ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬, আহত শতাধিক

বিশেষ প্রতিবেদকঃ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ছয়জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশালে ৩ জন, নারায়ণগঞ্জে একজন ও নরসিংদীতে দুইজন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ঢাকা : ভূমিকম্পে পুরান ঢাকার বংশালে ৫ তলা ভবনের রেলিং ধসে তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন— সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মিটফোর্ড) ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাফি উল ইসলাম, হাজী আব্দুর রহিম (৪৭) ও মেহরাব হোসেন রিমন (১২)। নিহত রাফির মা নুসরাতের সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচার চলছে অপরাশেন থিয়েটারে। তিনি জানেন না, তাঁর সন্তান মারা গেছেন। শুক্রবার বিকেলে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম।

নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভূমিকম্পে দেয়াল ধসে ফাতেমা (১) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সকালে ভূমিকম্পের সময় ঘটনাস্থল হয়ে ভুলতা-গাউছিয়া যাওয়ার সময় সড়কের পাশের দেয়াল ধসে শিশু ফাতেমা, তার মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগমের ওপর পড়ে। এসময় ঘটনাস্থলেই শিশু ফাতেমার মৃত্যু হয়। আহত হন তার মা কুলসুম ও প্রতিবেশী জেসমিন, তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নরসিংদী : নরসিংদীতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মাটির ঘরের দেয়াল চাপায় কাজম আলী (৭৫) নামে বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। নিহত কাজম আলী নরসিংদীর পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের মালিতা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়া নরসিংদীর গাবতলীতে বাসার দেয়াল চাপা পড়ে ওমর (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।




বংশালে ভূমিকম্পে নিহত তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত

বিশেষ প্রতিবেদকঃ ঢাকার বংশালের কসাইটুলিতে ভূমিকম্পে পাঁচতলা ভবনের রেলিং ধসে নিহত তিনজনের পরিচয় মিলেছে। নিহতরা হলেন সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মিটফোর্ড) ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাফি উল ইসলাম, হাজী আব্দুর রহিম (৪৭) ও মেহরাব হোসেন রিমন (১২)।

শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, তিনজনের মরদেহ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। শুক্রবার সকালে ভূমিকম্পের পর বংশালের কসাইটুলিতে পাঁচতলা ভবনের রেলিং ধসে তিনজন মারা যান।

‎স্থানীয়রা জানান, ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ করে পাঁচতলা ভবনের রেলিং ধসে পড়ে তিন পথচারী ঘটনাস্থলে নিহত হন। তারা সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ঘটনার পরপরই সেখানে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হয়েছেন।

বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশিষ জানান, ভূমিকম্পের সময় ভবনের রেলিং ধসে পড়ে তিন পথচারী নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত আছেন।

এর আগে শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ঢাকাসহ সারাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্র ছিল ৫.৭। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদীতে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াত কবির জানান, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৭। এটির উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে নরসিংদীর মাধবদীতে। এটি মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭।




লন্ডন সফরকে ঘিরে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের আবুল বাশারকে নিয়ে নতুন বিতর্ক

এসএম বদরুল আলমঃ নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার ও শিপ সার্ভেয়ার মো. আবুল বাশার এবার ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে লন্ডনে যাচ্ছেন। কিন্তু তার এই সফর নিয়ে অধিদপ্তরের ভেতরে-বাইরে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে, কারণ বর্তমান মহাপরিচালকের অনুমোদন ছাড়াই তাকে প্রতিনিধিদলে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বরং তালিকায় তার নাম যুক্ত করেছেন অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক এবং বর্তমানে নেভি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের কমান্ড্যান্ট রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মাকসুদ আলম।

অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান মহাপরিচালক শফিউল বারী নির্বাচনী প্রচারণায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন না—এমন যুক্তিতে পুরোনো ডিজি মাকসুদকে বিশেষ আগ্রহে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। তিনি এখনো নৌপরিবহন উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠ হিসেবে নৌসেক্টরে প্রভাব বজায় রেখেছেন, এমন মন্তব্যও রয়েছে কর্মকর্তাদের মধ্যে। অন্যদিকে আবুল বাশারসহ বাকি দল ২৪ থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত লন্ডনে অবস্থান করে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

এদিকে আবুল বাশারকে ঘিরে বহুদিন ধরেই নানা অভিযোগ ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার বিরুদ্ধে পরীক্ষায় ঘুষ নিয়ে পাস করানো, প্রকল্পের বিল আটকে অর্থ আদায়, কন্ট্রাক্টরদের কাছ থেকে কমিশন নেয়া, পিজি আটকে রেখে টাকা দাবি, অডিট খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায়—এরকম একাধিক অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে জমা আছে। এসবের মধ্যে একটি বিভাগীয় মামলার তদন্তও চলছে। এমনকি তিনি নিজের শ্যালককে নিয়ম ভেঙে কন্ট্রাক্টরি কাজ দিয়েছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সতর্ক সূত্র বলছে, তিনি প্রায়ই বিভিন্ন স্টার হোটেলের বার ও স্পা সেন্টারে সময় কাটান এবং মদ্যপ হয়েই বের হন—যা সরকারি চাকরির বিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। গত পাঁচ বছরে এমন আচরণের জন্য কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। পাশাপাশি মার্চেন্ট ও ইনল্যান্ড পরীক্ষায় মোটা অঙ্কের বিনিময়ে ফল পরিবর্তনের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি—চাকরিতে যোগদানের পর থেকেই তিনি অস্বাভাবিক হারে সম্পদশালী হয়ে উঠেছেন, বিভিন্ন ব্যাংকে এফডিআর, ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাট ও জমির মালিকানা তার নামে-বেনামে রয়েছে।

তার অতীত নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির ৩৮তম ব্যাচে প্রশিক্ষণকালীন সময়ে নীতিভ্রষ্ট আচরণের অভিযোগে পুরো ব্যাচ বহিষ্কারের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। পরে বিভিন্ন শিপিং কোম্পানিতে অপ্রফেশনাল আচরণের জন্য তাকে চাকরি থেকে বাদ দেয়া হয়। এমনকি এমভি জাহান মনির দ্বিতীয় প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালে ইচ্ছাকৃতভাবে ইঞ্জিন নষ্ট করার ঘটনাও মালিকপক্ষ তাকে চিরতরে নিষিদ্ধ করে।

বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, রাজনৈতিক তদবীরে তিনি সরকারি চাকরি পান এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন দলের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে নিজের অবস্থান শক্ত করেন। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও তিনি রাজনৈতিক খাতিরে গুরুত্ব পেয়েছেন।

এসব অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে আবুল বাশার দাবি করেন—সবকিছুই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার। তবে ভুক্তভোগীদের মতে, নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া যাবে এবং তারা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দ্রুত তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন।




এনবিআর সদস্য বদিউল আলমের বিদেশযাত্রায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এনবিআর-এর সদস্য (কর লিগ্যাল অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) এ কে এম বদিউল আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের করা আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। বিষয়টি আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক পিয়াস পাল আদালতে আবেদনের মাধ্যমে জানান, বদিউল আলমের জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণী যাচাইয়ে বর্তমানে অনুসন্ধান চলছে। তিনি দেশ ছাড়ার চেষ্টা করতে পারেন—এমন তথ্য পাওয়ায় অভিযোগের সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তার বিদেশযাত্রা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা প্রয়োজন বলে দুদক মনে করে। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।




স্বাস্থ্য সরঞ্জাম–এলজিইডি অফিস–স্কুল নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, তিন জেলায় দুদকের আকস্মিক অভিযান

বিশেষ প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে দেশের তিন জেলায় একদিনে তিনটি অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার, ১৯ নভেম্বর, দুদকের পটুয়াখালী, রংপুর ও টাঙ্গাইল কার্যালয় থেকে আলাদা টিম এসব অভিযান পরিচালনা করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম।

