বৃষ্টি থাকতে পারে টানা ৫ দিন
আবহাওয়া ডেস্কঃ সারাদেশে কমবেশি বৃষ্টিপাতের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে চার বিভাগে হতে পারে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ। এতে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত মৌসুমি নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড ও তৎসংলগ্ন ওড়িশা এলাকায় মৌসুমি স্থল নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, মৌসুমি স্থল নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) সকাল পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এ ছাড়া খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বুধবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ও শুক্রবার (১০ জুলাই) সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে তার চার ছেলে রুবেলকে হত্যা করেছে: পিবিআই
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ময়মনসিংহ নগরের ভাড়াবাসায় যুবক রাজিব আহম্মেদ রুবেল (৪০) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মাদকের আড্ডা ও বাসা ছাড়তে বলাকে কেন্দ্র করে নারী বাড়িওয়ালাকে মারধর ও শ্লীলতাহানির ক্ষোভে তার চার ছেলে মিলে রাজিবকে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে পিবিআই। ঐ চার জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। তারা হলেন রহমত (৩০), জনি (২৮), রকি (২৬) ও ইমরাজ (১৮)।
গতকাল সোমবার বিকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, প্রায় এক মাস আগে রুবেল ঐ বাসার একটি কক্ষ ভাড়া নেন। তার চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে বাড়ির মালিক পারুলের আপত্তি ছিল। অভিযোগ আছে, রুবেল সেখানে বিভিন্ন ব্যক্তিকে নিয়ে আড্ডা দিতেন এবং মাদক সেবন করতেন। এসব কারণে বাড়ির মালিক তাকে পরবর্তী মাস থেকে বাসা ছেড়ে দিতে বলেন। তবে রুবেল জোর করে সেখানে থাকতে চান।
এ ঘটনায় রুবেলের বাবা বাদী হয়ে বাড়ির মালিক, তার তিন ছেলেসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো তিন থেকে চার জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও শ্লীলতাহানির ঘটনার জেরে গ্রেফতারকৃত চারভাই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।
এর আগে গতকাল সকালে ময়মনসিংহ নগরের ছত্রিশবাড়ি কলোনি এলাকার একটি ভাড়াবাসা থেকে রাজিব আহম্মেদ রুবেলের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত রাজিব আহম্মেদ রুবেল নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকার মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে।
পর্তুগালকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টারে স্পেন
মিশরকে হারালে আর্জেন্টিনার সামনে প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড বা কলম্বিয়া
খামেনির জানাজায় ট্রাম্পের ছবিতে পাথর নিক্ষেপ, ২০ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ঘোষণা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতীকী ছবিতে পাথর নিক্ষেপ করেছেন হাজার হাজার শোকাতুর জনতা।
আজ সোমবার ইরানের রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট সংবাদ সংস্থা মিজান নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জানাজায় অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ ইসলামের পবিত্র হজব্রতের ‘শয়তানের স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপ’ (রমি আল-জামারাত) আচারটির অনুকরণে ট্রাম্পের ছবিতে নুড়ি পাথর ছুড়ে নিজেদের ক্ষোভ ও ঘৃণা প্রকাশ করছেন।
নিহত নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আজ রাজধানী তেহরানের রাস্তায় লাখো মানুষের ঢল নামে। শোকের আবহে পুরুষ ও নারীরা তাদের সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে ইসলামের প্রজাতন্ত্রের পতাকা এবং সাবেক সর্বোচ্চ নেতার ছবি হাতে মিছিলে শামিল হন। রাষ্ট্রীয়ভাবে আয়োজিত এই বিশাল সমাগম থেকে বরাবরের মতোই ‘আমেরিকা ধ্বংস হোক’ স্লোগান তোলা হয় এবং মার্কিন পতাকা পোড়ানো হয়।
এরই মধ্যে জানাজা চলাকালীন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারীর হাতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি-সংবলিত একটি ‘ওয়ান্টেড’ বা মোস্ট ওয়ান্টেড ধাঁচের ব্যানার দেখা যায়, যা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের নজর কেড়েছে। ব্যানারটিতে বড় অক্ষরে লেখা ছিল ‘কিল ট্রাম্প’ (ট্রাম্পকে হত্যা করো)। একইসঙ্গে খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে জীবিত অথবা মৃত এনে দিতে পারলে ২০ মিলিয়ন (দুই কোটি) মার্কিন ডলারের বিশাল অঙ্কের পুরস্কার বা বাউন্টি ঘোষণা করা হয় সেখানে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই ইরানে যেকোনো রাষ্ট্রীয় সমাবেশে জানাজায় আসা সাধারণ মানুষের এই ধরনের মার্কিনবিরোধী অবস্থান একটি নিয়মিত চিত্র। আজকের এই জানাজা মিছিল থেকে ট্রাম্পের পাশাপাশি তার প্রশাসনের তথাকথিত ‘যুদ্ধবাজ উপদেষ্টা’দের একটি তালিকাও জনসাধারণের মধ্যে বিলি করা হয়। আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর জন্য দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করে সেই উপদেষ্টাদেরও ভবিষ্যৎ প্রতিশোধের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ঘোষণা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা।
২৩ বছর ধরে কারা রোনালদোকে ‘হত্যা’ করার চেষ্টা করছে?
