শেষ বাঁশির পর সতীর্থদের ভালোবাসায় সিক্ত মেসি

ক্রীড়া ডেস্কঃ একটি দীর্ঘ পথচলার শেষ। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে সতীর্থরা ছুটে এসে ঘিরে ধরলেন লিওনেল মেসিকে। কেউ জড়িয়ে ধরলেন প্রিয় অধিনায়ককে, কেউ কাঁধে হাত রেখে বিদায়ের মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখলেন। চোখেমুখে আবেগ, গ্যালারিজুড়ে করতালি আর ‘মেসি, মেসি’ ধ্বনি- এভাবেই শেষ হলো আর্জেন্টিনার জার্সিতে ফুটবল জাদুকরের শেষ ম্যাচ।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্তালে বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। আর এই ম্যাচ দিয়েই জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন মেসি।

বিদায়ী ম্যাচটিকে নিজের মতো করেই রাঙিয়েছেন ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা। একটি গোলের পাশাপাশি দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকেই গোল করেন নিকোলাস ওতামেন্দি। ৬০ মিনিটে মেসির পাস থেকে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নিকো পাজ।

এরপর আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। ৬৮ মিনিটে আর্জেন্টিনা পেনাল্টি পেলে বল নিয়ে এগিয়ে আসেন মেসি। ৭১ মিনিটে স্পটকিক থেকে দুর্দান্তভাবে বল জালে পাঠিয়ে নিজের বিদায়ী ম্যাচে গোলের খাতায় নাম লেখান তিনি। এটি ছিল আর্জেন্টিনার জার্সিতে তার ১২৬তম গোল।

শেষ বাঁশি বাজার পর অবশ্য আর ম্যাচের ফল নিয়ে কারও মাথাব্যথা ছিল না। পুরো মনোযোগ তখন একজনকে ঘিরে- মেসি। সতীর্থরা তাকে ঘিরে ধরে আবেগে ভেসে যান। প্রতিপক্ষ বেনিনের খেলোয়াড় ও ম্যাচ কর্মকর্তারাও এগিয়ে এসে তাকে অভিনন্দন জানান। বিদায়ের এই মুহূর্তে মেসির মুখেও ছিল আবেগের ছাপ।

স্টেডিয়ামের আবহও তখন বদলে যায়। ম্যাচ শেষে মেসিকে সম্মান জানাতে আয়োজন করা হয় বিশেষ ড্রোন শো। আকাশে ফুটে ওঠে ‘Gracias Leo’- অর্থাৎ ‘ধন্যবাদ লিও’।

জাতীয় দলের হয়ে ২০৭ ম্যাচে ১২৬ গোল ও ৭০ অ্যাসিস্ট- এমন পরিসংখ্যান নিয়েই আর্জেন্টিনার জার্সি তুলে রাখলেন মেসি। বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও অলিম্পিক স্বর্ণজয়ী এই কিংবদন্তির বিদায় তাই শুধু একটি ম্যাচের সমাপ্তি নয়; আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়েরও শেষ।




এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে বিদায়ী ম্যাচ রাঙালেন মেসি

ক্রীড়া ডেস্কঃ জাতীয় দলের জার্সিতে শেষ ম্যাচ, এর চেয়ে আবেগঘন বিদায় আর কী হতে পারত লিওনেল মেসির জন্য! নিজের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে এক গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলের জয় এনে দিয়েছেন এই কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড। বেনিনের বিপক্ষে জয়ের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের মঞ্চকে বিদায় জানালেন মেসি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি তারা। ফলে মেসির বিদায়ী ম্যাচে গোল না পাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে বিরতির পর সেই অপেক্ষা আর দীর্ঘ হয়নি।

দ্বিতীয়ার্ধের ৪৮তম মিনিটে মেসির কর্নার থেকে গোল করেন নিকোলাস ওটামেন্দি। ডান দিক থেকে মেসির নেওয়া কর্নার কিকে কাছ থেকে ভলি করে বল জালে পাঠান আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার। এই অ্যাসিস্টের মধ্য দিয়ে জাতীয় দলের হয়ে মেসির অ্যাসিস্টের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৮-তে।

