“ভুলের মুহূর্তেই আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন”

ইসলামিক ডেস্কঃ ইস্তিগফার তথা ‘ক্ষমা চাওয়া’ শব্দটি এসেছে আরবি ‘গাফারা’ শব্দমূল থেকে, যার অর্থ হলো ঢেকে দেওয়া বা গোপন রাখা। অর্থাৎ যখন আল্লাহ কোনো বান্দার পাপ ঢেকে দেন বা প্রকাশ করেন না, তখনই তিনি তাকে ক্ষমা করেন। পরিভাষায় ইস্তিগফার হলো—এমন একটি আবেদন, যেখানে বান্দা নিজের দ্বারা সংঘটিত পাপ ও সীমা লঙ্ঘনের জন্য আল্লাহর কাছে দয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করে। মুসলমানদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যার আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনার প্রয়োজন নেই—তার ঈমান যতই দৃঢ় হোক বা তার ধার্মিকতা যতই উচ্চমানের হোক না কেন।

এমনকি আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.)-ও প্রতিদিন বহুবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতেন। আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুল (সা.)  বলেছেন : ‘আল্লাহর কসম! আমি প্রতিদিন সত্তরবারেরও বেশি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছে তাওবা করি।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৩০৭)

আল্লাহ তাআলা সুরা নুহে বলেন, “অতঃপর আমি বললাম, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো; নিশ্চয়ই তিনি অতিশয় ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের জন্য আকাশ থেকে প্রাচুর্যে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি বৃদ্ধি করবেন, তোমাদের জন্য বাগান সৃষ্টি করবেন এবং প্রবহমান নদী প্রবাহিত করবেন। ” (সুরা : নুহ, আয়াত : ১০-১২)

অতএব, ইস্তিগফার শুধু পাপ মোচনের মাধ্যম নয়, বরং এটি বরকত, রিজিক, সন্তান-সন্ততি ও জীবনের প্রশান্তি লাভেরও এক অনন্য উপায়।

ইস্তিগফার পাপ মোচন ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যম

যখন কোনো মুসলমান পাপে লিপ্ত হয়, তারপর আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তখন আল্লাহ তাঁর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সেই পাপ মুছে দেন, যতক্ষণ না তার আমলনামা সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে যায়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর যে কেউ কোনো মন্দ কাজ করে বা নিজের ওপর অন্যায় করে, কিন্তু পরে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে দেখবে আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১১০)

ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের আল্লাহ ভালোবাসেন

আল্লাহ তাআলা ক্ষমা প্রার্থনাকারী বান্দাদের ভালোবাসেন, তাদের তাওবায় আনন্দিত হন এবং তাদের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। এমনকি তিনি ফেরেশতাদের কাছেও এই ক্ষমা প্রার্থনাকারী বান্দাদের নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং ভালোবাসেন যারা নিজেদের পবিত্র রাখে।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২২২)

ক্ষমা প্রার্থনা আল্লাহর শাস্তি থেকে মুক্তি ও শান্তির পথ

ক্ষমা প্রার্থনা করা শুধু একটি ইবাদত নয়, বরং এটি আল্লাহর শাস্তি ও কবরের আজাব থেকে মুক্তির এক নিরাপদ আশ্রয়। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে উদ্দেশ করে তাঁর উম্মতের জন্য সুসংবাদ দিয়ে বলেছেন, ‘আর আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন না, যতক্ষণ তুমি (হে নবী) তাদের মধ্যে উপস্থিত আছ এবং যতক্ষণ তারা ক্ষমা প্রার্থনা করে, ততক্ষণও আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন না।’ (সুরা : আনফাল, আয়াত : ৩৩)

ইস্তিগফার দুঃখ-কষ্ট ও উদ্বেগ দূর করার উপায়

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিয়মিতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ তাকে প্রতিটি দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন, প্রতিটি সংকট থেকে বের হওয়ার পথ দান করেন এবং এমন জায়গা থেকে রিজিক দান করেন, যেখানে সে কখনো আশা করে না।’ (আবু দাউদ, ইবনু মাজাহ)