ক্রীড়া ডেস্ক : ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বিকেলে দাঁড়িয়ে ফুটবল বিশ্ব এখন এক বড় বিতর্কের মুখোমুখি। ৪১ বছর বয়সী এই মহাতারকা ২০২৬ বিশ্বকাপেই যে নিজের শেষ বিশ্বকাপ খেলছেন, তা তিনি আগেই নিশ্চিত করেছিলেন। তবে মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে চলমান সমালোচনার মুখে দাঁড়িয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কবে ফুটবল ছাড়বেন সেটি কেবল তিনিই ঠিক করবেন, বাইরের কেউ নয়। স্পেনের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে এসে রোনালদো বরাবরের মতোই আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে কথা বলেছেন।
গত ২৩ বছর ধরে সমালোচকরা তাকে দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন রোনালদো। তিনি বলেন, এতদিন ধরে সমালোচনার তীর ধেয়ে এলেও তা তার ওপর কোনো প্রভাব ফেলেনি বরং এসব সমালোচনা তাকে আরও পরিপক্ক হতে সাহায্য করেছে। দেশের হয়ে নিজের শেষ বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি কোনো আক্ষেপ রাখতে চান না। মাঠে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি জানান, ফলাফল যাই হোক না কেন, পূর্ণ তৃপ্তি নিয়েই মাঠ ছাড়তে চান এই পর্তুগিজ আইকন।
দলীয় কোচ রবার্তো মার্তিনেজের অধীনে রোনালদো তার সামর্থ্য প্রমাণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। এবারের বিশ্বকাপে তিনি তিনটি গোল করলেও তার খেলার ধরনে গতি কমেছে এবং বলের স্পর্শও আগের তুলনায় অনেক কম। বিশেষ করে নকআউট পর্যায়ে গোল করার জন্য তিনি পেনাল্টির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন, যা দলের কৌশলগত ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। মার্টিনেজ অবশ্য তার অধিনায়কত্বের প্রশংসা করে তাকে দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবেই দেখছেন।
রোনালদোকে নিয়ে পর্তুগাল সমর্থকদের আবেগের কোনো কমতি নেই। তাকে ছাড়া পর্তুগিজ ফুটবলের ইতিহাস কল্পনা করা কঠিন। সমর্থকদের বড় একটি অংশ মনে করেন, রোনালদো যতক্ষণ চাইবেন, ততক্ষণই তার দলে থাকা উচিত। কারণ, পর্তুগালকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিতি এনে দেওয়ার পেছনে তার অবদান অনস্বীকার্য। তাকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি অনেক ভক্তই মেনে নিতে পারছেন না বরং তার শেষ বিশ্বকাপ স্মরণীয় হয়ে থাকুক এমনটাই প্রত্যাশা করছেন তারা।
অন্যদিকে, সমালোচকদের যুক্তি রোনালদো এখন দলের সম্মিলিত খেলার চেয়ে নিজের ব্যক্তিগত রেকর্ডের দিকেই বেশি মনোযোগী। অতীতে রোনালদোকে ছাড়া খেলা কয়েকটি ম্যাচে পর্তুগাল বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল, যা পরোক্ষভাবে দলের কৌশলের ওপর প্রভাব ফেলে। অনেকেই মনে করেন, বর্তমান পর্তুগাল দল তরুণ খেলোয়াড়দের ওপর ভিত্তি করে সাজানো উচিত, যেখানে রোনালদোর ভূমিকা হতে পারে একজন সুপার সাব হিসেবে।
স্পেনের বিপক্ষে আজকের ম্যাচটি রোনালদোর ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। দল তাকে মূল একাদশে রাখবে নাকি গোঞ্জালো রামোসের মতো তরুণ তুর্কিকে সুযোগ দেবে; তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক জল্পনা চলছে। গত ম্যাচে রামোসের বদলি হিসেবে নেমে গোল করার পর তরুণ এই স্ট্রাইকারের দাবি আরও জোরালো হয়েছে, যা কোচ মার্তিনেজের জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
বিশ্বকাপের মঞ্চে পর্তুগালের হয়ে এটিই কি রোনালদোর শেষ প্রদর্শনী? এই প্রশ্নের উত্তর সময়ের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন স্বয়ং রোনালদো নিজেই। তিনি মনে করেন, খেলোয়াড় হিসেবে তার দায়িত্ব তিনি পালন করেছেন এবং কোনো ট্রফি তাকে বড় কিংবা ছোট বানাতে পারবে না। ভক্তদের ভালোবাসা আর সমালোচকদের কটু কথা; সব মিলিয়ে রোনালদো এখন এক অনন্য উচ্চতায়, যেখানে তিনি কেবল নিজের ইচ্ছায় বিদায় নিতে চান।
পরিসংখ্যান বা সমালোচনার ঊর্ধ্বে উঠে রোনালদো আজ মাঠে নামবেন স্পেনের বিপক্ষে। পর্তুগালের কোটি ভক্তের চোখ থাকবে তাদের প্রিয় তারকার দিকে, যিনি গত দুই দশকে পর্তুগিজ ফুটবলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। আজকের ম্যাচটি যদি সত্যিই রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ হয়, তবে তার বিদায়টা হবে এক মিশ্র অনুভূতির সাক্ষী, যেখানে ফুটবল বিশ্ব দেখবে এক কিংবদন্তির সূর্য ডোবার দৃশ্য।
