেন শাশুড়ির সঙ্গে।

গত ২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার চিকিৎসা দিচ্ছেন। এই মেডিকেল বোর্ডে তারেক রহমানের সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমানও সদস্য হিসেবে রয়েছেন। তিনি লন্ডন থেকে শুক্রবার ঢাকায় নেমেই শাশুড়িকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান।




এবার খালেদা জিয়ার জন্য জার্মানির এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করেছে কাতার সরকার

ডেস্ক নিউজঃ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিতে কাতার আমিরের বহরের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় আসছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। তার বদলে জার্মানির নুরেমবার্গভিত্তিক এফএআই এভিয়েশন গ্রুপের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করেছে কাতার সরকার। কোম্পানির ওয়েবসাইটে একে অত্যাধুনিক চিকিৎসা সুবিধাসমৃদ্ধ উড়োজাহাজ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

বোম্বার্ডিয়ার চ্যালেঞ্জার (সিএল-৬০) সিরিজের দুই ইঞ্জিনের এই জেট ২০১৮ সালে নির্মিত। এতে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থার সব আধুনিক সুবিধা সংযোজন করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী উড়োজাহাজটি নুরেমবার্গ থেকে ঢাকায় আসবে এবং পথে জ্বালানি নিতে বিরতি দেবে।

এফএআই এভিয়েশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, তাদের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভেন্টিলেটর, মনিটরিং ইউনিট, ইনফিউশন পাম্প, অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা, ওষুধপত্রসহ পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সরঞ্জাম রয়েছে। উড়োজাহাজে থাকবেন অভিজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স ও প্যারামেডিকস, যারা আকাশপথে রোগী পরিবহনে নিবিড় পরিচর্যার অভিজ্ঞতা রাখেন।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে ‘এক্সট্রা করপোরাল মেমব্রেন অক্সিজেনেশন’ (ইসিএমও) সাপোর্ট সুবিধাও আছে- যা হৃদযন্ত্র বা ফুসফুস বিকল হওয়া রোগীদের কৃত্রিম উপায়ে বাঁচিয়ে রাখতে ব্যবহৃত হয়। কোম্পানি দাবি করেছে, তাদের দল ইসিএমও রোগী স্থানান্তরে বিশেষ দক্ষ।

সংকটাপন্ন রোগীদের হাসপাতাল থেকে বিমানে তোলা অনেক সময় জটিল হয়। এজন্য সংস্থাটি হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপদ স্থানান্তর নিশ্চিত করে। তাদের দলে আছেন আইসিইউ নার্স ও ‘পারফিউশনিস্ট’- যারা হার্ট-লাং মেশিন পরিচালনায় বিশেষজ্ঞ।

কম প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন রোগীদের জন্য রয়েছে পোর্টেবল মেডিকেল আইসোলেশন ইউনিট (পিএমআইইউ), যার উন্নত ভেন্টিলেশন ব্যবস্থায় রোগীর কাছে পৌঁছানোর আগেই বাতাস পরিশোধিত হয়। নবজাতক থেকে প্রাপ্তবয়স্ক- সব বয়সী রোগীর জন্য আলাদা সেটআপও রয়েছে এই বিমানে।

এর আগে কাতার আমিরের ব্যক্তিগত বহরের যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি খালেদা জিয়াকে বহনের জন্য ঢাকায় এসেছিল, সেটি ছিল এয়ারবাস এ-৩১৯ সিরিজের উড়োজাহাজ, আকারে বোম্বার্ডিয়ার জেটের চেয়ে বড়। ফলে আগের উড়োজাহাজে যে সংখ্যক যাত্রী নেওয়া সম্ভব হয়েছিল, এবার বোম্বার্ডিয়ারটিতে তার অর্ধেকও যাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।




বন্ধ কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছি: শিল্প উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজঃ শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, গত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে দেশের অনেক কলকারখানা, বিশেষ করে চিনিকলগুলো একে একে বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা সেগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে কিছু মিল আবার চালু করা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন ও দেশের বৃহত্তম সরকারি চিনিকল চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় কেরু অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডে ২০২৫–২৬ মৌসুমের ৮৮তম আখ মাড়াই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে আদিলুর রহমান খান বলেন, চিনিকলটির আধুনিকায়ন ও যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপনসংক্রান্ত বিএমআরআই প্রকল্প দ্রুত সময়ের মধ্যেই শুরু হবে। আমি আশা করেছিলাম আজই বিএমআরআই চালু হবে। পরে জানলাম কিছু কাজ এখনো বাকি। তবে আমাকে আশ্বস্ত করা হয়েছে—খুব দ্রুতই এটি কার্যক্রমে ফিরবে। আমরা পুরো প্রকল্পটি দ্রুতই চালু করবো।




লালমনিরহাটে প্রাণহীন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পালিত হলো মুক্ত দিবস

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ আজ ৬ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়েছিল উত্তরের জেলা লালমনিরহাট।

‎‎মুক্তিযুদ্ধের সময় পুরো বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হলেও, এর মধ্যে ৬ নম্বর সেক্টর ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। একমাত্র এই সেক্টরটির সদর দপ্তরই ছিল সম্পূর্ণ বাংলাদেশের ভেতরে পাটগ্রামের বুড়িমারী হাসর উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে।