অতএব, ইস্তিগফার একদিকে যেমন আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে, তেমনি জীবনের জটিলতা ও মানসিক ভার দূর করে দেয়।




“ইসলামের দৃষ্টিতে পানি: অপচয় নয়, সংরক্ষণই দায়িত্ব”

ইসলামিক ডেস্কঃ দুনিয়া ও আখিরাতের জীবনে পানির বিশিষ্ট ভূমিকা রয়েছে। যে কারণে পবিত্র কোরআনের ৪৬ স্থানে পানির বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। সুরা আরাফের ৫০ নম্বর আয়াতে পানিকে জান্নাতবাসীর জন্য নেয়ামত এবং জাহান্নামিদের জন্য শাস্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পানিকে অতীতেও আল্লাহ অনুগত বান্দার জন্য পুরস্কার এবং অবাধ্যদের জন্য শাস্তির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন। হজরত ইব্রাহিম (আ.) এবং তাঁর পুণ্যবতী স্ত্রী হাজেরার পুণ্যবান সন্তান ইসমাইল (আ.)-এর জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল জমজম কূপ। দুনিয়ায় আল্লাহ রব্বুল আলামিনের বিস্ময়কর নিদর্শনগুলোর মধ্যে জমজম কূপ অন্যতম। প্রায় ৫ হাজার বছর আগে অলৌকিকভাবে পবিত্র কাবা ঘরের সন্নিকটে এ বরকতময় কূপটির সৃষ্টি হয়। আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) প্রিয়তমা স্ত্রী হাজেরা ও দুগ্ধপোষ্য শিশু ইসমাইল (আ.)-কে জনমানবহীন প্রান্তরে নির্বাসনে দেন। স্ত্রী ও পুত্রের জন্য সামান্য পানি ও কিছু খেজুর মক্কার মরু প্রান্তরে রেখে যান। ইব্রাহিম (আ.) চলে যাওয়ার পর হাজেরা (আ.) সন্তানকে বুকে ধারণ করে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে নির্জন প্রান্তে থাকেন। খাদ্য-পানীয় ছাড়া তিনি বেশ কিছু দিন কাটান। বুকের দুধ নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার পর ইসমাইল (আ.) যখন ক্ষুধায় কাতর হয়ে ছটফট করছিলেন, তখন হজরত হাজেরা (আ.) দুগ্ধপোষ্য শিশুর জীবন বাঁচানোর জন্য একবার সাফা পাহাড়ে আরেকবার মারওয়া পাহাড়ের ওপর ছোটাছুটি করেন পানির খোঁজে। কোথাও পানি না পেয়ে তিনি যখন ক্লান্ত শ্রান্ত তখন হঠাৎ দেখতে পান ইসমাইল (আ.)-এর পায়ের আঘাতে পানির ফোয়ারা উথলে উঠছে। চারদিকে তিনি বালু ও পাথর দিয়ে পানির প্রবাহ থামান। সেই কুদরতি পানির ঝরনা ধারাটিই জমজম কূপ।

একইভাবে হজরত নুহ (আ.)-এর অবাধ্য কওমের জন্য নাজিল হয়েছিল শাস্তি হিসেবে ভয়াবহ প্লাবন। যে প্লাবনে অবিশ্বাসীদের সবাই পানিতে ডুবে মারা যায়। ফেরাউন ও তার সৈন্য দলের পানিতে ডুবে মারা যাওয়াও আল্লাহর তরফ থেকে আসা শাস্তি। দুনিয়াদারির জীবনে পানি এমন এক অপরিহার্য জিনিস যা ছাড়া জীবনধারণের কথা কল্পনা করাও কঠিন। পানি ইবাদতেরও অন্যতম অনুষঙ্গ। আল্লাহর ইবাদতের জন্য বান্দাকে পবিত্রতা অর্জন করতে হয়। পবিত্রতা অর্জনে পানির ব্যবহার সুবিদিত। মানবজীবনেই শুধু নয়, পৃথিবীতে জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে পানির অবদান অনস্বীকার্য।