দুদক জানায়, প্রথম অভিযানে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ক্রয়ের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় সেখানে এনফোর্সমেন্ট টিম পাঠানো হয়। টিম প্রকল্প পরিচালকের কাছ থেকে টেন্ডার সংক্রান্ত সমস্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে এবং তাঁর বক্তব্য নেন। টেন্ডার জমা দেওয়ার সময়সীমা এখনো ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকলেও এর মধ্যেই অনিয়মের অভিযোগ উঠায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সব নথি যাচাই করে পরে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনে পাঠানো হবে।

অন্যদিকে রংপুরের গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি অফিসে ঠিকাদারদের ভয়ভীতি দেখানো, ঘুষ দাবি এবং বিভিন্ন হয়রানির অভিযোগে আরেকটি দল অভিযান চালায়। সেখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় রেকর্ড সংগ্রহ করা হয়। অভিযানের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও পর্যবেক্ষণ করে টিম। ভিডিওতে একজনকে টাকা গ্রহণ করতে দেখা গেলেও এটি ঘুষ কিনা নিশ্চিত হতে আরও প্রমাণ প্রয়োজন বলে জানায় দুদক।

তৃতীয় অভিযানটি পরিচালিত হয় টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায়। অভিযোগ ছিল—পিইডিপি–৪ প্রকল্পের অধীনে বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজে অনিয়ম, নিম্নমানের কাজ এবং অগ্রিম বিল তুলার ঘটনা। এনফোর্সমেন্ট টিম নিরপেক্ষ প্রকৌশলীকে সঙ্গে নিয়ে সরেজমিনে কাজ পরিদর্শন করে এবং প্রাথমিকভাবেই কয়েকটি অনিয়মের সত্যতা পায়। এখানে পাওয়া নথিপত্র বিশ্লেষণ করে বিস্তারিত প্রতিবেদন পরে কমিশনে জমা দেওয়া হবে।

পুরো দিনজুড়ে হওয়া এসব তিনটি অভিযানে স্বাস্থ্য খাত থেকে শুরু করে সরকারি নির্মাণশিলা পর্যন্ত বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক, যাতে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া যায়।