২৫ মার্চের কালোরাতের পর সারাদেশের মতো উত্তাল হয়ে লালমনিরহাটও। অবাঙ্গালী বিহারিদের আধিপত্য থাকা রেলওয়ে শহরটিতে দ্রুত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পরের দিন ২৭ মার্চ মুক্তিকামী জনতার মিছিলে পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন শাহজাহান; যিনি লালমনিরহাটের প্রথম শহীদ হিসেবে পরিচিত। ৬ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল প্রতিরোধে পাটগ্রাম শুরু থেকেই কার্যত মুক্তাঞ্চল ছিল। নভেম্বরের শেষ দিকে মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র আক্রমণে ৩০ নভেম্বর হাতীবান্ধা উপজেলা মুক্ত হয়।

‎৪ ও ৫ ডিসেম্বর কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার বড়বাড়ি–আইরখামার এলাকায় মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাক সেনারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ৫ ডিসেম্বর ভোরে পাকিস্তানি সৈন্যরা রংপুর ক্যান্টনমেন্টের দিকে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় ধ্বংস করে যায় তিস্তা রেলসেতুর একটি অংশ। অবশেষে, ৬ ডিসেম্বর জেগে ওঠে মুক্ত লালমনিরহাট।

বিজয়ের উল্লাসে মুখরিত হয় শহর, আকাশে উড়ে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা। এরপর থেকে ৬ ডিসেম্বর লালমনিরহাট হানাদার মুক্ত পালন হয়ে আসছে।

‎‎প্রতি বছর এই দিবসটি ঘিরে থাকতো নানা আয়োজন। সারা শহর জুড়ে দৃষ্টিনন্দন গেট,আলোকস্বজ্জা,কবিতা প্রতিযোগীতা, চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগিতা,সন্ধায় গণ-কবরে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও শেষে লালমনিরহাট মুক্ত মঞ্চে দেশত্ববোধক গানের আয়োজন।

‎‎কিন্তু এবার লালমনিরহাটে অনেকটাই  ঢিলেঢালা পালিত হচ্ছে লালমনিরহাট হানাদার মুক্ত দিবস। সকালে লালমনিরহাট রেলওয়ে গণকবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া করে শেষ হলো লালমনিরহাট মুক্ত দিবসের অনুষ্ঠান।

‎‎এ সময় লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাস, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ লালমনিরহাটের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীসহ মুক্তিযোদ্ধাগণ উপস্থিত ছিলেন।




জনতার দল নিবন্ধন পাওয়ায় সাপ্টিবাড়ীতে আনন্দ মিছিল ও পথসভা

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধনপ্রাপ্ত “জনতার দল” -এর সাফল্যে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী বাজারে দলের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে আনন্দ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বাদ মাগরিব সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়ন শাখা কার্যালয় থেকে আনন্দ মিছিল বের হয়ে বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।পরে কার্যালয় চত্বরে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

পথসভায় বক্তব্য রাখেন জনতার দল আদিতমারী উপজেলা শাখার সভাপতি মোজাম্মেল হক, সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি নুর আলম সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক সেলিম মির্জাসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, “জনতার দল দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের নতুন কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবে। গণমানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে এ দলই হবে তাদের ভরসাস্থল।”

অনুষ্ঠানে দলীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে নতুন দলের অগ্রযাত্রা ও সাফল্য কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।




পিরোজপুর জেলা সরকারি চাকরিজীবী কল্যাণ পরিষদের নতুন কমিটি গঠন

পিরোজপুর প্রতিনিধি : পিরোজপুর জেলা সরকারি চাকরিজীবী কল্যাণ পরিষদ (১১–২০ গ্রেড) এর নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে মোঃ শামসুদ্দোহাকে সভাপতি, মোঃ সাদ্দাম হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক এবং মোঃ আখিরুজ্জামান রাজুকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।
শনিবার বিকেলে সদর উপজেলা পরিষদের শহীদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় সকল সদস্যদের সর্বসম্মতিতে কমিটি গঠন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ আলাউদ্দিন ভূঞা জনী।
জেলা সরকারি চাকরিজীবী কল্যাণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ শামসুদ্দোহা’র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মতিউর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অঃ দাঃ) এস এম আল আমীন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ সাইদুল ইসলাম কিসমত, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মোঃ জহিরুল হক, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এস এম তানভীর আহমেদ এবং সদর থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ তরিকুল ইসলাম।
সভায় পরিষদের সদস্যসহ স্থানীয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা সংগঠনের উন্নয়ন, সদস্যদের কল্যাণ এবং প্রশাসনিক সেবার মানোন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।



যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলো ৬১ হাজার মেট্রিক টন গম

ডেস্ক নিউজঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আলোকে দেশটি থেকে ৬০ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন গমবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী ৬০ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন গমবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে সরকার টু সরকার (জি-টু-জি) ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানির কার্যক্রম শুরু করেছে। এই চুক্তির আওতায় মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানি করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায়— যার প্রথম চালানে ৫৬ হাজার ৯৫৯ মেট্রিক টন গম গত ২৫ অক্টোবর, দ্বিতীয় চালানে ৬০ হাজার ৮০২ মেট্রিক টন গম ৩ নভেম্বর তারিখে এবং তৃতীয় চালানে ৬০ হাজার ৮৭৫ মেট্রিক টন গম ১৫ নভেম্বর দেশে পৌঁছেছে।

এটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা গমের চতুর্থ চালান। চুক্তি অনুযায়ী ৪ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন গমের মধ্যে ইতোমধ্যে চারটি চালানে মোট ২ লাখ ৩৯ হাজার ৫৮৬ মেট্রিক টন গম দেশে পৌঁছেছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাহাজে রাখা গমের নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। গমের নমুনা পরীক্ষা শেষে দ্রুত তা খালাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।