আখিরাতের জীবনে পানি জান্নাতবাসীকে উপহার দেওয়া হবে ও জাহান্নামবাসীকে শাস্তি হিসেবে পানি থেকে দূরে রাখা হবে। জাহান্নামবাসী ভয়াবহ কষ্টে পানির পিপাসায় পড়ে জান্নাতিদের কাছে পানি চাইবে, কিন্তু তাদের পানি দেওয়া হবে না। আল্লাহ বলেন, ‘জাহান্নামবাসী জান্নাতবাসীকে ডেকে বলবে, আমাদের ওপর কিছু পানি বা খাদ্য ফেলে দাও বা আল্লাহ তোমাদের যা দিয়েছেন তা থেকে, তারা বলবে আল্লাহ এ দুটি অবিশ্বাসীদের জন্য নিষিদ্ধ করেছেন।’ (সুরা আরাফ, আয়াত ৫০)। পানি বর্তমান বিশ্বে ব্যাপকভাবে অপচয় হচ্ছে। পানি যেহেতু আমাদের জন্য বিশাল এক নেয়ামত সেহেতু মহান আল্লাহ পানির অপচয় করা নিষেধ করেছেন। পানির অপচয় ইসলামের দৃষ্টিতে এক মারাত্মক গর্হিত কাজ। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আহার কর ও পান কর কিন্তু অপচয় কর না, তিনি অপচয়কারীকে পছন্দ করেন না।’ (সুরা আরাফ, আয়াত ৩১)।

ইসলামে পানির সদ্ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পানি যেহেতু মহান আল্লাহর নেয়ামত, সেহেতু পানির সংরক্ষণ এবং এর সদ্ব্যবহার মুমিনদের জন্য অবশ্য পালনীয়। এমনকি অজু করার সময়ও যাতে পানির অপচয় না হয় সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। ইবনে মাজাহ শরিফের হাদিসে বলা হয়েছে : ‘সাহাবি হজরত সাদ বিন আবু ওয়াক্কাস (রা.) একদিন বসে অজু করছিলেন। এমন সময় রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তার পানির ব্যবহার দেখে তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, এত অপচয় কেন? সাহাবি জিজ্ঞাসা করলেন অজুর মধ্যে কি অপচয় হয়? রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। এমনকি নদীর পাশে বসেও অজু করার সময় (পানি অযথা খরচ করলে অপচয় হিসেবে গোনাহ হবে)। পানি কীভাবে পান করতে হবে সেই আদব মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) শিক্ষা দিয়েছেন। বসে ডান হাত দিয়ে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে পানি পান করা সুন্নত। তিন শ্বাসে পানি পান করা উত্তম। রসুল (সা.) পানি সম্পর্কে যে শিক্ষা দিয়েছেন সেগুলো শুধু সুন্নত নয়, বরং এর প্রতিটিতে রয়েছে শরীর সুস্থ রাখার নিদর্শন। রসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা পানির পাত্র ঢেকে রাখ এবং বাসনগুলো উল্টে রাখ।’ (মুসলিম)। আল্লাহ আমাদের পানির সদ্ব্যবহারের তৌফিক দান করুন।




“উইন্ডিজকে উড়িয়ে সিরিজ জিতল নিউজিল্যান্ড”

খেলাধুলা ডেস্কঃ পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতল নিউজিল্যান্ড। সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচের ফলাফল এসেছিল শেষ ওভারে। চতুর্থ ম্যাচ পরিত্যক্ত হয় বৃষ্টিতে। শেষ ম্যাচে লড়াই জমাতেই পারল না ক্যারিবিয়ানরা।

ডানেডিনে আজ বৃহস্পতিবার ক্যারিবিয়ানদের ১৪০ রানে আটকে রেখে কিউইরা জিতে যায় ২৬ বল বাকি রেখে। ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা জেকব ডাফি। ১০ উইকেট নিয়ে সিরিজের সেরাও এই পেসারই।