এরপর ৬১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আর্জেন্টিনা। এবারও গোলের পেছনে ছিলেন মেসি। বক্সের বাইরে থেকে নিকো পাজের দিকে বল বাড়িয়ে দেন তিনি। বক্সের প্রান্ত থেকে বাঁকানো শটে বল জালে পাঠিয়ে আর্জেন্টিনাকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন পাজ।

দুটি গোলে অবদান রাখার পর এবার নিজেই স্কোরশিটে নাম লেখান মেসি। ৬৯তম মিনিটে বেনিনের এক ডিফেন্ডারের ফাউলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। স্পট কিকে মেসির শট ঠেকানোর কোনো সুযোগই পাননি বেনিনের গোলরক্ষক। ৭০তম মিনিটে ডান পায়ের নিখুঁত শটে বল জালের ওপরের কোণে পাঠিয়ে দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

মেসির গোলের পর সতীর্থরা ছুটে যান তার দিকে। আর গ্যালারিতে শুরু হয় আবেগের বিস্ফোরণ। বিদায়ী ম্যাচে প্রিয় তারকার গোল উদ্‌যাপনে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।

এর আগে ম্যাচের ১০ম মিনিটেও বিশেষ আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হয় স্টেডিয়াম। মেসির ১০ নম্বর জার্সির প্রতি সম্মান জানিয়ে রেফারি খেলা থামিয়ে দেন। পুরো গ্যালারি দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তিকে সম্মান জানায়। মেসিও হাত নেড়ে সমর্থকদের ভালোবাসার জবাব দেন।

শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। আর জাতীয় দলের জার্সিতে মেসির শেষ ম্যাচটি হয়ে থাকে এক গোল, দুটি অ্যাসিস্ট ও আবেগঘন বিদায়ের এক স্মরণীয় অধ্যায়।




জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি চান শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধারা

ডেস্ক নিউজ : জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন ওই আন্দোলনে শহীদ ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতিনিধি ও আহত জুলাই যোদ্ধারা। তাদের কেউ কেউ সংবিধানের প্রস্তাবনায় অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে সংবিধান সংশোধন–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব দাবি উঠে আসে। তবে কমিটি জানিয়েছে, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি সংবিধানে থাকবে। এটি প্রস্তাবনায় না রেখে সংবিধানের তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানিয়েছে তারা।

বিকেলের এই মতবিনিময়ে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদ ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতিনিধি ও আহত জুলাই যোদ্ধাসহ মোট ৬৩ জন অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সভায় অংশ নিতে ৬৫ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাদের সবাই উপস্থিত না হলেও আমন্ত্রণ না পাওয়া আরও ১৪ জন মতবিনিময়ে অংশ নেন।

মতবিনিময়ে অংশ নেওয়া বেশির ভাগ বক্তা জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সাংবিধানিক সুরক্ষা, অভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দায়মুক্তি এবং জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত শেষ করার দাবি জানান। পাশাপাশি জুলাই যোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি, আহতদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং জুলাই যোদ্ধারা যাতে আইনি হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও দাবি ওঠে।

রুদ্ধদ্বার এই সভা শেষে জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, মতবিনিময়ে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি চেয়েছেন। তাদের কেউ কেউ নির্দিষ্ট করে সংবিধানের প্রস্তাবনায় বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেছেন।

কমিটির অবস্থান তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা বলেছি, জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নকালে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনৈতিক দল এবং শক্তি যেভাবে ঐকমত্য হয়েছে, সেভাবে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আপনাদের প্রস্তাবনাটাও আমরা আজকে লিপিবদ্ধ করব।’

জুলাই যোদ্ধাদের সাংবিধানিক সুরক্ষার দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, এ–সংক্রান্ত অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করা হয়েছে। সাংবিধানিকভাবেও সুরক্ষার বিষয়টি তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের জাতীয় ঘোষণাপত্রে সাংবিধানিক স্বীকৃতির বিষয়টি কীভাবে থাকবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ঘোষণাপত্রে অনেক বিষয় রয়েছে। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হলে সেখানে অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ অবশ্যই আসবে। তবে এটি সংবিধানের কোন জায়গায় থাকবে, তা ঘোষণাপত্রে নির্দিষ্ট করা হয়নি।