নিরাপদ খাদ্য ও ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদারে কঠোর নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
ডেস্ক নিউজ : নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও গতিশীল করতে তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবংমন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনিকে সদস্য করে ৩ সদস্যের এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় এসব নির্দেশনা দেন প্রধামন্ত্রী তারেক রহমান।
ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি করপোরেশনসহ মাঠ পর্যায়ে ভেজালবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তথা; ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ এবং বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তারা নানাবিধ প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে জেলাপর্যায়ে জনবল বাড়ানো, উন্নত মানের ল্যাবরেটরি স্থাপন, মাঠ পর্যায়ের কাজ করার জন্য আধুনিক ইকুইপমেন্ট এবং বিভিন্ন সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে অনেক সময় নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে হয় উল্লেখ করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ক্ষমতা বাড়ানোরও দাবি জানান তারা।
প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্কটের কথাগুলো গুরুত্ব সঙ্গে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এ জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমস্যা থাকবেই। তারপরও সেই সমস্যার মধ্য দিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বসে থাকলে চলবে না। পৃথিবীর অনেক দেশ একসময় আমাদের চেয়েও অনুন্নত ছিল, অথচ আজ তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদেরও এগিয়ে যেতে হবে। সবাই একসঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করলে সেটি অবশ্যই সম্ভব। দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে।’
জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী গুলশান লেকের ব্যবস্থাপনার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক লেকই আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এসব আবর্জনা সমাজের শিক্ষিত মানুষরাই ফেলছেন। যাদের সচেতন হওয়ার কথা, অনেক সময় তারাই সচেতন হন না। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে শুধু সরকারের উদ্যোগ নয়, নাগরিকদেরও সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। সবাইকে সচেতন হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।’
সভায় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
চীন প্রশান্ত মহাসাগরে সাবমেরিন থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিরল পরীক্ষা চালাল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীন প্রশান্ত মহাসাগরে সাবমেরিন থেকে আজ সোমবার একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (এসএলবিএম) বিরল পরীক্ষা চালিয়েছে। এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। দেশ দুটির মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।
চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) নৌবাহিনী শাখার মুখপাত্র জ্যেষ্ঠ ক্যাপ্টেন ওয়াং সুয়েমেং এক বিবৃতিতে বলেন, পিএলএর একটি সাবমেরিন থেকে একটি কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এতে প্রকৃত ওয়ারহেডের বদলে একটি ডামি ওয়ারহেড বহন করা হয়েছিল। ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রশান্ত মহাসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় নির্ধারিত এলাকায় নির্ভুলভাবে আঘাত হানে।
ওয়াং বলেন, এ পরীক্ষা চীনের বার্ষিক সামরিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির নিয়মিত অংশ। পরীক্ষা চালানোর আগে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল।
