সৌদি যুবরাজ ‘না’ বলায় ক্ষেপে যান ডোনাল্ড ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে চাপ দেন। কিন্তু তার এই চাপে যুবরাজ সরাসরি ‘না’ করায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ‘ক্ষুব্ধ ও হতাশ’ হন।  

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ দুজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউজে ট্রাম্প ও মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে সরাসরি বৈঠকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়া নিয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রথমে সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিকরণ ইস্যুটি উত্থাপন করেন এবং যুবরাজকে এখন থেকেই এই কাজ শুরু করার আহ্বান জানান। জবাবে প্রিন্স সালমান বলেন, তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে চান, কিন্তু এটি এখন সম্ভব নয়।

কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, গাজায় ইসরায়েলের ‘দুই বছরের বেশি বর্বর যুদ্ধের’ পর সৌদিতে ইসরায়েল বিরোধী কঠোর অবস্থান রয়েছে। আলোচনার বেশিরভাগ অংশই শালীন থাকলেও, ইসরায়েলের সঙ্গে এখন সম্পর্ক গড়তে না চাওয়ায় ক্রাউন প্রিন্সের ওপর ট্রাম্প ক্ষুব্ধ ও হতাশ হন।

মার্কিন কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, যুবরাজ বিন সালমান বৈঠকে একবারও বলেননি তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়বেন না; তিনি এক্ষেত্রে ভবিষ্যতের জন্য দরজা খোলা রেখেছেন। তবে এই পথে দ্বি-রাষ্ট্র এক বিশাল সমস্যা।

এদিকে, সৌদির দূতাবাসের সঙ্গে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করলে চ্যানেল-১২-কে তারা কোনো জবাব দেয়নি। অপরদিকে, হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশকেই আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।




মন্দিরে দাহ করার সময় কফিনে নড়ে উঠলেন থাই নারী, জীবিত উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ থাইল্যান্ডের ব্যাংককের উপকণ্ঠে অবস্থিত ওয়াট র‍্যাট প্রাখং থাম বৌদ্ধ মন্দিরে দাহের প্রস্তুতির সময় কফিনের ভেতর থেকে শব্দ পেয়ে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এক নারীকে।  

সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মন্দিরের মহাব্যবস্থাপক পাইরাত সুদথুপ জানান, কফিন থেকে মৃদু ধাক্কার শব্দ শুনে তিনি প্রথমে ‘চমকে’ যান। পরে কফিন খোলার পর দেখা যায়, নারীটি চোখ খুলেছেন এবং কফিনের দেয়ালে হালকা আঘাত করছেন। সুদথুপ বলেন, ‘তিনি সম্ভবত বেশ কিছুক্ষণ ধরেই ধাক্কা দিচ্ছিলেন।’

৬৫ বছর বয়সী ওই নারীর ভাই দাবি করেন, স্থানীয় কর্মকর্তারা তাকে তার বোনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিলেন। তবে মন্দিরের ব্যবস্থাপক জানান, ভাইয়ের কাছে কোনো মৃত্যু সনদ ছিল না। তিনি যখন ভাইকে মৃত্যু সনদ সংগ্রহের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করছিলেন, ঠিক তখনই কর্মীরা আবার কফিন থেকে শব্দ শুনতে পান।

নারীটি জীবিত আছেন নিশ্চিত হওয়ার পর মন্দিরের মঠপতি (বৌদ্ধ মঠের প্রধান) তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেন। স্থানীয় চিকিৎসকরা পরে জানান, তিনি গুরুতর হাইপোগ্লাইসেমিয়ায় ভুগছিলেন—যে অবস্থায় রক্তে শর্করার মাত্রা মারাত্মকভাবে কমে যায়। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, তিনি শ্বাসকষ্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত হননি।

ওই নারীর ছোট ভাই জানান, তার বোন গত দুই বছর ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন। মন্দিরের ব্যবস্থাপকের ধারণা, স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় শনিবার তার শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে বলে মনে করা হয়েছিল।

পরিবারটি থাইল্যান্ডের ফিটসানুলোক প্রদেশ থেকে দাহ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ব্যাংককের উদ্দেশে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার (৩১১ মাইল) পথ পাড়ি দিয়েছিল।