এখন নতুন পরিমার্জিত দামে অপো রেনো১৪ এফ ফাইভজি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রযুক্তি উদ্ভাবক অপো তাদের ফ্ল্যাগশিপ রেনো১৪ এফ ফাইভজির জন্য নতুন ও পরিমার্জিত মূল্য ঘোষণা করেছে। এর মাধ্যমে অপো তাদের বহুল প্রশংসিত এআই সক্ষমতা বাংলাদেশের আরও বেশি ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। এই মূল্য সমন্বয় সত্যিকারের ফ্লাগশিপ উদ্ভাবনের অভিজ্ঞতা আরও বেশি মানুষের কাছে নিয়ে যাবে, যা সবার জন্য উন্নত প্রযুক্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অপোর দৃষ্টিভঙ্গির সাথে মিলে যায়।
কৌশলগত মূল্যহ্রাসের মধ্য দিয়ে এখন রেনো১৪ এফ ফাইভজি (৮ জিবি + ২৫৬ জিবি) মাত্র ৩৯,৯৯০ টাকায় পাওয়া যাবে। ডিভাইসটি ওপাল ব্লু ও লুমিনাস গ্রিন রঙে পাওয়া যাচ্ছে, যা অপোর নান্দনিকতাকেই তুলে ধরে।
কনটেন্ট নির্মাতা ও স্টোরিটেলারদের জন্য নিয়ে আসা রেনো১৪ এফ ফাইভজি দৃষ্টিনন্দন ডিজাইনের সাথে যুগান্তকারী এআই প্রযুক্তিকে একত্রিত করেছে।এই উদ্ভাবনের শীর্ষে রয়েছে অপোর এআই লো লাইট ফটোগ্রাফি সিস্টেম, যা সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং পরিবেশেও নিখুঁত ও ঝকঝকে ছবি তোলার জন্য বিশেষভাবে তৈরি। ডিভাইসটিতে একটি ডুয়াল-ফ্ল্যাশ সেটআপ যুক্ত করা হয়েছে, যা এর আগের ফোনের তুলনায় দ্বিগুণ আলো সরবরাহ করে। এটি আবছা আলোর অনুষ্ঠান বা সন্ধ্যার সিটিস্কেপ যাই হোক না কেন, প্রতিটি মুহূর্তের স্বতঃস্ফূর্ত ছবি নিশ্চিত করে।
পাশাপাশি, এতে রয়েছে এআই এডিটর ২.০, যা ব্যবহারকারীদের পেশাদার-মানের পোস্ট-প্রোডাকশন সক্ষমতা প্রদান করে। এর এআই রিকম্পোজের মতো টুল বুদ্ধিমত্তার সাথে ত্রুটি সংশোধন করে, এআই পারফেক্ট শট স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রুপ ফটোতে চোখ বন্ধ হয়ে যাওয়া ঠিক করে দেয়; অন্যদিকে, এআই স্টাইল ট্রান্সফার তাৎক্ষণিকভাবে একটি ছবির স্টাইল অন্য ছবিতে প্রয়োগ করে; যা যেকোনো ছবিকে অনায়াসে দৃষ্টিনন্দন কনটেন্টে পরিণত করে।
একইসাথে, ডিভাইসটিতে আইপি৬৯-রেটেড ওয়াটার অ্যান্ড ডাস্ট রেজিজট্যান্স সহ ৪কে আলট্রা-এইচডি আন্ডারওয়াটার ভিডিওগ্রাফি নিয়ে আসা হয়েছে। সমুদ্রের ধারে, সুইমিং পুলে বা বর্ষায়, যেকোনো অবস্থাতেই ব্যবহারকারীরা এখন নিখুঁত ও  অসাধারণ ভিডিও রেকর্ড করার সুযোগ পাবেন।
এই ইমেজিং সক্ষমতার পাশাপাশি, রেনো১৪ এফ ফাইভজিতে রয়েছে শক্তিশালী ৬০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, সুপারভুক ফাস্ট চার্জিং এবং নিরবচ্ছিন্ন গেমিংয়ের জন্য এআই হাইপারবুস্ট ২.০, যা দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। এর প্রিমিয়াম অ্যামোলেড ডিসপ্লের সাথে মারমেইড-অনুপ্রাণিত ডিজাইন একত্রিত হয়ে এটিকে আরও নান্দনিক করে তোলে। একইসাথে, এতে এআই কল ট্রান্সলেটর, এআই কল সামারি, ভয়েসস্ক্রাইব ও মাইন্ড স্পেসের মতো ইন্টেগ্রেটেড এআই সুপার টুলবক্স ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতিদিনের সৃজনশীলতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেমন ইয়াং বলেন, “অপোতে আমরা মানুষকে উদ্ভাবনের কেন্দ্রে রাখি। এই পরিমার্জিত মূল্য আমাদের এই বিশ্বাসকে তুলে ধরে যে, যুগান্তকারী এআই ও ফ্লাগশিপ-স্তরের ইমেজিং প্রতিটি ভিশনারি ক্রিয়েটরের নাগালের মধ্যে থাকা উচিত। রেনো১৪ এফ ফাইভজির মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের পরবর্তী প্রজন্মকে ক্যাপচার, ক্রিয়েট ও এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে বাধাহীন করে তুলতে চাই।”
সর্বাধুনিক এআই ইমেজিং সক্ষমতা ও অনন্য ডিজাইনের ডিভাইস রেনো১৪ এফ ফাইভজি প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে। যা মুহূর্তগুলো কীভাবে ধারণ করা হবে, গল্প কীভাবে তৈরি হবে এবং সৃজনশীলতা কীভাবে উন্মোচিত হবে, তা নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপো বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ বা রেনো১৪ এফ ফাইভজির প্রোডাক্ট লিঙ্ক https://www.oppo.com/bd/smartphones/series-reno/reno14-f-5g/ ভিজিট করুন।