ক্যারিবিয়ানদের শুরুর ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা দূর করতে এ দিন তিন নম্বর ছেড়ে ওপেন করেন শেই হোপ। তবে ও ছক্কা-চার মেরেই তিনি বিদায় নেন। শুরুটা যদিও আলিক আথানেজকে দিয়ে। ১২ রানের প্রথম ওভারের পর দ্বিতীয় ওভারেই ফেরেন আথানেজ। এরপর তৃতীয় ওভারে ডাফি শিকার করেন তিন উইকেট! শর্ট বলে বড় শটের চেষ্টায় ফেরেন হোপ, মুভমেন্ট ও গতিতে বোল্ড হন আকিম ওগিস, বাজে শটে শূন্য রানে ফেরেন শেরফেন রাদারফোর্ড। এই নিয়ে চার ইনিংসে তৃতীয়বার শূন্যতে ফিরলেন রাদারফোর্ড। সবশেষ ১২ ইনিংসে শূন্যতে আউট হলেন পঞ্চমবার।

২১ রানে ৪ উইকেট হারানো ওয়েস্ট ইন্ডিজ সেভাবে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি। মিডল অর্ডারে কেবল রোস্টন চেইস ৩২ বলে ৩৮ রান করলেও অন্যরা দাঁড়াতে পারেননি। এক পর্যায়ে একশর নিচে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছিল তারা। আটে নেমে তিনটি করে চার ও ছক্কায় ২২ বলে ৩৬ রান করে দলকে ১৪০ রানে নিয়ে যান রোমারিও শেফার্ড।

ওই পুঁজি লড়াইয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি অনুমিতভাবেই। উদ্বোধনী জুটিতেই প্রায় অর্ধেক পথ পাড়ি দেয় নিউজিল্যান্ড। ৭ ওভারে ৬৯ রান তোলেন টিম রবিনসন ও ডেভন কনওয়ে। ২৪ বলে ৪৫ করে আউট হন রবিনসন। তিনে নেমে রাচিন রাভিন্দ্রা আউট হন ১৬ বলে ২১ করে। তবে কনওয়ে অপরাজিত রয়ে যান ৪২ বলে ৪৭ রান করে। শেষ দিকে দুটি ছক্কায় ম্যাচ দ্রুত শেষ করে দেন মার্ক চ্যাপম্যান (১৩ বলে ২১)। দুই দল এখন লড়বে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে। ক্রাইস্টচার্চে সিরিজটি শুরু আগামী রবিবার, পরের দুই ম্যাচ নেপিয়ার ও হ্যামিল্টনে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৮.৪ ওভারে ১৪০ (হোপ ১১, আথানেজ ১, ওগিস ৮, চেইস ৩৮, রাদারফোর্ড ০, পাওয়েল ১১, হোল্ডার ২০, শেফার্ড ৩৬, ফোর্ড ০, স্প্রিঙ্গার ৯*, সিলস ০; ডাফি ৪-০-৩৫-৪, জেমিসন ২-০-১৩-১, নিশাম ৩.৪-০-৩১-২ ব্রেসওয়েল ২-০-১৪-১, সোধি ৪-০-২৯-১, স্যান্টনার ৩-০-১৬-১)।

নিউজিল্যান্ড: ১৫.৪ ওভারে ১৪১/২ (রবিনসন ৪৫, কনওয়ে ৪৭*, রাভিন্দ্রা ২১, চ্যাপম্যান ২১*; ফোর্ড ৩-০-১৭-০, সিলস ৩-০-৪১-০, হোল্ডার ২-০-২৩-০, চেইস ৩-০-২৮-০, শেফার্ড ২.৪-০-২১-১, স্প্রিঙ্গার ২-০-৮-০)।

ফল: নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে জয়ী।

সিরিজ: পাঁচ ম্যাচ সিরিজে নিউ জিল্যান্ড ৩-১ ব্যবধানে জয়ী।

ম্যান অব দা ম্যাচ: জেকব ডাফি।

ম্যান অব দা সিরিজ: জেকব ডাফি।




ঘুষের অভিযোগে শাস্তি পেলেন নাজিরপুরের সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা হেনেয়ারা বেগম

পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসা. হেনেয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বেতন স্কেল নিম্নতর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার (১০ নভেম্বর) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়, যা বুধবার এলাকায় জানাজানি হয়।

মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় তদন্তে হেনেয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়। তবে তিনি নবীন কর্মকর্তা হওয়ায়, তুলনামূলক হালকা শাস্তি হিসেবে তার বেতন স্কেল দুই বছরের জন্য নিম্নতর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নাজিরপুরে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই হেনেয়ারা বেগম নানা অজুহাতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে ঘুষ দাবি করতেন। ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একবার এক শিক্ষককে গ্লাস ছুঁড়ে মারার ঘটনাও ঘটে বলে জানা যায়। এমনকি ঘুষ দাবি সংক্রান্ত তার এক অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে হেনেয়ারা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় শুনে ফোন কেটে দেন এবং পরে আর ফোন রিসিভ করেননি।

নাজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাকিম জানান, হেনেয়ারা বেগম দায়িত্ব হস্তান্তর না করেই বদলিকৃত কর্মস্থলে চলে যান। পরে পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বক্তিয়ার রহমানের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ সম্পন্ন হয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বক্তিয়ার রহমান বলেন, “নাজিরপুরের সাবেক উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোসা. হেনেয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বেতন স্কেল দুই বছরের জন্য নিম্নতর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি মাগুরার শালিখা উপজেলায় কর্মরত আছেন।”




“অ্যাশেজের আগে ইনজুরিতে ভুগছে ইংল্যান্ড শিবির”

খেলাধুলা ডেস্কঃ অ্যাশেজ সিরিজের আগে নতুন করে ইনজুরির আতঙ্ক ছড়িয়েছে ইংল্যান্ড শিবিরে। অভিজ্ঞ পেসার মার্ক উড বাম হ্যামস্ট্রিংয়ে টান পেয়েছেন ইংল্যান্ড লায়নসের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনেই।

বৃহস্পতিবার পার্থের লিলাক হিল মাঠে শুরু হয় এই প্রস্তুতি ম্যাচ। ফেব্রুয়ারিতে হাঁটুর ইনজুরির পর এটিই ছিল উডের মাঠে ফেরার প্রথম ম্যাচ। তবে দ্বিতীয় সেশনের মাঝপথে ব্যথা অনুভব করলে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন ৩৫ বছর বয়সী এই পেসার।

দলের চিকিৎসক দল জানিয়েছে, শুক্রবার উডের স্ক্যান করানো হবে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে শনিবার (তৃতীয় দিন) আবার বল হাতে নামতে পারেন তিনি।

উডের ইনজুরি ইংল্যান্ড দলের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত আগস্টে টেস্ট দলে শেষবার খেলার পর থেকে একের পর এক ইনজুরিতে ভুগছেন তিনি। হাঁটু ও কনুইয়ের সমস্যার কারণে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে ছিলেন, এমনকি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে পাওয়া হাঁটুর ইনজুরির পর অস্ত্রোপচারও করাতে হয় তাকে। এবার নতুন করে হ্যামস্ট্রিংয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে একই পায়ে।

ইতিবাচক খবর হলো, অধিনায়ক বেন স্টোকস দীর্ঘ বিরতির পর বোলিংয়ে ফিরেছেন। ভারতের বিপক্ষে শেষ টেস্টে কাঁধের ইনজুরির কারণে না খেলা স্টোকস এদিন প্রথম দুই সেশনে দুর্দান্ত বোলিং করে চারটি উইকেট নিয়েছেন।

অন্যদিকে, প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া দলেও ইনজুরির খবর রয়েছে। অধিনায়ক ও প্রধান পেসার প্যাট কামিন্স পিঠের ইনজুরির কারণে প্রথম টেস্টে খেলতে পারবেন না, তবে আরেক পেসার জশ হ্যাজলউড হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে ফিরেছেন স্কোয়াডে।