তিনি বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র প্রণয়নের সময় বিএনপি ইঙ্গিত দিয়েছিল, সংবিধানের তফসিলে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে অভ্যুত্থানের স্বীকৃতির পাশাপাশি জুলাই যোদ্ধাদের সাংবিধানিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করা যাবে বলে দলটি মত দিয়েছিল।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই সংবিধান সংশোধন–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করছে বলেও জানান কমিটির সভাপতি। তিনি বলেন, নোট অব ডিসেন্টসহ যেভাবে জাতীয় সনদে স্বাক্ষর হয়েছে, সেভাবেই তা বাস্তবায়নে কমিটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এখন যদি কেউ দাবি করে যে নোট অব ডিসেন্ট ব্যতিরেকে বাস্তবায়নের জন্য, সে জায়গায় আমরা নাই। ঐকমত্য সেখানে হয়নি।’

এদিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার রূপরেখা এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। বিষয়টি সংসদে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত হবে বলে জানান তিনি। এ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে প্রস্তাবও চাওয়া হচ্ছে। আইনজীবী, বিচারক ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময়ও তাদের মতামত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে রাখার পুরোনো বিধান প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আগে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান উপদেষ্টা রাখার বিধান ছিল। এ নিয়ে অতীতে নানা বিতর্ক হয়েছে। তাই রাষ্ট্রপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার বিকল্পটি না রাখার প্রস্তাব দিয়েছে বিএনপি। দলটি এখনো সেই অবস্থানেই রয়েছে বলে জানান তিনি।




ভারতের সেনাপ্রধানের সঙ্গে দিনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পর দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভারতীয় সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক শক্তিশালী করার বিভিন্ন পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এর আগে একই দিন দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন দিনেশ ত্রিবেদী। সূত্র জানায়, ওই বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এর আগে গত ১১ আগস্টও নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার।




লিংকডইন দিয়ে গুপ্তচরবৃত্তি চালাচ্ছে চীনা গোয়েন্দারা, লক্ষ্য মার্কিন ও ন্যাটো কর্মকর্তারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পেশাদারদের যোগাযোগের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম লিংকডইন ব্যবহার করে ব্যাপকভাবে গুপ্তচরবৃত্তি চালানোর অভিযোগ উঠেছে চীনের বিরুদ্ধে। যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সরকারি কর্মকর্তা, সামরিক সদস্য, শিক্ষাবিদসহ স্পর্শকাতর তথ্যের নাগাল রয়েছে—এমন ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে এ তৎপরতা চালানো হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে লক্ষ্য ব্যক্তিদের পেশাগত পরিচয় ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল রেখে বার্তা তৈরি করছেন চীনা গোয়েন্দারা।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৩ জুন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সমন্বয়ে গঠিত গোয়েন্দা জোট ‘ফাইভ আইজ’ এক যৌথ সতর্কবার্তায় চীনের এ তৎপরতার কথা জানায়। জোটটির ভাষ্য, চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের (এমএসএস) কর্মকর্তারা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে লিংকডইনসহ বিভিন্ন পেশাদার নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে হাজার হাজার সম্ভাব্য লক্ষ্য ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।

চীনা গোয়েন্দারা কখনো করপোরেট প্রতিষ্ঠানের নিয়োগদাতা, আবার কখনো ব্যবসায়িক পরামর্শক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিচ্ছেন। সহজে অর্থ আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ্য ব্যক্তিদের পেশাগত বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি বা পরামর্শ দেওয়ার কাজ দেওয়া হচ্ছে। পরে তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে সংবেদনশীল তথ্য ও গোপন নথি সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এআই দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বাসযোগ্য ফাঁদ

