SSDlife FAMILY & COMMERCIAL Cracked [Latest] [x32-x64] [Latest] Premium

Poster
🛡️ Checksum: %DHASH%

⏰ Updated on: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz processor needed
  • RAM: 4 GB or higher
  • Disk space: 64 GB for patching

An intuitive application that evaluates the performance and overall health status of SSD disks by collecting S.M.A.R.T. information. Nowadays people are strating to shift towards quality over quantity, and are using less and less HDD storage units, switching their attention towards the much faster SSDs. SSDlife Free is a simple-to-use application that runs diagnostics on SSD disks to determine their health status by taking into account the well-known S.M.A.R.T. attributes.

  1. Manual key entry tool with validation bypass
  2. SSDlife FAMILY & COMMERCIAL Pre-Activated Full Windows 11 Reddit
  3. Patch download unlocking premium software features
  4. SSDlife FAMILY & COMMERCIAL Crack + Keygen [Full] x64 no Virus .zip FREE
  5. Keygen generator supporting complex and custom serial formats
  6. SSDlife FAMILY & COMMERCIAL Portable + License Key [Latest] [x64] [Final] .zip
  7. Crack and license key for permanent activation
  8. SSDlife FAMILY & COMMERCIAL Crack + Keygen Clean [Patch] Premium FREE



বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

এসএম বদরুল আলমঃ বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি, দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

আজ এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ তাঁকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি করার পর তাঁর স্বাস্থের কিছুটা অবনতি ঘটলে বর্তমানে তাকে মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় পর্যবেক্ষনে রাখা হয়েছে। তাঁর অসুস্থতার সংবাদে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনের দরবারে অন্তরের অন্তরস্থল থেকে তাঁর সুস্থতা কামনা করে আশা প্রকাশ করছি যে, তিনি যেন শীঘ্রই সুস্থ হয়ে পরিবার পরিজনের কাছে ফিরে আসেন।




ভুয়া রপ্তানির ফাঁদ: মানিলন্ডারিং ও প্রণোদনা আত্মসাতে কাস্টমস কর্মকর্তা-ব্যাংকারসহ ২৬ জন অভিযুক্ত

এসএম বদরুল আলমঃ রপ্তানি না করেই কাগজে-কলমে পণ্য পাঠানোর গল্প তৈরি করে সাড়ে ১৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং ও আরও ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকার রপ্তানি প্রণোদনা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মোট ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদের মধ্যে রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, ব্যাংক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ১১ জন কাস্টমস কর্মকর্তাও রয়েছেন। দুদকের উপপরিচালক মো. আহসান উদ্দিন ঢাকায় সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান দো এম্পেক্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. জিয়া হায়দার মিঠু এবং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলোক সেনগুপ্তকে। তাদের সহায়তা করেন বিভিন্ন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট — কেএইচএল এক্সাম লিমিটেডের এমডি মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম রাসেল, এ কে এন্টারপ্রাইজের মালিক আবুল কাসেম খান, প্যান বেঙ্গল এজেন্সিস লিমিটেডের এমডি মো. সেলিম। আরও জড়িত ছিলেন জি আর ট্রেডিং করপোরেশন সি অ্যান্ড লিমিটেডের পরিচালক বেগম রাসিদা পারভীন রুনু, এ অ্যান্ড জে ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক মো. আলতাফ হোসেন ও মো. আব্দুল জলিল আকন।

এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি অডিট প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ পাওয়া গেছে। দুদকের মামলায় নাম আছে— এ কাসেম অ্যান্ড কো.-এর মালিক মোহাম্মদ মোতালেব হোসেন ও জিয়াউর রহমান জিয়া, এমএবিএস অ্যান্ড জে পার্টনারের দায়িত্বে থাকা জগদীশ চন্দ্র বিশ্বাস, মুহাম্মদ সাজিদুল হক তালুকদার, নাসির উদ্দিন আহমেদ।

সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল কাস্টমস বিভাগের কিছু কর্মকর্তার। মামলায় থাকছে ১১ জনের নাম— সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর কবির, মবিন উল ইসলাম, সাবেক সহকারী কমিশনার জয়নাল আবেদীন, রাজস্ব কর্মকর্তা জমির হোসেন, এ এইচ এম নজরুল ইসলাম, আমির হোসেন সরকার, গৌরাঙ্গ চন্দ্র চৌধুরী, ফরিদ উদ্দিন সরকার, মো. মঞ্জুরুল হক, সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার ও বাসুদেব পালক। একই সঙ্গে অগ্রণী ব্যাংকের এক্সপোর্ট বিভাগের প্রিন্সিপাল অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম এবং মোহাম্মদ আনোয়ার জাহানকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা মিলেমিশে আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডা ও সিঙ্গাপুরে পণ্য রপ্তানি হয়েছে—এমন নথি তৈরি করে ব্যাংকে টাকা আনার ব্যবস্থা করে। এভাবে দো এম্পেক্স লিমিটেডের নামে দেশে এসেছে ২২ লাখ ১৮ হাজার ১৭.৪৪ মার্কিন ডলার, যার বাংলাদেশি মূল্য ১৮ কোটি ৬০ লাখ টাকার বেশি। অথচ এসব রপ্তানির বেশিরভাগই ছিল ভুয়া—ব্যবহার করা হয়েছিল শুধু কাগুজে চালান।

২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি মোট ৪১টি বিল অব এক্সপোর্ট জমা দেয়। এর মধ্যে মাত্র ৭টির রপ্তানির সত্যতা পাওয়া গেলেও বাকি ৩৪টি চালান সম্পূর্ণ ভুয়া ছিল। কিন্তু এই ভুয়া রপ্তানির ওপর ভিত্তি করেই তারা সরকার থেকে প্রায় ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকার নগদ প্রণোদনা তুলে নেয় এবং আত্মসাৎ করে।

দুদকের মতে, রপ্তানি না করেই রপ্তানি হয়েছে এমন নথি বানিয়ে ব্যাংক ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের সহায়তায় বিদেশ থেকে টাকা আনা এবং সরকারি প্রণোদনা নেওয়া—এটাই ছিল পুরো চক্রের মূল কৌশল। এই প্রতারণার মধ্য দিয়ে তারা রাষ্ট্রকে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলে।