পদোন্নতি পেয়ে উপসচিব হলেন ৭ কর্মকর্তা

ডেস্ক নিউজঃ সাত কর্মকর্তাকে উপসচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) এসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই কর্মকর্তাদের উপসচিব পদে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (উপসচিব) নিয়োগ করা হলো।

উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।




টাস্কফোর্স গঠন করে ‘সুগার ড্যাডি’ চক্র দমনে আইনি নোটিশ

ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশে সম্প্রতি তরুণী ও নারীদের শোষণ ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সঙ্গে যুক্ত সুগার ড্যাডি চক্র দেশব্যাপী উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতির কারণে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং পুলিশ প্রধানকে আইনি নোটিশ পাঠান।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে— কিছু ধনী, প্রভাবশালী ও ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি তরুণী ও নারীদের অবৈধ আর্থিক সুবিধার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক শোষণ করছে। অপরাধীদের দেওয়া নগদ অর্থ, গাড়ি, ব্র্যান্ডেড পোশাক, গহনা ও বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ অবৈধ উৎস থেকে আসছে, যা কর প্রশাসন ও অর্থনীতির জন্য হুমকি।

অনেক ক্ষেত্রে তরুণীদের অশ্লীল ছবি-ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে, যা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে বিপদে ফেলছে। সুগার ড্যাডির কারণে পরিবারে অস্থিরতা, বিবাহবিচ্ছেদ, মানসিক চাপ ও সামাজিক অস্থিতিশীলতা তৈরি হচ্ছে। বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের জন্যও ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

মাহমুদুল হাসান নোটিশে দাবি করেছেন— স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, সিআইডি, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও এনবিআরের সমন্বয়ে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করা হোক। অস্বাভাবিক অর্থের উৎস তদন্ত, ব্ল্যাকমেইল ভিডিও-ছবি শনাক্ত ও অপসারণ, এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে।




বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগেছিল বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে, তদন্ত প্রতিবেদন জমা

ডেস্ক নিউজঃ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে গত অক্টোবরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নাশকতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) কমিটির সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদনটি জমা দেন।

পরে ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, “তদন্ত প্রতিবেদনে নাশকতার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। আগুনের উৎস ছিল বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট।”

গত ১৮ অক্টোবর কার্গো ভিলেজের আমদানি অংশে আগুন লাগে এবং টানা ১৭ ঘণ্টা ধরে সেটি জ্বলে। এতে প্রায় সব আমদানি মালামাল পুড়ে যায়। ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী, ক্ষতির পরিমাণ ১২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের পর এর কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে স্বরাষ্ট্রসচিবকে প্রধান করে একটি কোর কমিটি গঠন করা হয়। মঙ্গলবার সেই কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।




এলজিইডিতে অনিয়মের অভিযোগ: ভুল রায় ও ঘুষে ওহাব গ্রুপের পদোন্নতি, সরকারের ক্ষতি কোটি টাকায়

এসএম বদরুল আলমঃ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-র কিছু কর্মচারীর পদোন্নতি ঘিরে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নিয়োগ বিধি লঙ্ঘন, আদালতের ভুল রায়কে কাজে লাগানো এবং ঘুষের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, এই অনিয়মের ফলে প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ করিমসহ কয়েকজন ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হলেও সরকারের ক্ষতি হবে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা।

সূত্র জানায়, এলজিইডির বিভিন্ন পদের ২৪ জন কর্মচারী নিজেদের উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতির দাবিতে ২০১১ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। মামলার প্রথম ও শেষ শুনানির তারিখের মধ্যে অসংগতি থাকায় রায়ের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়। রায়ে বলা হয়েছিল তাদের চাকরি রেভিনিউ খাতে নিতে হবে, অথচ অধিকাংশের চাকরিই শুরু থেকেই রেভিনিউ খাতে ছিল।

ওই গ্রুপের নেতৃত্বে ছিলেন আব্দুল ওহাব। ২৪ জনের মধ্যে কেউ অবসরে গেছেন, কেউ মারা গেছেন—তবে বেঁচে থাকা ১২ জন এই রায়ের অপব্যবহার করে পদোন্নতির জন্য চেষ্টা করতে থাকেন। ২০১২ সাল থেকে ১৬ জন প্রধান প্রকৌশলী এলজিইডিতে দায়িত্ব নিলেও কেউ এই বিতর্কিত রায় বাস্তবায়ন করেননি। কিন্তু চলতি বছরে ওহাব গ্রুপ বড় অঙ্কের ঘুষের তহবিল গড়ে পদোন্নতির জন্য জোরালো তদবির শুরু করে।