পিঠা-পুলিতে রাঙা শীত, বাঙালির ঐতিহ্যের উৎসব

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাটঃ শীতকাল মানেই বাঙালির ঘরে ঘরে পিঠার উৎসব। ঠান্ডা হাওয়ার পরশ লাগলেই যেন জিভে জল আনে নারিকেল, গুড়, চালের গুঁড়ার মিশ্রণে তৈরি বাহারি সব পিঠার গন্ধ।

বাংলার গ্রামীণ জীবনে শীত মানে শুধু ঠান্ডা নয়, বরং পিঠা-পুলি আর আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগির এক মৌসুম। নতুন ধানের চাল থেকে তৈরি আতপ চালের গুঁড়ো, খেজুর গুড় আর নারিকেলের সংমিশ্রণে পিঠা বানানো যেন শীতের আগমনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

বাঙালির লোকজ ইতিহাস-ঐতিহ্যে পিঠাপুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে প্রাচীনকাল থেকেই। পিঠা-পায়েস সাধারণত শীতকালের রসনাজাতীয় খাবার হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত এবং মুখরোচক খাদ্য হিসেবে বাঙালি সমাজে বেশ আদরণীয়। আত্মীয়স্বজন ও পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় ও মজবুত করে তুলতে পিঠাপুলির উৎসব বিশেষ ভূূমিকা পালন করে। গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে পিঠা-পায়েস তৈরির ধুম শীতকালেই বেশি পড়ে। কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর বা সন্ধ্যায় গাঁয়ের বধূরা চুলার পাশে বসে ব্যস্ত সময় কাটান পিঠা তৈরিতে। বিশেষ করে জামাইদের এ সময় দাওয়াত করে পিঠা খাওয়ানো হয়। এ সময় খেজুরের রস থেকে গুড়, পায়েস এবং নানারকম মিষ্টান্ন তৈরি হয়। খেজুরের রসের মোহনীয় গন্ধে তৈরি পিঠা-পায়েস আরও বেশি মধুময় হয়ে ওঠে। শীতকালের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় পিঠা হচ্ছে ভাপা পিঠা। এ ছাড়া আছে চিতই পিঠা, দুধচিতই, ছিট পিঠা, দুধকুলি, ক্ষীরকুলি, তিলকুলি, পাটিসাপটা, ফুলঝুরি, ধুপি পিঠা, নকশি পিঠা, মালাই পিঠা, মালপোয়া, পাকন পিঠা, ঝাল পিঠা ইত্যাদি। বাংলাদেশে শতাধিক ধরনের পিঠার প্রচলন রয়েছে। কালের গভীরে কিছু হারিয়ে গেলেও এখনও পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। শীতকালে শুধু গ্রামবাংলায়ই নয়, শহর এলাকায়ও শীতের পিঠা খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। ইদানীং শহরেও পাওয়া যায় শীতের পিঠার সুবাস।

শীত এলে শহর এলাকার বিভিন্ন ফুটপাত, জনবহুল এলাকা, বিভিন্ন টার্মিনালে পিঠা বিক্রির ধুম পড়ে যায়। যদিও খোলামেলা স্থানে এসব পিঠা তৈরি ও বিক্রি সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর, এর পরও এ ব্যবসা বিশেষ করে ভাপা পিঠা বিক্রি শীতকালে বেশ জমজমাট হয়ে ওঠে।