ফ্ল্যাগশিপ স্টোর ঘোষণার মধ্য দিয়ে ও’ ফ্যানস ফেস্টিভাল ২০২৫ শুরু করলো অপো

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় স্মার্ট ডিভাইস ব্র্যান্ড অপো বাংলাদেশে তাদের লয়্যাল ইউজারদের শক্তিশালী কমিউনিটির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ও’ ফ্যানস ফেস্টিভাল ২০২৫ উদযাপন শুরু করলো। বার্ষিক এই উদযাপনের অংশ হিসেবে আগামী ২৭ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জে নিজেদের সবচেয়ে বড় ফ্ল্যাগশিপ স্টোর উদ্বোধনের ঘোষণা দিয়েছে ব্র্যান্ডটি।
প্রতি বছরই ও’ ফ্যানস ফেস্টিভাল বিশেষ সুবিধা, অনন্য অভিজ্ঞতা ও আকর্ষণীয় ইভেন্টের মাধ্যমে অপো ব্যবহারকারীদের একত্রিত করে। এবছর প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ স্টোর চালু করার মাধ্যমে উদযাপনকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে অপো; যা ব্র্যান্ড ও ক্রমবর্ধমান ফ্যানবেসের মধ্যে সম্পর্ককে আরও গভীর করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এই উদ্বোধনকে ও’ ফ্যানস ফেস্টিভালের সাথে যুক্ত করার মাধ্যমে অপো উদ্ভাবনকে উদযাপন ও কমিউনিটির সাথে যুক্ত করার অঙ্গীকারকে আরও জোরদার করলো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বাড়তি উত্তেজনা হিসেবে বিনোদন জগতের প্রিয় তারকারা উপস্থিত থাকবেন। জিয়াউল হক পলাশ, পারসা ইভানা ও রাহিলের মতো জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। যা ফ্যান ও তরুণ কমিউনিটির জন্য বিশেষ আকর্ষণ; এবং একইসাথে, লাইফস্টাইল, ফ্যাশন ও সৃজনশীলতার সাথে অপোর শক্তিশালী সম্পর্ককে তুলে ধরবে।
এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশের একজন মুখপাত্র বলেন, “আমাদের ভিশনে আস্থা রাখেন এমন প্রাণবন্ত কমিউনিটির বার্ষিক উদযাপন ও’ ফ্যানস ফেস্টিভাল। এবছর আমরা বাংলাদেশে আমাদের বৃহত্তম ফ্ল্যাগশিপ স্টোর উদ্বোধনের সাথে এই ফেস্টিভালকে যুক্ত করে এটিকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে চেয়েছি। এটি উদ্ভাবন, গ্রাহক সন্তুষ্টি ও অর্থবহ ব্র্যান্ড অভিজ্ঞতার প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতির বহিঃপ্রকাশ।”
নতুন এই ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি ও’ ফ্যানস ফেস্টিভাল চলাকালে ইন্টারেক্টিভ এঙ্গেজমেন্টের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। বিস্তৃত কার্যক্রম থেকে শুরু করে অনুপ্রেরণামূলক ইন্টারেকশন পর্যন্ত, উদ্বোধনের দিনটি অপোর ইন্সপিরেশন এহেডের দর্শনকেই ফুটিয়ে তোলে, যা ফ্যানদের নতুন ও উত্তেজনাপূর্ণ উপায়ে ভবিষ্যতের প্রযুক্তি খুঁজে পেতে উৎসাহিত করবে। প্রত্যাশা বাড়ার পাশাপাশি, অপো জানাচ্ছে যে এ বছরের ও’ ফ্যানস ফেস্টিভালে আরও বেশি আকর্ষণীয় সারপ্রাইজ উন্মোচন করা হবে, যা উৎসাহী ও দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করবে।
নারায়ণগঞ্জে বৃহত্তম অফলাইন ইভেন্টের আয়োজন করতে প্রস্তুত অপো; এ উপলক্ষে বিপুল সংখ্যক ফ্যান অংশগ্রহণ করবে যা কমিউনিটির মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উপস্থিতদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও অনন্য অভিজ্ঞতার আয়োজন করা হচ্ছে, যা উদযাপনের পরিবেশকে আরও আনন্দঘন করে তুলবে।
আগামী ২৭ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জে অপোর বৃহত্তম ফ্ল্যাগশিপ স্টোর উন্মোচনের দিকেই এখন সকলের নজর। যা ও’ ফ্যানস ফেস্টিভাল ২০২৫-এর প্রধান আকর্ষণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে এবং উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা ও ফ্যান কালচারকে আরও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করবে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপো বাংলাদেশের ওয়েবসাইট https://www.oppo.com/bd বা, অফিসিয়াল অপো ফেসবুক পেজ
https://www.facebook.com/OPPOBangladesh ভিজিট করুন।



লালমনিরহাটে যৌথ আয়োজনে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ  “নিরাপদে পয়ঃবর্জ্য পরিষ্কার, পরিছন্ন পরিবেশ’ সবার অধিকার” – এই প্রতিপাদ্যে লালমনিরহাটে যাত্রা শুরু করল পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে পয়ঃবর্জ্য অপসারণ ক্যাম্পেইন-২০২৫।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল ৩ ঘটিকায় লালমনিরহাট পৌরসভা চত্বরে লালমিরহাট পৌরসভা ও এসএনভি এর যৌথ আয়োজনে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন লালমনিরহাট পৌরসভার প্রশাসক রাজীব আহসান।

উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে লালমনিরহাট পৌরসভার প্রশাসক মোঃ রাজীব আহসানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন এস কে এস ফাউন্ডেশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক আব্দুল মতিন, ওয়াটার এইড প্রতিনিধি সুমন সাহা, লালমনিরহাট পৌরসভার মেডিকেল অফিসার ডাঃ শরীফ মোঃ বজলুল হক।

শহর ব্যাপী ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন রিসপনস লিমিটেডের আবু হানিফ, ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য বর্ণনা করেন এসএনভি এর ক্লাষ্টার কো-অর্ডিনেটর আব্দুল হালিম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা বাবু হরানন্দ রায়।

এ সময় লালমনিরহাট পৌরসভা ও এসএনভির অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।




লালমনিরহাট সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে তারকাঁটার বেড়া কর্তনের সময় গরু চোরাকারবারি আটক

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ  লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা সীমান্তে তারকাঁটার বেড়া কর্তন করার সময় মোঃ লাভলু হোসেন (৪০) নামে এক চিহ্নিত গরু চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত রোববার (২৩ নভেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। গরু চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ভারতীয় সীমান্তে বে-আইনিভাবে প্রবেশের চেষ্টার সময়ই তাকে হাতেনাতে ধরে তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি)-এর টহলদল।

বিজিবি সূত্র জানায়, তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি)-এর অধীন বড়খাতা বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি)-এর একটি টহলদল হাতিবান্ধা উপজেলার বুড়াসারডুবি এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় তারা ভারতীয় সীমান্তে বে-আইনিভাবে তারকাঁটার বেড়া কর্তনকালে মোঃ লাভলু হোসেনকে হাতেনাতে আটক করে। চোরাচালানের উদ্দেশ্যে তিনি এই বেড়া কর্তন করেছিলেন বলে বিজিবি নিশ্চিত করেছে।

আটককৃত মোঃ লাভলু হোসেন হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা বুড়াসারডুবি গ্রামের মৃতঃ খলিল মিয়ার ছেলে। আটকের পর বিজিবি মোঃ লাভলু হোসেনের কাছ থেকে গরু চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত একটি তারকাঁটার বেড়া কাটার প্লাস (কাটার), একটি স্মার্ট ফোন এবং দুটি সিমকার্ড জব্দ করে।

বিজিবি আরো জানায়, আটককৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দিয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য হাতিবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুন্নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “বিজিবি আসামিকে থানায় সোপর্দ করেছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ ধারায় মামলা রুজু করে তাকে লালমনিরহাট জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।




“আপনারা যাকে চাইবেন সেই প্রার্থী পটুয়াখালী -৩ আসনে লড়াই করবে”- হাসান মামুন

মোঃ রুহুল আমিন বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি নিজস্ব প্রার্থী নিয়ে নির্বাচন করবে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকাল ৫টায় গলাচিপার রতনদী তালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত বিএনপির জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন এ কথা জানান। তিনি বলেন, “আপনারা যাকে চাইবেন, সেই প্রার্থী এ আসনে লড়াই করবে। দল ও জোটের সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, আমরা এই আসনে নির্বাচন করব। কোন শক্তিই আমাদের বাধা দিতে পারবে না। বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে আমরা আছি।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন রতনদী তালতলী ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মোসা. নার্গিস সুলতানা এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মো. এমদাদ শরীফ। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার হাওলাদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সিদ্দিকুর রহমান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন খান, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর হোসেন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মাকসুদ আলম তালুকদার, মো. মাসুম বিল্লাহ, নিয়াজ মাহমুদ নকিব, ঢাকা উত্তর মহানগরের সাবেক ছাত্রনেতা মো. সাইফুল ইসলাম মোল্লা এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন যুবদল ও স্থানীয় সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।



এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ: কাজ করিয়ে না বিল কাটলো

এসএম বদরুল আলমঃ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে—কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন না করেই ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করে অগ্রিম বিল অনুমোদন করা হয়েছে এবং সেই বিল থেকে বড় অঙ্কের কমিশন নেওয়া হয়েছে। পরে ঠিকাদার মিলিয়ে যায় বলে স্থানীয় অফিসে শোরগোল পড়েছে এবং নানা তথ্য উঠে এসেছে যেগুলো এখন যাচাই করা হচ্ছে।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ঢাকার দৃষ্টি নন্দন প্রকল্পের অধীন মানিকনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণের কাজটি (প্রকল্প: ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়ন) পেয়েছিল মেসার্স ইফাত এন্টারপ্রাইজ—প্রোপাইটার দালিয়া ইমামের (ঠিকানাঃ ৮৪২, মধ্য বাড্ডা, ঢাকা)। চুক্তিমূল্য ছিল ৫২,৮৩,৬০,০০ টাকা এবং কার্যাদেশ তারিখ ছিল ২/৫/২০২৪; কাজ সমাপ্তির নির্ধারিত তারিখ ১৫/০৮/২০২৫। তবু প্রকল্পের কাজ না করেই ২,৮৭৫,০০০ টাকার বিল আগেই অনুমোদন করে দেয়া হয়েছে—এমনটাই অভিযোগ। বিলটি অনুমোদনকারী হিসেবে নাম উল্লেখ রয়েছে মো: বেলাল হোসেনের। পরে ঠিকাদার এফেক্টিভভাবে দফায় দফায় নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়।

অভিযোগকারীরা বলছেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী বেলাল হোসেন বিভিন্ন সময়ে ঠিকাদারদের সঙ্গে গোপনে বুঝে নিয়ে কাজ না করেই অগ্রিম বিল কেটে দেন; সিনিয়র কর্মকর্তাদেরকে উৎসাহিত করে কমিশন বণ্টন করা হয়—ফলশ্রুতিতে কয়েকটি প্রকল্পে কোটি টাকার বদলে লুটপাট হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক্সেঞ্জ অফিসে কর্মরত এক সূত্র বলেছেন, অফিসের বিল বুক যাচাই করে এমন অনিয়মের আলামত পাওয়া গেছে। বর্তমানে ঠিকাদার আত্মগোপনে রয়েছেন, ফলে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা কঠিন হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

প্রতিবাদ বা জিজ্ঞাসা করা হলে অভিযুক্ত মো: বেলাল হোসেন কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এলজিআইডির ঢাকাস্থ নির্বাহী প্রকৌশলী বাচ্চু মিয়া বলেছেন, তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এসব বিষয়ে কথা বলতে পারবেন না; তবে তিনি সরেজমিন তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করার অনুরোধ করেছেন। বর্তমানে যারা অভিযোগটি করেছেন তারা চাইছেন—চোখ বন্ধ না রেখে গোছানোভাবে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে অন্য কোনো অনিয়ম হওয়া রোধ করা যায়।

এ ঘটনায় স্থানীয় অফিসে শোরগোল আর বিস্তার পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্তের দাবি ওঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী মূল অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে: কাজ করানো ছাড়া অগ্রিম বিল অনুমোদন করা, ঠিকাদারের সঙ্গে গোপন চুক্তি করে কমিশন নেওয়া, এবং অফিসের বিল নথি জালিয়াতির মাধ্যমে লেনদেন আড়াল করা—যেগুলো নিয়মানুগ তদন্তে প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।




১১ মাসে দুর্নীতির ২৬ হাজার কোটি টাকা দুদকের কব্জায়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গণ অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে দুর্নীতিবাজদের ধরপাকড়ে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধে রেকর্ড সাফল্য দেখিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ১১ মাসে দেশে-বিদেশে দুর্নীতিবাজ, অর্থপাচারকারী, সরকারি লোপাটকারী এবং ঋণখেলাপিসহ তিন শতাধিক ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৬ হাজার ১৩ কোটি টাকার বেশি স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