চীনের এই সামরিক কর্মকর্তা দাবি করেন, আন্তর্জাতিক আইন ও প্রচলিত রীতি মেনে এ পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা লক্ষ্যবস্তুর উদ্দেশে পরিচালিত হয়নি।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সিএনএন। ঠিক কোন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়েছে, তা জানাতে রাজি হয়নি দেশটি।
চীনের নৌবাহিনীর কাছে বর্তমানে সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য দুই ধরনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে—এল-২ এবং জেএল-৩। ক্ষেপণাস্ত্রবিশেষজ্ঞদের মতে, জেএল-৩-এর পাল্লা এতটাই বেশি যে তা দক্ষিণ চীন সাগরসহ চীনের উপকূলবর্তী জলসীমা থেকে উৎক্ষেপণ করলে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে পৌঁছাতে সক্ষম।
চীনের প্রধান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন হলো টাইপ-০৯৪ বা ‘জিন’ শ্রেণির সাবমেরিন। বর্তমানে দেশটির কাছে এ ধরনের ছয়টি সাবমেরিন রয়েছে।
বেইজিং খুব কম সময় তাদের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তথ্য প্রকাশ করে থাকে। তবে ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) মিসাইল ডিফেন্স প্রজেক্টের তথ্যমতে, জেএল-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম পরীক্ষা চালানো হয় ২০১৮ সালে। এরপর এক বছর পর আরেকটি পরীক্ষা চালানো হয়।
‘উদ্বেগজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত’
নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স জানান, আজ সোমবার চীন যে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করেছে, তা ১৯৮৬ সালের রারোটোঙ্গা চুক্তির আওতায় গঠিত দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত অঞ্চলের জলসীমায় গিয়ে পড়েছে। চীন ১৯৮৭ সালে এ চুক্তির দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রটোকলে স্বাক্ষর করেছে।
চুক্তির দ্বিতীয় প্রটোকল অনুযায়ী, স্বাক্ষরকারী দেশগুলো ওই অঞ্চলের কোনো দেশ বা ভূখণ্ডের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার বা ব্যবহারের হুমকি দিতে পারবে না। তৃতীয় প্রটোকলে ওই অঞ্চলে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পিটার্স বলেন, ‘আজ দিনের শুরুতে চীন আমাদের জানিয়েছিল, তারা দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে একটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করবে।’
পিটার্স আরও বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড এ ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও উদ্বেগজনক হিসেবে দেখছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর মতো আমরাও চাই না, চীন দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরকে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পরীক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করুক।’
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং চীনের এ পরীক্ষাকে ‘এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি’ বলে মন্তব্য করেন।
ওং বলেন, চীনের দ্রুত সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং এ বিষয়ে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা ও আশ্বাসের অভাবকে আমলে নিয়ে এ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে মূল্যায়ন করতে হবে। তবে চীনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেওয়ার দায়িত্ব দেশটির বলে মন্তব্য করেন তিনি।
উইনস্টন পিটার্স বলেন, চীনের সর্বশেষ এ পরীক্ষা ২০২৪ সালের ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়। সে সময়ও পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এ অঞ্চলে একটি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) পরীক্ষা চালিয়েছিল।
পিটার্স বলেন, ‘এ ধরনের পরীক্ষা স্বাভাবিক বা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হচ্ছে। এ অঞ্চলের দেশ হিসেবে আমরা তা কেবল বসে বসে দেখে যেতে পারি না।’
পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলোর জন্য ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নতুন বা অস্বাভাবিক নয়।