এক সময় সোনার বাংলায় যেমন শত শত নামের ধান ছিল, তেমনি সেসব ধানের পিঠারও অন্ত ছিল না। কত কী বিচিত্র নামের পিঠা! পিঠা তৈরি ছিল আবহমান বাংলার মেয়েদের ঐতিহ্য। পিঠা-পায়েসকে নিয়ে গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে এখনও অসংখ্য গান-কবিতা ও ছড়া প্রচলিত। পিঠাকে কেন্দ্র করে বিখ্যাত কবি বেগম সুফিয়া কামাল লিখেছেন, ‘পৌষ পার্বণে পিঠা খেতে বসি খুশিতে বিষম খেয়ে/ আরও উল্লাস বাড়িয়াছে মনে মায়ের বকুনি পেয়ে।’ পিঠাপুলি আমাদের লোকজ ও নান্দনিক সংস্কৃতিরই বহিঃপ্রকাশ। আমাদের হাজারো সমস্যা সত্ত্বেও গ্রামবাংলায় এসব পিঠা-পার্বণের আনন্দ-উদ্দীপনা এখনও মুছে যায়নি।

আজকাল শহরের অভিজাত রেস্তোরাঁতেও গ্রামবাংলার পিঠাপুলি জায়গা করে নিয়েছে। তাছাড়া শহরের প্রতিটি গলিতে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে এখন পিঠা বিক্রি হয়।

শহরের নাগরিক জীবনেও আজকাল পিঠা উৎসব হয়, কিন্তু গ্রামে এর আবেদন ভিন্নরকম। মাঠের ধান ঘরে ওঠার আনন্দ, নতুন চালের ঘ্রাণ আর পারিবারিক একতা মিলেই যেন পিঠাকে করে তোলে শীতের পরম আনন্দদায়ী রসনা বিলাস। শীত এলেই তাই আমাদের মনে পড়ে মায়ের হাতের ভাপা পিঠা, দাদীর তৈরি পাটিসাপটা।

এই ঐতিহ্য ধরে রাখাই এখন সময়ের দাবি। পিঠা-পার্বণের এ আনন্দ ও ঐতিহ্য যুগ যুগ ধরে টিকে থাকুক বাংলার ঘরে ঘরে।




রাকাব কর্মকর্তা আবুল কালামের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তে নেমেছে দুদক

রাজশাহী প্রতিবেদকঃ রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)–এর আইসিটি বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. আবুল কালামের বিরুদ্ধে ডিজিটাইজেশনের নামে বড় ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ যাচাই করতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ইতোমধ্যে একটি অনুসন্ধানকারী দল গঠন করে তদন্ত শুরু করেছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী দলের প্রধান মো. আমির হোসাইন গত ৩০ অক্টোবর রাকাবের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠান। চিঠিতে অভিযোগ তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন নথি ও রেকর্ড সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়। বিশেষ করে ব্যাংকের ‘নেটওয়ার্ক ডিভাইস ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি (এএমসি), টেন্ডার আইডি: ৭৪৪০৭২’–সংক্রান্ত কোনো তদন্ত হয়ে থাকলে তার সত্যায়িত কপি ৪ নভেম্বরের মধ্যে দুদক কার্যালয়ে পাঠাতে বলা হয়।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, সদর দফতরের নির্দেশে রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয় এই তদন্ত পরিচালনা করছে। অনুসন্ধানকারী দলে উপ-সহকারী পরিচালক মো. মাহবুবুর রহমানও রয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানটির ভেতর আগে থেকেও বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ রয়েছে—পদোন্নতিতে স্বজনপ্রীতি, ঋণ বিতরণে জালিয়াতি এবং কর্মকর্তাদের লাঞ্চ ভাতার নামে বেআইনি অর্থ প্রদানসহ নানা ঘটনা ব্যাংকের সুনাম ও আর্থিক অবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