“কার্ডিফে পর্দা উঠবে ইউরো ২০২৮-এর, ফাইনাল ওয়েম্বলিতে”

খেলাধুলা ডেস্কঃ ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই ২০২৮ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হবে আগামী ৯ জুন কার্ডিফে, আর এক মাস পর ৯ জুলাই লন্ডনের ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে রোমাঞ্চকর ফাইনাল। বুধবার টুর্নামেন্টের সূচি ও ভেন্যুর বিস্তারিত ঘোষণা করেছে উয়েফা।

এই প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও আয়ারল্যান্ড যৌথভাবে আয়োজন করছে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ১৮তম আসর। মোট ২৪টি দল অংশ নেবে টুর্নামেন্টে, আর অনুষ্ঠিত হবে ৫১টি ম্যাচ আটটি শহরে: লন্ডন, কার্ডিফ, ডাবলিন, বার্মিংহাম, গ্লাসগো, লিভারপুল, ম্যানচেস্টার ও নিউক্যাসল।

প্রায় ৯০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম থাকবে টুর্নামেন্টের কেন্দ্রবিন্দুতে। সেখানে হবে শুধু ফাইনাল নয়, দুটি সেমি-ফাইনাল ও একটি কোয়ার্টার-ফাইনালও। শেষ আটের বাকি তিনটি ম্যাচ আয়োজন করবে ডাবলিন, গ্লাসগো ও কার্ডিফ। তবে শেষ ষোলোর কোনো ম্যাচ হবে না ওয়েম্বলিতে, সে পর্বের ম্যাচগুলো ভাগ করে দেওয়া হবে অন্য ভেন্যুগুলোর মধ্যে।

উয়েফা জানিয়েছে, ম্যাচগুলো শুরু হবে তিনটি ভিন্ন সময়সূচিতে: বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা, রাত ১১টা ও রাত ২টা।

২০২৬ সালের ৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ইউরো ২০২৮-এর বাছাইপর্বের ড্র, বেলফাস্টে।

গত আসরে রানার্স-আপ হয়েছিল ইংল্যান্ড, তবে এবার তারা আয়োজক হিসেবেও বড় ভূমিকা পালন করবে। আগের ইউরোতে গ্রুপ পর্বেই বিদায় নেয় স্কটল্যান্ড, আর ওয়েলস ও আয়ারল্যান্ড বাদ পড়ে বাছাইপর্বে।

উয়েফার হিসাব অনুযায়ী, এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের ফলে ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডের অর্থনীতিতে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন পাউন্ডের বেশি সুবিধা যুক্ত হবে। এর মধ্যে থাকবে নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি, পর্যটন আয় বৃদ্ধি ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।




কুষ্টিয়ায় সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কুষ্টিয়ায় আলোচিত সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম এবং তার স্ত্রী বানু ইসলামের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. বুলবুল আহমেদ বুধবার (১২ নভেম্বর) মামলাগুলো দায়ের করেন। তদন্তে উঠে এসেছে, হাজী রবিউল ইসলাম তার আয়-ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীনভাবে বিপুল সম্পদ গোপন করেছেন এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূতভাবে কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

প্রথম মামলায় তার বিরুদ্ধে ৩৭ লাখ টাকার সম্পদ গোপন এবং আরও ১ কোটি ৯১ লাখ ৬১ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের তদন্তে দেখা যায়, তার ঘোষিত সম্পদের তুলনায় বাস্তবে অর্জিত সম্পদের পরিমাণ অনেক বেশি।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় মামলায় তার স্ত্রী বানু ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে, স্বামীর প্রভাব ও ক্ষমতা ব্যবহার করে ঘুষ ও অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৪২ লাখ ৮২ হাজার ৩০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ তিনি অর্জন করেছেন।

দুদক জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাগুলো বর্তমানে প্রাথমিক তদন্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানায় সংস্থাটি।