যেখানে ২০২৪ সালের পুরো সময়ে ক্রোক ও অবরুদ্ধের পরিমাণ ছিল মাত্র ৩৬১ কোটি টাকা। শুধু তাই নয় ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে ক্রোক ও অবরুদ্ধ সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা। অর্থাৎ গেল ১১ মাসে সম্পদ ক্রোক ও ফ্রিজে নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে দুদক।

দুদকের বিভিন্ন দুর্নীতির মামলায় গত ১১ মাসে (ডিসেম্বর-অক্টোবর) আদালতের নির্দেশনায় ওই সব সম্পদ ক্রোক বা অবরুদ্ধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সার্বিক বিষয়ে দুদকের কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী বলেন, দুদকের দন্ত ও নক রয়েছে। যা আরও শার্প করা হয়ত দরকার আছে। একটা কথা বলতে চাই, দুদক কিন্তু যথার্থ আইনি শক্তিতে মহিয়ান। বিচারকাজে গতিশীল করতে দুদকের আরও বিশেষ আদালত প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আদালত ও দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মাসে দেশে ৩ হাজার ৪৫৭ কোটি ৮৩ লাখ ৪৭ হাজার ক্রোক করা হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে দেশে ফ্রিজ ২২ হাজার ২২৬ কোটি ৭৯ লাখ ৩২ হাজার ও বিদেশে ৩২৮ কোটি ৩৮ লাখ ১৩ হাজার ফ্রিজ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে দেশে-বিদেশে প্রায় ২৬ হাজার ১৩ কোটি ২ লাখ ৯৩ হাজার টাকা ক্রোক ও ফ্রিজ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ১১ মাসে বিচারাধীন মামলার মধ্যে ২৪৯টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। যেখানে সাজা হয়েছে ১২৬টির, খালাস ১২৩টি, জরিমানা আদায় করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৮ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৩২১ কোটি টাকা।

১১ মাসের মামলা ও চার্জশিটের পরিসংখ্যানের বিষয় জানা যায়, গত ১১ মাসে ১১ হাজার ৬৩০টি অভিযোগ এলেও মাত্র ৯৬০টি অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় এনফোর্সমেন্ট হয়েছে ৭৯৮টি। এর মধ্যে অনুসন্ধান হচ্ছে ১৮৮টির, মামলা হয়েছে ২৮টি এবং চারটি ফাঁদ পেতে অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। আর গণশুনানি হয়েছে ২৩টি।

দুদক জানায়, উল্লিখিত সময়ের মধ্যে মোট ৫১২টি মামলা দায়েরের মাধ্যমে ২ হাজার ১৯১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মোট চার্জশিট দেওয়া হয়েছে ৩১৫টির, এতে আসামি করা হয়েছে ১ হাজার ৭৮ জনকে। এফআরটি বা মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে ৭৩টি।

গত বছরের ৫ আগস্ট জনবিক্ষোভের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শীর্ষ রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে অর্থপাচার ও দুর্নীতির প্রমাণ পায় সংস্থাটি। এর পরই একের পর এক মামলা করতে থাকে অন্যদিকে আদালতের নির্দেশে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা হচ্ছে। যা এখনও চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।




বিশ্ববাজারে সোনার দাম আবারও ১১ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ

ডেস্ক নিউজঃ বিশ্ববাজারে সোনার দাম ১১ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) একদিনেই সোনার দাম আউন্সপ্রতি প্রায় ৭২ ডলার বেড়েছে। 