নতুন অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. আবুল কালামকে ফোন করা হলেও তিনি কোনো কল রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, সাধারণ নিয়মে প্রতি তিন বছর অন্তর কর্মকর্তাদের বদলি হওয়ার কথা। কিন্তু মো. আবুল কালাম ক্ষমতা ও টাকার জোরে একই কর্মস্থলে ১৭ বছর ধরে অবস্থান করছেন। পাশাপাশি তারা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ডিজিএম মো. মিজানুর রহমানের বদলি ঠেকাতে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে সিবিএ নেতা মো. রায়হান আলীকে দিয়ে ‘মব’ তৈরি করেন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চাপ প্রয়োগ করেন। প্রতিষ্ঠানের একটি ভিডিও ফুটেজেও ঘটনাটির প্রমাণ মিলেছে বলে জানানো হয়েছে।

সূত্র বলছে, আবুল কালাম আজাদ, মো. মিজানুর রহমান ও সিবিএ সভাপতি মো. রায়হান আলী—এই তিনজন মিলে ব্যাংকের মধ্যে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট হিসেবে কাজ করছেন।

দুদকের চলমান তদন্তে ব্যাংকের ভেতরের অনিয়ম প্রকাশ পাবে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে—এমন আশা সংশ্লিষ্টদের।




যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গাজার একাধিক স্থানে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ২৮

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) হামলা চালিয়েছে, এতে অন্তত ‘২৮ জন’ নিহত এবং কমপক্ষে ‘৭৭ জন’ আহত হয়েছেন। 

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার গাজা প্রতিনিধি হানি মাহমুদ জানিয়েছেন, বুধবার (১৯ নভেম্বর) গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকার তিনটি লক্ষ্যবস্তুতে এবং গাজার প্রধান শহর গাজা সিটির পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা শুজাইয়া ও জয়তুনে যথাক্রমে একটি করে ভবনে আইডিএফের বোমা আঘাত হেনেছে। এতেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

আলজাজিরাকে হানি মাহমুদ জানান, আইডিএফের বোমার আঘাতে একটি ভবনে এক পরিবারের বাবা, মা এবং তিন সন্তানসহ পরিবারের সব সদস্য নিহত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গাজার ফিলিস্তিনিরা ব্যাপক আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন কারণ গাজায় এখনও যুদ্ধ পরিস্থিতি চলছে এবং আইডিএফের নিত্যদিনের সহিংসতায় ফিলিস্তিনিরা নিহত হচ্ছেন।

সূত্র: আল জাজিরা




তারেক রহমানের ৬১তম জন্মদিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৬১তম জন্মদিন বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর)। ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন। জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তিনি। 

তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, পোস্টার, ব্যানার লাগানো ও আলোচনা সভাসহ কোনও ধরনের আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান বা উৎসব পালন না করতে ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিএনপি’র সকল ইউনিটের নেতাকর্মীদেরকে দলটির পক্ষে থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যারা এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা ভাবছেন তাদের অর্থ দান করার জন্য বলা হয়েছে।

তারেক রহমানকে শৈশবে তার বাবা-মা তাকে ঢাকা সেনানিবাসের শাহীন হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভর্তি করিয়েছিলেন, যা তখন একটি ইংরেজি-মাধ্যমিক স্কুল ছিল, যেখানে কেবল সেনা সদস্যদের সন্তানদের জন্য উন্মুক্ত ছিল। তিনি তার মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট ও অনার্স-মাস্টার্স পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। স্নাতকোত্তর অধ্যয়নের জন্য, তিনি তার প্রিয় বিষয় হিসেবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে (আইআর) লেখাপড়া করেন।

তারেক রহমান ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলায় প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সদস্য হন। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনের সময় তিনি তার দলের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করেন।

দলের জাতীয় প্রচারণা কৌশল কমিটির সদস্য হিসেবে, তারেক রহমান তার মা যে পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন, তার নির্বাচনী প্রচারণার সমন্বয় সাধন করেছিলেন। পাঁচটি আসনেই তার (বেগম খালেদা জিয়া) বিশাল জয় প্রমাণ করে যে তিনি (তারেক রহমান) একজন সূক্ষ্ম সংগঠক হিসেবে ভবিষ্যতে দলের নেতৃত্বের ভূমিকা গ্রহণ করতে সক্ষম।