গোয়েন্দা তৎপরতায় ভুয়া পরিচয় বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে এআই দিয়ে তৈরি ছবি, পেশাদার বার্তা ও নকল প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ব্যবহার করা হচ্ছে। লক্ষ্য ব্যক্তির কর্মক্ষেত্র, অভিজ্ঞতা ও আগ্রহ বিশ্লেষণ করে তাঁদের উপযোগী বার্তা পাঠানো হয়। ফলে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকেই বুঝতে পারেন না যে তাঁরা বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার নজরে পড়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও সাবেক সরকারি কর্মীদের মধ্যে লিংকডইনের ব্যবহার বেশি হওয়ায় প্ল্যাটফর্মটি গোয়েন্দাদের কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয়। পেশাগত পরিচয় ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সম্ভাব্য লক্ষ্য ব্যক্তিদের খুঁজে বের করাও এখানে তুলনামূলক সহজ।

লিংকডইন ব্যবহার করে চীনের গুপ্তচর নিয়োগের অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। অন্তত ২০১১ সাল থেকে এ ধরনের তৎপরতার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টারইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি সেন্টারের তৎকালীন প্রধান উইলিয়াম ইভানিনা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে লিংকডইন কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছিলেন। সে সময় প্ল্যাটফর্মটি কয়েক ডজন ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করলেও এ ধরনের তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

এফবিআইয়ের অভিযানে ১৩টি ডোমেইন জব্দ

চীনের কথিত অনলাইন গুপ্তচরবৃত্তি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোও পদক্ষেপ নিয়েছে। গত ১০ জুন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই চীনা গোয়েন্দাদের ব্যবহৃত ১৩টি ওয়েব ডোমেইন জব্দ করে। এসব ওয়েবসাইটে ভুয়া পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ব্যবহার করা হতো।

এফবিআইয়ের নথি অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অন্তত আটজন বর্তমান ও সাবেক মার্কিন সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৩টি ডোমেইন জব্দ করা চীনের বিস্তৃত অনলাইন গুপ্তচরবৃত্তির তুলনায় সীমিত পদক্ষেপ।

ফাউন্ডেশন ফর দ্য ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসিজের গবেষকেরা ইতিমধ্যে শতাধিক ওয়েব ডোমেইন ও ভুয়া প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পেয়েছেন, যেগুলো চীনা গুপ্তচর নিয়োগের আড়াল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে ধারণা করা হয়।

প্রতিরোধে প্রযুক্তি ও তথ্য বিনিময়ের পরামর্শ

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের গুপ্তচরবৃত্তি মোকাবিলায় মার্কিন সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং তথ্য বিনিময় বাড়ানো প্রয়োজন। সন্দেহজনক প্রতিষ্ঠান ও ভুয়া অ্যাকাউন্টের তথ্য দ্রুত বিনিময় করা গেলে সেগুলো শনাক্ত ও বন্ধ করা সহজ হবে।

এ ক্ষেত্রে এআইকে প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহার করা সম্ভব। অনলাইন প্রতারণামূলক বার্তা শনাক্তে ব্যবহৃত প্রযুক্তি লিংকডইনের বার্তা আদান-প্রদানের ব্যবস্থায় যুক্ত করে সম্ভাব্য গুপ্তচর নিয়োগের চেষ্টা শনাক্ত করা এবং ব্যবহারকারীদের সতর্ক করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ ও নিয়মিত সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণের তুলনায় সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য সতর্কবার্তা অনেক ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর হতে পারে। তাই লিংকডইনসহ পেশাদার যোগাযোগমাধ্যমে সম্ভাব্য গুপ্তচর নিয়োগের কৌশল সম্পর্কে নিয়মিত সতর্কবার্তা প্রচারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সন্দেহজনক বার্তা দ্রুত জানানোর জন্য সহজ রিপোর্টিং ব্যবস্থা চালুর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে ব্যবহারকারীরা সম্ভাব্য গুপ্তচরবৃত্তির চেষ্টা সম্পর্কে প্ল্যাটফর্ম কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারবেন। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে তথ্য বিনিময়ও সহজ হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের অনলাইন গুপ্তচরবৃত্তি মোকাবিলায় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এআইভিত্তিক শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, দ্রুত তথ্য বিনিময় এবং ব্যবহারকারীদের সচেতনতা বাড়ানো গেলে এ ধরনের তৎপরতা ব্যাহত করা সম্ভব।




নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপে মিলেছে গ্যাস, চলছে ডিএসটি টেস্ট

ডেস্ক নিউজ : জ্বালানি খাতে নতুন আশার আলো জ্বালিয়ে নোয়াখালীর সেনবাগে নবখননকৃত একটি কূপে গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে অবস্থিত ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপে’ সফলভাবে এই গ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। খননকাজ সফলভাবে সমাপ্ত হওয়ার পর বর্তমানে কূপটিতে ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) কার্যক্রম চলছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে কূপটিতে বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।

প্রাথমিক কারিগরি পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে সংস্থাটির প্রকৌশলীরা ধারণা করছেন, এই কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৭ মিলিয়ন (৭০ লাখ) ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।

বাপেক্স সূত্রে জানা যায়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে গত ২৮ জুলাই সুন্দলপুর-৪ কূপের আনুষ্ঠানিক খননকাজ শুরু করা হয়েছিল। আধুনিক ‘ডিরেকশনাল ওয়েল’ পদ্ধতিতে ‘এমডব্লিউডি’ (মেজারমেন্ট হোয়াইল ড্রিলিং) প্রযুক্তি প্রয়োগ করে ভূগর্ভের ১ হাজার ৫৭৮ মিটার গভীর পর্যন্ত সফলভাবে খনন সম্পন্ন করা হয়। এর মধ্যে মাটির নিচে ১ হাজার ৪২০ মিটার থেকে ১ হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতার জোনে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক জানান, কূপটিতে গ্যাসের উপস্থিতি পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং মূল খননকাজও সম্পন্ন হয়েছে। কূপের চাপ ও উত্তোলন সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য বর্তমানে ডিএসটি টেস্ট পরিচালিত হচ্ছে, যা শেষ হতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে। এই পরীক্ষা চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন হলেই কূপে ঠিক কী পরিমাণ গ্যাস মজুদ রয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদে তা থেকে কী হারে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে গ্যাস সরবরাহ করা যাবে, সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।




বিদায়ী ম্যাচের আগে মেসির ‘অজানা’ তথ্য দিলেন স্কালোনি

ক্রীড়া ডেস্ক : আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির বিদায়লগ্নে কোচ লিওনেল স্কালোনি গভীর আবেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মেসিকে ছাড়া জাতীয় দলের পথচলা আর কখনোই আগের মতো হবে না এবং মাঠে তার উপস্থিতি যে অনন্য অনুভূতি তৈরি করত, তা সবচেয়ে বেশি মিস করবে দল।

মাঠের বাইরে মেসির পেশাদারত্বের প্রশংসা করে স্কালোনি জানান যে তিনি সবার আগে অনুশীলনে আসেন এবং সবার শেষে যান, নিজের যত্ন নেন এবং প্রতিটি ম্যাচকে যেভাবে গুরুত্ব দেন তা সত্যিই অবিশ্বাস্য। বেনিনের বিপক্ষে এই প্রীতি ম্যাচটি ঘিরে মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, তা বোঝাতে গিয়ে স্কালোনি মন্তব্য করেছেন যে এমন পাঁচটি স্টেডিয়াম থাকলেও সেগুলোর দর্শক ধারণক্ষমতা পূর্ণ হয়ে যেত।

২০০৫ সালে অভিষেকের পর থেকে আর্জেন্টিনার হয়ে ২০৭ ম্যাচে ১২৫ গোল করা মেসি দুটি কোপা আমেরিকা ও একটি বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলে ইতিহাস গড়েছেন। বেনিনের বিপক্ষে এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে তার দুই দশকের বেশি সময়ের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত ইতি ঘটতে যাচ্ছে।