উদাহরণ হিসেবে গত বছরের সেপ্টেম্বরের কথা বলা যায়। তখন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ফ্লোরিডা উপকূলে ট্রাইডেন্ট সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। গত ডিসেম্বরে ভারতও একটি সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। আর গত অক্টোবরে একই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় রাশিয়া।
সামগ্রিকভাবে পারমাণবিক সক্ষমতা জোরদারের অংশ হিসেবে চীনও তার পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন বহর বাড়াচ্ছে।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে চীন প্রশান্ত মহাসাগরে সর্বশেষ আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছিল। দক্ষিণ চীন সাগরের হাইনান দ্বীপ থেকে উৎক্ষেপণ করা পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ডিএফ-৩১বি ক্ষেপণাস্ত্রটি ফরাসি পলিনেশিয়ার কাছাকাছি প্রশান্ত মহাসাগরের উন্মুক্ত জলসীমায় গিয়ে পড়েছিল। উন্মুক্ত সমুদ্রে এটি ছিল ৪৪ বছরের মধ্যে চীনের প্রথম আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন সাধারণত নিজেদের ভূখণ্ডের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের একটি প্রশিক্ষণ ঘাঁটি থেকে অল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। এর মাধ্যমে স্বল্প সময়ে একাধিক সাইলোভিত্তিক আইসিবিএম উৎক্ষেপণের সক্ষমতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সাইলো বলতে ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকাঠামোকে বোঝায়।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চীনের সামরিক শক্তিবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে ‘মাঝারি থেকে উচ্চমাত্রার পারমাণবিক প্রতিরোধমূলক অভিযানের একটি বিকল্প’ হিসেবে বিবেচনা করে।
বিএনপি সরকার জাতির সাথে গাদ্দারি করছে : নাহিদ ইসলাম
ডেস্ক নিউজ : জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ৭০ ভাগ মানুষ ‘‘হ্যাঁ’’ ভোটের পক্ষে সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছে। কিন্তু এখনো সরকার তা বাস্তবায়ন করেনি। তাই বিএনপি সরকার জাতির সাথে গাদ্দারি করেছে, বেইমানী করছে।’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এনসিপির মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই পদযাত্রায় অংশ নিতে তিনি সোমবার বিকেলে গাজীপুরের কালীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত জুলাই বিপ্লবীদের মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘এই সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিদ্যুতের সমস্যা সমাধান করবে, কিন্তু এই বাজেটে তা আমরা প্রতীয়মান দেখতে পাই নাই। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা দিয়েই মাদক এসে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই মাদক কারবারিদের বন্ধ করুন, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখুন।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন হবে না। সারাদেশে বিভিন্ন জায়গায় মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি হচ্ছে। তাই সরকারকে বলতে চাই- মাদক, চাঁদাবাজি সাম্রাজ্য অচিরেই নির্মূল করতে হবে।’
এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, ‘আমাদের মধ্যে ততক্ষণ পর্যন্ত কোন কোন মতপার্থক্য থাকবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা জনগণের বিরুদ্ধে না যাব। বিএনপি যদি একটি ভালো কাজ করে, আমাদেরও তাদেরকে প্রশংসা করার মতো মানসিকতা থাকতে হবে। আবার যে কোনো রাজনৈতিক দল সমালোচনা করার মতো কোনো কাজ করে, জনগণের বিরুদ্ধে বা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনো কাজ করে, তার যৌক্তিক সমালোচনা করার মতো সৎ সাহস থাকতে হবে।’
পথসভায় গাজীপুর জেলা এনসিপির সভাপতি এম এম সোয়েব, জাতীয় যুবশক্তির নেতারাসহ এনসিপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয়, মহানগর ও জেলা নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে থেকে জুলাই পদযাত্রায় শুরু হয়।