প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে জুলাই সনদ লঙ্ঘিত হয়েছে: সালাহউদ্দিন আহমদ

প্রধান উপদেষ্টা ভাষণের মাধ্যমে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ নতুন ধারনা। ঐকমত্য কমিশনে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়নি।

এদিকে দুপুরে জাতীয় উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আদেশে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিধান গ্রহণ করা হয়েছে। 

এর মধ্যে রয়েছে, সনদের সংবিধান বিষয়ক সংস্কার প্রস্তাবণার ওপর গণভোট এবং পরবর্তী সময়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত। গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ‘হ্যাঁ’ সূচক হলে নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন হবে। এই প্রতিনিধিরা একইসাথে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করবে। এরপর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচনে পাওয়া ভোটের সংখ্যানুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে। এর মেয়াদ নিম্নকক্ষের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত হবে।




দেশে এই মুহূর্তে গৃহযুদ্ধের ভাব বিরাজ করছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশে এই মুহূর্তে ‘গৃহযুদ্ধের ভাব বিরাজ করছে’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বুধবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে স্বাস্থ্য পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীদের যৌথ মঞ্চের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জামায়াতসহ আট দল দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরবেন বলে আশা করি। আর গণভোট বাংলাদেশে হবেই। বিএনপি ১০০ বছর অপেক্ষা করলেও গণভোট ঠেকাতে পারবে না।

বিএনপি চাঁদাবাজি ও মামলাবাজি করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শোনা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নাকি মামলা তুলে নেওয়া হবে। এক বছরে টাকার বিনিময়েতো সব মামলা তুলেই নেওয়া হয়েছে, সেটার স্বীকৃতি দিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আর বিএনপির এক বছরের সফলতা চাঁদাবাজি আর মামলাবাজি। এছাড়া আর কোনো সফলতা নেই, এই সফলতা নিয়েই জনগণের কাছে ভোট চাইবেন?

সংস্কার চান জানিয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য সংস্কার চেয়েছিলাম। কিন্তু একটি দল বেরিয়ে গেছে এই প্রক্রিয়া থেকে। দেশের একটা বড় জেনারেশন সংস্কার চায়। জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চায়, সেটাকে অবশ্যই সম্মান করতে হবে।

বিএনপিকে সংস্কারের পথে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া জনগণের পালস ধরতে পেরেছিলেন। তাই দেশের হাল ধরতে পেরেছিলেন। কিন্তু এখন যারা আছেন বিএনপিতে, তারা জনগণের পালস বোঝেন না। তাই তাদের প্রতি আহবান, ইগো না রেখে সংস্কারের পথে আসুন।

সরকারের সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন বলেন, এখন সবচেয়ে বড় সংকট রাষ্ট্র, জনগণ থেকে সরকারের বিচ্ছিন্নতা ও দূরত্ব। ইউনূস সরকার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একা চলা শুরু করেছে। পুলিশ দিয়ে পিটিয়েছে আন্দোলনকারী শিক্ষক, চিকিৎসক ও নার্সদের। এখন সবার একটাই প্রশ্ন, সংস্কার প্রয়োজন আছে, নাকি নাই। রাষ্ট্রের যে ফ্যাসিবাদি সিস্টেম, সেভাবে একটি দেশ চলতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব হলো, যে মানুষগুলো বঞ্চনার শিকার হয়েছেন এতদিন, তাদের অধিকার নিশ্চিত করা। সরকারের চেয়ারে বসা মানে জনগণের যে দাবিগুলো আছে, সেগুলো জনগণকে বুঝিয়ে দেওয়া। তাই সরকারের প্রতি আহ্বান, জনগণকে একটি স্বাস্থ্য কাঠামো দিন।

নাসীরুদ্দীন বলেন, কালকে নাকি আওয়ামী লীগের লকডাউন। কাল সকল দল মাঠে থাকবে। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসকে ঠেকাতে হাসনাত আবদুল্লাহ একাই যথেষ্ট।




মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের নতুন রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লেট। 

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে আসেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।

বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎকালে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।