পেশাজীবী দলের আন্তর্জাতিক সম্পাদক হলেন সাখাওয়াত হোসেন

বিশেষ প্রতিবেদকঃ বিএনপির সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে মনোনীত হয়েছেন মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।

সম্প্রতি সংগঠনের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম রাসেল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, সংগঠনের সাংগঠনিক গতিশীলতা, ত্যাগ ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাখাওয়াত হোসেনকে সর্বসম্মতিক্রমে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে মনোনীত করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়- তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, নিষ্ঠা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে। কেন্দ্রের নির্দেশনা মেনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে দলের আদর্শ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তিনি ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বর্তমানে নিউ জার্সি স্টেইট (সাউথ) বিএনপি, আমেরিকার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।




অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজে পাকিস্তানের মেয়েদের হারাল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক : পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় এক রকম অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে বাংলাদেশ। অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে পাকিস্তানকে দুই ম্যাচেই হারিয়েছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচেই সহজে জিতেছে বাংলাদেশ।

ফয়সালাবাদে ২ অক্টোবর পাকিস্তানকে ৩০ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। তিন দিন পর আজ একই মাঠে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আগে ব্যাটিং করেই জিতেছে বাংলাদেশ। এবার বাংলাদেশের জয় ১৩ রানে।

১৪০ রানের লক্ষ্যে নেমে পাকিস্তানের দুই ওপেনার রাভাইল ফারহান ও কোমল খান ৬৯ রানের জুটি গড়েন। দশম ওভারের দ্বিতীয় বলে কোমলকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন নিশিতা আক্তার নিশি। ২৯ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৩৬ রান করেন কোমল।

উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর আর কিছু করতে পারেনি পাকিস্তান। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকেরা ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৬ রানে আটকে যায়। কোমলের ৩৬ রানই পাকিস্তানের ইনিংসে সর্বোচ্চ। জুফিশান আয়াজ, রাভাইল উভয়ই ৩২ রান করেন। টপ অর্ডারের তিন ব্যাটার ছাড়া পাকিস্তানের আর কেউ দুই অঙ্কের রান করতে পারেননি।

বাংলাদেশের ফারজানা ইয়াসমিন ৪ ওভারে ২৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন। নিশিতা আক্তার নিশি পেয়েছেন ২ উইকেট। ৪ ওভারে ২৮ রান খরচ করেছেন তিনি।

এর আগে টস জিতে আগে ব্যাটিং নিয়ে বাংলাদেশ ২০ ওভারে ৫ উইকেটে করে ১৩৯ রান। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন সাদিয়া আক্তার। ৩৩ বলের ইনিংসে ২ চার ও ১ ছক্কা মেরেছেন। পাকিস্তানের রোজিনা আকরাম, মাহাম নাজাকাত দুটি করে উইকেট পেয়েছেন।

ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে হ্যাটট্রিক ম্যাচ জিততেই পারত বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তবে গতকাল শেষ বলে বাংলাদেশের কাছ থেকে জয় কেড়ে নেয় শ্রীলঙ্কা। পরশু ফের লঙ্কানদের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।




বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির তিন ক্রিকেট মাঠ পরিদর্শন করেছে বিসিবির প্রতিনিধি দল

খেলাধুলা ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের প্রস্তুতি ও অবকাঠামো পর্যালোচনায় বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির (বিএসসি) তিনটি ক্রিকেট মাঠ পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। পরিদর্শন শেষে বিএসসির সুযোগ-সুবিধার প্রশংসা করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছে প্রতিনিধি দলটি।

মঙ্গলবার বিকেলে বিসিবির প্রতিনিধি দল বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে গিয়ে তিনটি ক্রিকেট মাঠ ঘুরে দেখে। এ সময় মাঠ, সুযোগ-সুবিধা ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের বিভিন্ন প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেয় তারা।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক ম্যাচ ব্যবস্থাপনা ও আয়োজনের অভিজ্ঞতা সরাসরি দেখার সুযোগ করে দিতে বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটি কর্তৃপক্ষকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে বিসিবি। আগামী সপ্তাহে মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।