সূত্র দাবি করে, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রশীদ মিয়াকে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়া হয়। তিনি ফাইল মুভ করলেও প্রশাসন শাখার কিছু কর্মকর্তা ভুল রায় বাস্তবায়নের ফাইলে স্বাক্ষর না করায় প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। পরবর্তীতে প্রধান প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেনের সময়ও প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ করিম দায়িত্ব নেওয়ার পর ওহাব গ্রুপ নতুনভাবে তৎপর হয়। সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী (প্রশাসন) শফিকুর রহমানের সঙ্গে আব্দুল ওহাবের কথিত দেড় কোটি টাকার চুক্তি হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এই ঘুষের এক কোটি টাকা দেওয়া হয় প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ করিমকে, ৩০ লাখ নেন শফিকুর রহমান এবং ২০ লাখ নেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সাইফুল কবির।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয় যে, ১২ জন সদস্য ২০০৬ সাল থেকে উপসহকারী প্রকৌশলীর বেতন স্কেলে বকেয়া সুবিধা পাবেন। যদিও আদালতের রায়ে ‘ইফেকটিভ ডেট’ সম্পর্কে কোনো নির্দেশনা ছিল না। এই বেতন–বকেয়ার কারণে সরকারের বাড়তি ক্ষতি হবে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। অভিযোগ রয়েছে, ঘুষের বিনিময়ে অন্যদের মতো তাদেরও অতীত থেকে বকেয়া বেতন অনুমোদন করানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

এলজিইডির ২০০৯ সালের নিয়োগ বিধিতে স্পষ্ট বলা আছে—সার্ভেয়ারদের ১৫ বছর এবং কার্য সহকারীদের ২০ বছর চাকরি পূর্ণ হলে বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সাপেক্ষে তারা পদোন্নতি পেতে পারে। কিন্তু কমিউনিটি অর্গানাইজার বা স্টোর কিপার কখনোই টেকনিক্যাল পদে (উপসহকারী প্রকৌশলী) উন্নীত হতে পারে না। কোনো কোর্ট, কমিটি বা কর্তৃপক্ষের বিধি অমান্য করার এখতিয়ার নেই।

এলজিইডির সাবেক দুই অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এবং বর্তমান কয়েকজন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জানান, এই পদোন্নতি সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং নিয়োগবিধি পরিপন্থী। তাই প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ করিম, শফিকুর রহমান, সাইফুল কবিরসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।




এলজিইডির প্রকল্প পরিচালক রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, নীরব দায়িত্বশীলরা

এসএম বদরুল আলমঃ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকল্প পরিচালক রুহুল আমিন খানের বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরও কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের আইনগত উদ্যোগ নেয়নি। অভিযোগ প্রকাশের পরও এলজিইডি, স্থানীয় সরকার বিভাগ কিংবা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া না আসায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগে বলা হয়, আইআরআইডিপি-০৩ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক রুহুল আমিন খান তার স্ত্রী পারভীন আক্তার শিউলীর নামে ৩১ লাখ টাকার বেশি দামের একটি বিলাসবহুল গাড়ি কিনেছেন এবং লালমাটিয়ার বুলবুলিকা ভবনে প্রায় ৬ কোটি টাকার একটি ফ্ল্যাটসহ ঢাকার গুলশান, বনানী, উত্তরা ও বরিশালে একাধিক সম্পত্তি সংগ্রহ করেছেন। এসব সম্পদের বৈধ উৎস দেখাতে না পারা এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগই এখন তদন্তের দাবি তুলছে।

আইন অনুযায়ী এমন অভিযোগ উঠলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা থাকলেও এক্ষেত্রে দণ্ডবিধি, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের কোনো ধারা কার্যকর করা হয়নি। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অন্তত সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করা উচিত ছিল। বিশেষ করে যখন দুদক ইতিমধ্যে এলজিইডির বেশ কয়েকটি প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত করছে।

তবে অভিযোগ প্রকাশের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মহাপরিচালক, সচিব বা মন্ত্রণালয়ের কোনো কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য দেননি এবং তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগও নেননি। এমনকি প্রাথমিক তদন্তের স্বার্থে রুহুল আমিন খানকে পদ থেকে সরানোর সিদ্ধান্তও হয়নি।