গত এক মাসে সোনার দাম বেড়েছে ১২৮ ডলার ০৪ সেন্ট। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানে বাজারে এই আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে যে ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) আবার নীতি সুদহার কমাবে, সেই প্রত্যাশা থেকেই সোনার দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সংবাদে বলা হয়েছে, স্পট মার্কেটে সোনার দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ১৬১ ডলার ১০ সেন্টে উঠেছে, যা গত ১৪ নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ দর। তবে ডিসেম্বর মাসের জন্য সোনার আগাম দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৪ হাজার ১৫৯ ডলারে নেমে এসেছে।

ব্রোকার প্রতিষ্ঠান ওএএনডিএর জ্যেষ্ঠ বাজারবিশ্লেষক কেলভিন ওয়ং বলেন, সোনার মূল্যবৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হলো ফেডের সুদহার হ্রাসের প্রত্যাশা। শেষ দুই সপ্তাহে বাজারে এই প্রত্যাশা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সোনার দাম আবার বাড়ছে।

সিএমই ফেডওয়াচ নামের এক সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসে ফেডের সুদহার কমানোর সম্ভাবনা ৮১ শতাংশ, যা আগের সপ্তাহে ছিল মাত্র ৪০ শতাংশ। এদিকে ফেড গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালার সোমবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানের পরিস্থিতি ভালো নয়, ফলে বাজারে চাঙাভাব আনতে, অর্থাৎ অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধি করতে ডিসেম্বর মাসে সুদহার আবার কমানোর প্রয়োজন হতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রি প্রত্যাশার তুলনায় কম হারে বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া বছরে প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (পিপিআই) বা উৎপাদক মূল্যসূচক বৃদ্ধির হার আগের মাস আগস্টের মতোই ২ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল। এই পরিসংখ্যানের কারণেই ফেডের নীতিনির্ধারকেরা সম্প্রতি সুর কিছুটা নরম করেছেন। এদিকে বিশ্ববাজারে ডলারের দামও এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে আসে।

বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, ফেডের পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে যিনি এগিয়ে আছেন, তিনি অতটা আগ্রাসী নীতি নেবেন না, অর্থাৎ নীতিসুদ হ্রাসের ক্ষেত্রে তিনি অতটা আগ্রাসী হবেন না। এতে অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য ডলারে সোনার দাম তুলনামূলকভাবে সস্তা হয়ে উঠবে। অন্যদিকে ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সুদহার এক মাসের মধ্যে নিম্নমুখী অবস্থার কাছাকাছি আছে।

মঙ্গলবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, সুদের হার ব্যবস্থাপনায় ফেডের বর্তমান কাঠামো ঠিকঠাক কাজ করছে না, ফলে এ ব্যবস্থা আরও সহজ করা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক বেকারত্ব ভাতার জন্য আবেদনের তথ্য আজ বুধবার প্রকাশিত হবে, তখন ফেডের অবস্থান আরও ভালোভাবে বোঝা যাবে।

অন্যান্য ধাতুর মধ্যে স্পট মার্কেটে রুপার দাম ১ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৫১ ডলার ৮৭ সেন্টে পৌঁছেছে। প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৫০ ডলার ৪০ সেন্ট। সেই সঙ্গে প্যালাডিয়ামের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে হয়েছে ১ হাজার ৩৯০ ডলার ৬৬ সেন্ট।

সোনার সবচেয়ে বড় ক্রেতা হচ্ছে চীন, কিন্তু হংকং হয়ে অক্টোবর মাসে তারা যে নিট সোনা আমদানি করেছে, তা সেপ্টেম্বরের তুলনায় প্রায় ৬৪ শতাংশ কম। গোল্ড প্রাইস ডট অর্গের তথ্যানুসারে, গত ছয় মাসে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়েছে ৭৯৩ ডলার ৯৭ সেন্ট, এক বছরে বেড়েছে ১ হাজার ৪৫৪ ডলার ৭৮ সেন্ট এবং ৫ বছরে বেড়েছে ২ হাজার ৩০৮ ডলার ৬০ সেন্ট।