জনস্বার্থে এই অভিযোগগুলো তদন্ত করা জরুরি বলে মনে করছেন নাগরিক সমাজ ও আইন বিশেষজ্ঞরা। জনগণের করের টাকা দিয়ে পরিচালিত প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ উপেক্ষা করা হলে তা দুর্নীতিবাজদের আরও উৎসাহিত করবে বলে তারা মনে করেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত শুরুর আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রুহুল আমিন খান বা তদন্ত গ্রহণকারী কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে আরও তথ্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রকাশনায় জানানো হবে।




Recuva Activated [Windows] Latest Reddit

Poster
🔐 Hash sum: %DHASH%
📅 Last update: %DDATE%

  • Processor: 1 GHz CPU for bypass
  • RAM: At least 4 GB
  • Disk space: Enough for tools

Recuva enables users to restore deleted files from multiple sources like hard drives, USB sticks, and memory cards. Recovers from FAT, exFAT, NTFS, and Ext file systems, maintaining folder structure. Includes deep scanning, file-type filters, and the ability to preview images for easier recovery. Available in free and Pro versions—with virtual drive support and auto‑updates. Simple, fast, and effective at recovering files with a lightweight and intuitive interface.

  1. Keygen application designed for quick and simple serial creation
  2. Recuva 2024 Portable + Product Key Windows 11 [Stable] Verified FREE
  3. Crack installer featuring silent background activation
  4. Recuva Activated Universal [x86-x64] [Clean] FREE
  5. Keygen supporting temporary trial and permanent licenses
  6. Recuva Portable tool Clean Windows 10 FileHippo
  7. Bypass serial check using advanced patch
  8. Recuva 2023 Cracked Full [x64] Final 2025
  9. Updated crack supports cloud-based apps and services
  10. Recuva data recovery Crack only [Stable] [Latest] .zip
  11. Download key generator exporting serials in multiple formats
  12. Recuva Portable exe Windows 10 [x32x64] Stable Bypass



MATLAB Portable [Windows] [Latest]

Poster
💾 File hash: %DHASH%
Update date: %DDATE%

  • Processor: At least 1 GHz, 2 cores
  • RAM: 4 GB to avoid lag
  • Disk space: 64 GB required

MATLAB enables programming for numerical computing and analysis. It features capabilities for matrix operations, plotting, and math modeling. It delivers support for simulation, visualization, and deployment in many fields. It enables toolboxes for machine learning, signal processing, and control. Used by scientists and engineers for problem-solving and prototyping.

  • Crack download with step-by-step installation instructions
  • MATLAB 2024 Portable + Serial Key Stable [Patch] Bypass FREE
  • License key injector with support for multi-device activations
  • MATLAB Portable for PC Clean Clean 2024
  • Patch tool designed to bypass online license expiration checks
  • MATLAB Crack + Activator [Final] x86-x64 Windows 11 MediaFire
  • Easy-to-use keygen GUI – generate keys instantly
  • MATLAB 2024 Crack Full [Windows] 2025 FREE
  • Crack installer featuring automatic patch application
  • MATLAB Crack tool 100% Worked [Patch] 2025
  • Patch unlocking hidden and advanced software functionalities
  • MATLAB R2024b Crack + Portable [Lifetime] x64 [Final] MediaFire




CQG QTrader Desktop Crack + Product Key [100% Worked] [x32x64] [Stable] FileCR

Poster
📎 HASH: %DHASH%


Updated: %DDATE%

  • Processor: 1+ GHz for cracks
  • RAM: 4 GB to avoid lag
  • Disk space: 64 GB for crack

CQG QTrader Desktop includes analytics, charts, and multiple trade execution interfaces in one comprehensive solution. CQG QTrader offers many of the same features available in our flagship product, CQG Integrated Client.

  • License key removal and reactivation tool available
  • CQG QTrader Desktop Crack + License Key [100% Worked] [x86x64] [Latest] FileHippo
  • Keygen program generating unique serials for multiple software
  • CQG QTrader Desktop Crack + Product Key no Virus [x86x64] [Stable] 2024 FREE
  • Patch bypasses activation for air-gapped systems
  • CQG QTrader Desktop Cracked Windows 10 [x86-x64] Lifetime 2024 FREE
  • Crack download with clean, virus-free guarantee
  • CQG QTrader Desktop Portable + Product Key [Windows] [no Virus] 2024